এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৩৩318211
  • বিদেশ নামক স্বর্গভূমিতে (পশ্চিম ইউরোপ।অস্ট্রেলিয়া/আমেরিকা/ ক্যানাডা) যাবে। কিন্তু ঘটে বুদ্ধিশুদ্ধি নেই। পড়াশুনায় ভালো নয়। সুতরাং সম্বন্ধ শুধু এন আর আই দের সাথেই হবে, এরকম মহিলা দেখেছি দু চাট্টে।
  • | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২২:১৩318209
  • অপ্পন, আমি যে সম্বন্ধ করে বিয়ের প্রহসন দেখেছি,সেটা আজ থেকে ৩০ বছর আগের। আমার বাড়িতেই অনেক মহিলা স্কুলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বিয়ের কারণে। তাদের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করার জায়গায় আমি নেই, কারণ বহু বছর আগের পরিস্থিতি বিচার করতে চাই না,প্লাস কেউ কেউ দুনিয়াতেও নেই। শুধু এইটুকু টের পাই, এখনো সো কল্ড কালো মেয়েদের বিয়ে হওয়ার সমস্যা আছে, চাকরি করলেও আছে(রং, বয়েস সবই মেয়েদের বিপক্ষে যেতে পারে)। না করলে আরো বেশি আছে। চাকরি করার পরেও বিয়ে না হওয়াতে প্রচন্ড হতাশাও দেখেছি। ভাইবোনের ছেলেপিলে বড় করে তাদের কাছে নির্যাতিত হওয়াও আছে। আর্থিক স্বাধীনতা খুব জরুরি। তার সঙ্গে স্বাধীন চিন্তাভাবনা করার ক্ষমতাটাও দরকার। সেটাও মানুষ করার সময় মগজে ঢোকানো দরকার। নইলে চাকরি করেই খুব একটা লাভ হবে না।মনটা বদলানো টাও দরকার।
  • pi | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২২:০৪318208
  • আমি আম্রিগার কথা বলেছিলাম। ইউরোপ বা অন্য বিদেশের এসব কথা জানা ছিল না। থ্যাম্কু।
  • aka | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২২:০১318207
  • ছাগল কেন? কুকুর নয় কেন? ছাগলদের ওপর রেসিয়াল ডিসক্রিমিনেশনের তীব্র প্রতিবাদ করলাম।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:৫২318206
  • "বিদেশীদের মধ্যে তো বোধহয় এরকম নেগোসিয়েশন ম্যারেজ নেইই"!!! বলে কীরে? প্রচুর দেখেশুনে বিয়ে। ইয়োরোপের গ্রামগুলোয় কেবল দেখেশুনে বিয়ে। অনেক ফ্যাকড়া। ধর্ম, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, ইঃ। আবার এশিয়ার বিদেশগুলোতেও নেগোসিয়েশন ম্যারেজ ভর্তি। আফ্রিকাতেও তাই। আরব দেশেও তাই। চীনেও প্রচুর। কোথায় নেই? অ্যামেরিকার ব্যাপারটা জানিনা যদিও।
  • pi | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:৩৮318205
  • মেয়েদের ক্ষেত্রে কয়েকটা ফ্যাক্টর এখনো বেশ কাজ করে দেখেছি। রূপ, রঙ, বয়স। এর মধ্যে বয়সটা বোধহয় ইরেসপেক্টিভ অব চাকরিও কাজ করতে পারে। নাকি এটা বিদেশ বলে হচ্ছে জানিনা। আমারই এক বন্ধু, পোস্ট ডক করছে আম্রিগায়। অনেক জায়গাতেই আটকে যাচ্ছে বয়সের কারণে। বিদেশে সেটলড বেশিরভাগ ছেলেদেরই ডিমান্ড নাকি বয়সে অনেক বা খানিক ছোট মেয়ে।
    প্লাস মেয়েদের বয়স বেশি হলে মা হতে অসুবিধে হবে, এটাও বলা হয়ে থাকে। আমার বন্ধুকেই বলা হয়েছে। আম্রিগার এক এন আর ই পরিবারে ছেলের মায়ের প্রথম বক্তব্য ছিল, এক বছরের মধ্যেই তোমায় মা হতে হবে কিন্তু।
    তবে হ্যাঁ, মেয়েটির দিক থেকেও ডিমাণ্ড অনেক কিছুই রয়েছে, বা বলা ভাল, নানা কিছু নিয়ে খুঁতখুতানি।

    আচ্ছা,বিদেশীদের মধ্যে তো বোধহয় এরকম নেগোসিয়েশন ম্যারেজ নেইই, যারা প্রেমে পড়লো না, তারা কী করে ? ডেটিং সাইট ? কিন্তু সেখানেও মনোমত, পছন্দ না হলে ?

    এই বলতে গিয়ে মনে হল, এই ডেটিং সাইট টাইটগুলোকে কী বলব ? অ্যারেঞ্জড আর প্রেম করে বিয়ের মাঝামাঝি কিছু, সেমি-অ্যারেঞ্জড ?
    আর তাতেই মনে হল, তথাকথিত অনেক প্রেমের কেসেও কিন্তু অনেক হিসেব নিকেশ দেখেছি, বা র‌্যাদার হয়, একথা শুনেছি। মেয়ের দিক থেকে ছেলের চাকুরি বা বিদেশযাত্রা সম্ভাবনা, ছেলের দিক থেকে রূপ। যাদবপুরের মেয়েদের হোস্টেলে এটা একটা আলোচনার হট টপিক ছিল, 'সেট' প্রেম। ইঞ্জিনীয়ারিং ছেলে-আর্টস মেয়েদের প্রেম শুধুই সংখ্যাগ কারণে বেশি হত না, এই ক্রাইটেরিয়া ম্যাচিং এও বেশি হত, একথা শুনেছি। বিশেষ করে, কলেজ লাইফের শেষের দিকের প্রেমগুলি, যেগুলো বিয়ে অব্দি যেত। একটা চালু কথা ছিল, প্রথম দিকের প্রেম গুলো, যেখানে এসব হিসেব নিকেশ নেই, ভাল লেগে গেল-প্রেমে পড়ে গেল, সেগুলো ফার্স্ট সেকেন্ড ইয়ারের খেলাধুলো, ফাইনাল ইয়ারে ফাইন্যালি দেখেশুনে হিসেব টিসেব কষে প্রেম। এগুলো শুনেছি, কারণ খুবই চালু কথা ছিল, মেয়েদের মধ্যেই। হোস্টেলে। এগুলোর আরো কী কী টার্ম ছিল, ভুলে গেছি।
    নবনীতা দেবসেনের একটা লেখাও বোধহয় পড়েছিলাম মনে হচ্ছে, প্রেমের হিসেবনিকেশ নিয়ে।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:২৬318204
  • পুরো তুলে দেবার মতো ডিক্টেটরশিপের দরকার কী? ধর্মও থাকুক, কুমীরও থাকুক।
  • | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:২৩318203
  • সরি সরি। বিয়ে উঠে গেলে বিবাহ বিচ্ছিন্ন/বিচ্ছিন্না কী করে হবে..
  • | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:২১318202
  • বিয়ে তুলে দিলে ওভাল অল চাপ আরো বাড়বে বলে মনে হয়। বিবাহ বিচ্ছিন্ন/বিছিন্না রা আগের থেকে একটু বেশী হলেও এখনো তেমন ভাবে আমাদের সমাজে বোধ্হয় গ্রহণযোগ্য নয়।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:১৩318201
  • ঐ প্রাগৈতিহাসিক প্রথাই তুলে দেবারও অনেক এফেক্ট আছে। সেদিনই গল্প করছিলাম বোতীনকে।
  • cm | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:১১318200
  • বিয়ের মতন প্রাগৈতিহাসিক প্রথাই তুলে দেওয়া দরকার। চারিদিকে স্বাধীন ছাগল ঘুরে বেড়াক।
  • pi | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:০৯318199
  • ওহো, নিচের পোস্টগুলো দেখিনি। হ্যাঁ, কিছুটা একই অভিজ্ঞতা। পাত্রপক্ষকে নানা অছিলায় রিজেক্ট করতে দেখেছি। মানে পছন্দ মাই হতে পারে, কিন্তু সেগুলো জানানোর পদ্ধতি বা যে কারণগুলো দেখানো হয়েছে, সেগুলো খুব সুবিধের লাগেনি।
  • pi | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:০৫318198
  • অনেক জায়গাতেই অবস্থা আগের মত নেই। মেয়েরা, এমনকি শ্যামলা মেয়েরাও অনেক নেগোসিয়েশন করার জায়গায় থাকে, এবং মেয়েদের দিক থেকেও ছেলেদের বিশাল চাকরি, রোজগার, নিজের বাড়ি থাকা জনিত বড়সড় ডিমান্ড দেখেছি, এই বছর তিন চার আগেই। পরিবারেই একজনের বিয়ে উপলক্ষ্যে। কাগজের পাত্র পাত্রী সংবাদে কতটা সেটা প্রতিফলিত হয় জানিনা, কিন্তু অনলাইন ম্যাট্রিমোনিয়ালের প্রোফাইলগুলো দেখলে মেয়ের বাড়ি থেকে ডিম্যান্ড কিছুটা বোঝা যায়, কথা এগোলে তো আরোই।
    তবে, এক্ষেত্রে সব ক'টি মেয়েই ছিল চাকুরিরতা। সেটা তফাত ক'রে দেয় হয়তো। কারণ পরিবারেই এখনো একটি উল্টো কেসও দেখে চলেছি, শ্যামলা মেয়ের বিয়ে নিয়ে বছরের পর বছর কোন ইতিবাচক রেজাল্ট নাই। এক্ষেত্রে মেয়েটি চাকরি না ক'রে কেবল ট্যুইশানি ক'রে, সেটাই তফাত ক'রে দিচ্ছে নাকি সে ঠিক শ্যমলাও নয়, কালো, সেটা নাকি তথাকথিত সুশ্রী নয়, সেটা জানিনা। আমার মনে হয়, চাকরিটা একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়, মেয়েদেরকে নেগোসিয়েশনে একটা শক্ত জনিতে থাকতে দেবার ব্যাপারে। চাকুরিরতা মেয়ে বিয়ে করতে চাওয়া ছেলেরা বরং বেশ চাপে থাকে দেখলাম।

    সিঁফো, বেশ লাগলো, থ্যাঙ্কু।
    আর বলা হয়নি, আগের দিনে দেওয়া লিং, রাগ চেনার জন্য, পরে আর খুঁজে দেখতে পারিনি আর দেখেছিলাম যখন চালাতে পারিনি, ফিল্ডে নেটের অবস্থা খারাপ ছিল। এখন আর মনে নেই কবে কোন পাতায়।
  • Arpan | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:০৩318197
  • মেয়েদের ছোটবেলা থেকে চাকরি করে সাবলম্বী হতে হবে এই মন্ত্র গজালের মত মাথায় পুরে দিলেই মঙ্গল।

    আর বিজ্ঞাপনে তো চাকুরীরতা মেয়ে চাই এরকম দাবী আজকাল ভালোই চোখে পড়ে (মামীর জন্য)।
  • kc | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২১:০১318196
  • সবথেকে হাইট দেখলাম বছর খানেক আগে। কথাবার্তা কিছুটা এগুনোর পর জানা গেল পাত্রের বাবা মদ খায়, ব্যস ক্যান্সেল।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:৫৭318195
  • সেরকম তো আছেই। যাদপ্পুরের ইঞ্জিনিয়ার পাত্র আইটি চাকুরিরত কোলকাতায় নিজ বাড়ি বাপ মা জীবিত অবিবাহিত বোন/দিদি নাই পাত্র একমাত্র সন্তান, তবু রিজেক্টেড। পাত্রীপক্ষের পাত্রর ফোটো পছন্দ হয় না।
  • kc | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:৪৯318194
  • এঁজ্ঞে, হাত কচলে বলি, উল্টোটাও দেখেছি খুব, গ্রাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া মেয়ে দেবনা, পাত্রের টাক, পাত্রের মায়ের শ্বেতী, পাত্রের উত্তরাধিকার সুত্রে নিজস্ব বাড়ি নেই, অবিবাহিতা বোন আছে, বিয়ের পর আলাদা বাসা হবার চান্স কম, পাত্র ভাত মাখার সময় পাঁচ আঙুলে মাখায়, জিব বের করে খায়, পাত্রের বাড়ির লোকেরা সবকিছু 'স' দিয়ে বলে, ,,,, বিয়ে ভেঙে গেছে।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:৪২318193
  • বহু প্রেমবিবাহেও তো নেগোসিয়েশন থাকে। থাকেনা কি? বাইরে থেকে সমান-সমান দেখালেও পুরোটা তেমন না ও হতে পারে। বরং সমান-সমান দেখানোর প্রচেষ্টাটাও কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেড়ে গেছে।
    আমার ইস্কুল জীবনের এক দিদিমনির বিয়ে ঠিক হলো। দেখেশুনে বিয়ে। পঁয়ত্রিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে বয়স, দেখে যা মনে হোতো। উনি খুব স্বাধীনচেতা ছিলেন, একটু বেশি বয়্সের বিয়ে। হিউম্যানিটিজের কোনো একটা বিষয় পড়াতেন, আমাদের কোনোদিনো ক্লাস নেন নি যদিও। সেই দিদির বিয়েতে ইস্কুলের অন্য টিচাররাও নিমন্ত্রিত ছিলেন। তিনজন দিদি এড়েদায় গেছলেন বিয়ের দিন। পাত্রীকে দেখে অপ্রকৃতস্থ মনে হয়। হঠাৎ কীরকম একটা রুক্ষ অ্যাবনরমাল বিহেভিয়ার। পাত্রীর মা ইস্কুলের দিদিদের বললেন, মেয়ের মাথাটা একটু গরম হয়ে গেছে। আরেকটু পরে বিয়ের লগ্ন, আপনারা ওকে একটু শান্ত করুন। মাথায় জল টল দিতে সাহস পাচ্ছি না। মেকাপ সব তুলে ফেলছে, কী অশান্তি বলুন দিকি! এত আয়োজন সমস্ত নষ্ট হবে। পাত্রীর ছোটোভায়ের অনেক আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। সে ও একবার বরযাত্রীকে সামলাচ্ছে, আরেকবার ভেতরে এসে সিচুয়েশন বুঝে যাচ্ছে। বরযাত্রী যেন টের না পায়। সে লগ্নে বিয়ে কিন্তু হলো না, গভীর রাতের একটা লগ্ন নাকি ছিলো, সেই লগ্নে শেষে প্রায় জোর করেই দিদিমনির বিয়ে হলো। এলজন টিচার দিদি বাধ্য হয়ে সেরাতে থেকে গেছলেন পাত্রীকে ঠাণ্ডা করতে।
    পাত্রী তাও বেঁকে বসেছিলেন বেশ কিছুদিন। বৌভাতের দিন নাকি ফের মাথা গরম হয়ে গেল। সেদিন স্কুলের কেউ যায় নি, কিন্তু খবর পরে এসেছিলো। বৌভাতের পরদিন পাত্রী স্কুলে এসে উপস্থিত। ক্লাস নিচ্ছেন। সবাই বুঝল মাথা ঠাণ্ডা হয়েছে। কিন্তু শ্বশুরবাড়ী যেতে আর চান না। প্রায় মাস দুয়েক বাপের বাড়ীতেই ছিলেন। শেষে সিনিয়র টিচারেরা অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে শ্বশুরবাড়ী পাঠান ওঁকে। তখন শ্বশুরবাড়ীও খুব একটা ভালো ওয়েলকাম দেয় নি ওঁকে।
    এই হচ্ছে নেগোসিয়েশনের বিয়ে। সবাই বলল দ্যাখো শ্বশুরবাড়ী কতো আন্ডারস্ট্যান্ডিং, মেয়ের মাথার সমস্যা আছে জেনেও, অ্যাকসেপ্ট তো করল। ইস্কুলের টিচাররা বলল, বাব্বাঃ ইস্কুলে কিন্তু ওর এই মেন্টাল প্রব্লেম কিচ্ছু বোঝা যায় না। বাইরে থেকে কিছুই বুঝবার উপায় নেই।
    এর পরের গল্প হয়ত কোনোদিনো জানতেই পারতাম না। টিচার দিদিটির নামও ভুলে গেছলাম, কিন্তু কয়েক বছর আগে ঘটনা চক্রে এক ভদ্রলোকের সঙ্গে আলাপ হলো যিনি ঐ দিদির আপন ভাই। একথা সেকথার পরে জানা গেল আমি যে ইস্কুলে পড়েছি, ওঁর দিদি সেই ইস্কুলেরই টিচার ছিলেন এখন রিটায়ার করেছেন। কী নাম দিদির? ওমা! তাই? ওঁর বিয়ের সময়তো উনি ইস্কুলেই পড়াতেন।
    এবার ভাইটি হঠাৎ সব খুলে বলেন। হ্যাঁ। দিদি খুব বেশি শ্বশুরবাড়ী থাকে নি। আমাদেরই দোষ। একটু বেশি বয়সের বিয়ে তো, তাই আমরা গোপনে পন দিয়ে বিয়ে দিচ্ছিলাম, লাস্ট মোমেন্টে সেটা জানতে পেরে দিদি গোঁ ধরে বসে যে কিছুতেই বিয়ে করবে না। কিন্তু শেষে রাজি করানো হয়। দিদি খুব স্বাধীনচেতা তো, তাই পনের বিয়ে কিছুতেই মেনে নিতে পারে নি। বিয়েটা সেরকম সাকসেসফুল হোলো না আর।
  • | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:৩৪318192
  • দেখতে আসার আগে যে অসম্ভব উৎকন্ঠা,দুশ্চিন্তা থাকে পাত্রীর সেটা ছোটবেলায় দেখেছি। দেখে চলে যাবার পর আশংকায় কাঁটা হয়ে থাকা। আবার রিজেকশান। বসে মিষ্টি খেয়ে মামুলি দুচারটে প্রশ্ন করে চলে গেলো, মানে নাকচ। খুঁটিয়ে অনেক প্রশ্ন, বাজিয়ে দেখছে-আশা আছে হয়তো। বাড়ি গিয়ে মহিলাদের সঙ্গে আলোচনা করে জানাবোর যা মানে, মেজ মেয়ে দিল্লি থেকে ফিরলে একবার দেখে যাবের একই মানে কিনা তাই নিয়ে বাড়িতে বড়দের আলোচনা।ওমা, যে ছবি দিয়েছিলেন,তার সঙ্গে মেয়ের রং এর তো অনেক তফাৎ। খুঁটিয়ে ভালো করে দেখা তো কর্তব্যই, আর অনেক দেখা। ছুটির বিকেলে বাড়ি বাড়ি ঘুরে রোজ প্লেটভর্তি মিষ্টি। মেয়ের ছোটবোন যেন কাছে না আসে,ওর গায়ের রংয়েই বাজার ঘুরে যাবে। বেশি না, তিনটে বোন, পার করতে না পারলে দাদাদের বিয়ে আটকে আছে- এইসব তো নিজের চোখেই দেখা। পরিবার ছোট হওয়া ছাড়া খুব কি বদলেছে কিছু? যারা নিজে পছন্দ করে বিয়ে করে নি/করতে পারেনি-তাদের এখন কি অবস্থা? পাত্রপাত্রীর বিজ্ঞাপন দেখে তো মনে হয় একই আছে। বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের সেই সব উজ্জ্বল শ্যামলা মেয়েরা, হলুদ শাড়িতে যাদের বেশ মানায়- তারা কি এখনো একই রকম নেই?
  • TB | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:১৬318191
  • মানে, পেমেন্ট -এর কারেন্সি খুব ডিফারেন্ট হবে ক্ষেত্রবিশেষে
  • TB | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:১৫318190
  • সব নেগোসিয়েসানেই একটা নন-কোয়ান্টিফায়েবেল এলিমেন্ট থাকে যেটা ঐ "সমান-সমান" ব্যাপারটা করে দেয়!
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ২০:০৮318189
  • অ্যাতোটা করা কিন্তু রিয়েল লাইফে সম্ভব হয় না। একটু আগেই লিখলাম যে এ সমস্ত নিয়ে আমার কিছু পার্সোনাল এক্সপিরিয়েন্স আছে। সেসব মনে পড়ে যাচ্ছে। খুব জটিল সমীকরণ। অ্যাতো সহজ নয়। ইকুয়ালিটির ব্যাপারটা এখানে খাটে না।
    "যেখানে পেমেন্ট উভয় পক্ষ সমান সমান করবে" --নেক্সট টু ইমপসিবল। পাত্রপক্ষ রাজি হবে না। পাত্রীপক্ষও এরকম অপশন আনবে না।
  • sm | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:৫৭318188
  • খবর টা পড়ে আশ্চর্য্যের কিছু নেই।এটা হচ্ছে নেগশিয়েষণ বিয়ের সাইড এফেক্ট। অনেকটা ব্যবসার মতন ব্যাপার। আপনি খপরের কাগজে এড দিলেন; এরকম পাত্র চাই।চাকুরিজীবী, সু উপায়ী,ইত্যাদি প্রভৃতি।
    পাত্র পক্ষও দেখে নিতে চায়; ওধার থেকে কতটা বাগিয়ে নেওয়া যায়।ফর্সা, সুন্দরী, বাবার পয়সা ইত্যাদি। যদি দেখা যায়,পাত্রী শ্যামলা,তাহলে অন্য ক্রাইটেরিয়া গুলো আরো বেশি করে ডিমান্ড করবে।
    প্রশ্ন হচ্ছে পুরো ব্যাপার টাই ভীষণ রকম হিউমিলিয়েতিং; অন্তত পাত্রী পক্ষের দিক থেকে।মনে রাখতে হবে উভয় পক্ষই বাঙালি ফ্যামিলি।পাত্র পক্ষের ফ্যামিলিতে, দিদি,বোন, মাসি, পিসির বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কেউই হোলিয়ার দ্যান দাউ নয়।
    দেখা উচিত পাত্রীর বাবা কতটা নিজেকে বা নিজের মেয়েকে নিচু আসনে বসাবেন। প্রথমেই উচিত, ক্রাইটেরিয়া ঠিক হবার পর ফোনে ভালো করে নিজেদের শর্ত সমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা। অর্থাত পন দেবনা,দেখাশোনার জায়গা কোনো রেস্তুরান্তে হতে পারে( যেখানে পেমেন্ট উভয় পক্ষ সমান সমান করবে), ছেলে /মেয়ে ব্যতিরেকে কারো কোনো প্রশ্ন করার অধিকার থাকবেনা।
    পাত্র পাত্রী রাজি হলে তবে, উভয় বাড়ি থেকে প্রয়োজনীয় কথা বার্তা এগোবে। এসব শর্তে না রাজি হলে; কোনো রকম কথাবার্তা চালানো উচিত নয়।
    দোষ কিন্তু উভয় পক্ষের।বেশি বোগ ডাউন হওয়া উচিত কথা নয়।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:২৭318187
  • Bratin | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:২৬318186
  • আহা সেই টা যদি সবাই বুঝতো!!! ঃ))))))
  • robu | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:২২318185
  • self realization is the best realization.
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:১৮318184
  • h | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:১৪318183
  • কেন না বোঝার কি হল রে বাবা?
  • robu | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৯:০৪318182
  • আপনারা এখানে এই ঘটনাটাকে জাস্টিফাই করার চেস্টা করছেন?!! তাহলে জানবেন, আমি আর এই আলোচনায় নেই।
    আমাকে ডাকাডাকি করবেননা।
  • সে | ২২ নভেম্বর ২০১৫ ১৮:৪৬318181
  • এ সমস্ত নিয়ে আমার কিছু পার্সোনাল এক্সপিরিয়েন্স আছে। সেসব মনে পড়ে যাচ্ছে। খুব জটিল সমীকরণ। কোন পরিস্থিতিতে মানুষ এসমস্ত লোকেদের এন্টারটেইন করে তা বাইরে থেকে বোঝা ডিফিকাল্ট। গায়ের রং, রেসিজিম, এসব নিয়ে তো আজকাল কিছু বলা যায় না বা বলতে হয় জায়গা বুঝে। মানে, এই বললাম রেসিজিম বলে কিছু নেই, ও আপনার মনের কষ্ট কল্পনা। এটা বললাম কারণ আপনাকে ডাউন দিলাম। একটু পরেই আবার একটা সভায় গিয়ে রেসিজিম কতটা আছে তার ওপরে বক্তৃতা দিয়ে আসব, কারণ তখন কারোকে ডাউন দেবার নেই, বরং ক্ল্যাপ পাবার আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত