এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  পর্যালোচনা (রিভিউ)  বই

  • ভোরের আলো লাগা পাহাড়ের দেশে

    অরিন
    পর্যালোচনা (রিভিউ) | বই | ০২ মার্চ ২০২৪ | ৩৭২ বার পঠিত
  • বা, বাইকবাহনে ম্যাকমাহোনে।
    (আসছে)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০২ মার্চ ২০২৪ ১২:০০742431
  • কী বই?
  • Arindam Basu | ০৩ মার্চ ২০২৪ ০০:০১742435
  • @দ, 
    বইটা অ্যন্টোনিয়া বোলিংব্রুক-কেন্টের লেখা "Land of the Dawn-lit mountains", ভদ্রমহিলা একটি হিরো ইমপালস নামের ১৫০সিসি ইঞ্জিনের মোটরবাইকে করে গৌহাটি থেকে তাওয়াং রাউন্ড ট্রিপ করেছিলেন ২০১৬ তে, এবং সে এক অসামান্য ট্রিপ। 
    এর সঙ্গে মিলিয়ে আরেকবার নবনীতা দেবসেনের ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে পড়তে হয়। নবনীতা ১৯৭৭ সালে গিয়েছিলেন।
    এই দু'জনের অসামান্য ট্রিপের রিভিউ লিখব বলে ঠিক করেছিলাম। 
  • Arindam Basu | ০৩ মার্চ ২০২৪ ০৫:৫০742443
  • ঊষায় রাঙা পাহাড়ের দেশে

    একেক সময় এমন হয় না, যে একটা লেখা পড়তে পড়তে অন্য লেখায় চলে যেতে হয়? অনেকটা ডিকশনারিতে শব্দ খোঁজার মতন? এই লেখাটিও, মানে বইয়ের রিভিউটিও অনেকটা ঐরকম। এক লেখকের লেখার সূত্রপাতে লিখতে শুরু করেছিলাম বটে, বই পড়তে গেলে মনে হল, আরে, আর কোথায় যেন পড়েছি, করতে করতে এক বই থেকে আরেক বই, রূপ থেকে রূপান্তরে চলে যেতে মন চলল।  এও সেইরকম। 
    পড়তে শুরু করেছিলাম অ্যানটোনিয়া বোলিংব্রোক কেনটের ২০১৬ এর “Land of the Dawn-lit Mountains” (ঊষায় রাঙা পাহাড়ের দেশে”) র অরুণাচল প্রদেশ ভ্রমণের অ্যাডভঞ্চার | সেখান থেকে নবনীতা দেবসেনের “ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে”, ইয়ান বেকারের “The heart of the world”,  জেমস হিলটনের লস্ট হরাইজন, পদ্মসম্ভব গুরু রিনপোচের জীবনকাহিনি, লাফাতে লাফতে এক পাতা থেকে অন্য পাতায় ঘুরতে ঘুরতে সব মিলেমিশে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার রেশ । 
     
    কাজেই এ কাহিনি একটি বইয়ের আলোচনার সূত্রে হলেও বরং বলা উচিৎ একাধিক অভিযাত্রীর, তাদের মধ্যে অন্তত দু’জন অভিযাত্রীর, ৪০ বছরের তফাতে, এ আলোচনার কেন্দ্রে থাকবেন। 
    একজন Antonia Bolingbrok-Kent, লেখিকা, বক্তা, বিবিসির সাংবাদিক, দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ানো পর্যটক, আরেক জন নবনীতা দেবসেন | দুজনের লেখাতেই অরুনাচল প্রদেশের তাওয়াং মঠে যাবার গল্প। মঠ যাবার গল্প হতে পারে, কিন্তু দুজনের গল্পে যেমন মিল রয়েছে, তেমন ভিন্নতাও বিস্তর, তা সে হবারই কথা। নবনীতা গেছিলেন আলটপকা, হঠাৎ ম্যাকমাহন লাইন দেখব, তাওয়াং মঠ যাব করে, জোড়হাটের লেখক সম্মেলনের সূত্রে, হঠাৎ করে রীতিমতন খাবার নিয়ে যাবার ট্রাক/লরিতে করে | Antonia যাচ্ছেন আঁটঘাট বেঁধে,  বিলেত থেকে ব্যবস্থা করে, তথাপি দু’জনের ভ্রমণ কোথায় যেন এক হয়ে যায়। সবটা তো সে পথে পরিকল্পনা করেও আপনি কিছু করতে পারবেন না। Antonia শুরু করছেন গৌহাটি থেকে একটি hero impulse বাইকে, পূর থেকে পশ্চিমে। পথে পড়বে মিশমি, ইদু, মনপাদের কথা। নবনীতা পৌঁছচ্ছেন তাওয়াং মঠে, সেখান থেকে তিনিও আবিষ্কার করছেন উপজাতি জীবন। অনবদ্য দুই অভিযাত্রী, দুই গল্প। কাজেই শুধু তো তাওয়াং মঠ নয়, সেখানে পৌঁছনোর অভিতাও এক অসামান্য অভিযান। যেখানে গন্তব্য শেষ কথা নয়, যাওয়াটাও বড় কথা।
    কিন্তু কেন?
    সে উত্তর খুঁজতে হলে কোথা থেকে শুরু করি? মন চলুক অষ্টম শতাব্দীর মাঝামাঝি।এখন যেখানে পাকিস্তানের সোয়াট নদীর উপত্যাকা, সে দেশ সেই সময় বৌদ্ধধর্মের এক ভর কেন্দ্র | তিব্বতেও তখন বৌদ্ধধর্মের প্রসার শুরু হয়েছে, শান্তরক্ষিত তিব্বতে বৌদ্ধধর্মের সংঘ প্রতিষ্ঠা করবেন, মঠ তৈরী হবে। সেই কাজে সাহায্যের জন্য তিব্বত-রাজ  ত্রিসং ডেটসেন সোয়াট থেকে পদ্মসম্ভবকে আমন্ত্রণ করলেন তিব্বতে শান্তরক্ষিতের সঙ্গে মিলে মঠ গড়তে। সেই শুরু। এর পর পদ্মসম্ভব তিব্বতে বজ্রযান বৌদ্ধধর্মের পত্তন করবেন, স্থানীয় বন প্রথার সঙ্গে মিলে, এবং আমরা তাঁকে জানব দ্বিতীয় বুদ্ধদেব বলে। সে জীবনের কথা অন্য কোন সময় লেখা যাবে, এখানে কেন তিনি স্মরণে এলেন? আজ থেকে হাজার বছর আগে মহাগুরু রিনপোচে পদ্মসম্ভব এমন বহু উপত্যকার এবং জায়গার সন্ধান করেছিলেন এবং লিখেছিলেন যে জায়গগুলো সাধারণ মানুষের অগোচরে, হিমালয়ের গভীর, গহণে লুকিয়ে রয়েছে (“বিউল” ), হিমালযের রত্বভাণ্ডার, যেখানে পৌঁছতে গেলে মানুষকে অনেকটাই অধ্যাত্মচেতনার উন্মেষের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। হয়ত সমাপতন, হয়ত নয়, নবনীতা ও Antonia, দুজনের লেখার মধ্যেই এই “চেতনা”উন্মেবের  একটা পরিচয় ফুটে উঠেছে। 

    যেমন ধরুন দুজনের লেখাতেই Shangri la র প্রসঙ্গ এসেছে|
    Shangri La কে পশ্চিমের নজরে জনপ্রিয় করেন জেমস হিলটন তাঁর লস্ট হরাইজন বইতে, পরে সে বই নিয়ে দু দুবার সিনেমা হয়েছে, ১৯৩৭ এর আর ১৯৭৩ এ | 

    নবনীতা লিখছেন,
    > ক্রমশ দিনের আলো নিভে আসছে। সামনে পড়ল আবার একটা গ্রাম | প্রত্যেক গ্রামেই একটা সাইনবোর্ড আছ, গ্রামের নাম লেখা। এই নামটা পড়েই বুকের ভেতর ধ্বস নামল।
    -- শাংগ্রিলা!
    -- শাংগ্রিলা তো সেই আশ্চর্য তিব্বতী গ্রাম? হিমালয়ের তুষার রাজ্যের এককোণে সেই চিরযৌবনের গ্রাম মহাকাল যেখানে হাত ছোঁয়তে ভুলে গিয়েছেন। 'দি লস্ট হরাইজন' ছবির সেই মায়াময় জাদুগ্রাম, তারই তো নাম শাংগ্রিলা?"

    আর Antonia? লিখছেন,
    “The notion of hidden Himalayan utopias had existed in Tibetan scholarship for centuries, but it was Hilton who introduced the idea into the Western mainstream. His timing couldn’t have been better. For a generation who’d experienced the horrors of the Great War and the Depression – and were now sliding towards another cataclysm – Hilton’s imagined paradise ignited a potent nostalgia for a vanished age. ...“They don’t need to be the Rinpoche’s spellbound lands of rainbow waterfalls and mind-expanding magical herbs (although that would be a bonus), they just need to be the antithesis of our hectic, technology-driven modern lives.
    But such places are fast disappearing, consumed by soaring human populations and our fathomless greed for land and resources: our forests are vanishing, our rivers are being dammed, our deserts are being encroached upon, our wildlife is being poached, mass tourism is fingering its way into all but the most distant parts of the planet. Could the Indian side of Pemako be a surviving, modern-day Shangri-La, a hidden valley free from the ravages of consumer capitalism? There was only one way to find out, and that was to try to travel there myself ”

    সেটা একটা দিক। 
    দুই লেখিকার অভিযান আর adventure এর গল্পগুলো অনবদ্য |
    আসছি সে কথায় |
     
  • | ০৩ মার্চ ২০২৪ ১১:৪৩742450
  • দারুণ। দুর্দান্ত আকর্ষণীয় পথ। আন্তোনিয়ার বইটা নামিয়ে নিলাম। নবনীতা একাধিকবার পড়েছি। আপনি লিখুন সবটা মিলিয়ে। 
     
    মিশমি হিলস ও সংলগ্ন এলাকা আমাদের পাইএর কর্মক্ষেত্র।  আমি নামদাফা আর রোয়িং মিশমি গেছি। তাওয়াং বুম-লা মেচুকা অঞ্চলে এখনো যাওয়া হয় নি।  এই পুরো অরুণাচলে ঘোরার একটা পরিকল্পনা করে রেখেছি। দেখি কবে হয়। 
     
    হিমাচলে মালানা গ্রাম ( ভাল কোয়ালিটির গাঁজার জন্য বিখ্যাত) স্থানীয়রা শাংগ্রিলা বলে। মালানা এক অদ্ভুত গ্রাম জানেন। গ্রামের বাইরের সব লোককে ওরা অচ্ছ্যুত মনে করে। কোন জিনিষপত্র বা বাড়ির দেওয়াল ইত্যাদিতে হাত দেওয়া যায় না।  
     
    আবার ভূপর্যটক বিমল দে তাঁর 'মহাতীর্থে কৈলাসবাবার সন্ধানে' বইতে তিব্বতের এক জায়গায় শাংগ্রিলা / জ্ঞানগঞ্জ অবস্থিত আর তিনি সে জায়গা নির্দিষ্ট করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন। সে দাবীর সত্যি মিথ্যে যাচাই করার মত জ্ঞান আমার নেই  কাজেই এক চিমটে নুন দিয়ে হজম করেছি। 
     
    যাক গে অনেকটা বাজে বকবক  করলাম। আপনি লিখুন।
  • Arindam Basu | ০৩ মার্চ ২০২৪ ১৫:৩৩742451
  • @দ, খুব ইন্টারেস্টিং বেশ কয়েকটি পয়েন্ট লিখলেন। আপনার (@পাই) রোয়িং,  মিশমি অঞ্চলের অভিজ্ঞতা কেমন? 
    আমার পুরোটাই মানসভ্রমণ এই দুটো বই য়ের সূত্রে। তবে তাওয়াং বা পেমাকো দেখার একটা প্রবল ইচ্ছে জেগেছে।
    বাকীগুলো নিয়ে লিখছি। 
     
  • kk | 2607:fb90:eab2:c595:b588:2f45:5560:4881 | ০৩ মার্চ ২০২৪ ২১:৩৩742453
  • ভালো লাগছে। পড়ছি। লিখুন।
  • Arindam Basu | ০৩ মার্চ ২০২৪ ২৩:৫৩742455
  • ধন্যবাদ কেকে। 
    সপ্তাহ শুরু, যার জন‌্য পরের পার্টটা লিখতে সময় লাগবে। 
    দুটো বইই ওয়েবে পাওয়া যায়। 
    নামিয়ে নিতে পারবেন।
    পড়ে থাকলে তো কথাই নেই, নাহলে একবার পড়ে ফেলুন।
    ভারি চমৎকার লেখা। 
    আমি এক বৃহস্পতিবার রাত নটায় "দ্য ডন লিট হিলস" পড়তে শুরু করেছিলাম, ভোর চারটেয় একটানা পড়ে শেষ করেছি, একদম অন্য কিছুর খেয়াল ছিল না। এত এনগ্রসিং বই।
    নবনীতার "ট্রাকবাহনেও" তাই, তবে অপেক্ষাকৃত ছোট বই, এক নিঃশ্বাসে প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে পড়ে ফেলতে পারবেন। এত সুন্দর ঝরঝরে বাংলা মিষ্টি করে লেখা। আমি বহুবার পড়েছি তাও প্রত্যেকবার নতুন লাগে। 
  • সুদীপ্ত | ০৪ মার্চ ২০২৪ ০০:২৬742456
  • ভালো লাগলো অরিন-দা, বইটা লিস্টে রাখলাম। শাংগ্রিলা যখন, পরিমল ভট্টাচার্যের 'শাংগ্রিলার খোঁজে' বইটা পড়ে দেখতে পারেন, ভালো লাগবে আশা করি। এই বিষয়ে আমার পড়া সবচেয়ে ভালো বাংলা বই।
  • Arindam Basu | ০৪ মার্চ ২০২৪ ০১:৪৩742457
  • @সুদীপ্ত, 
    খুব ভাল কনটেকসটে কিনথুপের যাত্রা, বিশেষ করে পণ্ডিতদের ব্রহ্মপুত্রের আর সাংপোর  অভিযান নিয়ে, বইটার সন্ধান দিলেন। বাংলা বইটা পড়তে শুরু করেছি | আসলে এই যে সাংপো কোথায় হারিয়ে গিয়ে কোন জলপ্রপাত থেকে আবার ব্রহ্মপুত্রের  উজান, দুটো এক নদ/নদী কিনা,  এই ব্যপারটা ব্রিটিশদের তাড়িয়ে বেড়িয়েছে সে সময়, তার সঙ্গে চিনাদের সঙ্গে পাল্লা দেবার একটা ব্যাপারও ছিল। ডন-লিট বইটাতে অ্যানটোনিয়া এ বিয়ে কিছুটা লিখেছেন অবশ্য। পিটার হপকার্কের দ্য গ্রেট গেম আরেকটা ঐরকম ভাল বই, এ বিষযে। 
  • Arindam Basu | ০৪ মার্চ ২০২৪ ০১:৫৮742458
  • এবং অবশ্যই রিচার্ড ওয়ালারের, দ্য পানডিটস |
  • kk | 2607:fb90:eab2:c595:b588:2f45:5560:4881 | ০৪ মার্চ ২০২৪ ০৪:০১742459
  • ট্রাকবাহনে পড়েছি। বারবারই পড়ি। ডন-লিট পড়িনি, নামিয়ে নেবো। রিনপোচের বইটাও পড়তে ইচ্ছে করছে।
  • | ০৪ মার্চ ২০২৪ ১২:৪৭742462
  • অরিন
     
    অরুণাচল বিশাল বড় রাজ্য।  ইচ্ছা আছে ব্রহ্মপুত্র ধরে উজানে গিয়ে ওই তিনটে ধারা যেখানে যুক্তবেণী হয়েছে সেই পর্যন্ত যাওয়ারও।  নামদাফা এক অসম্ভব সুন্দর জায়গা। আমার আগ্রহ ছিল নন হিউম্যান প্রাইমেট হুলক গিবন আর ক্যাপড লাঙ্গুর দেখা। তা হুলক গিবনের পুরো পরিবার দেখা দিলেও ক্যাপড লাঙ্গুর পাই নি। এছাড়া ফ্লাইং স্ক্যুইরেল দেখতে পেয়েছি এবং উড়তেও(বেসিকালি গ্লাইড করে ঠিক ওড়া নয়) দেখেছি। মালয়ান জায়ান্ট স্কুইরেল আর অজস্র ধরণের প্রজাপতি দেখেছি।  গ্রুপের সাথে যাওয়ায় অরুণাচলের অধিবাসীদের সাথে কথা কম হয়েছে। এর জন্যও একলা যেতে হবে। আমি সিরিজ  লিখেছিলাম গুরুতেই  'নামদাফা এবং
     
    পরিমল ভট্টাচার্য্যের প্রতিটি বইই রত্ন। সত্যি রূপকথা, ডোডোপাখিদের গান, নাহুমের যাদুঘর, শাংগ্রিলার খোঁজে...  এই থেকে শরতচন্দ্র দাসের লেখা আর তারপরে জন কী পরপর পড়া। 
  • kk | 2607:fb90:eab2:c595:b588:2f45:5560:4881 | ০৪ মার্চ ২০২৪ ২১:০১742464
  • থ্যাংকিউ অরিনদা। আলাপ তো বেশ অনেকদিনই হলো, বাবু কাটিয়ে দাদা লিখলাম তাই :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন