এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সাদা পর্দার আলো

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ৪০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • আমার প্রথম পছন্দ ছিল ঋত্বিকা, কিন্তু সে দেখি প্রেমে পড়েছে এক কাশ্মীরী শালওয়ালার। পুরো হাবুডুবু কেস। ঋত্বিকার দুধে-আলতা রঙ, ধনুকের মতো ভুরু, উচ্চমাধ্যমিকে কান-ঘেঁষে স্ট্যান্ড করেনি। তাকে কোথাকার কে একটা ভাগিয়ে নিয়ে যাবে? আমি প্রথমে খানিক ভয় দেখানোর চেষ্টা করলাম। কীসে আর কীসে, ছেলেটা নির্ঘাত এইট পাশ, নইলে কি আর শাল বেচে? বলতে বলল, তোদের মতো রাত জেগে পড়াশুনো করলে খেঁকুরে বাঙালি হয়।  
    আমি বললাম, ওখানে কিন্তু বছরে আট মাস ইনটারনেট বন্ধ, ভারত সরকার রিল বানানো নিষিদ্ধ করে দিয়েছে।  তাছাড়া হিজাবও পরতে হতে পারে। শুনে বলে, ওটা তো চয়েস, শেহলা রশিদও পরে। 
    কে বোঝাবে একে। সে তো কাশ্মীরী। আর তুই ভিনদেশী। একদম কাবুলিওয়ালার বাঙালি বৌ হয়ে গেলে? ঋত্বিকা খুব হেসে বলল, হিংসা করিসনা,  দেখেছিস ওকে কী দারুণ দেখতে? 
    শুনে আমার গা জ্বলে গেলেও কথাটা অবশ্য ঠিক। মালটা শাল বেচলে কী হবে, ছয় ফুটিয়া। ফরসা। টিকালো নাক। দেখলেই মনে হয় কম বয়সের আস্ত শাহীদ আফ্রিদি।

    থাক বাবা তুই হিজাব পরে কাশ্মীরে। আমি রেগেমেগে চলে আসছি। রাস্তায় দেখা বুঁচকির সঙ্গে। হাতে একটা বিচ্ছিরি বাজারের ব্যাগ নিয়ে কোথা থেকে ফিরছে। আমাকে দেখে বলল, কীরে হন্তদন্ত হয়ে যাচ্ছিস কোথায়? আমি পাত্তা না দিয়ে বললাম ব্যস্ত আছি। ঝিমলির কাছে যাচ্ছি। 

    ঝিমলি আমার দ্বিতীয় পছন্দ। পা ঠুকে ঠুকে কত্থক নাচে, ফিগার দেখলে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। যেমন টকাটক পা চলে, তেমনই ঝপাঝপ কথা বলে, যেমন তন্বী তেমনই ভারি... ... থাক, নিজের ভাবী প্রেমিকাকে নিয়ে এসব প্রকাশ্যে বলা ঠিক না। গিয়ে প্রথমেই জিজ্ঞাসা করে নিলাম, তোর কাশ্মীরী শালওয়ালাদের কেমন লাগে? ঝিমলি নাক সিঁটকে বলল, ইশ কী ফ্যাটফ্যাটে। আমার পছন্দ টল, ডার্ক, হ্যান্ডসাম।
    আমি টুক করে নিজেকে একবার মেপে নিলাম। ঠিক টল না হলেও, দিব্যি ডার্ক। আর হ্যান্ডসাম? মাসি একবার চুমু খেয়ে বলেছিল এমন চাঁদপানা মুখ আর দেখেনি রে। তার মানে তিনের মধ্যে দুই। চলে যাবে না? ঝিমলি বলল, আমার মাসল চাই মাসল। আই লাভ ভিরাট।
    সেটা আবার কে রে ভাই। ঝিমলি আঙুল তুলে বলল, ওই যে। দেখি ঘরের মধ্যে দেড়েল এক ক্রিকেটারের ছবি। 
    তাও ভালো, জাস্ট ছবি। সত্যি কেউ না। ওরকম একটু আধটু মানসিক বহুগামিতায় আমার কোনো সমস্যা নেই। ওইটুকু সতীন আমি মেনে নেব। আমি বললাম, ওঃ ছবি। ও মা, ঝিমলি খুব রেগে বলে, ছবি মানে কি অ্যাঁ? ওই ছবিতেই আমার চলে যায়।
    বলে কি? ছবিতেই সব হয়ে যাবে? সব? ঝিমলি বলল, আবার কি? দিনের বেলা নাচি। আর রাত্রে ওই ছবি দেখেই...

    থাক থাক, এসবের বিশদ বর্ণনা শুনে আর নিজেকে দুঃখ দিতে চাইনা। তুই বিরাটকে ভিরাট বল, বিহারিকে ভিহারি, তাতে তোর চোদ্দগুষ্টির উদ্ধার হোক। আমি ঝটপট চলে এলাম। ও মা, রাস্তায় আবার বুঁচকি। কীরে তুই বাড়ি যাসনি? বুঁচকি বলল, না তুই পৌঁছে দিসনি তো, তাই রাস্তা হারিয়ে ফেলেছি। বলে খ্যাকখ্যাক করে হাসতে থাকল।

    আমাকে নিয়ে হাসবে না তো কাকে নিয়ে হাসবে। সুযোগ ক্রমশ করে আসছে, ওদিকে সূর্যাস্ত আসন্ন। আমি কপাল ঠুকে তিন নম্বর জনকেই বাজিয়ে দেখব ঠিক করলাম। আমার তৃতীয় পছন্দ হল চুপকথা। সমস্যা হল, তাকে ভালো করে চিনিইনা। যদিও মেয়েটা ভালো। এদের মতো আদরের দুলালী না। কাটা-কাটা মুখ চোখ। কীসব যেন রাজনীতি করে। টরটর করে কথা বলে। জোরে জোরে গিটার বাজিয়ে গান গায়। মিটিং মিছিলে দেখা যায়, ফলে কথা বলা খুব বড়ো সমস্যা হবেনা।
    আমি ছক টক করে ওদের দলে ভিড়ে গেলাম। দুদিন চিল্লিয়ে একটু গলা ভাঙল। চোখাচুখি হল। আলাপও। তারপর কয়েক হপ্তার মাথায় বাগে পেয়ে গেলাম। প্রথমেই কাজের কথাটা জেনে নেওয়া ভালো। - তুই ক্রিকেট টিকেট দেখিস না তো? 
    - ক্রিকেট? চুপথা ভারি গলায় বলল, ওইসব কলোনিয়াল খেলা? 
    - আর কাশ্মীর? 
    - হোয়াট্যাবাউট কাশ্মীর? 
    আমি ঢোক গিলে বললাম, ওখানকার মানুষজনের কী অবস্থা। শুনে ঝাড়া ১০ মিনিট লেকচার দিয়ে দিল। তার মোদ্দা কথা হল, কাশ্মীরীরা আমার ভাই। ভাই হওয়াই ভালো। ওতে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমরা বেশ একমত হয়ে গেলাম, ভাবও হয়ে গেল।
    কিন্তু সমস্যা হল পরেরদিন। আমাকে খুব ভালোবেসে চুপকথা বলল স্লোগান তুলতে। ব্যাপারটা আমি এ কদিনে বুঝে গেছি। কিছু একটা চিৎকার করে বলতে হবে, শুনলেই সবাই একসঙ্গে আরও জোরে চিৎকার করে বলবে, আজাদি। 
    সেটা কোনো ব্যাপার না, কিন্তু সমস্যা হল কথাগুলো সব হিন্দিতে বলতে হবে। তা, আমি ভেবেছিলাম, এতদিন হিন্দি সিনেমা দেখেছি, ও কোনো ব্যাপার না। প্রথম দিকে ঠিক হচ্ছিলও। ভুখ সে আজাদি। উনিজি সে আজাদি। কিন্তু তারপরেই জিনিসটা ঘেঁটে গেল। আমি চিৎকার করে বলেছি বেকারি সে, সবাই দেখি কীরকম করে তাকাচ্ছে। চুপকথা কানে কানে বলল, বেরোজগারি। তাই হবে। তারপরে আমি বললাম, একনায়কতন্ত্র সে। আবার সেই চাউনি। একচেটিয়া সে। এবার চুপকথা খুব উত্তেজিত হয়ে বলল, বিপ্লবের ভাষা যে বলতে পারেনা, তাকে দিয়ে কী করে হবে? 
    যক্কলা, বিপ্লবের ভাষা তাহলে হিন্দি? মাইকে দেখি চুপকথা তেড়ে হিন্দি বলছে। আমি তাতে পুরো গোল্লা। আমিই বুঝতে পারছিনা, তোদের কথা লোকে বুঝবে কীকরে। থাক বাবা তোদের বিপ্লবের ভাষা নিয়ে। আমি রেগেমেগে চলে এলাম। রাস্তায় আবার দেখি বুঁচকি। আমাকে দেখে বলল, স্লোগান দেবার শখ মিটল? 
    কী কেস? আমাকে ফলো করে নাকি রে ভাই। কিন্তু আমার আর কোথাও যাবার নেই। তাই দাঁড়িয়ে পড়লাম।
    বুঁচকি বলল, আহা রে দুঃখ করিসনা, চল চা খাই।
    আমরা চা খেতে গেলাম। নাক-খ্যাঁদা, হাতে বিচ্ছিরি-বাজারের-ব্যাগ নেওয়া হলে কী হবে, দেখা গেল আমাদের বেশ মিল। দুজনেরই হেবি দুঃখ। বুঁচকি আমাকে বলল, তোর অবশ্য দুঃখী হওয়াই উচিত।
    - কেন? 
    - তুই যা ক্যাবলা। আমেরিকানদের মতো স্মার্ট হলে মেয়েরা এমনিই পছন্দ করত।
    শুনে আমার হেবি রাগ হয়ে গেল। আমি তেড়েমেড়ে বললাম,  আমেরিকানরা স্মার্ট তোকে কে বলল? তুই আমেরিকা গেছিস?
    - ও মা। বুঁচকি চোখ গোলগোল করে বলল, স্মার্ট না? ওদের এইটুকুটুকু বাচ্চাগুলো অবধি ইংলিশে কথা বলে।
    এতদিনে আমার যাবতীয় দুর্গতির কারণ আমি বুঝতে পারলাম।
    ------------
    এই অখাদ্য গপ্পোটার একটাই নীতিবাক্য। উপনিবেশে দীর্ঘদিন থাকার ফলে আমাদের দেখার চোখটা মোটের উপর এখনও ঔপনিবেশিক। আমরা জাতিগতভাবেই, বেঁটে কালো এবং নাক থ্যাবড়া, কিন্তু আমাদের সৌন্দর্যের মাপকাঠি হল ফর্সা, উন্নতনাসা এবং লম্বা ও চওড়া। আমরা জাতিগতভাবেই বাংলাভাষী, কিন্তু আমাদের উন্নতভাষার মাপকাঠি হল হিন্দি বা ইংরিজি, কখনও স্প্যানিশও। এগুলোকে আমরা দেখতে পাইনা, বা দেখলেও "আমার পছন্দ" বলে গৌরবান্বিত করি, কিন্তু গৃহকর্মনিপুণা-ফর্সা-সুন্দরী পাত্রী চাওয়ার বিজ্ঞাপনকে পশ্চাদপদতা বলি। এ একরকম চোখের ঠুলি, যা জেগে-ঘুমোনোর জন্য ব্যবহার করা হয়। যে ঠুলির আড়ালে মোদ্দা কথাটা হল, এই দূর প্রাচ্য আদতে দুচ্ছাই, এখান থেকে পশ্চিমে যত কেন্দ্রের দিকে যাবেন, তত উন্নত সভ্যতার দিকে নজর পড়বে।

    তা, সিনেমার বই প্রসঙ্গে এই কথা কেন। কারণ, এই বইটা স্রেফ সিনেমার নয়। আমাদের দেখার যে চোখ, সিনেমারও তাইই। বইটার একটা অংশ থেকে খানিকটা উদ্ধৃত করা যাক। 
    "১৯৪৮-৪৯ সাল নাগাদ ফ্রান্সের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জাঁ রেনোয়া (১৮৯৪-১৯৭৯) কলকাতায় আসেন রুমের গডেনের আত্মজৈবনিক উপন্যাস থেকে 'দি রিভার' (১৯৫১) ছবির শুটিং করতে। সত্যজিৎ রায় (১৯২১-১৯৯১) রেনোয়ার সঙ্গে প্রায় প্রতিদিন সাক্ষাৎ করতেন এবং রেনোয়ার প্রতিদিনের কাজ নিয়ে 'সিকোয়েন্স' পত্রিকায় লিখতেন, যা পরে 'কলকাতায় রেনোয়া' নামে প্রসিদ্ধ হয়।
    … এসবই ঠিক আছে, কিন্তু মুশকিল হয় আমরা যখন ছবির ভারতীয় চরিত্রগুলির দিকে একটু ভালো করে তাকাই। ‘দি রিভার’ ছবির চিত্রনাট্য শুনে সত্যজিৎ রেনোয়াকে ভারতীয় লিড চরিত্রের অভাবের ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলেন। প্রশ্নটি রেনোয়ার মনে ধরে, তিনি সহ-চিত্রনাট্যকার গডেনের সঙ্গে পরামর্শ করে ছবিতে কিছু ভারতীয় চরিত্র ঢুকিয়েছিলেন। ‘হত-দরিদ্র রোগা আধপেটা খাওয়া অর্ধউলঙ্গ’, এটাকে সাধারণ বৈশিষ্ট্য ধরে নিয়ে ‘দি রিভার’ ছবির ভারতীয় চরিত্রগুলির যদি একটি তালিকা বানাই, তাহলে তাতে থাকবে – ১) গঙ্গাতীরবর্তী মাঝি-মল্লাদের দল ২) জুট-মিলের কর্মীরা ৩) গঙ্গাতীরবর্তী দোকানদার ৪) সাধারণ নারী-পুরুষ ৫) বাচ্চা ছেলে-মেয়ে ৬) সাধু-সন্ত ৭) সাপুড়ে ৮) দুটি ইংরেজ পরিবারে কর্মরত বেশ কিছু বেয়ারা যাদের মধ্যে অপ্রাপ্ত-বয়স্ক শিশুও আছে। 
    ...
    যাবতীয় বৈশিষ্ট্যের বিচারেই এদের তীক্ষ্ণ বৈপরীত্যে দাঁড়িয়ে আছে প্রাপ্ত থেকে অপ্রাপ্ত-বয়স্ক সবকটি ইংরেজ নারী-পুরুষ। তাদের মধ্যে আছে জুট মিলের ইনচার্জ, তার সুন্দরী স্ত্রী, চার মেয়ে (হ্যারিয়েট ও অন্যান্য) ও এক ছেলে (বোগি), জুট মিলের মালিকের মেয়ে ধনী ভ্যালেরি, প্রতিবেশী মিঃ জন এবং মিঃ জনের আত্মীয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এক-পায়ে আঘাত-প্রাপ্ত আমেরিকান ক্যাপ্টেন জন। ভারতীয় এবং ইংরেজ, এরা দুজনে মিলে যেন তৈরি করেছে এক ধরনের ধারণাগত যুগ্ম যা প্রতিপন্ন করে রুডইয়ার্ড কিপলিং(১৮৬৫-১৯৩৬)-এর ভাষায়, “East is east and west is west and never shall the twin meet”। বোঝাই যাচ্ছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের এই ধরনের ধারণাগত বিপরীত বিভাগ আসলে ভৌগলিক সীমাকে সূচিত করে না, সূচিত করে সাংস্কৃতিক অভ্যাসকে যার মধ্যে পড়ে খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, শারীরিক-বৈশিষ্ট্য, শরীরী-ভাষা এবং এমনকি নৈতিক আচরণও। এই ধারণাগত যুগ্ম আসলে মিউচুয়ালি এক্সকুসিভ, অর্থাৎ পাশ্চাত্য যা কিছু চিত্রিত করে, প্রাচ্য ঠিক তার বিপরীতটা চিত্রিত করে। পাশ্চাত্য যদি ম্যাস্কুলানিটির পক্ষে দাঁড়ায় তাহলে প্রাচ্য বিপরীতে ফেমিনিন সত্তা, পাশ্চাত্য যদি প্রাপ্তবয়স্কতার প্রতিনিধিত্ব করে তাহলে প্রাচ্য বিপরীতে ছেলেমানুষির প্রতিনিধি হয়ে যাবে, পাশ্চাত্য যদি নিজেকে সভ্যতার চূড়া ছুঁয়েছে বলে মনে করে তাহলে প্রাচ্য অবশ্যই সাংস্কৃতিক ও নৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা চরম বর্বর হিসেবে প্রতিভাত হবে! " 

    আমার নিজের অখাদ্য গপ্পোটার মতোই, উদ্ধৃতিটাও অত্যধিক লম্বা হয়ে গেল। কিন্তু বইটার পরিচিতি দিতে গেলে উপায় ছিলনা। এই একটা লেখাই এখানে আছে, তা নয়। যাঁরা কৌতুহলোদ্দীপক অনুসন্ধানের সন্ধানে থাকেন, তাঁরা সব লেখাগুলোই পড়ে দেখুন। চিন্তার খোরাক পাবেন। 

    বইয়ের নাম "সাদা পর্দার আলো"।  লেখক শুভদীপ ঘোষ। বইয়ের প্রকাশ বইমেলায়। কেউ দত্তক নিতে চাইলে এখনও জানাতে পারেন।  [email protected] . এটা বইয়ের প্রচ্ছদ নয়। অনেকগুলো আইডিয়া নিয়ে কাজ হচ্ছিল, তার মধ্যে একটা।
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন