এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পালাপিত্তা 

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ৫৩৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  •  
     
    “ভেনুউউউ……! কোথায় গেলি ?” মাঠ থেকে ফিরেই হাঁক পাড়েন বাসবা। বাসবান্না রেড্ডি। ভেনুর ঠাকুরদাদা। এমন ডাক শুনে তড়িঘড়ি পাশের মাঠ থেকে ছুটে আসে ভেনুগোপাল। হাঁপাতে হাঁপাতে দাদুর সামনে এসে দাঁড়ায় সে। দাদুর একান্ত অনুগত অনুচর। শ্বশুর মশাইয়ের উপস্থিতি টের পেয়েই বৌমা ললিতা বড়ো এক ঘটিতে জল আর খানকয়েক বাতাসা এনে হাজির করে। রোজকার অভ্যাস। কাঁধের ওপর রাখা মোটা গামছা দিয়ে মুখটা মুছে আলতো করে রেকাবি থেকে একটা বাতাসা তুলে নিয়ে মুখে পোরেন বাসবান্না।
    – কি গো ! ডাকলে কেন? তোমার হাঁক শুনে আমার খেলার দান ছেড়ে ছুটে এলাম। জবাব না পেয়ে ভেনু বুঝি খানিকটা অসহিষ্ণু হয়ে পড়ে ভেতরে ভেতরে। ভেনু জানে একবার হকের দান ছেড়ে চলে এলে ফেরত পাওয়া খুব মুশকিল। যত‌ই হলায়গলায় বন্ধুত্ব হোকনা কেন কেউই  সুযোগ ছাড়বে না। নাতির হৃদমাঝারে উথলে ওঠা ঝড় টের পেয়েই বাসবান্না গলায় এক ঢোক জল ঢেলে বলেন —
    – কাল খুব সকালে আমরা পালাপিত্তা দেখতে যাবো। হরিহরণ বললো, ওর খেতের আশেপাশে ওদের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে। এখন ফসলে ভরা খেত। এসময় ওদের দেখা পাওয়া খুব শুভ লক্ষণ। কি যাবি তো? নাকি তোর ওই পটুয়া কুকুরের মতো ভোরবেলা কুণ্ডলি পাকিয়ে শুয়ে থাকবি?
    পালাপিত্তার কথা শুনে ভেনুর চোখদুটো কেমন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। দাদু ,আম্মা আর মার মুখে অনেক দিন ধরে ওর কথা শুনে আসছে, কিন্তু দেখা মেলেনি। কাল যদি দেখা পাওয়া যায় তাহলে ভারি আনন্দ হবে। আগে নাকি ওদের বাগানের গাছে বিস্তর আনাগোনা ছিল ঐ পালাপিত্তাদের। হারিয়ে যাওয়া ভালো মানুষদের মতো প্রিয় পালাপিত্তারাও কেমন হারিয়ে গেছে। কাল কি ওদের দেখা মিলবে? এর উত্তর জানা নেই ভেনুর। দেখা না পেলেও মনে মনে ভেনু অনেক অনেক পালাপিত্তার আসমানী আনাগোনা ভরা এক সকালের অপেক্ষা করে।
     
     
    পালাপিত্তা। ইংরেজরা এর নাম রেখেছিল Blue Jay বা নীল আনন্দ। নাম থেকেই আন্দাজ করতে অসুবিধা হয়না যে পালাপিত্তার সান্নিধ্য আনন্দদায়ক অনুভব জাগিয়ে তোলে মানুষের মনে। কেন এমন হয়? আসলে লোকায়ত জীবনের নানা অনুষঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে কিছু ভালোলাগা আর বিশ্বাস। এই কারণেই হয়তো পালাপিত্তার দেখা পেতে কাকভোরে ঘুম তাড়িয়ে উঠে পড়েছে ভেনু। ওদের অভিজ্ঞতার কথা শোনার আগে আসুন পালাপিত্তা সম্বন্ধে কিছু জরুরি কথা শুনে নিই।
     

     
    পালাপিত্তার বিজ্ঞানসম্মত নাম Coracias benghalensis. Coraciidae গোষ্ঠীর এই সদস্যটি আকারে আমাদের অতি পরিচিত বিহগ সহবাসী পায়রার মতো। বিজ্ঞজনের মতো মাথাটা বেশ বড়সড়, চঞ্চুজোড়া একটু মোটা গোছের। লালচে বাদামি রঙের বুক। পেট ও ডানার নীচের দিকে হালকা নীল রঙের আভাস। ডানার ওপরের দিকের পালকের রঙ গাঢ় ও হালকা নীল। মনের খুশিতে পালাপিত্তারা আকাশে উড়লে নীল আর আসমানী রঙের পক্ষ ছটায় তৈরি হয় এক স্বর্গীয় দৃশ্যপটের ,যা মনকে অনির্বচনীয় আনন্দে ভরিয়ে তোলে। এই উড়ানদৃশ্য যিনি একবার প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি সারাজীবন তা মনক্যামেরায় বন্দী করে রেখে দেবেন। বাসবান্না আর ভেনু আজ এই পালাপিত্তার সন্ধানেই প্রায় তিন কিলোমিটার মাঠঘাট পেড়িয়ে চলেছে ইরুলপাত্তি গ্রামে।
     
    আমাদের আজকের অতিথিকে কি চিনতে পারলেন আপনারা? এর কথা কিন্তু কিছুদিন আগেই আপনাদের পড়িয়েছি। মনে পড়ছেনা বুঝি? দাঁড়ান, kkর কাছে প্রশ্নটা একবার রেখে দেখি উনি কী বলেন ? আসলে ওনার অনুরোধেই আজকের আসরে পালাপিত্তাকে হাজির করা হয়েছে। তেলেঙ্গানা,অন্ধ্রপ্রদেশের মানুষজন যাকে পালাপিত্তা নামে ডাকে কন্নড় ভাষীদের কাছে তাই হলো নীলা কন্ঠী । আর ঘরের পাশের প্রতিবেশী রাজ্য ওডিশা ও আমাদের বাঙলায় তাকেই ডাকা হয় নীলকন্ঠ পাখি নামে। এই পাখিটিকে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা, কর্ণাটক এবং তেলেঙ্গানা রাজ্যপক্ষির মর্যাদা দিয়েছে। ভারতের আর কোনও পাখির ভাগ্যে এত সংখ্যক রাজ্যের রাজ স্বীকৃতি মিলেছে বলে জানা নেই। কেন এতটা গুরুত্ব পেয়েছে এই পাখি?



    অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। তাই দাদু আর নাতি দুজনেই বেশ দ্রুত পা চালায়। পথেই দেখা হয়ে যায় নন্দলালের সঙ্গে, ভেনুর বন্ধু।ভেনুরা পালাপিত্তার খোঁজে চলছে শুনে সেও সাগ্রহে দলে ভিড়ে যায়।পথ চলতে চলতেই বাসবান্না পালাপিত্তা সম্পর্কে নানান কথা শোনান দুই সহচরকে। বাসবান্না বলে চলেন,
    – পালাপিত্তা কিন্তু তোদের দুজনের মতো খুব ছটফটে স্বভাবের নয়। একেই তো বেশ গাবদাগোবদা চেহারা । তার ওপর চেহারা শালিখ,ফিঙে বা দোয়েলের মতো বেশ সুঠাম নয়। নড়াচড়া করতেই এদের যত আলিস্যি। মাছরাঙা পাখি যেমন এক ঠাঁয় চুপ করে বসে থাকে পালাপাত্তির স্বভাব‌ও অনেকটা সেই রকম। ঘন গাছপালা ভরা জঙ্গল এদের বিলকুল না পসন্দ। বরং ফাঁকা জায়গায় চষা জমির আশেপাশের গাছের ডাল, টেলিগ্রাফের তারেই চুপচাপ বসে থাকে শিকারের জন্য। একটানা আরো কিছুটা পথ চলতেই দূরে হরিহরণদের গ্রাম দেখা যায়। সেকথা শুনে বেজায় খুশি ভেনু আর নন্দলাল। অঘ্রাণ মাস । এখন খেত জুড়ে ফসলের ঢল নেমেছে। এইসব দৃশ্য দেখে ভেনু খুব খুশি ।আর‌ও খানিকটা এগোতেই দেখা হয় হরিহরণ দাদুর সঙ্গে। ভেনু আর বন্ধু বাসবান্নাকে দেখে ভারি খুশি হন তিনি। আজ সকালেই তাঁদের গাঁয়ে একঝাঁক পালাপিত্তার দেখা মিলেছে। একথা শুনে ভেনুর টগবগানি আরও যেন বেড়ে যায়। এই দেখে হরিহরণ ঠাট্টা করে বলেন– নাতি, এতো আর তোমার কাক - চড়াই নয় । এ হলো পা লা পি ত্তা ! দেখা আমরা পাবোই,তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। দেবদর্শন বলে কথা!
     
     
      
    খেত লাগোয়া একটা শিরিষ গাছের তলায় ছড়ানো পাথরের ওপর বসে পড়ে সবাই। হরিহরণ বাড়ি থেকে ওদের জন্য জলখাবার নিয়ে এসেছিল– ইডলি,সম্বার আর মোহনভোগ। ভরপেট খেয়ে দেয়ে শুরু হয় পালাপিত্তার জন্য সমবেত অপেক্ষা।
    চুপচাপ বসে থাকাতে ভেনু আর নন্দলালের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙছে দেখে হরিহরণ বন্ধু বাসবান্নাকে বলেন – বাসবান্না, তুমি বরং আমাদের সেই সমুদ্র মন্থনের গল্পটা শোনাও। ওখান থেকেইতো পালাপিত্তার নীলকন্ঠ হয়ে ওঠা।
    বাসবান্না খুশি হয়ে বন্ধুর প্রস্তাবে সায় দেন। ভেনু আর নন্দলাল‌ও গল্পের গন্ধ পেয়ে দাদুকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে। গল্প শুনতে ভারি ভালোবাসে ওরা।
     
    বাসবান্না শুরু করেন তাঁর পৌরাণিক কথকতা। 
     –ভারতীয় পুরাণে আমরা সাগর মন্থনের কাহিনি পড়েছি। এই পাখি দেখার অবসরে আরও একবার না হয় সেই বহুশ্রুত আখ্যানটি সংক্ষেপে পরিবেশন করা যাক। বাসবান্নার কথা শুরু হতেই নড়েচড়ে বসে ভেনু আর নন্দলাল‌।



    – দিতি ও অদিতি প্রজাপতি দক্ষের দুই আদরিণী কন্যার বিবাহ হলো সর্বগুণান্বিত মুণিবর কশ্যপের সাথে। দিতির সন্তানেরা মাতৃ পরিচয়ের সূত্রে দৈত্য নামে এবং অন্যদিকে অদিতির সন্তানেরা দেবতা নামে পরিচিত হলেন। এক‌ই পিতার সন্তান হলে কি হবে! দুদলের মধ্যে ঘোর শত্রুতা, একপক্ষ অন্যপক্ষকে সহ্য‌ই করতে পারে না। এই দ্বন্দ্ব, খেয়োখেয়ি, সংঘাত একসময় চরমে উঠলো। অমরত্ব লাভের জন্য দেবতারা সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার পরামর্শ মতো ক্ষিরোদ সাগর মন্থনের আয়োজন করতেই লড়াই একেবারে মারকাটারি অবস্থা। নাগরাজ বাসুকিকে মন্থন রজ্জু এবং মন্দার পর্বতকে করা হলো মন্থন দণ্ড। শুরু হলো প্রবল টানাটানি। দেবতারাতো মহা চালাক। তাঁরা বাসুকির লেজের দিকটা ধরলো আর দানবেরা আঁকড়ে ধরলো বাসুকি সাপের মাথা। চললো হাজার বছর ধরে প্রবল শক্তিতে মন্থনের কাজ। এরফলে একেএকে উঠে এলো নানান ধরনের উপকরণ দুগ্ধ, ঘৃত, কৌস্তুভ মণি, ঐরাবত হাতি, উচ্চৈঃশ্রবা ঘোটক, ছত্র, কুন্ডল - এমন‌ই সব মহার্ঘ্য উপকরণ। দেবতারা ঝটপট সেগুলো নিজেদের দখলে নিলেন। অথচ তখনও অমৃতের দেখা নেই! এবার উঠে এলো তীব্র কালকূট বিষ যার প্রভাবে ত্রিলোক ধ্বংস হয়ে যাবে। তাহলে উপায়? সবাই প্রমাদ গুণছে এমন পরিণতির কথা চিন্তা করে। ভগবান শিব তখন সেই গরল আকন্ঠ পান করে জগতকে রক্ষা করলেন। হলাহলের প্রভাবে শিবের কন্ঠ নীলবর্ণ ধারণ করলো। সেই থেকে শিবের অপর নাম হলো নীলকন্ঠ।
    – এতো ভগবান শিবের কথা। কিন্তু পালাপিত্তা শিবঠাকুরের সঙ্গে তুলনীয় কেন ? ভেনুর প্রশ্ন।
    এবার হরিহরণ দাদু গল্পের হাল ধরেন। একটু মুচকি হাসি হেসে বলেন – খুব ভালো প্রশ্ন। এই যে আমরা চাষবাস করি তার সবচেয়ে বড়ো শত্রুর নাম কী? বলো দেখি ।
     
     
     
    এইবার নন্দলাল উত্তর দেয় – কীটপতঙ্গ, পোকামাকড় এরাই হলো ফসলের সবথেকে বড়ো শত্রু। ওরা যদি ফসল খেয়ে ফেলে তাহলে তো কৃষির লোকসান, কৃষকদের ক্ষতি। এরাই হলো কৃষির বিষ, হলাহল। ঠিক কিনা?
     
    একদম ঠিক বলেছ । – হরিহরণ সম্মতি জানান। পালাপিত্তারা এই সময় হাজির হয়ে পোকামাকড় খেয়ে ফসলকে রক্ষা করে, আমাদেরকে রক্ষা করে। আর এজন্যই পালাপিত্তার নাম নীলাকন্ঠ। ভগবান শিবের প্রতিরূপ। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার একটা রীতি। কয়েক পুরুষ ধরে এমন বিশ্বাস আগলে রেখেছি আমরা।
    সকাল বেলা গাছের তলায় বসে এসব কথা শুনতে ভারি ভালো লাগে ভেনু আর নন্দলালের।

     

    এমন সময় খানিকটা তফাতে নীল আকাশের বুকে ডানা মেলে উড়তে থাকে একটা পাখি। হরিহরণ আর বাসবান্না সমস্বরে বলে ওঠেন – পা লা পি ত্তা এসে গেছে। মা আদরস্তাম ভাসিন্ডি,মা আদরস্তাম ভাসিন্ডি। আমাদের সৌভাগ্য এসে গেছে। পরনের কাপড়টাকে গুটিয়ে ভাঁজ করে নিয়ে বাসবান্না আর হরিহরণ জমির আলপথ ধরে ছুটতে থাকেন। খুশিতে ডগমগ করতে থাকে ওদের শরীর আর মন। পালাপিত্তারা এখন আকাশে আনন্দে ডিগবাজি খাচ্ছে ‌। শরীরের নীল আর আসমানী রঙের পালকের বর্ণচ্ছটায় ভেনু আর নন্দলাল‌ বিমোহিত। একটা দুটো তিনটে চারটে – একসঙ্গে অনেকগুলো পাখি উড়ে উড়ে ডিগবাজি খেতে থাকে। গ্রামের ভেতর থেকেও ভেসে আসে আনন্দোল্লাসের শব্দ। সবাই মিলে আজ উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে। উচ্ছ্বাসতো ভেনুর‌ও কম নয়। আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে সে ছড়া কাটতে থাকে –

          পালাপিত্তা পালাপিত্তা 
             এসো মোদের ঠাঁয়,
           পালাপিত্তা পালাপিত্তা 
            তোমায় যে মন চায়।
          তোমাকে আজ দেখবো বলে
              পথ দিয়েছি পাড়ি ,
          আজকে দেখা না পাই যদি
               আড়ি আড়ি আড়ি।
     
     
    ইরুলপাত্তি গ্রামে আজ রীতিমতো মেলা বসেছে। আয়াপ্পানের মন্দির লাগোয়া মাঠে চাঁদোয়া টানিয়ে সভার আয়োজন করা হয়েছে গ্রাম মণ্ডলের উদ্যোগে। হাজির হয়েছেন এন‌.টি. সুন্দররাজন সাহেব ,বন বিভাগের আধিকারিক। আশেপাশের এলাকার বহু মানুষের উপস্থিতিতে সভাস্থল গমগম করছে। একটা পাখিকে উপলক্ষ্য করে এমন আয়োজনের কথা ভাবতেই পারেনা ভেনু। 



    সুন্দররাজন সাহেব বক্তৃতা শুরু করেন –

    আজ আমাদের বড়‌ই খুশির দিন। পালাপিত্তারা আবার ফিরে এসেছে। একটা সময় ছিল যখন দূর দূরাঞ্চলের মানুষ জন এসে ভিড় জমাতো এই ইরুলপাত্তি গ্রামে কেবল পালাপিত্তা পাখি দেখবে বলে। সেই আনন্দের দিনগুলোকে আমরা সত্যিই হারিয়ে ফেলেছি। এখানে বেশ কয়েকজন বরিষ্ট মানুষ রয়েছেন তাদের জিজ্ঞাসা করলেই আমরা সেই সব দিনের কথা জানতে পারবো। এই হারিয়ে যাওয়া কিন্তু একদিনে হয় নি। একটু একটু করে আমাদের ভিতর থেকে পালাপিত্তারা হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা লক্ষ করে দেখেছি যে ২০১ –১২ সালের তুলনায় পালাপিত্তার সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ কমে গেছে। মানে আগে ১০০ পাখির দেখা পেলে এখন পাচ্ছি ৮০ টি। তাহলে বাকিরা গেল কোথায়? এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে দেখা গেছে যে কৃষিতে কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহার এর একটা বড়ো কারণ। ফসল রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের কৃষকবন্ধুরা যথেচ্ছ ভাবে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করার ফলে পাখিরা তার শিকার হচ্ছে। এছাড়া বাসস্থানের সংকোচন, আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন পাখিদের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে। অথচ পাখিরা হলো কৃষকের পরম মিত্র। ফসলের পক্ষে ক্ষতিকর পোকামাকড়, কীটপতঙ্গ খেয়ে পাখিরা আমাদের পরম উপকার করে। পালাপিত্তারা হলো ভগবান শিবের প্রতিরূপ। তাদের মারলে মহাদেব রুষ্ট হবেন। আমরা সবাই কি তেমনটাই চাই? ভরা সভা থেকে আওয়াজ ওঠে না, না, না।
     
    সভা শেষে এক নতুন বোধের আলোয় উদ্ভাসিত মন নিয়ে নিজেদের গ্রামে ফিরে আসে ভেনু, নন্দলাল। মন আজ ভরপুর অপার খুশিতে। আজ ওরা পালাপিত্তার দেখা পেয়েছে। এ যেন অন্য রকম এক স্বপ্নের খোঁজ পাওয়া। সুন্দররাজন সাহেব ওদের ওপর ভরসা করেছেন। কেননা ভেনুরাই যে গড়বে আমাদের আগামী পৃথিবীর ভবিষ্যৎ। ওরা জয়ী হোক।
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলি মুখার্জি | 2405:201:8000:b1a1:c8c1:5188:5075:1fd1 | ২৫ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৩৩526485
  • নীলকন্ঠ পাখি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলাম। লেখক এই যে ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখছেন এবং আমাদের সমৃদ্ধ করছেন এজন্য আমরা তাকে কুর্ণিশ জানাই। ভবিষ্যতে  আরও নতুন নতুন বিষয় জানতে পারব এই আশা রাখি।
  • | ২৫ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৪০526486
  • বাহ বেশ অন্যরকম একটা বিষয় নিয়ে লেখা। 
     
    ইন্ডিয়ান রোলার ভীশণ ঝলমলে। এবারে জুনে ঠিক বর্ষাইয় বন্ধ হবার আগে তাড়োবা গিয়েছিলাম। গাইডেরা বললেন  কর্ণাটক থেকে বা আরো দক্ষিণ থেকে  এরা প্রত্যেক বছর টাড়োবায় ডিম পাড়তে আসে। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরিয়ে বাচ্চা উড়তে শেখা পর্যন্ত এরা থাকে,তারপরআবার ফিরে যায়।  
    আমরা বিচ্ছিন্নভাবে ৪-৫ খানা রোলার দেখলাম। 
     
    কিন্তু গাইডেরা বললেন রোলাররা একটু লোনার টাইপ। হয় একা থাকে,নয়ত  জোড়ায় থাকে।দলে নাকি কখনোই থাকে না। আপনি যে লিখেছেন দলে দলে গ্রামে আসে দলে দলে আকাশে ডিগবাজি খায় - ওই গ্রামে কি এমন দলে দলে যায় সত্যি?  আর একটা কথা হল মেটিং সিজনে পুরুষ রোলার আকাশে ডিগবাজি খায় মেয়ে রোলারকে আকৃষ্ট করতে। এমনিতে ডিগবাজি নিয়মিত খায় না। 
     
    ইন্ডোচাইনিজ রোলারও দেখা যায়। এদের গায়ের রঙের ঝলক একটু কম। একটু ম্যাটম্যাটে ভাব আছে। 
     
  • Somnath mukhopadhyay | ২৫ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৩৫526487
  • পড়ার পর ধৈর্য্য সহকারে এতো সুন্দর করে মতামত জানানোর জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই লেখাটি গুরুর এক পাঠকের অনুরোধ সূত্রে লেখা। তাড়োবা সম্পর্কে আপনার দেওয়া তথ্যগুলো লেখক হিসেবে আমার বড়ো প্রাপ্তি।
    নীলকন্ঠ পাখির ডিগবাজি খাওয়া পূর্বরাগের অঙ্গ। তবে অন্য সময়ও তাদের এই স্বভাব বৈশিষ্ট্য প্রত্যক্ষ করার সৌভাগ্য আমার একাধিকবার হয়েছে। নির্জনতা প্রিয় পাখি অবশ্যই।একা থাকতে পছন্দ করে।প্রজনন কাল ছাড়া সঙ্গিনী সঙ্গ এড়িয়ে চলে। আর ঝাঁকে ঝাঁকে ওড়ার বিষয়টি লেখার প্রয়োজন মেনেই করতে হয়েছে। নাহলে ছয় কিলোমিটার হাঁটতে চাইতো না ভেনু আর নন্দলাল।
    অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো লাগলে লেখাটা ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ রইলো।
  • Aditi Dasgupta | ২৬ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:২২526500
  • কি সহজ সুন্দর ও প্রাসঙ্গিক এই নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজ। নিশ্চই ছড়িয়ে দেবো 
  • kk | 37.248.251.18 | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ০০:৩৬526511
  • এই লেখা নিয়ে এক লাইনে না, বিস্তারিতই কমেন্ট করবো। এখন কটা দিন একটু বেশি ব্যস্ত। তারপর ভালো করে লিখবো। আপাতত জানিয়ে গেলাম যে পড়েছি ও খুব খুশি হয়েছি।
  • ritabrata gupta | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ১৩:৪৯526527
  • অদ্ভুত সুন্দর  লেখা .  মনকে নাড়া দিয়ে  যায় .
    আর  এতো  তথ্য সমৃদ্ধ !  অত্যন্ত সহজ পাঠ্য এবং ক্লান্তিহীন ভাবে পাঠ করার মতো প্রাঞ্জল গদ্য .
    আমাদের চেতনা কে জাগ্রত রাখতে এই প্রয়াস  চলতে  থাকুক  সোমনাথদা !
  • পৌলমী | 2409:4060:29d:197f:b46a:9ce8:fbb2:d3a8 | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ১৪:৩৬526531
  • খুব সহজ করে কিছু বলতে বা লিখতে পারাটা একটা শিল্প। লেখক তা অর্জন করতে পেরেছেন। তাই তাঁর লেখাগুলো সহজপাঠ্য, সুখপাঠ্য ও সহজবোধ্য।
  • উন্মেষ | 45.64.223.169 | ২৭ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:২৬526535
  • নীলকন্ঠ পাখিদের নিয়ে এত বিস্তারিত লেখা সত্যিই বিরল।
  • amitkumar pal | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:৫৭526578
  • মধ্যপরদেশ আর ছত্তিশগড়ে প্রচুর আছে এই পাখি।
  • ড:সুমিত মুখোপাধ্যায় | 2401:4900:7073:c84d:a0f6:7a9a:b8ff:7c40 | ২৮ নভেম্বর ২০২৩ ২২:১২526587
  • পরিচিত কিন্তু লুপ্তপ্রায় এই পাখির তথ্য সমৃদ্ধ রচনা সহজ ভাষায় খুবই সুখপাঠ্য। 
  • Kaushik Guha | 2401:4900:7353:418:1ba6:271c:c6d9:a391 | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ০৯:১০526607
  • Dada, khuub bhalo laglo. Ami lekhata share korchi. Pronam neben. 
  • Supriyo Mondal | ০২ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৮:১৬526633
  • বিজয়া দশমীর দিন নীলকন্ঠ পাখি ওড়ানো  হত কোনও কোনও জায়গায়। এছাড়া আর কিছুই জানতাম না এই পাখি সম্বন্ধে। ভালো লাগলো।
  • অভ্রদীপ | 2409:4052:60d:f7a1:fdee:b43a:7feb:b23b | ০২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৮:৪৫526647
  • খুবই ভালো লাগলো দাদা এই গল্পের ছলে নীলকন্ঠ পাখির সম্পর্কে পরিবেশনা। নীলকন্ঠ দেখার সৌভাগ্য আজও হয়ে ওঠেনি! 

    নীলকন্ঠ নিয়ে দক্ষিণ ভারতের গ্রামে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে যেরকম সভা বসে সেরকম কি আমাদের বাংলায় হয় না? এদের সংরক্ষণের জন্য কি বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ইদানিংকালে?
  • সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় | 2409:40e0:2d:7afa:8000:: | ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ০০:০০526797
  • অপূর্ব লেখনীর বুননে গল্প, তথ্য, পুরাণ আর বার্তা সব একত্রে গাঁথা৷ অসাধারণ সোমনাথ দা৷ এরকম আরো অনেক লেখার অপেক্ষায় রইলাম ৷
  • kk | 2607:fb90:ea91:cb70:30fb:406:3ce1:604a | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৬:৫৭527081
  • এতদিন পরে এই লেখাটা নিয়ে বলি। আমি পাখিদের সম্পর্কে পড়তে খুব ভালোবাসি। এই লেখায় নীলকন্ঠ পাখি নিয়ে অনেক নতুন জিনিষ জানলাম। ছবি, এদের স্বভাব, পুরাণের সাথে কানেকশন, সবই জেনে খুব ভালো লাগলো। কিন্তু ইংরেজরা এদেরই ব্লু জে বলে শুনে একটু অবাক লাগলো। ব্লু জে তো আমি চিনি, আমাদের বাড়িতে খুব আসতো। সেগুলো তো অন্যরকম দেখতে। দেখুন এই যে ছবি দিলাম। তাহলে কি অ্যামেরিকা আর ইংল্যান্ডে  ব্লু জে বলতে আলাদা আলাদা পাখি বোঝায়?
  • Somnath mukhopadhyay | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ০৮:৩৬527082
  • সাতসকালেই এমন এক ছায়া পাখির দেখা পেয়ে খুব ভালো লাগলো। এই মন্তব্যটির জন্য অপেক্ষা করে ছিলাম। ইংরেজরা এদেশে এসে নীলকন্ঠ বা পালাপিত্তার পক্ষ শোভায় বিমোহিত হয়ে পাখিটিকে ব্লু জে বলে ডাকা শুরু করে। পরে অবশ্য সেই ভুল সংশোধন করা হয় এবং আমাদের চেনা নীলকন্ঠ পাখি ইন্ডিয়ান রোলার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 
    kk র পাঠানো পাখিটি আসল ব্লু জে পাখির। তবে এর বাস মূলত সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এদেশে এই পাখির দেখা পাওয়া পরম সৌভাগ্যের তা মানতে হবে। kk লিখেছেন এই পাখি তাঁদের বাগানে আসতো !! এই কথাটা নতুন ভাবনার খোরাক জোগালো। ব্লু জে পাখি পরিযান প্রিয় নয়। তাহলে?? এই ছবিটি আমার পরিচিত বিশেষজ্ঞ সুজনবন্ধুদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে তাদের মূল্যবান মতামতের জন্য। ততদিন পালাপিত্তার কথা আরও আরও অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ছায়ার পাখিকি নতুন মায়ায় জড়ালো  ????!!!!
  • | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:১৫527085
  • কেকে আমেরিকাতেই থাকে।  
  • Somnath mukhopadhyay | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:৫৯527087
  • দ এর মন্তব্য সমস্ত আলোচনায় আপাতত ইতি টানলো। ধন্যবাদ দ।
  • kk | 2607:fb90:ea91:cb70:30fb:406:3ce1:604a | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯:৫৭527094
  • হ্যাঁ, ইন্ডিয়ান রোলারও দেখেছি। ভারতে একজনদের বাড়িতে আমি গিয়ে মাঝেমাঝে কিছুদিন থাকি। সেই বাড়ির পেছনে অনেকখানি জংলা জায়গা আছে। প্রচুর গাছ, ঝিল, অনেক পাখি আসে। সেখানে ইন্ডিয়ান রোলার দু চারবার দেখেছি। খুব ঝলমলে। আমি প্রথমে দূর থেকে দেখে ভেবেছিলাম মাছরাঙা। ঐ যে ঝিল আছে বললাম, তাতে অনেক মাছ আছে। মাছরাঙা আসেও অনেক। পরে দূরবীন কষে ভালো করে দেখি না তো, এ যে নীলকন্ঠবাবু! খুবই সুন্দর দেখতে পাখিগুলো।
    আপনি যদি আরো অন্য পাখি নিয়ে আবার লেখেন, আগ্রহ নিয়ে পড়বো।
  • Somnath mukhopadhyay | ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ২০:৩০527096
  • kk - আপনার এমন আগ্রহের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। এই মুহূর্তে আমার বাগানের উইপিঙ দেবদারু গাছের ঝোপালো পাতার আড়ালে বাসা তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছে একদল ছোট্ট চেহারার ব্যস্ত পাখি। ওদের নিয়ে আমার না-মানুষী সহবাসীরা শীর্ষক সিরিজের কোনো এক পর্বে অবশ্যই লিখবো। ভালো থাকবেন। আপনার ও দেশের বাগানের অতিথি পাখিদের নিয়ে লিখুন। আমাদের ভালো লাগবে।
  • চৈতালি দত্ত | 2405:201:8000:b1a1:f842:e49f:3a64:5d7d | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৮:৩৯527162
  • এমন লেখা আরও আরও চাই। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন