এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব  মোচ্ছব

  • বয়স একটা সংখ্যা বই তো নয়! (২)

    Ranjan Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    বাকিসব | মোচ্ছব | ৩১ জুলাই ২০২৩ | ২৯২ বার পঠিত
  • বয়স একটা সংখ্যা বই তো নয়! (২)
    এই শীতের দুপুর পার্কে এসে একটু নিরিবিলিতে রোদ পোহাব, তারও জো নেই। এই অ্যাত্তোগুলো লোক এখানে তামাশা দেখতে হাজির হয়েছে। বলি, ও মশাইরা! আপনাদের কি আর খেয়েদেয়ে কোন কাজ নেই, দুপুরবেলা বাড়িতে চারাপোনার ঝোল দিয়ে দুটি খেয়ে নিয়ে কোথায় লেপমুড়ি দিয়ে ভাতঘুম দেবেন, তা নয়, পার্কে এসে ভিড় করেছেন।
    ঠিক আছে,  দুপুরে নাই ঘুমুলেন,  টিভি খুলে সিরিয়াল দেখতে কে মানা করেছে! পুরনো বাংলা সিনেমা দেখুন না! আর বিকেলে খেলা? দুর মশাই! আপনাদের দেখছি কিছুতেই উৎসাহ নেই। সব অকালে বুড়িযে গেছেন। ও, টিভি বৌমার কব্জায়?
       মশায়! সিনিয়র সিটিজেনদের সবাই কনসিডার করে। সরকার পাবলিক সবাই। রেলে কনসেশন, বাসে স্পেশাল সিট, মেট্রো রেলেও। আপনি বুঝিয়ে বলুন। বৌমা অবুঝ হলে ছেলেকে বলুন। আপনাকে একটা আলাদা টিভি করে দিক।
       ছেলে বলল বেশি টিভি দেখা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়? ডাক্তারে বলেছে? যত্তসব!
    না, না। খামোকা আপনার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিচ্ছি না। ভেরি সরি। কিন্তু আপনি নিজের জায়গা এত সহজে ছেড়ে দেবেন না। ছাড়তে ছাড়তে শেষে নিজের ঘর ছেড়ে বারান্দায় ঠাঁই হবে। বুঝলেন? আর শেষ কোথায় হবে কেউ জানে না।
    কী করতে পারেন? অনেক কিছু।
    যেমন ধরুন, বৌমা যখন ওনার পছন্দের সিরিয়ালটি দেখতে বসবেন তখন আপনিও গিয়ে ওখানে চেয়ার টেনে বসে পড়বেন।
    বলবেন যে আপনিও ওই সিরিয়ালটি দেখতে এসেছেন। খুব প্রশংসা করবেন ওই সিরিয়ালের অল্পবয়সী নায়িকার। বলবেন-- এমন বৌমা যেন সবার ঘরে হয়। আর নিন্দেমন্দ করবেন সিরিয়ালের কুচক্কুরে শ্বাশুড়ি, খান্ডার ননদ এবং নিপাট ভালোমানুষ ন্যাকা শ্বশুরের।  
    পারবেন না? লজ্জা করে? দূর মশাই, এই জন্যেই বাঙালীর কিছু হবে না। ঠাকুর বলে গেছেন-- লজ্জা, মান , ভয়; তিন থাকতে নয়। একবার আমার কথা শুনে দেখুন। তাতে কী কচুপোড়া হবে?
    অনেক কিছু হতে পারে।
    ধরুন, বৌমা বলবে-- না বাবা, এই সিরিয়ালে শ্বশুর তেমন একটা ন্যালাক্যাবলা নয়, এক সপ্তাহ নিয়মিত দেখলে বুঝতে পারবেন। ও'রকম শ্বশুর  আছে রাত ন'টার সিরিয়ালে--নামটা হল "চরকা কাটে চাঁদের বুড়ি" । সেটায় শাশুড়ি খুব ভাল। বৌটা নানান প্যাঁচ কষে, দিনভর গুজগুজ ফুসফুস করে দেওরের মাথা খায়, কু'মন্তর দেয়। আর শাশুড়ির  ক্ষুরধার বুদ্ধি , ঠান্ডা মাথা; বৌটার সব প্যাঁচ মাঞ্জা দিয়ে ঢিল ছেড়ে খেলার মত করে খেলিয়ে কুচ কুচ করে কেটে দেয়। দেখবেন নাকি বাবা?
      কী বললেন? ভাট বকছি! না মশাই, বৌমাকে আমার একনম্বর দাওয়াই  দিয়ে দেখুন। সাতদিনের মধ্যে হাতে গরম রেজাল্ট! না  পেলে আবার আমাকে কনসাল্ট করবেন, বিনে পয়সায়। প্রতি রোববার, দুপুরবেলা , এই পার্কে।
    আরে না মশাই। যা ভাবছেন তা একেবারেই নয়। আমার ছেলে বৌমা দুজনেই খুব যত্ন করে। সকালে বেড-টি, বিস্কিট। রোজ নতুন নতুন জলখাবার।  দশটায় মৌসুমী ফলটল। হরলিক্স। চানের সময় গরম জল।দুপুরে বাঁশকাঠি চালের ভাত। মাছের ঝোল। রোব্বারে মাংস। দুদিন অন্তর বিছানার চাদর বালিশের ওয়াড় পাল্টে দেওয়া। বিকেল সাড়ে চারটেয় ঘড়ি ধরে চা। সন্ধ্যেয় টিভিতে সিনেমা।  আমার ঘরে আলাদা পোর্টেবল সেট। রাত্তিরে ঘড়ি ধরে শুতে পাঠায়, মশারি টাঙিয়ে দেয়।
      প্রতি মাসে নিয়ম করে ঘরে এসে প্রেসার চেক। ছ'মাসে সুগার কোলোস্টেরল টেস্ট, ইসিজি।
     আর হ্যাঁ, দুটো কাগজ।একটা ইংরিজি আর একটা বাংলা। দেশ পত্রিকা। পাড়ার লাইব্রেরির কার্ড। বৌমা নিজে গিয়ে বই বদলে আনে।
    তবে  এই পত্রিকাটা; এই রোববারের আনন্দবাজার! এর জন্যেই গোটা সপ্তাহ হা-পিত্যেশ করে বসে থাকি। এর জন্যেই চুপিচুপি দুপুরের রোদে পার্কে এসে বসি।
    এই দেখুন 'পাত্রপাত্রী' কলমগুলো। এগুলো কখনো মন দিয়ে পড়েছেন?
      আমি এগুলো দেখি নির্মল আনন্দের খোরাক বলে। শুনবেন নাকি দু-একটা স্যাম্পল?
    'সুন্দরী ফর্সা শিক্ষিতা পাত্রীর জন্য কেঃ সঃ চাঃ/ রাঃসঃ চাঃ / বেঃ সঃ চাঃ  নেশাহীন সুপাত্র কাম্য।
     এইসব কেঃ সঃ চাঃ/ রাঃসঃ চাঃ / বেঃ সঃ চাঃ  কোডের মানে জানেন তো? কেন্দ্রীয় সরকারী চাকুরে/ রাজ্য সরকারি চাকুরে/ বেসরকারী চাকুরে।
    আরো দেখুন। কি পরিমাণে ডিভোর্সী কেস?
    এটা—ডিভোর্সী --- সন্তান নেই; এটা--শুধুই রেজিস্ট্রি, আইনে অসিদ্ধ, সোশ্যাল হয় নি।
    আর এটা-- সোশ্যাল ম্যারেজ হইয়াছিল। কিন্তু অষ্টমঙ্গলার পর হইতেই কন্যা পিতৃগৃহে; পতিসংসর্গ হয় নাই।

    ভাবছেন এইসব ফালতু জিনিস পড়তে আনন্দবাজার বগলে নিয়ে পার্কে আসি কেন? নিজের ঘরে বসে বৌমার দেওয়া চা অথবা ফলের রসে চুমুক দিতে দিতে--
     আরে সেটাই তো রহস্য। আস্তে আস্তে ভাঁজ খুলছি।তার আগে আরও কিছু স্যাম্পল দেখুন না!
     এই যে, উজ্বলশ্যামবর্ণা, ম্যাট্রিক পাস, গৃহকর্মনিপুণা, সম্ভ্রান্ত পূঃবঃ সম্ভ্রান্তবংশীয় সৌকালীন গোত্র, কায়স্থ। সুউপায়ী, সৎপাত্র কাম্য। পঃ বঃ চলিবে না। কী বুঝলেন? অমন হাঁ-মুখ দেখেই বুঝেছি, বোঝেন নি। শুনুন, বলছে বাঙাল কায়স্থ পড়াশোনায় লবডংকা, কালো মেয়ে। কুলীন কায়স্থ। তবে ছেলে ঘটি হলে চলবে না।
     আর এটা, সুন্দরী ফর্সা শিক্ষিত (অনধিক ২৫/২৬) পাত্রী চাই। পাত্র বিদেশে নামজাদা মালটিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত। শীঘ্র বিবাহ; কোন দাবিদাওয়া নাই। কেবল প্রকৃত সুন্দরীর অভিভাবকগণ ফোটো সহ আবেদন করুন।  শালা, যেন চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়েছে।
    আর এটাকে কী বলবেন? পাত্র (৪০) কোলকাতার প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী স্বর্ণবণিক পরিবারের একমাত্র পুত্র। কলিকাতায় নিজস্ব বাড়ি আছে। মাসিক আয় (৪০০০০/-)। জাতিবন্ধন নাই। তবে চাকুরিরতা অথবা পূঃবঃ কাম্য নহে।
    হাঁপিয়ে উঠেছেন? মাথা ধরে গেছে?  ব্যস্‌ ব্যস্‌; এই শেষ মণিমুক্তোঃ গরীব পরিবারের মেধাবী পুত্র। সম্পন্ন পরিবারের কানা/খোঁড়া বা যে কোন খুঁতসম্পন্ন কন্যাকে বিবাহ করিতে রাজি। ঘরজামাই প্রস্তাবেও আপত্তি নাই। অভিভাবকগণের অনুমতি আছে।
     দেখছেন সমাজ কোন পথে চলেছে?
      আপনারা বলতেই পারেন -- কেন মশাই,  ঘরে বসে পাত্রপাত্রীর বিজ্ঞাপন পড়তে পারেন না? কেন ঝোলায় পুরে পার্কে এসে পড়তে হয়?
    উপায় নেই। নিজের ঘরে সারাক্ষণ হয় বৌমা নয় ছেলে আমাকে চোখে চোখে রাখে। রোববারের আনন্দবাজার হাতে দেখলেই।
     বাবা, এবার একটু বেদানা, এই দু'কুচি আপেল, এবার মুরগির আংসের স্টু! আচ্ছা বাবা , আগের বইটা মানে নারায়ণ সান্যাল আপনার পড়া হয়ে গেছে? আজকে বদলে দিছি। জরাসন্ধ পড়বেন?
      উঃ হাঁপিয়ে উঠেছি। যেন চিড়িয়াখানায় বাঘকে খাঁচায় ঢুকিয়ে যত্ন আত্তি করা হচ্ছে।  ওই পাত্রপাত্রীর পাতাটা খুলতে দেখলেই ওদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। তক্ষুণি শুরু হবে ঘ্যানঘ্যান।
    -বাবা, আমরা কি আপনার যত্ন আত্তি করি না?  তবে কেন ঐসব ছাইপাঁশ পড়েন?
    - বল বাবা, তোমায় ঠিক করে খেতে পরতে দিই না?
    ব্যাপারটা কি জানেন?  ওরা ভাবে আমি বুড়ো বয়সে আবার বিয়ে করতে চাই; নিদেন পক্ষে সঙ্গী খুঁজছি। ভয় পায়, যদি উইল বদলে ফেলি, যদি বাড়ি আর ব্যাংক ব্যালান্স কোনো উড়ে এসে জুড়ে বসা শাকচুন্নি হাতিয়ে ফেলে?
     কত বুঝিয়েছি যে আমি এই বয়সে আবার ছাঁদনাতলায় যাওয়ার চক্করে নেই; কিন্তু ভবি ভোলে না। তাই লুকিয়ে পার্কে এসে পড়ে নেওয়া ছাড়া কোন রাস্তা নেই।
    এই রে, চারটে বেজে গেছে। আমায় বাড়ি ফিরতে হবে। নইলে বৌমা চিন্তা করবে। ও আবার ঘড়ি ধরে সাড়ে চারটেয় চা দেয় কি না! আর আপনারাও বাড়ি যান। গিয়ে আমার দাওয়াই নম্বর এক প্রয়োগ করুন। আর সাতদিন পরে  রোববার দুপুরে এসে আমাকে প্রগ্রেস রিপোর্ট করুন।
    =================================================
     

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন