এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বায়রন বিশ্বাস 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩১ মে ২০২৩ | ৮০১ বার পঠিত
  • অপটিক্স, অর্থাৎ কিনা আপনাকে কীভাবে দেখা যাচ্ছে, রাজনীতির একটা বড় ব্যাপার। গত বিধানসভা ভোটের আগে, দলে-দলে তৃণমূল নেতা দলে থেকে কাজ করতে পারছিলেননা। সব্বাই বিজেপিতে চলে যান। এদের মধ্যে এক-দুজন বাদ দিলে, কেউই বিজেপির বিশেষ কাজে লাগেননি। না নিলেও পারত, তবু নিয়েছিল। কারণ অপটিক্স। তখন মনে হচ্ছিল তৃণমূল ডুবন্ত নৌকো, সব্বাই তৃণমূল ছাড়ছে, পতন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। এই হাওয়াটা তৈরি হয়ে অবশ্য উল্টো ফল হল। গুচ্ছের লোক বিজেপিতে ভয় পেয়ে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু ভয়টা ছিল মানেই বার্তাটা ছিল।

    তারপর তো খেলা হল টল, এবং তারপর থেকেই, কী আশ্চর্য, সবাই তৃণমূলে থেকেই দারুণ কাজ করতে পারতে লাগলেন। এবার দম বন্ধ হয়ে আসতে লাগল বিজেপির লোকেদের। সে বেচারিরা আর দলে থেকে  কাজ করতে পারলেন না। দম আটকে এল। তৃণমূলে লাফ মারলেন। এঁদের না নিলে তৃণমূলের কি ক্ষতি হত কিছু? কিসুই না, তবু নিয়েছে, কারণ অপটিক্স। যাতে বিজেপিকে ডুবন্ত নৌকো মনে হয়। বিজেপির বিরুদ্ধে জনাদেশ নিয়ে বাবুল সুপ্রিয়কে দলে নেওয়া মোটেই নৈতিক কাজ নয়। ঠিক কথা। কিন্তু ডুবন্ত বিজেপিও দৃশ্যমানতার একটা বড় অংশ।

    এই খেলাটা চলতে দিলে বিজেপির সাড়ে-সব্বোনাশ হত। অতএব, বিজেপি দিল পাল্টা। ইডি-সিবিআই-মিডিয়া। দুর্নীতি কি হয়নি? হয়েছে নিশ্চয়ই। কিন্তু এখানে বড় ব্যাপারটা হল দৃশ্যমানতা। তৃণমূলকে চোর আখ্যা দিতে পারা, তার একটা অংশ। আরেকটা, যেটা বড়, সেটা হল, টাইট দিচ্ছি, এই দৃশ্যটার জন্ম দেওয়া। রাজ্য ওদের দখলে তো কি, আমরা হলাম কেন্দ্র, আমরাই তৃণমূলকে ঠুসে দিতে পারি, এই হল বিজেপির দিকের দৃশ্যমানতা। সেটা কাজেও লেগেছে খানিক। রাজ্যে বিজেপির রক্তক্ষরণ বন্ধ। এখন সবাই দলে থেকেই কাজ করতে পারছেন আবার।

    তৃণমূল এতে বেকায়দায় খানিক। কিন্তু মমতার তুরূপে এখনও কিছু তাস আছে। গরীবের বন্ধু, সংখ্যালঘুর ত্রাতা, কন্যাশ্রী ইত্যাদি এবং কেন্দ্রীয় আক্রমণের শিকার। এগুলো আছে। নইলে ভোটের আগের মতোই, আবারও নেতারা দলে থেকে কাজ করতে পারতেননা। এত গ্রেপ্তারের পরেও সেটা হচ্ছেনা। বরং অন্য বিধায়ককে এখনও দলে টেনে নেওয়া যাচ্ছে। না, বিজেপির বিধায়ক না, জোটের বিধায়ক। কিন্তু যাচ্ছে, মানে তিনি তৃণমূলকে ডুবন্ত নৌকো ভাবছেননা। তৃণমূলে চড়ে কিছু ফায়দার আশাই করছেন (এই ফয়দাটা কোনো নৈতিক বিচার নয়, রাজনৈতিক ফয়দা)।

    সব মিলিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূলের দ্বৈরথ চলছে। দৃশ্যমানতা হল এই, যে, যুদ্ধ চলছে এবং ফল অমীমাংসিত। দ্বিমুখী মেরুকরণ সুস্পষ্ট। এবং অদূর ভবিষ্যতে তৃতীয় কোনো পক্ষ ঝপ করে উঠে না এলে, এই মেরুকরণ থাকবে। তৃতীয় পক্ষ বলতে বামদের কথাই মনে পড়ে। এই দুর্দিনেও, পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে সংগঠিত শক্তি সম্ভবত তাঁরাই। বাকিদের চেয়ে ছোটো, কিন্তু সংগঠিত। কিন্তু সমস্যা হল, এঁদের দৃশ্যমানতা বলতে দুটো-তিনটে জিনিস চোখে পড়ে। 

    তার মধ্যে প্রথমটা হল, তৃণমূল-বিজেপির দ্বৈরথকে অস্বীকার করে এঁরা বলেন বিজেমূল। সেই কথাটা, কেউ সিরিয়াসলি নেয়না। কারণ দৃশ্যমানতা হল, এই দুই পক্ষ শুম্ভ-নিশুম্ভের মতো ফাটাফাটি করছে। এদের মেরুকরণের বিরুদ্ধে তৃতীয় একটা পক্ষ খাড়া করা বামদের খুবই স্বাভাবিক অ্যাজেন্ডা, কিন্তু সেটা করতে গিয়ে  তৃণমূল-বিজেপিকে একটাই পক্ষ বললে গেলে বৃহত্তর জনতা কেউ বিশ্বাস করবেনা। যেটা ২১ এর ভোটে ইতিমধ্যেই দেখা গেছে। এবং এই সেটিং তত্ত্বটা, পাবলিক ছাড়ুন, নিজেরাও মনে হয়না বিশ্বাস করেন। কার্যত, তৃণমূলের যেকোনো নেতাকে কেন্দ্রীয় এজেন্সি ধরলেই এঁরা আহ্লাদ করেন। সেটিং হলে এই আহ্লাদের কোনো কারণ থাকেনা, কারণ পুরোটাই তো গট-আপ।  

    যেটা আসলে উদ্বেগজনক, সেটা হল এই অংশটাই। বামরা জানেন, যে ওটা গট-আপ না। দৃশ্যমানতা হল, বিজেপির রাজনৈতিক চালে বামরা আনন্দ পাচ্ছেন। এবং বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁদের তীব্র কোনো বিরোধিতা চোখে পড়ছেনা। ফলত, তৃণমূল-বিরোধিতাটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়াচ্ছে, এবং তীব্র মেরুকরণের বাজারে, তাঁদের সম্ভাব্য ভোটগুলি, অর্থাৎ তৃণমূল-বিরোধী ভোটগুলি বিজেপির দিকে যাচ্ছে। মেরুকরণের বাজারে এরকম হয়। মেরুকরণ যখন আছে, তখন তৃণমূল-বিরোধীরা খামোখা বিজেপির জায়গায় অন্যকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করবে কেন? বিশেষ করে বিজেপি তেমন ভয়ানক ব্যাপার যখন নয়? 

    প্রসঙ্গত আমি দৃশ্যমানতার কথাই বলছি, পুঁথিতে কী লেখা আছে তার কথা না। তীব্র বিজেপি-বিরোধী একটা রাজ্যসরকার-বিরোধী দল তৃণমূলের দুর্নীতি এবং ইডির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে পারলে একটা তৃতীয় বিরোধী পরিসর তৈরি হতে পারত। কিন্তু যা দেখছি, একুশের লাইন এখনও অপরিবর্তিত। এবং আরেকটা দৃশ্যমানতা খুব চোখে পড়ে। বাম নেতারা খুব জোরে-সোরেই নিজেদের শিক্ষিতদের দল ইত্যাদি বলে থাকেন। কথাটা হয়তো সত্যি, কারণ মধ্যবিত্ত কিছু অংশ ছাড়া তো বামদের তেমন ভিত্তি নেই আর। কিন্তু কথা হল, পশ্চিমবঙ্গের দশজনে একজন বোধহয় কলেজ-শিক্ষিত। টাটার কারখানা, রাজ্য ছেড়ে অন্য জায়গায় চাকরি করতে যাওয়া, এইগুলো নিয়ে বলে, ভেবে, প্রচার করে, শুধু শিক্ষিতদের দল হয়ে দৃশ্যমানতা পেয়ে লাভ না ক্ষতি?

    বায়রন বিশ্বাস কংগ্রেস ছেড়েছেন, কিছুই বড় কথা না। হয়তো লাভের আশায়ই ছেড়েছেন। লাভ মানে রাজনৈতিক লাভ। কিন্তু কথা হল, তিনি জোটে থেকে রাজ্নৈতিক লাভ দেখতে পাননি। এই দৃশ্যমানতাকে ঘোরানোর জন্য তো হাতে কোনো কেন্দ্রীয় সরকার নেই বামদের। বিরোধী-পরিসরে অবিজেপি একটা দলের আকাঙ্খা রাজ্যের বহু মানুষের। সেটাকে হাওয়ায় কেন উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কে জানে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:a5e2:3073:4bd9:2f00 | ৩১ মে ২০২৩ ১০:৫৬520150
  • চোর পেটানো দেখলে আনন্দ হয়। এমনকি ডাকাতে চোর পেটাচ্ছে দেখলেও আনন্দ হয়। কি আর করা।
     
    আর গট আপ? সেটা না থাকলে নারদা কাণ্ডের পর পার্লামেন্টের এথিক্স কমিটির মিটিং আটকে দেওয়া হত না। কোর্টের নজর না থাকলে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তও সারদা কাণ্ডের মত ফুস ধাঁ হয়ে যেত। নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তেও আসল মাথাদের কিছু বলছে না এজেন্সিগুলো। গট আপ তো বটেই।
     
    অলমিতি
  • হি হি | 2405:8100:8000:5ca1::f6:a2ba | ৩১ মে ২০২৩ ১১:৩২520151
  • কোর্টের নজর?
    হি হি, কোর্ট তো এখন প্রায় ভগবানের মতন হয়ে গেছে
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ৩১ মে ২০২৩ ১৩:৪৩520153
  • গট আপ যে কিছুটা আছেই তা উড়িয়ে দেওয়া সত্যিই যাচ্ছেনা। ডি এ মামলা সুপ্রিম কোর্ট ঠিক কায়দা করে ঝুলিয়ে রেখে দিচ্ছে দিনের পর দিন। সিবিআই ও ইডি তদন্তে ঢিলে দিচ্ছে মাঝে মধ্যে। আপস করার জন্য টাইম দেওয়া হচ্ছে ঝুলিয়ে রেখে। আইন পাশ করিয়ে নেওয়ার জন্য সমর্থন বা বিপক্ষে ভোট না দেওয়া নিশ্চিত করানো হচ্ছে এর দ্বারা। আবার tmc ও লোকসভা ভোট জিততে চাইছে কারণ তখন আর এত বিজেপির চাপ সইতে হবে না। তদন্তের সব প্রমান টমান লোপাট করে দেওয়া যাবে আবার কংগ্রেস কেও চাপে রাখা যাবে উল্টে, সমর্থন তুলে নেওয়ার ভয় দেখিয়ে। বিজেপিও চাইছে না তুরুপের তাস গুলো এক্ষুনি খেলে দিতে। প্রয়োজনের জন্য জমিয়ে রাখছে।
  • সুদীপ্ত | ৩১ মে ২০২৩ ১৪:১৯520154
  • দুটো কথা বলার
    ১. বায়রন বিশ্বাস একটি চূড়ান্ত আন-এথিকাল কাজ করেছেন, যদিও সেটা নতুন কিছু নয়, অনেকেই আজকাল করে থাকেন, তবে সেটাকে হালকা জাস্টিফাই করে তৃণমূলের দিকে টেনে খেলানোর প্রয়াস রয়েছে এই লেখায়, সেটা খারাপ লাগল। আর ঘোড়া কেনাবেচায় বিজেপির থেকে তৃণমূল আলাদা কোথায়, পঞ্চায়েত স্তরে তো এসব অনেকদিন চলছে, বায়রনের ঘটনা আর একটা সীলমোহর শুধু! 
    ২. সারদার বেনিফিসিয়ারি আর নারদার ক্যামেরায় সরাসরি দেখা লোকজনের আজ পর্যন্ত কিছু না হওয়ার পরও সেটিং এর তত্ত্ব খারিজ কি করে করা যাবে বুঝলাম না! তদন্তের যা গতিপ্রকৃতি সে দেখাই যাচ্ছে, পার্থ চ্যাটার্জি গ্রেপ্তার হওয়ার পর এক বছর হতে চলল। সাধারণ মানুষ ভালো করেই জানে তদন্তের চূড়ান্ত  ফলাফল কিছু হবে না, সে কোর্ট থাক আর না থাক, যার বেঞ্চেই এসব মামলা চলুক আর যেই উকিল থাকুক। কাকু, জ্যেঠু, তস্য কাকু, তস্য জ্যেঠু এইসব চমকদারীই চলবে, ভোট এলে বাড়বে, ভোট চলে গেলে যে কে সেই। এগুলো সেটিং ছাড়া আর কি! 
  • কি হল? | 42.110.136.84 | ৩১ মে ২০২৩ ১৬:২৫520155
  • সারদা,নারদা তদন্ত চলছে কোর্টের নজরদারি তে।দশ বছর হতে চললো।কেউ জানে না কি হচ্ছে? কিন্তু কোর্টের নজরদারি তো আছেই।তাহলে বছরের পর বছর ঘুরে যাচ্ছে কেন? ঘুরেই যদি যায়,তাহলে নজরদারির কি মানে? 
    এরকম আরো কয়েকটা কেস আছে।সুশান্ত সিং মামলা। কি তার গতি প্রকৃতি? 
    ব্যপম আছে।
     
  • বায়রন | 14.139.196.16 | ৩১ মে ২০২৩ ১৮:৫২520157
  • নামের লোকদের  বরাবরই  এদিক ওদিক  প্রবৃত্তি থাকে । 
  • কুমড়োপটাশ | 192.42.116.204 | ৩১ মে ২০২৩ ১৯:২৭520158
  • সুমন চট্টোপাধ্যায় বলছে বায়রনের সঙ্গে সাগরদীঘি মডেলকে গুলিয়ে ফেললে চলবে না
     
  • সেটিং | 2405:8100:8000:5ca1::12b:18e1 | ০১ জুন ২০২৩ ০০:৩৯520165
  • চিদম্বরম সিসোদিয়া পার্থ সবাই জেলে গেছে। কিন্তু একটি পার্টির নেতাদের পিছনে ইডি সিবিআই লাগছে না।
  • গোপাল | 2405:8100:8000:5ca1::1a3:bc64 | ০১ জুন ২০২৩ ২২:১৪520169
  • আ বে, বিজেপি সৎ পার্টি বে। কংরেস বা তিনো বা সিপিএমের মোতো জালি পার্টি না। একটা ভিশন আছে। ক্লিন ভিশন। 
  • রাজনৈতিক বিশ্লেষক | 103.249.39.161 | ০২ জুন ২০২৩ ০০:৩০520170
  • তীব্র বিজেপি-বিরোধী একটা রাজ্যসরকার-বিরোধী দল তৃণমূলের দুর্নীতি এবং ইডির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে একসঙ্গে আওয়াজ তুলতে পারলে একটা তৃতীয় বিরোধী পরিসর তৈরি হতে পারত।

    না পারত না, দুর্নীতি ইডি এগুলো কবে ভোটের ইস্যু হয়েছে? কোনকালে হয়েছিল? আর খেটে খাওয়া লোকের "ইডি" নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রিভিলেজ নেই।  আর দূর্নীতির কথা জিজ্ঞেস করলে সবার অনুচ্চারিত বক্তব্য একটাই  "ও দাদা সবাই সমান, কে নয় বলুন!" দূর্নীতি ইস্যু করে কেউ কোনদিন ভোট জিততে পারেনি পারবেও না। 
    রাজ্যে দুধরণের ভোটার আছে। প্রথম দলের কাছে রুটি রুজি প্রধান ইস্যু। এরা মূলত আগে বামের ভোটার ছিল। বামেরা শিক্ষিত মধ্যবিত্তের দল হওয়ায় আর সরকারি প্রকল্পকে "ভিক্ষা" তখমা দিতে শুরু করে এদের ভোট তৃণমূলে যায়। দ্বিতীয় দল হল, আইডেন্টিক্যালি অপ্রেসড সেকশনের অংশ। আদিবাসী দলিত কুর্মী আর উত্তরবঙ্গবাসী বিভিন্ন বঞ্চণার শিকার হওয়ায় আর বামেরা সেই ক্ষোভের শরিক না হওয়ায় বিজেপি তাদের হিন্দুত্বের তাস মিশিয়ে আইডেন্টিটি পলিটিক্স গেলাতে সক্ষম হয়েছে।
     
    এখন বামেরা যদি স্কুলশিক্ষার সঙ্গে অপ্রেস্ড আইডিন্টিটিভুক্ত নাগরিকদের দাবিদাওয়াগুলো যুক্ত করে আন্দোলনে নামে তাহলে বামেদের দিকে হাওয়া ঘুরতে পারে। দূর্নীতিকে ইস্যু করে হাওয়া ঘোরানো সম্ভব নয়।
  • Sandipan Majumder | ০২ জুন ২০২৩ ১৬:১২520180
  • রাজ্যে  আর এস এসের প্রথম পছন্দ  বিজেপি,যতদিন  তারা ক্ষমতায়  না আসছে দ্বিতীয়  পছন্দ  তৃণমূল।  কাজেই লড়াইয়ের ভান থাকবে,সেটিং থাকবে। যদি না থাকে  তাহলে বাবুল সুপ্রিয়, অর্জুন  সিং,জয়প্রকাশ মজুমদার,মুকুল রায়-- এদের নেতৃত্বে  ফ্যাসিবাদ  বিরোধী  লড়াইয়ের  জন্য তৈরি  হতে হবে। কী আর করা যাবে,বিপুল ভোটে জেতার পরও ' বিজেপি ডুবছে এই দৃশ্যমানতা ' তৈরি  করার জন্য বাবুলের মত সাম্প্রদায়িক  মালকে এনে মন্ত্রী  করা যদি  জায়েজ হয়,তাহলে তাই হবে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন