এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • স্ট্রাইক দা পয়েন্ট - ১০ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩১ আগস্ট ২০২২ | ৩১৯ বার পঠিত | রেটিং ৪ (৩ জন)
  • থানার দুজন উর্দিহীন সাব ইন্সপেক্টর চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে কলতানের কাছাকাছি এসে তাকে এদিক ওদিক খুঁজতে লাগল । কলতান বলল , ' এই যে ... আমি এখানে ... ' ।  এস আই দুজন সঞ্জয় ঘোষ এবং প্রতীক চক্রবর্তী তার সামনে যেতেই সে তার দাড়ি পাগড়ি সব খুলে ফেলল । প্রতীকবাবু বললেন, ' আরে... কেয়াবাত .... আপনার সত্যি জবাব নেই ... কেউ চিনতেই পারবে না ...' । সঞ্জয়বাবু বললেন, ' মেক আপ দুর্দান্ত  হয়েছে .... '
    কলতানের কানে এসব কথা ঢুকছে না । সে বলল , ' ওসব বাদ দিন । হারি আপ ... কে এফ সি বিল্ডিং..... মারুতি ভ্যান .... ' 
    প্রতীক বলল, ' আমরা কি গাড়ি নিয়ে যাব ? যদি পিক আপ করার দরকার হয় .... '
    ----- ' তার দরকার হলে ওকে তুলে হাঁটিয়ে নিয়ে আসা যাবে গাড়ি পর্যন্ত .... পুলিশের গাড়ি দেখলে তো আগেই পালিয়ে যাবে ... গাড়ি যেখানে আছে সেখানেই থাক .... '
    ওরা রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে লক্ষ করতে লাগল স্পেনসারের উল্টোদিকে কোন মারুতি ভ্যান দাঁড়িয়ে আছে কিনা । কলতান চাপা উল্লাসে বলল, ' ওই যে ... আছে আছে ... কে এফ সি থেকে একটু এগিয়ে ... দাঁড়ান আমি যাচ্ছি ... আপনারা আমার ওপর ওয়াচ রাখুন ... সিচুয়েশান বুঝে অ্যক্ট করবেন ... ওকে ?'
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে । আপনি কনভার্জ করুন । আমরা ওয়াচ রাখছি ... দরকার হলে আর্মস ইউজ করব ... ' সঞ্জয় ঘোষ বললেন । 
    ----- ' হ্যা ... একদম কাছাকাছি থাকবেন । যে কোন মুহুর্তে দরকার হতে পারে ... ' 
    ---- ' কিচ্ছু ভাববেন না ... আমরা চোখের পলক ফেলতে না ফেলতে হাজির হয়ে যাব ... ' 

      কলতান গাড়িটার পাশ দিয়ে হেঁটে গেল ।  গাড়ি ফাঁকা । গাড়ির কাঁচ তোলা । কলতান দাঁড়াল না ।  ধীর পায়ে হাঁটতে হাঁটতে গাড়িটা পেরিয়ে গিয়ে প্রায় তিরিশ মিটার দূরে গিয়ে দাঁড়াল । ভাবল, সে কি আবার ধোঁকা খেল ! তারপর ভাবল, ব্যাটা নিশ্চিতভাবে কোন জায়গা থেকে নজর রাখছে । যেভাবেই হোক ওকে এখানে টেনে আনতে হবে । রাস্তা আলোয় ভাসছে, কিন্তু প্রায় ফাঁকা । ঠিক করল, একে যদি ধরা না যায় গাড়িটা সিজ করতে হবে, তারপর রেজিস্টার্ড মালিককে খুঁজে বার করতে হবে । কিন্তু সে তো আর এক দীর্ঘ প্রক্রিয়া । সে ভাবল , আর একটা ঢিল ছুঁড়ে দেখা যাক ।   দ্বিতীয় সিমটা থেকে রাকেশ মিশ্রের নম্বরে একটা মেসেজ করল কলতান ---- Hari Omm
    প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তার পিছন দিক থেকে একজন বলল, ' হরি ওম .... আমি এখানে... '
    কলতান চকিতে পিছনে ফিরল । দেখল ফর্সা, মোটাসোটা, টাকমাথা একজন দাঁড়িয়ে আছে।
    কলতানের পরিষ্কার মনে আছে চেহারাটা । সেই সেদিন সুর ইন্ডাস্ট্রীজের গেট দিয়ে ঢুকতে দেখেছিল ।  
    লোকটা পরিষ্কার বাংলায় বলল , ' আমি জানতাম আপনি আসবেন ... এও বুঝতে অসুবিধে হয়নি পুরো খেলাটা আপনার তৈরি ... আমি এখানে এসেছি খেলাটা শেষ করতে ... '
    ঠিক এই সময়ে প্রতীক আর সঞ্জয় ভুঁইফোড় হয়ে রাকেশ মিশ্রের দুপাশে এসে দাঁড়াল । 
    সঞ্জয় বলল, ' আমরাও এসেছি খেলাটা শেষ করার জন্য ... চলুন ... ' 
    রাকেশের প্রতিক্রিয়া দেখে কলতানের মনে হল, সে এটা আশা করেনি । তার অভিজ্ঞতা থেকে সে বুঝতে পারল , এরা দুজন পুলিশের লোক। সে বেপরোয়া ভঙ্গীতে বলল, ' আপনারা আমায় চেনেন না । আমার হাত কিন্তু অনেক লম্বা ... '
    সঞ্জয়ের দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে রইল রাকেশ মিশ্র । অজগরের মতো কুতকুতে চোখের গা সিরসির করা দৃষ্টি । 
    ----- ' তা আর বলতে .... আমাদের হাতের মাপটাও দেখতে পাবেন এবার ... চলুন না একবার ... বাহাত্তর ঘন্টার ডেডলাইন দিয়েছিলাম না ? চলুন চলুন .... ফোর্স
     করতে বাধ্য করবেন না ... ' কলতান বলল ।
    রাকেশ কুতকুতে চোখে কলতানের দিকে তাকিয়ে রইল । গলায় স্বরের বদল লক্ষ করা গেল ।
    ------ ' কেন যেতে হবে কেন ... কি করেছি ? চার্জটা কি ? ' 
    ----- ' সেটা থানায় গিয়ে বুঝবেন । খালি হাতে তো আর বসে নেই আমরা ... ' 
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে ... আমি একটা ফোন করে নিই ... ' বলে মোবাইল হাতে নিল । 
    ------ ' কোন ফোন টোন কিছু করা যাবে না .... দেখি দিন তো ... ' বলে মোবাইলটা প্রায় ছিনিয়ে  
    নিল সঞ্জয় । 
    রাকেশ মিশ্র আগ্রাসী অ্যনাকোন্ডার মতো ক্ষুদ্র দুটি চোখের ধারালো দৃষ্টি সঞ্জয়ের চোখের ওপর ফেলে বলল, ' কাজটা কিন্তু ভাল করছ না .... '
    সঞ্জয়ের পুলিশী অস্মিতায় জোর খোঁচা লাগল। সে রাকেশের পিঠে একটা ধাক্কা মেরে বলল, ' চল চল .... গাড়িতে চল ... ভাল মন্দের কথা পরে হবে ... বাবারও বাবা আছে ... '
    সঞ্জয় আর প্রতীক রাকেশ মিশ্রকে ঠেলতে ঠেলতে মোড়ে দাঁড় করানো জিপের দিকে নিয়ে যেতে লাগল । মারুতি ভ্যান পড়ে রইল ওখানেই । প্রতীক বলল, ' গাড়িটা সিজ করার জন্য লোক পাঠাচ্ছি থানায় গিয়ে । 
    কলতান হাঁটতে হাঁটতে একটা ফোন করে নিল এন্টালি থানার ওসি বিমল মন্ডলকে ।
    ----- ' হ্যা.... মিশন সাকসেসফুল । এখন পার্ক স্ট্রীট থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে । পার্ক স্ট্রীট থানা ভীষণ কোঅপারেট করেছে । যাক, যেটা বলছিলাম .... আপনি এ টু জেড ডিজিটালের মালিক বৈকুন্ঠ বসাককে তুলে নিন কাল সকালেই । ওকে লাগবে ... এভিডেন্স তো হাতেই আছে .... '
    বিমলবাবু বললেন, ' ঠিক আছে... হয়ে যাবে ...'
    ---- ' থ্যাঙ্ক ইউ স্যার ... '

        রাত প্রায় সাড়ে দশটা । পার্ক স্ট্রীট থানার ওসি কুন্তল মিত্র থানা ছেড়ে যাননি আজকে । 
    রাকেশ মিশ্রকে নিয়ে কলতানদের ঢুকতে দেখে চেয়ার থেকে উঠে পড়লেন তিনি । রাকেশজির ওপর আপাদমস্তক চোখ বুলিয়ে বললেন , 'ওয়েলকাম মিস্টার মিশ্র ... আপনার নাম অনেক শুনলেও ,আপনার মতো মহাপুরুষের দর্শন এই প্রথম পেলাম । কি সৌভাগ্য ! আপনার পুরনো রোগ মেয়েমানুষের নেশার টানে ফেঁসে গেলেন .... থ্যাঙ্কস টু মিস্টার কলতান গুপ্ত .... একটু চিন্তা ভাবনা পর্যন্ত করলেন না .... কলতানবাবু বোধহয় খবর পেয়েছিলেন মেয়েমানুষের নামে আপনার মতো বুদ্ধিমান লোকেরও বুদ্ধিসুদ্ধি লোপ পায় ।  আরে দাঁড়িয়ে কেন ? বসুন বসুন .... ' 
    রাকেশ মিশ্র অ্যনাকোন্ডার মতো গিলে খাওয়া দৃষ্টিতে কুন্তলবাবুর দিকে তাকিয়ে রইল । হিসহিসিয়ে বলল, ' ইউ অল উইল হ্যাভ টু পে ফর ইট ... '
    কলতান বলল, ' ডোন্ট বি সো এক্সাইটেড.... ইট'ল টেল অন ইয়োর হেলথ.... সিট ডাউন প্লিজ ... ' 
    রাকেশ সাহেব ' রাবিশশ্ ... ' বলে ধপ করে একটা চেয়ারে বসে পড়লেন । বলল , ' এবার মোবাইলটা দিন। লইয়ারকে ফোন করার রাইট তো আমার আছে । '
    ----- ' নিশ্চয়ই .... কাল সকালে করবেন । আপনাকে তো অ্যরেস্ট করা হয়নি মিস্টার মিশ্র .... কেস ডায়েরিটা একটু লিখে নিই .... বলুন তো মিস্টার গুপ্ত .... '
    রাকেশ মিশ্র থুম মেরে বসে রইল । রাত প্রায় এগারোটার সময়ে অম্বরীশ চ্যাটার্জীর ফোন এল কলতানের মোবাইলে । 
    ----- ' হ্যা বলুন মিস্টার চ্যাটার্জী ... কি খবর ? '
    ----- ' অসময়ে একটু ডিসটার্ব করছি কলতান বাবু .... আমি শেষ পর্যন্ত কোম্পানির সি এম ডি কে মেইলটা পাঠাতে পেরেছিলাম । একঘন্টার মধ্যে নিজে রিপ্লাই দিয়েছেন তিনি । আগামীকাল কলকাতায় আসছেন তিনি নিজের কোন কাজে । জানালেন আমাদের অফিসেও আসবেন ইন্সপেকশানের জন্য । আমার বেশ ভয় ভয় করছে মিস্টার গুপ্ত ... দেবব্রত চৌধুরীরা আমাকে যদি কায়দা করে ফাঁসিয়ে দেয় ... আমি তো গাড্ডায় পড়ে যাব .... তখন কি করব ? ' অম্বরীশবাবুর গলায় 
    কাতরতা ফুটে ওঠে । 
    ----- ' না না ... আপনি কোন গাড্ডায় পড়বেন না .... মেন কালপ্রিট ধরা পড়ে গেছে । কাল সব জানাব ... আপনাদের সিএমডির মোবাইল নাম্বারটা আমায় দিন .... কোন ভয় নেই আপনার .... কাল দেখা হবে ... গুড নাইট ... এখন শুয়ে পড়ুন ... ' 
     থানায় বসে বসেই রাত ফুরিয়ে গেল । সকাল 
     সাতটা নাগাদ বিমল মন্ডল বলল বৈকুন্ঠকে তুলে এনেছি । 
    ----- ' ঠিক আছে ... ওর মোবাইলটা সিজ করে ওকে বসিয়ে রাখুন .... '

       বেলা দেড়টার সময়  ওরিয়েন্টাল ট্রেডসের 
    চেয়ারম্যান এস কে খারবান্দার কলকাতার অফিসে এসে ঢুকলেন । তার পরক্ষণেই আননোন নাম্বার থেকে একটা ফোন এল খারবান্দারের মোবাইলে । 
    ---- ' হ্যালো .... খারবান্দার স্পিকিং ... '
    ----- ' আয়্যাম কলতান গুপ্ত স্যার... এ প্রাইভেট ডিটেকটিভ বাই প্রফেশান ...  ডিলিং দা কেস অফ অফ ইয়োর এমপ্লয়ি মিস্টার অম্বরীশ চ্যাটার্জী .... হুইচ ইউ মাইট হ্যাভ বিন অলরেডি ইনফর্মড অফ  বাই হিম ... '
    ----- ' ইয়েস মিস্টার গুপ্তা আই থিঙ্ক আই হ্যাভ গট ইয়োর পয়েন্ট ... আই ওয়ান্ট টু সি ইউ অ্যন্ড নিড ইয়োর হেল্প । আই ওয়ান্ট টু লিসন টু ইউ । ক্যান ইউ মেক ইট কনভিনিয়েন্ট টু মিট মি অ্যট সাম প্লেস হেয়ার অ্যরাউন্ড  ? ' 
    ---- ' অবভিয়াসলি স্যার ... ক্যান ইউ প্লিজ ড্রপ অ‌্যট পার্ক স্ট্রীট পুলিশ স্টেশন ? উই হ্যাভ গট দা লিঞ্চপিন অফ দা গ্রুপ ডিটেইনড হেয়ার ।  ইউ মে সি অ্যন্ড টক টু হিম টু ফাইন্ড আ ক্লু অফ দা প্লট ... ' 
    ---- ' ওকে .... আই মাস্ট হ্যাভ সাম ... আয়্যাম স্টার্টিঙ রাইট নাউ ... ' 
    ------ ' থ্যাঙ্ক ইউ স্যার ... ' 

      রাকেশ মিশ্র , দেবব্রত চৌধুরী ,শ্যামাশিস দত্ত, গৌতম চ্যাটার্জী, বৈকুন্ঠ বসাকদের মোবাইলের কল রেকর্ড পরীক্ষা করে নানা ঘোটালার সন্ধান পাওয়া গেল । শুধু অম্বরীশবাবুদের মতো মানুষদের ফাঁসিয়ে তহবিল তছরূপ করা নয় , নানা ধরনের নথি এবং দলিল জালের কারবার ফেঁদে বহু লোককে সর্বস্বান্ত করে নিজেরা কোটি কোটি টাকা জড়ো করেছে । সারা ভারত জুড়ে ছড়িয়ে আছে এদের জাল। রাকেশ মিশ্র হল পূর্বাঞ্চলের প্রধান হ্যান্ডলার । 
    মিস্টার খারবান্দা প্রচুর সাহায্য করলেন তার নানা সূত্রকে কাজে লাগিয়ে রাঘববোয়ালদের জালে জড়িয়ে গভীর জল থেকে ডাঙায় তুলতে । কিন্তু তিনি নিজে গুণী মানুষ , তাই গুণের কদর করতে ভুললেন না । বললেন, ' ইট ইজ মিস্টার গুপ্তা হু হ্যাজ রিকড হ্যাভক ... ফর মি,  হি শুড বি অফারড মেজরিটি অফ ক্রেডিট ফর ব্রিঙগিঙ দা হোল অ্যফেয়ার ইন আ লাইন অ্যন্ড গেট হোল্ড অফ দা কি অফেন্ডার সাবসিকোয়েন্টলি । 
    কলতানের এসব নিন্দা বা স্তুতি নিয়ে আদৌ মাথাব্যথা নেই । এটাই তো তার কাজ । সে যে অম্বরীশবাবুর চাকরি ফিরিয়ে দিতে পেরেছে এবং তাদের সংসারে শান্তি পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে এতেই তার অগাধ তৃপ্তি । 
     
        কলতান রাত্রে বাড়ি ফিরল ক্লান্তদেহে । ঘরে ঢুকে দেখল কুলচা বসে টিভি দেখছে আর অচিন্ত্য খবরের কাগজ পড়ছে । সুখবরটা কলতান আগেই দিয়ে দিয়েছে ফোনে । 
    কলতানকে দেখে কুলচা বলে উঠল, ' হরি ওম ... ' । কলতান হো হো করে হেসে উঠে বলল, '  পুরোটাই কিন্তু অচিন্ত্যর ব্রেনচাইল্ড ... '
    অচিন্ত্য খবরের কাগজ রেখে উঠে দাঁড়াল । 
    ----- '  কি যে বলেন স্যার .... আমিও আবার একটা মানুষ ..... কিন্তু আমি বিশ্বাসের দামটা রাখতে পেরেছি তো ? '
    কলতান কোন কথা না বলে গভীর স্নেহমাখা হাত রাখল অচিন্ত্য দলুইয়ের কাঁধে । 
    অম্বরীশবাবুর আগমন ঘটল এর আধঘন্টা পরে।
    তিনি বললেন, ' আমার আর কিই বা বলার আছে মিস্টার গুপ্ত । আপনি কি করতে পারেন তা তো সবাই জানে । আমি ধন্যবাদ দিয়ে আপনাকে ছোট করব না। আমি আর কিই বা দিতে পারি । আপনি যদি এটা রাখেন .... ' বলে একটা তিরিশ হাজার টাকার চেক এগিয়ে ধরল।  
    কলতান সেটা হাতে নিয়ে বলল, ' ওরে ব্বাবা ... এত ! হরি ওম ... হরি ওম .... '

       সিটি সিভিল কোর্টে কেসটা উঠবে আগামী সোমবার । পার্টি হবেন অম্বরীশবাবু এবং পার্ক স্ট্রীট থানা । 
       ( সমাপ্ত )
    ************************************************************************************

         
       
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ৩১ আগস্ট ২০২২ ২০:১৮511534
  • টান টান সাস্পেন্স! 
    ভালো লেগেছে।
  • Anjan Banerjee | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:৩৪511547
  • অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা 
  • Mousumi Banerjee | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:২২511794
  • ভালো লেগেছে।  সাসপেন্সে ভরা।
  • Anjan Banerjee | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৩:২৮511873
  • অনেক ধন্যবাদ 
  • বিপ্লব রহমান | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:৩৫512243
  • জব্বর হইছে! আর ল্যাখা নাই? খিদা বাড়তেছে...yes
  • Anjan Banerjee | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৫:৪৪512292
  • আছে আর একখান । দিমু নাকি ?
  • বিপ্লব রহমান | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:০২512399
  • অবশ্যই দিবেন কর্তা! একেকটা কিস্তি বিরাট কইরা লেইখেন, তয় না মাৎ হইবো! blush
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন