এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব   শোনা কথা

  • আমার মাতৃদেবী ও অন্যান্যরা

    Abhyu
    বাকিসব | শোনা কথা | ১৪ মে ২০২২ | ১২৫৬ বার পঠিত
  • আমার মাতৃদেবী ও অন্যান্যরা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Abhyu | 116.193.143.209 | ১৭ মে ২০২২ ০৫:৫৫736746
  • এই গল্পটা অমিতাভ বাবুর জন্যে। পান্নালাল বলতে মনে পড়ল। লেকের ধারে একটা গোলঘর ছিল মনে পড়ে? তার উল্টোদিকে একটা আম গাছ ছিল, তার কাছেই আমাদের বাড়ি। সে গাছটা এখন পরিতোষ কাকুদের বাড়ির চৌহদ্দিতে পড়ে, ভালো কাঁচা আম ধরেছে। আমি এসে থেকে ভাইকে বলছি যে আম চুরি করব কিন্তু নানা সামাজিক প্রতিকূলতায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

    তো, পরশুদিন সন্ধ্যেবেলা ডাক্তারখানা গেছি, প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি আরম্ভ হল। একঘন্টা ছাতা খুলে তিরুপতি জেরক্সের সামনে দাঁড়িয়ে রইলাম। একটা কেলো কুকুর এলো তাকে বিশেষ জায়গা দেওয়া গেল না, সে এমনিই বেঞ্চের তলায় ঢুকে রইল। বৃষ্টি কমার পরে আমরা দুজন হাঁটতে হাঁটতে ফিরছি, রাত্রি সাড়ে আটটা হবে, লোডশেডিং - পান্নালাল স্কুলের পিছন দিকের অংশে রাস্তার ধারে হঠাৎ মনে হল ঘাসের উপর একটা কাঁচা আম।

    সহসা বাতাস ফেলি গেল শ্বাস শাখা দুলাইয়া গাছে,
    দুটি পাকা ফল লভিল ভূতল আমার কোলের কাছে।

    ভাই ফোনের টর্চ জ্বেলে দেখল সত্যিই কাঁচা আম। নিয়ে এলাম। টক ডাল হল।

    পরের দিন ভাই বাজার করে এসে বলে, ছোড়দা তুমি কিভাবে আমটা পেলে? দিনের বেলায় ভালো করে দেখলাম ওখানে কাছাকাছি কোনো আমগাছ নেই। আমি বললাম - আমি যদিও এক্সপেরিমেন্টাল স্কুলের - তবু জীবন গিয়েছে চলে কুড়ি কুড়ি বছরের পার, পান্নালাল স্কুলের যে ভাঙা পাঁচিল দিয়ে শর্টকাট করতাম সেও আজ নেই - তবু স্কুল বাউণ্ডারি আমাকে পছন্দ করে আম এনে দিয়েছে।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৭ মে ২০২২ ০৬:১৭736747
  • অভ‍্যু, গল্প ভালো লেগেছে - ভৌতিক গল্পের মজাটা রয়েছে, তার সাথে আমার জন্যে বিশেষ উপহার - স্মৃতির সরনী ধরে ঘুরিয়ে আনা। আহা! 
  • Abhyu | 116.193.143.209 | ১৭ মে ২০২২ ০৬:২৮736748
  • পান্নালাল স্কুলের মাঠে রাস্তার দিকে একটা পলাশ গাছ ছিল। সরস্বতী পুজোর আগে গাছটায় ফুল ধরত। শেষ বিকেলের আলোয় মনে হত সত্যি যেন আগুন লেগেছে।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৭ মে ২০২২ ০৬:৫৫736749
  • অভ‍্যু, আমি থাকতাম কাঁচরাপাড়ায়, পড়তে যেতাম পান্নালালে। স্কুলকে তেমন 'কাল্টিভেট' করা হয়নি। বাসভাড়া বাঁচিয়ে পয়সা জমানোর জন্যে মাঝে মাঝে বুদ্ধপার্কের পাশ দিয়ে হেঁটে ফিরতাম। এইরকমের ঝাপসা কিছু স্মৃতি মনে পড়ে। আমার ছোট ভাই ইউনি জীবন থেকে কল‍্যাণীতে স্থায়ী হয়ে গেছে। মহা সামাজিক লোক। অধ্যাপক, নাটক করে, পুরোপুরি কল‍্যাণীর মানুষ। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:cca4:78e4:f6d:b726 | ১৭ মে ২০২২ ০৬:৫৬736750
  • বেশ গল্প। আমিও স্মৃতির সরনী ধরে একটু হাঁটলাম 
     
    পান্নালাল স্কুলের মাঠটা ছিল দারুণ। ক্লাসরুমের চেয়ে বল পায়ে মাঠেই সময় কাটত বেশি 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৭ মে ২০২২ ০৭:০৯736754
  • আমার কল‍্যাণীর দিনগুলোতে একটা বিশেষ অভিজ্ঞতা ছিল, যেটা পরে আর কখনও কোথাও হয়নি - গাছতলায় অঢেল পড়ে থাকা কাঠবাদাম তুলে নিয়ে খোলা ফাটিয়ে বাদাম বার করে খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া - যত খুশি।
  • Abhyu | 116.193.143.209 | ১৭ মে ২০২২ ০৭:১৪736756
  • হ্যাঁ আর ঐ গাছ্গুলো এঁকেবেঁকে উঠত। ফলে গাছে চড়া ছিল ভারি সহজ।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:cca4:78e4:f6d:b726 | ১৭ মে ২০২২ ০৭:২১736758
  • এটা ভাল মনে করালেন, অমিতাভ। ভুলেই গেছিলাম, কাঠ বাদাম - দের কথা 
  • Abhyu | 116.193.143.209 | ১৭ মে ২০২২ ০৭:২৭736759
  • অনুপ স্যারের বাড়ি যাবার পথে একটা ছিল, শেষ বারেও দেখেছি, এবারে ঐ দিকে যাই নি এখনো। যেটা খুব খারাপ লাগল, সেটা হল টেলিফোন ভবন থেকে দুনম্বর বাজার যাবার পথে রাস্তার ধারে ছ সাতটা বড়ো বড়ো গাছ, গুঁড়ির ব্যাসার্ধ চার মিটার হবে,
    পাঁচ তলা বাড়ির সমান লম্বা, শুকিয়ে গেছে। গাছগুলোকে পরিষ্কার হত্যা করা হয়েছে।

    তবু এখনো কিছু কৃষ্ণচূড়া রাধাচূড়া গাছ আছে রাস্তা আলো করে।
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ১৭ মে ২০২২ ০৭:৩৯736762
  • অরণ্য, ঐ বাদাম যে কত দামের হতে পারে সে নিয়ে আমাদের কোন ধারণা ছিলনা। খিদে পেলে খেয়ে নিতাম। একটা অন্য যুগের গল্প।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:cca4:78e4:f6d:b726 | ১৭ মে ২০২২ ০৭:৫১736763
  • আমরাও খেতাম, আপনার কথায় মনে পড়ল 
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:১৭737285
  • পুরোনো গল্প কপি পেস্ট।
    • Abhyu | 126.203.152.67 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০১322095
    • আমি কালকে সাতটা গাছ পুঁতেছি। বাবা পাঁচটা গাছ পুঁতেছে। তবে আমিই কোদাল দিয়ে তেরটা গর্ত খুঁড়েছি।
     
    • পুপে | 131.241.184.237 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০২322096
    • আর তের নম্বর গর্তটা কি হলো অভ্যুদা? 
     
    • d | 144.159.168.72 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০৫322098
    • মেসোমশাই বকা দিলে ওটায় অভ্যু ঢুকে দাঁড়িয়ে থাকে। 
     
    • kumu | 69.178.46.105 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০৬322099
    • পোস্তর বড়া আর সন্ধ্যাদির ধরা মৌরলা মাছ-এর কাছে বিয়েবাড়ির খাওয়া?
      আর বাবা ও ছেলের গাছ লাগানো শুনে কী ভাল লাগলো।বাবা মা ভাববেন অভ্যু এবার এই গাছগুলো লাগিয়ে গেল। 
     
    • পুপে | 131.241.184.237 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০৮322101
    • তাহলে তের নম্বর গর্তটা বড়সড় করে খুঁড়তে হবে, যাতে গলা অব্ধি পুঁতে ফেলা যায় । :D 
     
    • kumu | 69.178.46.105 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:০৯322103
    • ১৩ নম্বরে মা লাগাবেন,একটি গন্ধরাজ ফুলের চারা কিনে আনো। 
     
    • Abhyu | 126.203.152.67 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৩২322126
    • এই মধ্যেই এরা এতো ভাটিয়ে ফেলেছে। বলেছি না আমাদের বাড়িটা খুব ইন্টারেস্টিং। মা রোজ পুজো করে পুজোর ফুলগুলো একটা টবে ফ্যালে। এবারে সেই টব্টা ভরে গেছে তাই তের নম্বর গর্তটাতে সেই ফুলগুলো ফেলে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হল। আবার ফাঁকা টবে মা ফুল ফেলবে। আরো একটা গর্ত খুঁড়তে বলেছিল চা পাতা ফেলবে বলে। আমি রাজি হইনি। বলেছি সব গাছের গোড়ায় একটু একটু করে চা পাতা দিতে।
     
    • san | 11.39.32.85 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৪১322132
    • কুমুদি আমরা রোব্বার করে বিভিন্ন খাবার্দাবারের দোকানে বেড়াতে যাই।

      অভ্যুদার গাছের গপ্প পড়ে খুবই ভাল্লাগল । গতবার কোলকাতা গিয়ে একজনদের বাড়ি বেড়াতে গেছিলাম , তাদের বাড়ির চারপাশে জমি না থাকায় তিনতলার বড়ো ছাদে তিয়াত্তরটা টব। তার ভারি দুঃখ অনেকগুলো মরে গেছে।
     
    • pi | 24.139.209.3 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৪০322129
    • আমাদেরও একটা সুবিশাল গর্ত খোঁড়া আছে, চা পাতা ফেলার জন্য। তার সাথে সব আনাজের খোসাখুসি। সবাইকে কবর দিয়ে পচতে বলা হয়েছে। ক'দিন হল এখন তার মধ্যে গোবর ও থাকছে।
     
     
    • Abhyu | 126.203.152.67 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৪২322134
    • পরশু দুপুর বেলা নার্সারী থেকে সাতটা গাঁদা গাছ (পাঁচটা ছোটো, দুটো বড় ফুলসুদ্ধ) আর পাঁচটা চন্দ্রমল্লিকা (বড়, ফুলসুদ্ধ) কিনে ফিরছি, আমার সাইকেলটা একটা চলন্ত বাগান হয়ে গেছে। গলিতে ঢোকার মুখে মুখার্জ্জী জেঠিমা বললেন বা কি ভালো লাগছে রে দেখতে। আমি বললাম আপনার কোনটা পছন্দ নিন না। উনি বললেন না তুই তো লাগাবি বাড়িতে। আমি বললাম সে না হয় আপনি লাগাবেন। উনি বললেন না উনি বয়স্ক মানুষ মাটি খুঁড়তে পারবেন না। ঐ জন্যে ওনার বাড়িতে কোনো ফুলগাছ নেই।

      আমি বাড়ি এসে আবার চোদ্দ নম্বর গেলাম। এবার ইয়াব্বড় একটা টবে অন্ততঃ একশটা হলুদ ফুলসুদ্ধ চন্দ্রমল্লিকা কিনলাম। ওরাই তিনটে পাটকাঠি দিয়ে খবর কাগজ দিয়ে বেঁধে দিল। আমি কেরিয়ারে বসিয়ে ল্যাকপ্যাক করতে করতে বাড়ি এলাম (এবার আর সাইকেল চালাবার চেষ্টা করি নি)। ততোক্ষণে অনেক বেলা হয়ে গেছে, মুখার্জ্জি জেঠিমা সম্ভবতঃ দুপুরে খেয়ে একটু শুয়েছেন (উনি একাই থাকেন) তাই আমি কাউকে কিছু না বলে ওনার বাড়িতে ওটা রেখে চলে এলাম। উনি বিকেলে উঠে দেখেন এক ঝোপ হলুদ ফুল ঝলমল করছে ওনার বাগানে। খুব খুশি হয়েছেন। 
     
    • kumu | 69.178.46.105 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৫১322141
    • অভ্যুর ৩:৪২ পড়ে কত ভাল লাগলো তা লিখে বোঝানো অসম্ভব।
     
    • i | 134.149.163.111 | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৫:৫৯322142
    • আমারও খুউব ভালো লাগল।
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:২৯737288
  •  
    • Abhyu | 85.137.10.223 | ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ ০৯:২০726946
    • দেখুন স্পোর্টসের জন্য পশুদের ব্যবহার সব সময় খারাপ না। এখনো আমি বাড়ি গেলে কালুর সাথে খেলি (সেই যে কুকুরটা গাঁদা গাছে হিসি করে বলে মা খেতে দিতে চায় না)।
    আপনারা বিশ্বাস করবেন না, এ বছর মা কোনো কুকুরকে বাড়িতে খেতে ডাকতে অ্যালাউ করছিল না। আমিও একটু দুঃখিত ছিলাম যে না হয় ডাকছি না তা বলে কেউ আসবে না? আগামী কাল আমি কল্যাণী থেকে ফিরব, গতকাল ঠিক একটা কালু কিভাবে উঁচু পাঁচিল ডিঙিয়ে এসে ল্যাজ নাড়ছিল। আমি খেতে দিলাম আর মা-র অনেক প্ররোচনা সত্বেও কাজের মাসিরা কেউই লাঠি নিয়ে কালুকে মারতে গেল না। খাবার পরে মা বলল ওকে বাড়ি থেকে বার কর। আমি চু চু করে ডেকে ওকে গেটের বাইরে নিয়ে যাচ্ছি, দেখলাম সে প্রথমে একটু জল খেল,  তারপরে লেজ নাড়াতে নাড়াতে আমার পিছু পিছু গেটের বাইরে চলে এল।
     
    আজ বাজার যাবার সময় মুখার্জ্জী জেঠিমার বাড়ি গিয়েছিলাম। কি খুশি হলেন আমাকে দেখে! আমি আবার ফেরার সময় চারটে রসগোল্লা দিয়ে এলাম :)
  • পলিটিশিয়ান | 2600:6c52:6000:138d:92d5:20f0:213e:2e53 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:৩৪737289
  • চারটে রসগোল্লা কালুকে, না মুখার্জি জ্যেঠিমাকে? 
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:৪৭737290
  • মুখার্জ্জী জেঠিমাকে!
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:৪৮737291
    • Abhyu | 126.203.156.180 | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৮:২০322284
    • অপরাজিতাও নাই, হলুদ গাছও নাই, শতমূলীও নাই। তবে একটা কুমড়ো গাছে দুটো কুমড়ো হয়েছে। যাতে চুরি না যায় তাই কুমড়োগুলো সাদা কাপড় দিয়ে ঢাকা আছে।
     
    • Abhyu | 126.203.156.180 | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ০৮:৩০322285
    • কুমুদির প্রেরণায় সেই কুমড়োগুলোরও আমি নাম দিয়েছি - সানি আর টিটো। সানি একটু হলুদ মতো আর বড়ো। ওকে কাল তোলা হবে। টিটো এখনো ছোটো। 
     
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:3998:dfa5:363c:454b | ০৫ জুন ২০২২ ০৩:২২737293
  • আমিও গাছদের নাম দিই। আগের বাড়িতে আমার পীস লিলির গাছের নাম ছিলো কেনি। দুটো চেরি টমেটো ছিলো হারম্যান আর মেলভিল। থাই বেসিল ছিলো একটা -- থিও আর এমনি বেসিল লুকা। আর লঙ্কাগাছ ছিলো ঝালুয়া আর মির্চু। তারা সব এখন আরবোরিয়ামে চলে গেছে। ঘর সুনা লাগে :-(
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৫ জুন ২০২২ ০৫:৪৬737294
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৪ জুন ২০২২ ২৩:১৭
    পুরোনো গল্প কপি পেস্ট পেয়ে খুব ভালো লাগল। এটায় কুমুদির উপস্থিতি ছিল। সেটায় আরো ভালো লাগল, কষ্টও হল।
    ১৩ নম্বরের গর্তর পর ফুল ঢালার জন্য এখন কত নম্বর গর্ত ব্যবহার হচ্ছে?   
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৫ জুন ২০২২ ০৬:১০737295
  • স্যানের একটা পোস্ট ছিল সেটা কপি করে দি।
    • san | 113.245.14.117 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ২২:৫৬322830
    • আমি চাই। অভ্যুদা , তোমার রাশি রাশি ফুল ঐ কাকিমার বাগানে রেখে আসার গল্পটা মাকে বলেছি।মা বলেছে লী ম পড়ার মতই মনটা ভাল হয়ে গ্যাছে :-)
     
    কিন্তু ঐ সময়ের একটা পোস্ট আমার মন ছুঁয়েছিল সবচেয়ে বেশি। মানুষটার স্পিরিট কত সহজভাবে ছড়িয়ে আছে এই নিতান্ত সাধারণভাবে করা একটা পোস্টে।
     
    • kumu | 11.39.32.68 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:১৬322799
    • গন্ধরাজ আমারো খুব প্রিয়।সেদিন অভ্যুকে দিলাম।
      বহুদিন পর দুপুরবেলা বাড়ী এলাম।বড়ো মায়াময় শীতের বেলা।জামাপরা কুকুররা রোদে বসে আছে,বুড়োবুড়ীরা ঘুরতে বেরিয়েছেন আর পুঁচি বাচ্চারা মায়েদের ঘোরাতে বেরিয়েছে,আব্দার করে পাগল করছে,যমজ বাচ্চার তরুণী মা কিছুতেই ক্ষুদেদুটোকে এঁটী উঠতে না পেরে দুটো গুমগুম দিতেই বিচ্ছুদুটো চমকে গিয়ে লাফিয়ে মায়ের কোলে চড়ে পড়ছে।
      প্রাণের খেলা চির তরঙ্গিত--
    কুমুদিও আছেন। সকল খেলায় করছেন খেলা। ধুলার সাথে, জলের সাথে, ফুলের সাথে, ফলের সাথে, সবার সাথে। 
  • Abhyu | 223.191.0.30 | ০৫ জুন ২০২২ ০৮:১৪737296
  • ক্যাসেট কিনলাম। সত্যি কথা। নীচের ছবিতে দেখুন, কিশোরী আমনকরের ক্যাসেটের প্ল্যাস্টিক এখনো খোলা হয় নি। দোকানে বোধ হয় সব মিলে আটটা ক্যাসেট ছিল, আমি তার থেকে দুটো কিনে আনলাম।

      
    মা ক্যাসেট দেখে বলল - ও মা রমা মণ্ডল! আমার ছাত্রী।

    আমি স্তব্ধ বিস্ময়ে হতবাক। মা চাঁদমারী নগেন্দ্রবালা বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। কোনো মতে বললাম - মা ইনি এক লোক নন। মা আমাকে নস্যাৎ করে বলল - যখনই রেডিওতে ওর গান হয় আমি তোর বাবাকে বলি - আমার ছাত্রী।
  • Abhyu | 116.193.143.216 | ০৬ জুন ২০২২ ০৯:১৮737339
  • আমাদের বাড়ির সামনে একটা কলকে ফুলের গাছ।
     

    এই কমলাটে গোলাপী জবাটা আমার পছন্দ।

     

    কাল রজনীতে ঢ্যাঁড়শ ফলেছিল রজনীগন্ধা বনে।
     
  • | ০৬ জুন ২০২২ ১০:২৮737343
  • এই জবাটারই পকোড়া খুব ভাল হয়। 
     
    কিন্তু রমা মন্ডল আমার ছাত্রী'টা বেস্ট। laugh
  • Abhyu | 116.193.143.216 | ০৬ জুন ২০২২ ১৭:০৮737345
  • অমিতাভদা, চায়ের গল্প শুনুন। মায়ের মতে চা খেলে পেট পরিষ্কার হয়। একদিন দেখি কিচেনের সিঙ্কে চায়ের কাপ ছাঁকনি ইত্যাদি আছে। চা পাতা গুলো ফেলে দিতে যাব, সত্যি তের নম্বর গর্তটার কথা মনে পড়ল। এখন বাগানে অন্য গর্ত যাতে সব রকম সব্জির খোসা একসাথে ফেলা হয়। চা পাতাও সেখানে ফেলব কিনা জিজ্ঞাসা করায় মা বলল, না, নীচে একটা মিউসিবেলের কৌটো আছে তার মধ্যে ফ্যাল। যথারীতি নীচে একটার জায়গায় দুটো আইডেন্টিক্যাল মিউসিবেলের কৌটো পাওয়া গেল। না খুলে নাড়াতে দুটোর মধ্যেই সন্দেহজনক তরল পদার্থের অবস্থান বোঝা গেল। আজকাল মিউসিবেলের কৌটোর মধ্যে চাপাতা পচানো হয়। পরের বারে এসে হয় তো দেখব ঐ কৌটোয় মাটি ভরে লঙ্কাগাছ লাগানো হয়েছে।
  • Abhyu | 116.193.143.216 | ০৬ জুন ২০২২ ১৭:১৭737346
  • দমুদি এবার কুমড়োফুলের পকোড়া খেয়েই কেটে গেল। জবা ফুলের পকোড়াটা খাবার খুবই ইচ্ছে আছে কিন্তু এখনো সাহস করে উঠতে পারি নি।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন