এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শুভ নববর্ষ – সুখ স্মৃতিতে ২

    Mousumi Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৮ এপ্রিল ২০২২ | ৬৬০ বার পঠিত
  • বিয়ের পর আমার ঠিকানা অন্য রাজ্যে , মহারাষ্ট্রে  হয়ে গেলে সেই  প্রথম নববর্ষের দিনের শুরু বড্ড মন কেমন করা দিয়ে হল।  প্রচণ্ড গরম। লু চলে বছরের ঐ সময়ে। ঘরের দরজা, জানলা বন্ধ।  কোনোও লোকজন দেখা যায় না । বাড়ির লোকজন, আত্মীয় স্বজনের আকর্ষণ যে কি সেই প্রথম  অনুভব করলাম।    চোখের জলে ভেসে দুই বাড়ির বাবা, মা ও বাকি আত্মীয়দেরকে চিঠির মাধ্যমে প্রণাম ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিলাম।  তবে প্রবাসে বঙ্গ সমাজ কিন্তু মন ভরিয়ে দিয়েছিল শেষেমেশ। গুটিকয়েক  বাঙালি পরিবার একজোট হয়ে খাওয়াদাওয়া, হাসি, গান খুব আনন্দের হয়েছিল। 

    স্বামীর বদলির চাকরির সুবাদে একসময় গিয়ে পৌঁছলাম মহারাষ্ট্র -অন্ধ্র সীমার কাছাকাছি চন্দ্রপুর। চন্দ্রপুরে , বেঙ্গলী ক্যাম্প ,  ওপার বাঙলা থেকে আসা মানুষজনের বসবাসের জায়গা। বাজার, দোকানে বাঙালিয়ানার ছোঁওয়া, কালীবাড়ি সবকিছুই। তবে আমরা তো থেকেছি চন্দ্রপুর থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরে প্রায় গ্রামে কোম্পানি কলোনিতে। ভারতবর্ষের ক্ষুদ্র সংস্করণ এই কলোনি।  দু দশকেরও কিছু  আগে একই  বছরে হঠাৎ করে একই কলোনিতে আমরা ছাড়াও আরোও পাঁচটি  বাঙালী পরিবার বদলি হয়ে এসে পৌঁছলে বেশ সাড়া পড়ে গেল।  পরস্পরের  পরিচয়, বন্ধুত্ব গড়ে উঠল ধীরে ধীরে। নববর্ষের আগে ঠিক হল বাংলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হবে। উদ্যোগী ছিলেন কিন্তু একজন বয়োজ্যেষ্ঠ গুজরাটি  দম্পতি। 

    ভদ্রলোক ছিলেন অফিসের উচ্চতর পদাধিষ্ঠিত। এই গুজরাটি দম্পতি কলকাতার অফিসে দীর্ঘ দশটি বছর কাটিয়ে বাঙালি সংস্কৃতিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছিলেন। ওঁরা বারবার বলতেন কলকাতার যে কোনোও বাঙালী পরিবারের বাচ্চারা পড়াশোনা ছাড়াও গান, নাচ, আবৃত্তি চর্চা করে থাকে। সুতরাং, এতজন বাঙালী মিলে একটা অনুষ্ঠান হোক। লেডিস্ ক্লাবের বাৎসরিক অনুষ্ঠানে সেটি  অন্য অনুষ্ঠানের সঙ্গে পরিবেশিত  হবে।  অবশ্যই শুধুমাত্র বাঙালী মহিলা সদস্যারাই   অংশগ্ৰহণ করবেন সেখানে।  
    বেশ শোরগোল পড়ে গেল। লেডিস্ ক্লাবের  অবাঙালী সদস্যাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তখন। মুখে সকলেই মেনে নিলেন যদিও।  

    আমরা কজন  তখন একদিকে খুব আনন্দ, গর্ব  অনুভব করলেও অন্যদিকে বেশ একটা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হলাম।  সত্যিই, সকলেই আমরা ঘরোয়াভাবে কেউ গান, কেউ নাচ শিখেছি,  তাই বলে এমন হঠাৎ করে বাঙালিয়ানার গৌরব রক্ষার দায়িত্ব!  

    ঠিক হল ,  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'অভিসার' কবিতাটিকে নৃত্যনাট্যের রূপ দিয়ে পরিবেশন করা হবে। নাচ করবার মতো একজনই। সে বাসবদত্তা হবে।  একমাত্র গাইয়ে আমি। আবৃত্তিকারও ঠিক হল। মুশকিল হল সন্ন্যাসী উপগুপ্ত কে হবে তা নিয়ে। বাকি তিনজন কেউই হতে চায় না সন্ন্যাসী। শেষে আমাদের বন্ধু, নন্দিতা অনেক গাঁইগুঁই করে রাজী হল। এরপর রিহার্সাল। আমার কাছে হারমোনিয়াম, গীতবিতান ও সঞ্চয়িতা থাকায় আমাদের কোয়ার্টারেই শুরু হল মহড়া। কেউই  পেশাদার শিল্পী নই।  তখন তো অন্তর্জালের দুনিয়ার কিছুই  জানা ছিল না। সকলের প্রচেষ্টায় দিব্যি সুন্দর একটি পরিবেশনার জন্য আমরা তৈরী হলাম। 

    অনুষ্ঠানের তিনদিন আগে ঠিক হল অবাঙালীদের কাছে 'অভিসার' এর মূল বক্তব্য যদি হিন্দীতে যথোচিতভাবে বুঝিয়ে বলা যায় , তাহলে বিষয়টি মন্দ তো হবেই না বরং  অনুষ্ঠানটি  মনোগ্ৰাহী হবে।  শর্মাজীকে অনুরোধ করা হল। ইনিও উচ্চপদস্থ আধিকারিক  একজন। শর্মাজীর  হিন্দী সাহিত্যে ভালো দখল আছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু লেখা তিনি পড়েও ছিলেন। এছাড়া  স্বরচিত কবিতা, প্রবন্ধ লেখক বলে তিনি সম্মানও পেয়ে থাকেন।  শর্মাজী 'অভিসার' এর মূল বক্তব্য ভালোভাবে জেনে ও বুঝে নিলেন।

    অনুষ্ঠানের দিন ছিল বাংলা নববর্ষ।  আমাদের বড়  আনন্দ। সকাল থেকেই টান টান উত্তেজনায় আমরা কজন। কবিগুরুর রচনার যেন কোনোও অসম্মান না হয়ে যায়। সন্ধ্যায় সকলে ক্লাবে জড়ো হলাম। প্রথমে উদ্বোধনী ও বাচ্চাদের কিছু  পরিবেশনার পর আমাদের পালা।  ঘোষণার পর শর্মাজী স্টেজে  উঠলেন 'অভিসার' সম্পর্কে হিন্দীতে বলতে।   আমি মাইকের সামনে হারমোনিয়াম নিয়ে তৈরী। পাশে আবৃত্তিকার।  আবহ সঙ্গীত শুরু হলেই  উপগুপ্ত মঞ্চে ঢুকবে।  ধীরগতিতে  মঞ্চের একপাশ থেকে অন্যপাশে গিয়ে   'মথুরাপুরীর  প্রাচীরের তলে সুপ্ত' হবে উপগুপ্ত ।  একহাতে কমণ্ডলু আর এক হাতে অভয়মুদ্রার পোজ্ দিয়ে নন্দিতা রেডি  উইংসের ধারে। অন্যদিকে বাসবদত্তা নাচের পোজ্ এ এন্ট্রি নিতে  তার 'সুনীল বরণ'  আঁচল  হাতে জড়িয়ে তৈরী। ওদিকে শর্মাজী অভিসার এর মূল বক্তব্য  ব্যাখ্যা করে বাংলা সাহিত্য আর তারপর রবীন্দ্রনাথ কেন বিশ্বকবি ছিলেন বলে চলেছেন। খুব আনন্দ হচ্ছে আমাদের সকলের।  কিন্তু, শর্মাজী আর থামতেই  পারছেন না। বলেই চলেছেন 'রবীন্দ্রনাথ ইতনা বড়া কবি থে ........ আমরা ব্যাক স্টেজ এ গরমে ও টেনশনে ঘেমে একাকার। উপগুপ্ত র অভয়মুদ্রায় হাত ধরে গেল। বেচারী  ফুলহাতা গেরুয়া পাঞ্জাবী আর মাথার চুল ঢাকবার  টুপি  পরে  ঘেমে নেয়ে বেজায় অস্বস্তিতে।  অন্যপ্রান্তে বাসবদত্তা ভারী সিল্কের শাড়ি ও গয়নায় হাঁসফাঁস করছে। শর্মাজী দম নিলেই আমরা সকলে টানটান হয়ে উঠছি  কিন্তু তারপরেই আবার শোনা যাচ্ছে 'রবীন্দ্রনাথ ইতনা বড়া কবি থে....' আধঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে । হঠাৎ শোনা গেল বাচ্চাদের মধ্যে চেঁচামেচি। আমাদের সকলেরই ছেলেমেয়েরা তখন ছোট।  বাচ্চাদের বাবারা তখন ওদিক সামলাচ্ছেন। হঠাৎ বাচ্চাদের কান্নার আওয়াজ শুনেই বাসবদত্তা স্টেজ ছেড়ে পাঁইপাঁই দৌড় মারল 'আভরণ' ঝমঝমিয়ে। (বাসবদত্তা মানে আমাদের পাপিয়ার ছেলে সম্ভবতঃ পড়ে গিয়েছিল খেলতে গিয়ে )  তখনও স্টেজ শর্মাজীর দখলেই। দর্শক আসনে উসখুশানি আগেই শুরু হয়েছিল। বাসবদত্তার অমন দৌড় দেখে অনেকেই তাকে অনুসরণ করতে শুরু করে দিল।  আমি আর নন্দিতাও বেরিয়ে এলাম।  বাচ্চাদের দেখাশোনা করে সকলেই  জল খেতে চলে গেলাম।  সাজগোজ করা মায়েদের দেখে বাচ্চাদের নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেল। আমার ছেলেই জিজ্ঞাসা করে বসল, 'তোমাদের নাচ হয়ে গেল? দেখতেই পেলাম না তোমাকে। শর্মা আঙ্কল কথা বলছে দেখেছি। কিন্তু কি বলছে আঙ্কল বুঝতে পারছি না তো। বুঝিয়ে দাও।'  মহা ফাঁপড়ে পড়া গেল। ছোট সকলেই।  যাই হোক , এতসব  কাণ্ডকারখানার মাঝে  সওয়া এক ঘন্টা পার করে  শর্মাজী বক্তব্য শেষ  করেই ফেললেন ।  আমরাও হুড়মুড়িয়ে ছুটলাম স্টেজে জায়গা নিতে ।  তবে ভদ্রলোকের বলবার আরোও অনেক কিছুই ছিল। মন খারাপ হয়েছিল  হয়ত, জানা যায় নি।   এরপর আমাদের চল্লিশ মিনিটের  পরিবেশনা সকলের প্রশংসা পেয়েছিল।  আমার মধ্যে একটি বিরল প্রতিভার সন্ধান পেয়ে সকলেই চমৎকৃত  হলেন।  বিশেষ ভাবে গদগদ  হয়ে গুজরাটি দম্পতি যখন বললেন  ," মিসেস্ ব্যানার্জী বঢ়িয়া হারমোনিয়াম বজাতি হ্যায়"  শুনে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে  গিয়েছিলাম কারণ, জানতামই না  আমার এত গুণ ! 

    ঘর, পরিবার, পরিজন বাদ দিয়ে সেই বছরের প্রথম দিনটা  আমাদের বড় আনন্দের হয়েছিল। গুজরাটি দম্পতি  তো বটেই বাকিরাও প্রশংসা করতে সেইদিন দ্বিধাবোধ করেন নি। পেশাদারিত্ব আমাদের মধ্যে  কারোরই ছিল না কিন্তু  অনুষ্ঠানের মান যথেষ্টই ভালো হয়েছিল। 

     নতুন বছর আসে, যায়। আজ যা নতুন কাল তা পুরনো হয়েই যায়। জমে  থাকে স্মৃতির ঘরে।  সময়ের গতিকে  কে আর কবে রুখতে পেরেছে! নতুন বছরের প্রথম দিনে বার্ধক্যে জর্জরিত আমার মায়ের সঙ্গে ফোনের মাধ্যমেই কথা ও প্রণাম সারতে হল।  মায়ের  হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসার ঢেউ আমাকে ছুঁয়ে স্মৃতির ঘরের দরজার কড়া নেড়ে দিল। দরজা খুলে দেখলাম অনেক কথা জমে আছে সে ঘরে ।  সেখান থেকে আজ এমনই  কিছু কথা লিখবার চেষ্টা করলাম ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sangeeta Chatterjee | 2402:3a80:1cd6:bdc1:778:5634:1232:5476 | ১৮ এপ্রিল ২০২২ ২৩:৫৯506669
  • Darunnn moja pelam boudi lekha pore.Sharma ji r katha porte porte anmone hesechi onek bar.bes mojar manush.baki ta to etihas hoye gelo.khub valo likhecho.
  • Kasturi Das | ১৯ এপ্রিল ২০২২ ১০:৩০506680
  • ভারী সুন্দর মজাদার লেখা। খুব ভালো লাগলো।
  • Saswati Mukherjee | 2409:4060:2d9a:ebcc::2d8a:5102 | ১৯ এপ্রিল ২০২২ ২২:৫২506718
  • খুব ভালো লাগলো।
  • Sudeshna Sanyal | 37.186.43.239 | ২৯ এপ্রিল ২০২২ ১৯:১৬507008
  • Ki sundor lekha! Amader chhotobelar koto mil!
     
    Sharmaji bhalomone ki kando i na kore phhelechhilen
  • Mousumi Banerjee | ২৯ এপ্রিল ২০২২ ২৩:০৫507014
  • সকলকে অনেক ধন্যবাদ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন