• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত’র সাক্ষাৎকার - প্রথম পর্ব

    বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত’র সঙ্গে কথোপকথনে মৌসুমী বিলকিস
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১১ জুন ২০২১ | ১২০৫ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব
    ২০১৭-র শীতকাল। বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত’র কাছে আমার জানার ইচ্ছে একেবারেই সিনেমা ও সাহিত্যের শিক্ষার্থী হিসেবে। সেই ইচ্ছেই আমার জানতে চাওয়ার মধ্যে ধরা পড়েছে আশা করি। বেশ কয়েক বার বিভিন্ন প্রয়োজনে তাঁর গোলপার্কের বাড়িতে গেলেও এত প্রশ্ন করার দুঃসাহস আগে হয়নি। তিনি নিজেই এই দুঃসাহস জুগিয়েছেন প্রশ্রয় দিয়ে। এই কথোপকথন তাঁর অভিষিক্তার ফ্ল্যাটে বসে। প্রবল শরীর খারাপ নিয়েও অনেকক্ষণ সময় দিয়েছেন আর এর বাইরেও হয়েছে অনেক ব্যক্তিগত কথা। সেগুলো এখানে অপ্রয়োজনীয়। আর এই প্রথম প্রকাশ পাচ্ছে এই কথোপকথন, চিরতরে তাঁর হারিয়ে যাওয়ার বেদনা গায়ে মেখে। প্রথম কিস্তি।

    মৌসুমী বিলকিসকবিতা লিখছেন স্যার?

    বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত— ভীষণভাবে। তবে এই গত কয়েক মাস একটু কম হয়েছে। খুব বেশি লিখতে পারিনি। তবে লিখছি তো বটেই। কবিতা ছাড়া আমি বাঁচবো কী করে? গত বছর আমার শেষ কবিতার বই বেরিয়েছে, ‘ভূতেরা কোথায় থাকে’। দে’জ থেকে আমার কবিতা সংগ্রহ প্রথম পাঠ বেরিয়ে গেছে। দ্বাদশ কবিতার বই ওদেরই দেব ঠিক করেছি। একটু সময় পেলেই কবিতা বেছে দিয়ে দেব।

    মৌ. বি.দ্বাদশ কবিতা গ্রন্থের নাম ঠিক করে ফেলেছেন?

    বু. দা.— না। কালকেও নাম নিয়ে ভাবছিলাম। এখনও ঠিক করতে পারিনি। ‘ভূতেরা কোথায় থাকে’ আমার একটা কবিতারই নাম। হতেও পারে এবারেও কোনও একটা কবিতার নামই দেব, দেখা যাক, যদি পছন্দসই নাম মাথায় না আসে।

    মৌ. বি.এক নম্বর থেকে বারো নম্বর কাব্যগ্রন্থ। কেমন এই চলা?

    বু. দা.— এক নম্বর থেকে বারো, অনেকখানি জার্নি। পাল্টে গেছি আমিও, আমার কবিতার ভঙ্গি পাল্টেছে, রীতি পাল্টেছে, বিষয় বদলেছে। তাই… প্রথম যখন শুরু করেছিলাম কবিতা লেখার আনন্দে কবিতা লিখতাম। এখন তার মধ্যে ঢুকে পড়েছে অনেক কিছু। বেঁচে থাকা, জীবনযাপন, জীবনযাপনের জটিল আবহগুলো, বিশ্বাসভঙ্গের কথা, প্রেমের কথা, অপ্রেমের কথা, ভালবাসার কথা, ভালবাসাহীনতার কথা- সব এসে পড়ে এবং খুব অদ্ভুত ব্যাপার হয়, যেমন ‘ভূতেরা কোথায় থাকে’ বইয়ের একটা কবিতার নাম ‘ইলিশ মাছ’, শুরু হয়েছে একটা লোক বাজারে গেছে ইলিশ মাছ কিনতে। শুরু হচ্ছে একদম অন্যভাবে, খুব সাধারণভাবে শুরু হচ্ছে। শেষ হচ্ছে স্বপ্ন দিয়ে…সে দেখতে পাচ্ছে তার শেষ স্বপ্ন।

    মৌ. বি.স্যার, অনেকের মতোই আপনারও কি জীবনানন্দই প্রিয়?

    বু. দা.— উউউউউ...(একটু ভেবে) আমার প্রিয় কবি একজন বললে ভুল হবে, বলা উচিত নয়। অনেকেই আছেন। বেশ কয়েকজন আছেন। তবে তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উঁচুতে নিশ্চিত জীবনানন্দ দাশ। জীবনানন্দ দাশ… তাঁর কথা মনে হয় না এমন সপ্তাহ আমার যায় না। বাংলা কবিতাকে যে জায়গায় উনি নিয়ে গেছেন… এত দূরে নিয়ে গেছেন… এত দূরে নিয়ে গেছেন যে সেটা ভাবাই যায় না! রবীন্দ্রনাথ যেটা পারেননি। যেটা ওঁর সমসাময়িক আর কোনও কবি পারেননি। প্রেমেন্দ্র মিত্র পারেননি, বুদ্ধদেব বসু পারেননি, উমম… আরও অনেক… সুধীন দত্ত পারেননি… কেউ পারেননি। উনি এঁদের চেয়ে একটু অগ্রজ। কিন্তু উনি কবিতাকে এত দূর অবধি বিস্তৃত করে দিয়েছেন ছাতার মতন তার তলায় দাঁড়িয়ে আছেন এখনকার কবিরা।

    মৌ. বি.স্যার, যতদূর জানি আপনার মা মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই শব্দ শুনে অভ্যস্ত আপনার ছোটবেলার কান সিনেমায় কীভাবে ব্যবহার করেন?

    বু. দা.— ‘যুক্ত ছিলেন’ বললে বেশি বলা হয়ে যায়। মা পিয়ানো বাজাতেন- এই আর কী। তাঁর সেই সুরের জ্ঞান, তালের জ্ঞান আমাদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছিলেন। আজ সিনেমা করতে গিয়ে বুঝেছি এই তালের জ্ঞানটা কী দরকারি! মাত্রা জ্ঞান না থাকলে সিনেমা করা যায় না। তালজ্ঞান না থাকলে সিনেমা করা যায় না। তো এই তাল এবং মাত্রার জ্ঞান আমার ভয়ঙ্কর প্রখর। আমি গাইতে পারি না, কিন্তু তাল দিতে পারি। এটা দরকার, খুব দরকার। এটাকে আমি আমার সম্পদ বলে মনে করি।

    মৌ. বি.সিনেমার আবহ এবং সংগীত বিষয়ে আপনার কাছে জানতে ইচ্ছে করছে।

    বু. দা.— দুটো এক জিনিস নয়। আবহ এবং সংগীত। সংগীত বলতে অনেকে আবার বোঝেন শুধু গান। শুধু সংগীত গল্পে সাহায্য করে অনেকে মানতে চান না। আবহ একটা ট্র্যাক, মিউজিক আরেকটা ট্র্যাক। এই দুটো ট্র্যাককে মিক্সিং-এর ব্যাপারটাই কিন্তু শব্দের পক্ষে খুব জরুরি, শব্দগ্রাহকের পক্ষে জরুরি, যে উপলব্ধিটা তিনি আরোহণ করেন পরিচালকের কাছ থেকে, কী ভাবে মেশাতে হবে, কী ভাবে মেলাতে হবে। আমার ছবিতে আবহ যেমন আছে সুরও আছে। সুর, আবহ কখনও মিশে যাচ্ছে, কখনও আলাদা হয়ে থাকছে।

    মৌ. বি.আপনার ফিল্মের সঙ্গে স্যার, দেশীয় সুর বিশেষত লোকসুরের আশ্চর্য সংযোগ দেখা যায়।

    বু. দা.— আমি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ওয়েস্টার্ন ক্ল্যাসিকের ভয়ঙ্কর ভক্ত। প্রত্যেক দিন শুনি… আজ সকালেও শুনেছি কিছুক্ষণ… যেটা আমাকে খুব ঋদ্ধ করে। যখন খুব মন খারাপ লাগে, ভাবনার দিশা পাই না বা ভাবতে চাই তখন ওয়েস্টার্ন ক্ল্যাসিকাল মিউজিক আমাকে অন্তত খুব প্রাণিত করে। কিন্তু মিউজিক ডিরেকশন দিতে গেলে জানতে হবে সিনেমার চরিত্রটা কী। সিনেমার চরিত্র বুঝে মিউজিক দিতে হবে। সেখানে ফোক থাকতেই পারে। দেশীয় মিউজিক তো থাকবেই। আবার মিউজিকের কোনও দেশ হয় না। তাই না? তো সে অর্থে ওয়েস্টার্ন ক্ল্যাসিকাল মিউজিকের জ্ঞান থাকা খুব ভাল। খুব জরুরিও।

    মৌ. বি.ব্যারক মিউজিক? বাখ? (খুব ভয়ে ভয়ে প্রায় অস্ফুটে জানতে চাই। বিরক্ত হওয়ার বদলে বলতে থাকেন)

    বু. দা.— বাখ হলেন তালের রাজা। ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল মিউজিকের… সে কত বছর আগে!... প্রায় পাঁচশ বছর আগে বাখের জন্ম। চার্চে বসে যে অর্গানটা উনি বাজাতেন সেই অর্গানের ছবি দেখেছি জার্মানিতে গিয়ে, তখন সেটা ছিল সাউথ জার্মানি এবং ওঁর বাড়িতে গেছি।

    কিন্তু মুশকিল হল কী… বাখের পর আরও অনেকেই আছেন বিথোফেন, মোৎজার্ট, ভিভালডি… আরও সবাই আছেন। এঁদের মুশকিল যেটা হল, ওয়েস্টার্ন মানুষ এঁদের একসঙ্গে ট্যাগ করতে শুরু করলো।

    মৌ. বি.আপনার ফিল্ম অনেক পুরস্কার পেয়েছে…

    বু. দা.— পুরস্কারের থেকে অনেক এগিয়ে থাকে সিনেমা। ভারতবর্ষে সত্যজিৎ রায়ের পর বোধহয় আমি এত দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছি। তাঁর মতো আমিও পাঁচ বার স্বর্ণকমল পেয়েছি বেস্ট ফিল্মের জন্য, দু বার বেস্ট ডিরেক্টরের জন্য। কিন্তু এগুলিকে কখনোই মনে হয়নি আমার প্রাপ্তি… ভেনিস থেকে আরম্ভ করে আরও অনেক…। কিন্তু কখনোই মনে হয়নি এগুলোর জন্য ছবি করছি। আমি ছবি করছি সিনেমার জন্য। সিনেমাই আমার কাছে আসল ব্যাপার। কিন্তু, অ্যাওয়ার্ড পেলে কী সুবিধা হয়? কতকগুলো ব্যবসা বাণিজ্যের সুবিধা হয়। আমার ক্ষেত্রেও হয়েছে। আমার ছবির মূল বাজার বিদেশ। দেশে হইহই করে আমার ছবি চলে – এটা আমি বলতে পারি না। এটা বললে মিথ্যাভাষণ হবে।

    ক্রমশ...


    প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১১ জুন ২০২১ | ১২০৫ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Somenath Guha | ১৩ জুন ২০২১ ১৫:০২494917
  • দুরত্ব, গৃহযুদ্ধ, নিম অন্নপূর্ণা, বাঘ বাহাদুর, তাহাদের কথা, এছাড়া তাঁর আর কোনো ছবি খুব একটা চলেছে বা আলোচিত হয়েছে বলে মনে পড়ে না। সংবেদনশীল পরিচালক ছিলেন। ফেস্টিভ্যাল কেন্দ্রিক হতে গিয়ে দর্শকরা বঞ্চিত হয়েছে।

  • Santosh Banerjee | ১৮ জুন ২০২১ ১১:১৯495046
  • বুদ্ধদেব দাসগুপ্ত ।...মেঘে ঢাকা তারা এক শিল্পী আমাদের এই প্রচার সর্বস্য সেলেব জগতে কিন্তু কি অদ্ভুত বিনয়ী কথা বার্তা ।..একটুও ইগো নেই ।..নেই কোথাও অহমিকা ।...সাবলীল ভাবে নিজের শিল্প কে ।..সৃষ্টি কে ব্যক্ত করছেন ।...এই তো শিল্পী ।...এই তো কাছের মানুষ !!!

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন