• খেরোর খাতা

  • প্রধানমন্ত্রী, দয়া করে কিছু করুন

    Ajay Mitra লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ২৮১ বার পঠিত
  • প্রধানমন্ত্রী, দয়া করে কিছু করুন

    আপনি বলেছিলেন সব কালো টাকা সাদা হবে তাই রাতারাতি নোটবন্দি করেছিলেন, আমরা বিশ্বাস করেছি, আপনি বলেছিলেন করোনা ভাইরাস এক মহামারী তাই রাতারাতি লকডাউন করেছিলেন, আমরা বিশ্বাস করেছি, আপনি বলেছিলেন বারান্দায় দাঁড়িয়ে কাঁসর ঘন্টা বাজাতে এতে নাকি করোনা ভাইরাস চলে যাবে, আমরা তাও বিশ্বাস করেছি।
    আমরা বিশ্বাস করেছিলাম আপনার হাতে আমাদের জীবন একটু হলেও নিরাপদ।

    আমরা তো সার্জিকাল স্ট্রাইক, রাফায়েল ডিল এর কমিশন এসব কিছুই বুঝি না তাই এসব নিয়ে যখন কেউ আপনাকে আক্রমণ করে আমরা কিন্তু তাদের নিন্দুক বলেছি, আপনার জয়গান গেয়েছি।
    আমরা তো আমাদের দেশটা ঠিক কতটা বড়ো তাও ভালো করে জানি না, তাই আপনি কাশ্মীর বা লাদাখ নিয়ে যা যা বলেছেন, করেছেন আমরা ভেবেছি আপনি আমাদের কথা ভেবেই করেছেন। আপনি নিজেও তো কতবার মন কি বাত রেডিও প্রোগ্রামে বলেছেন, আপনি নাকি আমাদের ই একজন। আমাদের জীবন পাল্টানোই আপনার আসল লড়াই, আর সেটা যেদিন হবে সেদিন নাকি আপনি সবচেয়ে খুশি মানুষ হবেন, সেদিন এক নতুন ভারতবর্ষ দেখবে গোটা পৃথিবী। আপনি তো চা বিক্রি করেছিলেন একসময়, আমরা তাই খুব সহজেই আপনাকে আমাদেরই একজন ভেবে নিয়েছিলাম, আজও ভাবি।

    আপনি ঠিকই বুজতে পারছেন এই আমরা কারা। আমরা এই দেশের হতভাগ্য কৃষক, মুচি, মেথর, শ্রমিক,ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর ব্যবসায়ী, আপামর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। যাদের কে কেউ কেউ ভালবেসে আবার আম আদমি বলেও ডাকেন।

    গালভরা নাম, কত বড়ো ভাগ্য আমাদের, আমাদের নাম দিয়ে আবার একটা পার্টি ও তৈরি হলো। আপনার মতো শক্তিশালী মানুষের দলও তাদের কাছে বিধানসভা ভোটে এ জিততে পারলো না। আপনি কি এটা আগে জানতেন যে শুধু আমরা নয় আমাদের নামের ও এতটা ওজন আছে? শুধু আমাদের নাম ব্যবহার করেই কেউ জিতে যেতে পারে। হয়তো জানতেন। তাই আপনি নিশ্চিত ছিলেন বিধানসভায় হারলেও লোকসভা তে আপনাকে আমরা ঠিক জিতিয়ে আনবো। আপনি ভালো করেই বোঝেন আমাদের শক্তি কতটা। আমরা চাইছি বলেই আপনি আছেন।

    আমরা দেশের ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না, কিন্তু আমরাই দেশের প্রধানমন্ত্রী বানাই।
    আমরা দেশের ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না, কিন্তু আমরাই গোটা দেশের মানুষের অন্নের সংস্থান করি।
    আমরা দেশের ব্যাপারে বেশি কিছু জানি না, কিন্তু আমরাই দেশের পরিকাঠামো তৈরি করি।

    নোটবন্দিতে কত কালো টাকা সাদা হলো আপনি আমাদের বললেন না, আমাদের কিন্তু যেটুকু সাদা টাকা ছিল সব কালো হয়ে গেলো, আমরা চিৎকার করে বললাম এতো উল্টো হলো, কেউ শুনেও শুনলেন না।
    আমাদের কারো কারো ছিল ওটাই শেষ সম্বল ছিল, শেষ পরানের কড়ি। কেউ কেউ আমরা না খেতে পেয়ে মরলাম, কেউ আবার দুঃখে, শোকে আত্মহত্যা করলাম। আমরা মরলাম।
    প্রধানমন্ত্রী, আপনি কি এগুলো এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন?

    রাতারাতি লকডাউন ডাকলেন, ট্রেন, বাস সব বন্ধ করে দিলেন।
    আমরা, যারা বাড়ি ছেড়ে দূরে দূরে কাজ করতে গেছিলাম ছোট ছোট বাক্সে বন্দি হয়ে গেলাম। আমাদের তো দিন আনা দিন খাওয়া, কাজ বন্ধ তাই আয় ও বন্ধ। নিজে কি খাবো আর দূরে পরিবার যারা আছে তাদের কি খাওয়াবো সেই চিন্তায় তো নাজেহাল অবস্থা। ছুটোছুটি, পড়িমরি করে সবাই তাই বাড়ি ফেরার চেষ্টা করেছিলাম। ট্রেন, বাস বন্ধ তাতেও আমাদের চলা থামে নি, নিজেদের পা এর ওপর ভরসা ছিলো, ভেবেছিলাম পায়ে পায়ে ঠিক নিজের পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবো। আগেই বললাম না দেশ টা ঠিক কত বড় জানতাম না, তাই আমরা কেউ পৌঁছলাম, আর কেউ চলতে চলতে হারিয়ে গেলাম। প্রধানমন্ত্রী, আমরা নিঃসম্বল হতে পারি কিন্তু পরিবার এর প্রতি ভালোবাসা আমাদের তো কম ছিল না।

    কেউ কেউ মজা করে আমাদের আর একটা নাম দিলেন, পরিযায়ী। কেউ বললেন মাইগ্রান্ট লেবার। নিজের দেশের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় কাজ করতে গেলে কিভাবে মাইগ্রান্ট হয় প্রধানমন্ত্রী?
    আচ্ছা যারা পরিযায়ী এই নামটা দিলেন তাদের সব্বাইকে বলছি, যখন এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কোনো ইঞ্জিনিয়ার বাবু বা ডাক্তার বাবু বা এই ধরুন কম্পিউটারের লোকেরা রা কাজ করতে যান তাদেরকে কেন পরিযায়ী বললেন না? ওনারাও তো যেখানে বেশি আয় করেন সেখানেই ছুটে যান, ঠিক আমাদেরই মতো। সত্যি কথাটা কিন্তু আমরা সবাই জানি, আমরা কেউ ই পরিযায়ী নই, আমরা দেশের পরম সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী, আপনিই বলুন, আমাদের ছাড়া কি আপনার খুব গর্বের, অটল টানেল আর চেনাব ব্রিজ বানাতে পারতেন?

    আমাদের চিৎকার করার আর ক্ষমতা ছিল না, তাই মনে মনে ভেবেছিলাম আমাদের জন্য নিশ্চই আপনি কিছু ভাববেন, এবার কিছু করবেন। কিন্তু আপনি তখন দেশের জিডিপি না কি একটা আছে সেটা বাড়াতে খুব ব্যস্ত, আমাদের কথা তাই বোধহয় আপনার কানে পৌঁছোয় নি। এখন আবার শুনি ওই জিডিপি যেটা আপনি বাড়াচ্ছিলেন সেটা নাকি আমরা যদি আবার আগের মতো কাজ না করি তাহলে বাড়বে না। আপনি কি এটা জানতেন না?

    দেশের যিনি টাকা পয়সা সামলান, তিনি নাকি আবার বিশ্বাস করেন জনগণের করের টাকায় গরিবের সেবা করা যায় না। আমরা বোধহয় তাহলে জনগণ নয়? আমাদের কাছ থেকে বোধহয় করের টাকা নেওয়া হয় না? আসলে নেবার বেলা আমরা সবসময় কাউন্টিং এ আছি কিন্তু দেবার বেলা আমরা কানা কড়ি।

    লকডাউনে ক্ষতি আমাদেরই তো বেশি হলো,
    আমরাই তো শয়ে শয়ে মরলাম।
    প্রধানমন্ত্রী, আপনি কি এগুলো এতো তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন?

    আপনি বলেছিলেন তাই নিয়ম করে আমরা বারান্দায়, রাস্তায়, বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে কাঁসর ঘন্টা বাজিয়েছিলাম, করোনা ভাইরাস তো যায় নি? উল্টে এখন আমাদের ওপর এমনভাবে চেপে বসেছে যে আমাদের এখন শুধু প্রাণ তা বেরোনো বাকি।
    প্রধানমন্ত্রী, আমরা আবার মরছি, বার বার মরছি, এবার হাজারে হাজারে মরছি।

    প্রধানমন্ত্রী, এবার দয়া করে আমাদের কথা একটু শুনুন। আপনি জানেন না আমাদের জন্য যে হাসপাতাল গুলো আছে সেখানকার কি অবস্থা? হাসপাতাল গুলোতে কোনো বেড ফাঁকা নেই, ওষুধ নেই, অক্সিজেন সিলিন্ডার নেই, সেলাইন নেই, ভেন্টিলেটর তো অনেক দূরের কথা। আপনি দেখতে পাচ্ছেন না ডাক্তারবাবুরা আর নার্সদিদিরা একবছর ধরে কি অমানুষিক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, তাঁরা ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। কাঁসরঘন্টা না বাজিয়ে আমাদের উচিত ছিল এই সব মানুষদের জন্য একবার অন্তত দুহাত ভরে হাততালি দেওয়া।

    প্রধানমন্ত্রী আপনি করছেন টা কি???? আপনার নাকের ডগায় লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ, আমরা, কোনো বিধিনিষেধ না মেনে কুম্ভ করতে ছুটছি, আমাদের আটকানো তো দূরে থাক আপনার সাঙ্গপাঙ্গ রা আরো উৎসাহ দিচ্ছেন, এগিয়ে দিচ্ছেন বল জয় কুম্ভ বলে। আমাদের কি দোষ বলুন? আমাদের কি কোনোদিন রং নাম্বার রা বুজতে দিয়েছেন, যে আসলে পুণ্য করার সত্যি মানে টা কি? যে পুণ্য মানুষের কোনো ভালো কাজে লাগে না সে পুণ্য শুধুই পাপের ভাগিদার।
    প্রধানমন্ত্রী, আমাদের আটকান, আমাদের বাঁচান।

    প্রধানমন্ত্রী আপনি করছেন টা কি???? আপনার নাকের ডগায় লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের জমায়েত, আপনি বলছেন, গায়ে গা লাগিয়ে আমরা শুনছি। কোনো বিধিনিষেধ না মেনে আপনার মিটিং, মিছিলে আমরা যাচ্ছি আপনাকে দেখতে, শুধু আপনাকে নয়, আরো নেতাদের দেখতে যাচ্ছি, সিনেমার, টিভি সিরিয়াল এর মানুষদের দেখতে ছুটছি। আমরা তো বেশি বুঝি না, ছুটতে বললেই ছুটি, ছুটে ছুটে এমন বদভ্যাস হয়ে গেছে যে থামতে খুব কষ্ট হয়। আপনি চাইলেই আমাদের ছোটা বন্ধ হবে, সবাইকে বলুন না টিভি তে এসে কথা বলতে আমরা যে যার বাড়ি থেকে দেখি, শুনি।

    আমরা চাইলেই আপনি আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন তাই প্রধানমন্ত্রী আমাদের আর ছোটাবেন না প্লিস, আমাদের থামান, আমাদের আটকান, আমাদের বাঁচান।

    অজয় মিত্র
  • আরও পড়ুন
    মা - Ajay Mitra
    আরও পড়ুন
    নীরবতা - Ajay Mitra
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ২৮১ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন