• বুলবুলভাজা  আলোচনা  স্বাস্থ্য

  • মারীর দেশে মারীর বেশে

    ডাঃ সৌম্যকান্তি পান্ডা
    আলোচনা | স্বাস্থ্য | ১২ অক্টোবর ২০২০ | ৩০০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ক'দিন ধরেই ভীষণ গায়ে-হাতে ব্যথা হচ্ছিল। খাওয়ার ইচ্ছে ছিল না একদম। অতটা পাত্তা দিই নি। শেষ একমাসে ডিউটির চাপটাও বেশ বেড়েছিল। ভেবেছিলাম ঘুমের অভাব আর ডিউটির চাপেই গায়ে ব্যথা। এসব ডাক্তারদের জীবনে খুব মামুলি ব্যাপার। ডাক্তারি করতে এসে এসব ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে ভাবতে বসলে চলে না। কিন্তু ব্যথাটা কমলো না। গত রোববার থেকে বুঝতে পারলাম নাকেও গন্ধ একটু কম পাচ্ছি যেন! নাকের সামনে সাবান, স্পিরিট, চা-পাতা এমনকি বডি-স্প্রে রেখেও যখন গন্ধ পেলাম না তখন থেকে সন্দেহ শুরু হ'ল। অবশেষে বিকেল গড়িয়ে সন্ধে নাগাদ জ্বর এলো, একশো তিন! সাথে বমি ভাব, মাথা ঘোরানো। এরপরে আর সন্দেহের কিছু থাকে না। পরের দিন টেস্ট হ'ল এবং স্বাভাবিকভাবেই 'পজিটিভ'।

    একটি সরকারি কোভিড হাসপাতালে সেদিনই ভর্তি হয়ে গেলাম। খবর পেয়েই সিনিয়র দাদারা দায়িত্ব নিয়ে ভর্তি, অ্যাম্বুলেন্স সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। আমাকে কোনও ব্যাপারে মাথা-ই ঘামাতে হয় নি। অবশ্য, সবার জন্যই সরকারি তরফে ফোনে যোগাযোগ করে হাসপাতালে ভর্তি কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য করা হচ্ছে।

    অ্যাম্বুলেন্সের বদ্ধ জায়গার মধ্যে একটু শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। তাছাড়া মোটামুটি নির্বিঘ্নেই পুরো ব্যাপারটা মিটে যায়। প্রথম রাতে ডক্টরস' কেবিন খালি পাওয়া যায় নি। জেনারেল ওয়ার্ডেই রাত্রিবাস। আহা! 'জেনারেল ওয়ার্ড' বলে নাক শিঁটকোবেন না যেন.. এই হাসপাতালের 'জেনারেল ওয়ার্ড' বহু কর্পোরেট হাসপাতালকে গুনে গুনে খান পাঁচেক গোল দেবে। এসি ওয়ার্ড, দামী বেড, পরিষ্কার চাদর, পাশে ড্রয়ার সহ র‍্যাক। বেডগুলোর মাঝে ছ'ফুটের বেশি দূরত্ব বজায় রাখা। সিল করা পানীয় জলের বোতল, কৌটোয় সাজানো খাবার, দু-বেলা চা। সাথে স্টাফেদের আন্তরিক ব্যবহার। নিজের কথা বলছি ভেবে বাঁকা হাসি দেবেন না। সবার কথা ভেবেই বলছি। যেহেতু সাথে বাড়ির লোক কেউ নেই তাই বয়স্কদের বকেঝকে নিজেদের হাতে করে খাইয়ে দেওয়া, সময়মতো ওষুধ-জল পৌঁছে দেওয়া ইত্যাদি সবটাই অত্যন্ত দক্ষতা আর মানবিকতার সাথে তাঁরা করে চলেছেন। নিয়মিত জুনিয়র এবং সিনিয়র ডাক্তাররা দেখভাল করছেন। সবটাই ওই পিপিই-র অসহ্য কষ্ট নিয়ে। প্রাথমিক অব্যবস্থা কাটিয়ে সরকার কোভিড নিয়ে যে রকম ইতিবাচক ভূমিকা নিচ্ছেন তাতে তাঁদের অকুন্ঠ প্রশংসা প্রাপ্য। এখনো অনেক অভাব, অনেক অভিযোগ আছে জানি। তবু, এই সময়ে দাঁড়িয়ে তাঁরা যতখানি করেছেন সেটাও অনেক।

    যাক গে, সেসব কথা। ওয়ার্ডের কথায় ফিরি। সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ড মানেই এক অদ্ভুত মিলনমেলা। কাল অব্দি যারা সম্পূর্ণ অচেনা ছিলো তারা-ই আজ কেমন পিসি-মাসি-ভাইপো-জ্যাঠা-দাদু-ভাই-বোন হয়ে গেছে। আমার পাশের বেডের দাদুর বয়স আশি-পঁচাশি হবে। পেচ্ছাব-পায়খানা সব বিছানাতেই। দাদু মাঝে মাঝেই চেঁচিয়ে উঠছে..

    - ওরে রতন, আমাকে এরা বাঁচতে দিবে নি রে... ও বাবু, এলি রে? আসবি নি? ধুস শালা! ভারতমাতা কী জয়!

    বলে হাত মুঠো করে ওপর দিকে ছড়িয়ে দিয়ে নার্সিং স্টাফেদের হাঁক..

    - ও মা.. আমাকে একটু জল দে না রে মা..

    জল দিতেই দাদুর পরবর্তী বায়না..

    - আর পায়েস দিবি নি? কাল কিন্তু চিকেন বিরিয়ানি দিবি..

    ওয়ার্ড ততক্ষণে দাদুর কাণ্ডকারখানায় জমজমাট হয়ে উঠেছে। অন্যান্য বেডগুলোতেও বেশ নিজেদের মধ্যে গল্পের আসর বসেছে। একটা হাফ-দেওয়ালের ওদিকে মাসি-পিসিদের গল্প বসেছে। সেসব গল্পে রান্নার রেসিপি, শাশুড়ি-বৌমার পাঁচালী, আচারের বয়াম, নাতির দুষ্টুমি.. আরও কী নেই!

    ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে বিশাল বিশাল কাচের জানলা। আটতলার ওয়ার্ড থেকে রাতের কোলকাতাকে কী মোহময়ী লাগছে! পজিটিভ আসার পর থেকে যেসব দুশ্চিন্তা ছিল সেগুলো ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে.. পরের কিউবিকলের জেঠু সবাইকে ডেকে ডেকে নাতনির গান শোনাচ্ছেন। দাদু একলা আছে বলে নাতনি গান রেকর্ড করে দাদুর জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। নাতনি আধো আধো গলায় গাইছে..

    "জাগো, তুমি জাগো.. জাগো দুর্গা, জাগো দশপ্রহরণধারিণী.."

    নাতনির গানে ভরে উঠছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থস্থান- হাসপাতাল। পাশ থেকে কেউ বলে উঠলেন-

    - বড় মায়া গো.. কেউ কি ছেড়ে যেতে চায়? যত বয়স বাড়ছে আরও বেশি করে মায়ায় জড়িয়ে যাচ্ছি। কতদিন আমার মেয়েটার মুখ দেখি নি..

    মনে পড়ে যাচ্ছে, কোলকাতা আসার আগেরদিন রাতে আরশিকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম..

    - জানো তো, কাল বাবা হাসপাতালে চলে যাবে..

    আরশি আরও জোরে জড়িয়ে ধরে বলেছিল..

    - তুমি কোতাও যেও না। আমার ছাথে খেলু করো, আমাকে হাম্পু খাও, শেয়ালের গল্প বলো..

    তবু চলে আসতেই হয়।

    বাইরে তখন হাল্কা বৃষ্টি নেমেছে। আমি চাদরটা কান অব্দি জড়িয়ে গুটিসুটি হয়ে শুয়ে পড়ি। চাদরের তলায় মায়ার ওম। শরীর ঘিরে আধো আধো কথার দল পাহারা বসায়.. 'বাবা, বেচি করে জল খাবে', 'পায়ে উসুদ লাগালে না তো?'

    মারীর সাধ্য কি সে পাহারা টপকে আমার গায়ে আঁচড় কাটে?

    চারদিন হ'ল ন'তলার কেবিনে উঠে এসেছি। প্রতিদিনের সেই চেনা হাঁকডাক, গাড়ির হর্ন, রোজকার কেজো আলাপচারিতার চিহ্নমাত্র নেই। ওয়ার্ডে পা রাখলেই বাচ্চার কান্না, বাড়ির লোকের অভাব-অভিযোগ আরও হাজারো কাজের ফিরিস্তি মিলিয়ে আমার যে থোড়-বড়ি-খাড়া পৃথিবী, সেসব যেন ঝুপ করে কোথায় হারিয়ে গেছে! দিনে দু'বার রাউন্ড, পালস-বিপি-অক্সিজেন স্যাচুরেশন মাপা আর ওষুধ-জল-খাবার পৌঁছে দেওয়ার সময়টুকু বাদ দিলে বাইরের কারও সাথে বাক্যালাপ নেই। আমি অবশ্য বরাবরই অসামাজিক। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত কারো সাথে কথা বলতে গেলে প্রথম দু-তিনটে কথার পর শব্দ হাতড়ে বেড়াই। অদ্ভুত অস্বস্তি আর দোটানায় ভুগি। কারও নাম মনে রাখতে পারি না। বরং, এই একাকীত্ব বড় প্রিয় আমার। নিজের সাথে একলা হলেই আয়নার ওপারে আমার ব্যক্তিগত দুনিয়ার দরজা খুলে যায়। দরজা ঠেলে শব্দেরা ছুটে আসে... নিঃসংকোচ। সৃষ্টিছাড়া।

    কাচের জানলার ওদিকে চকিতে বদলে যাচ্ছে আকাশ। সকালের কালো মেঘ ফুঁড়ে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামছে। বৃষ্টি নামছে আমার খুব পরিচিত লাল বাড়িগুলোর ছাদে। জানলার কাচে বৃষ্টির জলছবি। আবছায়া আলো-আঁধারিতে আরও রহস্যময়ী, আরও মায়াবী হয়ে উঠছে এশিয়ার প্রাচীনতম মেডিক্যাল কলেজ। মেডিক্যাল কলেজ মানে শুধু কিছু মাথা উঁচু বাড়ি নয়... প্রতিটি ঘোরানো সিঁড়ি, উঁচু সিলিং, মোটা থাম, ভারী আসবাব, ইঁটের খাঁজের আড়াল থেকে ইতিহাস ফিসফিসিয়ে কথা বলে।

    সে ইতিহাস ছুঁয়ে বৃষ্টি নামছে..

    শেষ কৈশোরের কলেজবেলার স্মৃতি ছুঁয়ে বৃষ্টি নামছে..

    আমাদের আগুনদিন ভিজিয়ে বৃষ্টি নামছে..

    আমাদের স্লোগানের চিৎকারে তাল মিলিয়ে বৃষ্টি নামছে..

    ****

    মানসদা.. আমার প্রাণসখা মানস। বারো বছর হ'ল আমাদের সম্পর্কের বয়স। কোভিডেও পিছু ছাড়িনি। প্রায় একই সাথেই দুজনের কোভিড ধরা পড়ে এবং একই জায়গায় ভর্তি! দশটা বিষয় নিয়ে আলোচনা হলে আটটাতেই মেলে না। ঝগড়া করে ফাটিয়ে দিই। তারপর দীর্ঘ পনেরো-কুড়ি মিনিট মুখ দেখাদেখি বন্ধ থাকার পর পরবর্তী ঝগড়ার প্রস্তুতি নিই। এখানে যদিও দুজনেই 'শান্ত ছেলে' হয়ে বসে আছি। এতটা সময় একসাথে থেকেও ঝগড়া হচ্ছে না ভেবে বড্ড মুষড়ে আছি। দুজনেই আর একটু সুস্থ হয়ে যাই.. তারপর এসব 'উল্টে না খাওয়া ভাজা মাছ দিনগুলোর' সুদ সমেত উশুল করবো।

    ****

    নিচে রাস্তায় রোজকার সাধারণ ভিড়। বেশিরভাগেরই মুখে মাস্ক নেই। ভিড় করে পুজোর কেনাকাটা চলছে। কী দারুণ 'ফিল গুড' আবহাওয়া! শুধু আমরা স্বাস্থ্যকর্মীরাই ভয় পাচ্ছি। আগের লেখায় হাসপাতালের উন্নত পরিষেবা নিয়ে লিখেছিলাম। পড়ে অনেকে উৎসাহিতও হয়েছিলেন বোধহয়। কিন্তু মাথায় রাখুন, পুজোর সম্ভাব্য জনসমাগমের পর রোগীর যে ঢল নামতে চলেছে তাকে সুষ্ঠুভাবে সামাল দেওয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনও হাসপাতালের নেই। তখন আর এই পরিষেবা.. আচ্ছা, সেসব ছাড়ুন। দু'একজন কেঠো মানুষের কথা শুনে কে কবে এরকম ফূর্তির সুযোগ ছেড়েছে? কাজেই চালিয়ে যান.. শুধু কিছু বেয়াড়া প্রশ্ন সাজিয়ে যাই-

    এতজন অকালে ঝরে যাওয়া মানুষের অদৃশ্য লাশ মাড়িয়ে উৎসবে মাততে ভালো লাগবে আপনার?

    এত পরিযায়ী শ্রমিকের রক্ত আর বুভুক্ষু চোখের সামনে নতুন জামা-জুতোর ঝলক অশ্লীল মনে হবে না?

    ****
    লেখা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। কথার খেই হারিয়ে ফেলছি। অসুস্থতার পর অগুনতি শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছি। মাথা পেতে নিয়েছি সবটুকু। এখনো শরীর বেশ দুর্বল, গা গোলাচ্ছে। রক্তেও কিছু সমস্যা আছে। যদিও জ্বরটা এখন আর আসছে না।

    লিখতে লিখতে মেঘ সরে গিয়ে আকাশ ঝকঝকে। বৃষ্টি ধোওয়া রোদে ঝলমলিয়ে উঠছে মারীর দেশ। আরও অনেক লড়াই বাকি। আরও অনেক বৃষ্টি-রোদের খেলা পেরিয়ে, অনেক শীত-বসন্তের বলিরেখা শরীরে নিয়ে মারীর দেশের রূপকথা লেখা হবে। জয়ের রূপকথা। দেখো, হবেই।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ অক্টোবর ২০২০ | ৩০০ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন