এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৬ মার্চ ২০১৪ ২২:৫৭630554
  • কখনো পেটের ধান্দায় কখনো পেটের, বিচিত্র দুনিয়ার কোনে কোনে পররুচি খানা খাই সবাই। সে নিয়ে আলাদা করে কথা হয়না। প্রথম দর্শনে বা স্বাদে যে খাবার দিলে এমনিতে ছোঁব কি না সন্দেহ তা পরের পাল্লায় ঘরের বাইরে সোনামুখ বা লোহামুখ কিছু একটা করে খেতে হয়, খাই। এবং কী আশ্চর্য অনেক সময় ভালও লেগে যায়। ভাবলুম ব্লগে লিখি তারপর মনে হলো শুধু নিজের কথা ভ্যাজর ভ্যাজর না করে টই খুললে গল্প শোনা যাবে এরকম অনেকের পর রুচি খানা র। শুরু হোক।
  • sweta | ১১ মার্চ ২০১৪ ১২:২৪630565
  • আরে দাদা বাধ্য হয়ে এরকম অনেক কিছুই খেতে হয়, আমি যখন কলকাতায় মেসে থাকতাম তখন গোরুর ভোজন ও খেতে হত। বাড়িতে থাকলে কত ভালোমন্দ না খেতাম, কিন্তু মেসে শক্ত চালের ভাত আরে দল ছাড়া কিচ্ছু জুটত না, কোনো দিন ফিরতে দেরী হলে তো তাও পেতাম না। । দোল বেধে উপশ করতাম ...............
  • sweta | ১১ মার্চ ২০১৪ ১২:২৫630576
  • ***** ডাল
  • কল্লোল | ১১ মার্চ ২০১৪ ১৬:০১630578
  • আমি বাধ্য হয়ে বিসিবেলেবাথ খেতাম। এখন ভালোই লাগে।
    রাগী বল দিয়ে বাঙ্গাডা মাছের ঝাল - এখনো ভালো লাগাতে পারিনি।
    খুব ক্ষিদে পেয়েছিলো বলে আচারে মাখানো কাঁচা কুচো চিংড়ি রাত তিনটেয় খেয়েছিলুম। খুব ভালো লেগেছিলো।
  • সে | ১১ মার্চ ২০১৪ ১৬:৪১630579
  • আচারে মাখানো কাঁচা কুচো চিংড়ি = ঞাপ্পি??

    প্রথম জীবনটাতো পররুচিই খেয়েছি। বাড়িতে রোজ যা যা রান্না হোতো। ভাত ডাল আলুসেদ্দ তরকারি মাছ।

    ডিম। জোর করেও খাওয়ানো যেত না আমাকে। সেদ্দ বলুন, ভাজা, মামলেট, জলপোচ কি তেলপোচ, হাপ্‌বয়েল, আন্ডাকারি, বাটিচচ্চড়ি, স্যান্ডুইচের মধ্যিখানে কায়দা করে লুকিয়ে, - কোনো পদ্ধতিতেই ডিম খেতাম না। দেখলেই বমি আসত। বমি করেও দিতাম।
    তারপরে বাইরের দেশে গেলাম। সেখানের রাঁধা খাবার মুখে দিতে পারি না। নিজে রাঁধতে শিখলাম। ডিমপোচ্‌। সোনামুখ করে নানরুটি ও ডিমপোচ্‌ খেতাম। সপ্তাহে ৩০ থেকে ৬০ টা ডিম খেয়ে নিতাম এই উপায়ে। সকালে ডিম, দুপুরে ডিম, রাত্রে ডিম। এই কত্তে কত্তে ডিম ছাড়া এখন একটা দিনও কাটে না।
  • | ১১ মার্চ ২০১৪ ২০:৫৯630580
  • সপ্তাহে ৩০-৬০ ট ডিম। তার মানে গড়ে ৪.২৮-৮.৫৬ টা। ঈশ্বর এদের তুমি ক্ষমা করো!! ঃ))
  • ঊমেশ | ১১ মার্চ ২০১৪ ২১:০৮630581
  • আর্ণল্ড সোয়ার্জেনেগার শুনেছিলাম প্রতিদিন ৮-১০ টা ডিম খেত।
    তারপর আর কাউকে শুনলাম দিনে এতো ডিম খেতে।
    ডাটা ঠিক দিয়েছো, না শুন্য(০) বেশী পরে গেছে?
  • | ১১ মার্চ ২০১৪ ২১:১১630582
  • কিছু কিছু হিন্দী ফ্লিমে( যেমন সৈনিক ইত্যাদি) অক্ষয় কেও সক্কাল বেলা উঠে ব্রাশ না করে একের পর এক কাঁচা ডিম খেতে দেখা গেছে...
  • সে | ১১ মার্চ ২০১৪ ২১:৩৬630583
  • ডেটা ঠিক। এক ক্রেট করে ডিম কিনতে হতো (এর কমে বেচতো না), এক ক্রেটে ৩০টা থাকে। ৩-৪ দিনের মাথায় ক্রেট ফুরিয়ে গেলে আরেক ক্রেট নিয়ে আসতাম।
    কিন্তু মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে যে - অরুচির জিনিষটাই প্রিয় খাদ্য হয়ে গেল। শুধু তাইই নয় - গোড়ার দিকে যে সমস্ত খাদ্য মুখে তুলতে পারতুম না সেগুলোও ক্রমে ক্রমে সয়ে এলো - আরও কিছু সময় গড়ালে সেগুলো "প্রিয় খাদ্যে" রূপান্তরিত হলো।
  • কল্লোল | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:১০630555
  • সে।
    না ঠিক ঞাপ্পি নয়। এটি গোয়ার আমদানী। কাঁচা চিংড়ি প্রচন্ড ঝাল লঙ্কার আচারে ম্যারিনেট করে বোতলে ভরে বিক্কিরি করে। এক বোতল কিনেও পরেছিলো অনেকদিন। তাপ্পর ঐ যেমন বল্লাম। মানে, সন্ধ্যের ঝোঁকে একটু বেশ রাম খাওয়া হয়েছিলো। ফলে না খেয়েই ঘুম। তিনটেয় ঘুম ভাঙ্গতে বিতিগিচ্ছিরি ক্ষিদে। ঘরে আর কিছু ছিলো না। সহমাতালেরা সব খেয়ে বাসন পজ্জন্ত মেজে রেখেছিলো। তখন মনে পড়লো এটার কথা।
    এই আর কি।
  • রোবু | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:১৭630556
  • এটা বিফ এরও হয়। দুটোই কেরালাতে পাওয়া যায়।
  • | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:১৮630557
  • কল্লোল দা, মাতল দের যদি একবার বলো "এই তুই আউট হয়ে গেছিস"। সঙ্গে সঙ্গে তার ঔচিত্যবোধ জেগে ওঠবে। আর নানা ভাবে প্রমান করার চেষ্টা করবে এখন ও "আউট" হয় নি।
  • রোবু | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:২০630558
  • হ্যাঁ, নভিশ ও শখের মাতালদের এরকম হয় বটে।
  • | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:২৪630559
  • ঃ))

    আর পোড় খাওয়া মাতল রা?
  • রোবু | ১১ মার্চ ২০১৪ ২২:২৬630560
  • তারা এনশিওর করে তাদেরকে যেন কোনোভাবে জেনেরিক লেবেল দেওয়া না যায়।
  • Ekak | ১১ মার্চ ২০১৪ ২৩:৫০630561
  • কেরালার বীফ আচার টা ব্যাপক। মোহর ওই চিংড়ি আর বীফের যম। আবার দুবোতল নিয়ে গেসলো তার পাওয়াই লেকের ল্যাবারু গণ খেয়ে জার্মুম্বায়নাই মস্তি পেয়েছেন।

    ভুটানে যে বীফ আচার টা পাওয়া যায় তার স্বাদ, টেক্সচারে অবশ্য ভিন্নতা বেশি। বীফ শাকাম বা ইয়াক শাকাম কুচি করে হয়। সেটা কোন অঞ্চলে কত ঠান্ডা, জলীয় বাস্প কেমন রোদ ওঠে কতটা এসবের ওপর নির্ভর করে। কখনো যদি ওখানে গিয়ে কিনে খেতে চান তাহলে হোটেল পেল্জোর্লিং এর কাউন্টার বেস্ট। মানে ইন্ডিয়ান জিভে। আর বন্ধুবান্ধবের বাড়ি গেলে বা নানান গ্রামের পিন ফোটানো কুয়াশা ঘেরা ঝুল-শান্খাং এ বসে কিছু বীফ আচার খেয়েছি যার স্বাদ ভোলার নয়।
    একবার দুহাজার আটের শেষে মঙ্গরের
    একটা গ্রামে বসে দাওয়া নর্বুর মঙ্গরের প্রেমিকা সোনাম কিম যে বীফ আচার খাইয়ে ছিল তার মত বিটকেল পর রুচি খানা খুব কম ই আছে। বীয়ারের
    সঙ্গে টুকটাক মুখে দেওয়ার জন্যে এনে ছিল। নিজেও মুখে তুলছে। অঙ্কের সাদা পাতায় চেপ্টে শুকিয়ে যাওয়া মশার মত বিগতলাল শাকাম পিকল। কত বছরের পুরনো তা অবলোকিতেশ জানেন। প্রথম পরিচয় সেদিন। বাটিটা এগিয়ে দিয়ে বলল সকাল থেকে উনুনের ধরে বসে বিয়ার গিলছ সর পরে গ্যালো তো। টেস্ট গর্নু ?
    বুঝলুম শয়তানি করছে, করতেই পারে। সেটা কথা নয়। কথা হচ্ছে যে আমি নিরবাহুত আক্রমনে সারা দিয়ে জিগালুম "রাতো খোর্সানি ?"। খচ্চর মেয়েটা
    চোখ দুলিয়ে বলল "আসল মা কি শোচ্দেইছা ? পীরো কি রাতো ?" :) এবার জীবন যেহেতু সিনেমা নয় কথা বলতে বলতেই মুখের দিকে সেই আচার এগোচ্ছে বিয়ারের মাগ রাখার সাথে সাথে। এবং মুখে দিয়েই শুধাই " বস্তি কো ডললো ?" এবং উত্তর পাবার কোনো দরকার হয় না। মনে পরে মেয়েটির মা এসেছিলেন গেলেপু থেকে এবং ওখানে একটি গ্রামে এলাকার মধ্যে সবচে ঝাল ভুজ্জলোকিয়া পাওয়া যায় সেই মাল আবার বুম্থান্গের ঠান্ডায় মিনিমাম পাঁচবছর সাকামের টুকরোর গায়ে তেল মশলা সহ মাখিয়ে রেখে দেয়। পুরো মাথা থেকে পা গরম ওয়েভ বেরুতে লাগলো ভুজ্জলোকিয়াতে যা হয় একচুয়ালি শকিং নয় একেবারেই বাট মোর দ্যান দ্যাট। প্রথমে ভালো লাগা বুঝতে না পারলেও আরেকটু বিয়ার সিপ দিতে আচারটা ভালো লেগে গ্যালো। পুরো খেয়েও নিলুম পাশে পাশে। কিন্তু তাইবলে প্রথমবার লু বয়ে যাওয়ার সময় হাড় শয়তানি মুখ টিপে হেচকি তুলে তুলে হাসছিল সে এক গা পিত্তি জ্বলিয়ে দেওয়া সীন। ভালো বন্ধু হয়ে গেসলো কিন্তু ওই হাসিটার জন্যে ক্ষমা করিনি। এটা আবাপ র ক্ষমা করিনি তে যেতে পারত। কিন্তু বড় বেশি ব্যাখ্যা করতে হবে থাক।
  • bhagidaar | ১১ মার্চ ২০১৪ ২৩:৫৪630562
  • -- মোটামুটি অর্ধেক পোস্ট বোধগম্য হলো।
  • Ekak | ১২ মার্চ ২০১৪ ০০:০৩630563
  • কোনখান শিশি বোতল ? /
  • 4z | ১২ মার্চ ২০১৪ ০০:২৭630564
  • translation please
  • bhagidaar | ১২ মার্চ ২০১৪ ০০:৩০630566
  • -- ঐতো ফজ্জি বলে দিছে
  • Elak | ১২ মার্চ ২০১৪ ০০:৪৬630567
  • কাছাকাছি বাংলা :

    টেস্ট গর্নু ?== টেস্ট করবে ?
    "রাতো খোর্সানি ?" ==এটা লাল লঙ্কা ?
    "আসল মা কি শোচ্দেইছা ? পীরো কি রাতো ?" :)== কী জানতে চাও ? ঝাল না রং ?
    " বস্তি কো ডললো ?" == এটা দেশের থেকে আনা সেই ছোট লঙ্কা ?
  • কল্লোল | ১২ মার্চ ২০১৪ ০৫:২৮630569
  • উঃ মাইরী। অনুবাদ্টা দিয়ে মাটি করলি।
    "টেস্ট গর্নু" টা অবধি মোটামুটি।
    "রাতো খোর্সানি", "আসল মা কি শোচ্দেইছা", "পীরো কি রাতো", "বস্তি কো ডললো".....................
    এ সব বাক্যসমূহ যা একখানা আবহ তৈরী করছিলো বাঙ্গালী কানে-প্রাণে-মনে, তারপর,
    "খচ্চর মেয়েটা...................হাড় শয়তানি মুখ টিপে হেচকি তুলে তুলে হাসছিল"
    ওফ, জমে ছুরপী।
    এর মধ্যে বলা নেই কওয়া নেই দুম করে টিকা টিপ্পুনি, অনুবাদ ইঃ
    লু তেই বয়ে গেলো। ধুস।
  • কল্লোল | ১২ মার্চ ২০১৪ ০৫:৩৫630570
  • রবু ও ব। নাহ। আমার অন্যরকম মনে হয়।
    আউট হয়ে তো যাবোই। তা না হলে মদ খেলুম কেন? ডিফারেন্সিয়াল ক্যালকুলাস করার জন্য? না ফরোয়ার্ড শর্ট লেগে ক্যাচ ধরার জন্য? সে তো জলটল খেয়েও, বা বলা ভালো খেয়েই, করা যায়। তার জন্য পহা খচ্চা করে মাল খায় কেউ?
    মাল খেয়েচো, নিদেন ঝিম তো হবেই। ভ্যোম বা না, নাহয় নাই হলে। ঐ পাঁচ পেগ টেনে সোজা হয়ে বসে কমলকুমার বা কোয়ান্টাম আওড়ানো আমার একদম বেকার লাগে।
  • huto | ১২ মার্চ ২০১৪ ০৫:৫১630572
  • কল্লোলদাকে ক তো দিতেই হবে।
  • Bhagidaar | ১২ মার্চ ২০১৪ ০৬:৩২630573
  • আমি কল্লোলদার ৫:২৮ এ ক দেব। যদিও আমিই অনুবাদ চাইলাম, কল্পনার অনুবাদটাই বেশি মুখরোচক ছিল। এবার সব পানসে হয়ে গেল।
  • Ekak | ১২ মার্চ ২০১৪ ১২:৪৩630574
  • হে হে ওই কারণেই কখনো অনুবাদ, ব্যখ্যা এসব করিনে :) প্যাটিস খুলে পুর বের করে খেয়ে নিলে কি আর প্যাটিসের মজা পাওয়া যায় :) নেপালি একটা ভীষণ মিষ্টি কিন্তু ঝাঁঝালো ভাষা। ভুলে যাওয়া মধুর বোতলের তলানির মত। ওই অনুভূতিটাই মাঠে মারা যাবে !
  • cm | ১২ মার্চ ২০১৪ ১৩:৪৩630575
  • মাল খেয়ে আউট না হলে আর কি হল। তবে মাল না খেয়েই আউট হওয়ার কায়দা রপ্ত করতে পারলে আরো মজা।
  • কল্লোল | ১২ মার্চ ২০১৪ ১৪:৫২630577
  • মাল যদি নাই খেলে বাপু, তবে আর আউট হওয়া কেন?
    সাদা চোখে কি আর বলা যায়, "তুই শালা আয়ুট হয়ে গেচিস, তোকে ঝাপসা লাগচে"।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন