ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ধর্ষণ ও বিবর্তন নিয়ে কিছু কথা

    sosen
    অন্যান্য | ১৭ অক্টোবর ২০১২ | ৬৬১৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 154.160.5.25 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২১:৫৭574958
  • সোসেন অমানুষিক পরিশ্রম করছেন, এই জিনিস বাংলায় লেখা একটা বিশাল চ্যলেঞ্জ, তার ওপর এই পরিমাণ টাইপিং। আমি সাজেস্ট করব তাড়াহুড়ো না করে, ধীরে সুস্থে লিখুন। আর অন্যরা যেমন বললেন, কেস স্টাডি যা দেওয়া প্রয়োজন মনে হয়, দ্বিধা না রেখে সবই নিয়ে আসুন, কারও অসুবিধা হলে স্কিপ করে যাবে।
  • প্পন | 190.215.72.160 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২২:০৪574959
  • টইটা টু গুড হচ্ছে। যাকে বলে ১০/৫।

    পুরো টইটা শেষ হলে আবার পড়তে হবে ধীরেসুস্থে। কিন্তু একটা জিনিস চোখ এড়িয়ে গেল কিনা বুঝতে পারছি না। মাতৃতান্ত্রিক সমাজ থেকে কীভাবে বেশির ভাগ জনগোষ্ঠীর মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক সমাজে রূপান্তরিত হল সেইটা কি সোসেন কোথাও কভার করেছ? পোস্টের টাইমস্ট্যাম্পটা উল্লেখ করলেই হবে।
  • sosen | 111.62.117.25 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২২:২০574960
  • সামাজিক উপযোগিতার সংজ্ঞা হলো সমাজে নিজের এবং অন্যদের মধ্যে সম্পর্কের গঠন ও উপস্থাপনাকে বোঝা এবং সেই অনুযায়ী নিজের সামজিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করা। অবশ্যই, ব্যক্তিত্ব এবং সামাজিক আচরণ দুটিই জটিল ট্রেট এবং বহু ফাংশনাল নিউরোনাল সার্কিট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। প্রত্যেকটি বিচ্ছিন্ন ব্যবহারের সঙ্গে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চল বা নেট ওয়ার্কের ম্যাপিং করা এখনো সম্ভব হয়নি, কিন্তু রাফলি কোন অঞ্চল কোন কোন অনুভূতির নিয়ন্তা সেটা বলা সম্ভব।
    টেম্পোরাল লোব কি করে? মানুষ চেনে, বিশেষ বিশেষ ইমোশনের সঙ্গে জড়িত মুখভঙ্গি ও স্বর চেনে, অন্য মানুষের ইনটেনসন তার দেহভঙ্গী থেকে অনুমান করতে পারে। এছাড়াও empathy নিয়ন্ত্রণ করে।
    এই অঞ্চলে কোনো ড্যামেজ বা ইমপেয়ারমেন্ট থাকলে আমরা অন্য মানুষের সঙ্গে ঠিক ঠাক কমিউনিকেট করতে পারিনা। তার আচার আচরণ পড়ে উঠতে পারিনা, তার কথা বা ভঙ্গির ভুল ব্যাখ্যা করি।
    এইখান থেকে সংকেত গিয়ে ফ্রন্টাল লোবে প্রসেস হয়, ফ্রন্টাল লোব ভুল সংকেত পেলে সেই সিচুয়েসনকে ভুলভাবে জাজ করবে এবং সেই অবস্থায় আমাদের আচরণ যা হওয়া উচিত তা হবে না, আমরা সামাজিক ভাবে ভুল ব্যবহার করব।
    ফ্রন্টাল লোবের আঘাতের স্টাডিতে দেখা গেছে, আমরা সেরকম ক্ষেত্রে সামাজিক আচরণের রিওয়ার্ড বা পানিশমেন্ট ভ্যালুকে মাপতে পারিনা। ফ্রন্টাল লোবে ডিস ফাংশন আছে এরকম অপরাধীদের মধ্যে নিম্নলিখিত অস্বাভাবিক ব্যবহার দেখা গেছে
    ১) অন্যের ইমোশনের প্রতি ইনসেনসিটিভ হওয়া , ইমোশনালি ব্লান্ট হওয়া
    ২)সিদ্ধান্ত গ্রহণে অসুবিধা, সর্বদাই ভুল বা অসামাজিক সিদ্ধান্ত, পুওর জাজমেন্ট, নিজের উপর নিয়ন্ত্রণের অভাব।
    ৩)সহানুভূতির অভাব, নিজের জীবনের উদ্দেশ্য হিসাবে বিভিন্ন বিপজ্জনক ব্যবহারের পার্ফেক্সনকে বেছে নেওয়া, অন্যান্য কাজে ধারাবাহিকতার অভাব।
    ফ্রন্টাল লোব সমস্ত এক্সিকিউটিভ স্কিল নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন কিনা planning, sequencing, inhibition, generation, working memory, ও abstract reasoning -এককথায় জটিল রিজনিং , লার্নিং , ইন্তারপ্রিতেশন, অর্থাৎ কগনিটিভ স্কিল গুলি সবই তার দখলে।
    ইমোশনাল ফাংশনিং নিয়ন্ত্রণ করে Amygdala , অর্থাৎ কোনো প্রিভিয়াস স্টিমুলাসের স্মৃতি (বিশেষ কোনো আলো, রং, শব্দ, গন্ধের স্মৃতি, ) এবং তার সাথে একটা রিওয়ার্ড বা পানিশমেন্টকে এসোসিয়েট করে। মানুষের মধ্যে Amygdala র ক্ষতি তাই ভয় পাওয়া কে নষ্ট করে দেয়, এবং তাত্ক্ষণিক রিওয়ার্ড বা পানিশমেন্ট থেকে সামাজিক /লং টার্ম রিওয়ার্ড বা পানিশমেন্টকে আলাদা করতে দেয়না। যার ফলে অন্যায় আচরণ করে যদি সেই মুহূর্তে ভালো লাগে তাহলে রোগী সেই কাজটি করে চলে, তার কন্সিকয়েন্সেস ভাবে না।
    এই তিনটি মুখ্য অংশের মধ্যে যোগাযোগের সামান্য তারতম্য আমাদের সোশ্যাল ব্যবহারে প্রচুর হেরফের করতে সক্ষম, গঠনের তারতম্য ও। সত্যি কথা বলতে এই গঠন ও যোগাযোগের তারতম্যের জন্যই আমরা আলাদা আলাদা মানুষ, কেউ রাগী, কেউ হাস্যমুখ, কেউ ভিতু, কেউ নার্ভাস, কেউ জিনিয়াস- আর কেউ বা-ক্রিমিনাল।
  • sosen | 111.62.117.25 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২২:৫৩574961
  • প্পন এর প্রশ্নের উত্তরে।
    না, থ্যাঙ্ক ইউ , ঠিক ই খেয়াল করেছ। । আসলে পিতৃতান্ত্রিক থেকে মাতৃতান্ত্রিক সমাজে কিছু রূপান্তর হয়নি। যে লিনিয়েজ্গুলো পিতৃতান্ত্রিক ছিল-আফ্রিক্যান ও সেমেটিক তারা পিতৃতান্ত্রিক ই আছে। কিছু কিছু মনোগ্যামাস প্রাকটিস এসেছে। যে লিনিয়েজ্গুলো মাতৃতান্ত্রিক ছিল তারা মোস্টলি মনোগ্যামাস হয়েছে, আর এন্ডেমিক উপজাতিরা মাতৃতান্ত্রিকতা রিটেইন করেছে। সাউথ এশিয়ান আর ইউরেসিয়ান রা প্রধানত। তারপর ধর জিওগ্রাফিক পজিশন অনুযায়ী মিশেছে একটা জাতি অন্যটার সাথে। এই ভীষণ বিচ্ছিরি হাতে আঁকা ছবিটা দেখো।



    এখানে অরিজিন্যাল হোমো স্পেসিস্গুলোর জিন পুলের কিছু গুরুত্ব আছে। একবার ভেবেছিলাম লিখব, তারপর ভুলেছি।
    পরে লিখব।

    অরন্যদা -একটু পরিশ্রম হচ্ছে বটেক। প্রায় পেপার লেখার মত। :) কাল থেকে আর এভাবে লিখতে পারব ও না। তাড়াতাড়ি শেষ করার চেষ্টা করেও পেরে উঠলাম না। তা হলে ফাঁকিবাজি হয়ে যায়।
  • sosen | 111.62.117.25 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২৩:০১574962
  • A থ্রু F হলো ডিফারেন্ট লিনিয়েজ
    patri -পিতৃতান্ত্রিক
    matri -মাতৃতান্ত্রিক
  • sosen | 125.241.203.76 | ২৯ অক্টোবর ২০১২ ২৩:০৯574963
  • কেস স্টাডি গুলো আসলে এতই ভয়ংকর যে আমারি ওগুলো নিয়ে তথ্য একত্র করতে বাজে লাগছিল আর তার সঙ্গে ছবিগুলো ও গা গুলোনো। মানে আমি নিজেই অত নিস্পৃহ নই, আর খুব বেশি ভায়োলেন্সের বর্ণনা সবারই খারাপ লাগে। আমার তো বেশিই লাগছিল। আরো দু-একটা দেবার ইচ্ছে ছিল- কিন্তু লিখতে লিখতে নিজেরই খারাপ লাগতে শুরু করলো। :(
  • nina | 79.141.168.137 | ৩০ অক্টোবর ২০১২ ০৩:১১574964
  • অমূল্য টই!! সোসেন---ব্রাভো!
  • tatin | 132.252.251.244 | ৩০ অক্টোবর ২০১২ ১৮:১১574965
  • ওই কেসগুলোর উইকি রেফারেন্স দিয়ে দিন। উৎসাহী পাঠক নিজেই পড়ে নিতে পারবে
  • sosen | 125.187.44.202 | ৩০ অক্টোবর ২০১২ ২১:৫৬574966
  • কিন্তুক সব কেস তো উইকি তে নাই। মানে ডিটেলসে নাই।
    যাগ্গে আমি একখান লিস্টি দিমুনে।
    আজ টই ছুটি।
  • intellidiot | 132.176.69.17 | ৩১ অক্টোবর ২০১২ ০০:৫৯574968
  • জম্পেশ হচ্ছে। সোসেন চালিয়ে খেলো।

    পল রোলান্ড এর ইন দ্য মাইন্ড্স অফ মার্ডারারস নামে একটা বই পড়েছিলাম বছর কয়েক আগে। তাতে বেশ কিছু এমনি কেস স্টাডি ডিটেল এ ছিলো।
  • sosen | 125.184.40.23 | ৩১ অক্টোবর ২০১২ ২১:১৮574969


  • বিবর্তনের ধারা অনুযায়ী, মানুষের মস্তিষ্কে তিনটি গঠনগত স্তর রয়েছে। একটি হলো আদিম মস্তিষ্ক (প্রিমিটিভ ব্রেইন)। একে আর্চিপেলিয়াম ও বলা হয়। এই মস্তিষ্ক হলো সরীসৃপের মস্তিষ্কের মত, মূল শারীরিক কাজকম্ম সারতে ও বেঁচে বর্তে থাকতে যতটুকু দরকার। শ্বাস নেওয়া, খাদ্যগ্রহণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণকারী এই অংশকে ব্রেইনস্টেম বলা হয়। এর পরে এলো আবেগপ্রবণ মস্তিষ্ক, যা কিনা বেশ উন্নত স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে প্রথম দেখা গেল। এই অঞ্চল হলো টেম্পোরাল লোব/লিম্বিক সিস্টেম, যা কিনা আবেগ, ভয় সকল স্বত:স্ফূর্ত ইমোশনকে নিয়ন্ত্রণ করে বলে আমরা আগেই জেনেছি। আর , সর্বশেষ, ও সর্বোন্নত অংশ/ স্তর হলো যুক্তিনিষ্ঠ মস্তিষ্ক, যা কিনা আমাদের সকল ইমোশন ও জৈবিক ইচ্ছাকে যুক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে বিচার করে এবং তদনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়। এই মস্তিষ্কের অবদান হলো আমাদের থট ফর গ্রেটার গুড, নিজের সুখ ও তাত্ক্ষণিক গ্রাটিফিকেসনের উপরে সমষ্টির মঙ্গল চিন্তা, এমপ্যাথী। ফ্রন্টাল লোব হলো এই যুক্তিপূর্ণ মস্তিষ্ক। মানুষের বিবর্তনের চাবিকাঠিটি হলো এই যুক্তিপূর্ণ মস্তিষ্কের ক্রমবিবর্ধন ও ক্রমোন্নতি।

    ছবি দেখা হোক।


    মানুষের আদিম পূর্বপুরুষ থেকে মানুষে পৌঁছতে পৌঁছতে বেড়েছে মানুষের যুক্তিপূর্ণ মস্তিষ্কের আয়তন, এবং বেড়েছে ভাঁজের সংখ্যা। এই অংশ ডমিনেট করেছে অন্যান্য মস্তিষ্কের কাজকে , এবং বিবর্তনের স্বার্থে তাদের প্রয়োজনমত ব্যবহার করেছে। আদিম মস্তিষ্ক থেকে আবেগপ্রবণ মস্তিষ্ক বিবর্তিত হয়েছে "ট্রাইবাল মানব" বা সংঘবদ্ধ মানুষের স্বার্থে। আবেগ, একে অন্যের মুখভঙ্গি, দেহভঙ্গিতে অনেককিছু বুঝতে পারা, ভয় , খুশি , স্নেহ বিবর্তিত হয়ে মানুষকে এক একটি ছোট ছোট সামাজিক গ্রুপ বা ট্রাইব এ সংঘবদ্ধ করেছে। ট্রাইবাল বোধ মানুষের মধ্যে আজও বহুলাংশে উপস্থিত। অন্ত:সমাজ প্রতিযোগিতা, টেরিটরি আলাদা করা, উপজাতিসমূহের মধ্যে যুদ্ধ, ছোট স্কেলের আইডেনটিটি থেকে "মাই গ্রুপ" "মাই রেস " ও "মাই রিলিজিওন " বোধ গুলি আসে, যা কিনা কালচার ও বৃহত্তর সমাজের আঁতুর ঘরের সময়কার ট্রেট। এই বিশেষ বোধকেই ট্রাইবাল মাইন্ড বলে অভিহিত করা হয়। ইমোশনাল ব্রেইনের সাথে যুক্তিনিষ্ঠ ব্রেইনের ঠিকঠাক বোঝাপড়া এই বোধগুলিকে প্রশমিত করলেও , মুছে ফেলতে যে সক্ষম হয়নি, বা চায়নি, তা মানুষের রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের দিকে তাকালেই বোঝা যায়।
  • sosen | 125.241.111.216 | ৩১ অক্টোবর ২০১২ ২২:২৬574970
  • যাদের আবেগপ্রবণ মস্তিষ্ক আর যুক্তিনিষ্ঠ মস্তিষ্কের মধ্যে নির্ঘাত কিছু গোলমেলে কানেকশন আছে এমন দু এক জন সোশিও প্যাথের কথা আমরা একটু আগে শুনলাম। কেমন হয় যদি এবার তাদের মগজে উঁকি মেরে দেখা যায়, আমাদের হাইপথেসিস ভুল , না সঠিক। তাদের মস্তিষ্কের কোন বিশেষ ব্যাপার বা অংশ আমাদের, সাধারণ সমাজ-ভিতু মানুষদের থেকে আলাদা?
    ১। গত কুড়ি বছরের স্টাডিতে দেখা যায়, খুনি, ধর্ষক এবং অন্যান্য ভায়োলেন্ট ক্রিমিনালদের মধ্যে মস্তিষ্কের প্যাথলজির প্রাদুর্ভাব খুবই বেশি(তার মানে পাগল নয়, শুধু আলাদা ভাবে ঘটনা ও তার পারম্পর্যকে দেখা )। একটি কাজে, ৩১ জন অপরাধীর মধ্যে ২০ জনের মধ্যেই একের চেয়ে বেশি নিউরলোজিক্যাল কন্ডিশন দেখা যায়। আর একটি কাজে ৩৭২ জন অত্যন্ত ভায়োলেন্ট মানসিক রোগীর মধ্যে ২০% এর ফ্রন্টাল লোবে স্ট্রাকচারাল এবনর্মালিটি দেখা যায়, আর ৪১% এর টেম্পোরাল লোবে। ক্রমাগত অপরাধ করে যাওয়া অপরাধীদের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ও সুস্থ মস্তিষ্কের অনুপাত ৩১:১, যখন কিনা হঠাত একবার করে বসা অপরাধে দোষীদের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ও সুস্থ মস্তিষ্কের অনুপাত ৪ :১। নিউরোপ্যাথলজি অপরাধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
    ২। মস্তিষ্কের ফাংশনাল ইমেজিং অধুনা সম্ভব হচ্ছে PET (পজিট্রন এমিশন টোপোগ্রাফি) এর সাহায্যে। কম্পিউটার দিয়ে রিমডেল করা ছবির সাহায্যে আমরা ব্রেনের সেকশনে নিউরোনের মেটাবলিক এক্টিভিটির ডিফারেন্স বুঝতে পারি। এই এনালিসিস এর সাহায্যে ৪১ জন খুনির মস্তিষ্কে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সে নিউরোনাল একটিভিটি দেখা গেছে , যা সাধারণ মানুষের তুলনায় অনেক কম, এবং ভায়োলেন্সের সাথে সমানুপাতিক।
    ৩। দেখা গেছে, এই ৪১ জনের মধ্যে ১২ জন শিশুকালের বিভিন্ন এবিউসের শিকার, অথবা ঠিকঠাক পরিবেশে বড় হয় নি। এদের তুলনায় , যারা স্বাভাবিক পরিবেশে বড় হয়েও খুনি এবং ভায়োলেন্ট, তাদের মস্তিষ্কে ক্ষত বা এবনর্মালিটি অনেক পরিমানে বেশি।

    ছবি দেখুন । PET স্ক্যান, বামদিকে নর্মাল মানুষ, মাঝে খুনি যে কিনা এবিউসিভ পরিবেশে বড় হয়েছে, ডানদিকে আছে স্বাভাবিক পরিবেশে বড় হওয়া খুনি। লাল, হলুদ-হাই একটিভিটি, নীল, কালো কম একটিভিটি। দেখুন খুনি ও স্বাভাবিক মানুষের মস্তিষ্কে এক্টিভিটির তফাত।

  • sosen | 24.139.199.1 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ১৫:১২574971
  • এতক্ষণ আমরা যে মস্তিষ্কের ছবি দেখলাম, তার উপর ভিত্তি করে দু-একটি বিবৃতি দেওয়া যাক-
    ১। অপরাধপ্রবণতা অনেকটাই মস্তিষ্কের গঠনের / ফাংশনের উপর নির্ভরশীল
    ২। সিরিয়াল ধর্ষণকারীরা মস্তিষ্কের প্যাথলজি দ্বারা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত
    ৩। মস্তিষ্কের প্যাথলজি একটি বংশগত গুণ হতেই পারে। যেহেতু এটি একটি গঠনগত অল্টারেশন তাই জেনেটিক কম্পোনেন্টের এদিক ওদিকে এই ধরনের অল্টারেশন মানুষের মধ্যে দেখতে পাওয়া সম্ভব।

    তা হলে কি আমরা অপরাধপ্রবণতাকে, বিশেষ করে ধর্ষণের প্রবণতাকে একটি স্ট্যাটিক প্যাথলজিক্যাল কম্পোনেন্ট বলব, যা কিনা বিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আজ ও মানুষের মধ্যে রয়েছে? যার উপরে মানুষের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, এবং তা হলে ধর্ষণকে, খুনকে আমরা কেন অপরাধ বলব? কেন এজন্য অপরাধীর শাস্তি হবে?
    _____________________________________________________________
    না: এত সহজ নয় আমাদের সিদ্ধান্ত। কেননা,মস্তিষ্ক সদা পরিবর্তনশীল।

    শুধু ০-২৫ বছরের বাড় বৃদ্ধির সময়েই নয়, মস্তিষ্ক ক্রমাগত পালটাতে থাকে। আর কে পাল্টায় মস্তিষ্ককে? পরিবেশ। অভিজ্ঞতা । শিক্ষা। এ এমন একটি কম্পোনেন্ট যা কিনা আমাদের কালচারাল বিবর্তনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শিশুকালে ক্রমাগত বকুনি, ভার্বাল এবিউস , শারীরিক অত্যাচার যা কিনা মনের ওপর প্রভাব ফেলে, আইসোলেটেড বহির্জগতের সঙ্গে কম সম্পর্কযুক্ত / বায়াসড/জেন্ডার ইনক্লাইনড পরিবেশ, মস্তিষ্কের গঠনকে বদলে দেয়। এই দেওয়া কিন্তু ইররিভার্সিবল সব সময় নয়। আদর, যত্ন , প্রপার কমিউনিকেশন ও পরিবেশ আবার এইরকম ক্ষতিকে সারিয়ে তুলতে সক্ষম। অসামাজিকতা বা সামাজিক অপরাধপ্রবণতা, মাইল্ড /এক্সট্রিম, দুই ই এই ক্যাটেগরিতেই পড়ে। শৈশবে এই সারানোর বা বদলানোর গতি অনেক দ্রুত। আর বেশি বয়সে, যেহেতু মস্তিষ্ক নিজের হিসেবে সামাজিক মূল্যবোধকে গড়ে নিয়েছে, ডি-স্ট্রাকচার করে নিয়েছে , তাই কঠিন। কিন্তু অসম্ভব নয়।

    তাহলে , অন্তত জেনেটিক্যালি সিলেক্টেড ট্রেট বা ধর্মের আন্ডারে আমরা রেপকে ফেলতে পারছিনা। যদি ধর্ষণ ওভাবে সিলেক্টেড হত, তাহলে দুটো জিনিস দেখা যেত ১। ধর্ষণের রিপ্রোডাক টিভ সাকসেস অনেক বেশি হত, ২। মেয়েদের ধর্ষণের বিরুদ্ধে কিছুনা কিছু উন্নত রেজিস্ট্যান্স গড়ে উঠত। কিন্তু সেরকম কোনো ইনস্ট্যান্স দেখা যায়নি। যে সব ট্রাইবের মধ্যে ধর্ষণ হয়, তারাও কিন্তু ধর্ষণকে কোনো সামাজিক সুপ্রথা হিসাবে চিহ্নিত করেনি, একই সমাজের মধ্যে পরনারী গমনকে লেজিটিমেট বলে নি। তারা ভায়োলেন্সের মাধ্যমে নারীর উপর একটি সামাজিক ডমিন্যান্স তৈরী করার চেষ্টা করেছে, নারী যে একটি মূল্যবান সম্পত্তি সেই কনসেপ্টকে জোরালো করেছে। কিন্তু ধর্ষণকে একটি বিধি হিসাবে তৈরী করেনি।
  • Kaju | 131.242.160.180 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ১৫:৪৭574972
  • বাবারে বাবা, কী খাটান খাটছে ! এটা সামনের বইমেলার ভেতর যদি চটি করে না বের করেছ গুরু কর্তৃপক্ষ, তবে সদলবলে মোমবাতি মিছিল বার করবো !
  • de | 69.185.236.51 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ১৬:৪০574973
  • ১) তার মানে কি সিরিয়াল কিলারদের মতো ধর্ষণকারীরাও বিশেষ মস্তিস্কের গঠন বা র‌্যাদার ডিফেক্ট দ্বারা প্রভাবিত? সেক্ষেত্রে গনধর্ষণের মতো কেস যেখানে একসঙ্গে অনেকে জড়িয়ে থাকছে এই অপরাধে, তাদের সকলের মস্তিষ্কে একই রকম ডিফেক্ট আছে -- এইটা তো ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না!

    ২) পিতৃতান্ত্রিক এবং মাতৃতান্ত্রিক -- এক্কেবারে গুহামানবের কাল থেকে কিছু কিছু গোষ্ঠীর সিলেক্টিভলি এর একটাকে বেছে নেওয়ার পিছনে কি কোন জেনেটিক্যাল সিলেক্টিভিটি আছে? এদের মস্তিষ্কের ডিটেলও কি আলাদা?

    ৩) সারা দুনিয়ায় সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সমাজে নারীর অবস্থান পাল্টানোর চেষ্টা চলছে -- এর কতোটা সামাজিক ব্যবহারের ইভোলিউশন দ্বারা প্রভাবিত? মস্তিষ্কের গঠনের বিবর্তনই বা কতটা দায়ী?

    ৪) দুনিয়ার ট্রেন্ড থেকে একেবারে বিপরীত পথে গিয়ে কিছু আইসোলেটেড জনগোষ্ঠীতে আজও পিতৃতান্ত্রিক ব্রুটালিটি দেখা যায় কেন? এদের মস্তিষ্কের কি বিবর্তন অন্যভাবে হয়েছে?

    ৫) এক্কেবারে আদিম যুগ থেকে শুরু করে নারীরা ধর্ষিতা হচ্ছে -- এই ব্রুটালিটিকে প্রতিরোধ করার মতো মানসিক (এবং শারীরিক)শক্তির বিবর্তন ঠিকভাবে হলো না কেন মহিলাদের মধ্যে?

    খুব বোকা বোকা প্রশ্ন হয়তো সোসেন -- কিন্তু এরপরে হলে ভুলে যাবো তাই লিখেই ফেল্লাম।
  • sosen | 24.139.199.1 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ১৬:৪৪574974
  • মানুষের ক্ষেত্রে, ধর্ষণের জৈবিক ব্যাখ্যার টানার মধ্যে দিয়ে ছুটে ছুটে গ্যাছে সমাজের গঠন, কালচার ও ধর্মের নানারঙ্গা পোড়েন। Clifford Geertz এর কথায়, "without culture patterns (i.e. ‘organized systems of significant symbols’) human behavior would be shapeless and without direction, ‘a mere chaos of pointless acts and exploding emotions.’" সেক্সুয়াল বিহেভিয়ারের ব্যাপারে মানুষের যৌনতা শুধুমাত্র প্রজননের হাতিয়ার আর নয়, অনেক ব্যাপ্ত তার ইমপ্যাক্ট। যে সমাজে পুরুষের সেক্সুয়াল এগ্রেশন আর ডমিন্যান্স বেশি, সেই সমাজে ধর্ষণের হার ও বেশি, কারণ ধর্ষণ এখানে সমাজের একটি নিয়ন্ত্রক।
    ট্রাইবাল পুরুষতান্ত্রিক সমাজগুলিতে যেখানে ধর্ষণের হার বেশ বেশি, সেখানে নারী অপেক্ষাকৃতভাবে নিম্নমানের জীবন যাপন করে, ও সমাজের বায়াসের শিকার হয়। অন্যদিকে যে সমাজগুলিতে ধর্ষণের হার বেশ কম, সেখানে নারী ও পুরুষের সম্পর্ক হয় অত্যন্ত কঠিন সামাজিক বন্ধনের নিগড়ে ( যেখানে নারী প্রকৃতার্থে সম্পত্তি এবং সুরক্ষিত, পুরুষতান্ত্রিক স্টেবিলায়জড পলিগ্যামাস সমাজ) অথবা, নারী ও পুরুষের মধ্যে ভেদাভেদ কম ( পুরুষতান্ত্রিক , মনোগ্যামাস, নারীর দৈহিক নিয়মের সাথে কনফর্ম করা সমাজ) , অথবা, মাতৃতান্ত্রিক সমাজ।
    দ্বিতীয় ধরনের সমাজকে ( পুরুষতান্ত্রিক , মনোগ্যামাস, নারীর দৈহিক নিয়মের সাথে কনফর্ম করা সমাজ) মানুষের বিবর্তন ধীরে ধীরে প্রেফার করেছে, কারণ এই রকম সমাজে অন্তর্প্রজাতি কনফ্লিক্ট কম, প্রজনন স্টেডি। প্রথম ধরনের সমাজে (যেখানে নারী প্রকৃতার্থে সম্পত্তি এবং সুরক্ষিত, পুরুষতান্ত্রিক স্টেবিলায়জড পলিগ্যামাস সমাজ) ভায়োলেন্সের আধিক্যের ফলে সন্ততির রিজনিং ও ইমোশনাল ক্যাপাসিটি পুওর, এবং সমাজের বন্ধনকে ইম্পোজ করার জন্য অনেক শক্তি ও এনার্জির ইনভেস্টমেন্ট দরকার। আমাদের অধুনা পৃথিবীতে এই দু ধরনের সমাজ দেখা যায়, যা কালচার ও রিলিজিওন নামক মেমেপ্লেক্স এর দ্বারা সংরক্ষিত।

    এখন দ্বিতীয় ধরনের সমাজ, যা কিনা মেজরিটি , তার মধ্যেও ধর্ষণের আধিক্য কেন?

    ধর্ষণ কিন্তু প্রজননগত ভাবে আর কোনো সফল টুল নয়। কিন্তু, ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স , ইন্টিমেট রেপের সংখ্যাধিক্য, এবং মব রেপ, আমাদের বলে, যে পুরুষ এবং নারীর মধ্যে এক বিশেষ ধরনের সেক্সুয়াল কনফ্লিক্ট বিদ্যমান, যা প্রজননকে কেন্দ্র করে নয়। যা কিনা শুধুমাত্র সেক্সুয়াল প্লেজারকে কেন্দ্র করে।

    বর্তমান পৃথিবীতে, আমাদের যুক্তিপূর্ণ মস্তিষ্কের হিসেবী পদক্ষেপ ধর্ষণকে এই সেক্সুয়াল প্লেজারের টুল হিসেবেই কি বাঁচিয়ে রেখেছে ? প্রানিকুলে মেল সিলেকশন বলে কোনদিনই খুব বেশি কিছু ছিলনা, ওদিকে মেয়েরা মেট চয়েস করত অনেক হিসেব করে। নারী মানুষের দেহে এলো সেকেন্ডারী সেক্স ক্যারেক্টারস, যার বিবর্ধন, সজ্জা অন্যতম কর্তব্য বলে সামাজিক নর্মস এ চিহ্নিত হলো, ক্রস কালচারালি। পুরুষের সঙ্গে তুমুল সেক্সুয়াল dimorphism এলো, শুধু এনাটমিকালিই নয়, কালচার শেখালো তাকে আরো বিবর্ধিত করতে। মেল সিলেকশন মুখ্য ভূমিকা নিল, কালচারালি, ও কিছুটা জেনেটিক্যালি। পুরুষের মন জয় করতে মেয়েরা অগ্রণী ভূমিকা নিল, কখনো সাজগোজ, কখনো সার্জারির মাধ্যমে। অধুনা সমাজে নারীর যে ভিজ্যুয়াল ইমেজ , তার বেশির ভাগটাই এই যৌনতার নিয়মের মাধ্যমে তৈরী। এই বিভিন্ন ভাষাভাষী, বিভিন্নভাবে সংযুক্ত পৃথিবীতে মানুষের যুক্তিপূর্ণ মস্তিষ্কের সামনে হাজারো অপশন। প্রত্যেক দিন, প্রত্যেক ব্যক্তিমানুষের মস্তিষ্ক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আর একটু বদলে যাচ্ছে। সমাজের সংজ্ঞা তার কাছে নতুন করে লেখা হচ্ছে। বিশেষত, বিভিন্ন সমাজের সম্পর্কে জানা , এবং বিভিন্ন ফর্ম অফ সেক্সুয়াল বিহেভিয়ারএর সামনে এক্সপোজড হওয়া মস্তিষ্ককে বারংবার rewiring করছে, আমাদের জীবত্কালেই আমরা বিবর্তিত হচ্ছি। ধর্ষণকে অধুনা সমাজের পুরুষ ব্যবহার করছে-
    ১। পারিবারিক ডমিন্যান্স তৈরী করতে
    ২। সারভাইভ্যাল অফ ফিট এনাফ থিওরি-যে পুরুষেরা যে কোনো নারীকে সমাজের পরিসরে woo করতে সক্ষম নয়, তারাও কখনো না কখনো নিজেদের ফিটেস্ট প্রমাণ করতে পারে
    ৩। নারীর "না" মানে আসলে "হ্যা"-সমাজ প্রভাবিত মিস কমিউনিকেশন
    ৪। দায়িত্বহীন সেক্স

    এছাড়াও প্যাথলজিক্যাল রেপিস্টরা রয়েছেন ই, যারা ওয়ান টাইম এগ্রেসর দের থেকে এগিয়ে। মনে রাখতে হবে, রেপ পুরুষকে সেন্স অফ রিওয়ারড দেয়, সুতরাং ওয়ান টাইম রেপিস্ট ধরা না পড়লে এই ব্যবহার রিপিট করতে থাকবে, যেটা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের ও জণ্ম দেয়, ড্রাগ বা এলকোহলের মত এডিকসনের কাজ করে। যদি ভিকটিম ভয় পেয়ে মেনে নেয় বা এগ্রেসরের পছন্দসই ব্যবহার করে, তা হলে সে বারংবার একই ভাবে ধর্ষণ করার চেষ্টা করবে। এই প্রত্যেক ধর্ষণ, ভার্বাল এবিউস , যৌন সম্পর্ক সম্পর্কিত গালি দেবার অভ্যেস মানুষের মস্তিষ্ককে রিমডেল করতে থাকে, ক্রমাগত।

    সুতরাং, সবশেষে বলা যায়, ধর্ষণ বিবর্তনের মাধ্যমে উদ্ভূত একটি ব্যবহার ত বটেই, কিন্তু অধুনা সমাজে ধর্ষণের তাত্পর্য্য সমাজের বিবর্তনের সঙ্গে অনেক অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত , শুধুমাত্র বায়োলজিক্যাল নয়। এও বলা যায়, যে শেষ অবধি সমাজের বিবর্তন ও যেহেতু আমরা বায়োলজিক্যালি মাপতে পারছি এবং ধীরে ধীরে এতটা বলার দিকে এগোচ্ছি যে সমাজ, পরিবেশ ও মানুষের শরীর দুটো আলাদা জিনিস নয়, একটা অন্যটার সাথে অচ্ছেদ্য ভাবে যুক্ত, তাই শেষ অবধি ধর্ষণ হয়ত একটি নির্বাচিত বায়োলজিক্যাল- কালচারাল ব্যবহার, প্রাণীকুলের ধর্ষণ থেকে যার অবস্থান অনেক দূরে।
  • sosen | 24.139.199.1 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ১৭:০৬574975
  • আমার পাওয়া এত অবধি তথ্য ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী অধুনা সমাজে ধর্ষণের উপকার সম্পর্কে কিছু বলা নেই। সমাজের সাধারণ স্ট্রাকচারাল গঠনকে এখন পর্যন্ত সামাজিক ধর্ষণ উপকৃত করছে মেল ডমিন্যান্সের ফর্ম হিসাবে। কিন্তু বিচ্ছিন্ন অসামাজিক ধর্ষণ সমাজকে সেই উপকার দিচ্ছেনা। তবে মেয়েদের মধ্যে ভয় তৈরী হচ্ছে এবং সমাজের আরো নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে চলাফেরা, বন্ডিং এবং সুরক্ষার দিকে ঠেলে দিচ্ছে, এটা একটা ইনডাইরেক্ট এফেক্ট হতেও পারে।
    কিন্তু একই সঙ্গে, ইনফরমেশন এজের ব্লাস্ট এর এই পিক পয়েন্টে আমরা ফ্রন্টাল লোবের বিবর্তনেরও একটা পিক পয়েন্টে রয়েছি। হতে পারে সমাজের একটা নতুনতর গঠনের জন্য মস্তিষ্ক তৈরী হচ্ছে। বিবর্তনের ইতিহাসে, মানুষের মস্তিষ্কের বিবর্তন দ্রুততম। তাই সময়ের হিসাবে ছোট্ট হলেও এই সময়টুকুর মধ্যে এক ইতিহাসকাল ধরা রয়েছে। বায়োলজিক্যালি /কালচারালি এই গোটা সময় ধরে বলাত্কারকে ধরে রাখা কাকতালীয় হতে পারেনা। এই লেখায় আমি চেষ্টা করলাম, যতখানি পারা যায় বলাত্কারের বিবর্তন সংক্রান্ত তথ্য দিতে। বিশ্লেষণের শেষে এসে এটুকুই বলার, সমাজ , মানুষের উপর বায়োলজিক্যালি দখল নিয়েছে। বলাত্কার সেই দখলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ব্যক্তিমানুষ আসলে বেশিটাই সমাজের দাস, সমাজ মস্তিষ্ক ও পরিবেশের। এমনকি অপরাধী ও । এ এক অনন্ত ভিশাস সাইকল।
    _____________________________________________________________

    (শেষ)
    ______________________________________________________________
    এর পর আমি সমস্ত রেফারেন্সের লিস্ট দেব, আর সকলের উত্তর ও দেওয়ার চেষ্টা করব। একটু সময় দেবেন।
    যারা অশেষ ধৈর্য্যে এই লেখাটি পড়েছেন, গুরুর সেই অনন্যসাধারণ পাঠককুলকে আমার নমস্কার ।
    ______________________________________________________________
  • siki | 24.140.82.133 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২০:৪৬574976
  • আপাতত উঠে দাঁড়িয়ে স্ট্যান্ডিং ওভেশন দিলাম। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল মনে হচ্ছে।

    যাই হোক, অল্পবুদ্ধিতে, যেটুকু পড়লাম, খুব খুব ভালো লাগল।
  • sosen | 125.184.4.226 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২১:০২574977
  • মাগো, ৩৭ পাতা টাইপ করেছি। আর পারবনা।
    এবার তোমরা সব সুন্দর সুন্দর প্রশ্ন কর, তার জবাব দিয়ে বাকি টা হয়ে যাবে। এই যেমন দে'দি খুব ভালো ভালো পশ্ন করেছে।
  • Rit | 213.110.243.21 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২১:২৪574979
  • স্ট্যান্ডিং ওভেশন। নতুন জগত দেখলাম একটা।
  • Tim | 188.89.19.14 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২২:৪৫574980
  • প্রচন্ড ভালো কাজ হয়েছে এইটা। হোসেনকে অনেক হাত্তালি!
  • sosen | 125.242.170.6 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২৩:২৪574981
  • দে' দির প্রশ্নমালার উত্তর।
    ১। সিরিয়াল কিলার হোক বা রেপিস্ট, বা গুন্ডা। যে সব অপরাধীরা সমাজের নর্মকে অগ্রাহ্য করে তাদের মস্তিষ্কে ফ্রন্টাল ও টেম্পোরাল লোবের কো-অর্ডিনেশন ঠিকঠাক নেই। এবার এটা বিভিন্ন ভাবে হতে পারে, ফ্রন্টাল কর্টেক্সে কম রক্তসঞ্চালন, কম নিউরোনাল গ্লুকোজ মেটাবলিসম ইত্যাদি। আমরা যখন স্ক্যান করি তখন নরম্যাল নিউরন একটিভিটি দেখতে পাইনা।
    যারা গ্যাং রেপ করে তারা কিন্তু ছোট গ্রুপ গঠন করে এমন ই লোকেদের নিয়ে যারা এই ব্যবহারের সাথে কনফর্ম করবে। নয়তো তো কেউ পুলিশ ডেকে ধরিয়ে দেবে। গ্যাং নিয়ে কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে পার্টনারের প্রতি প্রচন্ড ট্রাস্ট থাকে অপরাধীদের। সুতরাং অবাক লাগলেও, এই ডিফেক্ট /অল্টারেশন প্রত্যেক অপরাধীর থাকে। ভবিষ্যতে ছোটবেলায় এই প্রবৃত্তি ডিটেক্ট করা সম্ভব হবে , এবং অনেকটাই আমরা এই প্রসেস গুলোকে রুখতে পারব-সম্ভাব্য অপরাধীদের অপরাধী হয়ে ওঠা বন্ধ করতে পারব।

    ২। জেনেটিক কারণ আছে। হোমো সেপিয়েন্স এর পূর্বপুরুষেরা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় আইসোলেটেডলি আবির্ভূত হয়। সব উপজাতির পূর্বপুরুষেরা একই ভ্যারাইটি নয়। মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি দেখা যায় বেশি নিয়ান্ডার্থাল দের প্রজেনির মধ্যে। ইউরেশিয়ান বা এশিয়ানদের মধ্যে। ওদিকে আফ্রিকানদের উদ্ভব অস্ট্রালোপিথেকাস এর পরবর্তী অন্য কোন ভ্যারাইটি থেকে, নিয়ান্ডার্থাল থেকে নয়। এদের মগজ আলাদা আলাদা ভাবে বিবর্তিত হয়েছে, ফলে সমাজের কনসেপ্ট আলাদা আলাদা ভাবে তৈরী হয়েছে।
  • siki | 11.38.12.20 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২৩:২৯574982
  • সোসেন, নেক্রোফিলিকদের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের গঠন কেমন হয়? কিংবা পেডিয়াফিলিকদের ক্ষেত্রে?
  • sosen | 125.242.170.6 | ০১ নভেম্বর ২০১২ ২৩:৪২574983
  • ৩। এটা নিয়ে আর একটা লেখা হতে পারে। কিন্তু এখনো সেইভাবে আমার সাবজেক্ট থেকে তথ্য দিতে পারবনা। অনেক কিছু লিখতে হবে। মোটামুটি বলা যায়, সংখ্যাতত্ত্ব ও হাইপথেসিস বলছে সোশ্যাল ইভোলিউশন ও মস্তিষ্কের বিবর্তন একে অন্যকে বাদ দিয়ে হয়না।

    ৪। না। এদের কোনো বিবর্তন ই হয়নি। এরা মনুষ্যকুলের মিসিং লিংক। এদের অবস্থান বিবর্তনের শুরুর দিকে যা ছিল, শেষের দিকেও তাই আছে।

    ৫। এর উত্তর আগেই দিয়েছি লেখার মধ্যে। বিবর্তন তখনি কিছু রুখতে চাইবে যখন কিনা সেটা একেবারে তার কাজে লাগছেনা , কিংবা ক্ষতি করছে। সমাজ নারী ও পুরুষ মানুষের উপরে রুল করছে, মস্তিষ্ক তার কর্তা, বাকি শরীর যন্ত্র। ধর্ষণ যাতে একেবারে সমাজকে উল্টে পাল্টে না দেয় সেজন্য তো সমাজ একটা নিয়মের শিকলে সকলকেই বেঁধেছে। যে গন্ডির মধ্যে ধর্ষণ সোশ্যাল ডমিন্যান্স মাত্র। পার্টনার সেক্সের জন্য জোরাজুরি করলে সেটা আজ অবধি ধর্ষণ হিসেবে ঠিকঠাক গণ্য হয়না। কারণ বিবাহ তো ঐজন্যই। কিন্তু কথা হলো, সমাজ নারীকে বা পুরুষকে কাউকেই আগে এগিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেনা। সে একটা স্টেবল সিস্টেম চাইছে যার মাধ্যমে মানুষ ব্যালান্সড ওয়েতে বেঁচে থাকবে। সেই সিস্টেমটা তাকে পুরুষ দিচ্ছে কি নারী দিচ্ছে সেটা ইররেলিভ্যান্ট। সেজন্যই নারীকে কোনো শারীরিক রেজিস্ট্যান্স দেওয়া হয়নি। কারণ মানুষের মধ্যে ধর্ষণ আসলে মানসিক, শারীরিক নয়। তাকে কাউন্টার একট করতে মস্তিষ্ককেই কাজে লাগাতে হবে।
    তবে রেজিস্ট্যান্স হয়নি তা নয়, হয়েছে, মেয়েরা ধর্ষণকে সব জায়গায় আইডেনটিফাই করতে পারছে, এবং তার বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে, এটি একটি কালচারাল রেজিস্ট্যান্স-মনে রাখতে হবে মানুষের বেলা আর শিঙ গজাবেনা, মানসিক, সামাজিক রেজিস্ট্যান্স ই তৈরী হবে। সেটি ই তার বিবর্তন।
  • sosen | 125.184.3.83 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ০০:০৪574984
  • সিকির একটা প্রশ্নের উত্তর এখন দিই।
    নেক্রফিলদের ব্রেন স্ক্যান এর কাজ কিছু হয়েছে বলে দেখলাম না। এই মেথড গুলো নতুন তো। তবে বিহেভিয়ার ও সংখ্যাতত্ত্ব থেকে ডিডিউস করা যায়। একটা প্রিলিমিনারি স্টাডিতে দেখা গেছে -নেক্রফিলদের মধ্যে বেশিরভাগই রেজিস্ট করছে না এমন নারীর সঙ্গে সেক্স চায়, বা ওভার পাওয়ার করার ফিলিংস চায়। কেউ কেউ মৃত সঙ্গীকে খোঁজে। এদের স্পর্শক্ষমতা ইম্পেয়ার ড, উত্তাপ ভালবাসেনা, সেক্সের সময় পার্টনারের কথা বলা, স্পর্শ বা একটিভিটি পছন্দ করেনা। অর্থাৎ এদের হায়পথ্যালামাসের থেকে যে সংকেত আসা উচিত যে এই দেহটি ঠান্ডা , বা রেসপন্স করছে না, বা গলিত, মিলনের জন্য ঠিক নয়, এর বদলে উল্টো সংকেত ফ্রন্টাল মস্তিষ্কে যাচ্ছে। তার মানে হায়পথ্যালামাস ও ফ্রন্টালএর মধ্যের কানেকশন একটিভ নয়।
    আর একরকম হতে পারে সামাজিক রিচুয়াল , অর্থাৎ মৃতের প্রতি শ্রদ্ধা বা দূরত্ব বজায় রাখা বা ভয় পাওয়া , এই ব্যাপারটাই বুঝতে না পারা, বা ফ্রন্টাল নিউরনের অকার্যকারিতা।
  • sosen | 125.184.3.83 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ০০:১২574985
  • সামাজিক ভায়োলেন্স গুলি ওভারল্যাপিং , মূল কথা হচ্ছে সমাজের গঠন /নর্মস বুঝতে না পারা। তাই অপরাধীদের প্যাথলজিও ওভারল্যাপিং, এবং এখনো সবে এই ফিল্ডে কাজ শুরু হয়েছে, স্যাম্পলিং খুব কঠিন, এথিক্যালি ইম্পসিবল। ফলে এখনো মাইলস টু গো।

    পিডফিলদের মধ্যে আর একটা বিবর্তনের এসপেক্ট আছে। এদের ঠিক সামাজিক অপরাধী বলা যায়না, যদিনা খুন করে। পরে বলছি সময় করে।
  • sosen | 125.242.205.113 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ০০:১২574986
  • সামাজিক ভায়োলেন্স গুলি ওভারল্যাপিং , মূল কথা হচ্ছে সমাজের গঠন /নর্মস বুঝতে না পারা। তাই অপরাধীদের প্যাথলজিও ওভারল্যাপিং, এবং এখনো সবে এই ফিল্ডে কাজ শুরু হয়েছে, স্যাম্পলিং খুব কঠিন, এথিক্যালি ইম্পসিবল। ফলে এখনো মাইলস টু গো।

    পিডফিলদের মধ্যে আর একটা বিবর্তনের এসপেক্ট আছে। এদের ঠিক সামাজিক অপরাধী বলা যায়না, যদিনা খুন করে। পরে বলছি সময় করে।
  • Ishan | 214.54.36.245 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ০১:৪০574987
  • প্রথমেই জানাই, গুড হয়েছে। :)

    একটু জুত পেলে আমার কোশ্নে ঢুকব। কাল নগাদ পারব আশা করি।
  • শিবাংশু | 127.201.162.28 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ১১:০৫574988
  • sosenজি কি মেহনত কো দাদ দেনি পড়েগি।

    কিছু জানা, কিছু অজানা তথ্য একসঙ্গে এনে দিয়েছেন। অ্যাকাডেমিক দিকটা স্বতঃসিদ্ধ, কিন্তু নিজস্ব ব্যাখ্যাতে পৌঁছোতে ও পাঠককে সেখানে পৌঁছে দিতেও প্রভূত শ্রম স্বীকার করেছেন তিনি।

    বহুত খুব...
  • de | 69.185.236.53 | ০২ নভেম্বর ২০১২ ১১:২৫574990
  • সোসেন -- অনেক ধন্যবাদ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য --

    এতো সহজ সরল ভাষায় এমন জটিল বিষয়বস্তুর ব্যাখ্যা -- ফান্ডা খুব ক্লিয়ার না থাকলে এমন হয় না -- আরো এগোও তুমি তোমার নিজস্ব গবেষণার পরিমন্ডলে -- এই শুভেচ্ছা রইলো --

    আমার কাছে অতো টুপি নেই -- তাই খুল্লামও না ঃ)))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন