• টইপত্তর  অন্যান্য

  • পর্বে পর্বে কবিতা - তৃতীয় পর্ব

    pi
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১১ | ২১৫৩৯ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্রত্যয় ভুক্ত | ২৯ জুলাই ২০২১ ১৩:১৩734786
  • দেশ​​​​​​​​​


    (১)


    এই শান্ত সকালবেলা; 


    যখন নিঃশব্দ বারিষ ঝরছে একেলা ,


    নীরবে ঝরে পড়ছে আমার দেশ 


    আমার দেশের বুকের পরে; 


    তখন ,এলে তুমি----


    নীরব অখন্ড আলাপ বেয়ে ,


    সব ধুনোগন্ধী ধূপছায়া অলঙ্কার ছেড়ে ,


    সারা গগন জুড়ে শ্যামল ছায়া ছেয়ে


    ওগো প্রিয় আমার|


    (২)


    তবে আনো ফুলডোর,


    ষড়জ থেকে গান্ধার ,গান্ধার থেকে মধ্যম


    আবার ঋষভে ফিরে ,ছুঁয়ে আলতো শৈশব


    পূর্ণ বিকাশ হোক তব,


    কৃন্তন কর বন্ধনডোর।


    আগল খোল ,আগল খোল


    ওহে অনির্বাণ অনিকেত!


    ঢালো তব অশ্রুত সুররেতঃ।


    (৩)


    এ দেশ পঞ্চম বেয়ে উঠেছে নিষাদে


    আবার কেন ফিরে যেতে চায় ,হায়?


    মরি ,এ কেন যেতে চায় কোমল -নিষাদ পানে-


    হ্যাঁচকা মেরে তুলি তারসপ্তকে এক বিশাল টানে ।


    এবার উঠি ষড়জ বেয়ে কোমলগান্ধারে


    ঋষভে নিয়ে যতি-বিশ্রাম ,


    যাত্রা শুরু তব পদপানে অবিরাম।


    (৪)


    আঘাত'পরে আঘাত আসে যায়


    দুরন্ত প্রত্যয় তবু জেগে রয়।


    সুরধারা ঝরে ভুল সুরের ঠিকানায়;


    মেঘ আঁচলে বীণাপাণির অবাধ প্রশ্রয়।


    তানপুরোর ওপর চুপ করে এসে বসে


    গাংফড়িঙের ছোট্ট ছানা,ধূমল,ঘোলাটে


    কাচের মতো ডানা মেলে ,চুপচাপ


    দেখে বৃষ্টি,ওড়ে ঝিরিঝিরি হাহাকারে।


    (৫)


    ঘোর হয়ে আসে আকাশ।


    ঘন হয় রং জলরঙের বাটিতে


    টিপটিপে রঙের ফোঁটায় দিগন্ত ফুটে ওঠে


    দম নিয়ে আবার ছাড়ি শ্বাস;


    ঠিক তক্ষুনি---


    জাদু ঘটে যায় অলখ নিভৃতে


    তানে তানে লাগে প্রাণে প্রাণে ঝঙ্কার


    ষড়জ-শৃঙ্খল ছাড়িয়ে মধ্যম পেরিয়ে


    উড়াল দেওয়া ডানা থিতু হয়ে


    আশ্রয় খুঁজে পায় পঞ্চমে।


    অশ্রুমুক্তো গেঁথে সাজিয়ে তুলি 


    তোমার ঘনশ্যাম উত্তরীয়--


    রোদের হাসিতে তোমার পূর্ণ মহিমা 


    ফুটে ওঠে জমকালো হয়ে ।


    পূর্ণতা পাও তুমি ,আমার দেশ-


    আমার দেশ ,খাম্বাজ সাজ 


    ছেড়ে এসেছ আপন রাজত্বে


    নমি চরণে রাজাধিরাজ।


    (৬)


    এবার তবে বিদায়ের পালা।


    সিংহাসনে বসেছ এখন


    তবে মিলন হোক এবার 


    পলে পলে ,তিলে তিলে অনুখন।


    সকল প্রদীপ জ্বেলেছি তব তরে


    সকল দিন্য ,গর্ব করেছি দূর।


    বন্দনাগানে ঢালো তবে সুর ।


    নাথ আমার ,গাগরি ভরে দাও 


    ভরে দাও ,ভরে দাও ...ভরে দাও,


    অতলস্পর্শী, গগনচুম্বী সব সুরে সুরে।

  • প্রত্যয় ভুক্ত | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:০৫734963
  • বৃষ্টি শেষের হাওয়া 
    তখন বৃষ্টি হচ্ছিল,
    এখন শান্ত চরাচর।
    মেঘমুক্ত নয় যদিও অখিল
    আকাশ,তবু পল্লবমর্মর
    রিনিরিনি বৃষ্টিতে গেছে থেমে।
    সিক্ত বাতাসে ভরা বেলি-জুঁই-চামেলি 
    মল্লিকাবন ভেজা আর্দ্র গন্ধে।
    ছায়াঘেরা বাগানে বেড়াল এক চোখ মেলি 
    ভাঙছে আড়মোড়া আপন অলস ছন্দে।
     
    কত ফড়িং উড়ছে এতোল-বেতোল বাতাসে
    ডানা ঝাপটায় ঝিরিঝিরি ঝিরিঝিরি; 
    নামিয়ে রেখেছে ডানা দমকা হাওয়ার শ্বাসে
    বাদলা হাওয়া ব‌ইছে শিরশিরে।
    নীল, সবুজ ,ধূসর ,লাল -কত রঙের মেলা 
    পলকাটা জালিজালি মসৃণ দেহের মেলা 
    উঠছে আর নামছে, উঠছে আর নামছে
    বর্ষাকাব্যে ফড়িংডানার ফিনফিনে সিলসিলা।
     
    মুশায়েরা বসেছে ব্যা‌ঙেদের , ডাকপাখির ডাকে
    কান ঝালাপালা -হয়তো বা এখন 
    মিটেছে তৃষ্ণা-তাই এত বেরিয়েছে গলা? 
    একপশলা বর্ষণে ধুয়ে গেছে ময়লা রাতারাতি ,
    গাছেরা তাই আনন্দেতে করছে মাতামাতি।
    আবার কখন নামবে বৃষ্টি ,ভাসবে পথ -জানি না ,
    শুধু শুনতে পাই--এবার বাজল বীণা।
     
  • প্রত্যয় ভুক্ত | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:১৯735010
  • বেহাগ
     
    রাতের বেলায় ছাদে দোলনায় গিয়ে বসি 
    হাওয়া দেয় মৃদুমন্দ দোলা ধীরে ধীরে 
    কাঁপে তিরতিরে নীর যৌবনসরসী।
     
    তানপুরো ধরে রাখি,ধরেই থাকি
    বড়োই ভয় করে বুকের মাঝারে
    আঁজলা আঁজলা সুর কন্ঠে নিয়ে মাখি।
     
    বেজে ওঠে সুরবাহার অশ্রুত ছন্দে
    তারায় তারায় সুর যায় ছড়িয়ে 
    হাওয়ায় দোলা লাগে আনন্দের।
     
    রাত বাড়ে, ছাত জুড়ে ,জোনাকিরা সব
    সাজায় আলো, আঁধার যায় চুঁইয়ে; 
    তানে দেয় ঝঙ্কার ঝিরঝিরে ঝিল্লীরব।
     
    ফিরি পা'য়ে পা'য়ে ,তীব্র--কোমল সুরে
    মধ্যমে লাগে কড়ি জ্যোৎস্নার আল্পনা
    চূর্ণ কুন্তলে বেহাগ সোহাগ দেয় ভরে।
     
    এ সুর বন্ধ হলে, শুধুই কাকের কলরব
    তাই এ সুরে থামব না, থামব না ---
    আলোরাত কাটিয়ে আনব ভোরের ভৈরব।
     
     
  • প্রত্যয় ভুক্ত | ০৬ অক্টোবর ২০২১ ০৯:৫১735016
  • বিহানবেলা 
     
    ভাদর-এর বাদলমেলা গেছে আকাশ পারে ,
    এসেছে আশ্বিনের শান্ত উৎসবের বেলা।
    সোনালি রোদ্দুর-আলোর অলঙ্কার পরে
    করছে আকাশ মেঘের সনে খেলা।
    পথ সাজানো সীতাহার রোদ্দুর দিয়ে
    মুঠো মুঠো ছড়ানো সোনা-রূপো জরি
    পনিহারিন মেঘ ফিরছে মধুবাতাস বেয়ে
    চড়া রোদে, গাছেদের মুখ শুকিয়ে কড়ি।
     
    পথ চলেছে ধানক্ষেত ছাড়িয়ে,দূরে নদীর জল ,
    শূন্য বুকে দাঁড় বাইছে রোদ্দুর জ্বলজ্বলে; 
    পাল মেলেছে নৈঃশব্দ্য অনন্ত অম্বরে
    সামনে পথ ছায়ায় আলোয় ঢাকা।
     
    কাশের বনে ঢেউ উঠেছে ফেনিল উচ্ছাসে
    সারঙের সুর বাজছে ঘুরঘুরে ঘুঘুর শ্বাসে
    পথ চলেছে চলনবিলের পদ্মবন-পাশে
    আগমনী সুর সাজছে তুরীয় বাতাসে।
     
    দীর্ঘ পথ ছাড়িয়ে চলি , পথিক, বহুদূর
    ডাক আসে শাঁখের সুরে কোন অচিনপুর-
    পানে; ধীরে ধীরে বেলা আসে ঢলে-
    ইমনকল্যাণ মধ্যম বেয়ে রোদ্দুর পড়ে গলে।
    মেঘে মেঘে গোলাপি-কমলা-হলদে ঘুঙ্ঘট জড়ানো
    সন্ধ্যা নামে গমকে গমকে , মীড়ে মীড়ে গড়ানো।
     
    মোহর তিল সন্ধ্যাতারাখানি উঠেছে অস্ত আকাশে
    পৌঁছেছি নদীর ধারে,পা ছড়িয়ে বসি সবুজ ঘাসে--
    তারায় তারায় সাজানো আকাশ নীরবতার ছল
    অনেক কথা বলছে নদী ছলছল ছলছল...
     
     
     
  • ফরিদা | ২০ অক্টোবর ২০২১ ২১:৪৬735057
  • কুঁড়িগুলি দেখি প্রতিটি সকালে

    অল্প স্বল্প বাড়ে,  শুকিয়েও যায় কেউ

    জল কম-বেশি, সার মাটি কীটনাশকের হেরফের

    হয়ে গেলে বুঝতে পারি না। 

     

    পাখি দেখে চুপ থাকি, ধীরে ধীরে কাছে আসে

    নাগালের মধ্যে রাখা দানা খেতে শেখে

    এইভাবে বহু অভ্যাসে কেউ এসে হাতেও বসলে

    দেখি ফুলগুলো আচমকা সব ফুটে গেছে। 

     

    কাছে গিয়ে আশা নিয়ে বলেছি সে-কথা।

    মৃদুস্বরে বলেছে সে — আজও শিখলে না?

    সামান্য কাকতাড়ুয়ার কাজও তোমার হবে না। 

  • ফরিদা | ১৮ নভেম্বর ২০২১ ১০:৫০735131
  • যে কথা নৈঃশব্দ্য  বিয়োয় নি

    আমি তাকে অর্থহীন বলি

    তাই সে স্থলে জলে অন্তরীক্ষে 

    বিজ্ঞাপিত হয়েছে।

     

    তাই, দেহাতীত হ'তে চেয়ে যে সৌন্দর্যগুলি

    ফুলের অবয়ব ছেড়ে, পাখির ঠোঁট ছেড়ে

    নারকেল পাতার ফাঁক দিয়ে আসা জ্যোৎস্না ছেড়ে

    চলে গেছে জীবনের অন্য সংজ্ঞার খোঁজে —

    তার পিছু নেব ভাবি, ইত্যবসরে।  

     

    এক একটি কুকুর কে দেখে মনে হয় — এ,

    বেড়ালের মতো মিউ মিউ করলে বেশ হ'ত

    যেভাবে পাকানো দড়ি ফোঁস করে ওঠে —

    বলে গেছে পূর্বজরা।

     

    অন্য স্বরে বলার কথা ভাবি, যেভাবে

    রাতের রেলগাড়ি পেরোয় 

    ভরা জোৎস্নায় মরা নদীর বালিধারা।

    ঘুমের মধ্যে সর্বস্ব খুইয়ে ডুকরে ওঠে

    মাঝবয়েসী সংসার-মাঝি।

     

    ভাবি, সব ছেড়ে দিয়ে শুধু নৈঃশব্দ্য লিখি। 


      

    বক্তব্য রাখাকালীন চোখ খোলা থাকলেও

    দেখা যায় না অনেক সময়েই।

    কানও বন্ধ থাকে অনেকাংশ।

    ফলতঃ সে কথা ঠিক কীভাবে কোথায় পৌঁছল

    আমরা জানিনি ঠিকঠাক।

     

    মশার মতো কেউ তাকে হাত নেড়ে তাড়িয়েছে

    একজন সে মশার পিছু নিয়ে মারবে বলে উদ্যত

    কারও খুব ঘুম এল বুঝি,

    ফেরার পথে আটা আনতে হবে — 

    আচমকা মনে পড়ে অন্যজন কিছুটা বিড়ম্বিত।

  • প্রত্যয় ভুক্ত | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২০:২৬735147
  • রাগ রস বরষে ২
     
    ভীমপলশ্রী
     
    যখন দুপুর গড়িয়ে এসে বিকেলের কাছে থামে ,
    দেয়ালের উপর টিকটিকিটা ডেকে ওঠে জোরে ,
    সারঙের তেহাই এসে ফাঁক বোজায় সমে ,
    ভীমপলশ্রী বেজে ওঠে আলসেমি রোদ্দুরে।
     
    লালধুলোর মাঠ পেরিয়ে ,টিলা আর পাহাড়
    ছাড়িয়ে,ঝিরঝিরে জলে পা ধুয়ে ,
    ছড়িয়ে পড়ে সুর অনন্ত আকাশে; 
    কার ছায়া বাতাসে যায় ছুঁয়ে।
     
    অশ্রুত সুর সুশ্রুত-হাত বোলায় ক্ষতের পরে ,
    আঁধার বেলা নামে অরণ্যে কোমল গান্ধারে ,
    মধ্যম-পঞ্চমে ঝুমঝুমে সুর যায় ভরে ভরে ,
    থমকে দাঁড়ায় ঝর্না পাহাড়-সোপান ধারে।
     
    তীব্ৰ বিষাদ বিষ ছড়ায় কোমল ঘাতক নিষাদ ,
    শরক্ষেপে চন্দ্রাহত কুরঙ্গিনী - আঁখি--
    পনিহারিন মেঘের দল,রাজস্থানি ঘুঙ্ঘট, সুছাঁদ ,
    চলেছে নূপুরে নূপুরে নীরব তাল রাখি।
     
    বকুলদিনের বেলা পুরোয়, ঢলে পড়ে ছায়া ,
    ধীরে ধীরে থামে বোল,স্তব্ধ তবলা-বাঁয়া 
    অভিসারী প্রিয় গেছে চলে আপন মন্দির-পানে
    কত লাজভয়ে ফিরিয়েছি তারে,কেউ না জানে।
     
    এখন দীর্ঘছায়া,বিরহ দীর্ঘায়িত,নামে নিবিড় আঁধার,
    সময় হয়েছে শূন্য মঞ্চে দু-চার ফোঁটা কাঁদার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন