এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃ-প-বু-ভূ ৩

    rokeyaa
    অন্যান্য | ২৬ নভেম্বর ২০০৯ | ৪৫৮৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ishan | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৭:৫৪427830
  • ভালো কথা। এলাহাবাদ হাইকোর্টের নতুন রায়টা নিশ্চয়ই সক্কলে দেখেছেন। তবুও একটা লিংক দিয়ে দিই।

    http://www.livemint.com/2009/12/04234737/RPL-Dadri-plan-gets-court-rap.html
  • PT | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:২৩427831
  • @ ranjan

    তত্বের অভাব নেই। ঘুরে ফিরে আসি একি কথাতে। পরিবেশ ধ্বংসের পান্ডা আমেরিকার কেশাগ্র স্পর্শ করার ক্ষমতা নেই কারো। দেশজ পরিবেশবিদরা বুঝে অথবা না বুঝে হোটেল তৈরি থেকে পরমাণু-চুল্লীর বিরোধিতা করে সেই আমেরিকারই সুবিধে করে দিছে। আর আপনার তত্ব মেনে নিলে আমাদেরও পরমাণবিক চুল্লীকে মেনে নিতে কোন বাধা নেই। কেননা গ্রীনেদের agenda ইউরোপের প্রধান দল্গুলোর integrated part হওয়ার পরেও ইউরোপের পরমাণু-বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা উত্তরোত্তর বাড়ছে (লিংক দিয়েছি আগে)।

    আপনার নতুন তত্ব -ইন্দিরা গান্ধী নাকি নকশালদের ভয়ে কিসব পোগ্গাম চালু করেছেন গরীবদের জন্য- বেশ মুখোরোচোক!! পরিবর্তনের ঋতুতে এই তত্ব পুর্ণেন্দু বসু, দোলা সেনের মত বিপ্লবীদের (আর মাওব্যথীদের) পুনর্বাসন পেতে সাহায্য করবে। সত্যি এইসব পোগ্গাম চালু থাকার ফলেই না ২০০ মিলিয়ন ভারতীয়র কোনো food security নেই আর মানবোন্নয়নের নিরিখে আমরা ১৩৪ নম্বর দেশ!! আর ঐসব বিসাখা-টিসাখা হওয়ার পরে এদেশে বৌ-পেটানো বা বৌ-পোড়ানো একদম বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সত্যি তো মুলত: কংগ্রেস শাসিত দেশের উন্নতিকে এইরকম দরাজ certificate দেওয়ার পরে অন্য দলের সঙ্গে কংগ্রেসের তুলনা করার দরকারটাই বা কি?
  • kallol | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৩১427832
  • আবারও সেই আশ্চর্য যুক্তি। আমেরিকার বাল বাঁকানো যাবে না, তাই পরিবেশ ধ্বংস করে হোটেল, পরমাণু চুল্লি তৈরী করো।
    পাড়ার হেবো মস্তানের বাল বাঁকানো যাবে না। তাই ছেলেপুলেকে মাস্তানি শেখাও। তারাও তোলা-টোলা তুলুক, ইয়ে টিয়ে করুক। কি বলেন পিটি?
  • kallol | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১১:৩৭427833
  • নকশালদের ভয়েই।
    ইন্দিরা গান্ধীর হঠাৎ কি দায় পড়েছিলো গরীবী হঠাও করতে?
    যে সব এলাকায় (অন্তত: প:ব:তে) নকশালদের লড়াই প্রচন্ড তেড়েফুঁড়ে উঠেছিলো, সেখানকার উন্নয়ন, তার পাশের এলাকার চেয়ে অনেক বেশী। নকসালবাড়ি, আর চটেরহাট-ইসলামপুরের তুলনা করলেই বোঝা যাবে।
    অন্ধ্রে নাকি উন্নয়নের ঠেলায় মাওবাদীরা হাওয়া (আপনিই তো কোন পোস্টে লিখেছিলেন)। তা, সে উন্নয়নগুলো ভয়েই তো।
  • PT | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:০৫427834
  • বা:! বা:! প্রাক্তন নকশালদের প্রকৃত রাজনৈতিক আনুগত্য এবার আস্তে আস্তে বেরোচ্ছে ঝোলা থেকে। সবাই তাহলে কংগ্রেসের পতাকাতলে গিয়ে যোগ দিলেই তো হয়। কংগ্রেস তো গরিবী হটিয়েই দিয়েছে!! আর সমাজবদলের ঝক্কি না নিলেও চলবে।
  • Arijit | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:০৯427835
  • কল্লোলদা - সেদিন একটা কোশ্চেন রেখে গেছিলুম আপনার জন্যে। ৭০-৭৭-এর ঘটনা নিয়ে কমিশনটার কথা আপনি বলেন সেটা "সেনশর্মা' না "শর্মা সরকার'? আগের টইয়ে দুবার দুরকম নাম পেয়েছি। এর মধ্যে একটার (শর্মা সরকার) রেফারেন্স পেলাম ৭৫ সালে হাওড়ায় একটা জেলব্রেকের ঘটনায়, অন্যটার কিছু পাইনি এখনো।
  • lcm | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৩:৫২427836
  • প্রথম ৩০ বছর কংগ্রেস গরিবী হঠিয়েছে। যা বাকি ছিল, পরের ৩২ বছরে সিপিএম হঠিয়ে দিয়েছে। এরপরেও এদিক ওদিক ছুটকো-ছটকা গরীব মানুষ যারা ছিল, নন্দীগ্রামে গুলিগোলা, আর লালগড়ে মাওবাদী/সিপিএম ক্যাও তে তারাও ফিনিশ। রাজ্য এখন সে গরীব-ও নেই, গরিবী-ও নেই।
  • SB | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:১১427837
  • আর যদি কিছু ছুটকো ছাটকা বাকি থেকে থাকে তাহলে মা-মাটি-মানুষের ঠেলাতে সেই স-অ-অ-অ-ব গরীবও হটে যাবে!

    নক্সালদের সেবারে ছিল এশিয়ার মুক্তিসুর্য, এবারে? :-)
  • . | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:২১427838
  • নকশাল আন্দোলনের ভয়ে "গরীবী হটাও"??

    এটা কি আপনাদের হাইপোথেসিস নাকি মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ব্যাখ্যা? নকশাল আন্দোলন দিয়ে তুলনামূলক উন্নয়ন ব্যাখ্যা করতে গেলে গুজরাট, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব ইত্যাদি বহু রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাখ্যাতীত থেকে যাবে।
  • . | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:২৩427840
  • মানে, সিরিয়াসলি এই ব্যাখ্যাটা একটু ইউনিক লাগল। ঠিক না ভুল বলছি না আপাতত:। কিন্তু আগে কোথাও পড়ি নি।
  • SB | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:৩৫427841
  • ডট কে ডিটো।

    অন্ধ্রের উন্নয়ন নিয়ে দুপয়সা। যারা ইদানিং কালে হাইদেরাবাদে গেছেন, এবং নতুন ঝাঁ চকচকে এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করেছেন, এবং খুব ইম্প্রেস্‌ড হয়ে ভেবেছেন, "আহা আমাগো বাংলায় সিপিএমের জন্যে এসব হয়না, পরিবর্তন চাই" তাদের কাছে দুটি প্রশ্ন:

    ১। ওখানে ঐ বিস্তির্ন অঞ্চলে কি কেউ আগে বসবাস করত না, চাসাবাদ করত না? নিশ্চই হাইদ্রাবাদের অত কাছে এরকম জনমানবহীন এতটা জায়গা ফাঁকা ছিল না, তাহলে তারা কোথায় গেলেন, কি হোল তাদের?

    ২। যদি কম্পেন্সেশন পেয়েই থাকেন তারা, তাহলে কি পেলেন, কত পেলেন, কোন হিসেব? মাওবাদীদের ভয়েই যখন জ্যান্যাগ্যানের জন্যে এই উন্নয়ন, নিশ্চই এই উন্নয়নের মডেলটা খুব ভাল।

    কেউ একজন প্লীজ জানাবেন এই পুরো মডেলটা সম্পর্কে। অপেক্ষায় থাকবো!
  • dig | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:৪৩427843
  • হায়দ্রাবাদটা বেসিকালি একটা ফাঁকাই জায়গা। আশেপাশে কোনো মানুষ বসবাস করার উপযুক্ত জায়গা নেই।
    সামশাবাদ এয়ারপোর্ট হবার সময় ঐ অঞ্চলের জমি বেচে অনেক অটূয়ালা থেকে চায়ের দোকানি কোটিপতি হয়েছে। টাইমসে একবার একটা সিরিজে পরপর তিনজনের কথা পড়েছিলেম।
  • SB | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:৫৪427844
  • হ্যাঁ ঐ ধরনের লেখা আম্মো পড়েছি, কিন্তু ওখানকার মানুষের আবার উল্টো বক্তব্য, তা হোক, এরকম র‌্যাগ্‌স টু রীচেস উন্নয়ন মডেল তাহলে নিশ্চই খুব ভাল হবে, সেই জন্যেই ডিটেল্‌স চাইছিলাম।

    আর গরীবি হটাও যদি নকশালদের জন্যে হয়েও থাকে, আপনার কি মনে হয় ঐ প্রোগরামটা দেশের ক্ষতি করেছে না ভাল করেছে, প্রশ্নটা রঞ্জনদা কে।
  • kallol | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৮:১৩427845
  • অরিজিত - হ্যাঁ শর্মা-সরকারটাই ঠিক।
  • kallol | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৮:৩১427846
  • জানি না কিভাবে বোঝাবো।
    নকশাল আন্দোলন একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দিয়েছিলো, যদি গ্রামের অবস্থার উন্নতি না হয়, আর যদি মধ্যবিত্তের জন্য চাকরি না তৈরী হয়, তবে এই ঝামেলা শাসকদের আরো বড় আকারে সইতে হবে। ৭০ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত সেক্টরে চাকরী বাড়লো হুহু করে। ব্যাঙ্ক, রেল, এল আই সি ইত্যাদি। সেই সঙ্গে গরিবী হঠাও নিয়ে ২০ দফা। এগুলো শাসকরা মধ্যবিত্ত বা গরিবদের প্রতি সদয় হয়ে করেছে এমন তো নয়। বাধ্য হয়েছে করতে। তাতে গরিবী দূর হয়নি, কিন্তু আগের থেকে অবস্থা কিছুটা সহনীয় হয়েছিলো। তারপর যখন ভয়টা আর রইলো না, তখন আবার খোলা বাজার শুরু হয়ে গেলো। আবার মাওবাদী গজিয়ে উঠতেই, উন্নয়নের নামতা পড়া শুরু হয়েছে।
    এর মধ্যে কি করে লোকে কংগ্রেস স্তুতি পায়, ভগাই জানে।

    যেমন আজ কোপেনহেগেনে যা বাল ছেঁড়াই হোক না কেন, সেটাও করতে হচ্ছে বধ্য হয়ে। পরিবেশ দূষণ ভয় পাইয়েছে, তাই। এটা কি সরকারগুলোর পরিবেশ নিয়ে আন্তরিক ভাবনার প্রকাশ? একেবারেই নয়। বাধ্য হচ্ছে, যতটুকু না করলে নয়।

    টুকরো খবরে বেলিলিয়াস পার্কের বা বেলঘোরিয়া ভাগাড়ের(এটাও হাওড়াতেই - কলকাতার বেলঘোরিয়ায় নয়) কিস্‌সা পরিবেশের নামে ধান্দাবাজী। তাই বলে পরিবেশ মানেই ধান্দাবাজী এমন তো নয়।
  • bb | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৮:৪১427847
  • kallol আর ranjan প্রাক্তন নকশাল বলে অন্তত: এই মিথ্যাচারটা করবেন না। সিপিএম বিরোধীতা করুন,কিন্তু নকশালদের জন্য গরীবি হটাও!!! ঘোড়ার অট্টহাস্য আর থামান যাচ্ছে না
  • . | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৮:৫৯427848
  • এটা অনেকটা কাক বসিল ও তাল পড়িল কেস হয়ে গেল। দিল্লি ও কংগ্রেসের আভ্যন্তরীণ রাজনীতি নেই, পররাষ্ট্র সম্পর্ক নেই, ইন্দিরার নিজস্ব রাজনৈতিক পরিকল্পনা নেই, জয়প্রকাশ-মোরারজী নেই, কিচেন ক্যাবিনেট নেই, পি এন হাক্সার নেই, ১৯৬৯ সালে কংগ্রেসের ভাগ হওয়া নেই, শুধু পড়ে আছে মোটামুটি দু তিনটি রাজ্যে কেন্দ্রীভূত নক্সাল আন্দোলন। আরও চমকপ্রদ তঙ্কÄ হল নকশাল থ্রেট না থাকায় নব্বই দশকের অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু হল। :-O

    এটা ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে ঠিক আছে, কারণ ব্যক্তিগত ভালোলাগা-মন্দলাগা তর্কাতীত। কিন্তু ইতিহাস হল না।
  • . | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৯:২০427849
  • সুমন্তবাবুর "In The Wake of Naxalbari" ঘেঁটে দেখব আদৌ এরকম কোনো বক্তব্য আছে নাকি। যেহেতু বইটি নি:সন্দেহে নক্সাল আন্দোলনের সব থেকে কমপ্রিহেন্সিভ এবং সিম্প্যাথেটিক ইতিহাস- প্রায় নক্সাল দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই লেখা।
  • ranjan roy | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:৪৬427851
  • আমার নামে মিথ্যাচারের অভিযোগ আনায় আমারই দায়িত্ব বক্তব্যটা স্পষ্ট করার।
    আমার পোস্টটা মন দিয়ে দেখুন। আমি নক্সালদের ভয়ে উন্নয়ন আদৌ বলিনি। কাজেই এয়ারপোর্ট, মল এসব কথা না বলে আবার পোস্টটা দেখুন।
    ইন্দিরা পাওয়ারে আসার সময় গরীবি হটাও স্লোগান দিয়েছিলেন।
    কিন্তু TPP বা 20 point prograamme করেন এমার্জেন্সির সময়। দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসে করেন New 20 point Prograamme। আপনারা না জানতে পারেন তা বলে এমন ভান করবেন না, যে এরকম কিছু হয়েছিল নাকি?
    সেই সময় নক্‌শাল আন্দোলনের প্রথম পর্য্যায় মাত্র শেষ হয়েছে।
    কি ছিলো ঐ প্রোগ্রাম্মে গুলিতে?
    সবচেয়ে আগে গ্রামে সূদখোরিকে নিষিদ্ধ করে পুরোনো সূদ আদায়ের বিরুদ্ধে দু'বছরের মোর‌্যাটোরিয়াম জারী করা হল।
    তারপর গ্রামে এর ফলে RuraalCredit এর যে গ্যাপ তৈরি হল তা ফুলফিল করতে কেবল মাত্র weaker section of the rural populace কে সস্তা লোন দেবার জন্যে গ্রামীণ ব্যাংক এর স্থাপনা হল। বলা হল প্রফিট মোটিভ নয়, গ্রামীণ উন্নয়নের জন্যে কাজ করতে হবে। আর জোর দেওয়া হল সেচ ব্যবস্থা বাড়ানোর জন্যে Minor Irrigation এর জন্যে জোর দিতে। আর স্থানীয় স্তরে উপলব্ধ ট্র্যাডিশনাল কলাকৌশল আর মার্কেটিং এর ব্যাপারে সরকারকে এগিয়ে এসে রোজগারের ব্যবস্থা করতে যাতে গ্রাসরুট স্তরে গাঁয়ের লোক রোজগার পায়, পলায়ন রোখা যায়।
    আমি জানিনা ঐ সময় আপনাদের বয়স কত ছিল। সেইদিন গুলোতে আমি গ্রামীণ ব্যাংকে কাজ করেছি।
    তখন জেলাশাসকদের সি আর এ TPP র টার্গেট অ্যাচিভমেন্টের ওপর বেশ কিছু নম্বর থাকতো।
    সোজা বলা হতো -- মশায়েরা, বেশি নিয়ম-কানুন না দেখে গরীবদের লিব্যার‌্যালি লোন দিন, নইলে এরা কমুনিস্ট হয়ে যাবে। হাতিয়ার তুলে নেবে।
    এয়ি কথাটাই বলতেচেয়েছি যে ইন্দিরা গান্ধীদের নীতিপ্রণেতা রা যে হটাৎ গাঁয়ের পিছিয়ে থাকা প্রান্তিক লোকজনের ও এলাকার উন্নয়নের জন্যে হঠাৎ ভাবিত হলেন সেটা নকশাল আন্দোলনের বিস্তার ঠেকাতে। এতে আশচ্‌র্‌য্‌য় হওয়ার কি আছে?
    খোদ লালগড়-জঙ্গলমহালে অপারেশন শুরু হবার পর বামসরকার কি অনেক উন্নয়নের প্যকেজ গোষণা করেনি? টাইম ফ্রেম দেয় নি?
    উড়িষ্যা-অন্ধ্র-বস্তার- মহারাষ্ট্রের বেল্টে নক্‌শাল আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ার ভয় কংগ্রেস সরকার তখন থেকেই পাচ্ছিলো। ঐসব প্রোগ্রাম করেও কি হয়েছে সবাই দেখতে পারছে। আজকে প্রধানমন্ত্রী বলছেন--- নক্‌শালরা দেশের সবচেয়ে বড় আভ্যন্তরীণ বিপদ। এটা একদিনে হয় নি। এবং এইসম্ভাবনার পারসেপশন
    ওদের অনেক আগে থেকেই ছিল।

    কোলকাতা আর বঙ্গ দিয়ে গোটা ভারতবর্ষকে বোঝা যাবে না।

    ওপরে যা লিখলাম তা যদি ইন্দিরা- বন্দনা হয়, এক নিশ্চিত কালখন্ডে সরকারের ইকনমিক পলিসির বাস্তবতথ্য সমন্বিত বিবরণ না হয়, তাহলে বলতে হয় বুদ্ধবাবুর SEZ এবং বিদেশি প্রাইভেট পুঁজি নিয়ে আগ্রহ মাত্রো মনোমোহন- মন্টেক সিং দের নোটবই থেকে টুকলি।

    ইতিহাসের শেখাচ্ছিলেন না PT? ইউরোপের ইতিহাস? আপনার গ্রীনপিসের উদাহরণ দিয়ে ইতিহাসের শিক্ষা নিতে গেলে আজ কমিউনিস্ট আন্দোলনের কি অবস্থা ইউরোপে? ফ্রান্স-ইতালি- জার্মানিতে কইউনিস্ট পার্টি কোথায়
    ? রুশের কথা নাই বল্লাম?
    কতগুলো পার্টি নিজেদের নাম থেকে কমিউনিস্ট নাম মুছে দিয়েছে?
    তাহলে ইতিহাসের শিক্ষক PT র কথা মেনে ইউরোপের দিকে তাকিয়ে সিপিএম এর উচিৎ
    লাল পতাকা নামিয়ে ফেলা।
  • pinaki | ১০ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:৫৮427852
  • বল্লে হবে? PT র ওয়ান লাইনার গুলো পড়তেই এই সুতোয় আসি। :-D
  • ranjan roy | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:২০427853
  • আপনারা বিতর্কটাকে খেউড়ের পর্য্যয়ে নামিয়ে ফেলেছেন। চটপট কিছু লেবেল সেঁটে দিয়ে বিজয়ীর হাসি হাসছেন। নিজেদের পিঠ চাপড়াচ্ছেন। যেটা বলিনি সেটা আমার মুখি্‌দয়ে বলাচ্ছেন। এটা করবেন না প্লীজ। তাহলে কথা বলার কিছুই থাকে না।
    এক, আমিপ্রাক্তন নক্‌শাল এ তথ্য কোথায় পেলেন?
    দুই, কল্লোল প্রাক্তন নক্‌শাল হলেও আজ যে নকশাল পন্থা কোন সমাধান নয় তা নিয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বহুবার বলেছে। লালগড় অপারেশনের সময় ঈশন, কল্লোল ও আমি স্পষ্ট ভাষায় লালগড়ে নক্‌শালদের তান্ত্রিক হিংসার নিন্দা করেছি।
    সেইসময় একটি বুলবুলভাজায় আমার অবস্থান স্পষ্ট করেছি, তাতে আমার কিছু প্রিয় "গুরু''র সঙ্গে তর্কাতর্কিও হয়েছে। এককথায় বলেছি যে নকশালরা যদি ক্ষমতায় আসে আমার স্থান হবে ওদের পাগলাগারদে।
    প্লীজ, বিতর্ক ইন্‌ফর্মেশনবেসড্‌ হওয়া কাম্য। মতভেদকে সুস্থভাবে নেওয়াউচিৎ, শস্তা খেউড় করে নয়।
    কিছু উদাহরণ:
    এক, ছত্তিশগড়ে মার্কেত দরে দরদাম করে শিল্পপতি আর চাষীরা জমির দাম ঠিক করছে বলায় ব্যাখ্যা হল --- আমি সব শিল্পপতিরা গরীবের দু:খে বিগলিত হয়ে জমি কিনছে!!!!
    আমি স্রেফ সরকারী দালালিমুক্তো বাজারের নীতির কথা বলছিলাম।
    দুই, তাতেনাকি আমি টাটাকে বাদ দিয়েছি কারণ টাটা বঙ্গে এসেছিল!
    তিন, আমি যে বারবার বলছি বস্তারে টাটার জমিনিয়ে শিল্প গড়ার বামদল কেন বিরোধিতা করছে তার একবারও জবাব দেয়ার দরকার নেই! চলে গেলেন ইউরোপে,
    চার, আমি জানালাম যে রায়গড় জেলায় একফসলী জমির জন্যে একর পিছু আটলাখ টাকা দেয়া হচ্ছে। আপনারা বিঘায় কনভার্ট করে বুদ্ধবাবু কত প্রোপোজ করেছেন জানান।
    সে ধার দিয়ে কেউ যাবেন না।
    পাঁচ,
    আর এক ভদ্রলোক কফিহাউসের জার্নালে প্রবন্ধ লিখেছেন। কিন্তু প্রথমেই অদ্ভুত কথা বলছেন। ৩৬গড়ে জমির উৎপাদকতা কম, তাই চাষীরা কৃষির ওপর নির্ভর্শীল নয়। তাই সহজে জমি দিচ্ছে।
    এর চেয়ে মিথ্যে এবং গোলা তর্ক কিছু হতে পারেনা।
    যেখানে শিল্প নেই, অন্য বিকল্প নেই আছে ট্র্যাডিশনাল এতি, সেখানে চাশীরা কিসের ওপর নির্ভর্শীল হবে? হাওয়া বা জলের ওপর?
    একটু মন দিয়ে শুনুন:
    এক, উৎপাদকতা একটি রিলেটিভ কনসেপ্ট। বঙ্গের চেয়ে হরিয়ানা বা পঞ্জাবে উৎপাদকতা আরও বেশি। হয়তো আমেরিকায় আরও বেশি। তো?
    ৩৬গড়ের চাষীও কৃষির ওপরই নির্ভরশীল। শুধু উৎপাদকতা কম হওয়ায় ৫ একর জমির মালিকও গরীব চাষী, বঙ্গে মধ্যচাষী, হরিয়ানায় ধনীচাষী।
    দুই, ৩৬গড়ের ৫ একড় ক্ষেতের মালিকও, সেচ না থাকলে, সারাবছরের খোরাক ক্ষেত থেকে পায় না। ফলে ধানকটার সময় থেকে হোলির সময় পর্য্যন্ত কোন কোন এলাকার পরিবারকে পরিবার
    বাইরে ঈঁটভাটায় বা কন্‌স্‌ত্‌রাকশনে কাজ করতে যায়।
    যেখানে সেচ পৌঁছেছে, সেখানে গাঁয়েই থাকে,
    ৩৬গড় থেকে দলে দলে গরীব কোলকাতায় বা বঙ্গে আসছে না, আসছে বিহার থেকে, ওখানে অবস্থা খুবই খারাপ।
    ওরা যয় হরিয়ানা-ইউপি, দিল্লি ও জম্মুতে। দিল্লি-৬ এ ওঅই ৩৬গড়ি গান এমনি এমনিই নেয়া হয়ি্‌ন।
  • ranjan roy | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৩১427854
  • PTDIG এর কাছে আমার বিনীত করবদ্ধ প্রার্থনা বিতর্ক আগে চালাতে হলে আমার নীচের দুটো প্রশ্নের ব্যাপারে আপনাদের বক্তব্য কী তা জানান। নইলে আমি উইথড্র করলাম।
    এক, বাংলার বাইরে টাটা ও অন্যান্য দের চাষের জমি নিয়ে শিল্প গড়ার ব্যাপারে বামদল গুলো কেন মমতার ভাষায় বিরোধ করছে, যখন নাকি বস্তারের জমির উৎপাদকতা সিঙ্গুরের তুলনায় অনেক কম?
    দুই,
    SEZ এবং বিদেশি প্রাইভেট পুঁজি বিনিয়োগের ব্যাপারে সমদর্শী হওয়ার পর কোন বিচারে মনমোহন ও বুদ্ধবাবুর শিল্পনীতিকে আলাদাবলা যায়?

    আর হ্যাঁ, জমি কোথাও চাষীরা শজে দিচ্ছে না, ৩৬ গড়েও না। কেননা শুধু দাম নয়, জমির সঙ্গে চাষীদের ইমোশনাল বন্ডেজ
    এবং ফুড সিকিউরিটির ব্যাপারটা জড়িয়ে আছে। এবং ওখানে কোন মমতা নেই, সমতল এলাকায় মাওবাদীও নেই।
    তবে দামের ব্যাপারে যে transparency ওখানে আছে তা বঙ্গে নেই।
  • pi | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৩৫427855
  • আচ্ছা, লালগড় নিয়ে তো মাওবাদীরা টাইম ফ্রেম দিয়ে উন্নয়নের পাঁচ দফা দাবী পেশ করেছিলেন। সরকার সে মর্মে কোনো ব্যবস্থা নিয়েছে বা নিচ্ছে বলে জানিয়েছে কি ? আর লালগড়ে সরকার উন্নয়নের জন্য কি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে আর করে থাকলে তার কদ্দুর কি রূপায়িত হয়েছ সেটাও একটু বিশদে জানতে চাই। এট্টু আলো দিন কেউ প্লিজ।
  • kallol | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৪:৩৫427856
  • ঘোড়ায় হাসতেছে ঠিকই, তবে কার কথা শুনে কে জানে। আর রঞ্জনও য্যামোন। রাগে ক্যানো। তুমি হালায় ছত্তিশ্‌গড়ের প্রোমোটারের ইয়েতে হান্ডিল মারা লোক। এয়ারা তো তাদেরই মাসতুতো না কি যেন বলে।
    মনে নাই, তখন জ্যোতিবাবুর রাজত্ব। কলকাতায় কংগ্রেস আইন অমান্য করছিলো। তাতে জ্যোতিবাবু তাদের উচ্ছৃঙ্খল/বিশৃঙ্খল বলে দিলেন। ঠিক সেদিন আগরলতায় একই ভাবে আইন অমান্য আন্দোলন করছিলেন নৃপেনবাবুর নেতৃত্বে সিপিএম। তাতে জবাব হলো - ওটা আর এটা এক নয়। তারা মিথ্যাচারের অভিযোগ করলে রাগ কর ক্যানে!!
    তবে তাদের সগলৈ অমন নয় এই যা।
    খেয়াল করে দ্যাখো ভাষা ব্যবহারে কতো মিল। তুমি যা বলো নি সেটাই তোমার মুখে বসিয়ে দেওয়া। তোমার অবস্থান তুমি যতই পরিষ্কার করে রাখো, তোমায় একটা লেবেল সেঁটে দেওয়া যা তুমি নও। হয় তুমি বন্ধু, তা না হলে শত্রু এই দর্শনের জায়গা থেকে কথা বলা। ক্ষমতা এই ভাষাতেই কথা বলে।
    আর করজোড়ে যে জবাবটা চাইছো, সেটা পাবে কি? কে জানে!
    আর হ্যাঁ, ফুটকিবাবু। ওগুলো সবই আছে। কোন একটা কারনে কোন কিছু হয় না। নানান কারনের মধ্যে মধ্যবিত্তের/গরীবের নকশাল হয়ে যাবার ভয়টাও আছে। মাঝখানে ছিলো না। আবার ফিরে এসেছে।
    আমার মন্তব্য ""নকশালদের ভয়েই"" বদলে ""নকসাল ভয়েও"" বললে ঠিক হতো। আমিও তর্কের জোশে ছিলাম তো ;-)
    তবে, কাক বসিলো, তল পড়িলো নয়। তালে আঁকশির খোচা ছিলো, আর কাকের ঠোকরও ছিলো।
  • . | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ১০:০৪427857
  • ঠিক। নকশাল আন্দোলন বহু কারণের একটি হতেই পারে। নকশাল আন্দোলন একটা খন্ডচিত্র মাত্র। এবার কে কোন খন্ডচিত্রকে প্রাধান্য দেবেন তা নির্ভর করে ব্যক্তিগত ইতিহাস, ব্যক্তিগত মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নিরিখে গড়ে ওঠা কিছু প্রত্যয়ের উপর। সেটা তর্কাতীত।
  • PT | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:১৪427858
  • ranjan

    আপনার প্রশ্নটির প্রথম এবং প্রধান সমস্যা হল মমতা এবং বামদলগুলোকে একই বন্ধনির মধ্যে ফেলার চেষ্টা। এটা ঈশ্বরবিশ্বাসের মত ব্যক্তিগত হলে কিছু বলার নেই। কিন্তু রাজনৈতিক তত্ব হলে (ক্ষমা করবেন) বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনার রাজনৈতিক উপলব্ধি সম্পর্কে সন্দেহ জাগতে শুরু করেছে। পরম মমতায় তৃণমূলকে আপনি যতই আপন করে নিন না কেন, তৃণমুলের সর্বভারতীয় কোন vision আছে বলে আমার মনে হয়না, কাজেই তৃণমূলের নেতৃত্বে প:বঙ্গে সমস্ত আন্দোলনই আমার কাছে চরম ধান্দাবাজির সমতুল্য। ইন্দিরা গান্ধী গরিবী হাটাও স্লোগান দিয়ে প্রচুর ভোট পেয়েছিলেন। তাতে গরিবী বিশেষ হটেছিল বলে মনে করার কোন কারণ নেই। নেত্রী মমতা এবং তাঁর দলের ও দলের বাইরের স্তাবকরা সেই ফর্মুলা অনুসারে কাজ করছেন। কিন্তু ময়ূরপুচ্ছধারী কাক, কাকই থাকে, কখনও ময়ূর হয়না।

    অন্যদিকে বামদলগুলোর (কিষেণজী ও SUCI কে ধরে) ভুল-ঠিক কিছু একটা সর্বভারতীয় তত্ব আছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের রাজনীতির চরিত্র যেহেতু চরম heterogenous সেক্ষেত্রে একটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনের পদ্ধতির প্রকারভেদ হওয়াটা স্বাভাবিক এবং যুক্তিযুক্ত। কাজে কাজেই কিছুটা ভূমিসংস্কার হওয়া একটি রাজ্যে আর আদৌ ভূমিসংস্কার না হওয়া আরেকটি রাজ্যে একই দলের অন্দোলনের পদ্ধতিতে ফারাক থাকতে বাধ্য। তবে সেই আন্দোলন প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে কিনা সেটা বিচার করার মত সবজান্তা আমি নই।
  • pi | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:১৭427859
  • বামদলগুলির পরমাণু চুক্তির বিরোধিতা সংক্রান্ত সর্বভারতীয় নীতি নিয়ে PT বাবুর কি মত ?
  • dig | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:৩১427860
  • @ranjanroy
    ৩৬গড়ে জমির উত্‌পাদকতা কম, তাই চাষীরা কৃষির ওপর নির্ভর্শীল নয়। তাই সহজে জমি দিচ্ছে।
    -- আপনি যা বলেছেন আমিও তাই বলেছি ব্লগে। উৎপাদনশীলতা বলতে বছরে জমি থেকে কতটা আয় হয় সেটাই বুঝিয়েছি। ছত্তিশগড়ে বছরে জমি থেকে আয় অনেক কম হয় পশ্চিমবঙ্গের তুলনায়। এটা আপনিও বলেছেন আপনার লেখায়। এবার বলুন তো মিথ্যা কথাটা কি হচ্ছে? চাষীদেরতো ইঁটভাটায় কাজ করে অর্ধেক সময় বিকল্প জীবিকার সন্ধান করতেই হয় - তাই তাদের কাছে জমির অতটা দাম নেই।
  • dig | ১১ ডিসেম্বর ২০০৯ ১২:৩৬427862
  • @ranjanroy
    এক - কারণটা আমি ব্লগেই লিখেছিলাম - জমির দাম নিয়ে বা আমার জমিটা বাইরে রেখে শিল্প হোক - এরকম মতের ক্রিটিকাল একটা পপুলাশন সবসময়েই পাওয়া যাবে। তাই বিরোধী রাজনীতি সবসময়েই তা চাইবে।

    দুই - তফাৎ নেই। তবে মনমোহন হাতে ধরে উচ্ছেদ বা অধিগ্রহণের কোনো পরিকল্পনা করেন না, বুদ্ধবাবু হয়ত করেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন