এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শোক ও শস্যের ওয়াগন/৫

    Siddhartha
    অন্যান্য | ২৮ মার্চ ২০১২ | ৫১২৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ben Arfa | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩০540365
  • সে তো শুরু হল বস্‌ এইগুলো দিয়ে -

    "জানে জিগর জানেমন, মুঝকো হ্যায় তেরি কসম'
    "ম্যায় দুনিয়া ভুলা দুঙ্গা তেরি চাহত মে'
    "বাস্‌ এক সনম চাহিয়ে, আশিকি কে লিয়ে'
    "নজর কে সামনে জিগর কে পাস'
    "আব তেরে বিন, জী লেঙ্গে হাম'
    "ধীরে ধীরে সে মেরে জিন্দগী মে আনা'

    ন্যাকা রাহুল রায় আর আখাম্বা অনু আগরওয়াল
  • phutki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩০540364
  • সিদ্ধার্থ, আমার জন্যও। এই গান আমাদের ও প্রেমের গান।
  • ppn | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩১540366
  • না:, সিদ্ধার্থের সঙ্গেও একটু জেনারেশন গ্যাপ হচ্ছে। কচি করে।

    নব্বইয়ের প্রেমের গান বললেই সবচেয়ে আগে মনে আসে লাল ফিতে, সাদা মোজা।
  • phutki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩২540367
  • চুরাকে দিল মেরা শোনার বহুদিন পরে এর চিত্ররূপ দেখেছি। ভয়ানক হতাশা গ্রাস করেছিল।
  • Siddhartha | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৩540370
  • চাইতে পারিনি আমি ও চোখের সোজাসুজি রিক্সার ভীষণ তাড়ায়
    হয়ত বা সে সাহস কোনোদিন ফিরে পাব আগামীর কোনো সংখ্যায়।
    হ্যাঁ, এভাবেও ফিরে আসা যায়

    আমাদের আরেকটা প্রেমের গান।

    আর হিন্দীতে নাইনটিন ফর্টি টু, রোজা, সারফারোশ, রাজু বন গায়া জেন্টলম্যান
  • phutki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৩540369
  • তবে সেলুলয়েডে মোহ এল শাহরুখ খানের হাত ধরে।
  • ppn | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৩540368
  • আশিকি তো লিজেন্ড। একটু ধন্দে ছিলাম কবে রিলিজ হয়েছিল। আশির শেষ না নব্বইয়ের শুরু। উইকি দেখে কনফার্ম করলাম নব্বই-ই। তবে জাস্ট নব্বই।
  • Siddhartha | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৫540372
  • ও হ্যাঁ, নীলাঞ্জনা.. অবশ্যই।

    নচিকেতার আরেকটা অসামান্য নব্বই-য়ের প্রেমের গান, সকাল থেকে লুকোচুরি খেলা শুরু করি, আমরা চোর আর সুর্য সেপাই।
  • Jhiki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৫540371
  • আমিতাভের তো লাল বাদশা, সেতো ৯৮/৯৯-এর সিনেমা। শাহরুখের বাদশা বোধহয় ২০০০-এর।

    আশিকির ক্যাসেটে এক্টা ট্যান রং-এর জ্যাকেটে হীরো-হিরৈনের মুখ ঢাকা থাকত। তাই সবার খুব কৌতুহল ছিল হীরো-হিরৈন নিয়ে। তারাই আবার ছবিটা রিলিজের পর বলল ভ্যাগিস ঢাকা ছিল!!
  • Ben Arfa | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৩৬540374
  • নব্বইয়ের একদম শুরু - পর পর বেরলো দিল আর আশিকি - সেটা ক্লাস ইলেভেন-এর শেষ।
  • ppn | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৪০540375
  • নব্বই মানে শ্যারনদিদিকে দেখার জন্য কলকাতার ভেঙ্গে পড়া। যমুনায়। ;-)
  • kc | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৪৩540376
  • নব্বইয়ের মাঝামাঝিতে আশিকি সিনেমার গান প্রথম শুনি কলকাতা শহরে ঢুকতে ঢুকতে। আচম্বা রকমের গাঁট বাবা, সঙ্গে ততোধিক গাঁট ছেলে, মানিকতলা মেইন রোডের বাগমারী বাজার, আশিকির 'নঁজর কিঁ সাঁমনেঁ....'' স্মৃতিতে এগদম মাখামাখি হয়ে আছে।
  • lcm | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৫২540377
  • নাহ্‌, নব্বুইটা মিস্‌ করে গেছি, শাহরুখ/শচীন...
    বরং, আশি স্মৃতিতে পরিষ্কার - অনেক কিছু মনে আসে --
    করোগে ইয়াদ তো হর বাত ইয়াদ আয়েগি
    (
    )
    ওহ্‌, কিছু গান, সঙ্গে নাসির।
  • Bratin | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৫৩540379
  • ইয়েস ক্লাস ১১ এ আশিকী।

    আর 'চুরাকে দিল মেরা ?'
  • kc | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৫৩540378
  • না: সবকটাই নাদান খোকাখুকি, এদের সঙ্গে জেনেরেশন গ্যাপ পোচ্চুর। আমার বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছিল সেই মারিও কেম্পেস আর পাসারেলা কে নিয়ে। অশোক মিত্র যখন মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দ্যান, তার স্বপক্ষে / বিপক্ষে দশ মিনিট ভাট দিতাম। আর ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের সময় হাল্কা করে স্থায়ী গার্লফ্রেন্ডও হয়ে গেছিল।

    বাছারা আমাকে আজ থেকে কাকু বোলো।
  • lcm | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৫৪540381
  • আমাকে জেঠু।
  • lcm | ২৯ মার্চ ২০১২ ১২:৫৪540380
  • ওহ্‌, কেসি মনে করালো। কেম্পে-র সেই গোল, দু জনকে কাটিয়ে।
  • Siddhartha | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:০০540382
  • আর ৯৬ ওয়ার্ল্ড কাপ সেমিফাইনাল, ভারত শ্রীলঙ্কা। ইডেন। দু:স্বপ্ন। আমি হেবি কেঁদেছিলাম। রাতে খাওয়া দাওয়া করিনি।

    আমার বাবা এত খচে গেছিল আজহারের ওপর যে রেগে মেগে বলে দিল এই লেড়েটাকে বিজেপি-র হাতে তুলে দেওয়া হোক।
  • Bratin | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:০৩540383
  • আমি ও দিন মাঠে ছিলাম। ভারতের ৬ ট উইকেট পড়তে মাঠ থেকে বেড়িয়ে এসেছিলাম। অথচ শ্রীলঙ্কার ২৯/৩ হয়ে যাওয়াতে ভেবেছিলাম জিতে যাবো।
  • ppn | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:০৪540385
  • বাবায় বাবায় ক্ষী মিল। আজহারের ওপর যদিও যথেষ্ট রাগ ছিল তবুও ওই কথাটা কোনদিন বাড়িতে শুনব ভাবতেও পারিনি। :(
  • lcm | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:০৬540386
  • অশোক মিত্র-র একটা লেখায় একটা লাইন ছিল, ভাসা ভাসা মনে আছে --
    ... আমাকে রেশনে লাইনে দাঁড়াতে হয় না। আমি কি করে সাধারন মানুষ বলে নিজেকে দাবী করি, কম্যুনিস্ট তো দূরের কথা...
  • Jhiki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:০৭540387
  • lcm দা, করোগে ইয়াদ-এও আমার নব্বই........ ৯৭ সালের ১৩-ই জুন, সেদিন দিল্লীতে উপহার সিনেমাহল পুড়ে গেছে, সেদিন আমদের ফাইনাল প্রোজেক্টও জমা করা হয়ে গেছে। হোস্টেলে আছে শুধু সিভিলের মেয়েরা, পরের দিন আমরাও হোস্টেল ছেড়ে চলে যাবো। সন্ধে বেলায় TV রুমে উপহারের খবর দেখতে বসলাম, একে একে সবাই সেখানেই জে্‌ড়া হল..... কেউ তখন একা থাকতে ছইছিল না। এর মধ্যে এক কমার্শিয়াল ব্রেকে চ্যানেল চেঁজ করা হল। কোন একটা চ্যানেলে "বাজার' দেখাচ্ছিল...... সবাই সেটাই দেখতে লাগলাম....... তার্পর সেই গান-
    করোগে ইয়াদ তো হর বাত ইয়াদ আয়েগী
    গুজরতে ওয়াক্ত কী, হর মৌজ ঠহর যায়েগী

    হঠাৎ আবিষ্কার করলাম সবাই কাঁদছি, সবর চোখ চাপিয়ে জল এসে গাল মুখ ভিজিয়ে দিচ্ছে...
  • phutki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:১৩540388
  • সরফরোশ। সিনেমা হলের ব্যালকনি ভরে শুধু আমরা। কাছাকাছি বয়েজ আর গার্লস ইশ্‌কুল। কিভাবে যেন হাফটাইমের আগে দেখলাম সেই তার পাশের সীট এ বসে আছি। (মাইরি, কি ভাল ছিল বন্ধুগুলো)। তারপরের শীতে ছেলেরা হাফ সোয়েটার আর ফুলস্লীভ শার্ট। একটু সোবার অ্যাটিটিউড।
  • tatin | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:১৯540389
  • অনেকগুলো গানই আসবে, লোপার গলায় বেণীমাধব, মৌসুমি ভৌ-এর 'কোথায় থাক অরণ্য' কেন আসবেনা, আসবে নোনা দেওয়াল থেকে যিশু ছল্‌ছাল চোখে হাত তুলে আশ্বাস দেয় এখনও।
    কিন্তু সুমনের এই গানটায় নব্বই দশকজুড়ে হয়ে আসা নিরীক্ষাগুলো, কাটা গাছের গুড়ি, খোলা ড্রেনে ভাসা তরকারি, পাড়ার মোড়ে ঘুপচি নকুলদানা বিস্কুটের দোকান, অর এই সবগুলোর মধ্যে দিয়ে প্রেমের গান আর সেই প্রেমের গানের ধুনের ভেতর সবার জন্য সুদিন চাওয়া, এইটা আমার কাছে নব্বইকে তৈরি করে দ্যায়। এই সবকটা জিনিসই পরের দশকে আস্তে আস্তে ফুরিয়ে যায়। কাটার মত গাছ্‌হারিয়ে যায়, খোলাবাজার ছোট দোকান চোখেই পড়ে কম, ড্রেন ঢাকা পড়ে যায়। প্রেমট্রেমও বড় বেশি নিজের জন্য হয়ে ওঠে
  • tatin | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:২৪540390
  • আমদের একটা যাদাবপুর ভার্সন ছিল: যদি বলো হ্যাঁ, টিসিএসে বসে যাব আমি-
    বাই দা ওয়ে, সিদ্ধার্থ কি সৃজন সেন পড়েছে?
  • siki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:২৫540391
  • নব্বই ছিল আসলি পরিবর্তনের দশক। হু-হা করে সব কিছু পাল্টে যাচ্ছে। পাতার পর পাতা লিখে ফেলা যায়।

    আসলে পাল্টানোর যা, পাল্টাচ্ছিল সব নিজের নিয়মমতই। তার আগেও পাল্টেছে সে-সব। আসলে, আমরা বড় হয়ে যাচ্ছিলাম। খুব তাড়াতাড়ি। অ্যাডোলেসেন্স।

    খারাপ হয়ে যাওয়াটা খুব সহজ ছিল তখন। বেঁচে গেছিলাম দুটি কারণে। আগেও লিখেছি। আনা ফ্র্যাঙ্কের ডায়েরি, আর, সুমনের গান।

    গানের দৌড় তখনও পর্যন্ত বাড়িতে কেবলই রবীন্দ্রসঙ্গীত, আর শনি-রোববারে অনুরোধের আসর। সেইখানে এমন কথাও যে সুর দিয়ে গাওয়া যায়, জাস্ট কল্পনা করতে পারি নি। সব তছনছ হয়ে গেল যখন শুনলাম:

    সরগরম কিন্তু বাইরে রাস্তা পানের দোকান
    রেডিওতে হঠাৎ একটা পুরনো গান
    তার সুরটা চেনা চেনা বলেই ছোঁয়াচ লাগে
    কলকাতাতে সন্ধ্যে নাবার একটু আগে,
    মন খারাপ করা
    মন খারাপ করা বিকেল মানেই, মেঘ করেছে।

    মন খারাপ করাটাও যে এত মধুর লাগতে পারে, এমন ভিজে ভিজে হাল্কা ওম্‌ জড়ানো চাদরের মত আরামদায়ক হতে পারে, ভাবতে পারি নি। পাগল হয়ে যাবার সেই শুরু। বসে আঁকো-তে সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট। সুকুমারী ভাষায়, "ব্যাটা অ্যাক্কেবারে মরে গ্যাছে।' এক মুহূর্তে ফিরিয়ে দিলে সহজ চোখের তাকিয়ে থাকা। ঐ তো, তোমার চোখে আমার সদ্য লেখা পদ্য রাখা।

    প্রেম দানা বাঁধছে বাংলা কোচিং ক্লাসে। ঘিয়ে রঙের সোয়েটার, কমলা সালোয়ার কামিজ। ক্যাসেটের আদানপ্রদান।

    হুড়মুড় করে এসে গেল নচিকেতা, অঞ্জন, এবং সম্পূর্ণ অন্য মেজাজে এলেন প্রতুল। ... বাবা চিরকালের পিউরিটান, হিন্দি গান গাওয়া আমাদের বাড়িতে খুন জখম করার থেকেও খারাপ অপরাধ ছিল। হেমন্ত মান্নার বাইরে কোনও গান বাবাকে ছুঁতে পারে নি, সুমনও না। সেই বাবা ডিঙ্গা ভাসাও সাগরে -- শুনে কেমন থম মেরে গেল। সাহস পেয়ে শোনালাম কীসের ভয় সাহসী মন লালফৌজের। ন্যাংটো ছেলে আকাশে হাত বাড়ায়। এবং আজ পর্যন্ত, আজ পর্যন্ত আমার প্রথম পছন্দের গান, আমি বাংলায় গান গাই।

    বাবরি মসজিদ ভাঙা বা তার পরের দাঙ্গা নিজের চোখে দেখি নি, টিভিতে সামান্যই দেখানো হত। কেবল কাগজে পড়তাম মৃত্যুর ঘটনা। গর্ব অনুভব করতাম তখন, বাড়িতে আজকাল নিই বলে, রোজদিন, হেডলাইনের ওপরে নিজেদের বাণী লিখে দিত আজকাল। যারা মারছে, যারা মরছে, তারা হিন্দু নয়, তারা মুসলমান নয়। তারা মানুষ। লাইনগুলো বারবার পড়তাম, গর্ব অনুভব করতাম, এমন কাগজ আমরা বাড়িতে নিই বলে।

    স্কুলে গিয়ে শুনলাম টেস্ট পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে। পাওয়েল স্যার কলকাতার অফিসে গেছিলেন কোশ্চেনপেপার আনতে, আটকে পড়েছেন, ফিরতে পারেন নি, মধ্যশিক্ষা পর্ষৎ থেকে টেস্ট পরীক্ষার সময় পিছিয়ে দিয়েছে দাঙ্গার কারণে।

    ছয়ই ডিসেম্বর, উনিশশো বিরানব্বই।

    এর পর হুড়মুড়িয়ে এসে গেল মেট্রো চ্যানেল। সুপারহিট মুকাবিলা। সারা সপ্তাহ টিভি দেখতাম না, কেবল রোববার রাতে সুপারহিট দেখব বলে।

    বন্ধু অরূপের বাড়িতে বসে বাবা সায়গলের সব ক্যাসেট রেকর্ডিং করলাম। তখন কত শস্তায় পুষ্টিকর অপশন ছিল। ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেট তিরিশ টাকা। কিন্তু বাড়িতে যদি পুরনো কোনও খারাপ হয়ে যাওয়া, রিল ছিঁড়ে যাওয়া ক্যাসেট থাকত, তা হলে সেখানে ব্ল্যাঙ্ক রিল ভরে দিত একটা দোকানে, মাত্র পাঁচ টাকায়। বাবা সায়গল আর অ্যাপাচে ইন্ডিয়ানের পাখা হলাম আস্তে আস্তে, ঐ পাঁচ টাকার রিলে ভর করে।

    রিলিজ হল ত্রিদেব নামক সিনেমা, যাতে ছিল গান "ওয়ে ওয়ে'। সে কী হিট! রাতারাতি প্যারডি বেরলো, ওয়ে ওয়ে, দাদুর বিয়ে, দিদিমা দ্যাখে দুরবীন দিয়ে। আর তারপরেই খলনায়কের সেই চোলি কে পিছে কেয়া হ্যায়। পুলিশ পর্যন্ত নেমে গেল অপসমোস্কিতি ঠ্যাকাতে। এরই মাঝে জনতা এসে বলল, মমতা কুলকার্ণি প্যান্টি দেখিয়েছে।

    চুলকুনি বেড়ে চোদ্দগুণ! তাই নাকি? কোথায়? দেখা গেল সত্যিই, টক্কর সিনেমার একটা গান ছিল, আঁখো মে বসে হো তুম, তুমহে দিল মে চুরা লুঙ্গি, সেখানে মমতার ঘাগরা উড়ে গিয়ে ভেতরের খাটো প্যান্ট দেখা যাচ্ছে। বুভুক্ষু কৈশোরের জন্য সেই বিশাল খোরাক।

    আরো অনেক কিছু। মেট্রো চ্যানেলে বিকেলের দিকে দু ঘন্টার জন্য চালু হল এম টিভি। বাইরের গান প্রথম শুনতে পেলাম। শুক্রবারের লম্বা টিফিন, নামাজ পড়ার জন্য, স্কুল কেটে গেলাম বেসিক ইনস্টিংকট দেখতে। এরই মাঝে পাশ করে গেলাম হায়ার সেকেন্ডারি।
  • tatin | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:২৭540392
  • আর, মাধুরী, মনীষা, কাজল, জুহি - প্রত্যেক রাতে প্রায় স্বপ্নসঙ্গিনী পাল্টাতো
  • Jhiki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:২৮540393
  • ত্রিদেব ৮৯ এর পুজো
  • siki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:৩০540396
  • স্বপ্নসঙ্গিনী নিয়ে আমি সেই বয়েস থেকেই স্টেডি চলতাম।

    এক ও একমাত্র, জুহি চাওলা। আর কেউ না।
  • Jhiki | ২৯ মার্চ ২০১২ ১৩:৩০540394
  • আঁখোমেঁ বসে হো তুম গানটা সোনালী বেন্দ্রে আর সুনীল শেট্টির।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন