এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নবজাতকের বাসযোগ্য পৃথিবী ও নরওয়ে বৃত্তন্ত

    Debaprasad Bandyopadhyay
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৮১৫১২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২১:৫৭526660
  • Child Protection engage certain "so called" psychologists and psychiatrists to evaluate some parents "mental health" and then pronounce them "mentally unfit" to be parents. A vast majority of these assessors do not abide by the DSM criteria when they pronounce their "diagnoses" and their assessments do not meet the required quality for such assessments. The assessors are paid by Child Protection to declare a parent unfit to be a parent.
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ২১:৫৯526661
  • এই তথ্য টা বায়াসড নয় কি করে প্রমান করবো ?
  • Du | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:০১526663
  • আকা, ফস্টারে ডাক টেপ দিয়ে বেঁধে রাখার গল্প কি তুমি পড়ো নি?

    বাচ্চারা খুব অসহায় যে কোন একা ঘরের মধ্যে বড়দের সামনে।
    এতে ধনধান্যের কি দোষ ?
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:০১526662
  • আমি বাবার কাছে দুইদিন ক্যাল খেয়েছিলাম। একদিন ঝুলপি ধরে একটু নেড়ে দিয়েছিল। আর একদিন দাদার কাছে অংক পরীক্ষা দিয়ে ৩৫/৫০ পাওয়ায় বালিশ দিয়ে মেরেছিল।

    মার কাছে চড় চাপড়, কানমলা খেয়েই থাকতাম। একদিন লাঠি পেটা খেয়েছিলাম সকাল সাড়ে আটটায় ম্যাচ খেলতে বেড়িয়ে যাবার জন্য।

    এগুলো আমাদের দেশে খোলাখুলিই হয়। বিদেশে লোকচক্ষুর আড়ালে হয়। এগুলো অ্যাবিউস নয়। কারণ এসব মারধোরের পরেও বাবা মা আমাকে অবহেলা করছে, ভালোবাসছে না এগুলো কখনোই আমার মনে হয় নি। অ্যাবিউস হচ্ছে কিনা তা কি করে বোঝা যাবে সেই নিয়ে অধিকাংশ প্রথম বিশ্বের (ফর দা সেক অফ সিমপ্লিসিটি) দেশেই ওয়েল ডিফাইনড প্রসেস আছে। সেটা দুম করে প্রশ্ন করার মতন নয়। এমন নয় যে সেইসব প্রসেসে গলতা নেই। কিন্তু ফস্টার কেয়ার, রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে যারা বেসিক প্রশ্ন তুলছেন তারা দেবা বা খড়দহের ছেলেটির কথা ভাবুন।
  • Du | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:০৩526664
  • গল্প নয় নিউজ। । বছর চার পাঁচ আগের বোধ হয়।
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:০৪526665
  • আছে তো, কিন্তু যদ্দুর জানি ফস্টার কেয়ারের অডিট হয় বছরে বছরে। কোন সিস্টেমই পারফেক্ট হয় না, করাও যায় না। যতটা পারা যায় এরর কমানোর চেষ্টা করা হয়।
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:১৫526666
  • হ্যাঁ ফস্টারের -ও অনেক খারাপ গল্প-নিউজ আছে। তো কি ? সেরকম তো আমাদের দেশে কোটি কোটি অ্যাবিউজের গল্প আছে যেটা মোনমোহন সিং -ও অ্যাবিউজ বলে মনে করেন না। সেখানে তর্কটা পুরো একটা সংস্ক্‌তির বিরুদ্ধে। এখানে বিচ্যুতি গুলো একটা ওয়েল-ডিফাইন্ড প্রসেস-এর মধ্যে। তার অডিট হয়, ধরা-ও পরে কেস স্টাডি-ও হয়। একটা-দুটো বিচ্যুতি-র মধ্যে ৫০ টা সাকসেস স্টোরি-ও আছে।
  • tatin | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:১৬526667
  • ক্যালালে সেটাকে ফিসিক্যাল এবিউস ধরা হয় না?
  • kd | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৩৩526668
  • এক, ফস্টার পেরেন্টরা যে সবসময় পয়সা নেয়, সেটা সত্যি নয়, অন্তত অ্যামেরিকাতে। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। এছাড়া ম্যাস-ডিসিএস ফস্টার পেরেন্টদের থরো ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করে আর অল-থ্রু হেল্প করে।

    দুই, পাইদিদির লজিকে আমিও এগ্রি করি। শুধু এগ্রি না, অনেক অনেক এগ্রি। ওই যে ওইটা ""কারণ, এক তো বাপ মা হেবি লড়ালড়ি করত, সেটা পরিস্কার নয়, আর সেটা বাচ্চাদের সামনে করত সেটাও নয়'' - এর সঙ্গে এইটাও জুড়ে দিই - ''আর তখন বাচ্চারা যে পেছন ফিরে ছিলো না, সেটাও পরিস্কার নয়, আর সামনে ফিরে থাকলেও বাচ্ছারা যে চোখ খুলেই ছিলো, তাও পরিস্কার নয়''। সত্যিই তো, এই সব যতক্ষণ না পুরোপুরি ক্লিয়ার হচ্ছে, ততক্ষণ কী করে বিশ্বাস করা যাবে যে নরওয়ে সরকার ঠিক কাজ করেছে? এতোগুলো লিঙ্ক কী সব মিথ্যে?

    তিন, তোমরা যদি কেউ কোনদিন সিগারেট ছাড়ার কথা ভাবো, জানিও। আমি অনেক লিঙ্ক দেবো সিগারেট শরীরের পক্ষে কত উপকারী বুঝিয়ে। আমি তো বিশ্বাস করেছি।
    আসলে আগে ঠিক করে নিতে হয় কী প্রমাণ করতে চাইছি, তার পর লিঙ্ক খুঁজলেই অনেক পাওয়া যায়। অবিস্যি জানি, এখানে কেউ তা করে না।
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৪০526671
  • আসলে ফিজিক্যাল অ্যাবিউজ, দড়ি দিয়ে বেঁধে তারপরে বাঁশ দিয়ে পেটানোর মতন সিরিয়াস ব্যাপার ভারতে, বাংলাদেশে হামেশা করে অনেক বাবা(অথবা মা), নিজের বাচ্চার উপরে। আগেও করতো, এখনো করে। সভ্য চোখে এটা ক্রিমিনাল অফেন্স। এদিকে কোনো রকম রাষ্ট্রীয় আইন ও সেভাবে আমাদের সমাজে এগুলো সমাধান করতে পারে না, আইন থাকলেও। আরে খুন রেপের মতন কেসই সল্‌ব্‌হ হয় না, তো এইসব। আর সামাজিক আইন তো আরো ভালো, "আমার বাচ্চাকে আমি মারবো, কার পিতৃদেবের কী?"
  • dukhe | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৪৮526673
  • "কোনও আত্মসম্মানবিশিষ্ট মানুষের গায়ে হাত তোলা ঘোরতরভাবে অনুচিত। একেবারেই। যে হারে পেঁদিয়ে লাট করে দেওয়া হয়েছিল আমাদের প্রজন্মকে, তাতে একটা জিনিস পরিষ্কার, আমাদের কোনও আত্মসম্মানই ছিল না। গুরুজনরা বেধড়ক মারতেন। পরদিন বেধড়ক ভালবাসতেন, কাছে টানতেন। প্রতিটি কানমলা আমাদের পকেটে দিয়েছে মরমী লবেঞ্চুস। প্রতিটি সবেগ চড় আমাদের বালিশে রেখে গিয়েছিল বাহারি রংমশাল। দাদু-দিদারা মারলে আমরা জানতাম, উপরি কিছু মিলবে। একটু বেশি পায়েস, একপিস বেশি মাংস। স্যররা যদি মারতেন, তবে পরের ক্লাসে একটু বেশিই স্নেহ ঝরত, একটু বেশি মনোযোগ। এক চড়ে ঠাণ্ডা হওয়া কৈশোর, পরদিন আর একটু উষ্‌ঞ্‌তা পেত আদরে। চোখের জলে, অভিমানে, অপমানে বয়ে-চলা বিকেলগুলো আবার কী আশ্চর্য রঙিন আলোয় সেজে উঠত সন্ধের আরতির সময়।

    আদরে আমরা কেউ বাঁদর হয়ে যাইনি। পেঁদিয়ে লাট করে দিলেও আমরা কেউ মরে যাইনি। অনেক বড় হওয়ার পর দেখি, ওমা, ঐ মারধোরগুলোতেও কত স্পর্শ মিলেমিশে ছিল। কত শাস্তি, বকুনি, ডাস্টার ছুঁড়ে মারা - ঢেউয়ের মত ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে অ্যালবামের ধূসরতট। বালি, ধুলো ঝেড়ে উঠে দাঁড়াচ্ছে একটেরে, একরোখা দুটি চোখ - যে জানে, জীবনের নানা ওঠাপড়া যেন গায়ে না লাগে কোনও দিন। '

    - প্যাঁদানি (অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়)

    এটা বোধহয় প:ই: টইতে যেত।
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৪৮526672
  • কেন, জোয়ানের নিজের বাচ্চাদের মেরে পাট পাট করে দেওয়াও তো 'ভাল' ( এবং অ্যাবিউজ নয়) বলে মেনে নেওয়া হল। কারণ সেটা বাচ্চাকে 'ভালবেসে' তার 'ভালর' জন্য করা হচ্ছে ও তাতে বাচ্চারা 'ভালো' হয়েছে।

    এদিকে দেশে/দেশের লোকেদের যেকোন মারা মানেই সেটা অ্যাবিউজ।

    কোন একটা তো স্টিক করে থাকা হোক। সব ঘেঁটে যাচ্ছে।

    আর হ্যাঁ, নরওয়ের কেসে বাচ্ছাদের কীভাবে কী অ্যাবুইজ করা হত, সেটা অবশ্যই আমার কাছে পরিশ্‌কার নয়। যা তথ্য আছে তাতেই সন্তুষ্ট হয়ে কেউ মা কে মানসিক রোগী ও মা র দ্বারা বাচ্চারা অ্যাবিউজড হত, সেই 'তথ্যে'বিস্বস্‌স্‌দী হতেই পারেন। বিস্বাস নিয়ে তর্ক হত না তো :)
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫০526675
  • *বিশ্বাস
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫০526674
  • নানা জোয়ান টোয়ান নিয়ে কোনো কথা নাই, সে তেনারা বুঝবেন। নিশিকান্ত কেবল হরি রাম মোক্ষদা রবিউল মণিরুল শাহেদা হরিদাসী মতিরাম এই এদের কথা কইলো আরকি।
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫১526676
  • দুখে, এটা "প্যাঁদানি: একটি নির্মোহ ব" তে যাবে। :-)
  • Tim | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫৫526677
  • আকাদার যেমন দেবা, আমার তেমন বন্ধু ছিলো দেবু। বাবা আর্মিতে চাকরি করতেন। ছুটিফুটিতে বাড়ি এসে বেধড়ক ঠ্যাঙাতেন। পরে এক ছাত্রের বাবাকেও এরকম মারতে দেখেছি (স্বচক্ষে না, দাগ দেখে বুঝতাম)। তো, ওসব করেটরে কিসুই হয়নি। চূড়ান্ত বাঁদর হয়েছিলো দুজনেই। পরে একেবারে বয়ে গিয়ে তার্পর একেবারে ভালো হয়ে গিয়েছে দুজনই। বয়ে যাওয়া আটকাবার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হয়, আর সময় নষ্ট। ইয়ে হামারা উপলব্ধি হ্যায়।
  • S | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫৭526679
  • একটু google করে এই রিপোর্ট টা পেলাম কালকের WSJ থেকে।
    http://blogs.wsj.com/indiarealtime/2012/03/20/on-norway-the-media-and-a-familys-tragedy/?mod=google_news_blog
    রিপোর্টের কিছু অংশ:
    Little mention was made of the fact that the children had been taken away seven months prior and that a Norwegian court in late November, presumably after assessing all the facts at its disposal, had ordered that the children be put in foster care until they were 18 with permission to see their parents twice a year. Yes, that sounds extremely draconian – so draconian, in fact, that it is hard to believe that a court would render such a judgment just because two tiny children slept in a bed with their parents or ate food from their parents’ fingers.
    Mrs. Bhattacharya was reported as clinically depressed (not that this automatically makes her an unfit mother). Mr. Bhattacharya was reportedly assessed as being more committed to his work than his family (not that this automatically sets him apart from millions of other fathers). And authorities reportedly claimed the son’s reactions “suggested he had either been hit or had been witnessing physical violence at home,” according to NDTV.

    No one will ever know exactly the circumstances that prompted the welfare services to intervene. But clearly it was a very complicated situation worthy of more nuanced treatment than the Scandinavians have committed a gross injustice against India.

    এখন আপনি যা প্রাণ চায় ভাবুন।
  • Ishan | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫৭526678
  • চুল-দাড়ি পেকে গেলে লোকের অতীত খুব মোহময় লাগে। অনিন্দ্যরও লাগছে, বোঝা যাচ্ছে। আমাদের মাস্টাররা বেধড়ক না মেরে সিচুয়েশন হ্যান্ডল করতে পারতেন না। লোক ভালো হলে পরে সেই মারা নিয়ে অপরাধবোধও জন্মাত। তখন একটু বেশি আদরও করে দিতেন। ছেলেপুলেরাও এতেই অভ্যস্ত হয়ে যেত, যে, মাস্টারের রাগ হলে তো পিটবেই। পরে আবার আদর দেবে। ওতে গুরুত্ব দেবার কিছু নেই। এবং হ্যাঁ, বড়োদের পিটনি বা শাস্তি হল ক্যাজ, নতমুখে মেনে নিতে হয়, তবেই পরে স্নেহ আসবে -- এরকম একটা ধারণা গোটা প্রজন্ম ধরে তৈরি হলে গোটা জাতের মেরুদন্ড বাঁকা হবার পক্ষে সেটা যথেষ্ট। সেট একেবারের আমাদের দেশীয় কেস নয়, না কইতে পারিনা।
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ২২:৫৮526681
  • ঐসব বাপগুলোকে ঠ্যাঙানো দরকার ছিলো, গণ হারে। তাইলে ওনারা দেখতেন, তাতেও ওনারা সোজা হন না। তখন বুঝতেন, ওভাবে সোজা করা যায় না।
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০০526684
  • হ্যাঁ, আমিও খুব অবাক হয়েছি। জোয়ানের মেরে মেরে পাট করাকে ডিফেন্ড করা হল দেখে।
  • Ishan | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০০526683
  • হ্যাঁ, এ তো শুধু "ভালো' মাস্টারদের কথা কইলাম। এছাড়াও ছিল "বদ' লোকেরা। তারা পিটেই আনন্দ পেত। স্ট্রেস রিলিফ হত মনে হয়। আর এর পরে ছিল আরও "বদ' লোকেরা। তারা তো যৌন অ্যাবিউজও করত। ইত্যাদি ইত্যাদি।
  • kd | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০০526682
  • আরে নিশি, দেখছো তো এখন সারা ভারত ব্যস্ত নরওয়ের সিস্টেম ঠিক করতে, আগে সেটা হ'তে দাও। তারপর অ্যামেরিকা, বিলেত, জার্মানি আরও কতোও দেশের সিস্টেম ঠিক করতে হবে, তারপর তো এরা দেশের এই সব ছোটখাটো ব্যাপারে মাথা ঘামানোর সময় পাবে।

    প্রায়োরিটি, বুঝলে, প্রায়োরিটি। :)
  • dukhe | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০১526685
  • উ: - প্রেমাঙ্কুরের সারাজীবন ফস্টার হোমে কাটত ভাবতেই কেমন লাগছে।
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০৭526686
  • যে ফস্টার কেয়ারে টাকা নেওয়া হয়না, তাদেরটা কি তাহলে অ্যাডপশন নয় ?
  • Ishan | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:০৯526687
  • পশ্চিমী ব্যবস্থাটা আমার এই জন্য ভালো লাগে, যে, সেখানে বাচ্চাদের আগাপাস্তালাই গোটা একটা মানুষ হিসেবে ট্রিট করা হয়। তার কি কি রাইট আছে এবং নেই, একেবারে ডিফাইনড। তার বাইরে কিছু হলে সে এমনকি নিজেও কমপ্লেন করতে পারে। এবং ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। ব্যবস্থা নিতে গিয়ে চাট্টি ভুলভাল হয়না তা নয়, কিন্তু সে তো বড়োদের বিচারের সময়েও হয়। বাচ্চাদের আপাদমস্তক মানুষ হিসেবে ট্রিট করার অ্যাপ্রোচে আমি কোনো গন্ডগোল খুঁজে পাইনি।

    এ অবশ্য আমেরিকান সিস্টেম দেখে কইছি। নরওয়ে নিয়ে নয়। :)
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:১১526688
  • জোয়ানের বাচ্ছারা জানে যে তারা একখানা ফোন নংয়ে ফোন করলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আসবে। তাদের স্কুলে সেটা শেখানো হয় অন্য অনেক কিছুর সাথে।
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:১৩526690
  • অনিন্দ্য-র লেখাটা একটা ইমোশনাল ঘোল ছাড়া কিছুই মনে হল না।
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:১৩526689
  • আরেকটা কথা। বাবা ড্রাইভিং আর নরওয়ের ভাষা শেখার পিছনে সময় দিতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সেগুলো বাচ্ছাদের মানুষ করার জন্যও দরকার ছিল না, সেটা কীকরে জানা গেল ?

    আর্ম Foster carers receive 2000£ a month to foster a child. The biological parents are rarely given any support apart from housing benefit and if they are lucky a free place in a council Nursery so that they can go to work. । তো, বাবা মা কে এই অ্যামাউন্টের টাকা দিলে, মানে এই টাকাগুলো নিজেরা আলাদা পরিশ্রম ক'রে যোগাড় করতে না হলে মনে হয় তাঁরা অতি অবশ্যই বাচ্চাদের বেশি সময় দিতে পারবেন :)
  • pi | ২১ মার্চ ২০১২ ২৩:১৪526692
  • সেই দিয়ে জোয়ানের মেরে মেরে পাট করে 'ভালো' ভাবে মানুষ করাকে ডিফেন্ড করা যায় ? :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন