এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • Banglarmedhakromagotobideseprobasechalanhoyejacche!

    SUVRA BHATTACHARYA
    অন্যান্য | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ৬১৫৪৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • nk | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:২৭496245
  • না না উনি রাজ্য বলেন নি, বলেছেন রাজধানী।
  • ppn | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৩০496246
  • অ্যানেকডোটাল অভিজ্ঞতাই বলি। রাত এগারোটা নাগাদ বন্ধুর হাত চলন্ত মিক্সিতে ঢুকে বুড়ো আঙ্গুল প্রায় বেরিয়ে আসে আসে। সেই অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে প্রথমে গেলাম RxDx-এ (সান্দা জানে কোনটার কথা বলছি)। সেইখানে আঁতকে উঠে বলল ওরা এসবের জন্য প্রস্তুত নয়। অত:পর প্রায় পনেরো কিমি দূরে মণিপালে যেতে হল। ওয়ার্ডবয় (অত রাতেও ছিল) দেখেই হুইল চেয়ারে বসিয়ে ভেতরে নিয়ে গেল। আমি ফর্ম ভরা টরা ইত্যাদির কাজ করলাম।

    মিঠুর অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে লিখলাম।
  • PT | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৩৬496247
  • বোঝাই যাচ্ছে যে আকা না পড়েই উত্তর লিখছেন।
  • pi | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৪৬496248
  • প্‌প্‌ন, ফর্ম ভরার জন্য তুমি তখুনি না থাকলে কি বন্ধুকে নিয়ে যেত ?
  • ppn | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৫১496249
  • জানি না। তবে বুড়ো আঙ্গুল কেটে বেরিয়ে আসা অবস্থায় কেউ একা কি হাসপাতালে যায়?

    তবে এখানে কমরেড লক্ষ করে দেখবেন, রেজিস্ট্রেশন করার আগেই ওকে ভেতরে নিয়ে গিয়েছিল।
  • sayan | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৫৩496250
  • র‌্যানব্যাক্সি'র ওটার এমন সুখ্যাতি জানতাম না তো! এটা কবেকার কথা? আর সেদিন বলছিলাম না, ভলভোয় চড়ে যাচ্ছি, সামনের সীটে বেশ মিষ্টি একজন, সঙ্গে মা-বাবা-ভাই এবং একজন মাসিমতন কেউ। বাবার হাতের প্যাকেট থেকে জানা গেল মেয়ে সিএমআরআইটি'তে সীট পেয়েছে। এমনিতেই বেশ সুরেলা উচ্চস্বরে আলোচনা চলছে বিভিন্নরকম, হঠাৎ হুলুস্থুলু। বাবা উত্তেজিত গলায় ডানদিকে কিছু দেখাতে চাইছেন। দেখি মণিপাল হসপিটাল দেখাচ্ছেন সবাইকে! :-))

    @ পিটিবাবু,
    যে যেখানের সে সেইখানের সু/অব্যবস্থাগুলো নিয়েই ক্ষোভপ্রকাশ করে। অন্যান্য রাজ্যের শিশুমৃত্যুর হার দিয়ে নিজের রাজ্যের অসুস্থ দিকগুলো কেন কাউন্টার করছেন? এমন একজনকেও দেখাতে পারবেন যিনি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শর্তনিরপেক্ষ প্রশংসা করতে পারেন? উল্টোদিকে, আপনার নিজের সার্কলের মধ্যে কতজন ঠিক সেরকম প্রশংসা করবেন যখন জায়গাটা দক্ষিণ ভারত বা অন্যত্র কোনও টপ সিটি হয়? উত্তর চাইছি না, নিজেই ভেবে দেখুন। আজ যাঁরা এখানে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছে তারা ভুক্তভোগী, তাদের বক্তব্য অস্বীকার করা যায় না। কিজানি, হয়ত এই কথাগুলোও আপনার "অতিকথন' মনে হতে পারে। হলে কিছুই করার নেই। এতযুগের মানসিকতা দু'দিনের গুরু থোড়াই পালটাতে পারে।
  • sayan | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৫৬496251
  • ** বাহ, ঘুম পেয়েছে। শিক্ষার জায়গায় স্বাস্থ্য পড়ুন। (অবশ্য শিক্ষা পড়লেও ক্ষতি নেই :-) )
  • ppn | ০৯ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৫৯496252
  • সান্দা, এ বছরের শুরুর দিকের কথা। তবে বছর দুয়েক আগেও বউয়ের যখন পা ভাঙ্গল, তখন ওরা এক্স-রে করেও কিছু "ধরতে' পারেনি। অবশেষে আমি ফিরে হোসমাটে নিয়ে গেলাম এবং সেখানে হেয়ারলাইন ফ্র্যাকচার ধরা পড়ে। :)
  • PT | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০০:১০496253
  • @sayan
    কারো অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তুলেছি কি? শুধু অসম্পুর্ণ সংখ্যাকে সম্পুর্ণ করেছি। শিশুমৃত্যুর হার দিয়ে শিশুমৃত্যুর হারকেই কাউন্টার করেছি শুধু। অন্যান্য রাজ্যের শিশুমৃত্যুর হার দিয়ে নিজের রাজ্যের "অসুস্থ দিকগুলো" কোথায় কাউন্টার করলাম?
  • sayan | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০০:২৬496255
  • @ পিটিবাবু,
    ঐ যে বললেন "অন্য রাজ্যগুলিতে খুব তাড়াতাড়ি গাড়ি চালিয়েও শিশুমৃত্যু কমানো যাচ্ছে না' -- ইন্টারেস্টিং কানেকশন, ঐখান দিয়ে এল। আপনার বক্তব্য "জনগণের উষ্মার কারণ' কেন হতে পারে পিটিবাবু? আপনার নিজের কী মনে হয়?

    অর্পণদা',
    এটা জানা রইল। কাজে লাগতে পারে। তবে ইন্টারেস্টিং কী জানো, একদম নামি-দামি ছেড়ে যদি গ্রেড-টু হসপিটালগুলোর কথা বলি, অথবা ডায়াগনসিস সেন্টার ইত্যাদি, যথেষ্ট ভালো। গেলবার আপিস থেকে মেডিক্যাল টেস্ট করতে র‌্যানব্যাক্সি পাঠালো (যেটা মিলার্স রোডে), ইউরিন টেস্টে বলে কিনা ট্রেস অফ ব্লাড। রি-টেস্ট করানো ইত্যাদি। ফিরসে পজিটিভ। এবার আরও বেশী কাউন্ট। কী মনে হল পাড়ায় ফিরে একটা চেনা জায়গায় একবার করালাম। ওরা অ্যাডিশানাল কী একটা টেস্ট এমনি মানে অ্যাট নো এক্সট্রা কস্ট করাল। রেজাল্ট নেগেটিভ। বলল, ধীরে সুস্থে ফিরে আসুন, ওরা ভুল এজেন্ট দিয়ে করেছিল তাই। (ভগবান জানে কী!) ফিরে এসে এইবছর জুনে গেছিলাম, প্রায় সাতদিনের স্যাম্পল টেস্ট করে রিপোর্ট দিল, নেগেটিভ।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০০:৫৯496256
  • কেউ ফিল আপ করছে এই অ্যাশিউরেন্সটা বোধহয় চায়।
    এসেশেও কিন্তু পুরো ফর্ম ফিল আপ করার আগে কোন প্রসিডিওর শুরু করতে দেখিনি। আমি দুটো স্টেটের খান পাঁচেক হাসপাতালের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। অন্যত্র আলাদা হতে পারে।

    আর একা অবস্থায় আমার এদেশের এমারজেন্সিতে ফর্ম ভরার অভিজ্ঞতা মোটে ভালনা। জানিনা, এরকম ক্ষেত্রে অন্য স্টেটে কী হয়।
    সিটি স্ক্যান করাতে করাতে অ্যানাফায়লেকটিক শক হল। আমি ছিলাম একেবারে শেষবেলার পেশেন্ট। আমার জন্য তো আর সেন্টার খুলে রাখা যায়না। টাইমেই বন্ধ করতে হবে। অতএব ৯১১। ওরাই কল করে। এই কথাটা কানে আসছিলো, ওরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে যে সেন্টার বন্ধ করতে হবে,এমারজেন্সিতে পাঠাতে হবে। জানিন, এটাই রুল কিনা। কারণ পরে ওদের কাছে এনিয়ে জানতে চাওয়ায় বলে, তখন আমাকে দেখার মত ফেসিলিটি ওদের ছিলনা। ওদের ফর্মে কিন্তু লেখা ছিল, প্রসিডিওরকালীন কিছু হলে তার জন্য ওদের ব্যবস্থা থাকে।
    পরে এও জানি, আমার বরকে ফোন করে জানায়, আমার ক্রিটিকাল অবস্থা। এমারজেন্সীতে শিফট করছে, যত তাড়াতাড়ি পারে চলে আসে। এটুকু বলে রেখে দ্যায়। এদিকে স্ক্যানের আগে সে জানতে চেয়েছিল, কাউকে থাকতে হবে কিনা। নার্স খুব কনফিডেন্টলি জানান, দরকার নেই। যে ডাই দেওয়া হবে, তাতে এমনি শক আসতে পারে, সে কথাও বলা হয়নি। বলা হল, আমাকে, স্ক্যান শুরু করার মুহূর্তে। সাধারণ গা গুলানো, মাথা ব্যথা ছাড়াও অন্য কিছু মনে হলে যেন বলি।
    বলার অবশ্য দরকার পরেনি, সাথে সাথেই হাইভস শুরু হয়েছিল, আর গলার আওয়াজ বন্ধ, দম বন্ধ। ডাক্তার আসেন। এসেই আগে কোন ভায়াল থেকে দেওয়া হয়েছে, সেট নতুন লট কিনা, ডেট কী, এসব জিগেশ করেন টেকনিশিয়ানকে। তারপরে আর ওদের কথা শুনতে পাইনি, শোনার বা বোঝার মত অবস্থা ছিলনা।
    তবে ঐ সময় এক এক অরে অনেকে এসে অনেক কিছু শুরু করেন। অক্সিজেন, গুচ্ছ ইঞ্জেকশন, হাত পা মালিশ, সমানে চেক আপ, জোর করে জাগিয়ে রাখা ইত্যাদি।

    এরপর মনে আছে, আমাকে বল্লো, আমার কন্ডিশনের জন্য এমারজেন্সিতে পাঠাতেই হবে, আমার বর ওখানে চলে আসছে। ৯১১ এর লোকজন অ্যাম্বুলেন্সে তুলছে টের পেলাম, আর বেশ অনেকখানি গেছিলাম,তাও মনে আছে। যেতে যেতে নানাপ্রকার ব্যথা শুরু হল, তো অ্যাম্বুলেন্সের একজন আবার একটা ইঞ্জেকশন দিলেন। এই অব্দি তাও ঠিক আছে।

    কিন্তু তারপর, সেই যে কোন একটা ঘরে আমাকে ডাম্প করে তাঁরা চলে গেলেন, বাস।
    কেউ নাই সেখানে।
    আর কেউ আসেও না ! এদিকে শরীর খারাপ করছে। কাউকে ডাকার কোন উপায় নেই। কাউকে দেখতে পেলে তো। আর ওঠার উপায় নেই, সালাইন চলছে।
    অনেকক্ষণ বাদে একজন এলেন।
    ফর্ম হাতে।
    আগে ফিলাপ করতে হবে। হাত বাঁধা, তো নিজেই পাশে বসে জিগাতে লাগলেন। তখন ঠিকঠাক কথা বলার অবস্থাতেও নেই, কোনোরকমে যেট্‌কু যা পারি বল্লাম। তো তাঁর প্রশ্ন, এখনি আমরা পে করে দিয়ে যাবো তো ?
    আমি কোনোমতে বল্লাম, আমার ইন্সিওরেন্সে কভারড।
    সে বলে, না এখানে আগে পে করে যাও।
    আমার আর তখন কোন তর্কের মত অবস্থা নেই। বল্লাম, বাড়ির লোক আসছে।
    ততক্ষণেও কিন্তু আমার ঐ 'এমারজেন্সি 'রুমে কোনোরকম চিকিৎসা শুরু হয়নি।
    আমাকে যখন ট্রান্সফার করা হয়, তখন কিন্তু মেডিক্যাল ইনফো ও ট্রান্সফার হবার কথা। আমার ইন্সিওরেন্স কী কভার করে, জানার কথা।

    আরো কিছুক্ষণ পর দৌড়তে দৌড়তে বড়াজির। ওকে ওরা ঐ এক্ক লাইন ফোনে বলেই রেখে দিয়েছিল, হাসপাতালের এমারজেন্সি রুমে শিফ্‌ট করা হচ্ছে, যেন তাড়াতাড়ি চলে আসে। সে যে কয়েক মাইল দূরের কোথাও, সেসব কিছুনা।
    ওরা নিজেরা কিছু বলেনি, আর ঐ কথা শুনে তখন এসব জিগেশ করার কথাও মাথায় আসেনি। ওরা ৯১১ কল করেছে, তাও জানতো না।

    ওখানে গিয়ে দেখে সব বন্ধ। কোনোরকমে কাউকে পেয়ে এমারজেন্সি কোথায় জানতে পারে।
    আসতে না আসতেই সেই টাকা দেবার গল্প। আমরা যেন একহ্ন এখন সব পে করে পরে ইন্সিওরেন্সের সাথে বুঝে নি ইত্যাদি।
    তারপর আরো একগাদা লোকজনের সাথে কথা বলে সেসব সেটল করার পর শুরু হল এমারজেন্সি রুমের সেই অতি আবশ্যক চিকিৎসা, যা আগের থেকে কী কোথায় আলাদা, কিছু বুঝিনি।
    পরে দেখেছি, অদ্ভুত ব্যাপার, আমার প্‌খানে কী কী হয়েছিল, তার অর্ধেকই এখানে ঐ ৯১১ ওয়ালাদের দেওয়া কাগজে লেখা নেই !
    সুস্থ হয়ে পপরে ওদের বলার পর আমাকে একটা মডিফায়েড কারেক্টেড সেকেন্ড রিপোর্ট পাঠানো হয় !

    তবে হ্যাঁ,যেটা ইন জেনেরাল ভালো লাগে,সেটা এখানকার ডাক্তার, নার্সদের ব্যবহার। সেটা এমনিতেও আশেপাশের প্রায় সব মানুষের ক্ষেত্রে সত্যি। দেশে অবশ্য নারসদের ব্যবহার নিয়ে বেশ তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলেও ডাক্তারদের নিয়ে তেমন নেই।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০১:১৬496257
  • * বর হাজির।

    ও, তার পর পর আবার আরেক বিপত্তি ! আÒট্রাসোনো তে ধরা পড়লো কিডনীতে টিউমার, যা নাকি সিম্পল নয় ! সে আবার সিটি র সাথে ম্যাচ করছে না। কিন্তু সিটি স্ক্যান তো পুরো ঠিক করে করাই যায়নি। প্রাইমারী কেয়ার ডাক্তার তো বায়োপ্সি টায়োপ্সির গুচ্ছ ভয় দেখিয়ে দিলেন। রেফার করলেন। এদিকে রেফার করা ডাক্তারদের একমাসের আগে ডেট ই পাওয়া যায়না। শেষমেশ অন্য ডাক্তারকে যোগাড় করলাম, যাঁকে দু হপ্তায় পাওয়া যাবে।
    সে কী বিদঘুটে টেনশন পর্ব !
    যাহোক, এবার এম আর আই।
    যেখানে করতে হবে, তাদের ঐ সিটি স্ক্যানের হিস্ট্রি জানানো ছিল।
    করাতে গিয়ে সকালবেলায় আবার যখন হিস্ট্রির খাতা ভর্তি করছি, তো সেখানে ডাক্তার দেখে বলেন, আরে এ তো এখানে হবে না। অ্যানাফাইলেক্টিক শকের হিস্ট্রি আছে যখন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে করতে হবে।
    অথচ এটাই যখন অ্যাপো নেবার সময় নিজের থেকেই জানিয়েছিলাম, ওরা কুলকাল বলেছিলো কোন ব্যাপার না।
    হাসপাতালে এমারাই। অ্যাপো থাকা সঙ্কেÄও বসেছিলাম, তিন ঘণ্টা।
    সব কিছু করে রিপোর্ট দেখে আবার কনফ্যুশন।
    আবার আÒট্রা সোনো। শেষ মেশ বল্লো, প্রথম আÒট্রা সোনোর রিপোর্ট 'বোধহয়' ভুল ছিলো। ( আমাকে আবার কয়েক মাস বাদে দু জায়গা থেকেই রিপিট করাতে বলে কিন্তু আমি আর ওসব মুখো হই নাই)
    সিম্পল সিস্ট নাহয় ভুল করে টিউমার ভাবলো, কিন্তু তার পজিশনটাও যে দুটো রিপোর্টে কীকরে বেমালুম উপর থেকে নিচে বদলে যায়, তা আজো সিম্পলি আমরা কেউ বুঝতে পারি নাই।
  • Xx | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০১:১৮496258
  • আমার একটা ছোটো ধারনার কথা বলি। এখানকার অনেক লোক্‌জনের সথে কথা বলে এই ধারনার সুত্রপাত। যারা career এর জন্য US-এ থাকে বা থাকে বা থাকতে বাধ্য হয় তাদের মধ্যে দুটো প্রজাতি দেখেছি ..... এক যারা দেশ দেশ করে সর্বক্ষন হেদিয়ে মরে ..... আর একটা প্রজাতি যারা বিদেশে থাকাটা enjoy করে কিন্তু দেশ, মা, বাবা, আত্মীয় স্বজ্‌ন ছেড়ে আসার জন্য অপরাধবোধ-এও ভোগে। এদের বেশির ভাগের-ই মা বাবা অকল্পনীয় কষ্ট করে এদের মানুষ করেছে .... পরিনামে প্রবাসী ছেলেমেয়েদের টেলিফোন-এ " আহা উহু " ছাড় বরাতে কিছু জোটে না। এই ছেলেগুলো এই প্রচ্ছন্য অপরাধবোধ থেকে বাঁচতে সর্বদা দেশ কে গালি দেয়, নিজেদের আপ্রান বোঝনোর চেষ্টা করে, কতো ভালো ডিসিসন নিয়েছে দেশে না থেকে। "ওখানে মানুষ থাকে?" "ডাক্তার-রা বেশ্যা", "মাস্টররা হিজরে" এইসব মন্তব্য ঐ মানসিকতার-ই অংশ।

    এরা বেশীরভাগ সাধারনত গোটা দেশকেই গালি দেয়। এর-ই আরেক-টা variation হলো দেশ-এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সব থেকে খারাপ। এর পেছনে কারনটা হলো এই যুক্তি-টা establish করা- "পশ্চিমবঙ্গে কোনোমতেই থাকা যায় না। আর কোলকাতায় যদি না থাকা গেলো তো ব্যাঙ্গালোর যা নিউ জার্সি-ও তা।"

    এদের বেশির ভাগ-ই বাচ্ছার পড়াশোনা কে বিদেশে থাকার সবচেয়ে বড় কারন বলে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিরাট সমালোচক.. তারা নিজেরা যে ঐ শিক্ষা ব্যবস্থার-ই ফল সেটা মনে করিয়ে দিলে নানা হাবি যাবি যুক্তি দেয়। কিছুতেই স্বীকার করবে না যে তারা একমাত্র পয়সার জন্যই সব ছেড়ে এখানে ২য় শ্রেনির নাগরিক হয়ে পড়ে আছে। আমি একজন-কে জিগ্গেস করেছিলাম " ধরুন আপনি দেশে বসে এখানকার থেকে ৫০% বেশি মইনে পেলেন। কিন্তু দেশের সব infrastructure এখনকর মতই রইল। সেক্ষেত্রে আপনি std of leaving এর জন্য কি এখানে থেকে যাবেন?" ভদ্রলোক তক্কো চালালেন কিন্তু বেশ মিইয়ে গেলেন বোঝাই গেলো।

    এখন অবশ্য উলটো ট্রেন্ড দেখাই যাচ্ছে। আর ট্রেন্ড-টা শুধু কল্পনায় নেই...

    Western economies in deep freeze, expats look at India for jobs

    http://timesofindia.indiatimes.com/business/india-business/Western-economies-in-deep-freeze-expats-look-at-India-for-jobs/articleshow/10287508.cms,

    http://www.dawn.com/2011/03/09/indian-students-in-us-keen-to-return-home.html

    Over 50% Indian origin IT Professionals in US Plan to Return to India
    http://www.pravasiherald.com/index.php/pravasih/comments/indian-american_11051/

    Why Indian and Chinese entrepreneurs are leaving America
    http://venturebeat.com/2011/04/28/why-entrepreneurs-from-india-and-china-are-leaving-america/

    খুব সিগ্গির এই লোক-গুলোর মুখে শুনবেন বানী ... দেশ-এর জন্য কতো কিচু ত্যাগ করে ফিরে এল। :)
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০১:১৯496259
  • সায়ন, প্পন, এই র‌্যানব্যাক্সি ই কি ফর্টিস ?
  • sayan | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০১:৪২496260
  • না, ফর্টিস হয়েছে ওকহার্ড থেকে। র‌্যানব্যাক্সি অন্য, অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি সমেত।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০২:০৬496261
  • সেলাই করানোর একটা তুলনামূলক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। মা আর বাবাকে দিয়ে।
    আসার এক হপ্তা আগে রাস্তায় পড়ে গিয়ে বাবার মাথা ফাটে। পাড়ার কাছাকাছি হয়েছিল, চেনা লোকজন দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পাড়ার ডিস্পেন্সারি তে নিয়ে যায়। প্রাইমারি যা কিছু করার ক'রে ওরা কাছেই এক নার্সিং হোমে (তেমন নামি দামি, হাই-ফাই কিছু না) পাঠিয়ে দ্যায়। বাবা মা কে জানাতে বারণ করেছিল। দাদাকে জানায়। দাদা আসতে আসতে অবশ্য সেলাই শেষ।
    মা'র কথাটা তো লিখলাম।
    কী জানি, এদেশে ভাল ব্যবস্থা থাকলেও আমার ব্যক্তিগতভাবে কেমন যেন অসহায় লাগে।
    মনে আছে, মা পড়ে যাবার পর জাস্ট কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে ভাবছিলাম কী করবো। গাড়ি নেই। আশেপাশে কোন ডাক্তারখানা নেই। মেট্রো স্টেশনে ফোনে সিগন্যাল নেই। বেরিয়ে টেরিয়ে একের পর এক চেনা লোকজনকে ফোন করে এই আর্জেন্ট কেয়ার সিস্টেমের কথা জানতে পারলাম। কিন্তু মা দের ইন্সিওরেন্স তা কভার করবে কিনা জানিনা।
    বর ও মেট্রোতে। ফোন করে পাচ্ছিনা।
    মেট্রো স্টেশনের মাস্টারমশাই দিদিমণিদের জিগালাম, কী করি। তারা তো বলে এমারজেন্সি যাও। যাহোক, তখন এমনি রক্ত পড়ছে যে কিছু না করলেই নয়। ফার্স্ট এইড আছে কিনা জিগাতে দু'জন মাথা নেড়ে দিলেন। তবে দিদিমণি বল্লেন, রোসো। কিছু একটা থাকার কথা। ওঁদের কোন কুলুঙ্গি খুলে একটা বাক্সো থেকে কিছু গজ আর ওষুধ পাওয়া গ্যালো। ওদের রেস্টরুমের তালাও খুলে দিল। কোনোমতে রক্ত টক্ত মুছে
    বাধ্‌হছাঁধা করে এক ঘন্টা বাদে কোনোরকমে বাড়ি ফিরে নেট টেট ঘেঁটে বোঝা গেল কোথায় কী যাওয়া যেতে পারে।
    এমারজেন্সিতে যেতে সবাই বারণ করলো, খুব লম্বা লাইন হবে বলে।
    তা আর্জেন্ট কেয়ারেও দেখি থিকথিক করছে পেশেন্ট। ফ্লু এর সিজন বলে বোধহয়। প্রচুর বাচাকাচ্ছা, সব বেহাল দশায়। এরা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
    লম্বা অপেক্ষা বিনে গত্যন্তর নাই।
    তারপর ও সে অনেকরকম ব্যাপারস্যাপার।
    নার্সের জন্য অপেক্ষা। তিনি এসে কিছু করলেন।
    তারপর ডাক্তারবাবুর জন্য অপেক্ষা। তাঁর আসতে বেশ দেরি হল। বাইরে বেরিয়ে ওঁকেদেখেই ভাবি এই বোধহয় এলেন,তা তিনি দেখি আরেক ঘরে ছুটে ঢুকে পড়ছেন।

    তবে হ্যাঁ, এলেন যখন বেশ ভালো করে কথা বলে গল্প করতে করতে সেলাই করে দিয়েছিলেন। সেটা নিয়ে মা খুব খুশি ছিল।

    কিন্তু পরের দিনই আবা খুব ব্যথা, আবার দৌড়তে হল। আবার অপেক্ষা। কী ইনফেকশন হয়ে যাচ্ছিল। ওরা ওষুধ বদলালেন।

    ড্রেসিং করাতে গিয়েও ঐ অপেক্ষা করা দেখে এরপর বাড়িতে নিজেরাই করে ফেলা শুরু করা হল।

    তবে হ্যাঁ, সেলাই কাটার পর খুব খুশি ছিল। আর তখন বাবার সাথে খুব টেক্কা নিয়েছিল। বাবারগুলো বড় বড় গোব্দা গোব্দা সেলাই, তিন হপ্তা বাদেও তখনো প্রায় পষ্ট, আর মা র খুলো একদম পুটুশ, খুদে খুদে, প্রায় বোঝাই যায় না, ইত্যাদি :)

    তবে বাবামা দের এমারজেন্সি বা অর্জেন্ট কেয়ার নিয়ে ইন্সিওরেন্সের সাথে নানাবিধ ঝামেলা আমি শুধু আমার বেলাতেই না, অনেক বন্ধুর ক্ষেত্রেই শুনলাম।
    প্রতীকদাও ভালো বলতে পারবে।
  • rimi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৩:২৮496262
  • Xx,
    আপনি বেশ সুন্দর ক্যাটেগরাইজ করেছেন বিদেশে থাকা দেশে ফিরতে না চাওয়া মানুষদের।
    জাস্ট উদাহরণ হিসেবে আমাদের কথা বলি, আমার ঠাকুর্দার ক্যানসারে মৃত্যু হয়েছিল, সে সময় দেশে থাকা বাবা কোনো রকম চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারেন নি, ক্ষমতা ছিল না। আমার বাবার সেই নিয়ে দু:খ আজো যায় নি। অথচ দেশেই ছিলেন, পাশেই ছিলেন।

    গত চার বছরে আমাদের বাবা মার চিকিৎসাতে ২৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, ক্যানসার, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি মিলিয়ে। দেশে থাকলে কিছুতেই এই চিকিৎসা চালানো যেত না। বিদেশে থেকে ডলারে রোজগার করেছি বলেই পেরেছি। বিদেশে থাকা নিয়ে আমাদের কোনো অপরাধবোধ নেই, বরং সৌভাগ্য মনে করি, কারণ সেই দুজনকে সিম্পলি টাকার উপরে এতদিন বাঁচিয়ে রেখেছি। দেশে থাকলে কাছে বসে খানিক "আহা উহু" ছাড়া আর কিছুই করতে পারতাম না। আরো একজোড়া বাবা মা আছে, তাদেরও বয়স হচ্ছে, তাদেরও এক সময় চিকিৎসার প্রয়োজন হবে, এন্ড অফ লাইফ কেয়ারের দরকার হবে। আমাদের নিজেদেরও তাই হবে। অতএব টাকার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, তাই আমেরিকায় থেকে ডলারে রোজগার করতে পেরে ধন্য মনে করি নিজেকে। ছেলের শিক্ষা ইত্যাদি গৌণ ব্যপার। আপনি বাঁচলে তবে তো ছেলের কিম্বা বাপের নাম!!!!!

    আর হ্যাঁ, আপনিও আমাকে গরু রচনা লিখতে বাধ্য করলেন আবার! যাদের অপরাধবোধ ইত্যাদির কথা লিখেছেন, তারা পুরুষপ্রজাতি। মেয়েদের ব্যপারটা কিছুটা অন্যরকম কিন্তু। সেসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। আমি নিজে দেশে ফিরতে চাই না শুধু টাকার জন্যেই নয়, নিজের জন্যেও। দেশের থেকে বিদেশে আমি অনেক বেশি এমপাওয়ার্ড। সেই স্বাধীনতা,ক্ষমতা ইত্যাদি ছেড়ে দেশে যাবার কোনো ইচ্ছা নেই আমার। একটাই জীবন, আমি চাই ভালোভাবে কাটাতে। বাবা মাদের যেসব ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, সেসবের মধ্যে দিয়ে আমি যাই সেটা আমার বাবা মা নিজেরাও চান না।
    বল্লাম, যাতে ভবিষ্যতে ক্যাটেগরাইজ করার সময় আরেকটা নতুন বিভাগও রাখেন। :-))
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:২১496263
  • আরেকটা কারণ হতে পারে এখানে আরজেন্ট কেয়ার/এমারজেন্সিতে লম্বা লাইন হওয়ার। ইমিগ্র্যান্ট পপুলেশন বেশি হওয়া? ওখানে যাঁদের দেখেছি, তাঁদের একটা বড় অংশ হিস্প্যানিক।
  • aka | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:২৯496264
  • Xx কেও একটি মুচকি হাসি দিলুম।

    আরে ফিরে যাওয়া নিয়ে সাফ হিসেব তাড়িয়ে না দিলে যাব না। :)

    দেশের বিশেষ টান নেই।

    পাই, তোমার যে সমস্যা গুলো হয়েছে সেগুলো আমাদেরও প্রচূর হত। সিস্টেমের ঠিক মতন পরিচিত না হলে এই ভাবটা থাকে। আমরা এই পুরো সিস্টেমটার সাথে তো পরিচিত নই, একটু পরিচিতি হয়ে গেলেই সমস্যা হয় না। তবে সিস্টেম রিকোয়ার্স অর্গানাইজেশন, কি হলে কি করতে হবে মাথার মধ্যে না থাকলে বেজায় অসুবিধা হয়।
  • aka | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:৩২496266
  • পাই আর্জেণ্ট কেয়ার না এমার্জেন্সি? এমার্জেন্সিতে যাদের ইন্সিওরেন্স নেই তারা সর্দি কাশিতেও লাইন লাগায়, কারণ এমার্জেন্সি ইন্সিওরেন্স না থাকলেও সার্ভিস ডিনাই করতে পারে না।

    কিন্তু আর্জেন্ট কেয়ার বা আফটার আওয়ার্স কেয়ার গুলো বিজনেস, সেখানে কিন্তু ইন্সিওরেন্স না থাকলে এন্টারটেইন করে না।
  • rimi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:৩৪496267
  • হ্যাঁ এখানে ইন্সিওরেন্সের সঙ্গে অনেক রকম ঝামেলা হয়, কিন্তু সেটা মূলত হয় নিজেরা ভালো করে ইন্সিওরেন্সের ডকুমেন্টগুলো না বোঝার জন্যে। আমাদের প্রথম প্রথম প্রচুর ঝামেলা হয়েছে, কিন্তু এখন আর হয় না, কারণ ব্যপারগুলো বুঝে গেছি, জেনে গেছি।

    এখানে যেটা সবথেকে ভালো লাগে, সেটা হল ডাক্তার খুব পরিষ্কার করে কমিউনিকেট করে, কি হয়েছে সেটা পরিষ্কার করে বলে দেয়, আর কি কি পসিবল ট্রিটমেন্ট অপশন, কি ভাবে প্রসিড করা হবে, কোন সিদ্ধান্তগুলো রোগীকে নিজেকে নিতে হবে ইত্যাদি একেবারে পরিষ্কার করে প্রথমেই বলে দেয়। এই ক্ল্যারিটিটা নিজেদের মানসিক শান্তি, অর্থনৈতিক প্রিপারেশন ইত্যাদি সবকিছুতে বিরাট হেল্প করে। এছাড়া ডাক্তারকে প্রশ্ন করলেও সবসময়েই খুব ধৈয্য ধরে উত্তর দেয়। (আমার আবার খুব বেশি প্রশ্ন করার বদরোগ আছে) এমার্জেন্সিতে যতই দেরি হোক, শেষ পর্যন্ত যে ঠিক চিকিৎসা হবে তার প্রোব্যাবিলিটি বেশ হাই।

    অন্যদিকে প:বঙ্গে, কয়েকবছর ধরে খুব ক্রিটিকাল কিছু রোগের চিকিৎসা করাতে হল আপনজনদের, সেই সূত্রে অভিজ্ঞতা হল, অধিকাংশ ডাক্তার খোলাখুলি ভাবে কিছুই বলে না। রোগের কথা যদি বা কেউ বলে, ট্রিটমেন্ট প্ল্যান, খরচের এস্টিমেট ইত্যাদি কিছুই দেয় না। জিজ্ঞেস করলে প্রাপ্য হল খারাপ ব্যবহার, যেন আমরা কীটানুকীট, ডাক্তারি পড়ি নি, অতএব কি হবে না হবে কিছুই বোঝার ক্ষমতা বা অধিকার কোনোটাই নেই। এর ফলে আমাদের যে কি অসুবিধায় পড়তে হয়েছে তা বলার নয়। এর পরে আছে ওষুধ। একেক জায়গায় ওষুধের একেক দাম, কার ওষুধ ভালো আর কারটা নয়, সেটা বোঝা খুব মুশকিল।
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:৩৯496268
  • যাহোক, পিটিদা, তুলনা যখন করছেন, তখন এই তুলনাটাও হবে নাকি ?
    ৩৪ বছরের কম্যুনিস্ট শাসিত রাজ্য যখন, তুলনা কিন্তু হতেই পারে :)
    http://www.pbs.org/newshour/bb/health/july-dec10/cuba_12-21.html

    আর, রাষ্ট্র তো নয় অঙ্গরাজ্য বলে যুক্তি দিলে তাকে অজুহাত বলতে বাধ্য হবো, কারণ, এক তো স্বাস্থ্যের ব্যাপারে রাজ্যের অনেক কিছু করার ক্ষমতা ও স্বাধীনতা থাকে, আর দ্বিতীয়ত:, কেরলের এই উদাহরণখানি দেবো।

    http://frontierindia.net/cuba%E2%80%99s-health-model-in-kerala-a-success-cuban-ambassador-to-india

    কেরালা এত ভালভাবে পারলো, প:বংগ তার কিছুই পারলো না, কী কারণ মনে হয় ?

    তবে, pbs এর ভিডিওটা সবার জন্যই রেকো করলাম। খুব অল্পে এই গরীব দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় এত সাফল্যলাভের এনিগমাকে ভালো ভাবে বিশ্লেষণ করেছে।
  • aka | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৬:৪৫496269
  • ও হ্যাঁ কোন ডাক্তারকেই বেশ্যা বলি নাই, বলেছি কলকাতার হেলথ কেয়ারের থেকে প্রস্টিটিউশন বেশি এথিকাল। ডিফারেন্সটা বোঝাতে হবে না আশা করি।

    এরও মধ্যে যে লোকে বেঁচে থাকে তা অনেকটাই ভালো ডাক্তার থাকার জন্য। যেমন সোদপুরের ডাক্তার জিভাগো।
  • nyara | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৭:৫৩496270
  • Xxবাবু/বিবিকে চাট্টি হাত্তালি ও একটি সোপবক্স দেওয়ার আর্জি। আমরা আরও এরকম সাইকো-সোশাল অ্যানালিসিস শুনতে চাই।
  • bb | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৭:৫৯496271
  • Xx কে বড় হাতের ক।গুরুতে আপনার বলা সব প্রজাতিই আছে।
    দেশে থেকেও এখন অনেক কিছু করান যায় আর ভালো ভাবেই করান যায়। টাকা পয়সা ইত্যাদির বাহানা মুচকি হাসি। steve jobs কে দুনিয়ার সব টাকা পয়সাও বাঁচাতে পারে নি। এই সব নিজের মন কে প্রবোধ দেওয়া।
    আমি জানি এই বার অনেক ব্রিকব্যাত শুরু হবে
  • rimi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১৩496272
  • বিবি, প্রশ্নটা অন্যকে বাঁচানোর শুধু নয়, নিজেদেরও বাঁচার। স্টিভ জবসকে বাঁচাতে গিয়ে স্টিভের নিজের ছেলে মেয়ে বা বৌকে দুরবস্থার মধ্যে পড়তে হয় নি নিশ্চয়ই।

    আমরা শূণ্য থেকে শুরু করেছি, দেশে থাকলে দুজনে চাকরি করেও এটা এতদিন চালাতে পারতাম না।
    আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার কথা আমরা নিজেরা আপনার থেকে বেশি জানি :-) নিজেদের মনকে প্রবোধ দিচ্ছি, নাকি নিজেরা যেমন জীবন চাই তেমন জীবন কাটাতে পেরে খুশি আছি, সেটাও আমরা নিজেরা আপনার থেকে ভালো জানি। আপনার লেখায় অমৃতলালের ছাপ স্পষ্ট, তাই ভুল হওয়াটাও স্বাভাবিক।

    তবে এইটা দেখে ভারি মজা লাগছে যে কেউ কেউ উঠে পড়ে লেগেছেন আমরা দেশের জন্যে আসলে দু:খে মরে যাচ্ছি, আর বাবা মার "পাশে" না থাকার জন্যে অপরাধবোধে ভুগে মরছি!! আমার বাবা মাকে এইটা বললে ওঁরা হেসে মরবেন :-)))
  • rimi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৮:১৫496273
  • তবে এইটা দেখে ভারি মজা লাগছে যে কেউ কেউ উঠে পড়ে লেগেছেন এইটা প্রমাণ করার জন্যে যে আমরা দেশের জন্যে আসলে দু:খে মরে যাচ্ছি, আর বাবা মার "পাশে" না থাকার জন্যে অপরাধবোধে ভুগে মরছি!! আমার বাবা মাকে এইটা বললে ওঁরা হেসে মরবেন:-)))
  • kc | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৮:২৬496274
  • রিমি একবার বলল, এই 'অপরাধবোধ' ব্যাপারটা পুরুষদের জন্য। আবার কিছুক্ষণ পরেই নিজেই আবার ওই সেটের মধ্যে ঢুকে পড়ল। ব্যাপারটা ক্ষী? সবই ক্ষি ঘাসপাতা খাওয়ার ফল?
  • pi | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৮:২৭496277
  • আকাদা, ঐ পাঁচ ঘণ্টাএ ওয়েটিং টা MA তে এমারগেন্সিতে হয়েচিল।
    এখানকার দু আড়াই ঘণ্টারগুলো আর্জেন্ট কেয়ারে।

    ডকুমেন্ট পড়ার কথা তোমরা বল্লে, এবার আমি যে উদা: টা দিলাম, আমাকে ( এবং পরে আমার) বরকেও এমারগেন্সিতে ফোর্স করা হচ্ছিল, এখন পে করবো সেটা যেন আগে সাইন করে দি। সেতো ডকুমেন্ট পড়ে নিয়ম জানা ছিল বলেই সেই গ্যাঁড়াকল থেকে উদ্ধার পাওয়া গেল। কিন্তু তার জন্য ট্রীটমেন্টের ডিলে, ভোগান্তি সবই তো হল।
    আর মা র ঐ চারজটা যে তারা দেশে ইন্সিওরেন্সকে না পাঠিয়ে আমাদের দু'বছর বাদে পাঠাল, এটার থেকেই বা কোন ডকুমেন্ট পড়লে নিস্তার পাওয়া যেত ?
  • nyara | ১০ অক্টোবর ২০১১ ০৮:২৭496275
  • তবে রিমিরও কিছু রিয়্যালিটির ডোজ দরকার। চার বছরে পঁচিশ লাখ মানে বছরে অ্যাবাউট ছ লাখ। দুজনে চাকরি করে অনেক পরিবারেই সেটা আজ সম্ভব - বিশেষত: তোমাদের মতন প্রোফাইলের লোকেদের। গুরুতে এমন লোকও নির্ঘাত আছেন যিনি দেশে একজন চাকরি করেও সেটা মোটামুটি অ্যাফোর্ড করতে পারবেন। দেশে কিছু লোকের রোজগার অবিশ্বাস্য বেড়ে গিয়েছে। চাকুরিজীবিই। আমাদের মতই প্যান্ট-শার্ট-পরা, ভাত-ডাল খাওয়া লোক। বাইরে থেকে দেখলে বোঝাই যায় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন