এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাংলা-মিডিয়াম

    tatin
    অন্যান্য | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ১৭৬৮৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • potke | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৩৮459427
  • ঐ হীনমন্যতা ব্যাপারটা মিডিয়া ভালো খাইয়েছে।
  • sm | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৪৩459428
  • বাংলা মিডিয়ামের ছেলে, মেয়েরা ইংরাজি জানে না বলে হীনমন্যতায় ভোগেনা বলছেন ? সব কিছুই মিডিয়ার পরিবেশনা?
  • সে | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫০459429
  • প্রচ্ণ্ড হীনমন্যতায় ভোগে। এটা ঘটনা। আমার পরিচিত অনেকে আছে এমন। খুব বেশি বয়স নয় তাদের। তিরিশের কম। তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে এই ব্যাপারটা।
  • potke | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫৩459431
  • ভুগবেনা কেন? মিডিয়ার " গেল গেল" রব একটা বিশাল ফ্যাক্টর এই ব্রেন ওয়াশে সেটা খেয়াল রাখবেন।
  • pi | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫৩459430
  • হ্যাঁ, প্রচুর জনই ভোগে।
    কিন্তু তার সমাধান কি ঐ sm যা বললেন, ইংলিশ মিডিয়ামে দিয়ে দেওয়া নাকি আমাদের মানসিকতা বদলানো নিয়ে ভাবা। যদিও ভেবে আমরা উল্টে দিচ্ছি বা ভাবলেই সব উল্টে যাবে এমন কিছু নয়।
  • potke | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫৭459432
  • তিন দিন ধরে মাইকেল এলাদের লেকচার শুনে এলাম, আর আমগো দ্যাশের সফি উচ্চারণের লেকচারো শুনলাম।

    মাইকেল যদি দেশী হত খিল্লীর বন্যা বয়ে যেত উচ্চারণ নিয়ে, মরমে মরে গিয়ে রিসার্চ টাই ছেড়ে দিত হয়ত। কি ভাগ্যি ইজরায়েলে জন্মেছে!!!!
  • একক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:০০459433
  • হীনমন্যতা থাকবেই। আমি ইংলিশে পদ্য লিখতে পারিনে বলে হীনমন্যতায় ভুগি। কেও এখন বলতেই পারে ওরে হতভাগা আগে বাংলায় লিখে দেখা। কিন্তু সেটা কথা নয়। বাংলা জানেনা কিন্তু পদ্য পড়ে এরকম বন্ধুদের সংখ্যা বিশাল। সেখান থেকে এলিয়েন হয়ে যাওয়া টা মুশকিলের। মানুষ সর্বদাই আরও আরও বেশি কমিউনিকেশন চায়।
  • sosen | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:০৮459434
  • হুঁ আমি নিজেও মনে করি জাপানীদের সায়েন্স করা উচিত নয়। করলেও সেমিনারে আসা উচিত নয়। তাতে অবশ্য জাপানীরা মরমে মরে যায় এমন কোনো লক্ষণ-ই দেখলাম না। পাত্তাও দ্যায় না মহায়। সত্যি বলছি।
  • dc | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:১১459435
  • হেহে এখানে আমার একটা সুবিধে ছিল - আমি পড়াশুনোয় চিরকাল এমন খারাপ ছিলাম যে আলাদা করে বাংলা মিডিয়াম নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতে হয়নি ঃ-) আমার নিজের প্রেফারেন্স হচ্ছে আমার মেয়ে যেন ভালোমতো বাংলা লিখতে-পড়তে শেখে। তবে একক ঠিক বলেছেন, পড়ার মধ্যে ফান আর ইন্টারেস্টিং জিনিষপত্র থাকা দরকার। তা আজকাল তো স্কুলে কতো কি নতুন এক্সপেইমেন্ট করেও দেখি। এখানে একটা কথা বলি, প্রাসঙ্গিক না হয়তো, তবুও। চেন্নাইতে বেশীরভাগ স্কুলে দেখছি রিলিজিয়াস সিম্বলিসম ভীষন বেশী। প্রার্থনা, যোগ এসব তো আছেও, তাছাড়া আমাদের দেশের সাধুসন্নিসি, মুনিঋষি হ্যানত্যান আলোচনা প্রচুর। হিন্দু ধর্মের সবকিছু গেলানো হচ্ছে। এই বাড়াবাড়িটা আমার পছন্দ না, কিন্তু কিছু করার নেই। অন্যান্য শহরেও এরকম হয়েছে কিনা জানিনা।
  • pi | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:১৩459437
  • এগুলো তো প ব তে রা মি তেও হয়।
  • b | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:১৬459438
  • মদীয় বাপ-চাচারা যে ইস্কুলে পড়েছিলেন, তাকে হিন্দি মিডিয়াম বললে কম বলা হয়, ভোজপুরী মিডিয়াম বললেই চলে। তা সেই ইস্কুলে পড়ে কাজের জায়গায় দিব্য ইংরিজিতে কাজ চালিয়ে নিয়েছেন, কলেজ মাস্টারী থেকে শুরু করে সরকারী প্রশাসনের কাজ অবধি।

    আটকায় না। কিম্বা, আটকাবে ভাবলেই আটকায়।
  • dc | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:২৩459439
  • না শুধু রা মি টাইপের স্কুল না, চেন্নাইতে সিবিএসই বা তামিল বোর্ডের স্কুলগুলোয় পাইকারি হারে হিন্দুত্ত্ব শেখানো হচ্ছে। আমাদের বাড়িতে একটা নামী স্কুলে সামার ক্যাম্পের লিফলেট দিয়ে গেছে, সেটা সিবিএসই স্কুল। খোঁজ নিয়ে জানা গেল সামার ক্যাম্পে নাকি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে, সাধুদের জীবনী পড়ানো হবে, আর রিলিজিয়াস ডকু দেখানো হবে। এই নাকি সামার ক্যাম্প।
  • pi | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:২৭459440
  • এই বাড়াবাড়িটা বরাবরের নাকি ইদানিং কালের?
  • একক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:২৯459441
  • কাজের জায়গায় চলে যায়। সায়েন্স এও কে কী উচ্চারণ করছে কিছু যায় আসে না বা বাক্য গঠন ভাষানুগ না হলেও। সায়েন্স টেক্সট নয় তো। নিজের স্ট্রাকচার আছে। কাজের জায়গার বাইরে বেরোলে ভাষাকে ভাষার মত করে জানা টা জরুরি। সে ভোজপুরি হোক বা জার্মান। ওই জাপানি বিজ্ঞানীকেই সদ্য জাপানি শিখে একটা পদ্য লিখে দেখান। হেসে ফেলবে। এক্সপেক্টেশন লেভেল টা কন্টেন্ট এর নেচার এর ওপর ভ্যারি করে।
  • একক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:৪৩459442
  • রামকৃষ্ণ মিশন চিরকাল ধর্ম প্রমোট করে। তবে সুবিধে টা এই যে ওপেনলি প্রমোট করে বলে কেও যদি নাস্তিক হয় বা রামি তে থেকেই নন মুসলিম হয়ে আল কুরআন -এ ডুবে থাকে বা জুড ক্রিস্চিয়ানিটি নিয়ে মাতামাতি করে সেও একটা হেলদি এনভায়রনমেন্ট পায় তর্ক করার। ধর্ম নিয়ে হই চৈ করা ট্যাবু নয়। যেটা অনেক ফোর্সড সেকুলার স্কুলে ট্যাবু। রামকৃষ্ণ মিশনের বহু পাঠচক্রে বুদ্ধিস্ট ভার্সাস বৈদান্তিক তর্কে অংশগ্রহন করেছি। জাস্ট ওপেন রোস্তিং চলে। ঢাকা চাপা দিয়ে কথা বলার কোনো সীন নেই। কারো কোনো সেকুলারিসম এর দায় নেই। এই পরিবেশ টার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।

    এইচ-এস দু বচ্ছর কলকাতার বাইরে থাকায় একটা নন -মিশন একটা ইস্কুলে পড়েছিলুম। সেখানে সরস্বতী পুজো হয়। ঈদে ছুটি থাকে। সেকুলারিস্মের ছড়াছড়ি। এদিকে একটু রিলিজিয়াস তর্ক শুরু হলেই খাঁড়া নেবে আসতো। সে কী চাপ। সব ইস্কুল নিশ্চই এরকম না। মাত্র দুবচ্ছর নন মিশন এল্স্পিরিয়েনস নিয়ে কার্পেট স্টেটমেন্ট করার কোনো মানে হয়না। জাস্ট যেমন দেখেছি বল্লুম।
  • sthobre | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:৪৯459443
  • ১)তোমাদের কি কারুর মনে হয় না যে একজন বাঙালীর বাংলা মাধ্যমে পড়াশুনো করলে - অন্য বিষয় চর্চার ক্ষেত্রে বা বিষয় এর উপর দখলের জন্যে সেটা অনেক সুবিধাজনক- যেমন ধরা যাক বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে?
    ২) দ্বিতীয় ভাষা শেখার ক্ষেত্রে প্রথম একটা ভাষা - সাধারণত মাতৃভাষা তে - পড়া, বলার ব্যাপারে সাবলীলতা -- প্রসঙ্গ অনুধাবনের ক্ষমতা - এলিমেন্টারি রিডিং দক্ষতা - এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ এটাও কি মনে হয় না ?

    ইটা কেবলমাত্র শিক্ষণ পদ্ধতির প্রেক্ষাপট থেকেই বললাম - আগামী প্রজন্মের জন্যে কি করা উচিত সেই জায়গা থেকে। রাজনৈতিক প্রসঙ্গ তো আছেই -সেগুলো বাদ ই রাখলাম।

    আর একটা বিষয় মনে হলো একটা বাঙালীর ছেলের পক্ষে ইংরাজির মত বিজাতীয় ভাষা শেখা খুব আরামদায়ক নয় - সহজ ও নয়। বেশ সময় এবং উত্সাহ দিয়েই শিখতে হয়। উড়িয়া বা আসামী শেখা নয় - যে অনায়াসে হবে। আর একজন দেখলাম তুলনা টেনেছেন ক্লাসিকাল শিক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে - সেটা না সার্বিক শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না সেটা সময়োপযোগী। তাই ওই তুলনাটা অচল। যদিও ভাষা শিক্ষায় পরিবর্তন তা নিশ্চই বিষয় এবং সমর্থনযোগ্য।

    একটাই দিক ইংরাজী মাধ্যমে পরার সুবিধে - ভালো পাঠ্যপুস্তক এর সংখ্যা ইংরাজি ভাষায় অনেক বেশি - অন্তত টেকনিকাল বিষয় গুলো তে
  • sm | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:২০459444
  • মাতৃ ভাষায় শিক্ষার মতন আরামদায়ক কিছু নেই।দুধভাত আর পায়েসের মধ্যে যেরকম তফাত তত টা।
    ইংরাজি বিজাতীয় ভাষা, আর শেখা কষ্ট সাপেক্ষ।
    তাই বাচ্চা বয়েস থেকে ইংলিশ মিডিয়ামে দেওয়াটাই সহজ সাধ্য উপায়।পোড়া দেশে ইংরাজি এখনো চাবুক চালায় যে।

    b, যথার্থ বলেছেন, বাপ দাদারা ব্যাপার টা কি ভাবে ম্যানেজ করেছিল?
    তাদের সময় বাংলা মিডিয়ামে ইংলিশ অনেক ভালো করে শেখানো হত।বাপ, কাকারা মোটামুটি শুদ্ধ ইংলিশ লিখতে পারতেন এবং কিছুটা বলতেও পারতেন।এবং ওনারা কেউ ই ইংরাজি শেখাকে অপ্রয়োজনীয় ভাবেন নি বা বলেন নি।আমাদের সময় বাংলা মিডিয়ামে, কম ভালো করে ইংরাজি শেখানো হত। মাধ্যমিকে পাস মার্ক কমিয়ে দেওয়া হয়।বাম আমলে প্রাথমিক থেকে ইংরাজি তুলে, উইকনেস আরো বেশি প্রকট করে দেয়।
    এর সঙ্গে যুক্ত হয় আরো বেশি সংখ্যক ব্যঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল।এগুলোতে নিশ্চয় আমাদের বাপ, কাকারাই তাদের ছেলে মেয়েদের ভর্তি করা শুরু করেন। দুটি শ্রেণী বিভাগ হয়। ইংলিশ ও বাঙ্গালী মিডিয়াম।ক্রমশ,ইংলিশ মিডিয়ামের দাপটে বাঙ্গালী মিডিয়াম কোনঠাসা হয়ে পড়ে।
  • pi | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:২৩459445
  • টেকনিক্যাল বিষয়ে বাংলা বা অন্য ভাষায় ভাল পাঠ্যপুস্তক চালু তো করাই যেতে পারতো, বা এখনো পারে।
  • sda | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:৩৯459446
  • বা মি তে পড়া নিয়ে এক সময় ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্ষ ছিল, অস্বীকার করবো না।
    এখন ভাবলে হাসি পায়। ইন্ডাস্ট্রি খুব নির্মম জিনিস, এই সব সা নি ঘেটে ঘ হয়ে যায়।
  • একক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫০459448
  • ১,২ নম্বর পয়েন্ট : না, হয়না। বরং উল্টোটা মনে হয়।

    শুধু ইংলিশ বলে নয়, যদি বাইরের গ্রহ থেকে একটা ভাষা এনে শেখানো হয় সেটাও আমাদের চারপাশের ভাষার চে শেখা সহজ হবে। কারণ স্ট্রাকচার টা ফিক্সড। নুয়ান্সেস নিয়ে মাথাব্যথা নেই। লিন্গুইস্তিক কম্প্লেক্সিটি সময়ের সঙ্গে পাল্টে পাল্টে যাচ্চেনা। জাস্ট বেসিক অবজেক্টিভ কো-রিলেশন দিয়ে ভাষা টা শিখে নেওয়া যাচ্ছে। জীবন্ত এবং প্রতিবেশী একটা ভাষা শেখা অনেক কঠিন। একটা ছাপড়া নিবাসী ছেলের কাছে বাংলা শেখার চে ইংলিশ শেখায় কনফিউসড হবার চান্স কম। সাধারণ ইংরেজ রা বাংলা শিখত কীভাবে ? "পামকিন লাউকুমরা, কুকুম্বার শসা " ! অবজেক্টিভ কো-রিলেশন। তারা কেও সংস্কৃত পন্ডিত ছিল না। আমরা রুটে ঢুকতে গিয়ে কঠিন করে ফেলি। আমাদের এখন যেটা দরকার তা হলো ঐরকম বোকা বোকা একটা ইংরিজির সিলেবাস। কাওকে সেক্সপিয়ার বানানোর দরকার নেই। সেই ইংরিজি শুনে বিশ্ববাসী হাসলেও কিস্যু যায় আসেনা। ভারতীয় অরিজিন ভাষাকে লিন্গুই ফ্রাঙ্কা বানানো এইকারণেই সমর্থন করিনা। নট ইভেন হিন্দি। বানালেই কম্প্লেক্সিটি বাড়বে। বরং একদম চাইনিস-জাপানিস দের মত অবজেক্টিভলি শিকিয়ে ছেড়ে দিলে আমরা গ্রামে -গঞ্জে সর্বর্ত্র মোটামুটি ইংলিশ বোঝে ও বলে এমন লোক পাব। শিল্পের বিস্তার হবে।

    ইন দ্য লং রান এই গ্রাম্য ইংলিশ + হিন্দি +মৈথিলি+ উর্দু সব মিলে সেকেন্ড জেনেরেশন ইউরেশীয় ভাষার জন্ম দেবে। যেমন ভবিষ্যতের বাংলাও অনেকটা ইংরিজি উচ্চারণে বলা মৈথিলি গোছের ভাষা তে পরিণত হবে বলে মনে হয়। মন্দ কী।
  • সে | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৪459449
  • ওপরের পোস্টটায় একক কী লিখেছেন সেটা নিজে বুঝেছেন তো?
  • sthobre | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৬459450
  • @pi সে ঠিক কথা। ।।।।।। কিন্তু আপাতত ঐটাই আমার মনে হয় ক্ষতির দিক। ।।।। আমি তো আর কোনো ক্ষতি দেখিনি। ।।।
  • একক | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২৩:৫৯459451
  • সে

    কোন জায়গা টা না বুঝে লিখেছি মনে হচ্ছে বিনা দ্বিধায় বলে ফেলুন :)
  • Abhyu | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:০২459452
  • একক প্রোপোজাল লেখা প্রাকটিস কচ্ছে। মনে হবে বুঝি বুঝি, কিন্তু পুরোটা বোঝা যাবে না। বেশ কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হবে। গুচ্ছেক ফাণ্ডিং আসবে :)
  • সে | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:০৩459453
  • একটা সত্যি কথা বলব? (ভয়ে না বলে নির্ভয়েই বলি)
    কিচ্ছু বোঝা যাচ্ছে না। এক্কেবারে আগাগোড়া কিচ্ছু না। ভাষাটা বাংলা কিনা তা ও না। খুব সাহস করে বলি, একেবারে জগাখিচুড়ি লেগেছে আমার কাছে। একটু যদি ছেড়ে ছেড়ে লেখেন বুঝতে সুবিধে হয়।
  • Arpan | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:১৩459454
  • এই টইটাতে থেকে থেকেই জাপানিদের কথা আসে। সেমিনার, বিজ্ঞানচর্চা অনেক উচ্চমার্গের জিনিস। মুষ্টিমেয় লোকের বিচরণক্ষেত্র। খালি এটুকু বলতে পারি কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে জাপানিদেরও ইংরেজি বলার প্রয়োজন হয় বৈকি, যে জাপানী ম্যানেজার প্রোজেক্ট বাইরে আউটসোর্স করেছেন তারই কাজ চালানোর মত ইংরেজি বলার/বোঝার এবিলিটি থাকা দরকার।সে চেষ্টা সাধ্যমত তারা করেনও।দ্বিতীয়ত জাপানিদের লিংক ল্যাঙ্গুয়েজ টাইপের কোন জিনিসের প্রয়োজন নেই। ভারতে আছে।

    উল্টো প্রশ্ন করাই যায় চিনারা এত বার খেয়ে ইংরেজি শিখছে কেন? দ্বিতীয়ত দুনিয়া জুড়ে এত কাজের সাইট সবারই একটা করে ডিফল্ট ইংলিশ ভার্সন আছে কেন?
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:১৪459455
  • পুরোটা না বোঝার কিছু নেই বুঝতে চাইলে :) আমার কোনো দয়ামায়া নাই কোনো নির্দিষ্ট ভাষার প্রতি আলাদা করে। ভারত এমন একটা দেশ যেখানে "ভারতীয়" কোনো ভাষা নয়। লোকে ছেলেমানুষের মত তর্ক করে জার্মানে বিজ্ঞান হলে বাংলায় হবেনা কেন এইসব বলে। ভারতীয় ভাষা কী হবে এটাকে স্টেট এর সিদ্ধান্ত হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ারও পক্ষপাতী নই। আমার পাতি দরকার যেন সুদুর রাজস্থানের গ্রামের লোক অন্য শহরে এসে খাবারের মেনু, সাইনবোর্ড এসব বুঝতে পারে। ব্যাস। তাই ভাষার হেজিমনি ইত্যাদি সমস্ত কনশাসলি ছুঁড়ে ফেলে একটা বেসিক কমন ফরেইন এনটিটি ঢোকাতে চাই যেটার বিরুদ্ধে কোনো ভারতীয় জাতি "অমুক সম্প্রদায় এর আগ্রাসন" এর অজুহাত তুলতে পারবে না। বরং ওই থার্ড এনটিটি কে গালাগাল দিতে দিতেই একসময় সেটা সকলের নিজের ভাষার অংশ হয়ে যাবে যা কিনা আবার লিন্গুই ফ্রাঙ্কার একটা অংশ। কোনো সেন্ট্রাল প্ল্যানিং নয়। একটা ভাইরাস ঢুকিয়ে ছেড়ে দেওয়া। এটা কঠিন কিছু নয়, কেন কঠিন মনে হচ্ছে জানিনা। একচুয়ালি ই-গভর্নেন্স ইত্যাদির হাত ধরে এটাই হবে।
  • সে | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:০২459456
  • এইতো, এইবারে টেক্স্ট টা বোঝা যাচ্ছে। শুধু শব্দটা হবে লিঙ্গুআ ফ্রাংকা। lingua franca /ˌlɪŋɡwə ˈfræŋkə/ (plural lingue franche or lingua francas)
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:১৬459457
  • এই একটা শব্দে আটকে ছিল বলে বাকীটা বোঝা যায়নি ? :))) কী সাংঘাতিক কনটেক্সট লেভেল প্রসেসর !
  • :) | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:২১459459
  • আমি কিন্তু দিব্যি বুঝলাম। কনক্লুশনে (শিল্পের বিস্তার হবে। ইন দ্য লং রান এই গ্রাম্য ইংলিশ + হিন্দি +মৈথিলি+ উর্দু সব মিলে সেকেন্ড জেনেরেশন ইউরেশীয় ভাষার জন্ম দেবে। যেমন ভবিষ্যতের বাংলাও অনেকটা ইংরিজি উচ্চারণে বলা মৈথিলি গোছের ভাষা তে পরিণত হবে বলে মনে হয়। ) একমত হলাম না। সে আর কবেই বা হয়েছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন