এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি

    Su
    অন্যান্য | ২৯ জুলাই ২০০৬ | ২৫২৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kanti | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:২৫631995
  • সিকির পোষ্ট পড়ে লিখছি।জ্যোতিষ মতে রাহু এবং কেতু কোন গ্রহ নয়।প্‌থিবী এবং চন্দ্রের কক্ষ পথ দুটি বিন্দুতে পরষ্পরকে ছেদ করে। এই বিন্দু দুটি চলমান।এদেরই নাম রাহু এবং কেতু বলা হয়। জ্যোতিষ মতে এই বিন্দু দুটির রাশিচক্রে খুব গুরুঙ্কÄপূর্ন।
  • rupankar sarkar | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৫631996
  • Siki, যেতে গিয়েও ফিরে এলাম, আগে কান্তিবাবুকে বলে নিই, বি ভি রামণ বিরাট পন্ডিত লোক, তাঁর কিছু বই আমিও পড়েছি। siki বেজায় রেগে আছে কাল যে পোস্টটা উড়ে গেল, সেখান থেকে। যাই হোক, সূর্য যে স্টার আর রাহু কেতু যে কোনও গ্রহ নয়, এটা আগে আলোচনা করেছি। পৃথিবীর ভিন্ন জায়গায় একই সময়ে জন্মালে ভাগ্য আলাদা হবেই, জ্যোতিষে 'স্থান' একটা বড় ফ্যাকটর। তবে জমজ ভাই তো একই স্থানে একই সময়ে ( মোটামুটি ) জন্মেছে। তাদের ভাগ্যও মাঝে মাঝে ভিন্ন হয় এমনকি দুজনের মৃত্যুও ভিন্ন সময়ে হতে পারে। তবে সে প্রসঙ্গ টানলে আবার একটা নতুন ক®¾ট্রাভার্সির জন্ম হবে। আমি বুড়ো লোক, একা রাত জেগে লড়াই করে বড় ক্লান্ত। কিষেনজীর কেসের মত সাপোর্ট স্টাফ তো পেলামই না। তাই রণে ভঙ্গ দেয়া ছাড়া গতি নেই। জন্তু জানোয়ারেরো ভাগ্য হয় মানুষের মতই, তবে হাতের রেখার ব্যাপারটা আলাদা পামিস্ট্রি ঠিক অ্যাস্ট্রোলজি নয়, ভিন্ন বিদ্যা। ওটা প্রচলিত বেশি। দশাঙ্গ বিচার বলে একটা বিদ্যে আছে, শরীরের দশটি অঙ্গ, শুধু হাত নয়,দেখে লোকে ভাগ্য বলে। অন্ধ্রপ্রদেশে এই রকম লোক এখনও পাওয়া যায়। প্রবীরবাবুকে আমি খুব ভাল করেচিনি, আমাদের ব্যাঙ্কেরই কর্মী, অ-নে-ক কিছু জানি-ও। দা লেস ইজ সেইড দা বেটার।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৪631997
  • কিন্তু পৃথিবী আর চাঁদের কক্ষ কি আদৌ একে অপরকে ছেদ করে?

    নেটে খুঁজে পেলাম না। আমার হিসেবমতো তো এটা দুটো আলাদা প্লেনে ঘুরছে, কোথাওই ইন্টারসেক্ট হচ্ছে না।

    আমি ভুল হতে পারি। হ্যায় কোই ফান্ডাবাজ?
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৬631998
  • আরে কিশেনজীকে টানছেন কেন? ওটা আলাদা কেস।

    আমি রেগে নেই আদপেই। কেবল ভন্ডামীর সপক্ষে কইতে পারি না। বাকী সব ঠীক হ্যায় :-)
  • q | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৭631999
  • আহা, তখন কি কেউ 3D জানতো?

    ;-)
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৮632000
  • প্রবীরবাবুকে আপনি যতটা চেনেন জানেন, তার কিছু কিছু আমিও জানি। খবরের কাগজে কিছু বেরিয়েওছিল। যাই হোক, তাঁর যুক্তিগুলো আমার মন্দ লাগে নি। আর ঐ যুক্তিতে ব্যাখ্যা না মিললেই মেনে নিতে হবে, এটাও আমি ঠিক মেনে নিতে পারি না।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫০632002
  • না, কিউ, আমার সত্যি আইডিয়া নেই। চাঁদের রাস্তা আর পৃথিবীর রাস্তা কি সত্যিই ইন্টারসেক্ট করে? দুটো কক্ষপথ পরস্পরের মধ্যে দিয়ে গলে যাওয়া রিংয়ের মতন না?
  • q | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫০632001
  • ইয়ে - প্রবীর ঘোষের যুক্তি কাউন্টার করতে গিয়ে যদি ব্যক্তি নিয়ে টানাটানি হয় তাহলে সেটা অনেকটা বিপ পালের ওই টইটার মত হবে নাকি? মানে প্রতিদিনের লেখা নিয়ে খোলা টইটা?
  • q | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৫632006
  • এখানে লোকজন বড্ড সেমসাইড করে। ধুর বাবা:-(
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৫632005
  • ওকে। উইকিতেও এই ১৮ বছর বাদ বাদ কীসব যেন হবার কথা লেখা আছে। বুঝতে পারছিলাম না। এই অ্যানিমেশন দেখে একটু বোঝা গেল।
  • dukhe | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫৬632007
  • আহা এত গোল কিসের ? জ্যোতিষ, অ্যালোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি, কে সি পাল, গালিলিও, e=mc square যাতে খুশি বিশ্বাস রাখুন বা অবিশ্বাস করুন। ঠেকায় কেডা ?
    কোনটাই বুঝি না। চাপ নাই।
  • dukhe | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৫632008
  • আপনার মনের জোর যদি দাড়িদাদুর মত হয় তো প্ল্যানচেট করবেন। যদি প্রবীর ঘোষের মত হয় তো করবেন না। মিটে গেল।
  • dd | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৭632009
  • আমি স্টাটিসটিক্স ও বুঝি না। কিন্তু বিশ্বাস রাখি।
  • Bratin | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২০632010
  • ইয়ে, স্ট্যাটিস্টিক্স আর জ্যোতিষ শাস্ত্র কে এক করার একটি প্রতিবাদ জানালুম :-))
  • Tim | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২২632011
  • হ্যাঁ হ্যাঁ দুটো মোটেই এক না। জ্যোতিষে মাঝে মধ্যে প্রেডিকশন মিলে টিলেও যায়। ;-)
  • Bratin | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৪632012
  • ওরে পাগল। এক কথায় তোকে বলি : 'স্ট্যাটস একটা বড় অংশ অ্যাপ্লায়েড ম্যাথস' :-))
  • dukhe | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৯632013
  • আর রূপংকরবাবুর ঐটি খাঁটি কথা - ছাগল দিয়ে ধানচাষ হয় না। যেমন দুখেকে দিয়ে স্ট্যাট। শাস্ত্রের বারোটা বাজানোর লোকের অভাব কোথাও নেই।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৪৮632014
  • এইবার তা হলে মিলে যাবার গল্প বলি। মাইরি, জ্যোতিষের গল্পগুলো এত রোমহর্ষক হয় না!

    বাইল্যকলে আমরা থাকতাম মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জে। ক্লাস ওয়ান টু থ্রি ওখানেই পড়া, প্রথম আনন্দমেলা দিয়ে ছোটোবেলা ওখানেই শুরু।

    রঘুনাথগঞ্জের হরিদাসনগরের মোড় থেকে একটা রাস্তা সোজা এক কিলোমিটার মতন এসে একটু ডানদিকে বাঁক খেয়ে চলে গেছে সামনে পিডব্লুডি অফিসের দিকে। অফিসের সামনে একটা বিশাল বটগাছ, তার অন্যপারে হরিদাসনগর কোর্ট। সেই মোড়ের মাথায় ছিল আমাদের কোয়ার্টার। পিডব্লুডির কোয়ার্টার। বাগান, পুকুর, ইয়া ঢাউস উঠোন সমেত বাড়ি। মোড়ের উলে্‌তাদিকে একটা বিশাল বড় বাড়ি। হাভেলি টাইপের। খুব বড়লোক ছিলেন তাঁরা। ছোট ছিলাম, তাই ভদ্রলোক কে ছিলেন, কী করতেন কিছুই জানতাম না। কেবল তার মেয়ে পিউ, তার সঙ্গে ছিল আমার খুব দোস্তি। তখন আরাধনা সিনেমা রিলিজ করেছে, দুজনে মিলে "আমার স্বপ্ন তুমি, ওগো চিরদিনের সাথী' গাইতাম, বড়রা মজা লুটত আমাদের ভাব দেখে।

    অপূর্ব সুন্দরী ছিল পিউ। ধবধবে ফর্সা, গালের মাঝে ন্যাচারাল লাল লাল গোল্লা, কালো চোখ, ঘাড়ের পেছন দিকে হাল্কা লালচে চুল। ছোট্ট পরীর মতন। ওদের সঙ্গে আমাদের ভাব ছিল, প্রায়ই যাওয়া আসা চলত।

    পিউদের বাড়ির একজন ফ্যামিলি জ্যোতিষী ছিলেন। তিনি তাদের বাড়ির কোষ্ঠী টোষ্ঠী করতেন। তিনি সেই মেয়ের কোষ্ঠীবিচার করে বলেছিলেন, আমি এই মেয়ের সাত বছর তিন মাস নাগাদ এক কঠিন মৃত্যুযোগ দেখতে পাচ্ছি। আমি ওর আর পরের ভাগ্যবিচার করছি না। এই ফাঁড়া যদি কাটিয়ে উঠতে পারে, তা হলে আমি ওর বাকি জীবনের ভাগ্যবিচার করব।

    পিউ তখন সাত বছর তিন মাসেরই ছিল। একদিন স্কুল থেকে ফিরছি, দেখি ঝড়ের বেগে ওদের বাড়ি থেকে রিক্সা বেরিয়ে গেল একটা, পিউয়ের দাদা আর কে একজন বসে, সামনে পিউকে দাঁড় করানো, কেমন ঘাড় কাত করে দাঁড়িয়ে আছে পিউ। পেছনে একটা খুব হাঁউমাউ চিৎকার। তুই শীগ্গির যা হাসপাতালে, আমি আসছি।

    তখন ফোন সুলভ ছিল না। ছিল, কিন্তু রিসিভার তুলে অপারেটরকে বলতে হত নম্বর লাগিয়ে দিন, তারপরে অপেক্ষা করতে হত।

    বাড়ি এসে গল্পটা শুনলাম। পিউয়ের বাবার বন্দুক ছিল। আলমারিতে লক করে রাখা থাকত। সেদিন ওর দাদা প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ছিল, পিউ খুব দুষ্টুমি করছিল। দাদার বোন অন্ত প্রাণ ছিল। খালি খালি ডিসটার্ব করার ফলে দাদা একটু রাগের ভান করে "দাঁড়া তোকে মারব' বলে আলমারি থেকে বন্দুকটা বের করে। তারপরে অতি সাবধানে ম্যাগাজিন থেকে সমস্ত গুলি বের করে নিয়ে বোনের দিকে তাক করে ছদ্ম ঢিচক্যাঁও করে।

    পিউ তখন নতুন বায়না করে, সে বন্দুক নিয়ে খেলবে। গুলি তো বের করা হয়েই গেছে, তাই দাদা কোনও আপত্তি করে নি। পিউ বন্দুকটা নিয়ে একবার দাদার মাথায় রেখে ট্রিগার টানার চেষ্টা করছে, একবার তার গৃহশিক্ষকের মাথায়। সাত বছরের মেয়ের নরম আঙুল ট্রিগার টিপতেই পারছে না। অতএব, আবার দাদাকে বিরক্ত, দাদা এইটা কেমন করে চালায় দেখিয়ে দাও না!

    পিউয়ের বাবা তখন কাজে গেছেন কলকাতায়। দাদা এর আগে বন্দুকটায় হাত দিয়েছে, কিন্তু সে জানত না, বন্দুকের সব গুলি বের করে নিলেও লাস্ট একটা গুলি থেকে যায়, যেটা কেবলমাত্র ফায়ার করা যায়, ওটা নাকি সেই সিস্টেমের ছিল।

    দাদার আঙুলের চাপে ট্রিগার টিপে যায়, সেই একটিমাত্র গুলি চলে যায় পিউয়ের কানের পেছন দিয়ে খুলি ফুটো করে।

    সেদিন রাতেই জঙ্গীপুর সদর হাসপাতালে পিউ মারা যায়। পরদিন পিউয়ের দেহ নিয়ে পাড়ার সবাই বেরিয়েছিল, আজও মনে আছে, প্রচুর রক্ত বেরিয়ে গিয়ে পিউ আরও ফর্সা হয়ে গেছিল। পিউয়ের বাবার কোলে পিউয়ের দেহ, ঠিক যেন ঘুমিয়ে আছে, আজও মনে আছে সেই দিনের কথা।

    সেই জ্যোতিষী নাকি তারপরে চর্চা ছেড়ে দিয়েছিলেন। আর কোনওদিন কারুর ভাগ্যগণনা করেন নি।

    :-)))
  • PM | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১০632017
  • সিকি, এটা সত্যি ঘটনা না গল্প???? বেজায় চমকে গেলাম। গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। গল্প হলে শ্রাবনীর আগে তোমার নাম। সত্যি হলে .....
  • dukhe | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১০632016
  • আ খেলে যা। ভালো কিছু মিলে যাওয়ার গল্প নেই নাকি কারো ? খালি পা কাটা, সন্তান না হওয়া আর গুলিগোলা। এসব জ্যোতিষীর কাছে কেন যাবে বলুন তো ? "নিকটাত্মীয়ের অঙ্গহানি, স্ত্রীর বৈধব্যযোগ, আপনার হাজতবাসের নিখুঁত ভবিষ্যদ্বাণী শুনিয়া যান" বিজ্ঞাপন দেখলে আমি তো যেতাম না।
  • kanti | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১১632019
  • একটু অপ্রাসংগিক কয়ে ফেলি।সিকির পোষ্ট পড়ে মনে পড়ল।
    রঘুনাথ গনজে আমিও ছিলাম।তখন ওআন ক্লাসে পড়ি। অবশ্য অনেক কাল আগে।মনে আছে ওখানে থাকতেই দাড়ি দাদু মারা গেলেন।কারমাইকেল রোডের উপর শোক সভা হোয়েছিল।
  • dd | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:১১632018
  • এই ই, মাস খানেক আগেই ন্যাট জিওতে দেখেছিলাম, এক ঐ রকম মাইন্ডরীডারের কথা। সে একটা করে ট্রিক দেখায় আর কিছু বিশেষজ্ঞ সেটা এক্ষপ্লেইন করার চেষ্টা করে। যতোটা তারা বুঝতে পেরেছেন। ভদ্রলোক কিন্তু ম্যাজিশিয়ান।

    একেবারে ১০০% অবিশ্বাস্য সেই সব ট্রিকের একটি হচ্ছে এটিমে টাকা তুলতে যাবেন এক মহিলা, তাকে থামিয়ে নিজেকে ই®¾ট্রাডিউস করে, তিনি শুধু সেই মহিলার চোখ মুখ দেখে ঠিক ঠাক নম্বরটা বলে দিলেন।

    আপনেরা দেখেছেন ? ওটা একটা সিরীস মনে হয়।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:২৩632020
  • পিএম, একশো পার্সেন্ট সত্যি ঘটনা। কেবল জ্যোতিষীর ঘটনাটা মা বাবার থেকে শুনে বলা। আমিও তখন সাত বছুরে ছিলাম। কেবল সেদিন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া, আর পরদিন ওর মৃতদেহ নিয়ে যাবার সাক্ষী ছিলাম।
  • siki | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:২৪632021
  • দাড়িদাদু মারা যাবার সময়ে আপনি ওখানে ছিলেন? মানে ১৯৪১ সালে আপনার বয়েস ছিল পাঁচ। আপনার তো তা হলে এখন পঁচাত্তরের ওপর বয়েস!
  • kanti | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:২৭632022
  • ওপরে নয়। শুরু হয়েছে।
  • kumu | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৪:৩৮632023
  • ভালো ঘটনা?এই যে-

    আমার জন্মের দশদিন বাদে আমার এক তুতো কাকা এক মহাজ্যোতিষীকে দিয়ে আমার এক ছক/কুষ্ঠী না কী জানি করান।তাতে লেখা ছিল-১।এই জাতিকার আয়ু কুড়ি বছরের বেশী নয়,২।এর বিবাহযোগ নেই।

    এই গণনার কোনটাই মেলে নি,সে তো দেখাই যাচ্ছে।তবে বাড়ীর লোকের উদ্বেগ সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট ছিল।
  • rupankar sarkar | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:০২632024
  • কয়েক মিনিটের জন্য ফিরে এলাম। প্রবীরবাবুর পার্সোনাল জীবনের উল্লেখ আমি করিনি, এত দিনে আমাকে এই চিনলেন ? উনি আমার সামনে এক সভায় রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দকে ভন্ড প্রতারক বলেছেন, আরও গা গরম হয়ে যাবার মত কথা বলেছিলেন, এতদিন পর মনে নেই। যদি বলেন ঠিকই বলেছেন, তা হলে আর এই ফোরামে রাত জাগার কষ্ট করব না। উনি বলেছিলেন শকুন্তলা দেবী একটা ফ্রড। উনি গ্‌র্‌যান্ড হোটেলে চ্যালেঞ্জ জানাতে গেলে তিনি নাকি পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। এনি ফীলারস ? যদি থাকে ফিরে এসে বলছি।
  • kc | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৩০632025
  • সিকির গল্পটা ২০০% সত্যি। রঘুনাথগঞ্জএর ওনারা আমাদের তিন পুরুষের ফেমিলি ফ্রেন্ড।
  • kd | ০১ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৩৯632027
  • সিকি@10:54 - লাস্ট প্যারাটা পড়ে ""ওয়াক্ত'' সিনেমায় বলরাজ সাহনির ডায়ালগ মনে পড়ে গেলো। :)

    কুমু@2:38 - জ্যোতিষী ভুল নাও হ'তে পারে। তোমার বয়স তো ২০+ (আমার এক বান্ধবী আমায় তার বয়স বলেছিলো টোয়েন্টি থার্টিসিক্স)। আর বিয়ে? হয়তো পুরুত মন্ত্র পড়তে ভুল করেছিলো - তোমরা এতদিন লিভ টুগেদার করছো। বলা কী যায়? :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন