এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশুশিক্ষা ও বিদ্যালয় অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত

    rimi
    অন্যান্য | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ | ২৩১৪১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Blank | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:২৯402142
  • আম্মো
  • siki | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩০402143
  • ঐ। ঐখানেই কবি কেঁদেছেন। রেন মার্টিন খুব সামান্য অংশ প্রাইভেট কোচিংয়ে পড়েছি। ইস্কুলে গ্রামার বই????? নেভার! ইস্কুলের গ্র্যান্ট বন্ধ করে দেবে সরকার। ইস্কুলের হেডুকে শোকজ করবে সরকার। বিনোদিনী গার্লস স্কুল গ্রামার পড়াত স্কুলে, শোকজ হয়েছিল, হেডমিস্ট্রেসকে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল।

    আমার বেস তৈরি হয়েছে বাড়িতে। স্কুলে নয়। আর কিছুটা পরে নাইন টেনের কোচিংয়ে। কিন্তু আমার যে সেই বেসটা আছে, সে সম্বন্ধে আমি অজ্ঞ ছিলাম বহুদিন।

    আর পাঠ্য বইয়ের বাইরে কোনওদিন কোনও ইংরেজি ফিকশন বই পড়ি নি। দিল্লি আসার আগে পর্যন্ত।
  • Arijit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৩402144
  • বেথের এই শেষের পয়েন্টটার জন্যে কিন্তু লার্নিং ইংলিশ বা কেন্দ্রীয় সরকার বা রাজ্য সরকার বা মমতা বন্দো বা সুসি বা আম্রিকান সাম্রাজ্যবাদ - কেউই দায়ী নয়।

    এবং এই রোগটা বহু বহু বাঙালীর আছে।
  • nyara | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৪402146
  • "বাঙালীকে ইংরাজী জানে না বলিবার বাড়া গাল আর নাই" - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • sinfaut | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৪402145
  • কোনটা ইংরাজি ফিকশন বই না পড়া? সেটা রোগ বললে কেন? একজনের পছন্দ না হতেই পারে।
  • Blank | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৭402147
  • হে হে
  • Arjiit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৮402148
  • অপছন্দের চেয়ে সাধারণত: যেটা হয় সেটা হল বিজাতীয় ভাষা বলে লোকে সচ্ছন্দ নয়, তাই এট্টু ভয় ভয় বা আনকম্ফি ফীল করে। তাই বল্লুম।
  • siki | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৩৯402149
  • বাদ্দাও। শেষের পয়েন্টের জন্য সম্পূর্ণভাবে আমি দায়ি। কিন্তু তার পরেও অনেক ইফ্‌স অ্যান্ড বাট্‌স থেকে যায়। সেগুলো এখন বলছি না। আলোচনা এগোক।

    ব্যাপারটা অরিজিৎ, অন্য অ্যাঙ্গল থেকে দ্যাখো। যারা আমার মত বাড়ি থেকে ইংরেজি গ্রামার শিখে স্কুলে আসতে পারে নি, ইংরেজি বই পড়া তো পরের কথা, তাদের আজও লেখ্য আর কথ্য ইংরেজিতে কী প্যাথেটিক দশা! গ্রামারের পুরো "মা-ব্যাহেন' করে রেখে দেয় একেবারে। ক্লায়েন্টের কাছে ডকু বা মেল পাঠাবার পর সিসি-তে থাকা আমারই কেমন লজ্জা করে লেখাগুলো পড়ে। ইংরেজি শিক্ষার বেস যে এদের নেই, সেটা বুঝতে একবারে অসুবিধে হয় না। লার্নিং ইংলিশ এদের কী উন্নতিটা করল, সেটাই প্রশ্ন। আমি তো লার্নিং ইংলিশকে স্কুলেই পাত্তা দিই নি, আমার "বাবা' আছে বলে। কিন্তু যাদের লার্নিং ইংলিশ ছাড়া আর কোনও গতি ছিল না?
  • shrabani | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৪৩402150
  • ব্ল্যাঙ্কি,
    আমি এতদিন জানতাম মেয়েরা ন্যান্সি ড্রু পড়ত ছেলেরা হার্ডি বয়েজ (আমার ক্লাসের ছেলেরা তাই বলত )। আমি কি ভুল জানতাম?
    তুই কি মিলস এন্ড বুনসও পড়েছিস?
  • Arijit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৪৫402152
  • লার্নিং ইংলিশ নিয়ে অন্য টই খুলে তর্ক করবো। পদ্ধতিটা নিয়ে। একটা জিনিস ভেবে দ্যাখো - তুমি বাংলা শিখেছ ঠিক ওই পদ্ধতিতেই। আগে গ্রামার শিখে নয়।
  • san | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫০402154
  • এইখানে আমার এক পিস প্রশ্ন আছে। ছেলেপুলেদের দুরবস্থার জন্য কতটা লার্নিং ইংলিশ দায়ী, আর কতটা নিজের সদিচ্ছা। দোষ দেবার সময় সক্কলে বলে ওই তো লার্নিং ইংলিশ পড়েছি তাই আমার ইংরিজির এই দশা। কিন্তু জিগ্গেস না করলে কেউ বলেনা যে কক্ষনো গপ্পের বই পড়ার চেষ্টা করে দেখিনি, খবরের কাগজ পড়ে দেখিনি, সুপারহিট মুকাবলা দেখেছি কিন্তু ইংরিজি প্রোগ্রাম দেখিনি। লার্নিং ইংলিশের আইডিয়াটা কিন্তু আদৌ এটা ছিলনা যে শুধু ওইটা পড়েই শিখে যাবে। আনুষঙ্গিক ও কিছু লাগতো।সেইগুলো স্কুলে করেনি, সত্যি কথা, কিন্তু লোকে, মানে ছাত্ররা, তাদের মা-বাবারা নিজেরাও করেনি।

    *** গ্রাম বা মফস্বল নিয়ে আমি বিশেষ কিছু জানিনা। তবে কোলকাতায় অন্তত কাছাকাছি লাইব্রেরি থাকে, আর মধ্যবিত্তের বাড়িতে এক পিস খবর কাগজ আসে, আর আমাদের জেনারেশনে মধ্যবিত্তের বাড়িতে টিভিও থাকতো।
  • siki | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫০402153
  • বাংলাটা আমার মাতৃভাষা। ইংরেজিটা নয়। ওটা বিদেশী ভাষা। দুটো শেখানোর মেথডও এক হওয়া উচিত নয়।
  • Arijit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৩402155
  • ইংলিশ ব্রিটিশদের মাতৃভাষা - কিন্তু ওরা ঠিক ওইভাবেই শেখে।
  • Arijit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৪402156
  • এবং ঋক নার্সারীতে ফ্রেঞ্চ শিখতো - ঠিক ওইভাবেই শিখতো।

    বাকিটা স্যান বলে দিয়েছে।
  • shrabani | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৫402157
  • এটা স্যান ঠিক বলেছে। বাংলা তো লোকের নিজের ভাষা তাতেও ক্লাসে ফেল করে কেন, সবাই ভাল বাংলা শেখেনা কেন?
  • Blank | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১২:৫৯402158
  • আমি অল্প কদিন ফ্রেঞ্চ শিখেছিলাম, ওমনি ভাবেই শুরু হয়েছিল পড়ানো। একটা অনেক ছবি আঁকা বই, ছোট ছোট কথা, এই সব।
  • Blank | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:০০402159
  • ন্যান্সি ড্রিউ এর ওপর ফিদা হয়ে গেচিলুম :)
  • siki | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:৩১402160
  • স্যানের শেষ কথাটা সত্যি। পড়িনি, বাড়িতে আবহাওয়া ছিল না, বলার চেষ্টাও করি নি, দরকার পড়ে নি, কিন্তু শুনতাম। ক্লাস সেভেন এইট থেকে প্রতি শুক্কুরবার প্রণয় রায়ের ওয়ার্ল্ড দিস উইক দেখতাম। ডিডি ওয়ানের ইংরেজি নিউজ দেখতাম। তাই ইংরেজি লেকচার শুনতে কোনওদিন ভয় করে নি বা বুঝতে একফোঁটাও অসুবিধে হয় নি।
  • Arijit | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:৩৮402161
  • হ্যাঁ, একটা কথা আগেও বলেছি, আবারও বলবো - এর সাথে অ্যাসোসিয়েটেড অনেক কিছু দরকার - যেমন উপযুক্ত বই, লাইব্রেরী, ট্রেইনড শিক্ষক, এখন তো অডিও-ভিজুয়ালও হয়েছে - এসব কিছুই ছিলো না, ভাবাও হয়নি, হয়তো এর সামর্থ্যও ছিলো না। কাজেই পুরো প্রোজেক্টটা হরিবোল হয়ে গেছিলো।
  • shyamal | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:৪৭402163
  • অরিজিতের সঙ্গে একমত। ইংরিজি বলতে বা লিখতে কোনই অসুবিধা হয়না। যদিও বাংলা স্কুলে পড়েছি, কিন্তু বড়দের চাপে ক্লাস নাইন থেকে ইংরিজিতে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি পড়েছি। তার ফলটা খুবই ভাল হয়েছে। তারপর চাকরি করতে গিয়ে বম্বেতে দুবছর থাকায় বলাটা সড়গড় হল। কিন্তু চেষ্টা করে বুঝেছি সাহিত্য লেখা অন্য ব্যাপার।
    ওর জন্য জন্ম থেকে ইংরিজি শেখা চাই বোধ হয়।

    আমি চেষ্টা করলে বাংলা গল্প নামিয়ে দিতে পারব। কিন্তু ইংরিজি সাহিত্য লিখতে গেলে সেটা মোটেই ঝুম্পা লাহিড়ি বা অমিতাভ ঘোষের মত হবেনা। আমার ছেলে যদি চেষ্টা করে, হয়তো পারবে। সাহিত্যে ইন্টারেস্ট আছে।
  • sayan | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ১৯:৩৯402164
  • কেউ পিকে দে সরকার'এর "এ টেকস্ট বুক অফ হায়ার ইংলিশ গ্রামার অ্যান্ড কম্পোজিশন' পড়ে নাই?
  • arjo | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২১:০৩402165
  • বাবা কত পোস্ট।

    লার্ণিং ইংলিশ বলতে শুধু একটা বই নয়, আমি পুরো মেথডটা বলেছি। যা যা আমার ভুল বলে মনে হয়:

    ১। যেকোনো ভাষা যত ছোটবেলা থেকে শেখা যায় ততই ভালো। এটা এখন বৈজ্ঞানিক ভাবে এস্টাবলিস্‌ড। ছোট থেকে শিখলে ছোটদের বাইলিঙ্গুয়াল, মাল্টিলিঙ্গুয়াল হতে কোনো অসুবিধা হয় না। খুব তাড়াতাড়ি অ্যাডপ্ট করতে পারে। মাতৃভাষা না হলে সেটা আরও জরুরী। লার্ণিং ইংলিশ নামক মেথডে একটা সম্পূর্ণ বিদেশী ভাষা শুরু হয় ক্লাস সিক্স থেকে।

    ২। যেকোনো ভাষা শিখতে গেলে নেসেসারি বাট নট সাফিসিয়েন্ট কন্ডিশন হল নূন্যতম গ্রামার জানা এবং ভোকাবুলারি শেখা। তার সাথে সাহিত্য পড়ার দরজা খুলে দেওয়া, যাতে নিজে নিজে আরও বেশি পড়া যায় এবং যত পড়বে তত বেশি সেই জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। কোনো একটা বিদেশী ভাষা পড়তে গেলে বেসিক গ্রামার না জেনে উপায় নেই। মাতৃভাষার সাথে তুলনা করে লাভ নেই। ছোট থেকে শুনতে শুনতে, বলতে বলতে, ভুল করতে করতে কখন মাথার মধ্যে বেসিক গ্রামার এবং বেসিক ভোকাবুলারি গেঁথে যায় টেরই পাওয়া যায় না। বিদেশী ভাষার ক্ষেত্রে সেটা হয় না। লার্ণিং ইংলিশ নামক মেথডে বেসিক গ্রামার বা ভোকাবুলারি শেখানোর দিকে নজর দেওয়া হয় না।

    ৩। ভালো সাহিত্য না পড়লে ভালো ভাষা শেখা যায় না। সবাই ভালো সাহিত্যিক হয় না। সবাইকে ভালো সাহিত্যক হতে হবে সেটাও নয়। কিন্তু এক্সপোজার না দিলে কেউই ভালো হয় না। লার্ণিং ইংলিশ নামক মেথডে সাহিত্য পড়ার প্রয়োজনীয়তা সম্পূর্ণ ইগনোর করা হয়েছে। এতে দুটো সমস্যা হয় প্রথমত: এক্সপোজারটা পাওয়া যায় না। দ্বিতীয়ত: সাহিত্য খুব একটা দরকারী নয় এই ম্যাসেজ টা ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এর পরেও ইন্ডিভিজুয়াল প্রিভিলেজে বা ইন্টারেস্টে অনেকেই ভালো ইংরিজি শেখে কিন্তু তাতে লার্ণিং ইংলিশ নামক মেথডটি ভালো হয়ে যায় না। এখানে যখন লেখা তখন সেই প্রিভিলেজড ক্লাসের কথা মাথায় রেখে লেখা নয়। আরও অনেক বেশি সংখ্যার ছাত্রদের কথা মাথায় রেখে লেখা। তাই এর সাথে আমি বা আপনি পার্সোনালি কতটা ইংরিজি জানি বা বলতে পারি এর কোনো সম্পর্ক নেই।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২১:৫০402166
  • একটা স্ববিরোধ এই সুতোতে নজরে পড়ছে। একদিকে বাচ্চারা আনন্দে শিখুক, কোন রকম বাধ্যবাধকতা ছাড়া শিখুক - এই বানী। আর অন্য দিকে গোটা জাতকে দ্বৈভাষীক বানানোর শ্রেষ্ঠ উপায়ের আলোচনা।

    বাধ্যবাধকতা ছাড়া কোন জাত দ্বৈভাষীক হয় কি?
  • r | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২১:৫৫402167
  • উঁহুঁ! কি শিখবে সেটা বাধ্যবাধকতা, কিভাবে শিখবে সেটা সানন্দ ও চাপমুক্ত। ক¾ট্রাডিকশন নেই।
  • r | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২১:৫৮402168
  • কি শিখবে সেটা একভাষিক হোক, বা দ্বিভাষিক হোক, বাধ্যবাধকতাই থাকবে। তিন চার বছর বয়সের শিশুদের জন্য অপশনাল পেপার কি খুব যুক্তিযুক্ত হবে? ;-)
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২১:৫৯402169
  • সাধারনভাবে 'র'-এর কথাটা মানলুম। কিন্তু ভাষা শেখার ব্যাপারটা বোধ হয় একটু অন্যরকম। বাধ্যবাধকতা ছাড়া একটা গোটা জাতি অন্য ভাষায় পন্ডিত হয়েছে, এমন উদাহরন আছে কি?
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:১০402171
  • মানে আমি শেখানোর পদ্ধতির বাধ্যবাধকতা বলছি। খানিক চেপে ধরে না শেখালে সব শিশুই একটা অন্য ভাষা শিখে নেবে, এমন কি হয়?
  • r | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:১০402170
  • অজদা আরও একটু খোলসা করুন। জাতির বাধ্যবাধকতার সাথে শিশুদের পড়াশুনার চাপের ক্ষীণ সম্পর্ক থাকতেই পারে, কিন্তু আমার মনে হয় না খুব গুরুত্বপূর্ণ। সব জাতিরই কিছু না কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। যতদূর জানি ইংলন্ডে স্টেজ ওয়ান ও স্টেজ টুতে ধর্মীয় শিক্ষা কম্পালসরি। এটা তাদের বাধ্যবাধকতা।
  • r | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:১৬402172
  • যে কোনো নতুন জিনিষ শেখাতে তো একটু "চেপে ধরতে" হবেই। মাতৃভাষা পড়া ও লেখার জন্যও। কিন্তু প্রশ্নতা হল কতটা চাপবেন তা নিয়ে। আমরা একদম ছোটোবেলা থেকে ইংরিজি শিখেছি, আবার আমার মেয়ে শিখছে। দুই সময়ের পদ্ধতি তুলনা করে বুঝি "চেপে ধরা" কিভাবে কমানো যায়। আমাদের পদ্ধতি ছিল "ইংরিজি" ঘোষিয়ে শেখানোর থেকে সামান্য উন্নত। এখন যে সব বই দেখি সেগুলো আমাদের ছোটোবেলায় থাকলে আমাদের অনেক বন্ধুর ইংরিজি শেখা আরও একটু এগোত।
  • aja | ২১ নভেম্বর ২০০৮ ২২:১৭402174
  • আমাদের ইংরাজী শেখার যে বাধ্যবাধকতা, তার সাথে ইংরেজের ধর্মীয় শিক্ষার বাধ্যবাধকতা ঠিক এক নয়। ইংরেজ বিশ বছরে পৌঁছে "অন্ডকোষহীন পুরুষের পার্লি গেটে প্রবেশাধিকার আছে কি না", এই কূট প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারলে তার ঠাকমা হয়তো রাগ করে, কিন্তু আর কিছু হয় না। অন্য দিকে ইংরাজীতে একটা মিনিমিমাম প্রফিসিয়েন্সি না থাকলে আমাদের বন্ধুরা ঠাট্টা করে, বাবা চায়ের দোকান খোলার পয়সা কোত্থেকে আসবে জানতে চায়, মাস্টার পেটায় আর এমপ্লয়ার চাকরি দেয় না। গার্লফ্রেন্ড, যদি দেখতে ভাল হয়, তো ছেড়ে চলে যায়। তো একটা গোটা জাতকে অন্য ভাষায় এই মিনিমাম প্রফিসিয়েন্সি লাভ করানো, এটা কি খানিক জবরদস্তি শেখানো ছাড়া হয়?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন