এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫৩৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • saa | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০০:৪৮669679
  • ঠিক বলেছো ট্যান,
    ভোটার কুল কে সর্বহারা বানিয়ে রাখতে হবে না? ইংরিজি শিখে ফেল্লে যে সাড়ে সব্বোনাশ! ইদিকে নিজের ছেলের লন্ডনে হোটেল থাকতে হবেক! নাতিনীর বিয়াও হইতে হবে লন্ডনে, তবেই না সব্বোহারার ল্যাতা!!!
    এদের ই তো ইঞ্জিরি জানার দরকার! আমজনতার মতো মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্ত বাংলা মিডিয়ামে পড়া হাবিজাবি জনতার কথা কে ভাব্বে বলো!
  • tan | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০০:৫৮669680
  • না না উচ্চপর্যায়ের প্রজাও আছে,এই ধরুন না কেন লক্ষ্মীবাবু! তো,এই মিত্তলেরও তো ছেলের বিয়ে হয় ভার্সাই প্রাসাদে!
    ক্যাটেগোরাইজ করা আছে সব!
  • tan | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০১:০৭669681
  • ইংরিজী যদি প্রথমে নাও তুলতো,নাও ফের নামাতো,তাহলেও বিশেষ কিছু ইতরবিশেষ হতো না।
    আমপাব্লিক আমপাব্লিকই থাকতো,তাদের ভাগে শুকনা কাঁচকলাই থাকতো, রাজাগজার ছেলেপিলের বিয়ে ভার্সাই প্রাসাদেই হতো,হানিমুনে তারা হাওয়াইতেই যেতো!
    ঐ বাক্স-সমাজের পরিবর্তন করা সোজা কথা নয়।যেখানে কিনা বাধাগতের প্রশ্নগুলাই এইরকম,""আহা বিটিয়া,তুমি কোথাকার? আইআইটি না সেন্ট জেভিয়ার্স?""
    উত্তর হ্যাঁ হলে মধুমাখা পরবর্তী প্রশ্ন,""ফুল স্কল তো? ""
    উত্তর না হলে,""শয়তান,মিথ্যে কথা বলার জায়্‌গা পাস না? চড় মেরে চাপার সবকটা দাঁত ফেলে দেবো! কেমন করে জানি ব্যাকডোর দিয়ে আমার পাশের সীটে উঠেছে ব্যাটা সন্ত্রাসীর বাচ্ছা!""
    তো, এইসব তো একজন লেনিনে বা একজন স্তালিনে এসে পাল্টাতে পারবে না,শয়ে শয়ে লাগবে!
  • tan | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০২:০৫669682
  • খুব অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছে, একেবারে রবীন্দ্রনাথ, হোমিওপ্যাথি ও কুস্তির প্রয়োজনীয়তা মতন জড়িয়ে যাচ্ছে।
    (একজন তার বক্তৃতায় বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ এত ভালোকবিতা কেন লিখতেন জানেন? উনি রোজ সকালে উঠে ছাদে গিয়ে দুই কুস্তিগীরের সঙ্গে কুস্তি করতেন! তাছাড়া উনি এই গরীব দেশে হৈমিওপ্যাথি চিকিৎসাও করতেন!:-)))))
    আপনারা যারা সিঙ্গুর নিয়ে জরুরী আলোচনা করছিলেন, তারা দ্রুত এসে সুতো হাতে নিন প্লীজ!
  • b | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০৯:৪৫669683
  • ইশান যখন আমার কথা কিসুই বোঝে নি তখন আমাকেই খোলসা করে কইতে হয়।

    ব্যবসার 'নিয়ম' যেটা অজ্জিত বলেছিল, সেই 'নিয়ম' কে 'আইন' অর্থে আমি ধরেছিলাম এবংগ ব্যবসার জগতের legal structure নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম। এই ধরাটায় ভুল হয়ে থাকতে পারে কিন্তু legal structure কে কোচ্চেন করাটায় সম্ভবত ভুল বেশি নাই।

    কেন নাই বলে আমি মনে করছি এই ক্ষেত্রে সেইটা সংক্ষেপে কই (দমু প্যাঁক দিবা না।)

    ব্যবসা বাণিজ্য র জন্য যত নিয়ম কানুন আছে তার একটি গ্যঁড়া কল রয়েছে, তা হল সব কিছুই সম্ভব যদি contract থাকে। business page এ বিভিন্ন litigation এর খবর পড়লেই এটা বোঝা যায়। আমার মতে যে কোনো রাষ্ট্রের legislative process কে এটা bypass করে, এবং কে কার সঙ্গে কি contract করতে পারে, তার কোনো মা বাপ নাই।

    এক মালিক ঠিক করলেন এক কোং তিনি অন্য এক লোককে বেচবেন, তাইতে employee,vendor কারুর ই কোনো বক্তব্য থাকাটা র কোনো জায়্‌গা নেই। কেন নেই। আমি এই বিষয় টাকে কোচ্চেন করছি।

    আমার বক্তব্য খুব সোজা, ভারতবর্ষে বহুদিন ধরে সমস্ত আইন কানুন, সমস্ত government/ governmental executive decision মূলত: capital accumulation এ যারা এগিয়ে, সে বড় জমির মালিক হোক, আর শিল্পপতি হোক, তাদের পক্ষে, বা তারা সবচেয়ে কম ক্ষতিগ্রস্ত, ও তাদের ক্ষতি পূরণের নানা ব্যবস্থা থেকেছে। এই বারে এইটা যদি চলে্‌ত থাকে দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে, তাইলে ব্যবসার 'নিয়ম' বলে আর কিসু থাকে না, এই টাই বলেছিলাম। অর্থনীতির যে সব অবস্থায়, বাজারের যে নিয়ম দাঁড়িয়ে যায়, দামের কমা বাড়া, demand এর supply নানা নিয়ম ইত্যাদি, আরো সব জটিল generailsation (জেগুলো র আমায় না পড়ালে আমি বুঝব না) হয়, তার অবস্থা আমি অন্তত মোদ্দা দেখতে পাচ্চি না। it is not even playing field with rules, forget level

    আর উন্নয়নের মডেল সংক্রান্ত কথায় ইশান যেটা বলেছে, সেটাতে খুব obviously আমি খানিকটা সহমত। উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ের সমস্ত মডেলেই agency র সমস্যা গভীর, devoluted নয়, এ কথ আমি এবং অনেকে সম্ভবত আগে কোনো পোস্টে বলেছি/বলেছে।
  • b | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ০৯:৫১669684
  • ইশেনের বক্তব্যের 'আবাপ তুলনায় গণতান্ত্রিক' এই প্রসংগে মৃদু হাসি ছাড়া আর তেমন কিছু কইবার নাই। কারণ তাইলে tan বলবে ব ছড়িয়ে প্রসঙ্গান্তর করছে। in fact সেটা অন্য কোনো দিন হবে।

    আজকাল আবাপ বর্তমান এই গুলো কোনো পত্রিকাই নয়। এদেরসবার তুলোনা শুধু এরা নিজেরাই।
  • kallol | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১০:১৫669685
  • বড্ডো ছড়িয়ে গেছে। (অ)শোক বাবুকে নিয়ে এতো মাথা ঘামানোর কোন মানে হয় না। উনি শোকে থাকতে ভালোবাসেন। ওকে শোকে থাকতে দিন।

    আমার বলার ছিলো উন্নয়নের মডেল নিয়ে। যে উন্নয়নের কথা আমাদের শেখানো হয় (মিল থেকে মার্ক্স) : শিল্প=উন্নয়ন অতএব বেশি শিল্প=বেশি উন্নয়ন, সেই জয়গাটাতেই আপত্তি। ভলো থাকা - খারাপ থাকা আমার কাছে খুব বেশিরকমের দরকারি সূচক। মানুষ শুধু খেয়ে-পড়ে-বাচ্চা পয়দা করে মানুষ হয় নি। তার ভলো থাকা - খারাপ থাকা আরও অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। তাই আমি যখন উন্নয়নের কথা ভাবি তখন ঐ পুরোটা নিয়েই ভাবি। হতে পারে আমার উন্নয়নের ভাবনা অর্থনীতির ক্ষেত্রে বাতিল হয়ে গেছে (বাতিল করলো কারা?)। তো!! আমায় তো আর অর্থনীতির ক্লাশ করাতে হবে না। আর সেই কারনেই হয়তো ইউনুসবাবু অর্থনীতি নয় শান্তি-তে নোবেল পান। আজকেই আজকাল-এ (১৭।১০।২০০৬) দেখলাম ইউনুসবাবু বলেছেন ""মুনাফা ছাড়াও ব্যবসা হয়""। উনি "ব্যবসা" শব্দটা ব্যবহার করেছেন, আমার মনে হলো উনি "উৎপাদন"-এর কথা বলছেন।
    আমার বলার ছিলো, যে উন্নয়নের ধাক্কায় পৃথিবীটাই দূষিত হয়ে যাচ্ছে, সেটা কি আদৌ উন্নয়ন ? বিকল্প-টিকল্প নয়, বিকল্প মানে তো ঐ উন্নয়ন বানাম এই উন্নয়ন। তাহলে তো মানতে হয় শিল্প=উন্নয়ন-ও একরকমের উন্নয়ন। আমি ওটাকে উন্নয়ন বলে ভাবতেই রাজি নই। আর ওটা (শিল্প=উন্নয়ন) যদি উন্নয়ন হয়, তবে সিঙ্গুর নিয়ে তক্কো করা বৃথা, যা হচ্ছে, মোটামুটি সেটাই রাস্তা। হয়তো, যে রকম আকাটের মতো বুদ্ধ-নিরুপম করছে, সেই পদ্ধতিটা আর একটু মানবিক হতে পারে।
    কিন্তু আমার বলার ছিলো, এটা উন্নয়নই নয়।
  • kallol | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১০:৪৮669686
  • কোথায় যেন ব্যবসা/বাজার-এর নিয়ম নিয়ে কিছু সুতো ছাড়াছাড়ি দেখলাম। বোধহয় ঈশান আর র-এর।
    ব্যবসা/বাজার-এর নিয়ম খাটে সমানে সমানে। তাও সুযোগ পেলে তলপেটে মারতে কেউই ছড়ে না। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীও ব্যবসা করেছে, মনসেন্টো-ও ব্যবসা করছে। আর নিয়ম ? আইন ? কে বানায় ? কে আইন বানিয়েছিলো - ভারত থেকে কাপড় ইংল্যান্ডে গেলে ট্যাক্স দিতে হবে। আর ল্যাঙ্কাশায়ারের কাপড় ভারতে এলে তাতে ট্যাক্স লাগবে না ? ভারতের তাঁতিরা ? কে পেটেন্ট আইন বানিয়েছে ? যাতে যুগ যুগ ধরে মানুষ যে শষ্য বীজ নিয়ে শষ্য ফলিয়েছে তা আর তার থাকে না। ঐ কৃষকেরা ? এই ধ্যাস্টামোগুলো নিয়ম ? তাই বলছিলাম, ট্যাক্সিতে চড়লে ভাড়া দিতেই হবে - এমন মাথার দিব্যি সব যায়গায়/সবার ক্ষেত্রে খাটে কি ?
  • dd | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১২:০৪669687
  • কল্লোল ঠিকই বলেছেন। এটা কোনো উন্নয়নই নয়। এটকেই উন্নয়ন অর্থনীতি বলে নিওক্লাসিকাল অর্থনীতিকে চেঁচাতেই হবে। কারণ, লজিকগত ভাবে সেখানে সমষ্টির একটাই অর্থ: ব্যক্তিদের ব্যক্তিস্বার্থ প্রয়াসের যোগফল। বা, অমর্ত্য সেনদের মত কিছু ব্যক্তিবোধ থেকে আসা কিছু মানবিক প্যারামিটারকে বাইরে থেকে যুক্তিগঠনের উপর জুড়ে দেওয়া। যা আরেক জনের মতে অন্য কিছু হতেই পারে, এবং হওয়াটাই স্বাভাবিক। সামাজিক অর্থে সমষ্টি সেখানে নেই।
    এই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ব্রান্ড সমাজ ধারণাকে ব্যবহার করা ছাড়া গত্যন্তর নেই এই ধরনের উন্নয়ন ধারণার।
  • Arjit | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৩:৩৭669689
  • ইংরিজী নিয়ে যুক্তিগুলো ছড়িয়ে ছত্রিশ এবং বস্তাপচা, এবং অবশ্যই অপ্রাসঙ্গিক।
  • Arjit | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৩:৫০669691
  • দ্বিতীয় লেখাটায় একটা লাইনে চোখ আটকে গেলো - "জমির আইনী মালিক সরকার" - প্রশ্ন "কিভাবে"? এবং যদি তাই হয়, তাহলে ব্যক্তিগত সম্পত্তির যুক্তি (র-য়ের) উড়ে গেলো??
  • r | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৪:৪৮669692
  • ইতিহাসে শিল্পহীন উন্নয়নের মডেল এবং সেই মডেলের প্রয়োগ কোনোদিন দেখি নি। নিওক্লাসিকাল থেকে মার্ক্স অবধি। গান্ধীজি এইরকম কিছু বলতেন বটে। তবে সেখানে যুক্তির থেকে আবেগটাই বেশি। ভালো থাকা না থাকা নিয়েও সেই একই কথা। আমাদের মত সুখী বাবুরা অবশ্যই ভালো থাকা না থাকা নিয়ে ভাববেন। কিন্তু যাদের পেটে কিল মেরে থাকতে হয়, তাদের কাছে মনে হয় ভাত কাপড়ের জোগানটাই প্রথমে দিই। কোনো এক অলস মধ্যাহ্নে না হয় ভালো থাকা না থাকা নিয়ে ভাবব। ব্রিটিশ আমলের কিছু কথাও উঠেছে দেখলাম। কোনো ঔপনিবেশিক শাসনেই বাজারের নিয়ম পুরো মানা হয় নি।
  • kallol | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৬:০৮669693
  • ইতিহাস তো কতোকিছুই দ্যাখে নি। ""শিল্পবিপলব""-এর আগে শিল্প দ্যাখে নি, চার্লস ব্যাবেজের আগে যন্ত্রগণক দ্যাখে নি, আইনস্টাইনের আগে আপেক্ষিকতা দ্যাখে নি.........। ওটা ভেবে কাজ নেই।
    যদি ইউনুসবাবু কারুর কিঞ্চিৎ ভালো করে থাকেন, তবে সেটাও একটা রাস্তা হতে পারে। কিন্তু কিন্তু কিন্তু............ কোনোভাবেই একমাত্র রাস্তা নয়। ওটা বাঙলাদেশের, এই বিশেষ সময়ের, একটা রাস্তা। সম্প্রতি NGO সুতোয় ইউনুসবাবু ও গ্রামীণ ব্যাঙ্কের নানান কেচ্ছা দেখলাম। সত্য-মিথ্যা, প্রমাণ-অপ্রমাণ পরের কথা। শুধু সম্ভাবনার কথা ধরলেও - এমনটাতো হতেই পারে।
    এই প্রসঙ্গে কিছু বিশ্বাসের কথা বলি।
    বিশ্বাস ১:
    যখনই একটা সংগঠন ""বড়ো"" হয় এবং তার একটা পিরামিড কাঠামো গড়ে ওঠে, তখন সংগঠনের নানান ঘুপচিতে নানান ক্ষমতা কেন্দ্র তৈরী হয়। তাদের আর্ন্তসম্পর্ক, যাকে বাঙলায় বলে "hierarchy"", যে আমলাতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরী করে, তাতে নানা রকমের অসততা, বিচ্যুতি বুকে হেঁটে ঢুকে পড়ে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে সংগঠন শুরু হয়েছিলো তা থেকে অনেক দূরে চলে যায়।
    বিশ্বাস ২:
    প্রমান ব্যাপারটা খুব গোলমেলে। বিংশ শতাব্দির প্রথমভাগে জি কে চেস্টারটন নামে এক ভদ্রলোক বলেছিলেন ""প্রমান তো সত্যিকে মিথ্যা বা মিথ্যাকে সত্যি বানাতে দরকার লাগে, সত্যের কোন প্রমান হয় না।""
    (বা সে ভাবে দেখলে মিথ্যারও কোন প্রমান হয় না)।কাজেই আজকের ভালোটা সবসময়ের ভালো তা কখনই নয়। তাই বলছিলাম ইতিহাস তো কতোকিছুই দ্যাখে নি।
  • r | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৬:১৫669694
  • স্বপ্ন একান্তই ব্যক্তিগত অভ্যাস। কাজেই স্বপ্ন নিয়ে তর্ক হয় না। তবে সজ্ঞানে ইউটোপিয়া চর্চায় ভরসা নেই। কবিতা লেখার সময় ভেবে দেখব। উন্নয়নের আলোচনার সময় নয়।
  • kallol | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৭:৪৫669695
  • ভালো থাকা - খারাপ থাকা, সুখী বাবু ও পেটে কিলের গল্প।
    আমি যে ভালো থাকার কথা বলছিলাম, তা সুখী বাবুদের ভাত ঘুমের ভালো থাকা নয়। গোটা ভক্তি আন্দোলন জুড়ে যে সব পেটে কিল মারা মানুষেরা (শ্রীচৈতন্য থেকে সন্ত ফুলে থেকে নিজামুদ্দিন আউলিয়া থেকে ভক্ত কবীর) নানা রকম ভালো থাকার কথা বলেছেন। পূব-পশ্চিম বাঙলা জুড়ে যেসব আউল-বাউল-ফকির-দরবেশ গানে গানে নানা রকম ভালো থাকার কথা বলেছেন, তারাও পেটে কিল মারা মানুষই। তারা, তারাই, শুধু তারাই পারেন ভাত-কাপড়ের জোগানের বাইরে গিয়ে ভালো থাকার কথার ভাবতে/বলতে।

    বাজারের নিয়মের গল্প।
    "কোনো ঔপনিবেশিক শাসনেই বাজারের নিয়ম
    পুরো মানা হয় নি।" মানে কি ? কিছুটা মানা হয়েছিলো ? যাকগে। আমি কিন্তু মনসেন্টোর কথাও বলেছিলাম। সেটা তো উত্তর ঔপনিবেশিক ঘটনা।
  • r | ১৭ অক্টোবর ২০০৬ ১৮:২৯669696
  • কেলো করেছে! আর থৈ পাই না গোঁসাই! ডিমান্ড সাপ্লাই থেকে চৈতন্য, লালন শাহ!

    তারে ধরি ধরি মনে করি/ ধরতে গেলেম, আর পেলেম না.........
  • tan | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ ০০:২২669697
  • এইটা মানা গেলো না কল্লোল। সাধুসন্ন্যেসী ফকীর দরবেশ এনারা উদ্বৃত্তযুক্ত সমাজেই থাকতে পারেন শুধু।
    নইলে ভেবে দেখুন মোটামুটি ভালোভাবে খেয়েপরে দিয়েথুয়ে বেঁচে থাকা ঘরগেরস্থিওলা লোকেরা ছাড়া এদের---মানে এই আউলবাউল ফকীরদরবেশশ্রমণদের খাওয়াবেন কারা?
    খাদ্য-বস্ত্র-আশ্রয় কোনো না কোনো ফর্মে তো লাগবেই হিউম্যান বিইংদের,সেটা মিটে গেলে তবে না নাচ গান নাটক কবিতা গণসংগীত! জাতি ধর্ম বিশ্বাস ভাবনা সবই তো বেসিক নীডগুলো মিটলে পরে!
  • tan | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ ০০:৩৩669698
  • চাকা উলটাদিকে ঘোরানো যাবে না।এখন যে গতিবেগ নিয়ে ফেলেছে,সেটাকে থামানোও যাবে না।
    এটা অনেকটা সেই ""সায়েন্স ইভিল,চলো সবে মিলে প্যারাসাইকোলজি জাতীয় কোনো অকাল্ট চর্চায় মন দিই"" এর মতন অবাস্তব ব্যাপার হয়ে যাবে।এক পাও এগোনো যাবে না ওভাবে।
    চরকাকাটার মতন একটা অবাস্তব ব্যাপার যেমন খাটে নি,যা যতবড়ো জ্ঞানীর মতবাদই হোক(এ ভদ্রলোক কিন্তু বড়ো বড়ো দেশোয়ালী বস্ত্রব্যবসায়ীদের স্বার্থ বিঘ্নিত করেন নি করতে চানও নি,তবুও কেন যে আমপাব্লিককে এরকম একটা অদ্ভুত ব্যাপার দেখালেন,কে জানে),সেইভাবে এখন "দাও ফিরে সে অরণ্য" বলতে গেলে একেবারে নিছক কবিত্ব হয়ে যাবে।
  • kallol | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ ১০:১৪669700
  • আর তক্কো করতে পারছি না বাপু। আসলে বিশ্বাস নিয়ে তর্ক হয়ও না। আমার কিছু বিশ্বাসের কথা বলে ক্ষ্যান্ত দিচ্ছি।
    মানুষ স্বপ্ন দ্যাখে বলেই মানুষ। উন্নয়নের চিন্তাও স্বপ্ন থেকেই আসে।

    আর চাকা যদি "সোজা" দিকে ঘোরে তবে তা "উল্টো" দিকেও ঘুরতেই পারে।
  • Su | ২২ অক্টোবর ২০০৬ ১৯:৪৭669701
  • বড্ড ছড়িয়ে যাচ্ছে। অনেক আবেগও আমদানি হয়ে পড়ছে। আবাপ বা আজকাল মুখ্য বিষয় ছিল না, ছিল না রবীন্দ্রনাথ এবং তার ছোটবেলার কিস্তি প্রশিক্ষণ :-)
    ব-এর মতো তাই একটু লাইনে ফেরার চেষ্টা করলুম, মার্জনা করবেন। লিগ্যালি সরকার যদি চায় তাহলে জমি অধিগ্রহণ করতেই পারে। গণতন্ত্রের মাধ্যমে যতক্ষণ না সেই আইন বদলাচ্ছে ততক্ষণ কিছু করা যাবে না। প্রশ্নটা বেশির ভাগ সময়ে ওঠে এবং এই ক্ষেত্রেও উঠেছে জমির দাম নিয়ে। আসল বিরোধটা সেখানেই। সিঙ্গুরে চাষিরা জমি বাবদ যে দাম পাবেন ভেবেছিলেন তা পাচ্ছেন না। স্বভাবতই প্রশ্ন ওঠে কেন পাচ্ছেন না?
    সরকারি খাতায় কলমে প্রত্যেকটি অঞ্চলের জমির একটি নির্ধারিত দাম আছে। এই নির্ধারণ করা হয় সাম্প্রতিককালে কে কতো দামে জমি কিনেছেন বা বেচেছেন তার উপর হিসেব করে। অধিগ্রহণ করার সময়ে বরং সরকারি মূল্যের থেকে কিছু বেশিই দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রেও তাই হবে/ হয়েছে। তা হলে সবাই জমির কম দাম দেওয়া হচ্ছে বলে চেঁচামেচি করেন/ করছেন কেন? এর মূল কারণ হল আমরা নিজেরাই জমি বাড়ি কেনা বেচা করার সময়ে দামটাকে কমিয়ে দেখাই। তাতে স্ট্যাম্প ডিউটি বাঁচে। ধরা যাক আপনি গড়িয়াহাটে ২৫ লাখ টাকা দিয়ে একটা ফ্ল্যাট কিনলেন। তাতে আপনার স্ট্যাম্প ডিউটি পড়বে আড়াই লাখ টাকা মতো। আপনি ওই স্ট্যাম্প ডিউটি বাঁচাতে ফ্ল্যাটের দাম দেখালেন ১৫ লাখ টাকা, আপনার স্ট্যাম্প ডিউটি দাঁড়াল দেড় লাখ টাকা। আপনি এক লাখ টাকা বাঁচালেন, কিন্তু সরকারি খাতায় কলমে আপনার সম্পত্তিটির মূল্য কিন্তু কমে গেল। এবার ওই ফ্ল্যাট অধিগ্রহণ করতে এসে সরকার বলতেই পারেন শুনুন, আপনি তো ১৫ লাখ টাকায় কিনেছিলেন, আপনাকে ১৮ লাখ টাকা দিচ্ছি, আপনি বিদেয় হোন। এবার আপনি কী করবেন?
    সিঙ্গুর সমেত বাংলার সর্বত্র এই ঘটনা ঘটে আসছে, সুতরাং এটা এখন বদলাবেন কী করে? ব্যক্তিগতভাবে সবাই এভাবে স্ট্যাম্প ডিউটি ফাঁকি দিয়ে দিয়ে এই সম্‌স্‌য়া গড়ে তুলেছে, এখন পেছন মারা গেলে লাগবে তো বটেই!
    সু
  • S | ০২ ডিসেম্বর ২০০৬ ২১:৫৫669704
  • সরি, না দেখেই ভুল করে নতুন সুতো খুলে দিয়েছি।

    মামু, প্লিজ ডিলিট মেরে দিও।
  • a | ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:২৬669706
  • এ নিয়ে আর বলারও কিছু নেই, শোনারও। শুধু একটিই আশা, সেই সেদিন যারা বিপ্লবে পা/গলা মিলিয়েছিলেন তারা যদি এইখানে এসে একটিবার ভুল স্বীকার করে যান
  • PT | ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ ০৯:৩৫669707
  • সন্দেহ আছে। এসব চোর পালালে..... কেস। কথা আদৌ হয়নি তা নয়। আগে না হয়ে থাকলেও পরে হয়েছে। কিন্তু অতিবাম, ব্যাগড়াবাদীরা আর পরে তিনোরা মিলে ওখানে কোন অবস্থাতেই কারখানাটা হতে দিত না।
  • aranya | ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ ০৬:২২669708
  • এটাও থাক

    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=20542&boxid=152341939

    ভুল স্বীকার তো সিপিএম এর দিক থেকেও দরকার। ওপরের আর্টিকলে যেমন একজন বলছেন - জোর করে জমি নেওয়া হয়েছে, সিপিএম-এর ক্যাডার আর পুলিশ অনিচ্ছুক-দের মারধর করেছে, মেয়েদের শ্লীলতাহানি করেছে।

    প্রথম থেকে এমন হাই হ্যান্ডেড ও অত্যাচারী মনোভাব না নিলে অতিবাম, ব্যাগড়াবাদী, তিনো - কেউই হয়ত হালে পানি পেত না
  • aka | ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ ০৭:০৮669709
  • আমি করি। সিঙ্গুরে কারখানার বিরোধীতা করে ভুল হয়েছে। অনিচ্ছুক, ইছুক কারুরই কোন লাভ হয় নি। মমতার গেম, তাতে গলা মিলিয়েছি বলে ফিল ব্যাড।
  • cm | ১৭ জানুয়ারি ২০১৬ ০৭:১৫669711
  • !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন