এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বিকল্প উন্নয়নের ক্লে মডেল

    aka
    অন্যান্য | ১৮ এপ্রিল ২০১২ | ৯০৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Agent Ben | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪০543530
  • এই লাভ চাই না, ertiga চাই।
  • Tim | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪১543532
  • ঝুটা হ্যায়?
  • apu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪১543531
  • এ হে, কল্লোল দা সুবিধা মতন পায়েসে র কনসেপ্ট টাই পাল্টে দিলে গা......
  • Sibu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪২543533
  • ওরে ফাগল, চইলেই পাবি মা কি আমার তেমন রে?
  • apu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪৫543534
  • কিন্তু শিবু দা, লোকে তো মা র থেকে ও বেশী চাইছে।

    মামণি :-)
  • Sibu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪৭543535
  • লোক কোথায়? ও তো তাতিন।
  • Tim | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৪৭543536
  • মা কে নয়নের মণি করবে বলেছে। সোনার টুকরো ছেলে সব।
  • kallol | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৫০543537
  • ক্যান পায়স তো রাখছি। ফর্ম পাল্টাইতে পারে, কিন্তুক পায়স তো পায়সই।
  • apu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৫৩543538
  • ভ্যাট সে তো 'নয়ন মণি' সিনেমার গান।

    আহা কী গান শুনলে চোখে জল এসে যায় গো...

    ' তুমি আমার নয়ন গো (ঝিনচ্যাক মিউজিক)
    যে নয়ন এ দেখি গো ( ও ই আবার)

    আমি তোমার সেই নয়নের মণি'

    কী চাপ!!!
  • Tim | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১০:৫৪543540
  • পায়সের আত্মা এক রেখে শুধু ফর্ম পাল্টে দিয়েছে। আত্মা অবিনশ্বর কিনা।
  • lcm | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১১:০৭543541
  • তাইলে কি খাড়াইলো?
    উন্নয়নের লগে চাই - পায়স। উহা সেবনেই উন্নয়ন। উহাই একমাত্র পথ। উহাই মোক্ষ।
  • i | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১১:১১543542
  • ল্যাকটোজ ইনটলারেন্ট হলে অবশ্য ...
  • lcm | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১১:১৩543543
  • খাইসে, আই তো একখান মোক্ষম পয়েন্ট ধরছে।
    ১% (ফ্যাট) মিল্ক-এর পায়স হওয়া চাই।

    তবে, কল্লোলদা সার কথা কইয়া দিসে, এ পায়স হইল প্রতীকি। এ হইল নবান্ন, পরমান্ন।
  • abastab | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১১:৫৫543544
  • পায়েসের আত্মা এক রেখে ফর্ম পাল্টালে তো রাইস পুডিং হয়ে যাবে, আমার ও চলবে না। এই পায়েসোন্নয়নের কোন বিবর্তন নাই এ একদম স্ট্যাটিক আরশুলার মতন।
  • Agent Ben | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১১:৫৮543545
  • চলবে না। পিওর মিল্কমেইড দিয়ে পায়েস চাই।
  • abastab | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১২:১২543546
  • ইশান যেমন বলেছে তেমন উন্নয়ন এখনি চাইনা, অত অপশন হাতে আসতে একটু সময় লাগবে, তবে http://epaper.timesofindia.com/Default/Scripting/ArticleWin.asp?From=Archive&Source=Page&Skin=TOINEW&BaseHref=TOIM/2012/04/20&PageLabel=12&EntityId=Ar01200&ViewMode=HTML এর থেকে মুক্তি চাই।

    আরো গোটাকতক ইচ্ছে ছিল। রাস্তায় দেখি বিরাট বড় বড় গাড়ি আর তাতে একজন যাত্রী, উটি ব্যান করা দরকার। ফাঁকা গাড়ি নিয়ে ঘোরা যাবেনা, লিফ্‌ট দেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। আসলে উন্নয়নের সাথে সাথে তার ডেরিভেটিভের বাউন্ড চাই। অর্থাৎ যদি এমন হয় রামা প্রচুর উন্নতি করে ফেললে আর শ্যামা বিশেষ করতে পারলে না তখন রামার থেকে দু কিলো উন্নতি শ্যামা কে দিয়ে দিতে হবে।
  • apu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:২৯543548
  • মিল্ক মেডের পায়েস হলে বেশ চাপ চাপ হবে। গেলাসে ঢেলে খাওয়া যাবে না।
  • apu | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:০৯543549
  • বোঝো!!:))
  • aka | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৫০543551
  • ঈশান অনেক কিছু বলল। মানে সেগুলো নিয়ে দ্বিমত নেই। থাকার কথাও না। কিন্তু সেই একই জায়্‌গায় আটকে গেলাম মোক্ষর পথ কি? ধরা যাক প:ব: কি করে এইরকম উন্নতি করবে হু হা? হাউ? একটা ক্লু দিয়েছে যে ঈশানের কাছে উন্নততর উন্নয়নের উদাহরণ আছে। তাহলে কি তাদের পথেই উন্নয়ন? সঙ্গে থাকুন ঈশান বলবে ব্রেকের পরে।
  • abastab | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৫৫543552
  • ইশানের উন্নয়ন আসতে সময় লাগবে ও ভারী শক্ত, অত অপশন একদিনে আসবেনা। আমি ছোট ছোট করে রাস্তা বাতলাই, বোম্বেতে নাকি অনেক খালি ফ্ল্যাট পড়ে আছে, ওগুলো যাদের ভালো থাকার জায়গা নেই তাদের বিলিয়ে দেওয়া হোক।

    আপাতত যাদের বাটিতে বেশি বেশি পয়েস আছে তাদের থেকে নিয়ে যাদের কিছুই নেই তাদের কে একটু একটু করে পরমান্নের স্বাদ দেওয়া জরুরী।
  • omnath | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৬:০৭543553
  • এইত্তো রবিনহুডের মডেল এসেছে। এবার নকশাল মডেল ও আসুক।
  • aka | ২০ এপ্রিল ২০১২ ১৮:৫৪543554
  • ঈশানের লেখায় একটা পয়েন্ট খুবই ইন্টারেস্টিং লাগল তাহল পরিষেবা/পরিকাঠামোর উন্নয়ন। জানার ভীষণ ইচ্ছা কিভাবে কি হবে?
  • jonty | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২২:১৩543555
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, সব বাটি উপুড় করে ঘন পায়েস পাতলা পায়েস কাজু পায়েস কিসমিস পায়েস সাদাসিধা পায়েস জটিল পায়েস ক্ষীরেল পায়েস মিষ্টি -পায়েস মিষ্টিছাড়া চরু সব গামলায় ঢালা হোক, তারপরে সব মিলিয়ে মিশিয়ে ভাগ ভাগ করে সবাইকে সমান ভাগ করে দেওয়া হোক।
  • Tim | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২২:১৬543556
  • এই কথায় কথায় কাজুকে খেয়ে ফেলা ভারি অন্যায়। বেচারাকে সম্বচ্ছর পরিপাকতন্ত্রেই থাকতে হয়।
  • jonty | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২২:২৫543557
  • আহা, এই যে পায়েসে পায়েসে কাজু দেওয়া হয়, এতে তো কাজু ধন্য হয়, প্রাণসখী কিসমিসকে পাশে পায়। :-)
  • Sddhartha | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২২:৪৮543558
  • Kissmiss?
  • jonty | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২২:৫৩543559
  • তব্যে? সিদ্ধার্থের সিদ্ধিলাভের আর দেরি নেই। :-)

    ও হ্যাঁ,পায়েস যারা রাঁধছেন, প্লীজ তেজপাতাও দেবেন।
  • Ishan | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৩৫543560
  • আকার প্রশ্নটা হল পরিষেবা/পরিকাঠামো উন্নয়নটা হবে কিকরে? আরও বড়ো প্রশ্ন হল আমি উন্নয়ন বলতে যেটা বুঝছি, সেটাই বা নামবে কিকরে?

    আমি প্রথম প্রশ্নটা দিয়েই শুরু করব, কারণ ন্যাজ টানলে মাথাও আসবে। পরিষেবা বা পরিকাঠামো বলতে কি বুঝি সেটা আগে দেখে নিই। এক, ভালো রাস্তা, ভালো হাসপাতাল, ইশকুল, পরিস্রুত পানীয় জল, ইত্যাদি। আর্থাৎ, বস্তুগত কিছু পাওয়া। আর দুই, স্বচ্ছ ও জনমুখী প্রশাসন, সংবেদনশীল ব্যবস্থা ইত্যাদি, যেগুলো ঠিক বস্তুগত কোনো পাওয়া নয়।

    আপাতত: বস্তুগত পাওয়াগুলোর উপরের নজর দেওয়া যাক। ভালো রাস্তা বা হাসপাতাল তৈরি করতে হবে বললেই যেটা মাথায় আসে, সেটা হল, পয়সা কোথা থেকে আসবে। আমাদের দরিদ্র দেশ, ইত্যাদি। ফলে এর পরেই আসবে টাকা তোলার প্রশ্ন। পুরো আলোচনাটাই অর্থনীতিতে ঢুকে যাবে। বামপন্থীরা বলবেন প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্সেশনের কথা, আন্না হাজারেরা বলবেন কালো টাকা উদ্ধারের কথা, আর আলুওয়ালিয়া বলবেন জিডিপি বাড়ানোর কথা। এই সব কটা দাবীরই নিজস্ব মেরিট আছে। কিন্তু এই গলিতে একবার ঢুকে পড়া মানে পুরো আলোচনাটাই অর্থনৈতিক করে ফেলা। যেন কেবল অর্থনীতির হাতেই আছে ভুবনের ভার।

    এর উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে আমি প্রথম থেকেই দাবী করছি, উন্নয়ন মানে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়। অর্থনীতি এর একটা ভগ্নাংশ, ওইসব অমিত ভাদুড়ি আর অমর্ত্য সেন থেকে মুখ ঘুরিয়ে রিয়েলিটির দিকে তাকান। সত্যিই কি উন্নয়নের টাকার অভাব আছে? অন্যকিছু খুঁজতে হবেনা, ডেবিট-ক্রেডিট নিয়েও ভাবতে হবেনা। স্রেফ একটু শিশিরবিন্দুর দিকে তাকান। দেখবেন টাকার আসলে অভাব নেই।

    উদাহরণ দিয়েই বলি। ধরুন, একশদিনের কাজের প্রকল্প। এই প্রকল্পে গ্রামের মানুষকে ১০০ দিন কাজ দেওয়া হবে ঘোষণা করা হয়েছে। সম্পূর্ণ যোজনার পরিমান বিরাট। কিন্তু টাকার অঙ্কে ঢোকার প্রয়োজনই নেই। স্রেফ যুক্তি দিয়ে ভাবুন, একটি থানার পাঁচশো লোক যদি বছরে ১০০ দিন কাজ করে, তাহলে ৫০০০০ শ্রমদিবস তৈরি হয়। একটি গ্রামের হু-হা উন্নয়নের জন্য বছরে এতগুলো শ্রমদিবস কি যাথেষ্ট নয়? একটা হাসপাতাল বাড়ি, গোটা দশেক অতি চমৎকার রাস্তা, এসব তো প্রতি বছর এমনিই হবে। মানছি, এর উপরে মেটেরিয়াল কস্ট আছে। পিচ, ইট বা সিমেন্ট মাগনায় মেলেনা। কিন্তু সে খরচও তো একরকম করে প্রকল্পে ধরাই আছে। নাহয় শ্রমদিবসে কিঞ্চিৎ কাটছাঁট করে সেটা অপটিমাইজ করলেন।

    কিন্তু এরকম আদৌ হচ্ছে কিনা সন্ধান রাখেন? আমার কাছে কোনো ডেটা নেই, কিন্তু চোখের দেখায় দেখে বলতে পারি, যে, বরাদ্দ কিছু টাকা ফেরত যায়। যেটুকু ব্যয় হয়, সেটাও মূলত: অকাজে যায়। কাজ বলতে হয় মাটি খোঁড়া আর মাটি বোজানো। যারা কাজ পায়, তাদের উপকার হয় নি:সন্দেহে, কিন্তু এই বিপুল শ্রমশক্তি, বৃহত্তর উন্নয়নের লক্ষ্যে কোনো কাজেই প্রায় লাগেনা।

    কেন এমন হয়? আমের্কায় গ্রেট ডিপ্রেশনের পরে লোককে এভাবেই কাজে লাগানো হয়েছিল। তার ফলস্বরূপ আমরা চোখের সামনে দেখতে পাই, কি কি জিনিস তৈরি হয়েছে। আমেরিকার হাইওয়ে সিস্টেম, পুরোটা না হলেও আংশিক ভাবে গ্রেট ডিপ্রেশনের ফল। দেশে নিশ্চয়ই হাইওয়ে বানানোটা প্রায়্রিটি নয় (কোনো কোনো জায়গায় হতেও পারে অবশ্য), কিন্তু একশদিনের কাজের কোনো ফলাফল দেখতে পাইনা কেন?

    কারণ হল, সিস্টেমটি, ব্যবস্থাটি অদক্ষ। উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া। যান্ত্রিক এবং অকর্মন্য। এই ব্যবস্থা রাস্তা তৈরিকে দেখে একটা প্রোজেক্ট হিসেবে, কুয়ো খোঁড়াকে আরেকটা, এবং একশদিনের প্রকল্পকে আরেকটা। সব জায়গাতেই সে গুছিয়ে চুরি করে এবং করতে দেয়, কনট্রাক্টর রাজ কায়েম করে, রাস্তা বানানো আর একশ দিনের কাজ এই দুটোকে যে একসঙ্গে জোড়া যায়, সে নিয়ে কোনো চিন্তাই করেনা। মোদ্দা কথা হল, মানুষের সঙ্গে একশদিনের কাজ বা অন্য কোনো প্রকল্পকে জোড়ার কোনো ইচ্ছে বা উদ্যমই এই ব্যবস্থার নেই।

    কাজেই বস্তুগত চাওয়াগুলোকে ঠিকঠাক করতে হলে প্রথমে অন-অর্থনৈতিক অ-বস্তুগত দিকগুলোকে ঠিক করতে হবে। এই পোস্টের শুরুতে দুটো কম্পোনেন্টের কথা লিখেছিলাম। এক বস্তুগত পরিষেবা, দুই সংবেদনশীল জনমুখী প্রশাসন ইত্যাদি। প্রথমটা ঠিক ভাবে দিতে হলে প্রাথমিকভাবে দ্বিতীয়টার উপরে জোর দিতে হবে সবার আগে। সরকারি প্রশাসনকে যদি দক্ষ, জনমুখী, দুর্নীতিহীন, চিন্তাশীল না করা যায়, তাহলে কোনো বস্তুগত চাহিদাই মিটবেনা। আর করতে পারলে উন্নয়নে টাকার অভাবও হবেনা, কালো টাকা উদ্ধারও হবে, এমনকি বিদেশী পুঁজিকে আলাদা করে জামাই আদর দিয়ে টেনে আনার দরকারও পড়বেনা।

    এই জায়গাটা, যেকোনো উন্নয়নের আলোচনায় বাদ যায়। বামপন্থীঋআ, মূলত: যাদের উদ্যোগে ১০০ দিনের কাজ চালু হল, তারাও স্রেফ নীতিপ্রণয়নের উপর জোর দিলেন, এবং আসল জায়গাটাকে অবজ্ঞা করে আল্টিমেটলি পরীক্ষায় গোল্লা পেলেন।

    অতএব, আমর প্রস্তাব এই, যে, খুব ছোটো করে বললে, উন্নয়নের প্রশ্নে প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সংবেদনশীলতার দাবীকে সবার উপরে রাখুন। এই প্যারাডাইম শিফট টুকু ঘটাতে পারলে বাকিটা আস্তে আস্তে হলেও হতে পারে, নচেৎ কিসুই হবেনা।
  • aka | ২০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৪০543562
  • ঈশান তো এবারে আন্না হাজারে লাইনে ঢুকে পড়ল। যা:।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন