এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • প্রবাসে ও বিদেশে বাঙলার মেধা পাচার পালা - দ্বিতীয় অঙ্ক

    pi
    নাটক | ১৩ অক্টোবর ২০১১ | ৩২১৭৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ppn | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৫:৪৬495464
  • বল্লে হবে! পুরো শরচ্চন্দ্রীয় নাইকাদের মত লজ্জা পেল। ;-)
  • h | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৫:৫৯495466
  • kesirsekreTaarishipTaabhalaanTaaribalekichhubalachhinaa, nailemaarditaam.asa`mkhyabhul, typo.etaloyaltytooriginalkonotranslatorerpaxeibhalonaa.ektathikkorlam. 'broadrangeideologicalleaning' habe.ityaadi.
  • siki | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৫:৫৯495465
  • রাইবচ্চনম্যাডামের স্টাইলে একটা ইশ্‌শ্‌শ্‌শ্‌শ্‌ বল্লেই ষোলকলা পূর্ণ হয় :)
  • h | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৬:০১495467
  • oTaaaamiraajeshkhaannaamatebalechhi.aamaadergeneration.
  • PT | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৮:৫৮495468
  • প্রথম শ্রেণীর দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হওয়া বা দ্বিতীয় শ্রেণীর দেশে প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে থাকা - এ তো যার যার নিজের পছন্দের ব্যাপার।

    পুণাতে অসংখ্য বাঙালী আছে যারা ২৫-৩০ বছর সেখানে থাকার পরেও ৫ মিনিটও মারাঠীতে কথা বলতে পারেনা। আর মারাঠী সমাজে কি হল না হল তা নিয়ে তাদের কিস্যু আসে যায়ও না কেননা সমাজের মূল স্রোতের সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্কই নেই। আর ভাষাই বোঝেনা যেখানে সেখানে পিএনপিসি করবে কি করে? কাজেই ঘুরেফিরে সেই রুইমাছ-রসগোল্লা-রবীন্দ্রনাথ কেন্দ্রীক জীবন। সঙ্গে বেঁচে থাকার রসদ হিসেবে দূর্গাপুজো, সরস্বতীপুজো, কালীমন্দির আর হেভি ডোসের বাঙালী উন্নাসিকতা: ""ও যতই ভাল রাস্তা থাকুক নোবেলগুলো তো প:বঙ্গ থেকেই এসেছে!"" অবশ্যি কলকাতায় এসেই আবার নাসিকা কুঞ্চন: ""কি রাস্তা ঘাটের অবস্থা এখানে। আমাদের পুণাতে.........""
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ১৯:১৩495469
  • উফ্‌হ ! মামু যা খুশি লিখে গেছে ! x-(
    লাইন বাই লাইন সংশোধনী দিতে হবে দেখছি।
  • Du | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২০:০৯495470
  • দ্বিতীয় শ্রেণীর দেশে প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হওয়াটা কি ডিফল্ট? মানে সব নাগরিকই প্রথম শ্রেণীতে জায়গা পায়?
  • pinaki | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২০:৩৮495471
  • এটাই আয়রনি। দ্বিতীয় শ্রেণীর দেশে প্রথম শ্রেণীর নাগরিক হতে গেলে টাকা আর কানেকশন লাগে। নাহলে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়েই থেকে যেতে হয়। আর দুর্ভাগ্যজক হলেও প্রথম শ্রেণীর দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকা, দ্বিতীয় শ্রেণীর দেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হয়ে থাকার চেয়ে কিঞ্চিৎ ভালো।

    তবে পাই এর লেখা থেকে বুঝলাম আমার বক্তব্য ক্লিয়ার হয় নি। আমি যে কাজ এখন চেন্নাইতে করছি, সেই কাজ যদি কলকাতাতে পাই, আমি এক্ষুণি চেন্নাই ছেড়ে কলকাতা পাড়ি দেব। এ নিয়ে আবার কোনো সংশয় আছে নাকি? কাজের নেচার যদি একই রকম হয়, তাহলে কেন খামোকা কলকাতা ছেড়ে অন্যত্র থাকতে যাবো? আর কিছু ভালো লাগুক না লাগুক এখনো আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব তো কলকাতাতেই সবচেয়ে বেশী। কথাটা হল - সেই ধরণের কাজ কি অদূর ভবিষ্যতে কলকাতায় আসবে? আমি তো সেরকম কিছু দেখতে পাচ্ছি না। এখন আমার জীবনে প্রতিদিনের ১০/১১ ঘন্টা সময় আমি যা নিয়ে থাকি - সেটাই যদি ঘেঁটে ফেলতে হয়, অন্য ভলোলাগাগুলোকে পাওয়ার জন্য কলকাতায় থাকতে গিয়ে, তাহলে সেই অন্য ভালোলাগাগুলো অত্যন্ত জোরদার হতে হয়। যা ঐ কাজের জায়গার অতৃপ্তিকে পুষিয়ে দেবে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এটা সত্যি যে কলকাতায় এই মুহুর্তে আমার অন্য ভালোলাগার উপাদানগুলো আমাকে এতটা আকর্ষণ করতে পারছে না। কেন এই পরিবর্তনটা ঘটল সেটা বিশদে লিখছি না পাব্লিক ফোরামে। কিন্তু এটা ঘটেছে।
  • Bratin | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২০:৫০495472
  • প্রথমে দেখা যাক আমরা মোটামুটি কী চাই।

    ১। ভালো চাকুরী( (অ)নিরাপত্তা,(আ)ভালো মাইনে আর (ই) কাজের পরিবেশ। এই তিনটের মিলিয়েই job satisfaction। কারোর কাছে (অ) বেশী গুরুত্বপুর্ণ কারোর কাছে আবার (ই)। তবে বেশীর ভাগ লোকে এদের মাঝমাঝি একট কিছু খোঁজে।

    ২। নিজের ক্ষেত্রে উদাহরণ দিলে বোঝাতে হয়তো সুবিধে হবে। সফটওয়্যারে চাকরী করার দৌলতে বছর পাঁচেক বিদেশে থেকেছি।নিশ্চয় ই পয়সাকড়ি খানিক ট বেশী পেয়েছি দেশের থেকে কিন্তু আমার কাছে সব থেকে বড় আকর্ষন ছিল নতুন দেশ দেখার নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হবার। যত সুযোগ পেয়েছি ঘুরেছি। কিন্তু ধান্দা ছিল অ্যাসাইমেন্ট শেষ করেই দেশে ফিরবো। তার কারন মুলত: দুটো (অ) বাড়ির লোক কে খুব মিস করতাম, সত্যি কথা বলতে নিজের মধ্যে একট একটা অপরাধবোধ কাজ করতো বাবা/মা /আত্মীয় স্বজন ফেলে দু পয়সার জন্যে এখানে আছি। (২) আমি খুব আড্ডাবাজ ছেলে বন্ধু বান্ধব দের খুব মিস করতাম।

    ৩। এবার অন্য দিক টা দেখা যাক। আমার স্ত্রী কিন্তু চাইতো আমি যত দিন পারি বাইরে থাকি। খানিকট চেষ্টা করলে আমি বাইরে সেটল করতে পারি সেটাও অনেক বার বলেছে। তার দাবি হল এখানে স্বাধীনতা অনেক বেশী কাজেই যখন সুযোগ আছে সেটা কে সদব্যবহার কেন করবো না? সেও ঠিক তার জায়গা থেকে।

    আসলে কবি বলেছেন অ্যাবসলিউট ভালো বা খারাপ বলে কিছু হয় না। এটা ম্যাথামেটিক্যালি দেখেতে গেলে একট LPP বা Integer programming। আমাকে এই এই জিনিশ optimize করতে হবে। আর constraint হল এই এই। এখন আমার জীবনে যেটা ওপ্টিমাইজ করার দরকার সেটা রিমি র জীবনে সেটা নাও থাকতে পরে। আমার জীবনে যেটা constraint সেট kc জীবনে নাও থাকতে পারে। এবরে বলুন এই ভাবে ভাল বা খারাপের ইউনিভার্সাল সিদ্ধান্ত দেবেন কি ভাবে?
  • Nina | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২০:৫৫494692
  • :-)))))) @ মামুর লেখা পাই-সংবাদ
  • pinaki | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২০:৫৯494693
  • কিন্তু মামু কার্ডিগান আর মাফলারে পাইকে এই প্রথম দেখল - এটা আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। তবে বন্ননাটা প্রাঞ্জল হয়েছে। মামু ফুল মার্কস পাবে। :-)
  • nk | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২১:১৪494694
  • সইত্যের খাতিরে বলি।

    ক্ষমা না, ক্ষামা। প্রেক্ষণা না প্রেঙ্ক্ষণা।

    :-)

    পালা বেজায় জমেছে। চালিয়ে যান। :-)

    কথা হোলো এগুলোর থেকে কেন যে সিনেমা বানায় না কোফু লফেস্মি, হা হতোস্মি। :-)
  • sda | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২১:৩১494695
  • টিমদার একটু পুরোনো একটা পোস্টকে লাইক না করে পারলাম না। ভারতে অন্তত : ইনজিনিয়ারিং সংক্রান্ত উচ্চশিক্ষা এবং চাকরিবাকরির ক্ষেত্রে ছাপ্পা বস্তুটির অসীম মহিমা। এমনকি টিসিএস বা কগনিজেন্ট জাতীয় কম্পু-কেরানী গোছের চাকরিতেও (যেখানে আমার মনে হয় মাধ্যমিক পাশ মোটামুটি বুদ্ধিমান ছাত্রকেও কয়েক মাস ট্রেনিং দিলেও কাজ নামিয়ে দেবে) যদুপুর শিবপুরের জনতা পাশ করার এক মাসের মধ্যে জয়েনিং পায়, পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পয়সা দিয়ে ইনজিনিয়ারিং পড়া মালেরা কমপক্ষে মাসতিনেক বা: ছে: পর ভাগ্য ভালো থাকলে জয়েনিং লেটার আর খারাপ থাকলে রিগ্রেট লেটার পায়। কোর ইনজিনিয়ারিং সেক্টরে আই আই টি ছাপ ছাড়া পাত্তা দেবে না। আমার এক বন্ধু ব্রিটিশ অক্সিজেনে জয়েন করে জানতে পারে যে তার পোস্টটা আসলে পার্মানেন্ট না, এক বছর ট্রেনিং করে পরীক্ষা পাশ করলে তবে কোম্পানি পে রোলে ঢুকবে। একই সঙ্গে চাকরি পাওয়া আর এক জন (যাদবপুর) ডিরেক্ট ইনজিনিয়ার পোস্ট পেয়ে গেল, মাইনে প্রথম জনের তিন গুন। কিছু লোকজন ভাবে আই আই টি থেকে মাস্টার্স করতে পারলে জাতে উঠবে, বছর দুএক পরে ভুল ভাঙ্গে যখন দেখে যে বেশি র ভাগ হেভি পেয়িং কোম্পানি শুধু বি-টেক দের বসতে দেয়। অন্যদিকে, সত্যিকারের ট্যালেন্টেড ইনজিনিয়ার বছরে কটা বেরোয়, হাতে গুনে বলা যায়। এলিট কলেজগুলো শুধু গাঁত মারতে শেখায়, প্র্যাকটিক্যাল কাজে কোথাও উৎসাহ দেওয়া হয় না। আবার, বেশ কিছুদিন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সুবাদে প্রচুর লোকজনকে দেখেছি যারা কোন প্রথাগত কারিগরি শিক্ষা ছাড়া সাফল্যের সংগে ২০-২৫ বছর ধরে কনসাল্টেন্সি বা প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট করে চলেছেন। আমার মনে হয়, শিক্ষার ক্ষেত্রে এই ব্র্যান্ড সচেতনতা ইউ এস এ বা কানাডা এ অনেক কম, আমারি মত মিডিয়কার অনেককে তো দেখলাম ওখানকার অনেক নামি কলেজে (মানে টপ ১০০ র মধ্যে) স্রেফ ওয়ার্ক এক্সপিরিয়েন্সের জোরে পেয়ে গেল। আমার এক পরিচিত আছে, জয়েন্টে ২০০০০ মত র‌্যাঙ্ক করেছিল, বাজে কলেজে পড়েছিল যেখানে এমনকি আই টি কোম্পানি ও ছেলে ধরতে আসে না, এখন এম আই টি মিডিয়া ল্যাবে রিসার্চ করে। দেশে বসে থাকলে বা: ছি: আঁ: বা:। :)
  • nk | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২১:৩৭494696
  • আঁ বা:???
    :-)
  • nyara | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২১:৪৫494697
  • অ্যামেরিকায় ছাপ্পার প্রতি হ্যাংলামি নেই, সেটা সম্পূর্ণ ভুল কথা। ক্রেগসলিস্টে বহু স্টার্ট-আপের জব পোস্টিং-এ দেখবেন 'শুধু আইভি লীগের গ্রাজুয়েটরা অ্যাপ্লাই করুন' ধরণের লাইন আছে।
  • nk | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:০১494698
  • রঞ্জন কি পাই কে ঘুরিয়ে নেত্যকালি কইলো????
    কি: বু: না:। :-O
  • rimi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:০৪494699
  • আমেরিকাতে ছাপ্পার প্রতি হ্যাংলামো আছে, কিন্তু তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

    জাপানেও, বোন থাকার সূত্র দেখেছি, ছাপ্পা নিয়ে বিশেষ বাড়াবাড়ি নেই।
  • s | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:১৩494700
  • sda
    আমি লেখার আগেই রিমি বলে দিয়েছেন।
    usa তে প্রফেসরের চাকরি তে ছাপ্পা বেশ ভালই দেখা হয়। আইভি লীগ এর স্কুলে চাকরি করতে গেলে আপনাকে আইভি লীগের থেকে পাশ করতে হবে, জেনেরালি। আপনি ইউনিভার্সিটি অফ মিনেসোটা থেকে পাশ করে আইভি লীগে পড়াতে পারবেন না, যদি না আউটস্ট্যন্ডিং কিছু করে থাকেন। সেরকম মিনেসোটা থেকে পাস করে আপনি মিশিগান, পার্ডু ইত্যাদি বিগ টেন স্কুল এ পাবেন। অবশ্য ইন্ডাস্ট্রি তে ছাপ্পা অত দেখা হয় না।
    আর graduate admission এর সময় working experience খুব সাহায্য করে।
  • Ishan | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:৪১494703
  • ইঞ্জিনিয়াররা আবার ট্যালেন্টেড হয় নাকি? বারো কেলসের পরেই তাদের সব ট্যালেন্ট খতম। তারপরে, ঐ যারে কয় গতিজাড্য। :)

    তবে আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, আমি এত ট্যালেন্টেড হলাম কিকরে। মলে রাখবেল ব্যতিক্রবই লিয়বকে প্রবাল করে। তদুপরি ইহা হল আমার সজোর উচ্চারলের গুল।
  • Tim | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:৪১494701
  • আম্রিকায় ছাপ্পা একেবারে নেই সেকথা বলিনি। আরে অ্যাকাডেমিয়ায় ছাপ্পা তো দেখা হয়ই। কিন্তু সে এখানে শুধু আইভি লিগের মত প্রেস্টিজিয়াস জায়গাগুলোতে। রিমিদি যেমন বললো, আছে তবে অনেক কম।
    ওদিকে দেশে চাকরির ক্ষেত্রে সেসব তো আছেই, তাছাড়াও ইন্ডাস্ট্রিতে, এমনকি গ্র্যাজুয়েট অ্যাডমিশানেও দেখা হয়। হতে পারে যে অনেক আলবাল ইন্সটিটিউট আছে বলে সেফ খেলতে চায়। যে কারণেই হোক, এটা হয়।
    এই যেমন এরপরে আমি কেমন নির্বিঘ্নে সর্বত্র অ্যাপ্লাই করতে পারবো দেশে ফিরে। এখানকার ছাপ না থাকলে পারতাম? সিলেকশনে কাউকে কাটাক, যদি যোগ্য মনে না হয়। কিন্তু অনেক সময় ফেয়ার চান্স পাওয়া যায়না। সেটাই বললাম।
  • Tim | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২২:৪৫494704
  • পাই কাহিনী বিয়াপ্পক হয়েছে। এইটা ছাপা গুরুতে আরেট্টু বড়ো করে যাক।
  • sda | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৩২494705
  • শুধু আম্রিকা কেন, গোটা বিশ্বেই ছাপ্পা চলে, ন্যাড়াদা যেমন আইভি লিগের ব্যপারটা বললেন। কিন্তু কারিগরি শিক্ষার নামে এরকম একুশে আইন আর কোথাও আছে কি না সন্দেহ। বস্তুত প্রফেশনালিজম এর অভাব থেকেই এটা আসে। ট্যালেন্ট চিনে নিয়ে সেটার ঠিকঠাক ইউটিলাইজেশন করতে পারলে যে আদতে ইনস্টিটিউট এবং ছাত্র দুজনেরই লাভ সেটা এখানকার শিক্ষাবিভাগের হর্তাকর্তারা কবে বুঝবেন কে জানে ! ইন্ডাস্ট্রিতে কয়েক বছর ভালো কাজ থাকলে, আর পেপার-সেমিনার ইত্যাদি থাকলে ইউ এস এ র ভালো ইউনিতে স্কলারশিপ সহ তে এম এস এ পাওয়া খুব সহজ (একদম প্রথম সারি র গুলো বাদে, সে সব জায়গায় এক্সেপ্‌শনাল ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে ), সেখনে ভারতে এম টেক এ ঢুকতে গেলে যতই এক্সপিরিয়েন্স থাক GATE দিতে হবে যেটা সম্পূর্ণ অ্যাকাডেমিক পরীক্ষা এবং গাঁতের জিনিস। তো, এইসব কারণে আমি ও আমার মত প্রচুর বিশ্বকর্মার জারজ সন্তান চান্স পেলেই দেশ ছেড়ে সটকাচ্ছে এবং সটকাবে।
  • pi | ১৩ অক্টোবর ২০১১ ২৩:৪৯494706
  • gre ছাড়া আম্রিগায় আসা যায় ? সেটা গাঁতের পরীক্ষা না ?
    দেশে তো তাও অ্যাকাডেমিক গাঁত।
    তবে, ইঞ্জিনীয়ারিং এর কেমন সিলেবাস জানিনা, কেমিস্ট্রির gate এর কোশ্চেন গুলো তো বেশ ভাল লাগত। গাঁতের ছিলনাতো।
    অ্যাকচুয়ালি ( কানপুর) আই আই টি র পড়ানো সেরকম ভালো লাগেনি, তার থেকে প্রেসি জে উ তে অনেকের পড়ানো অনেক ভাল লাগতো ( তারও কিছু কারণ আছে বলে মনে হয়েছে, পরে সময় পেলে লিখবো ) কিন্তু যেটা ভালো লাগতো সেটা আই আই টির কোশ্চেন। বেশিরভাগ অবজেক্টিভ। নেগেটিভ মার্কিং সহ। ক্লাস চলতে চলতেই মিড সেম, এন্ড সেম পরীক্ষা হয়। স্টাডি লিভে গাঁতানোর সুযোগ নেই। কোশ্চেনও এমন ভাবে করা হত, ব্যাপরটা বোঝা থাকলে হলে ভেবে নামানো যায়।
    অনেকটা এই ট্রেন্ড কিন্তু নেট ( প্রথম পেপার), গেটের প্রশ্নে দেখেছি। অন্তত আমাদের সাবজেক্টে।
    টি আয় এফ আরের অ্যাডমিশন টেস্টেও তাই। যদ্দুর মনে পড়ছে, আই আই এস সি ও তাই।

    হ্যাঁ, আরেক জায়গার প্রশ্ন খুব পছন্দ হয়েছিল। প্রেসির অ্যাডমিশন টেস্টের।
    কোলকাতা ইউনি, এমনকি যাদবপুরের কোশ্চেনও কিন্তু এরকম ছিল না, সেগুলো অনেক বেশি গাঁত নির্ভর হত বলে মনে হয়।
    পুরোটাই কেমিস্ট্রির কথা বল্লাম। আমার যা মনে হয়। অমিত বলুক।
  • sda | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০০:০৪494707
  • GRE তিন মাস পড়লে ১২০০ above আরামসে উঠে যায়। ক্যানাডায় তো IELTS প্রায় সব কলেজ অ্যাকসেপ্ট করে, যেটার মত সোজা এক্সাম কমই আছে। সবচেয়ে বড় কথা, GRE বা অন্য পরীক্ষার মার্ক্স একটু কম থাকলেও সেটা এক্সপিরিয়েন্স দিয়ে পূরন করা যায়, যেটা দেশে কেউ ভাবতেও পারে না। একজন ফ্রেশার গ্র্যাজুয়েট আর ৪-৫ বছরের এক্সপিরিয়েন্সড প্রফেশনাল কে একই প্লাটফর্মে বিচার করা মূর্খামি।
  • Tim | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০০:২০494709
  • সদা ঠিক্কয়েছে। আমি বা: ব: থেকে পড়েও একমাস সময় নিয়ে জেনেরাল জি আর ই দিয়েছি। কোন অসুবিধে হয়নি। জি আর ই সাবজেক্ট টেস্টও অনেকটাই গাঁত, এবং সাবজেক্টের গাঁত। সেটার জন্য সময় লাগে।
  • s | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০০:২০494708
  • pi
    আমি পুরোনো কালের মানুষ। আমি যখন gre দিয়েছি তখন ৮০০ নম্বরের তিনটি সেক্‌শন থাকতো। তার মধ্যে ভার্বালে synonyms-antonyms ছাড়া আর কিছু গাঁতাতে হয়নি। সবটাই প্রায় analysis আর reasoning। এখন বোধয় gre ফর্মাট একটু চেঞ্জ হয়েছে কিন্তু গাঁত খুব কিছু বেড়েছে বলে মনে হয় না। এখন যারা gre দিচ্ছে তারা আরো ভাল বলতে পারবে।
  • Netai | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০০:৫৭494710
  • মামুর Date:13 Oct 2011 -- 10:41 PM
    এর পোষ্ট পড়ে ইস্তক খ্যা খ্যা করে হাসছি। এরকমই একটা ছড়া-
  • pi | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০১:১৯494711
  • আর আরেকটা কথা। আম্রিগায় কিন্তু দেশের ছাপ্পা ভালোই দেখে। অন্য জায়গা থেকে পাওয়া যায় না, তা না, কিন্তু তাতে অনেক বেশি হ্যাপা হয়। একই ক্যাপায় হয়তো আরো ভালো জায়গা পাওয়া যেত, ছাপ্পা থাকলে। এই রকম। ক্যাপা বলতে জি আর ই স্কোরের কথা বল্লাম, যেটা দিয়ে মূল স্ক্রিনিং হয়।
    এবার স্ক্রিনিং এর আরেকটা বড় পার্ট রেকো। এখানে এই ছাপ্পাদার জায়গার প্রফদের একটা বড় ভূমিকা, কারণ তাঁদের ভালো ভালো কানেকশন থাকতো। কানপুরে একজন প্রফ ছিল, যাঁর রেকো হলে স্ট্যানফোর্ডের একটি ল্যাব মোটামুটি বাঁধা ছিল। তবে আমার দেখা যারা সেই রেকো পেয়েছে, তারা সবাই ডিসার্ভিং। আর মজা হল, বেশ খারাপ জি আর ই স্কোর ( ভার্বালের চক্করে) সঙ্কেÄও পেয়েছে ( সাবজেক্ট জি আর ই ভালো অবশ্য)। আর সেটা ভালো ব্যাপারই বলবো।
    জিআরই র ঐ একটা ইংরাজী শব্দ মুখস্থের পরীক্ষার থেকে অধ্যাপকের এতদিনের জাজমেন্টের মূল্য অনেক বেশি।
    এবারে মজা হল, এই ছাপ্পাওয়ালা জায়গায় না থাকলে, বিষয়ে একইরকম ভালো কেউ, জি আর ই যদি তেমন ভালো না হয়, তেমন ভালো জায়গায় সুযোগ পাবেনা। পাবেনা নয়, পাবার সম্ভাবনা কম। চাপ বেশি। সামারে ভালো কোথাও থেকে ভাল কাজ ( সেখানেও আবার সেই ছাপ্পার ব্যাপার আছে, সামারের ইন্সটিটিউটটির ছাপ্পা, সামারের প্রফটির রেকোর মূল্য ইত্যাদি), বা এক্ষেপশনাল কেসে, নিজেরই খুব ভাল কাজ না থাকলে।
    আর ছাপ্পা আর মোটামুটি ভদ্রস্থ রেকো থাকলে মোটামুটি ভাল কোথাও পাওয়া মোটামুটি নিশ্চিত।

    তাই বলছিলাম, আম্রিগা দেশের ছাপ্পা ভালই দেখে। কেমিস্ট্রির কথা বলাম। বাকি নিয়ে তেমন আইডিয়া নেই।
    ফিজিক্সেও অনেকটা এক গল্প শুনেছি।

    ইন ফ্যাক্ট, বেশিরভাগ লোকজনের আই আই টি তে মাস্টার্স করার মূল উদ্দেশ্যটাই ছিল বিদেশে ভালো ইউনিতে চান্স পাবার জন্য। জনতা পুরো প্রথম সেম থেকে জি আর ই র জন্য বলিপ্রদত্ত থাকতো। প্রথম সেমেই নানাবিধ কাণ্ডকারখানা করে ঠিক করে রাখা থাকতো কে কার কাছে ফাইনাল প্রজেক্ট করবে, মানে কার থেকে রেকো নেবে। তাই নিয়ে গুচ্ছ সংঘাত, রাজনীতি, তেলাতেলি ইত্যাদি।
    আরেকটা রেকো আসবে সামার থেকে। অতএব সামার কে কোথায় করতে চাইবে, সেও মোটামুটি প্রথম সেমের প্রথমার্ধ্বেই ঠিক। তাই নিয়েও গুচ্ছ সংঘাত, রাজনীতি, তেলাতেলি ইত্যাদি।
    রকমসকম দেখে আমাদের ব্যাচের আমরা সংখ্যালঘু কয়েকজন, যাদের গি অর ই দেবার কোন প্ল্যান ছিল না, ঘাবড়ে গেছিলুম। বিরক্তও। একে তো আই আই টি তে গিয়ে পড়ানোর রকমসকম কিছুই পছন্দ হচ্ছিলো না, পরীক্ষার সিস্টেমটা হজম হতেও চাপ হয়ে গেছিল। চাপও বড্ড বেশি লাগতো। সারাক্ষণ ঘাড়ের উপর গ্রেডের খাঁড়া ঝুলছে, আর সব কিছু ঠিক হচ্ছে ভবিষ্যতের অ্যাপ্লিকেশন মাথায় রেখে ! আমরা ঠিকি করেছিলুম, জি আর ই না দিলে এই লোড নেবার মানে নেই। একজন ফিরে গ্যালো। নানাকারণে বাকি দু'জন ফিরি নি। ক্লাসের বাকি বন্ধুরা আমাদের সাথে বেট ফেলেছিলো, আমরাও শেষমেশ জি আর ই দেবোই দেবো।
    হেরেছিল সে আলাদা কথা, কিন্তু ঐ পরিবেশে থাকলে, আকাশে আম্রিগা, বাতাসে আম্রিগা, শয়নে আম্রিগা, স্বপনে আম্রিগা ( কানপুরের হস্টেলগুলো বাইরে থেকে প্রথমদিন দেখেই কেমন যেন গ্লুমি গ্লুমি ঠেকেছিল, মরা লাল লাল ঘষা ইঁটের সারি, পরে জেনেছিলাম ওখানে নাকি সব আম্রিগার 'মডেল'এ বানানো) আমার তো মনে হয়, মরা মানুষেও জি আর ই দিয়ে ফেলতে পারে !
    কানপুরে যে অনেক ভূতে অজো আছে, তারা মনে এখনো জি আর ই র জন্য গাঁতিয়ে চলেছে।
  • ridhhiman | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০১:৪৫494712
  • পিনাকি বাবু, অসাবধানতা বশত এটার প্রেকুএলের একটা পোস্ট আমার নজর এড়িয়ে গেছিল | যেখানে আপনি লিখেছিলেন দু একটা কলকাতা ব্যাশিং হলেই কি কলকাতা থেকে সব দৌড় লাগাবে? সেটার উত্তর আমি দিচ্ছি |
    আপাতত একটা কথা বলুন, : আমি যখন গুরুতে প্রথম আসি দেখি একটা খসড়া নিয়ে লোকে খুব উত্তেজিত | এটা এই ফোরামের 'অফিসিয়াল ' কোন প্রচেষ্টা যদি নাও ধরি, এটা ধরতেই পারি যে এখানকার বাঘা বাঘা লোক এখানে ইন্‌ব্‌হলে্‌ব্‌হদ আর সিরিয়াসলি এটা ভাবছে | তা সে তো বাংলার উন্নতি নিয়ে- আর এসব ব্যাপার নিয়ে হাই লেভেল অপ্তিমিস্ম না থাকলে করাও যায় না | লোকে পক্ষে বিপক্ষে মত দিচ্ছে, কিন্তু কান্সার্ন্দ অনেকেই | তো যখন কলকাতা একটা গণ ফট কেস টাইপ ব্যাপার প্রজেক্ট করা হচ্ছে, আমি এসে্‌ক্‌পক্ত করব গুরুর অনেকে লাফ দিয়ে উঠে বলবে 'আরে না রে ভাই এই সিস্টেমের ভেতরেও কিছু করা যায়, বা এই না করলে এই হবে ' কই তারা ?? পিটি আর পি ছাড়া কাউকে উচ্চবাচ্যই করতে দেখলাম না | বাকিদের বক্তব্য -" দু: বা: " এটাকে কি ভাবে এক্ষপ্লেন করা যায়?
  • ridhhiman | ১৪ অক্টোবর ২০১১ ০১:৪৬494714
  • এবারে আপনার আগের পোস্টের প্রশ্নে | এটার একটা জেনারিক উত্তর আছে | মেসেজ নিয়ে দু কথা বলি., যেটা নিয়ে কাল খুব মশকরা হল | এটা স্পেসিফিকালি পিনাকিকে নয় .| এই যে পাতার পার পাতা জুড়ে এয়াত তর্ক, যাকে বলে তুফান, মার্ক্সবাদ হ্যানাবাদ, বাজার ইত্যাদি.| তো লোকে আলাপ আলোচনা করে দু কারণে- ১) নিজের বোঝা ক্লিয়ার করতে ২) কোন পয়েন্ট এস্টাবলিশ করতে | এখানে, এখানে শুধু নয়, সব জায়গায়, ১) তা নগন্য ফ্যাক্টর . 'তাহলে আপনি আমাকে একটু বোঝান তো দেখি' এই ধরনের বাক্যবন্ধের সম্মুখীন আমরা প্রায়শ হলেও আমি, আপনি সবাই জানি মোস্টলি এগুলো পাতি ধ্যামানামো | বুঝতে হলে প্রচুর বই পত্তর মার্কেটে আছে, লোকে বুঝে সুঝেই নামে | তাহলে রইলো ২) তো পয়েন্ট তা কোথায় এস্তাবাস্লিশ হবে? আকাশে তো না, আপনার মনেও না, (আল্রেদ্দী আছে তো ) আর এতক্ষনে আপনি জেনে গেছেন যে প্রতিপক্ষ এত তেরেন্তে পাবলিক যে শালা আপনি খুত খুত করে ২৮ বছর ধরে টাইপ করেও অর মান যায় করতে পারবেও, বা ঐ একটা পাবলিকের প:: ভি: শিফট করানোর জন্য যে প্রচন্ড রিসোর্স অপচয়, তা কস্ট-এফেক্টিভ ও নয়| তাহলে কিসের জন্য? ঐ মেসেজ যেটা ভার্চুয়াল আকাশে উড়বে আপনার কব্জির জোরে হয় পতাকার বা রকেটের মত নয় পাতি বেলুনের মত না হলেও, অন্তত কিছুদিন - আর আপনি কিছুটা হলেও কাউকে প্রভাবিত করাতে সক্ষম হবেন | এটা যদি না মানেন তাহলে এত আলাপ আলোচনা করে কি বা: ছে: গেল? ইগর আরাম ছাড়া? তাও একটা বিদঘুটে কল দিয়ে কুটুর কুটুর তারেতাক্কা করে ?বাড়ি ফিরে মা তর্কালঙ্কারের মেডল পরিয়ে বলবে ' বাবা আজকের রাউন্ডে তুই চ্যাম্পিয়ন ?' মেসেজি যদি না হয়, তো এসব পাতিস্য পাতিস্য ছেলেমানুষিতে পর্যবসিত হয় |

    এবারে পিনাকি কে বলি, মেসেজ দিয়ে আপনি তো আশা করবেন না, এক্ষুনি রাষ্ট্রবিপ্লব হয়ে গেল| ওটা একরু করতে টাইম দেন, পার্সিস্তেনি্‌ত্‌ল বক্তব্য পেশ করতে থাকেন | তো এই ব্যাপারে নয় কেন? কালকেই তো কিছু হবে না বলে ত্রিভিয়ালিজ করলে, অনেক কিছুই ত্রিভিয়ালায়জ হয়ে যায় | তখন হাতে থাকে কি??
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন