এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০১:৩৪460345
  • এই দেখুন, মধ্যপ্রদেশের থেকেআলাদা ৩৬গড় হয়ে আমরা মূলত: ভাল আছি। সে রাজপাটে কংগ্রেসই থাক কি বিজেপি!
    কাজেই
    দিল্লি শহরে যাক, যাক না আগ্রা,
    মাথায় পাগড়ি দেব পায়েতে নাগরা।
    কিম্বা সে যদি আজ বিলেতেই ছোটে
    ইংরেজ হবে সবে বুট-হ্যাট-কোটে।

    আর ভুল হবার ভয়? কোনটা যে ঠিক, বিশেষ করে অনুভূতির ব্যাপারে তা' কে বলতে পারে! ব্যাপারটা যে সবজেক্টিভ! কার যে কিসে অপমানবোধ হয় কে বলতে পারে? প্রতিবেশি মজলিশের পাতায় দেখুন না!
    আর পরিবার বড় হলে ছড়িয়ে পড়বে, অজ নয় কাল, এতো বিশ্বসংসারের নিয়ম।

    মনে রাখবেন:
    আদম-ঈভের একটি কোমল ভুলে
    পৃথিবীতে এল প্রাণের উদ্দীপন।
  • dig | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০২:৩০460346
  • ইশান - আপনি মনে হয় আমার পয়েন্টটা মিস করে গেছেন। আমার প্রশ্নটা ছিল - আলাদা হয়ে লাভ কি হয়, ছোটো হলেই তার উন্নতি হবে না এমন কোনো কারণ নেই। এই ধরা যাক গুজরাট ভারত থেকে আলাদা হয়ে গেলে এই মুহূর্তে বুঝি তাদের আরো পঞ্চাশ বছরের মধ্যে ভালই উন্নতি করে ফেলার সুযোগ আছে। কিন্তু প্রশ্নটা হল আলাদা না হলে কি সেই একই উন্নতিটা তারা করতে পারত না? তাইওয়ান, কোরিয়া বা সিঙ্গাপুরের মত আফ্রিকার দেশগুলো তো আলাদার পর আলাদা (কঙ্গো, এরিত্রিয়া) হয়েই গেল, কিন্তু উন্নতি কেউ করতে পারল না।

    কাশ্মীর আলাদা হয়ে উন্নতি করতেই পারে, কিন্তু উন্নতি না করলে বা অ্যানার্কি তৈরী হলে আবার একদল রিফিউজি ভারতে আসবে। সেটা কি ভারতের সমস্যা হবে না বলে মনে করেন? নাগাল্যান্ড আলাদা হলে তাদের গোষ্ঠীকলহের ফলে যা রিফিউজি তৈরী হবে তারা যাবে কোথায়? শ্রীলঙ্কা তামিলদের নেয়না, বাংলাদেশ অনেক বছর চাকমাদের নেয়নি, অনেকে ফেরেনি। তাও এরা তো বড়সড় দেশ - সে তুলনায় কাশ্মীর বা নাগাল্যান্ড তো পুচকে।
  • kallol | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৭:২৯460347
  • সেই সহজ কথাটাই অনেকে বুঝছে না যে, কাশ্মীর, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরাম, আরও উন্নতির জন্য আলাদা হতে চাইছে না। উন্নয়ন ওদের বিষয়ই না। ওরা নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় চাইছে। ভারত রাষ্ট্র ওদের উপর যে ভয়াবহ নিপীড়নের রথ ৬০ বছর ধরে চালিয়ে আসছে, তার থেকে মুক্তি চাইছে।
    আর্মড ফোর্স স্পেশাল অ্যাক্ট কি বস্তু, তার বিন্দুমাত্র ধারণা থাকলে, কোন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ তার থেকে নিষ্কৃতি চাইবে। শুধু আইনটি থেকে নয়, সেই আইনটি যারা বলবৎ করেছেন তাদের থেকেও।
    বিষয়টা একদম বাংলাদেশের মতো। বাংলাদেশও আলাদা হতে চেয়েছিলো, উন্নয়নের কারনে নয়, বরং স্বতন্ত্র পরিচিতির কারনে, ভাষার সম্মানের কারনে। সেটাও কি ভুল ছিলো? কি এমন একটা উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের আলাদা হয়ে? আসলে ভারতের সেনাবাহিনীও যে কাশ্মীর আর উ:পূ:তে ৭১এর খান সেনার মতোই অত্যাচারী, সেটা মানতে খুব অনেকেরই ঝামেলা হয়।
    আর বাকি রইলো উদ্বাস্তু সমস্যা। সেটার সমাধানও করতে হবে আলোচনার রাস্তায়, তাতে উদ্বাস্তুদের যোগদান থাকতে হবে।
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৮:১৫460348
  • রঞ্জন-দার পোস্ট নিয়ে অল্প কিছু বলার আছে। বেসিকালি আগে থেকে এটা নিয়ে চিন্তা করা, মানে কমন পড়েছে। :))

    যৌথ পরিবার একসময়ে সমাজে ছিল তার কারণটা ইমোশনাল নয় একেবারেই অর্থনৈতিক। কৃষিভিত্তিক সমাজে পরিবারের কৃষিজমি ভাগ হয়ে গেলে সবার অসুবিধা, তারথেকে জমি ভাগ না হলে যা থাকে তাতে পরিবারের সবারই ভালো। তাই কৃষিভিত্তিক সমাজ ভেঙে পরার সাথে সাথেই যৌথ পরিবারও ভেঙে পড়েছে। বহুবিধ কারণের মধ্যে একটা হল ইনকাম ইনিকিউয়ালিটি জনিত বিভিন্ন সমস্যা। কারুর ছেলে রোজ সকালে লুচি খেতে পারে কিন্তু খেতে হচ্ছে রুটি ইত্যাদি ইত্যাদি। পরিবারের সাথে দেশের এই অ্যানালজি টানার মধ্যে একটাই পার্থক্য থাকে তাহল পরিবারের মাথার কোন আইনি ক্ষমতা নেই। কিন্তু দেশের সরকারের আছে। কোন অনুন্নত অঞ্চলকে উন্নত করতে উন্নত অঞ্চলের ট্যাক্স পেয়ারদের টাকা অনুন্নত অঞ্চলে ব্যায় করানো, বা যারা বেশি আয় করে তাদের কাছ থেকে বেশি ট্যাক্সো নিয়ে যারা কম আয় করে তাদের কাছ থেকে কম ট্যাক্স নেওয়া (প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্স) ইত্যাদি ইত্যাদি।

    এবারে সবাইকেই,

    মূলত এক্সট্রিম বামপন্থীরা বলে দেশ টেশ বাজে বুজরুকি আসল ব্যাপার হল দুনিয়ার মজদুর এক হও। আর এক্সট্রীম ডানপন্থীরা বলে দেশ টেশ বাজে বুজরুকি আসলে দুনিয়ার সিইও এক হও। দুটোই থিওরি হিসেবে বোগাস হলেও একটা ব্যাপার লক্ষ্যণীয় যে দুদলই একদিকে ভাঙার কথা বললেও অন্যদিকে জোড়ার কথাও বলে কারণ শক্তি চাটুজ্যে বলেছিলেন 'ইউনাইটেড উই স্ট্যান্ড ...'। ক্ষণ্ডীকরণের থিওরিটি কিছুটা হলেও মান্যতা পায় যদি এই দুপক্ষের কোন একদিক ধরা যায়। নইলে অভিজ্ঞতা দিয়ে লোকে বুঝে নেবে কখন আর ক্ষণ্ডীকরণ দরকার নেই, এই যুক্তিটা মার্কেট এফিশিয়েন্ট সব নিজে নিজেই শিখে নেবে এর সাথে তুলনীয়। বস্তুত মার্কেট মানে কিন্তু আলাদা কোন এনটিটি নয়। এই যে আমরা মানে জনসাধারণ তাদের বিশেষ সিদ্ধান্তর নামই 'বাজার'।

    তাই স্থান কাল নির্বিশেষে কোন এক গোষ্ঠী যদি বলে এই আমরা আলাদা হব হে, তাহলেই তাদের আলাদা হতে দেওয়া যায় না। যদি সেই ভাগাভাগিতে আমার ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে তাহলে আমারও বলার হক আছে। যেমন ধরা যাক আম্রিগার হেলথ ইন্সিওরেন্সে স্মোকাররা কিন্তু নন-স্মোকারদের ওপর চাপ তৈরি করছে কারণ স্মোকারদের হার্ট অ্যাটাক থেকে ক্যান্সার সবেরই সম্ভাবনা বেশি এবং হয়ও তারফলে গ্রুপ ইন্সিওরেন্সের প্রিমিয়াম বাড়ে যার শেয়ার যায় নন-স্মোকারদের পকেট থেকেও। এক্ষেত্রে নন-স্মোকারদের একটা রাইট থাকেই স্মোকারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার। তেমনই কাশ্মীর আলাদা হলে যদি ভারতের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাহলে যে ভোটের কথা ঈশান বলেছে সেই ভোট দেবার অধিকার সকলের আছে।

    (বাকিটা লিখছি)
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:০৩460349
  • এই ক্ষেত্রে কিছু পোস্ট আগে 'জি' যা বলল তারসাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। নাগাল্যান্ড আলাদা হবে কিনা তাতে ভোট দেবার আমারও সম্পূর্ণ অধিকার আছে।

    তারমানে এই নয় যে কাশ্মীরের সমস্যাকে অস্বীকার করছি। কমরেড অপ্পনের পোস্টের সাথে সহমত। ভালো করে পর্যালোচনা করা হোক এবং এক্ষেত্রে ঈশানের সাথেও একমত যে শুধু অনুন্নয়নের কারণেই যে কাশ্মীর আলাদা হতে চায় তাও নয়। বহুবিধ কারণ থাকতে পারে, সেগুলো পর্যালোচনা করা হোক। আগের পোস্টে কল্লোলদা বললেন না যে যাস্ট ইন্ডিয়ার সাথে থাকতে চায় না, সেটা কেন বোঝার চেষ্টা করা হোক। কাশ্মীরি দেরও বোঝার সময় হয়েছে যে তাদের কাশ্মীরি ছাড়াও অন্য আইডেন্টিটি রয়েছে। যতদূর পড়েছিলাম আশির দশক অবধি কাশ্মীরের প্রধান আয় ছিল পর্যটন শিল্প আর সিংহ ভাগ ছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দারা। সেটা বন্ধ হওয়াতে সবথেকে ক্ষতি হয়েছে কাশ্মীরিদেরই এবং ভারত সরকারেরও। কাশ্মীরি হোটেল মালিক ও সরকার দুই পক্ষেরই উচিত নিজেদের মধ্যে যে ইন্টার ডিপেন্ডেন্সি রয়েছে তা বোঝা। কাশ্মীরিদেরও বোঝা উচিত যে কাশ্মীরি ছাড়াও তাদের অন্য আইডেন্টিটি রয়েছে যেমন হোটেল মালিক, গাইড, পিতা ইত্যাদি যারা এই পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল এবং ভারতীয় সরকারের উপর ডিপেণ্ডেট। এর জন্য দরকার সুস্থ পরিকল্পনা, প্রচার, উন্নয়ন, ক্ষোভের কারণকে অ্যাড্রেস করা। সেটা সম্ভব বলেই মনে হয় (you may say I am a dreamer - ল্যাদোষদার গানের বাকিটা :D)।

    তাই যারা বিভিন্ন ক্ষোভের কারণে একটা আইডেন্টিটিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন তাদের উচিত একটি জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন আইডেন্টিটিকে মাথায় রাখা, তাদের সাথে ইন্টারডিপেন্ডেন্সি মাথায় রাখা। চাইলাম বলেই আলাদা হয়ে গেলাম চলে না, আমরা সবাই একে অপরের ওপর আমাদের বহুবিধ আইডেন্টিটির কোন একটি বা একাধিক সঙ্কÄ¡ নিয়ে অন্যের ওপর ডিপেন্ডেন্ট। কনফ্লিক্ট বেশি হলে আমরা শুধু একটি আইডেন্টিটি নিয়ে বেশি চিন্তিত হই বলে বাকিগুলোকে ইগনোর করি। (এসব কথা কিন্তু আমার বলে খবর্দার ভাববেন না, কোথা থেকে একটা টুকছি, ধরতে পারলে নকুলদানা :))।

    উন্নতি ইত্যাদি নিয়ে একটা ফুট। পাইকে, এইচডিআই দেখতে বারণ করি নি, কিন্তু শুধু সেটা দেখার অর্থ হল নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাসের ফলে অন্যদিকে না দেখা। মানে আগে বিশ্বাস, তারপরে সেই বিশ্বাসকে যাস্টিফাই করতে গিয়ে শুধু এইচডিআই দেখা। নইলে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারত এবং পাকিস্তান বা শ্রীলংকার কোন তুলনাই হয় না। অন্যদিক গুলো তুলে ধরার জন্যই ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের কথা বলেছি।

    ব্যাস। :))
  • pi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:১৪460350
  • না: আকাদা, নী জার্ক রিঅ্যাকশন না তো। আমি তো জানতে চাইলাম। তোমার ঐ ক্রয়ক্ষমতা দিয়ে তুলনা দিয়েই তো জানতে চাইলাম।কারণ দেশের ৭৭% মানুষ দিনে কুড়ি টাকা ও ব্যয় করতে পারেন না বলে একটা তথ্য জানতাম। সেটা জানার পর বিশ্বাসটা কী হওয়া উচিত, জল না পেলে মানুষ কোক খাবেন ?
  • pi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:২১460352
  • কতগুলো আইডেন্টিটি আছে, এটা সে নিজে না, অন্যেরা ঠিক করে দেবে ? সে এখনো নাবালক ?
    ধরা যাক, প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদে পূর্ণ কোনো জায়গা,অথচ তার কোনোরকম আইডেন্টিটি দেশের কিছুর সাথে মেলে না, কিন্তু যেহেতু তার থেকে অনেক লাভ হবার সম্ভাবনা, তাহলে সারা দেশের লোক তাকে দেশে রাখার জন্য ভোট দেবে, তখন ? তাকে থাকতে হবে ? নাকি, তখন বাকি দেশের সাথে মাননসই কোন আইডেন্টিটি নির্মাণ আরোপ করা চলবে ?
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:২১460351
  • একটাই কথা বলার তাহল ত্রিশ বছর আগে অবস্থা কি ছিল তাও দেখা উচিত। গ্লাস, জল, ইত্যাদির অ্যানালজিটা পশ্য। বাকিটা কাল।
  • pi | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৯:২২460353
  • আকাদা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তোমার কী স্ট্যান্ড ?
    ধর্মীয় আইডেন্টিটি ভুলে পাকিস্তান থেকে বেরোতে চাওয়া নিশ্চয় ঠিক কাজ হয়নি। পুরো পাকিস্তানের গণভোট নেওয়া উচিত ছিল না তখন ?
  • bastu | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:১৪459705
  • এই যে ভাঙার কোন সীমানা নেই, এইটে খুব গভীর কথা। ভোটে যদি কেউ বেরিয়ে যেতে চায় তো তাদের আটকে রাখা খুব অন্যায়। কিন্তু কেউ থাকতে চাইলে তাকে বের করে দেওয়া কি অন্যায় হবে?

    ধরুন কাশ্মীরে আজ গনভোট হল। ধরুন ৭০% বেরিয়ে যেতে চাইলেন, আর ৩০% থাকতে চাইলেন। এই ৩০%-কে বাকী ৭০%-এর সাথে বের করে দেওয়া কি ঠিক হবে? আবার দেখুন, এই ৩০%-কে যদি রাখতে হয়, তাদের ঘরদোর যা আছে, সেগুলো কি ভারতের মধ্যেই থাকবে? মানে স্বাধীন কাশ্মীর কি জিগস পাজলের মত দেখাবে? তা যদি না হয়, তাহলে কি ঐ ৩০%-কে উদ্বাস্তু হয়ে আসতে হবে? ইচ্ছার বিরুদ্ধে?
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৩১459706
  • আরে বাঙলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বলার কি আছে? একটি দেশ, মধ্যে আর একটি দেশ, তারপর আর একটি দেশ এটা ফিজিবল নয়। কোনরকম ইন্টারডিপেন্ডেন্সি কি ছিল? কাশ্মীর, গোর্খাল্যান্ড হ্যান তেন এই দিয়ে ব্যাখা করা যায় না। শুধু ধর্ম দিয়ে ভাগ করলে অমনই হয়। বাংলাদেশ আর পাকিস্তান আলাদা হওয়া শুধু সময়ের ব্যাপার ছিল।

    আমি মনে করি প:ব: আর বাঙলাদেশ ভাগ হওয়াও আনফরচুনেট। ভারত আর পাকিস্তান ভাগ হওয়াও আনফরচুনেট। ক্রিকেট টিমটা কি হত? ওদিকে কপিল দেব আর ইমরান খান বোলিং ওপেন করছে, ওয়ান চেঞ্জ সরফরাজ নওয়াজ, এদিকে গাভাসকার আর মজিদ খান ব্যাটিং ওপেন করছে, তারপরে জাহির আব্বাস, জাভেদ মিয়াদাদ, বিশ্বনাথ, বেঙ্গসরকার ইত্যাদি। ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। কোথায় লাগে লয়েডের টিম। এইসব আর কি?

    মোদ্দা কথা বামপন্থীরা বামপন্থা ছাড়ার পরেও ক্ষণ্ডীকরণ ছাড়তে পারে নি, আবার অন্যদিকে দুনিয়ার মজদুরও ধরে রাখতে পারে নি। সব মিলিয়ে ত্রিশঙ্কু অবস্থার স্ট্যান্ডটি অতি মারাত্মক, তাতে গুণ্ডারাজকে লেজিটিমাইজ করা ছাড়া আর কিছু হাতে থাকে না, এমনকি পেন্সিলও না। বহুদিনের অভিজ্ঞতার ফলেই মানুষ জোটবদ্ধ হতে শিখেছে।

    বাস্তু, ইমাজিনারি সংখ্যা দিয়ে আর যাইহোক অ্যানালিসিস হয় না।
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪৫459707
  • বাস্তুর সাথে কি সেমসাইড করলাম? ঠিক বুইছি না, শনিবার তো। :)))
  • aka | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:৩৭459708
  • আরে একটা ব্যপার ঈশানের 'হোয়াইট মেনস বার্ডেন' ব্যাপরটা একটু অলক্ষ্যে চলে গিয়েছিল। একটা সোজা সাপটা প্রশ্ন ঈশান প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্স কিভাবে ব্যাখ্যা করবে? ২৫০ কের ওপরে হলে বেশি ট্যাক্সো দিতে হবে, কেন? যে অমন রোজগার করছে সে তো খেটেই করছে, তাকে বেশি ট্যাক্সো দিতে হবে কেন? অথচ পৃথিবীর সমস্ত উন্নত দেশে প্রোগ্রেসিভ ট্যাক্সো চলে। মার্ক্ষ সাহেবও সেই কথাই বলেছেন।
  • kallol | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪৫459710
  • বাংলাদেশ আলাদা হওয়া যেমন সময়ের ব্যাপার। আমার বিশ্বাস, কাশ্মীর আর নাগাল্যান্ড, মনিপুর, মিজোরামও তাইই।
    এদের প্রত্যেককেই ১৯৪৭এ প্রচুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিলো, গণভোট, স্বায়ত্বশাসন থেকে আলাদা হবার অধিকার পর্যন্ত। ৬৩ বছরে - কেউ কথা রাখে নি। ফলে একদিন না একদিন এরাও আলাদা হবেই। আলাদা হয়ে এরা কি করবে। এদের উন্নতি হবে না অবনতি। এরা দাও ফিরে সে অরণ্য করবে না ভারী শিল্প, সে ওদের ব্যাপার। ওদের বুঝতে দিন।
  • Ishan | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:০০459711
  • আকার বক্তব্য এখানে আপাতভাবে খুব সহজ এবং সাদামাটা। কিন্তু আসলে বক্তব্যের মধ্যে একটা বিশেষ রাজনীতি আছে। লুকিয়ে থাকা। সেটা এখানে ফোকাস করার দরকার।

    প্রাথমিকভাবে, হ্যাঁ, বিশ্বের প্রত্যেকেরই বহুমাত্রিক আইডেন্টিটি আছে। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তার মধ্যে কিছু সাধারণ আইডেন্টিটি (যেমন আমরা সবাই মানুষ), আর কিছু পৃথক আইডেন্টিটি (যেমন আমার মাতৃভাষা বাংলা আপনার ইংরিজি)। প্রত্যেকের কাছেই বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে এর মধ্যে কিছু আইডেন্টিটির গুরুত্ব বেশি, কিছুর কম। যেমন, "আমরা সবাই মালখোর' এই কমন আইডেন্টিটি খুব বেশি গুরুত্ব দাবী করেনা (একমাত্র মাল খাবার সময় ছাড়া), আবার "আমরা কেউই খেতে পাইনা', এই কমন আইডেন্টিটিটা প্রায় সবসময়েই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    উপরে যে প্যারাগ্রাফটা লিখলাম, সেটাও খুব সাদামাটা। সোজা এবং সরল। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে অতো সোজা নয়। এখনে একটা লুক্কায়িত ধরে নেওয়া আছে। যেটা আসলে রাজনৈতিক। এবং আইডেন্টিটি পলিটিক্স মূলত, এই রাজনীতিটার বিরুদ্ধেই ফাইট দেয়। কি সেই রাজনীতি? খুঁটিয়ে পড়লে দেখবেন, এই লেখায় একটা গুরুত্বের মাপকঠি ব্যবহার করা হচ্ছে। যে, "মাল খাবর ঐক্য' কম গুরুত্বের। এবং "ভাত খবার ঐক্য' বেশি গুরুত্বের। এবং সেটা একটা ইউনিভার্সাল ট্রুথ হিসেবে এস্ট্যাবলিশ করে ফেললাম। এক্ষেত্রে সেটা করার কোনো সমস্যা নেই, কারণ ভাতের গুরুত্ব মদের চেয়ে বেশি, এই নিয়ে বিশ্বের, আন্দাজে বলছি ৯৯% লোকই বোধহয় একমত হবেন।

    কিন্তু বিশ্বের সমস্ত তথাকথিত "সার্বজনীন সত্য' গুলো তা নয়। এদের আলাদা আলাদা ইন্টারপ্রিটেশন আছে। বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে এবং লোকের কাছে। যেমন, আমাদের এই বর্তমান আলোচ্য বিষয়টা। এই আলোচনায় হরেক রকম ক্যাটিগরি বা বর্গ আছে (আমি এবং আকা দুজনেই এনেছি)। যথা বামপন্থা, ডানপনথা, জাতিগোষ্ঠী, উন্নয়ন, ইত্যাদি ইত্যাদি। মূলধারার ভরতীয় এবং কাশ্মীরি, উভয়ের কাছে এদের ইন্টারপ্রিটেশন কিন্তু এক রকমের নয়। কিরকম? জটিলতা এড়ানোর জন্য জাস্ট দুটো বর্গ নিয়ে আলোচনাটা করা যাক। ১। কাশ্মীরি। ২। ভারতীয়। এই মুহূর্তে এই দুটোই কাশ্মীরিদের আইডেন্টিটি। এবং এদের মধ্যে জটিল আন্ত:সম্পর্ক আছে। এই নিয়ে পৃথিবীর সমস্ত পক্ষই ঐকমত্য পোষণ করবেন। ইনক্লুডিং কাশ্মীরিরা। কিন্তু তার মানে এই নয়, যে, সবাই আকার সঙ্গে একমত হবেন। কারণ গুরুত্বের প্রশ্নে অর্ডারিং টা বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা। বদলে যায়। ভারতীয় রাষ্ট্রের মূল ধারা বলে, "বস তুমি আগে ভারতীয়, তারপর কাশ্মীরি। যাই হোক না কেন, ঐকবদ্ধ না থাকলে তোমার কোমর কিন্তু ভেঙে যাবে, ইত্যাদি ইত্যাদি, যেগুলো আকা ডিটেলে বলেছে। অন্যদিকে কাশ্মীরি (আমি একটি কল্পিত কাশ্মীরি বয়ান দিচ্ছি) বয়ানে, গুরুত্বের অর্ডারিংটাই আলাদা। যে, "আমি আগে কাশ্মীরি, ভারতীয়-ভারতীয় পরের কথা। নামে ভারতীয় হলেও আসলে আমি ভারতের দাস। আমাদের এই পর্যটন শিল্প বন্ধ করার মূলে আছে ভারতীয় সৈন্য। তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলেই, তারা সেনা নামায়, আমাদের হোটেল বন্ধ হয়ে যায়। পর্যটন শিল্প মার খায়। আমাদের হাতেও মারে ভাতেও মারে। এর চেয়ে সেনা সরিয়ে নিক। বিদেশী পর্যটক যদি ভারতে আসতে পরে, আজাদ কাশ্মীরেও আসতে পারে। ইত্যাদি ইত্যাদি'।

    এরকম নয়, যে, বিভিন্ন পক্ষের ইন্টার-ডিপেন্ডেন্সটা কোনো পক্ষ জানেনা বা মানেনা। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোন আইডেন্টিটিটাকে আগে গুরুত্ব দেব তার। আকা এখানে ভারতীয় রাষ্ট্রের ডিসকোর্সকে গুরুত্ব দেবে। কারণ, পুঁজিবাদী বিনিয়োগ, কোনো কারণে এখন ঐক্যবদ্ধ ভারত দেখতে চাইছে, এবং আকা পুঁজি বিনিয়োগকেই এই মুহূর্তে মোক্ষ মনে করছে। এটা বেসিকালি বিশ্ব পুঁজির রাজনীতি।

    অন্যদিকে আমি পুঁজির যে খুব বিরোধী তা নই। কিন্তু পুঁজির শর্তে ডিকটেটেড হতে রাজি নই। কোনো একজন মানুষের আইডেন্টিটির অর্ডার তার বেছে নেবার অধিকার আছে বলেই মনে করি। সেটা পুঁজির ডিকটেশনের বিরুদ্ধে গেলেও। তার উপরে খোলা চোখে দেখলে আলাদা কাশ্মীর হলে তাতে পর্যটন শিল্প মার খাবার কোনো কারণও দেখতে পাচ্ছি না। অতএব আমি সেই পক্ষটা নেবনা।

    এত কথা বল্লাম, কারণ, এখানে ডান না বম সেটা কোনো ফ্যক্টর নয়। আইডেন্টিটি পলিটিক্স বনাম পুঁজি প্রস্তাবিত ঐক্য -- এরাই এখানে মূল প্লেয়ার। পুঁজির সর্বগ্রাসী প্রকোপের বিরুদ্ধে ট্র্যাডিশনাল ডান-বাম দুদিকেরই লোকজন আছেন। আবার চরম বাম/চরম ডান রা বেচিরভগই এই "ঐক্য'এর পক্ষে।
  • Ishan | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৩৬459712
  • একটা ক্ল্যারিফিকেশন: চরম বাম/ডান বলতে ট্র্যাডিশনালি চরম বাম/ডান বোঝাইনি। ওটা এই প্রসঙ্গের চরমতার কথা বলা হয়েছে।
  • stoic | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৫৫459713
  • আজ্জোর নকুলদানাটি আমার প্রাপ্য। :-))
    আজ্জোর ২৬ সেপ্টেম্বর ৯:০৩ এর পোস্ট এর কনসেপ্টটি অমর্ত্য সেনের রিসেন্ট বই "আইডেনটিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স: দ্য ইলিউশান অফ ডেসটিনি" থেকে টোকা।
    :-))
  • aka | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৩৮459714
  • প্রথমেই সৈকতকে পাঁচটা নকুলদানা। আরও পাঁচটা রেখে দিলাম কারণ সমস্ত ভালো প্রাবন্ধিকের মতন বাকি সোর্সগুলো আস্তিনের তলায় লুকিয়ে রেখেছি। কারণ কবি বলেছেন একটি থেকে টুকলে প্লেগিয়ারিজম কিন্তু অনেকগুলো থেকে টুকলে ভালো রিসার্চ। :)))

    ঈশান যে পলিটিক্সের কথা বলেছে সেটা নতুন কিছু নয়, মার্ক্ষ সাহেবও বলেছেন। সর্বগ্রাসী পুঁজির চরিত্রই হল প্রবল সাম্রাজ্যবাদ যা কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় দেখা গেছে। এতো ইতিহাসের কথা কনটেম্পোরারি ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় কি না অভিজ্ঞতা দিয়ে মানুষ দুটো জিনিষ শিখেছে, শিখছে এক, আমরা যাকে বাজারি অর্থনীতি বলি তার বিকল্প খুব কিছু নেই, দুই, বাজার নিজেই সবকিছু শিখে নেবে তার ওপর খবরদারী করার কোন দরকার নেই এটি যাস্ট বোগাস আইডিয়া। রাজনীতির ইতিহাসে বামপন্থা ও ডানপন্থা লড়াই করতে করতে শিখচে যে দুইয়েরই প্রয়োজন আছে। পৃথিবীর সবথেকে বাজার পন্থী দেশ মানে আম্রিগার জিডিপির প্রায় ৪৫ শতাংশ সরকারী আওতায়। বিভিন্ন দেশে এই অনুপাত বিভিন্ন, কিন্তু ক্রমশ ঐ মধ্যপন্থার দিকেই যাচ্ছে। তাই আজ যেমন ক্লাস বেসড সলিডারিটি অবসলিট তেমনই সরকার, রাষ্ট্র ইত্যাদির দরকার নেই, শুধুই পুঁজিই পৃথিবীতে রাজ করবে এও অবসলিট। তাই কনটেম্পোরারি ইতিহাস ও রাজনীতি যে বেসিক জায়গাটায় আমাদের দাঁড় করিয়েছে তাহল বাজার বাজারের কাজ করুক, আর সরকার সরকারের। একদিকে কোক ইনভেস্ট করুক, অন্যদিকে সরকার দেখুক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ইনকাম ইনিকুয়ালিটি ইত্যাদি। বাজারে অন্যায্য কিছু হচ্ছে কিনা সরকার তাও দেখুক। এই কাশ্মীরের কথাই ধরা যাক না, সত্যি বলতে কি দরিদ্র কাশ্মীরি জনগণের মার্কেট পুঁজির খুব একটা দরকার নেই। লাভ বিশেষ হবার নয়, অন্তত অদূর ভবিষ্যতে কোন চান্স নেই। তাই কোক বা সামসুঙ চাইছে বলে কাশ্মীর ভারতে থাকার দরকার এই আইডিয়াটা ফার ফেচেড।

    (চলবে)
  • aka | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৪৫459716
  • মূলত সমস্যাটি হল কাশ্মীরের জনগণের মনে ক্ষোভ রয়েছে। তার বহুবিধ ভ্যালিড কারণ আছে। কাশ্মীরিরা তাদের কাশ্মীরি সঙ্কÄ¡কেই বেশি প্রাধান্য দিতে চায়। যদিও সত্যি বলতে কি এই দাবীর সত্যতা জানার কোন উপায় নেই, তাও তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক এটা সত্যি, মেজরিটি কাশ্মীরি তাদের কাশ্মীরি সঙ্কÄ¡কে অগ্রাধিকার দিতে চায়। কিন্তু এর মধ্যে আর কোন কমপ্লেক্সিটি নেই এটা ভাবার কোন মানে নেই। এরমধ্যে পাকিস্তান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উগ্রপন্থী দল সবাই ইনভলভড। কাশ্মীরিদের বিশেষ আইডেন্টিটি কে প্রভাবিত তারা করছেই, এটা অস্বীকার করার বোধহয় জায়গা নেই। তাই সমস্যাটি দলিতদের আইডেন্টিটি পলিটিক্সের মতন অত সহজ সরল নয়। এর সাথে ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স জড়িত। মাওবাদীরা যে এত অস্ত্র পাচ্ছে তার সব কি দেশের? এটা বিশ্বাস করা যায় না। ঐ যে আলফার কোন নেতা আন্তর্জাতিক অস্ত্র সাপ্লায়ার হয়ে গেছে তার স্বার্থ আছে তো এই জাতীয় বিচ্ছিন্নতাকামী আইডেন্টিটি প্রোমোট করার। এশিয়ার সুপার পাওয়ার হিসেবে চীনেরও স্বার্থ আছে তো। সেই দিক থেকেই ভারতীয় রাষ্ট্রের কাছে ব্যপারটা শুধু আইডেন্টিটি পলিটিক্সকে মান্যতা দেওয়া নয়, আন্তর্জাতিক পলিটিক্সকে কাউন্টার করাও বটে। আজ কাশ্মীর ছাড়লে কাল মণিপুর, পরশু নাগাল্যান্ড, তরশু পুরো দক্ষিণ ভারত, মাওবাদী অধ্যুষিত ভারত সবই ছাড়তে হবে। তার কতটা আইডেন্টিটি পলিটিক্স আর কতটা আন্তর্জাতিক পলিটিক্স তা বোঝা অত সহজ নয়।

    এর উল্টোদিকে আমার দাবী হল ক্ষোভের কারণ বুঝে তা অ্যাড্রেস করা হোক, লং টার্ম পলিসির কথা ভাবা হোক। তাতে তো দুই পক্ষেরই ভালো, সেটা না করে ভাগ করতে চাইব কেন? পারস্পরিক বোঝাপড়ার জায়গাটা কেন এত ইম্পসিবল সেটাও জানার ইচ্ছে রইল, প্রামাণ্য সোর্স সহ।
  • aka | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:৩১459717
  • ভুল হয়েছে সৈকত নয় তো স্টোইককে নকুলদানা দেব।
  • ranjan roy | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:১০459718
  • আকা'র বাজার বনাম রাষ্ট্র কে দুটি মিউচুয়লি একসক্লুসিভ ক্যটেগরি করার বিরুদ্ধ বা মধ্যপন্থার বক্তব্যের সঙ্গে একমত।
    কিন্তু ট্র্যাডিশনাল বাম বরাবরই সে¾ট্রালাইজড্‌ পাওয়ারের পক্ষে।
    আর সময়ের সঙ্গে আরও বিকেন্দ্রিকরণ হবে --- জমি/বাড়ি/পরিবার/প্রশাসন এইটাই তো স্বাভাবিক ও কাম্য। ছেলে বড় হলে একটি আলাদা ঘর দরকার( ছেলের জন্যে, আমার জন্যে নয়), আবার বিয়ে করলে একটি আলাদা ইউনিট দরকার,-- তারই ব্যক্তিত্বের স্ফুরণের জন্যে, এইটাই কাম্য নয় কি!
    কাজেই জনসংখ্যা, বাজার দুটোরই বৃদ্ধির সাথে সাথে আলাদা ক্ষমতার কেন্দ্র তৈরির ঝোঁক বৃদ্ধি পাবেই। কমুনিষ্ট ইন্টারন্যাশনাল একটা সময়ের পর দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ করে গঙ্গাযাত্রা পেল।
    বিভিন্ন ভেস্টেড ইন্টারেস্ট থাকনে, তারা ঝোপ বুঝে কোপ মারবে। তার জন্যে মূল আন্দোলন বা দাবী ভুল হবে কেন?
    বৃটিশের থেকে স্বাধীনতা পেতে নেতাজী জাপান-জার্ম্নানীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। স্বাভাবিক কারণেই। তাবলে কি আজ আমরা নেতাজীর মূল ভাবনা বাদ দিয়ে তোজোর কুকুর বলে তাঁর মূল্যায়ন করবো?
    আর মাওবাদী আন্দোলনে বাইরের অস্ত্র আসছে বলে যতই মিডিয়া গলা ফাটাক, যখনই কোন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক বা সামরিক অধিকারী বয়ান দেন তখন দেখা যায় যে অধিকাংশই দেশের লুট করা মাল।
  • bastu | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৩৯459719
  • একজন মানুষের আইডেন্টিটির অধিকার বেছে নেবার অধিকার আছে, এইটে ভাল কথা। তো যে সব কাশ্মীরিরা ভারতীয় আইডেন্টিটিকে বেছে নেবেন তাদের নিয়ে কী করা হবে? মানে যদি ধরে নেই যে সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরি সিসেশনের পক্ষে ভোট দিলেন, তাহলে যাঁরা সিসেশনের বিপক্ষে ভোট দিলেন, তাঁদের নিয়ে কি করা হবে? আমি জানতে চাইছি, এই সংখ্যালঘিষ্ঠ কাশ্মীরিদের নিজেদের আইডেন্টিটি বেছে নেবার অধিকার আছে কিনা।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:৪৭459720
  • একটা জিনিস খুব ইন্টারেস্টিং লাগল। আকা লিখেছে "অভিজ্ঞতা মানুষ দুটো জিনিস শিখেছে'। মানুষের অভিজ্ঞতার উপর অনাস্থা দিয়েই কিন্তু আকা এই আর্গুমেন্ট শুরু করেছিল। সেই জন্যই ইন্টারেস্টিং লাগল। :)

    সে যাক। প্রথমে পুঁজির স্বার্থের কথায় আসি। অমর্ত্য সেনের কথায় পরে আসছি। বিশ্ব পুঁজি ভারতকে "ঐক্যবদ্ধ' এবং "শান্তিপূর্ণ' একটি বিস্তীর্ণ ভূখন্ড হিসেবে দেখতে চায়। যেখানে মাওবাদী উপদ্রব নেই। খনির উপর অপার অধিকার আছে। যা টুকরো-টাকরা নয়। একটি সরকারের সঙ্গে নেগোশিয়েশন চালালেই বিস্তীর্ণ বাজার হাতে আসবে। কশ্মীর এই ভাবনার কাছে একটি থ্রেট। প্যান্ডোরার বাক্স। একবার খুললেই ঝুড়ি থেকে কাশ্মীরের পর বেরিয়ে আসবে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুর। আরও কি কি কে জানে। পুঁজি সেই রিস্ক নেবেনা। নিতে চায়না। এই মতাদর্শগত চাওয়াটা মনোমোহন-চিদাম্বরম-প্রণবের মধ্যে দিয়ে ফুটে বেরোচ্ছে। এর একটুও ফার ফেচেড নয়।
  • dig | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:৫১459721
  • কাশ্মীর-নাগাল্যান্ড-মিজোরাম-মণিপুর কেন পুঁজির কাছে থ্রেট বুঝলাম না, এইসব জায়গায় কোনো পুঁজি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নেই, বিশেষ কোনো খণিজ পাওয়া যায় না। সবে মিলে ভারতের ২-৩% জনগণ। বেরিয়ে গেলে পুঁজির কি সমস্যা? রাজনীতিবিদদের সমস্যা হতে পারে - কিন্তু সে কথা আলাদা ...
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:৫৯459722
  • এবার আইডেন্টিটি পলিটিক্স। এ নিয়ে মার্ক্ষ সাহেব সত্যি বলতে কি বিশেষ কিছু বলে যাননি। ফলে ভেঞ্চারটা রিলেটিভলি নতুন।

    তবে অমর্ত্য সায়েব এ নিয়ে নিশ্চয়ই বলেছেন। অমর্ত্য বাবু ঐতিহাসিক নন। ঐতিহাসিকরা, ইন জেনেরাল, অমর্ত্যবাবুর চিন্তার পদ্ধতি নিয়ে গুচ্ছের সমালোচনা করেছেন। বিষয়ে আসার আগে, অমর্ত্য সেনের আর্গুমেন্টকে রাজার পার্ট দেবার আগে সমালোচনাগুলো, আসুন একটু পড়ে নিই। দীপেশ চক্রবর্তী, এই বইটির সমালোচনা করতে গিয়ে বলেছেন: সমস্ত মানবিকতা সত্বেও অমর্ত্যবাবুর তথাকথিত যুক্তিবাদ প্রকৃত ঐতিহাসিক প্রক্রিয়াটি নিয়ে বিশেষ চিন্তাভাবনা করেনা। কল্পকথা নিয়ে ডিল করে।

    দীপেশ চক্রবর্তীর লেখাটি নেটে পাওয়া যেতে পারে। খুএঁজে দেখুন একটু। JSTOR এ তো যাবেই। না পাওয়া গেলেও ক্ষতি নেই। আর্গুমেন্টটর একটা অংশ আমি এখানে লিখব। বাকি টা অবশ্যই আমার রচনা। সঙ্গে থাকুন। :)
  • kallol | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:১৫459723
  • কাশ্মীর-উ:পূ: কেন পূঁজির কাছে থ্রেট। এমনিতে কোন কারন নেই। মোটেও খুব বড়ো বা সম্ভাবনাময় বাজার না। কিন্তু, পূঁজির তো শুধু একটা দিক দেখলে চলেনা। কাশ্মীর-উ:পূ: স্বাধীন হয়ে গেলে, চত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, প:ব:, উড়িষ্যা, অন্ধ্রে মাওবদীরা 'মরাল বুস্টার' পাবে। তাতে পূঁজির ব্যথা আছে।
    তবে এটাই একমাত্র নয়।
    ভারত সরকারের কাছে, সম্মানের প্রশ্নও বটে। নিজেকে দুর্বল বলে প্রমাণিত হতে দিতে কে আর চায়।
    আবার কংগ্রেসের কাছে আরও বেশী মাথাব্যথা, কারন এই সব গন্ডোগোলের মূলে নেহেরু ও তার মন্ত্রীসভা।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:২২459724
  • দিগ। পুঁজির সমস্যা শুধু বিনিয়োগের সমস্যা নয়। পুঁজির সমস্যা মানে বাজার ধরারও সমস্যা। অনেক পার্টির সঙ্গে ডিল করার সমস্যা। সিঙ্গুরে টাটাকে সরাসরি জমির মালিকদের সঙ্গে ডিল করতে হলে যে সমস্যাটা হত।

    কাশ্মীরকে ছেড়ে দিলে প্রথমে মনিপুর, তরপর আসাম, তারপর, কে জানে খালিস্তান, কোথায় শেষ হবে পুঁজি জানে কি? আপনার "এর শেষ কোথায়?' বলে যখন আশঙ্কিত হন, সেই একই আশঙ্কা পুঁজিরও। অন্য কিছু নয়।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:০৬459725
  • তো যাগ্গে। যা নিয়ে কথা হচ্ছিল।

    আমার গতকালের পোস্টে বলেছিলাম, আইডেন্টিটির গুরুত্বের অর্ডারের প্রশ্ন। "কাশ্মীরি' আর "ভারতীয়', এই দুটো আইডেন্টিটির গুরুত্বের মাত্রা, দুটো ভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে একেবারে উল্টে-পাল্টে যায়, আমরা দেখলাম। কিন্তু কেন উল্টে-পাল্টে যায়, সেটা আমরা দেখিনি। সেইটা এইবারে দেখব।

    ক। একটা পরিস্থিতি খুব সোজা। পরিপ্রেক্ষিতটাই এত আলাদা, যে আইডেন্টিটির অর্ডার উল্টোবেই। যেমন ধরুন, মেরি আঁতোনেত ছিলেন রানী। তাঁর কাছে "প্রজা' আর "ক্ষুধার্থ' এই দুটো আইডেন্টিটির মধ্যে "প্রজা'র গুরুত্ব বেশি ছিল। ফরাসী জনতার কাছে অবভিয়াসলি "ক্ষুধার্থ'র গুরুত্ব বেশি।

    খ। কিন্তু সর্বক্ষেত্রে পরিস্থিতি এত সরল নয়। আইডেন্টিটি কেবলমাত্র "স্বাধীন' পরিস্থিতিতে "স্বত:সফূর্তভাবে' গড়ে ওঠেনা। মানে, একজন কাশ্মীরি যে একজন "কাশ্মীরি' হবে, সেটা শুধু কাশ্মীরির "স্বাধীন চিন্তা'র উপর নির্ভর করেনা। বরং বেশিরভাগটাই অন্যদের উপর নির্ভর করে। সে কিভাবে "আইডেন্টিফায়েড' হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে।

    একটা উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ধরুন উত্তর ৯/১১র পরে নিউইয়র্কের "মুসলিম' আইডেন্টিটি। নিউ ইয়র্কের একজন "মুসলমান', তাকে প্রকাশ্যে নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে সঙ্কোচে থাকতে হয়, সম্ভবত লুকিয়েও রাখতে হয়। সেই সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী এক প্রক্রিয়ায় সে নিজের ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে আরও একাত্মতা বোধ করতে শুরু করে। বাইরে ঠেঙানি খেয়ে বাচ্চা যেমন মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    নিউ-ইয়র্কের মুসলিমের গপ্পোটা কল্পিত। কিন্তু বিষয়টা পরিষ্কার। যে, আইডেন্টিটি নির্মানের প্রক্রিয়ায় "স্বাধীন', "স্বতস্ফূর্ত' চিন্তার চেয়েও বড়ো প্রভাব ফেলে "চিহ্নিত' হওয়া। একজন "মুসলিম', এই কেসে, এই জন্য একজন "মুসলিম' নয়, যে, সে স্বাধীন ভাবে চিন্তা করে "মুসলিম' হবার সিদ্ধান্তটা নিচ্ছে, বরং এই জন্যই, যে, গোটা দুনিয়া তাকে "মুসলিম' হিসেবে চিহ্নিত করছে।

    আকা, এবং বলাবাহুল্য অমর্ত্যবাবুর বিশ্লেষণে ইতিহাসের এই মত্রাটা অনুপস্থিত। আইডেন্টিটির অনেক মাত্রা আছে। এটা সবাই জানে। তার মধ্যে কোনো একটা বিশেষ আইডেন্টিটিকে বেছে নিয়ে একমাত্রিক হওয়া চলবেনা, এই হল অমর্ত্যবাবুর প্রেসক্রিপশন। প্রেসক্রিপশনটা ভালই, কিন্তু এর পিছনের অ্যাসামপশনটি ভুল। এখানে ধরে নেওয়া হচ্ছে, যেন, নিজের "চয়েস' থেকে একটি গোষ্ঠী বেছে নিচ্ছে তার আইডেন্টিটির গুরুত্বের অর্ডার। সেটা বর্জন করলেই সর্বসুখ। আদতে গপ্পোটা তা নয়ই। "স্বাধীন'ভাবে কেউ "মুসলিম' হচ্ছেনা। "স্বাধীন'ভাবে কেউ "কাশ্মীরি' হচ্ছেনা। সে প্রথমে চিহ্নিত হচ্ছে "মুসলিম' বা "কাশ্মীরি' হিসেবে, তার রিঅ্যাকশনে তৈরি হচ্ছে তার আইডেন্টিটি।

    সোজা কথায়, আকা/অমর্ত্য বলছেন -- আইডেন্টিটির নির্মান একটি গোষ্ঠীর নিজস্ব আভ্যন্তরীন ব্যাপার। সেটাকে র‌্যাশনালাইজ করা প্রয়োজন।
    আর বাস্তবতা বলছে, আইডেন্টিটি নির্মানের প্রক্রিয়াটি স্বাধীন নয়। প্রথমে আইডেন্টিফায়েড হওয়া, তারপর আইডেন্টিটি।

    এই আলোকে দেখতে হলে, "কাশ্মীরি'রা যে "কাশ্মীরি', সেটা এই ভারতীয় কাঠামোর চিহ্নিতকরণের ফল। কাশ্মীরিদের "স্বাধীন' সিদ্ধান্ত নয়। এর সমাধান করতে হলে ভারতীয় কাঠামোটা হয় বদলানো দরকার। নইলে কাঠামোর বাইরে যাবার দরকার।
  • Ishan | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:০৭459727
  • উফ ক্ষুধার্ত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন