এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৮৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:১৫716136
  • কেসি, দুঃখজনিত স্মৃতিচারণ-কে তুমি আকচা-আকচি ভাবতেই পার, আমি ভাবি না।
    আর হীরাভ-তে ডিসকাসনের কোয়ালিটি নিয়ে কিছু না বলাই ভাল, গুড়ায় হাসব
  • কল্লোল | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:৩৭716147
  • পিটি। ৪০এর দশকে কেন ৬০এর দশকেও উদ্বাস্তু কলোনীতে পুকুর বোজানো হয়নি।তখন কারুর জমির পাট্টাই ছিলো না, ফলে প্রোমোটারীর প্রশ্নই নেই। বড়জোর ছ্যাঁচা বেড়া গিয়ে পাকা দেওয়াল হয়েছে। কলোনীগুলোর দৈনন্দিন জলের একটা বড়ো উৎস ছিলো ঐ বিল ও পুকুরগুলো। তাই নিজেদের স্বার্থেই ওগুলোর রক্ষণাবেক্ষন ওখানকার কলোনী কমিটিই করতো। কলোনীকমিটিগুলো ব্যতিক্রমহীনভাবে বামেদের দখল ছিলো। সে বামেরা প্রোমোটারী করতো না।
    বামফ্রন্ট আসার পর জমির পাট্টা পেলো কলোনীর মানুষ। প্রোমোটারী, পুকুর বোজানো সব তার পরেই। তার আগে কখনই নয়।
  • lcm | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:৪৬716158
  • পানা পচা দুর্গন্ধওয়ালা পুকুরগুলো গেছে। থ্যাংক্‌স টু সিপিএম এন্ড তিনোমুল।
  • PM | ১৬ জুন ২০১৬ ২১:৪৬716169
  • অপনাকে আবার পুরোনো ফর্মে দেখে খুব ভালো লাগছে কল্লোলদা ঃ)
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ২২:০১716180
  • "বামফ্রন্ট আসার পর জমির পাট্টা পেলো কলোনীর মানুষ। প্রোমোটারী, পুকুর বোজানো সব তার পরেই। তার আগে কখনই নয়।"

    কানেকশনটা বুঝলাম না। জমির পাট্টা দেওয়া তাহলে ঠিক হয়নি কি বল? আর আমি তো লিখলামই যে এক দেড় জেনারেশন বাদে এসব হয়েছে। সেটা প্রায় তোমার সময় কালের সঙ্গেই মেলে।

    এবারে দ্বিচারিতা বাদ দিয় যদি ভাবি তাহলে দেখা যাবে যে মানুষ পিল পিল করে ধেয়ে এসেছে কলকাতায় থাকবে বলে। আগে উদ্বাস্তুরা গোটা দক্ষিণ কলকাতার দখল নিয়েছিল। তখন পাট্টা না দিলে হয়ত আরেকটা মরিচঝাঁপি হত।

    আর এখন যদি বোড়াল ছাড়িয়ে নতুনহাটের দিকে যাও অথবা কবি সুভাষগামী মেট্রোর লোকের "অরিজিন" খোঁজ তাহলে দেখবে যে বিহার/ঝাড়্খন্ড এবং সম্ভব্তঃ উপ্রদেশ থেকে ঝেঁটিয়ে লোকজন এইসব জায়গায় জমিয়ে বসছে।

    আর এরা সকলে থাকার জায়গা খুঁজছে। কাজেই ডিমান্ড আছে তাই সাপ্লাই-ও আছে। কাজেই পুকুর ভরাটের জন্যে শুধু লোকাল মাস্তান দায়ী এই নাটকীয় দ্বিচারিতা বন্ধ হোক। ফ্ল্যাটের চাহিদা না থাকলে মাস্তানরা অন্যকিছুর ধান্দা করত।

    "people get the governnet they deserve" এর মত মানুষই তার পরিবেশ তৈরি করে। মেদিনীপুর লাইনের ট্রেনে চড়ে কলকাতার দিকে এলে দেখবে যে অনেক প্ল্যাটফ্রমের ৫০/১০০ বছরের পুরনো গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে টিনের ছাউনি বানানোর জন্য। নিশ্চিত মানুষ গাছের বদলে টিনের ছাউনি চায় তাই এসব হচ্ছে।

    এসবের কোন কিছুরই দায় সাধারণ মানুষ নেবে না শুধু দু-চারটে রাজনীতির লোকের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজের দায় সারবে এটা কোন যুক্তির কথা নয়। আমি ভাব্ছি অন্য কথা। সুভাষ দত্তের মত সবুজ বিপ্লবী যাঁরা বাম আমলে চ্যানেলে চ্যানেলে দাপিয়ে বেড়াতেন তাঁরা কোথায় উবে গেলেন?
  • cb | ১৬ জুন ২০১৬ ২২:০৪716191
  • ওয়েলকাম ব্যাক কল্লোলদা। কেমন আছেন??
  • ranjan roy | ১৬ জুন ২০১৬ ২৩:০৬716202
  • এল সি এম,
    সব পুকুর পচা পানায় ভরা ছিল না তো!
    নাকতলার জোড়াবাগান এলাকায় আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলির বাড়ি।
    ৬১/৪, জোড়াবাগান রোড। ওমনাথ গেছে।
    ঠিক সামনেই বিশাল পুকুর ছিল। গভীর টলটলে জল। ডায়গোনালি দু দিকে দুটি ঘাট। ওপাশের বিদ্যাসাগর কলোনীর গরীব মানুষ ওখান থেকে স্নান করে ঘরের জন্যে জল নিয়ে যেত। গরমএর দিনে সেখানে চারপাশের পাড়ার লোকজন ছেলেবুড়ো পুরুষ মহিলা সবাই নামতো। মেলা বসে যেত। আমার সব ভাইয়েরা ওখানেই সাঁতার শিখেছে।
    কিন্তু এখন বেআইনি দখল ও প্রোমাটারি ঝগড়ায় সেটা বুজে একটা অস্বাস্থ্যকর জঙ্গল ও ময়লা ফেলার জায়গা। সেখানে বাম ও ডানের প্রোমোটারি দ্বন্দ্বে হাইকোর্টের স্টে লাগানো ছোট একটা বোর্ড। শুনছি সব পরিষ্কার হয়ে একটা পার্ক হবে; কবে কে জানে?

    আর পিটি কী বলতে চান পষ্ট করে বলুন।
    ১) হয়, সাপ্লাই ডিম্যান্ডে ওসব বুজে বহুতল হচ্ছে বেশ হচ্ছে। প্রোমোটারি সিন্ডিকেট ওসবের করোলারি। সে বাম জমানাই হোক বা ডান। ওসব পরিবেশ সুভাষ দত্ত ইত্যাদি ভাট। বেশ।
    অথবা,
    ২) পরিবেশ ও জলাজমি বুজিয়ে বহুতলের বিরুদ্ধে। বেশ।
    অথবা,
    ৩) সব বাজে কথা। যা কিছু খারাপ সব ত্রিনো। বামেদের আমলে প্রোমোটারি ঠিকেদারি সিন্ডিকেট কিস্যু ছিল না। সব গজিয়েছে এই বিগত অর্ধদশকে। সেও বেশ কথা।
    গাছেরও খাবেন, তলারও কুড়োবেন না করে একটা স্ট্যান্ড নিন। গোলপোস্ট সরাবেন না।

    ৪) আর আজকে সবুজ বিপ্লবী ও অন্যরা কোথায় বলে খোঁজাখুঁজি কেন? কেন ওরা নইলে বঙ্গের দুর্দিন ভাবছেন?
    গতবছর আপনারই দুটো পোস্ট ফিরে পড়ুন।
    ক)যখন বিদ্যুৎ বিলের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে প্রসেনজিত বসু, প্রাক্তন বাম মন্ত্রী শংকর সেন সবাই ধরমতলায় ধর্ণায় বসেছেন আর মমতার পুলিশ পিটিয়ে মাথা ফাটিয়েছে -- সেই সময় আপনার ব্যঙ্গ বা তির্যক মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। স্পষ্ট করেই বলেছিলেন যেহেতু ঈই আন্দোল্ন সিপিএম এর ডাকে হয় নি তাই ফালতু!
    খ) যখন আর এস এস এর অফিসের সামনে কিছু মানবাধিকার সংগঠন ও কিছু অন্যধারার বাম ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ করতে গেছল আর আর এস এস এর গুন্ডারা উদোম কেলিয়েছিল তখন আপনার উল্লাস ও ব্যঙ্গ দেখার মতন ছিল।

    আজ কেন অন্যদের খোঁজাখুঁজি। তখন নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে ছিলেন-- রাজনৈতিক বোধ ও প্রজ্ঞা নিয়ে। ভবিষ্যবাণী করেছিলেন শাসক দল ভেঙে খান খান হচ্ছে বলে। আজ একটু আয়নায় নিজের মুখ দেখলেও পারেন!
    আপনার সত্য এবং অবিকৃত ইতিহাস চর্চা দেখলে একটা ঘটি ঝগড়ার ছড়া মনে পড়েঃ
    এতই তোর বুদ্ধি হলে,
    আজ কেন তোর ক্যাঁতা বগলে??
  • ranjan roy | ১৬ জুন ২০১৬ ২৩:০৯716213
  • আর সুভাষ দত্ত ডান আমলেও গতবছর অবধি অনেকগুলো কেস নিয়ে বিভিন্ন চ্যানেলে ও আদালতে গেছেন, পত্রিকায় লিখেছেন। ওসব আপনার চোখে পড়ে না। কারণ আপনি অর্ধ বা বিকৃত ইতিহাসের চর্চা করেন না। আর এই পাতায় সত্যকে তুলে ধরার ঠিকে নিয়েছেন।
  • PT | ১৬ জুন ২০১৬ ২৩:৪৫716224
  • RR আপনার পেন্ডুলামের মত অবস্থান পরিবর্তন বন্ধ করে দয়া করে জানান যে আপনি কলকাতায় মানুষের পিল পিল করে আসার পক্ষে না বিপক্ষে। বাকি কথা পরে হবে।
    আমার কথা পছন্দ না হলে kc-র ""গ্রাম দিয়ে শহর ঘিরে " নিতে গেলে এই হবে। বরঞ্চ প্ল্যান করে গ্রামকে শহর বানান।"-র বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বক্তব্য রাখতে পারেন।

    সুভাষ দত্ত ২০০৯ সালে গ্রীন পার্টি স্থাপনা করেছিলেন। সেটার কি হল তাই ভাবছি।
  • sm | ১৭ জুন ২০১৬ ০০:১২710372
  • পিটি, প্রথমেই বলে রাখি; পাট্টা দেওয়া একেবারেই উচিত হয় নি। একটি উদাহরণ দিলে বোঝা যাবে। প্রায় চার-পাঁচ দশক আগে পিল পিল করে কিছু খুব ই দুর্দশাগ্রস্ত হতভাগ্য লোক কলকাতায় এসেছিল। অবর্ণনীয় দুক্খ -কষ্ট ভোগ করে তারা কলকাতার উপকন্ঠে বিশাল বিশাল এলাকা জুড়ে জবর দখল করে বসবাস শুরু করলো। বেশ কিছু কলোনি গজিয়ে উঠলো। ওই সময় যে যে পরিবার যতটা জমি দখল (কেউ ৪ কাঠা, কেউ পাঁচ কাঠা)করেছিল; দু -তিন দশক পরে সরকার পাট্টা দিল।এবার কিছুদিন পরে সেই সব জমি প্রমোটার দের হাতে লক্ষ লক্ষ টাকায় তুলে দিয়ে বহুতল নির্মান হলো।
    দম-দম, বেহালা, যাদবপুর সবত্র এই সব গল্প।
    প্রশ্ন এক,সরকার এই পাট্টা দিতে এত বছর দেরী করলো কেন?
    অনেক ক্ষেত্রে বাবা - মা কষ্ট করলো; ছেলে প্রমোটারের কাছে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা কামালো।
    সরকার কেনই বা প্রত্যেক পরিবার কে নির্দিষ্ট জায়গা দেখে সম পরিমান জমি বা ফ্ল্যাট বিলি করলো না?
    কেনই বা পাট্টা দেওয়া জমিতে বহুতল করতে পারলো বা ব্যবসায়িক লেন দেন করা গেলো?ভুল হলে; দয়া করে সংশোধন করবেন।
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ০৬:২১710383
  • প্রোমোটারতন্ত্রঃ ডিম্যান্ড আছে বলেই তো সাপ্লাইএর ব্যবস্থা হচ্ছে এইভাবে।
    "জ্যান্ত পুঁতব, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে উত্খাতের শাসানি"
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23931&boxid=143916466
  • কল্লোল | ১৭ জুন ২০১৬ ০৭:৪৪710394
  • এসেম। কলোনী স্থাপনের ইতিহাস নিয়ে বহু কাজ হয়েছে। একটু খুঁজে পড়ে নিতে পারবেন। খুব সংগঠিতভাবে কাজটা হয়েছে। এতোটাই সংগঠিতভাবে যে ভাবলে আশ্চর্য হতে হয়, ঐ অবর্ননীয় অবস্থার মধ্যেও কিভাবে ঐ সব মানুষ কতোটা ঠান্ডা মাথায় নিজেদের অবস্থার মোকাবিলা করেছেন।
    পিল পিল করে মানুষ শিয়ালদহ স্টেশনে আসেন বটে, তারপর রীতিমতো খুঁজখবর নিয়ে কলকাতার নানান অঞ্চলে চলে আসেন। এতে তাদের সাহায্য করেছিলেন, আগে থেকেই পড়াশোনা ও চাকরী করতে আসা পুর্ববঙ্গের মানুষেরা, যাদের মধ্যে অনেকেই প্রশাসনে, পুলিশে ছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকার খুব সাহায্য করে নি কিন্তু, সে সময় বিধান রায়ের ভূমিকা অসাধারণ।
    কেন এতো কথা বলছি। আপনি লিখেছেন - ""ওই সময় যে যে পরিবার যতটা জমি দখল (কেউ ৪ কাঠা, কেউ পাঁচ কাঠা)করেছিল"। একদম নয়। প্রত্যেকটি কলোনী স্থাপনের সময় পরিবারপিছু প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে জমি দখল করা হয়েছিলো। দুর্নীতি হয় নি। বরং যাঁরা নেতৃত্বে ছিলেন তারাই আত্মত্যাগ করেছেন। এটা আজকের দিনে রূপকথার মতো শোনালেও, এটাই বাস্তব।

    পিটি।
    পাট্টা দেওয়া ঠিক হয়নি সে কথা কে বললো? দ্যাখো, কোন কাজই পুরোপুরি ভালো বা খারাপ হয় না। অপারেশন বর্গা, বর্গাদারদের ভালো করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাথা পিছু জোতের পরিমান কমিয়ে দিয়ে কৃষিকে অলাভজনক করে তুলেছে। তেমনই পাট্টা। মানুষ লড়াই করে পাট্টা আদায় করেছে। উদ্বাস্তু আন্দোলনে বামেদের প্রধান দাবীই ছিলো পাট্টা। তারই স্বীকৃতি দিলো বাম সরকার। দোষটা নিশ্চই মানুষের লোভের। সেই লোভকে রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি মার্কসবাদী পার্টি।

    তবে তোমার একটা মন্তব্য কৌতুহলোদ্দীপক - "আগে উদ্বাস্তুরা গোটা দক্ষিণ কলকাতার দখল নিয়েছিল। তখন পাট্টা না দিলে হয়ত আরেকটা মরিচঝাঁপি হত।" তাহলে একটা মরিচঝাঁপি হয়েছিলো সেটা স্বীকার করছো!! বাঃ ব্রেশ ব্রেশ।
  • কল্লোল | ১৭ জুন ২০১৬ ০৭:৪৭710405
  • সিবি, পিএম। আপাততঃ মন্দের ভালো। প্রায় ঘরবন্দী। এই আর কি।
  • sm | ১৭ জুন ২০১৬ ০৮:২৬710416
  • ওয়েল কাম ব্যাক।@ কল্লোল বাবু, দেখুন কিছু জমি কিন্তু দখল করা হয়েছিল। অর্থাত ওই জমির অধিকাংশ মালিক সরকার ছিল না।অন্য কোনো মালিকের প্রপার্টি ছিল।
    তা, সরকার (যেই হোক বিধু বা সিধু বাবু) পুরো সরকারী জমিতে পুনর্বাসন এর ব্যবস্থা করে নি কেন?কিছু কিছু জায়গায় অবশ্যই করেছে।
    ওই জমির মালিক দের কি হলো? তিনি ও তাদের উত্তরাধিকার রা কি পেলেন? খুব ন্যায্য প্রশ্ন।এড়িয়ে গেলে চলবে না।
    উদ্ব্বাস্তু দের একদল স্টেশনের পাশে ঝুপড়ি করে থেকে গেল আর একদল জমির পাট্টা পেয়ে গেল। কেন?এতো বৈষম্য করা হলো কি স্বার্থে? আবার দলে দলে দন্দকারন্যেও পাঠিয়ে দেওয়া ও হলো।
    আবার ওই জমি প্রমোটার দের কাছে বিক্রীত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মুনাফা কি ভাবে অর্জন করা হলো?
    আমি সত্যি ই কম জানি, এ ব্যাপারে। একটু বিশদে লিখুন প্লিজ। বই পড়তে বললে চাপ হ্যাজ।
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ০৮:৩৭710427
  • "মরিচঝাঁপি হয়েছিলো সেটা স্বীকার করছো!! "
    যাচ্চলে মরিচঝাঁপি "হয়নি" এমন কথা কোথায় বলেছি? শুধু হাওয়ায় ভাসানো গপ্প কথার প্রতিবাদ করেছি।
  • sm | ১৭ জুন ২০১৬ ০৮:৪৭710438
  • এতো বেশ আজীব কেস! মরিচ ঝাঁপি, সাই বাড়ি, নন্দীগ্রাম নিয়ে আলোচনা করলেই বলে হাওয়ায় ভাসানো গপ্প। ইদিকে পাতার পর পাতা তিনো দের কুকীর্তির লিংক। সেগুলো সব নিজ্জলা, নিকষ সত্যি।
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ০৯:০১710449
  • "মরিচ ঝাঁপি, সাই বাড়ি, নন্দীগ্রাম" নিয়ে অনন্তকাল আলোচনা করুন না, কে বারণ করেছে? শুধু হাজার লাশ হলদী নদীতে ভাসানো কিংবা মরিচঝাঁপিতে হাজার মানুষকে গুলী করে মারা ইত্যাদি হাওয়ায় ভাসানো গপ্প শোনাবেন না।

    সাঁইবাড়ির লিং দিয়েছিলাম একসময়ে। খুঁজে পড়ে নেবেন। অভিযুক্ত পক্ষের উকিলকে গুলী করে হত্যা করা হয়েছিল।
    সিবিআইকে তো নন্দীগ্রামে তদন্তই করতে দিলেন না উল্টে অভিযুক্ত পুলিশদের প্রমোশন দিলেন।
    মণীশ গুপ্ত হারার পরেও তাঁকে রসে-বসে রাখার ব্যবস্থা হয়েছে।
    ওদিকে বিজন সেতু হত্যায় গঠিত নতুন কমিশনের বৈধতা চ্যালেন্জ করে কোর্টে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    ৫ বছর তো ছিলেন আরো ৫ বছর থাকবেন, এই মামলাগুলো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তো নিষ্পত্তি করা যায় ইচ্ছে থাকলে।
  • sm | ১৭ জুন ২০১৬ ০৯:১১710460
  • আপনি মামলা দেখিয়ে কি করবেন? মামলায় কটা রাজনৈতিক খুনের ফয়সালা হয়? সাই বাড়ি থেকে এক কিমির মধ্যে আমার মামার বাড়ি।অর্থাত খবর আপনার চেয়ে বেশি জানি।
    বীরভূমে রাজনৈতিক খুনের সংখ্যা অগুন্তি; কটায় ফয়সালা হয়েছে? সারা দেশে,এত যে দাঙ্গা, রায়ট হয়; কটা কেসে জানতে পারেন এরা দোষী আর এই এই শাস্তি পেয়েছে?
    আমার তো আপনার কথা গুলি বেশ বালখিল্য ও নাইভ মনে হয়। এই যে বিজন সেতু বললেন। এতে কয়েক জন পুড়ে মারা গেছিল এটা তো সত্যি।আপনি কমিশনের বৈধতা উল্লেখ করে,কি প্রমান করতে চাইছেন?নাকি বলবেন সব হাওয়ায় ভাসানো গপ্প।
  • Bratin | ১৭ জুন ২০১৬ ০৯:২২710471
  • পিটি দা, নিজের কথা র জালে জড়িয়ে পড়ে অবশেষ বাম দের কৃত অন্ততঃ একটা ভুল স্বীকার করলে।

    আজকে গুরু র ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষন

    "আচ্ছে দিন আ গয়ে" ঃ))))))
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ০৯:৪২710483
  • "আমার তো আপনার কথা গুলি বেশ বালখিল্য ও নাইভ মনে হয়।"
    তা হতেই পারে কিন্তু আপনি তো প্রমাণ হিসেবে মামার বাড়ি দেখালেন!! সেটা কতটা গ্রহণযোগ্য তা আপনিই বিচার করুন।
    আরে আপনি তো কোন খবরই রাখেন না দেখছি। একটা কমিশন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আরেকটা কমিশন নাকি গঠন করা যায় না। কান্তি গাঙ্গুলী তাই নিয়ে কোর্টে মামলা করেছেন।

    "কটা কেসে জানতে পারেন এরা দোষী আর এই এই শাস্তি পেয়েছে"
    অনেক কেসেই শাস্তি হয়। নির্ভয়া মামলার পরে সাম্প্রতিকতম উদাহরণ গুজরাটের হত্যা মামলা। অর্থাৎ কিনা ক্ষমতাসীন সরকার চাইলে মামলার নিষ্পত্তি করা যায়-দেরী হলেও।

    বোতিন
    তুমি কোনটার কথা বলছ?
  • sm | ১৭ জুন ২০১৬ ০৯:৪৭710494
  • সেই জন্যই তো বলি, হাজার হাজার রাজনৈতিক খুনের কটার ফয়সালা হয়? একটা মামলা আর একটা মামলার দীর্ঘসুত্রিতা আনে।আবার বলছি;আপনি এই সব কিছু হাওয়ায় ভাসানো, তত্ব দিয়ে নিজের নায়ভিটি প্রমান করতে বদ্ধ পরিকর।
  • Bratin | ১৭ জুন ২০১৬ ১০:০৭710505
  • পিটি দা, মরিচঝাঁপি
  • কল্লোল | ১৭ জুন ২০১৬ ১০:২৯710516
  • এসএম। আপাততঃ নিজের বাসায় নেই, ফলে বইপত্তর হাতের কাছে নেই। তবু, স্মৃতির উপর নির্ভর করে যতোটা পারি, লিখছি।

    ৪৭এর উদ্বাস্তুরা সকলেই (১০০%) কলকাতা ও তার আসেপাশে নানান জায়গায় কলোনী তৈরী করে নিয়েছিলেন। দঃকলকাতার প্রান্তে, দমদমে। এছাড়াও পশ্চিবঙ্গের নানান প্রান্তে, জপলাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, কুচবিহার, দিনাজপুর, নদীয়া ও সারা ২৪ পরগনা জুড়ে এঁরা বসত গড়ে তোলেন।
    তবে এই যে উদ্বাস্তুদের কথা বলছি, এরা মূলতঃ উচ্চবর্ণের বাঙ্গালী উদ্বাস্তু। নিম্নবর্ণের বাঙ্গালী উদ্বাস্তুদের ছড়িয়ে দেওয়া হয় ভারতের নানান প্রান্তে। তার মধ্যে পরিচিত নাম দন্ডকারণ্য। এছাড়া কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের নানান জায়গায় এদের পুনর্বাসন দেওয়া হয়।

    সরকারী জমিতে পুণর্বাসন পবতে ততো হয়নি। কেন জানি না। দঃকলকাতার প্রান্তে বাঙ্গুর, চারুচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও গুপি বাঘার গুপি (তপেন)দের জমি মূলতঃ দখল হয়।
    এরা এই নিয়ে বিধান রায়ের কাছে নালিশ জানালে উনি ঢিলেঢালা মনোভাব দেখান। অনেক ক্ষেত্রে উচ্ছেদ করে দেবো বলেও দেরী করে পুলিশ পাঠিয়েছেন, যাতে উদ্বাস্তুরা যেমন-তেমন করে মাথার উপর হোগলা বা টিনের চাল তুলে ফেলার সময় পেয়েছেন। তারপর বিষয় কোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ও ইচ্ছে করে সরকারী উলিক দেরী করেছেন ইঃ ইঃ।
  • ranjan roy | ১৭ জুন ২০১৬ ১১:৫১710538
  • বাক আপ সুভাষ দত্ত!
    পূর্ণসত্যের ঠিকেদারদের বক্তব্য হলঃ সিপিএম ছাড়া কেউ জনগণের জন্যে কিছু করছে না। যত এনজিও ও পরিবেশবিদ সব বাম সরকারের সময় আজে বাজে কোশ্চেন করে বামেদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করত।
    আসলে এসব সরকার পাল্টানোর বৃহত্তর সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের অংশ। সম্ভ্ববতঃ এরা সিআইয়ের টাকা খেয়েছে। তাই এখন দিদির আমলে চুপ করে আছে।

    পিটিকে,
    আমার অবস্থান পেন্ডুলামের মতন পরিবর্তন হয় নি। বরং আপনিই সবসময় গোলপোস্ট সরান।
    আমার অবস্থান আগেও যা ছিল এখনও তাই আছে। সেটা আবার স্পষ্ট করছিঃ
    ১) বর্তমানে দুটো সরকার বিপুল জনাদেশ পেয়ে দিল্লির ও বঙ্গের মসনদে বসেছে। বিজেপি ও তৃণমূল। আমি, ফ্রম মাই হার্ট, এই দুই সরকারের ইডিওলজি ও ওয়ার্কিং স্টাইলের বিরোধী। মনে করি দুটোই পাল্টানো দরকার। না হওয়ায় খারাপ লেগেছি।
    ২) কিন্তু একই সঙ্গে জনগণ ছাগল-- কেননা ওরা দিল্লিতে ছাগলের বড় ছেলে কংগ্রেসকে এবং বঙ্গে তৃতীয় ছেলে সিপিএমকে -- এমন তত্ত্বে ইন্ট্রিসিক্যালি বিশ্বাস করি না।
    আমার কাছে এটা দিল্লির লড়াইয়ে কংগ্রেসের ও বঙ্গের লড়াইয়ে বামেদের জনগণের কাছে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্য বিকল্প হিসেবে তুলে ধরার ব্যর্থতা। এইটুকুই।
    ৩) আপনার পেন্ডুলাম থিওরির স্পষ্ট ভিত্তি হল যে বামেদের সমালোচনা চলবে না।করলেই তুমি বিরোধী শিবিরে যোগ দিয়েছ। এটাই অর্ধসত্য।
    ৪) আর চুপ করে থাকলেই কোন অন্যায়ের সমর্থন করা হচ্ছে ফলে সবাইকে হাত তুলে প্রত্যেক ইস্যুতে নিজের অব্স্থানের সার্টিফিকেট নিতে হবে এটাই ফ্যাসিস্ট চিন্তা।
    ৫) সিলেক্টিভ নিন্দার কথা সবাইকে বলে থাকেন। নিজে? সিপিএম এর হাতে কোন খুনের প্রতিবাদ করেছেন-- এ পাতায়? নেতাইয়ের খুনের? কেরালায় সিপিএম থেকে বেরিয়ে যাওয়া কমঃ চন্দ্রশেখরের? উল্টে বিদ্যুৎ ইস্যুতে মারখাওয়ান্দোলনকারীদের এবম আর এস এস এর হাতে মার খাওয়াছাত্রদের নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন। একটু এইসব পূর্ণসত্যের দিকে দেখুন, নইলে বামেদের বিকপ্ল হিসেবে বিশ্বাসযোগ্যতার মিটার?
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ১২:২৮710549
  • RR
    কলকাতায় বিপুল লোকের আসাকে সমর্থন করেন কি করেন না? তাই দিয়ে নির্ধারিত হবে যে পুকুর ভরাট হবে কি হবে না।

    আপনার সঙ্গে তাত্বিকতায় পারব না সে তো বহু আগেই মেনে নিয়েছি। আর আপনার তালিকা নিয়ে বসলে গাছ খুঁজতে জঙ্গল উধাও হয়ে যাবে।

    বোতিন
    মরিচঝাঁপিতে কোন সমস্যা হয়নি সেকথা কখনো বলিনি। তোমায় আবার তাহলে সব খুঁজে নিয়ে পড়তে হবে। এমনকি TOI তে প্রকাশিত একটা লেখাকেই সব চাইতে যুক্তিপুর্ণ মনে হয় এমন কথাও লিখেছি।
    যা বলিনি সেটা আমার মুখে বসিও না-লক্ষ্মী ভাইটি আমার!!
  • আনন্দ | ১৭ জুন ২০১৬ ১২:৩২710560
  • কিন্তু PT মানবেন কি সুভাষ দত্তর নামে মিথ্যে আরোপ লাগিয়েছেন?
  • PT | ১৭ জুন ২০১৬ ১২:৩৬710571
  • কোনটা মিথ্যে?
  • বাজার | ১৭ জুন ২০১৬ ১২:৪৭710582
  • "সুভাষ দত্তের মত সবুজ বিপ্লবী যাঁরা বাম আমলে চ্যানেলে চ্যানেলে দাপিয়ে বেড়াতেন তাঁরা কোথায় উবে গেলেন?"
  • Bratin | ১৭ জুন ২০১৬ ১২:৫৬710594
  • ওহো পিটি দা, চটছো কেন? জাস্ট লেগ পুলিং ঃ))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন