এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৮১৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২১ মে ২০১৯ ১৮:১২378144
  • ও ডিসি লোকে বলছে ইভিএমোরা নিজেরাই নড়েচড়ে বিজেপীর জন্য ভোট খুঁজতে বেরিয়েছে।
  • dd | ২১ মে ২০১৯ ২২:০৩378145
  • ভাটের পাতায় খ বাবু যে পোলিটিকাল কমেন্টরি করেছেন, সেটা পড়ে খুব ভালো লাগলো।

    আনফর্টুনেটলি গুচর পোলিটিকাল টইগুলো একেবারে ফেসবুক মার্কা ট্রোলিং'র পাতা হয়ে গেছে। কোনো ইন্টেলিজেন্ট অনালিটিকাল লেখা বা পোস্ট চোখেই পড়ে না।

    আপনেরা এটা পড়তে পারেন। AAP'র আশুতোষ 'র লেখা।
    https://www.ndtv.com/opinion/i-find-exit-polls-hard-to-believe-will-wait-for-may-23-2040065?pfrom=home-opinion। আজ লিখেছেন।

    যেটা ভালো লাগে আশুতোষ বা যোগেন্দ্র যাদবের, এঁয়ারা অ্যাকটিভ পোলিটিকাল লাইফে আছেন কিন্তু এদের লেখা আদৌ pamphlet মার্কা নয়।
  • - | ২১ মে ২০১৯ ২৩:৩৮378146
  • আশুতোষ এখন আপ পার্টিতে নেই। যোগেন্দ্রও আগেই বিতাড়িত।
  • Amit | ২২ মে ২০১৯ ০৬:২৮378147
  • এই টেনশন আর সহ্য হয় না রে ভাই। ইভেন সব হোয়াটস্যাপ গ্রুপ যারা এতদিন তারস্বরে চেঁচাচ্ছিলো, (যে দলের হোক ), সব গত দু দিন ধরে থম মেরে গেছে। পুরো ঝড় ওঠার আগে যেমন হয়। পারা যাচ্ছে না আর।
  • গবু | ২২ মে ২০১৯ ০৮:১১378148
  • "রহু ধৈর্যং" টা বার পাঁচেক গুনগুন করে ধূর্জটি ধূর্জটি ধূর্জটি বলতে বলতে গোমূত্রের ছিটা দিন। অন্যের মাথা না পেলে নিজের মাথাতেই দিন। এই সব করতে করতেই দেখবেন সময় এসে যাবে।
  • রঞ্জন | ২২ মে ২০১৯ ০৯:১৪378149
  • আর একটা দিন। মনে হচ্ছে 'আচ্ছে দিন 'আসছে আরও পাঁচ বছরের জন্যে।
    মনে হচ্ছে আমার ও অনেকের 'লিব্যারেল' স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ।
    খালি এক্সিট পোল দেখে বলছি না। বলছি এম পি ও দিল্লির কিছু ব্যক্তিগত ফিলারের ভিত্তিতে। বলছি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ দীপ্তিমান তিওয়ারির ইউপির ফিল্ড রিপোর্ট আর কুমি কাপুরের ফিল্ড রিপোর্ট দেখে। বলছি কেজরিওয়ালের নিজস্ব ফিল্ড রিপোর্ট দেখে।
    হিন্দি হার্টল্যান্ডে বিজেপি প্রায় আগের মতই বীরবিক্রমে ফিরে আসছে। উত্তর পূর্বেও তাই। কাজেই বংগ ও উড়িষ্যা থেকে সিট নিয়ে ডেফিসিট মেক আপ করার খুব একটা দরকার হবে না।
    সবচেয়ে খারাপ করলে এন ডি এ ২৬০, মানে ১৩টা চাই। জগন রেড্ডি এবং নবীনবাবু রেডি স্টেডি গো! তবে মনে হয় তার দরকার হবে না। এক্সিট পোলের ডেটা এগজ্যাক্ট না হতে পারে, কিন্তু একটা ট্রেন্ডের ইঙ্গিত আছে যা কমন।
    কেন এমন হচ্ছে?
    মোদীর ক্যাম্পেনঃ
    ১) সাকসেসফুলি এই নির্বাচনকে আমেরিকার প্রেসিডেনশিয়াল ইলেকশনে বদলে দিয়েছে। হিন্দি বলয়ে আম জনতা লোক্যাল গভর্নমেন্টের সাকসেস/ফেলিওর নিয়ে বা বিজেপি প্রার্থীর প্রোফাইল নিয়ে চিন্তিত নয়। ওরা 'মোদী'কে ভোট দিচ্ছে। ওরা কড়ক ও শক্ত সরকারের জন্যে ভোট দিচ্ছে।
    ২) ওদের র‍্যাফেল নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই। ওটা খায় না মাথায় দেয় ? এখনও বিচারাধীন, সুপ্রীম কোর্ট তো একবার ক্লিন চিট দিয়েছে।
    ৩) কংরেসের নির্মল গ্রাম যোজনার থেকে মোদীর স্বচ্ছ ভারত (অনেক ফল্ট লাইন সত্ত্বেও) বেশি সাকসেস্ফুল ও ভিজিবল, খানিকটা পোলিও ক্যাম্পেনের মত। তেমনি উজ্জ্বলা যোজনা।
    ৪) ওরা মনে করে মোদীর 'মুদ্রা' যোজনা আজ নয় কাল চেন অ্যাকশনে রোজগার বাড়াবে। ইউপিএ কে দুটো চান্স দেওয়া হয়েছিল। মোদীকে কেন নয় ? ও সব ঠিক করে দেবে। মেলাবেন তিনি মেলাবেন!
    ৫) আম্মাদের সাইকিতে একজন মসীহা একজন অবতার চাই, একজন পালনহার, একজন বিপত্তারণ। যিনি ভয় থেকে বাঁচাবেন। দশ বছর ধরে গ্রাউন্ড লেভেলে অনামী প্যাম্ফলেট ছড়িয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভয় ছড়ানো হয়েছে। 'ওরা আসছে, বর্বর মরুভূমির ঝোড়ো হাওয়া, তুর্ক'! আম্মাদের ছেলেরা বিকেলে ঘরে ফিরতে নাও পারে। আম্মাদের মেয়েদের সম্মান সুরক্ষিত নয়।
    গরীব মানুষ ঢেলে ভোট দিয়েছে হিটলারকে, ট্রাম্পকে এবং--!
    ৬) বিপক্ষে কোন কাউন্টার ন্যারেটিভ নেই। মোদীর এজেন্ডায় রি-অ্যাক্ট করা ছাড়া। ইউনাইটেড নয়, কংরেস তিনটে বিধানসভায় জিতে ওভার কনফিডেন্ট।
    ৭) জাতপাতের পুরনো পাটিগণিত আংশিক লাভ দিচ্ছে, বিশেষ করে ইউপিতে। কিন্তু নির্ণায়ক নয়।
    ৮) ইভিএম নিয়ে কমপ্লেইন ডিফিটিস্ট শোনাচ্ছে।
    ৯) রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচনের সময়েই শোনা গেছ " মোদী তুঝসে বৈর নহী; বসুন্ধরা তেরী খৈর নহীঁ'।
    মোদীর সাথে দুশমনি নেই, কিন্তু বসুন্ধরার রেহাই নেই!
    অর্থাৎ লোকসভার এজেন্ডা আলাদা!
    মোদী পারফরম্যান্স/মেনিফেস্টো নিয়ে ক্যাম্পেইন না করে শুধু ভয় আর ঘরে ঢুকে মারার ক্যাম্পেইন করে জিতেছে।
    যেমন ৭১ এর ইন্দিরা গান্ধী! ২০১১ ইয় মমতা! ওয়াইমার রিপাব্লিকের পতনের পর হিটলার!
    ১০) 'ষষ্ঠ পান্ডবে'র সঙে মোটামুটি একমত।
    কাল বেলা বারোটার আগে টিভি খুলব না।
    ১১) কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে আবার আপ/ গঠবন্ধন /কংরেস জিতবে।
    কং কে আরও নমনীয় হতে হবে।

    লিব্যারেলদের কাজটা আরও কঠিন হয়ে গেল।
  • S | ২২ মে ২০১৯ ০৯:২৭378150
  • এত পয়েন্টের মধ্যে আসল হলো ঐ ৫ নং পয়েন্টটা। ঐটাই একমাত্র কারণ। বাকিগুলো হিটলার/ট্রাম্প/মোদি সমর্থকদের নিজেদের এক্সপ্লেইন করার এবং বাইগট না প্রমাণ করার আছিলা মাত্র। এখানেও অনেকে বলেছিলো যে ওবামাকেয়ার/ইকনমি/জবলস/কোরাপশান এইসব কারণে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছি, পরে তথ্য দিয়ে চেপে ধরলে দেখা যায় যে সেই রেসিজম ছাড়া আর কিছুই পরে থাকেনা। চিরকালই সেটাই হয়েছে। তাই এইবারে মোদির ভোটের ক্যাম্পেইনেও বিকাশ আর অর্থনীতি মুল ইস্যু ছিলইনা, শুধু বালাকোট, হিন্দুরাষ্ট্র, দেশপ্রেম নিয়ে নোংরামো ছিল।

    রন্জনদা, লিব্যারেলদের কাজ অনেক কঠিন হয়ে গেছে অনেকদিন আগেই। অনেকের ঘুম সবে ভাঙছে।
  • dc | ২২ মে ২০১৯ ০৯:৫২378151
  • আরে এতো অধৈর্য হওয়ার কি আছে, ২৩ তারিখ আসতে দিন।
  • Amit | ২২ মে ২০১৯ ০৯:৫৩378154
  • ঘুম তখনি ভাঙবে, যখন পেছনে রুলের গুতো পড়বে, বাই দেন টু লেট।। ততদিন আছে দিনের খোয়াব দেখুক সবাই।

    তবে শেষ মিনিট অবধি খেলা শেষ হয়না। দেখা যাক কাল কি হয়।
  • sm | ২২ মে ২০১৯ ০৯:৫৩378152
  • RR, মোদীর স্বচ্ছ ভারত তা কি বস্তু?খায় না মাথায় দেয়?
    উজালা তে শুনেছি বেশ কিছু পরিবার গ্যাসের কানেকশন পেয়েছে। বিনামূল্যে,কানেকশন পেয়েছে,গ্যাস তো নয়।
    আর বাকি পয়েন্ট গুলো ও পানসে।
    বালাকোট আর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, কি এমন ইস্যু যা,জাত পাত,পনেরো লক্ষ টাকা,মূল্য বৃদ্ধি,তেলের দামের বৃদ্ধি,এগুলো কে ভুলিয়ে দেয়?
    রিজিওনাল পার্টি গুলোতো ওইসব হিন্দুত্ব বাদ কে পিছনে ফেলে দিয়েছে।যেমন ওড়িশা,তুলনামূলক ভাবে বেশি হিন্দু পপুলেশন হওয়া স্বত্বেও,বিজেপি জিতবে না।দ ভারতের স্টেট গুলোতেও তাই।
    খুব বেশি হিন্দুত্ববাদ মগজে চাড়া দিয়ে থাকলে,কয়েকমাস আগে, রাজস্থান,এমপি তে বিধান সভায় বিজেপি খারাপ ফল করতো না।
    কিছু একটা বোঝার গলদ থেকেই যাচ্ছে।
  • % | ২২ মে ২০১৯ ১০:০১378155
  • একটু জানতে চাইব, সাম্প্রদায়িকতা কমাতে, মানুষের মন থেকে ভিন্ন ধর্মের মানুষের প্রতি সহানুভূতি, সহমর্মিতা জাগাতে, ধর্মীয় পরিচয়গত দ্বেষ, ভীতি, সংশয় কাটাতে গত পাঁচ বছরেই ধরুন, বক্তিমে, ফেসবুক/ব্লগ পোস্ট, বাণী বিতরণ ছাড়া গ্রাউন্ড লেভেলে কি কাজ করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বা গোটা ভারতে? যে দেশের বা বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের মাত্র গত সত্তর পঁচাত্তর বছরের ব্যক্তিগত ও গণস্মৃতিতে দগদগে রয়েছে সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় কারণে ঘটা বিভিন্ন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিমানসের এই অন্ধকার যে জায়গাটাকে গত ত্রিশ-চল্লিশ বছর ধরে কুরে কুরে সারফেসে আনার কাজ গভীর শ্রম ও অধ্যবসায়ের সাথে করে চলেছে সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো তাদের রাজনৈতিক ভাবে কাজে লাগাবে বলে, তার কাউন্টারে ফিল্ড অ্যাকটিভিটি কি করা হয়েছে? পড়াশুনোয় কোর্সওয়ার্কে সেকুলার লিবেরাল দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা বা সম্মিলিত সংস্কৃতি চর্চা (বা অন্য যে কোনো কিছু যা ভেবে ওঠা আমার কাজ নয়, যোগ্য সমাজতাত্ত্বিকরা রয়েছেন) সে সব শিকড়ের জায়গায় কাজ না করে ভোটের সময় মানুষের শুভবুদ্ধির কাজে আবেদন জানানোর কোনো মানে হয় না, কারণ সে শুভবুদ্ধির ক্রমবিনাশকালে তাকে বাঁচানোর কোনো চেষ্টাই করা হয় নি।
  • dc | ২২ মে ২০১৯ ১১:১৮378156
  • এদিক ওদিক ছোটখাটো কিছু কাজ হচ্ছে, যেমন হর্ষ মান্দের এর কারওয়া এ মহব্বত মনে পড়লো (তিস্ত শেতলবাদের সবরং ও আছে)। কিন্তু মুশকিল হলো, কং বা অন্য বড়ো পলিটিকাল পার্টিগুলো কেউই এসব নিয়ে কোন আন্দোলন ইত্যাদি কিছুই করছে না। সবাই সফ্ট হিন্দুত্ব তাস খেলছে, ফলে আরেসেসকে কাউন্টার করার মতো কেউ নেই।
  • de | ২২ মে ২০১৯ ১১:২৬378157
  • কলকাতায় একটা নো ইয়োর নেবার বলে অ্যাটেম্প্ট নেওয়া হয়েছিলো শুনেছিলাম - তাতে অনেকে পার্টিসিপেট করেছিলেন বলে শুনেছিলাম -
  • lcm | ২২ মে ২০১৯ ১১:২৭378158
  • এক্সিট পোল-এর কিন্তু একটি উদ্দেশ্য আছে - মানে ঠিকঠাক পোল যদি নেওয়া হয়, এবং ফলাফল যদি তার কাছাকাছি না হয় --- তাহলে একটা আন্দাজ পাওয়া যায় কতটা কারচুপি হতে পারে -

    Exit polls have historically and throughout the world been used as a check against, and rough indicator of, the degree of election fraud.
  • sm | ২২ মে ২০১৯ ১১:৩০378159
  • তার মানে কি হলো?বিজেপি সমীক্ষায় 300 প্লাস এর জায়গায় যদি 150 আসন পায়,তার মানে বিরোধী দল গুলো গুপি করেছে?
  • lcm | ২২ মে ২০১৯ ১১:৪৫378160
  • কোথাও একটা গন্ডগোল হয়েছে এমন সম্ভাবনার ইঙ্গিত। পুরোটাই ডিপেন্ড করছে, কীভাবে এক্সিট পোল করা হয়েছে তার ওপর। রাজীব কারান্ডিকার -- গণিতবিদ, রাশিবজ্ঞানী এবং সেফোলজিস্ট (psephology - the statistical study of elections and trends in voting.) বলছেন ---

    Selection and size of sample are crucial. If these are compromised to cut costs to conduct a poll, the predictions can go horribly wrong. The devil lies in sample size and method of selection. The sample has to be true to the ‘universe’. In surveys, getting a representative sample right is a matter of, well, money.
  • lcm | ২২ মে ২০১৯ ১১:৫৭378161
  • ঠিকভাবে এক্সিট পোল করা ব্যয়বহুল ব্যাপার। কারান্ডিকার বলছেন, অন্তত ৫০,০০০ স্যাম্পেল সাইজের কথা।

    First the size. Mathematician and psephologist Rajeeva Karandikar holds that the ideal sample size is 50,000 across the country, if the objective is a simple determination of who will win among the NDA, the UPA and others. A smaller sample is inadequate, though a larger one does not add value.

    খরচসাপেক্ষ ব্যাপার ---
    Costs work out typically to ₹600 for every person interviewed, or ₹3 crore for a 50K sample. Few media houses today are prepared to spend such a sum on an opinion poll — even if they could afford to, the temptation is to take the cheaper offer. Error creeps in right at that stage.

    বেঠিক উত্তরদাতা - -
    Even if you get the sample right, there are still other issues. For instance, the ‘non-response error’, or the distortion due to people not wanting to answer a question. Many baulk from disclosing their choice of vote.
  • PT | ২২ মে ২০১৯ ১২:৩২378162
  • যারা তাত্বিকতা করে তারা মা-কে মা না বলে বিস্তর সংস্কৃত পদ্য ঝাড়ে সেটা বহু আগে ঋত্বিক ঘটক যুক্তি-তক্ক-গপ্প ছবিতে দেখিয়ে দিয়েছেন।

    কারণ মাত্র দুটোঃ
    ১) রাজ্যভিত্তিক নির্বোধ দল গুলোর বোঝা উচিত যে কংগ্রেসকে ছাড়া সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির সঙ্গে লড়াই সম্ভব নয়। এমনকি ৪২-এ ৪২ পেলেও নয়।
    ২) RSS-এর দর্শনকে কাউনটার করতে গেলে বামেদের (শুধু সিপিএম নয়) তাত্বিকতা ব্যবহার করা প্রয়োজন। অতএব যারা রাজ্যে রাজ্যে বামেদের নিধন করার কাজে ব্যস্ত তাদের অবিলম্বে এই সর্বনাশা খেলা বন্ধ করা দরকার। হনুমানের লেজের দৈর্ঘ বাড়িয়ে বিজেপিকে আটকানো যাবেনা।
  • % | ২২ মে ২০১৯ ১৩:১৭378163
  • বামেরা কী তাত্বিকতা ব্যবহার করেছে আর কী গ্রাউন্ড লেভেল কাজ করেছে সাম্প্রদায়কতা কাউন্টারে, গত পাঁচ দশ পনের বছরে? জাতিদ্বেষ এই লেভেলে বেড়ে উঠল কি ভাবে? এক মৌলবাদ এর কাউন্টারে আর এক মৌলবাদ তোষন হাড়া পশ্চিমবঙ্গেই বা কবে কি হয়েছে? তাতে আদৌ জনমানসের দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন কিছু হয়, না প্রেসার কুকারের সিটি চেপে ধরে বাষ্প বেরোতে না দেওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি করা হয়? আর গদি তে না থাকলে গ্রাউন্ড লেভেলে কোনো কাজ করা যায় না? এটা কি দাবানলের মধ্যে খড়ের ঘরে বসে 'দ্যাখ কেমন লাগে' সিনড্রোম? সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সময় থেকেই বাম মতাদর্শ আর তাত্বিকতার (পড়ুন ফান্ডিং আর কর্মসূচীর তালিকা) শে্ষের শুরু হয়ে গেছে ভারতে আর পশ্চিমবঙ্গেও। নতুন কিছুই না করে শুধু আঙুলে জমানো পুরনো ঘি এর গন্ধ যতদিন টেঁকে ততদিন প্রাণপনে বেঁচে থাকা। বামেরা এখন শুধুই একটি রাজনৈতিক দল, অন্য সবগুলি দলের মতোই। শেষ কবে কোন বামদলভুক্তির পর ক্যাডারদের তাত্বিকতার ক্লাস নেওয়া হয়েছে? আদৌ হয়? হওয়ার চল রয়েছে?
  • dc | ২২ মে ২০১৯ ১৩:৫৩378165
  • এই রে, এবার নানারকম ইন্টেলেকচুয়াল জিমনাস্টিকস আসবে :d
  • PT | ২২ মে ২০১৯ ১৩:৫৬378166
  • "বামেরা কী তাত্বিকতা ব্যবহার করেছে আর কী গ্রাউন্ড লেভেল কাজ করেছে সাম্প্রদায়কতা কাউন্টারে, গত পাঁচ দশ পনের বছরে? "

    এ নিয়ে বহু তক্ক হয়েছে। আপনি বোধহয় সেগুলো পড়েননি। বাম আমলে বিজেপিকে কত পার্সেন্টে বেঁধে রাখা হয়েছিল সেটা খুঁজে পড়ে নিন। এমনকি বাজপেয়ির সঙ্গে ব্রিগেডের মিটিং-এর পরেও RSS বিশেষ সুবিধে করতে পারেনি পব-তে। এসব বোঝার জন্য দাস কাপিতাল পড়ার দরকার হয়না অথবা সোভিয়েত ইউনিয়ন ইত্যাদি এনে হাজির করারো কোন প্রয়োজন নেই।

    গত ১০-১৫ বছর বছরে অতিবামেদের সহায়তায় তিনোরা competitive communalism -এর চর্চা ও প্রয়োগ করেছে পব-র মাটিতে। রিজানুরের মৃত্যু দিয়ে যার শুরু। তার আগে তিনোরা বিজেপির মন্ত্রী সভায় মন্ত্রীও হয়েছে। তাই তাদের ধার শোধ করার একটা ব্যাপার থাকে। তিনোরা ক্ষমতায় এসে RSS-কে বাড়ার জন্য মদত দিয়েছে সরাসরি। খরগপুর থেকে কংগ্রেসের ভোট কেটে দিলীপ ঘোষকে তিনোরাই জিতিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তদুপরি বামেদের আটকে রাখার জন্য তিনোর বিজেপিকে পালন করে ২০% পর্যন্ত ভোট পাইয়ে দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। সেটা বাম আমলে কখনই হয়নি।

    পব-তে যে বিজেপির উত্থান হবে সেটা অনশন মঞ্চে বিজেপির নেতাদের উপস্থিতি দেখই বোঝা গিয়েছিল। যারা সেটা বোঝেনি তারা হয় নির্বোধ নয় ধান্দাবাজ।
  • রঞ্জন | ২২ মে ২০১৯ ১৪:৪৩378167
  • পিটি,
    আপনার যুক্তি মানলে বলতে হয় কং এবং মুলায়ম বা লালু বাবরি ধ্বংসের দিনে খুব মৌলবাদ বিরোধী কাজ করেছে। কেন না খোদ অযোধ্যা সিট সিপিয়াইয়ের মিত্রসেন যাদব (পরে সমাজবাদী, তারপরে অন্য কিছু জিতেছিলেন) এবং ইউপিতে বহুদিন বিজেপি ক্ষমতায় আসে নি। আর এতদিনের বামেদের গ্রাসরুট লেভেলে পোঁতা র‍্যশনালিজমের চারা কটা অতিবাম, বুজি আর মম মিলে ছাগল লেল্লিয়ে খেয়ে নিল? কেন বাম আমলে মিড ডে মিলে দলিতের রান্না করা নিয়ে সমস্যা হয়? কেন মজুরের পার্টি বাম দলের নেতৃত্বে মজুরের জায়াগায় হুজুরেরা বসে থাকেন? কেন মহিলারা প্রতিনিধিত্ব পান না ?
    ওসব ছাড়ুন। পিসির গোঁফ বেরোলে কাকা বলতাম কি না সেই আলোচনায় কী লাভ/ নইলে ক'দিন পরে ছাগল জনগণ বলবে--
    এতই তোর বুদ্ধি হলে, আজ কেন তোর ক্যাঁতা বগলে?
    ২। এস,
    একমত। কোর ইস্যু ওটাই। কিন্তু অন্যগুলো যারা মাঝখানে আছেন তাদের জন্যে কাজে লাগে। তাই ভোপালে প্রজ্ঞা সিং জিতলে আশ্চর্য হব না।
    আমার নিকট আত্মীয় বাড়িতে তিনজন নোটায় দিয়েছে (কারণ দিগবিজয়ের মুখ্যমন্ত্রীত্বের কালের 'কুশাসন' ওরা ভোলেনি।) ছেলে দিয়েছে কংগ্রেসকে, কাজের লোক দিয়েছে বিজেপি। আর একজন রিটায়ার্ড নেভি অফিসার দিয়েছে বিজেপি। নোটা ওলা জিগ্যেস করল--একজন ডিফেন্সের লোক হয়ে চার্জশিটেড আতংকবাদীকে দিলেন কী করে ?
    উত্তরঃ মোদীকে আনতে হবে, জে কোন মূল্যে!
    কথা বন্ধ।

    ২। কাজ শুরু করা যাক। জনগণের কাছে যেতে হবে, জনগণকে বোঝাতে হবে গোছের গোল গোল কথা ছেড়ে যা আম্মাদের মত লোকজনের করা সম্ভব তা নিয়ে কথা হোক।
    আমরা নিজেদের মত করে ব্যক্তিগত স্তরে ওদের মিথ্যে প্রচারের ফানুস ফুটো করে দিতে পারি। সেটা দরকার। ফ্যাশিস্তরা ভয় পায় ফ্যাক্টকে।
    ক) যেমন পাকিস্তানের ঘরে ঢুকে মোদি কিছু করে নি। করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। উচিত-অনুচিত বিতর্কে যাচ্ছি না। ১৯৭১য়ে দু'টুকরো করে দিলেন, লাহোরের ইছোগিল খাল (আম্মাদের হাওড়া ব্রিজের মত কাছে) পৌঁছে গেল ফৌজ। তারপরে ৫০ বছর কেটে গেছে।
    খ) ইন্দিরার স্বামী ফিরোজ গান্ধী আদৌ খান ছিলেন না, গুজরাতি পারশি ছিলেন। ফিরোজের বাবার মৃতদেহ জে পার্শি শবঘরে রাখা হয়েছিল নিয়মমাফিক তার রেজিস্টারে এন্ট্রি আছে।
    গ) ভারত আদৌ বিশ্বের তিননম্বর দেশ নয়। অমন কোন একটা প্যারামিটার নেই। বরং বিভিন্ন হিউম্যান ইন্ডেক্সে, হেলথ, শিশুমৃত্যু ও করাপশানে বহু থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশের পেছনে আছে।
    । ৩। আমি একটা সিরিয়াস কথা বলছিঃ বিজেপি বঙ্গে বড় গেম খেলতে নেবেছে।
    হিন্দি বলয়ে ভগত সিংকে গেরুয়া পরিয়েছে। ( ঐতিহাসিক চমনলালের এডীট করা ভগত সিং এর উপর ভালো বই বেরিয়েছে। তাঁর অনেক অরিজিনাল ডকু শুদ্ধ, ইরফান হাবিব গত সপ্তাহে রিভিউ করেছেন)।
    বাংলায় আগে বিবেকানন্দকে ধরেছিল। এক্ষণ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে শুরু করেছে।
    একটা হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ ঘুরছে টাইটেলঃ রবীন্দ্রনাথ কি বিজেপি ছিলেন?
    তাতে ওঁর আটটা কোটেশন আছে কালান্তরের বিভিন্ন প্রবন্ধ এবং দুটো চিঠি (আমিয় চক্রবরতী ও হেমন্তবালা দেবীকে লেখা), এবং একটা আবাপতে চল্লিশের দশকে দেয়া ইন্টারভিউ।
    আমি ক্রসচেক করতে গিয়ে কালান্তরে তিনটে পেয়েছি। এখানে বই নেই। নেটে দেখছিলাম। চিঠি ও ইন্টারভিউ পেলাম না। দুটো কোট সেই লেখাগুলোতে নেই-- 'শান্তিনিকেতন' ও 'ইতিহাস'।
    ওরা এই কোটগুলো তুলে দেখাতে চাইছে জে রবিঠাকুর হিন্দু-মুসলমান ঐক্য সম্ভব নয় মনে করতেন ও এর বিরোধী ছিলেন। র‍্যাশনালিস্ট বুদ্ধিজীবিরা জনগণকে ভাঁওতা দিয়ে ভাই-ভাই চালাচ্ছে।
    আমি ঐ তিনটে প্রবন্ধে দেখলাম কোটগুলো চেরি পিক করা। গোটা প্রবন্ধে রবিঠাকুর ঠিক উলটো কথা বলছেন। যেমন, কাজটা কঠিন হলেও হিন্দু মুসলমানের ঐক্য ছাড়া উদ্ধার নেই। সামাজিক ভাবে আমরা ওদের দূরে রেখেছি, খালি রাজনৈতিক স্বার্থে ডাকলে কাজ হবে না, ওটা ফাঁকিবাজি।
    আমার অনুরোধ, কেউ যদি হোয়াটস অ্যাপ নম্বর আমাকে পাঠিয়ে দেন তো আমি ওই মেসেজটা ফরোয়ার্ড করে দিতে পারি। তাহলে আপনারা চিঠিপত্র ইন্টারভিউ এগুলো ভেরিফাই কওরে নিতে পারেন।
    এই ধরনের বিকৃত প্রচারের কাউন্টার করা দরকার। যদি কেউ একটু সাহায্য করেন।
    আমার নম্বর ঃ ৮৫৮৩০৪১৩৯৫।
  • ফ্যাক্ট চেক | ২২ মে ২০১৯ ১৫:০৬378168
  • রঞ্জনদা হোয়াটস অ্যাপ চেক করবেন, উত্তর পেয়ে যাবেন।
  • % | ২২ মে ২০১৯ ১৫:৩৫378169
  • "বাম আমলে বিজেপিকে কত পার্সেন্টে বেঁধে রাখা হয়েছিল" ... "বাজপেয়ির সঙ্গে ব্রিগেডের মিটিং-এর পরেও RSS বিশেষ সুবিধে করতে পারেনি পব-তে" ---> কীভাবে এটা করা হয়েছিল? একেই বলা যায় "প্রেসার কুকারের সিটি চেপে ধরে বাষ্প বেরোতে না দেওয়ার মত পরিস্থিতি"।

    বিজেপি RSS কে ক্যালানো বা রাজ্যে সংগঠন বাড়াতে না দেওয়াটা তো কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। আজ চেপে রাখা হচ্ছে, কাল চেপে রাখা যাবে না। মিডিয়া যেভাবে বাড়ছে, সেল ফোনের দৌলতে হাতে হাতে এসে পড়ছে, তাতে ফিজিকাল সংগঠন বানানোর দরকারও পড়বে না। সাইবার সংগঠনই যথেষ্ট। মূলগতভাবে মানুষের মানসিকতা পরিবর্তনের কোনো চেষ্টাই তো এ তরফে করা হয়নি, যা নিয়ন্তর RSS বিজেপি করে গেছে।

    "অতিবামেদের সহায়তায় তিনোরা" "ধার শোধ করার" জন্য "RSS-কে বাড়ার জন্য মদত দিয়েছে সরাসরি।" "বামেদের আটকে রাখার জন্য তিনোর বিজেপিকে পালন করে ২০% পর্যন্ত ভোট পাইয়ে দেওয়া একান্ত প্রয়োজন" এ তো ভোটের রাজনীতি, যে কোনো ভোটলোভী রাজনৈতিক দলেরই করার কথা।

    সে সবের কাউন্টারে, RSS এর সাম্প্রদায়িকতা ওসকানো বিরাট কর্মসূচীর কাউন্টারে বামেরা গ্রাসরুট লেভেলে অসাম্প্রদায়িকতা প্রচারে, নতুন ভোটারদের সেকুলার দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে, পুরনো ক্লোজেট পরধর্মবিদ্বেষীদের মনোভাব পরিবর্তনে কী কাজ করেছে? কেই বা আদৌ কোথায় করেছে? '৯২ তে বাবরি মসজিদ ভাঙার পরে কিন্তু ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘদিন এই পশ্চিমবংগেই বহুবিধ কাজকর্ম হয়েছিল। সেসব ফিকে হতে হতে গত শতাব্দীতেই শেষ।
  • S | ২২ মে ২০১৯ ১৬:১০378170
  • প্রোমোশনাল অ্যাক্টিভিটি ছাড়া কোনও উপায় নেই। বিগত কয়েকবছরে দিল্লির স্কুলগুলোতে আপ অনেক ভালো কাজ করেছে, অথচ সেগুলোর কোনো প্রোমোশানই হয়নি। লোকে জানে শুধু আপের ভাঙনের কথা। লোকে সব এমনি এমনি বুঝে যাবে এবং বুঝে ভোট দেবে, সেটা একটু বেশি আশা করা হচ্ছে। অতেব একটা কাউন্টার আইটি-সেল তৈরী করতে পারলে কাজে দিত। ফ্যাক্ট ছড়ানোর জন্য ইউটিউবে ধ্রুভ রাঠি খুব ভালো কাজ করছে।

    কিন্তু এটাও আসল ইস্যু নয়। সব্বাই জানে যে রবি ঠাকুর সাম্প্রদায়িক ছিলেন না বা ভগত সিং মার্কসিস্ট ছিলেন, তবুও এইসব ভুয়ো ফরোয়ার্ডকে বিশ্বাস করতে চান নিজের ভেতরের বাইগটটিকে বাড়তে দেওয়ার জন্য এবং নিজের ইনহিউম্যান টেন্ডেন্সিগুলোকে র‌্যাশনালাইজ করার জন্য।

    তবে পবে বিজেপির ভোট বাড়াটা স্ট্র্যাটেজিক বলেই মনে হচ্ছে। বিজেপির ভোট আর সীট যদি তেমন তেমন বাড়ে তাহলে ২০১১র মতনই "যে আসে আসুক, এরা যাক" লাইনেই আবার ভোট পড়েছে মনে করতে হবে। সেটি ঠিক স্ট্র্যাটেজি না ভুল, সেটা অবশ্য সময়েই বোঝা যাবে।
  • PT | ২২ মে ২০১৯ ১৬:৪৭378171
  • RR
    মুলায়ম বা লালু আমার চিন্তার বিষয় নয়। দুটো দলই বিজেপি বিরোধীতার ব্যাপারে দোদুল্যমান। তাই কিছুদিন আগে মুলায়্ম মোদীকে আবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছেন আর লালুর দলটি ঐ দোদুল্যমানতার প্রভাবে ভেঙ্গে দু টুকরো হয়ে গিয়েছে। মুলায়ম আর মায়াবতী নিজেরা কামড়া-কামড়ি করলে (আর কং-কে বাইরে রাখলে) বিজেপি যে ক্ষমতায় আসবেই সেটা বুঝতে রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন হয়না।UP-তে বিজেপির এই ক্ষমতায়নের পেছনে কতটা হিন্দুত্ব সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।

    "কেন বাম আমলে মিড ডে মিলে দলিতের রান্না করা নিয়ে সমস্যা হয়?"
    যাদের রাজনৈতিক বোধ "যে আসে আসুক (বিজেপি সহ), সিপিএম যাক" স্লোগানে সীমাবদ্ধ তারাই একমাত্র এই প্রশ্ন করতে পারে। সারা দেশ শতাব্দীর পর শতাব্দী জুড়ে জাত-পাতের পাঁকে ডুবে আছে আর এরা প্রত্যাশা করছে যে ৩৪ বছরের বাম শাসনে দেশের একটি অঙ্গরাজ্যে জাত-পাতের প্রভাব মুছে যাবে!!

    "কেন মজুরের পার্টি বাম দলের নেতৃত্বে মজুরের জায়াগায় হুজুরেরা বসে থাকেন? কেন মহিলারা প্রতিনিধিত্ব পান না ?"
    এর উত্তর ঐ দলটি ভাল দিতে পারবে। সেই এক প্যাথলজিকাল সিপিএমের বিরোধীতার কারণে "হুজুর" শব্দের প্রয়োগ হয়। তারপরে আর কি নিয়ে আলোচনা?

    "এতই তোর বুদ্ধি হলে, আজ কেন তোর ক্যাঁতা বগলে?"
    মনে করিয়ে দিই আপনার নিজের দেওয়া স্লোগানটা?
    "যে আসে আসুক (বিজেপি সহ?), সিপিএম যাক"-কার ক্যাঁতা কার বগলে বলে মনে হয়?

    %
    কোন কিছুই পার্মানেন্টলি করা যাবে না। গোটা ইউরোপেও দক্ষিণপন্থার রমরমা চলছে। সুইডেনের বিশ্বখ্যাত সোশাল ডেমক্রাটিক সমাজের বাঁধন কি ভাবে ভেঙ্গে পড়ে তীব্র দক্ষিণ-পন্থী sweden democrat-এর উত্থান হয়েছে সেটা একবার দেখে নেবেন। নির্বাচনের প্রায় তিন মাস পরে নানাবিধ আলাপ আলোচনার পরে sweden democrat-দের বাদ দিয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে।

    যারা সরাসরি মাসীমার মালপো বিজেপিকে খাইয়ে পব-তে ডেকে নিয়ে এল, সেই রাজনৈতিক দর্শনহীন তিনোদের শুধু মাত্র "ভোট্লোভী" আখ্যা দিয়ে ছেড়ে দিলে বামেদের আর এত তীব্র সমালোচনা করা কেন?

    বিভৎস যুদ্ধ ও অসংখ্য মৃত্যুও neo-nazi-দের উত্থান ঠেকাতে পারছে না ইউরোপে আর আপনি প্রত্যাশা করছেন যে ৩ দশকের একটি বাম রাজত্ব হিন্দুত্বকে ধুয়ে-মুছে সাফ করে দেবে?

    ছবি না এলেঃ
    https://www.bbc.com/news/world-europe-36130006
  • % | ২২ মে ২০১৯ ১৬:৫০378172
  • বিধানসভা আর লোকসভার ভোট সম্পূর্ণ ভিন্ন র‍্যাশনেল ফলো করে। সেটা না-বোঝার মত কিছু না, বা বুঝেও না-বোঝার-মত হয়ে থিওরাইজ করার মতও কিছু না। পব তে বিজেপি লোকসভায় বাড়লেও বিধানসভায় আবার দরকার মত কমে যাবে, সেটাও না-বোঝার মত কিছু না। আর বিধানসভায় যদি কোনোক্রমে বাড়তে থেকে পরের বা তার পরের টার্মে গদিতে বসার মতো অবস্থায় আসে পব র মত সীমান্ত রাজ্যে, এবং সংগঠন বাড়ানোর এই ভয়ংকর পারঙ্গমতায়, বিদ্বেষ ছড়ানোর এই অসম্ভব কৃতিত্বে, যাঁরা তার পরের পৃথিবীর কথা ভাবার সাহসও করছেন তাদের প্রণাম।
  • PT | ২২ মে ২০১৯ ১৭:০৭378173
  • "বিধানসভা আর লোকসভার ভোট সম্পূর্ণ ভিন্ন র‍্যাশনেল ফলো করে।"
    উচিত তো সেটাই।
    কিন্তু তিনোরা তো কোথায় কটা নর্দমা বানানো হয়েছে তাই নিয়ে প্রচার করেছে। তাই তো ঝিমি, ফুর্সৎ, ঝুনঝুন ইত্যাদিরা ভোটে দাঁড়িয়েছে। প্রচার সভায় কেউ গান গাইছে কেউ সিনেমার ডায়লগ বলছে। এদের সঙ্গে লড়বে নন্দিনী কিংবা বিকাশ রাজনৈতিক তত্ব নিয়ে? ফুঃ!!!

    " বিধানসভায় আবার দরকার মত কমে যাবে"
    কার দরকারে কমবে? বিজেপি নিজেরা ক্ষমতা দখল করতে পারল না অতএব তিনোরাই ক্ষমতায় থেকে RSS-এর বামমুক্ত ভারতের স্বপ্নে জল সিঞ্চন করুক সেই দরকারে?

    তিনোরা যতদিন ক্ষমতায় আছে ততদিন তাদের নিজেদের প্রয়োজনেই বিজেপিকে লালন-পালন করবে। এখন প্রকাশ্য জনসভায় "থাপ্পর", "কান ধরে ওঠবোস" এ সব ঘরেলু ঝগড়া। তাতে দু-একটা লাশ এদিকে ওদিকে পড়লে সেগুলো কোল্যাটারাল ড্যামেজ হিসেবে ধরে নিতে হবে।
  • sm | ২২ মে ২০১৯ ১৮:২৩378174
  • তাহলে কি করা উচিত,পিটি? তিনোৱা সিপিএম তথা বামেদের জেতা আসন গুলো ছেড়ে দেবে?
    আর এস এস হোক বা বিজেপি,লড়তে হয় ময়দানে,টিভিতে বিতর্ক করে নয় বা সোশ্যাল মিডিয়ায় ফুট কেটে নয়।
    আমার মতে যেদল তার 14 -15 পার্সেন্ট ভোট বিজেপি কে দান করে,সেই দল কি তত্ত্ব কথা,দাঁড় করালো,সেটা বিবেচনাতেই আসার যোগ্য নয়।
  • এলেবেলে | ২২ মে ২০১৯ ১৮:৫৬378176
  • রঞ্জনবাবু এবং আর যাঁরা 'রবীন্দ্রনাথ কি বিজেপি' সম্পর্কে জানতে চান তাঁরা এই লিংকটা দেখুন। চিঠিগুলোও পূর্ণাকারে পাবেন সোহম দাস (লেখক)-এর ফেসবুক টাইমলাইনে।

    https://4numberplatform.com/?p=13124
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন