এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নবজাতকের বাসযোগ্য পৃথিবী ও নরওয়ে বৃত্তন্ত

    Debaprasad Bandyopadhyay
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৮১৫২৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২২:৫২527102
  • MR এর দেওয়া খবরটা ইন্টারেস্টিং।
    এই 'ব্যবসা' র ব্যাপারটা। আর এরকম কেস গত কয়েকবছরে অনেক হয়েছে বলছে।
  • dukhe | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:০২527113
  • বাচ্চাদের ওপর এত অত্যাচার করলে ডিক্লাইনিং বার্থ রেট তো হবেই। ফস্টার হোমের বেওসার জন্য বাচ্চা জোগাতে কে আর চাইবে ? যারা যা ডিজার্ভ করে আর কি।
  • Binary | ২০ মার্চ ২০১২ ২৩:৫২527135
  • কার্য-কারণ -এর কথা আমি আগেই লিখছি। তথ্য আর ডাটা চাই। নাহলে সবাই ইমোশনাল হয়ে কথা বলা কাজের নয়।
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:০১527146
  • আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানি। এটা কোনো পশ্চিমী দেশের খামখেয়ালিপনা নয়। ওখানকার চাইল্ড কেয়ার কিরকম সেটা না জেনে মন্তব্য করা, শুধু পশ্চিমী-বিদ্বেষ থেকে, এটা মনে হয় ঠিক না।

    Arunabhash, who has been visiting the children in the kindergarten and with the foster-parents, says the children have made remarkable progress since they were taken into care. This fact was confirmed by the Stavanger CWS chief, Gunner Toresen. “Every time I see Abhigyan play and laugh, my heart wells over with joy. He's so happy here. And then I get worried because I don't know how much support I'll get in India. If Sagarika's family comes to our home to take away the kids, what will I do?” the desperate uncle asked this correspondent.

  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:০৯527157
  • বাইনারি দা কে বিশাল বড় ক। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে জাজমেন্টাল বড় বেশি।
  • PM | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:২৪527168
  • ধরে নিলাম ... বাচ্ছাকে কেউ মা বাবার থেকে অনেক ভালো রেখেছে তাই তার বাচ্ছা কে নিয়ে যাবার অধিকার জন্মে গেছে। এবার এই এক-ই যুক্তি কি বৌ এর ক্ষেত্রেও প্রযোয্য? উন্নত দেশ তো --- আর আমরা সব ৩য় বিশ্বের পিছিয়ে পড়া লোক। জানা থাকলে সুবিধা হয় আর কি।
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৩০527179
  • PM,

    আমার কথা, বা এই লিঙ্কে কি এরকম কোনো বলাহয়েছে বলে মনে হলো আপনার ? যে 'অধিকার' জন্মে গেছে, আমি বলতে চেয়েছি ?

    আপনি আসল কথাটাই কাটিয়ে গেলেন। লিঙ্কটা ভাল করে পড়তে হবে। তারপর মতামত দিন। নইলে সুধু ঝগড়া আর সারকাসটিক কমেন্ট-ই চালু থাকবে।
  • rimi | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৩৬527190
  • সব্বোনাশ!!!!
    পিএম যে ভয়ানক মন্তব্য করলেন গো!!!!
    বৌ-কে "ভালো রাখা"???? বৌ-কে "নিয়ে যাবার অধিকার"?????
    আপনার কাছে বৌ এবং বাচ্চা একই রকম? ইম্যাচিওর, ডিপেন্ডেন্ট, নিজের ভালোমন্দ বোঝার বা নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নেবার ক্ষমতা নাই???
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৪১527202
  • অন এ সিরিয়াস নোট - পিএম ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এবং সেই সমস্ত আইন কানুনের কথা শোনেন নি। বউ ৪৯৮ করলে, বউকে না হোক স্বামীকে অবশ্যই লিয়ে যাবে।

    আর উন্নত দেশে অ্যাবিউসিভ, ডিস্টার্বড বাপ-মার হাত থেকে ছেলেমেয়েদের রক্ষা করার আইন আছে।

    ভারতে এখনও নেই, তবে হবে শিগগিরি। সেদিনই তো আবাপতে দেখলাম, মা ছেলেকে অমানুষিক অত্যাচার করত বলে পুলিশ ইন্টারফেয়ার করেছে। খড়দহের ঘটনা।
  • PM | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৪৭527213
  • রিমি, সেকি আর আমি আপনি ঠিক করবো? সেতো সরকার ঠিক করবে সে দেশের। সে ঠিক করার বিরুদ্ধে তো এপীল করও যাবে না। যদি তাঁরা মনে করেন মহিলার সে জ্ঞান নেই তাহলে নিয়ে জেতেই পারে ঠেকাচ্ছে কে ? :)

    আর যদি ফস্টার কেয়ার মা বাবার থেকে বাচ্ছাকে ভালো মানুষ করতে পারে তাহলে এতো ঝক্মারী করে কাজ কি? বাচ্ছদের ফস্টার কেয়ারে পঠিয়ে ঝাড়া হাত পা হয়ে ঘুরে বেরান। বাচ্ছা ভালো মানুষ-ও হবে, খরচও বাঁচবে।

    আর হ্যাঁ, ফস্টার কেয়ার-এ পাঠিয়ে গুরুতে একটা পোস্ট কর্তে ভুলবেন না। তার্পর আপনাদের বাকি কথা শুনবো ন হয়।
  • PM | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৫০527224
  • আকা, এক্ষেত্রে বাবা মা বাচ্ছার ওপোর অত্যাচার করেছিলো সেই রেফেরেন্স টা কোথায় পেলেন জানালে ব্যধিত হবো। হতে পারে আমার চোখ এড়িয়ে গেছে। যদি সে রকম কিছু প্রমানিত হয় তাহলে আমার কোনো আপত্তি নেই। বৌ এর ক্ষেত্রেও :)
  • rimi | ২১ মার্চ ২০১২ ০০:৫৯527235
  • পিএমদা, কনসেপ্টটা হেভি দিয়েছেন। একটা ভালো বিজনেস প্রোপোজাল বানানো যায়: ওয়াইফ কেয়ার সার্ভিস। স্বামীরা স্ত্রীর প্রতি যথেষ্ট স্নেহশীল/রোম্যান্টিক ইত্যাদি না হইলে স্ত্রীদের রোম্যান্টিক ফস্টার স্বামীদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হইবে।
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ০১:০১527243
  • এত ফস্টার হাজব্যান্ড ই বা কোথায় পাওয়া যাবে? মানে সেই লোকের নিজের বৌয়ের কী হবে?
    শীর্ষেন্দু ঠারে ঠোরে কেন বহুবিবাহের ভালিত্ব বিষয়ে ওকালতি করেন, এইবার বোঝা গেল।
    :-)
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ০১:০২527244
  • বাড়ীতে বাবা-মা কুস্তি করবে আর বাচ্চারা আপনমনে ভালভাবে বেড়ে উঠবে বলতে চান ?

    The relationship has deteriorated to such an extent that the two have come to blows. Mr. Bhattacharya said his wife had attacked him – hitting him and clawing at his face, hands and legs in the early hours of March 19. On Monday morning, he met the chief of the Stavanger CWS to seek help, apparently determined not to continue with the pretence. Mr. Bhattacharya moved out of the apartment he shared with his wife.

    Mr. Bhattacharya's allegations are upsetting and sensational. “This is not the first time this has happened. Sagarika has assaulted me many times before. You can find all those details in the dossier. But this time she created a massive commotion and physically assaulted me. The noise was so great that the neighbours came and my wife told them I was hitting her! If I concealed the seriousness of Abhigyan's and our family's problems it was because I thought that was the only way we could get our children back. But I now realise that was a mistake and I should have spoken the truth right from the start.”

    “It was not just cultural bias that prompted the CWS to act. My wife has a serious psychological problem. She is extremely immature, like a teenager really, and all this media attention has gone to her head. I tried to protect her and do her bidding. But last night was such a shock that I have now moved out and am seeking a legal separation,” Mr. Bhattacharya told The Hindu.

  • rimi | ২১ মার্চ ২০১২ ০১:০৪527245
  • আরে সেই লোকের বৌ নিজেকে অবহেলিত মনে করলে তাকেও তো ফস্টার স্বামীর কাছে পাঠানো হবে!!

    হ্যাঁ, এতো ফস্টার স্বামী কোথে্‌থকে পাওয়া যাবে সেইটা একটা প্রশ্ন। স্বামীদের জন্যে একটা স্পাউসিং ক্লাস খোলা হবে। সেখানে স্বামীদের স্পেশ্যাল ট্রেনিং দেওয়া হবে - কেমন করে স্ত্রীদের ভালোবাসা উচিত, প্রতি অকেশনে কি কি উপহার দিলে সবচে ভালো হয়, কি কি রেঁধে খাওয়ালে স্ত্রীরা স্ত্রীরূপে সঠিকভাবে বিকশিত হইতে পারেন ইত্যাদি ইত্যাদি।

    আর ফস্টার হাজব্যান্ডদের জন্যে স্পেশ্যাল ট্যাক্সো ছাড়ও দেওয়া হবে।
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ০১:১৯527246
  • পিএম বাপ-মায়ের কোস্তাকুস্তি ছেলেমেয়ের সামনে হলে মানসিক অত্যাচার তো বটেই। অ্যাবিউজ সব সময়ে ফিজিকাল হতে হবে তা তো নয়। খুব পরিষ্কার বাপ-মা হেবি লড়ালড়ি করত।
  • nk | ২১ মার্চ ২০১২ ০১:৪২527247
  • সেই সব ফস্টার হাজব্যান্ডেরা যারা কিনা প্রচুর প্রচুর ওয়াইফ কেয়ার দেবেন, তেনারা আর অন্য কোনো কাজ ই করবেন না, সরকার থেকে টাকা দেবে। ওনারা বলবেন, "এত এত ওয়াইফ কেয়ার, এত ফস্টারি, এত কষ্ট করে আবার কিনা চাকরি করবো? ওসব নেহি চলেগা। সরকার বাহাদুর, ডবল ট্রিপল টাকা দিন, ট্যাক্সো কিচ্ছু দেবো না, এতে চললে চলুক, নইলে ফস্টারি করবো না। "
    :-)
  • MR | ২১ মার্চ ২০১২ ০৪:০০527250
  • যারা এই কেসে সহানুভূতি দেখাল, তাদের স্বাভাবিক ভাবেই মনে হবে, তারা "cheated' হয়েছে। এরপর genuine কেসেও কাউকেই পাওয়া যাবেনা।দুটোরই মাথায় গন্ডগোল, এদের permanent home এ পাঠানো উচিত, ওসব foster এ হবেনা।
  • Binary | ২১ মার্চ ২০১২ ০৪:১১527251
  • পিএম, এর সব মতামত দেখছি এক্সট্রিম। বাচ্চাকে ফস্টার কেয়ারে পাঠানো হবে, তারপর দুহাত খালি করে আনন্দে থাকা হবে এসব আনওয়ান্টেড করোলারি করলেন কি তর্কে জেতার জন্য ? এই স্পেসিফিক কেসটা কি পড়ে বুঝতে অসুবিধা হল ? আর আমি এই টই-এর গোড়াতেই বলেছি, ফস্টার কেয়ার এসব দুম করে একদিনে হয় না, তার আগে অন্তত ৫/৬ তা টেস্ট, কাউনসেলিং এসব হয়।

    আমারা যতই, 'ফস্টার বেওসা', 'পাতি কিডন্যাপিং' এসব বলে ব্যাঙ্গ করি, আসলে এই প্রসেসটা অনেক সায়েন্টেফিক ভাবে চলে।

    হ্যাঁ, কমিকাল মন্তব্যে তর্ক জেতা যায়, সেটা ঠিক।
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ০৫:১৭527252
  • কমিকাল তক্কো করে লোক হাসানো যায়, তক্কে জেতা যায় না। আমি বাইনারিদার পোস্ট ডিকনস্ট্রাক্ট করেছি আর কোন উদ্দেশ্য নাই।
  • S | ২১ মার্চ ২০১২ ০৭:০৩527253
  • এই কেসটায় প্রথম থেকেই খটকা লাগছিল বলে আমি ইন্ডিয়ান কাগজের সাথে সাথে বিবিসি ইত্যাদিও দেখছিলাম। কোথাও একটা দেখেছিলাম বাচ্চা ছেলেটি হাত তুলতে দেখে রিয়াক্ট করত এবং সেই থেকেই CWS এর সন্দেহ হয় যে বাচ্চাটিকে বাড়িতে মারধোর করা হয়। বাইনারির লিংক থেকে তো বোঝাই যাচ্ছে বাচ্চাটিও মায়ের হাতে মার খেয়ে থাকতে পারে। বাপ-মা বাচ্চাদের মারধোর করলে অবশ্যই স্টেটের উচিৎ বাচ্চাকে সরিয়ে নেয়া। আর PM কে বলব যে আমাদের ভারতীয় কালচারে বাবা-মা বাচ্চাকে অল্পবিস্তর মেরেই থাকে এই যুক্তি দেবেন না। তখন ভারতীয় কালচারের দোহাই দিয়ে অনেক ক্রিমিনাল কাজ যেমন কন্যাভ্রুণ হত্যা ইত্যাদি করে ফেলা যাবে।

    উন্নত দেশে বাচ্চাদের পুরোপুরি নাগরিক হিসাবেই দেখা হয়। একজন প্রাপ্তবয়স্কের যা অধিকার একটি বাচ্চার ও তাই। আপনাকে যদি কেউ মারধোর করে তাহলে আপনি আইনি সাহায্য নেবেন। এখন একটি তিন বছরের বাচ্চা নিজে থেকে সেটা পারে না বলে রাষ্ট্রকে সেই দায়িত্ব পালন করতে হয়। ইন ফ্যাক্ট বাবা-মা যদি এমন কিছু করে যাতে বাচ্চার মানসিক বা শারীরিক ক্ষতি পারে তাহলেই বাচ্চাকে ফষ্টার কেয়ারে দিয়ে দেয়া হয়। যেমন গাড়িতে প্রপার কারসীট না থাকলে জন্মের পর হাসপাতাল থেকে বাচ্চাকে ছাড়বে না। স্কুলের টিচার আর কেয়ারগিভার দের ট্রেনিং দেওয়া হয় যাতে তারা বাচ্চাটির আচরণ দেখে বুঝতে পরে সে বড়িতে abused হয় কিনা। আপনি আর বাইনারি যেমন বললেন, এইসব রুল চালু করার আগে প্রচুর রিসার্চ করা হয়ে থাকে। ঊন্নত দেশের চাইল্ড কেয়ার সিস্টেম নিয়ে ব্যঙ্গ করাই যায় - কিন্তু তাতে ভারতের চাইল্ড কেয়ার সিস্টেমের দৈন্যদশা ঢাকা পড়ে না।
  • SC | ২১ মার্চ ২০১২ ০৮:৩২527254
  • আমারও প্রথম থেকে এই কেসটা দেখে খটকা লাগছিলো।
    একটা দেশের সরকার খুব শিওর না হলে এদ্দুর এগোতো না। নিশ্চয় তারা ডিউ ডিলিজেন্স করে দেখেছে যে ছেলেটির বাড়িতে সমস্যা হচ্ছে।

    ছেলেমেয়েকে মারধোর করা, এগুলো ভারতে, উগান্ডাতে যেখানেই হোক না কেন, কোনো ভালো ব্যাপার নয়, কোনোমতেই সমর্থনযোগ্য নয়। উন্নত দেশকে এক গোল দেওয়া গেলো, এই মানসিকতা নিয়ে লড়া উচিত না, ছেলেটির জন্য কি ভালো, সেটাই দেখতে হবে।

    আর ঐ যে বলেছে যে বাবা ছেলের সাথে সময় কাটায় না, খুব ভালো লেগেছে যে এটা কোর্ট বলেছে। এটা যদি ভারতীয় সংস্কৃতি হয়, অবিলম্বে সেই সংস্কৃতিকে আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলা উচিত। তবে আমি যে ভারতে বড় হয়েছি, এরকম সংস্কৃতি অন্তত দেখিনি। কেরিয়ার নিয়ে কারুর এতটাই অবসেসন থাকলে বাবা মা হওয়ার আগে ভাবা উচিত ছিলো।
  • d | ২১ মার্চ ২০১২ ০৯:০৮527255
  • চাট্টি স্মাইলি জুড়ে দিলেই বক্তব্যের অন্তর্গত ঝাঁঝ ঢাকা পড়ে না। পি এমের বক্তব্যগুলো খুবই ভুলভাল লাগল।

    ডেনমার্কে আছে কিনা জানি না (থাকাই সম্ভব), তবে ইউ এস এবং ইউ কে তে স্বামী অত্যাচার করছে -- এই মর্মে অভিযোগ জানালে যথেষ্ট কড়া স্টেপ নেওয়া হয় এবং বউয়ের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হয়। আবার বউ মানসিক অত্যাচার করছে --- এই মর্মে অভিযোগ জানালেও তার কাছ থেকে বাচ্চাদের সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠানো হয়। আমার জানা এই দুই রকমই আছে।
  • dukhe | ২১ মার্চ ২০১২ ০৯:৫৬527256
  • In our opinion the Norwegian state should account for the yearly increase in the number of children taken into public care in the period 2003 - 2006, including those placed in foster homes. We note with regret that the Norwegian state has instead attempted to present this development in a positive light by referring to the smaller percentage of children taken into care compared with those receiving home based help.
    We find it surprising that the Norwegian state has not reappraised its position on the use of foster homes in the light of the skepticism about this practice expressed in several official
    reports.
    ...
    It is a matter of grave concern for us that the Norwegian state in formulating its policies ignores several influential and comprehensive studies which document the adverse effects of separating
    children from their natural families. We therefore feel that there is no justification for
    mentioning foster home placements under the rubric of preventive measures in the home.
    Furthermore, if a policy of increased use of preventive measures in the home has been put into practice as claimed by the Norwegian state, the Norwegian state should also account for any
    concrete measure taken to reunite children in public care with their families.

    http://www.crin.org/docs/critical-comments-to-norway-fourth-periodic-report-to-the-un-committee-on-the-rights-of-the-child-2008.pdf
  • lcm | ২১ মার্চ ২০১২ ১০:৩০527257
  • ঐ কেসটা কি হল শেষ পর্যন্ত?
  • tatin | ২১ মার্চ ২০১২ ১১:৪২527258
  • ছেলেবেলা পড়েছেন সকলেই। দাদু বা অনুরূপ সময়ের বাচ্চারা ছেলেবেলায় কতটা সময় বাবা মা-র সংগে কাটাত? পথের পাঁচালিতে হরিহর বা আদর্শ হিন্দুর হাজারি কিম্বা নবীনকুমারের বাবা-মা কে কত সময় দিচ্ছিলেন ছেলে মেয়েকে?
    আমাদের দেশে বাচ্চা বড় করার একটা নিজস্ব ফস্টারিং সিস্টেম ছিল। সেইখানে ঠাকুমার ঝুলির গল্প থাকত, ঝড় এলে পাশের বাড়ির বাগানে আম কুড়ানো থাকতো; বাড়ির মুনিষ-মাহিন্দর, ওবাড়ির রাণুদি, তুতো গ্রামতুতো ভাইবোনেরা সব মিলিয়েই বাচ্চারা বড় হতো। আমাদের ছোটোবেলাতেও কিছুটা সেইটা ছিল। এখন ভেঙে গ্যাছে।
  • PM | ২১ মার্চ ২০১২ ১২:২৫527259
  • গল্পটা পুরো-ই পাল্টে যাচ্ছে।

    আমার বক্তব্যটা পুরোটাই ব্যক্তিগত পর্স্পেক্টিভ থেকে। মনে হয় না গুরুর পাতায় নিজের বক্‌ত্‌ব্‌য় জানান ছাড়া খুব বেশী তর্ক করেছি আগে।

    আমার বাচ্চাকে কাল সরকার যদি মনে করে যে প্রপার কেয়ার নেওয়া হ্যচ্ছে না তাহলে সে নিয়ে চলে যেতে পারে এই কন্সেপ্ট-টা কিছুতেই হজম হচ্ছে না। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ঘটনাক্রম-এর আগে যাকিছু খবর বেড়িয়েছে তাতে কোথাও বলা নেই (আমার চোখে পড়ে নি) যে

    ১। বাচ্ছার ওপোর কোনো অত্যচার হয়েছে।
    ২। একটা স্বাভাবিক পরিবরের কাছ থেকে বাচ্ছা নিয়ে চলে যাবার ঘটনা এক্টা বিরাট আঘাত। এই ঘটনা ঘটানোর জন্য যে স্ট্রং প্রসেস ফলো করার দর্কার, খবর থেকে মনে হয় নি তা হয়েছে। নেবার আগে কোর্ট-এ এপীল করার সুযোগ ও দেওয়া হয় নি।এই রকম ডিসিসন এর ক্ষেত্রে একটা ছোত্তো ভুল-ও পরিবারে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
    ৩। এক্ষেত্রে বাচ্ছার ওপোর অত্যাচার হলে সেটা ফৌজদারী অপরাধ। কোনো ফৌজদারী মামলা হয়েছে বলে শুনি নি। সেটা হয়ে আগে এই "অত্যাচার " যে হয়েছে সেটা প্রমান করতে হবে তো? সেটা আদালতে প্রমান না হয়ে প্রশষনিক হস্তক্ষেপ কি বাঞ্ছনীয়?
    ৪। যদি প্রশষনের ডিসিসন ভুল হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে রেক্টিফাই করার প্রসেস কি? সব ক্ষেত্রে তো কুটনৈতিক হস্তক্ষেপ হবে না। আগের খবর থেকে মনে হয়েছিল যে ভদ্রলোক সেই উপায় খুঁজে পাননি।

    ৫। সব ক্ষেত্রে (যেমন অর্থনীতি) আমরা প্রশসনের নিয়ন্ত্রন-এর বিরুদ্ধে কথা বলি, সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আর পরিবারের ক্ষেত্রে কেনো আর কতোটা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বর্দাস্ত করবো তা নিয়ে বিতর্ক হতেই পারে।

    আমার সব কটি কথা-ই নিজেকে ঐ বাবার জায়গায় রেখে (নতুন ডেভেলোপে্‌মন্ট-এর আগে পরযন্ত)। আজ পযন্ত কোনো সাধারন তর্কে জিতে উঠতে পারলাম না। গুরুর মহারথীদের সাথে তর্কে জেতার কথা ভাবতেই পারি না :)
  • aka | ২১ মার্চ ২০১২ ১৬:২০527261
  • দুটো বক্তব্য

    ১। আপনি যেই বল্লেন প্রথম বিশ্বের সভ্যতা ভার্সেস তৃতীয় বিশ্বের পিছিয়ে থাকার কথা বলেন তাহলে সেটা আর শুধু ব্যক্তিগত পার্স্পেক্টিভ রইল না।

    ২। ফৌজদারি ইত্যাদি শুনে মনে হল আপনি ভারতের ল নরোয়েতে চালাতে চাইছেন।

    ৩। আপনি যদি ল অনুযায়ী অ্যাবিউসিব্‌হ্‌ব্‌হ বাবা হন তাহলে রাষ্ট্রের এটা নৈতিক কর্তব্য আপনার ছেলে মেয়েকে উদ্ধার করা আপনার হাত থেকে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন