এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • জ্যোতিষ কে কেন আমার বুজরুকি বলে মনে হয়

    aka
    অন্যান্য | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ | ২৩১৪৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫০507149
  • কে যেন বলেছিলেন? প্রতিটি মানুষই যৌনভাবে সৎ? জয় গোঁসাই? না শক্তি?
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫০507148
  • হেহেহে। রামকৃষ্ণ পুজো করার জন্য মাইনে পেতেন। নিজের বিজনেস চালাতেন না। নিজের বিশ্বাস নিয়ে আপনমনে থাকতেন। মাঝে মাঝে "ভর' হত। লোকে তাই দেখে মুগ্‌ধ হত।
  • aranya | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৫৭507150
  • আকার টই ভন্ডুল করার এই বিশ্বাসী বা বৈজ্ঞানিক অপচেষ্টার আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি। কারা কারা ভন্ডুল করছে, শুধু নামগুলো একবার আমায় পাঠিও :-)
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০২507151
  • তাহলে কোনো দোকানে মাইনে পাওয়া জ্যোতিষীকে কী বলা হবে ? :)
  • aranya | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৬507152
  • সিকি, ব্যাপারটা কিন্তু অত সোজা, সাদা কালোর ব্যাপার নয়। পেট চালানোর জন্য টাকা দরকার। আমি বেশ কয়েকজন শিক্ষক-কে পেয়েছি, যারা সত্যিই বিশ্বাস করতেন যে তারা প্রকৃত মানুষ তৈরীর জন্য শিক্ষকতা করছেন, দিনের শেষে তাদেরও মাইনে নিতে হত,সংসার চালানোর জন্য। টাকা উপার্জনের জন্য চাকরী আর ব্যবসার পার্থক্যটাই বা কোথায়?
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৭507153
  • তা জানি না, তবে দোকানদারকে বুজরুক ভণ্ড অবশ্যই বলা যাবে। বাকিটা ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ব্যাপার। যিনি মাইনে নিয়ে জেনেবুঝে লোক ঠকাচ্ছেন, তিনিও বুজরুকই হবেন, যিনি মাইনে নিয়ে অন্তরের বিশ্বাস থেকে জ্যোতিষকে ঠিক জেনে লোকের কী-সব যেন করছেন (ভাগ্যগণনা তো বলা যাবে না) তাঁকে কোনওভাবেই ভণ্ড প্রতারক বলা যাবে না।
  • aranya | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:০৮507154
  • পাই, তাকে বলা হবে 'মাইনে পাওয়া জ্যোতিষী'। যেমন 'মাইনে পাওয়া শিক্ষক' বা 'মাইনে পাওয়া ডাক্তার' :-)
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১১507155
  • ওহো, এইখানে আরেকটা কথা বলে যাই। বাইল্যকালে আমার একবার প্রাণ সংশয় হয়েছিল। কিছুই না, হয়েছিল বিকোলাই,। কিন্তু ভুল চিকিৎসায় প্রাণ যেতে বসেছিল। সেই সময় কোনো এক আত্মীয় হিতৈষী কোনো এক বাবার জলপড়া নিয়ে আসেন আমার জন্যে। কিন্তু আমার মা তাঁকে সোজা দরোজা দেখিয়ে দেন। তখন সেই আত্মীয় সহ অন্যান্য অনেকেই এইরকম "তেজ" যে চিরকাল থাকবে না, বয়স হলে যে "নরম" হতেই হবে এইসব ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন। মার বয়স হল ৬৫ বছর, এখনও "নরম" হন নি। অবশ্য বয়সই বা তেমন কি হল?
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৪507158
  • আগের পোস্ট পাইকে।

    পরের পোস্ট। নয় তো বটেই। তবে তফাতটা কী জানো অরণ্য? ব্যবসা চলে নিজের ইচ্ছেয় নিজের বুদ্ধিতে। চাকরি চলে পরের ইচ্ছেয় পরের বুদ্ধিতে। পেট চালানোর জন্যই কেউ চাগ্রি করে কেউ ব্যবসা।

    আরেকটা উদা:। শিক্ষকমাত্রেই শুধু নয়, শিক্ষিত ব্যক্তিমাত্রেই "বিশ্বাস' করেন যে মানুষ হয়ে ওঠার মূল শর্ত ভালোভাবে লেখাপড়া শেখা। তার পরেও ভালো লেখাপড়া শিখেও অনেকেই অমানুষ হয় (যেমন আমি :-)) তাতে করে কিন্তু লেখাপড়া জিনিসটা ঢপবাজি হয়ে যাচ্ছে না, লোকে তার পরেও বাচ্চাকে লেখাপড়া শেখানোর জন্য স্কুলে পাঠাচ্ছে।

    লেখাপড়া না শিখেও অনেক লোক বড় নাম করেছেন। সম্রাট আকবর বা রামকৃষ্ণদেব। এক লাইন গান না শিখেও কিশোরকুমার কিশোরকুমার হয়েছিলেন। সেগুলো এক্সেপশনই। সেই জন্যই বছর বছর কিশোরকুমার বা রামকৃষ্ণ তৈরি হয় না। কিন্তু গায়ক হবার জন্য গান শিখতে হয়, আর মানুষ হবার জন্য পড়াশোনা শিখতে হয়, এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য। লাখ লাখ রিপিটিটিভ টেস্টের মাধ্যমে।
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:১৪507156
  • আচ্ছা, ডি: দিয়ে যাই। এইটা ডিডিদার পিসিমার ঘটনা পড়ে মনে পড়ল, তাই স্মৃতিচারণ করলাম। এর সঙ্গে জ্যোতিষের কোনো সম্পর্ক নেই।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩০507159
  • আগের কোন টইতে কার পোস্ট দেখলাম মনে নেই। জ্যোতিষ বুজরুকি এই যুক্তিতে তো পুজো আচ্চাও বুজরুকি। ঋদ্ধির যুক্তিতে। ব্যক্তিগত বিশ্বাস কোন ফ্যাক্টর না হলে। চোখের উপর কেউ দেখছে, লোকে টাকা দিয়ে পুজো দিচ্ছে, ফল ফলছে না ( ঋদ্ধির উদা: ধরেই বল্লাম)। তাও টাকার বিনিময়ে পুজো নিচ্ছে। তাই না ?
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৩507160
  • বুজরুকি। অবশ্যই। পুজো মাত্রেই বুজরুকি।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৪507161
  • তালে রামকৃষ্ণ ? :)
  • ridhhi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪১507162
  • পাই, পুরুত রা তো?
    তফাত আছে। লোকে টাকা দিচ্ছে। পূজো করাচ্ছে। পুরুতের জব প্রোফাইল হল- ক্লায়েন্টের মেসেজ ভগবান কে পউছে দেয়া। ব্যস, ফুরিয়ে গেল। তার 'কাজ' সে করল। বা সে ভাবল সে করল। এখানে 'আমি দেখছি একটা জিনিস ভুল হচ্ছে, তবুও টাকা নিচ্ছি'র কেসটা আসছে না। যেটা প্রাকতিসিং জ্যোতিষীর ক্ষেত্রে আসছে।
  • PM | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৬507163
  • সিকি-র অন্য পাতায় করা পোস্ট সংক্রন্ত পোস্ট-

    ১। উনি বললেন "পা মচকালে চুন হলুদ লাগাই, কেটে গেলে গাঁদা পাতার রস লাগাই.... সাইন্টিস্টরাও একে অমান্য করেন না"
    আমাকে একটা research paper দেখান যাতে গাঁদা পাতার ওষুধি গুন নিয়ে কাজ করা হয়েছে। খুব সম্ভবত হয় নি। কিন্তু তবু আজ-ও আমরা গাঁদা, পাতার রস বা ঘাসের রস লাগাই কেটে গেলে। হলুদ নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে ৫০ এর দশক থেকে তাও পশ্চিমা বৈজ্ঞনিক নয়, দেশী লোক-ই কাজ শুরু করে। তার মানে কি ৫০ দশকের আগে হলুদে কাজ হতো না?

    কেউ বলতেই পরে research paper -র দেখি নি, আমার কাটায় আমি গাঁদা পাতার রস লাগাবো না। কিন্তু তাতে তো গাঁদা পাতার উপোকারীতা কমবে না। বা আমি -আপনি গাঁদা পাতার রস লাগানো বন্ধ করবো না।

    এবার বলুন, কোন ভারতীয় প্রাচীন পুঁথিতে গাঁদা পাতার উপকারীতা ডোকুমেন্টেড আছে? রামায়ান/মাহাভারত ডকুমেন্টেড আছে কিন্তু গাঁদা পাতার উপকারিতা নেই কেনো? অথচ ওটা আমরা রেগুলার ব্যবহার করি।

    তার মানে গাঁদা পাতার উপকারিতা (যা আপনি বিশ্বাস করেন) আসলে কিছু এম্পেরিকাল র‌্যন্ডম observation এর ওপোর নির্ভরশীল (এখনও পর্য্যন্ত).... কোনো রকম "রিপিট,প্রপার লজিকাল এক্সপ্লনেসন' বা রিসর্চ পেপার ছাড়াও দিব্বি মেনে নিয়েছি উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত ব্যবহারিক জ্ঞান হিসেবে। আন্তর্জাতিক IP নিয়মাবলিতেও এই ধরনের জ্ঞান-এর স্বিকৃতি আছে।

    "In the mid-1990s, this product became the subject of a patent dispute with important ramifications for international trade law. A U.S. patent on turmeric was awareded to the University of Mississippi Medical Center in 1995, specifically for the "use of turmeric in wound healing." This patent also granted them the exclusive right to sell and distribute turmeric.[1] Two years later, a complaint was filed by India's Council of Scientific and Industrial Research, which challenged the novelty of the University's "discovery," and the U.S. patent office investigated the validity of this patent. In India, where turmeric has been used medicinally for thousands of years, concerns grew about the economically and socially damaging impact of this legal "biopiracy." In 1997, the patent was revoked."

    কাল হয়তো কেউ গাঁদা পাতার biochemistry/immunology নিয়ে কাজ করে পেপার বানাবে। পেটেন্ট-ও নেবে... তারপর যথারিতি হল্লা হবে। দেশের জ্ঞান নিয়ে বিদেশী-রা ব্যবসা করছে বলে।

    কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সাদা-দের হাত ঘুরে না আসলে আমাদের জ্ঞান আবার জাতে ওঠে না। :)
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৪৯507164
  • যাচ্চলে, কম্যুনিকেশনটা উল্টোদিকে হলে ?
    মাঅনে জ্যোতিষী না হয়ে যদি কেউ যদি বলে অলৌকিক ক্ষমতার বলে অমুক বলতে পারে, তমুক বলতে পারে। মানে ভগবান তাকে বলে দিচ্ছেন, সে সেই মেসেজটা পৌঁছে দিচ্ছে, তখন? তখন আর তাতে বুজরুকি নাই? এমনি করে স্বপ্নে পাওয়া ওষুধও কেউ দিতে পারে।

    আর ফল ফলছে না, সেটা দেখাই জদি বুজরুলি ঠিক করার ক্রাইটেরিয়া হয়, তালে সব ক্ষেত্রে তাঁরা জানেনই, বাস্তবে ক্লায়েন্টদের কী ঘটলো, সেটা কীকরে জানা গেল ?

    জ্যোতিষ বিশ্বাস করার মত কোন কারণ এখনো দেখতে পাইনি। কিন্তু উল্টোদিকের এই যুক্তিগুলোও বুঝতে পারছিনা।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫০507166
  • পি এমের এই প্রশ্নটাই রিমিদিকে অন্য টইতে আয়ুর্বেদ নিয়ে করলাম।
  • pinaki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫০507165
  • সব জ্যোতিশী বুজরুক নয়, কিন্তু অধিকাংশই তাই। সেটার উপর বেস করেই আমার ধারণা ইন জেনারেল জ্যোতিশকে বুজরুকি বলা হয় এবং বলা উচিৎ। ঈশ্বর বিশ্বাস আর জ্যোতিষের মধ্যে তফাৎ মেইনলি এখানেই যে একটা মূলত: ব্যক্তিগত বিশ্বাস, আর একটা (আজকের দিনে অন্তত:) মূলত: মানুষের দুর্বল মনকে মূলধন করে ব্যবসা করা। একটা বিষয়ের মূল ভিত্তি যদি এইটা হয়, সেখানে কয়েকজন সৎ ব্যক্তি থাকলেও ওভার অল বিষয়টার কলঙ্ক মোচন হয় না।

    একই ভাবে ফেং শুই, বাস্তু, পামিস্ট্রি - সবই সোজ বাংলায় বুজরুকি।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫১507167
  • * যদি বুজরুকি
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫২507169
  • আরে পিএম বলেন কি আপনে? গাঁদা পাতার ওষুধের গুণ নিয়ে কাজ হয় নি? ছোটোবেলায় ঘায়ের জন্যে মেরিগোল্ড ক্রিম লাগাতাম, সে তো ২০০% অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ ছিল!!

    গাঁদাপাতার উপকারিতা নিয়ে কাঁড়ি কাঁড়ি ডকু আছে অলরেডি। একটু কাকুরে জিগান না?
  • PM | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০০507170
  • রিমি, গাঁদা পাতাটা একটা উদাহরন মাত্র। আমার ধারনা ছিলো গাঁদা পাতার ওপোর কাজ হয় নি। আমার ভাবাটা ভুল হতেই পারে।

    ধরুন গাঁদা পাতার ওপোর প্রথম কাজ হয় ১৯৬৫ সালে, তার পরে সেটা প্রমনিত হয়।

    তার মানে কি যারা ১৯৬৪ সাল পর্য্যন্ত গাঁদা পাতায় আস্থা রাখতো আর অন্যের কেটে ছরে গেলে গাঁদা পাতার রস লাগাতে বলতো তারা কি বুজরুক? ১৯৬৫ সাল থেকে তাঁরা সব হঠাৎ বিজ্ঞান মনস্ক হয়ে গেলেন? পেপর্টা বেরোনর পরে?
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০২507171
  • পিএম, জ্যোতিষের সপক্ষে তাহলে যুক্তি এখনো কিছু নেই, তাই তো?? এখনো নেই, কিন্তু ভবিষ্যতে হতেও পারে। সেইটা বলে দিন না, ল্যাঠা চুকে যায়।
  • ridhhi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:০৪507172
  • পাই, আপনার ১২ ৪৯ এর প্রথম প্যারা। এখানে ' কি হতে পারে' আর 'কি ইউনিভার্সাল ট্রুথ' এটা গোলানো। বুজরুক আমি আপনি সবাই হতে পারে। শিক্ষক হয়েও কেউ জালি করতে পারে। কেউ যদি এরকম করে সে নিশচয়ী বুজ্রুক। কিন্তু প্রাক্তিসিং জ্যোতিষীকে আমার আগের যুক্তি অনুযাঈ 'হতেই হবে'।
    আর দ্বিতীয়ত, অলৈকিক কান্ড করে দেব, আপনি টাকা দিন, কি এইন জেনারাল একটা পুরুতের বিবরণ হল? বেশীর্ভাগ ক্ষেত্রেই তো 'পূজো দেয়া'। হ্যান অন্যথা করলে অবশ্যই সে বুজরুক।

    আর দ্বিতীয় প্যারা:- মক্কেল রা ফিরে আসে না নাকি? ফ্যামিলি জ্যোতিসি্‌ষ থাকে তো।
  • aranya | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৭507173
  • পিনাকী, ঈশ্বর বিশ্বাস আজকের দিনে মোটেই ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সীমায় আবদ্ধ নেই, তা নিয়ে হই হই করে কোট কোটি টাকার ব্যবসা চলছে, সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে, কোথায় লাগে তার কাছে জ্যোতিষ। ভাটিকান-কে দেখুন, পৃথিবীময় কত শত চার্চ, মন্দির, মসজিদ দেখুন, আমাদের এক তিরুপতি-তেই কি বিশাল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে - ব্যবসার চূড়ান্ত। বেহেস্তে আল্লা প্রচুর সুখ সুবিধে, হুরী-পরী দেবেন এই ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে কত উগ্রপন্থী তৈরী করা হচ্ছে, তাদের হাতে কত নিরীহ লোক মরছে, তারা নিজেরাও মরছে - অপকারিতার দিক থেকে দেখতে গেলে ঈশ্বর বিশ্বাসের পাশে জ্যোতিষ তো শিশু।
  • saikat | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:১৮507174
  • পিনাকীর যুক্তিটা বুঝলাম না। জ্যোতিষের সাথে যদি মানুষের দুর্বল মন যুক্ত থাকে, তাহলে ঈশ্বর বিশ্বাসের সাথে সে দুর্বলতার যোগ নেই কেন? জগতের কার্য-কারণ সম্পর্কগুলো একজন মানুষ বোঝেনা, জানেনা, অতএব পরম করুণাময় কারোর ওপর ভরসা রেখে নিশ্চিন্ত থাকে। এর থেকে বেশী দুর্বলতা আর কী?
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২১507175
  • ফ্যামিলি জ্যোতিষী আবার কী ?ফ্যামিলি ডক্টরের মত বাঁধা কিছু ? এসব নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। কিন্তু একটা জিনিস বুঝছি না।
    ফলেই যখন না, তখন এই ক্লায়েন্টরা ফিরে আসেন কেন ? জ্যোতিষী মশায়কে বাঁধা রাখেন কেন ?

    আমার তো ধারণা ছিল, না ফললে তাঁরা আর যাবেন না। সেক্ষেত্রে জ্যোতিষীদেরও জানার উপায় থাকবেনা, ফললো কিনা। আর তাহলে তাঁরা যদি 'বিশ্বাস' নিয়েই করে থাকেন, এতে ঠিক হবে, সেই সব ক্ষেত্রে তাঁদের বুজরুক বলাও ঠিক না। এটুকুই বলার ছিল :)

    এবার এরকম লোকেরা সব জ্যোতিষেদের কত %, কত % হলে পুরো প্রফেশনকেই বুজরুকি বলা যাবেনা জানিনা।

    আম্রিগায় ডাক্তারদের ফ্রডের জন্য বছরে প্রায় ১ বিলিয়নের কাছাকাছি টাকা যায়। এটা কত শতাংশ সেটাও জানিনা।
    ডাক্তারি আর জ্যোতিষের সায়েন্সজনিত কোন তুলনা এখানে করছিনা। এ প্র্যাকটিসে ফ্রড করাটাকে যদি প্রফেশনকে ফ্রড বলার ক্রাইটেরিয়া ধরা হয়, তাহলে কী বলা যেতে পারে, সেইটা বলছি।

    ফ্রড যে প্রচুর লোকে করেন, তাই নিয়ে সন্দেহ নেই। কারুর ই নেই মনে হয়। টইয়ে জ্যোতিষে ঘোরতর বিশ্বাসী দুজনই প্রথমেই সেকথা মেনেও নিয়েছেন। কিন্তু তাতে করে ঐ সবাই জেনেশুনে ফ্রড করেন, এটা মানা যাচ্ছে না।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৪507176
  • যে যুক্তিগুলো এখন শুনছি, সেগুলো বুঝছি না।
    কোন আয়ুর্বেদ ওষুধে কাজ হয় বলে আমি শুনলাম। সেটা কেন কাজ করে জানা নেই এখনো। এই রিমিদির মার ওষুধ ই কীকরে কাজ করে জানা গেছে কী ? মনে হয়না। কাজ করে তার ই বা কত পাবলিকেশন আছে, তাও জানিনা। শুনেছি, যাচ্ছে। এই অব্দি। তাহলে তার উপর বিশ্বাস করা কি দুর্বলতা নয় ?
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৫507177
  • হায় রে!! ঘুরে ফিরে সেইই ডাক্তারি!!

    ওগো ইন্দোদাদা গো ও ও ও...
  • rimi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৯507178
  • আরে কি জ্বালা? মার কোন ওষুধে কাজ করে বলেছি? বললাম তো রি:আ: সারে নি, সারবে না ডাক্তার বলে দিয়েছে। মা যে ওষুধগুলো খায় সেগুলো মূলত ব্যথা ক®¾ট্রাল করার, আর ওভার অল ইমিউনিটি ঠিক রাখার।

    আর এইখানে কি যারা হাতে দেখায় তাদের বিশ্বাস নিয়ে কিছু বলা হয়েছে? যারা হাত দেখে তাদের সঙ্গে কথা হচ্ছে তো!!

    পাই বরম কোনো আয়ুর্বেদিক ডাক্তারকে ধরে নিয়ে আয় এখানে লেখার জন্যে। নইলে ব্যপারটা আপেল বনাম পাঁপড় হয়ে যাচ্ছে।
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৩১507180
  • সুমিত ডাক্তার আমায় এসেমেস করে বল্লেন, বেড়ে হচ্ছে। চালিয়ে যাও।

    কিন্তু নিজে লিখলেন না। :(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন