এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভুত

    deepten
    অন্যান্য | ১৩ মার্চ ২০০৬ | ৩৯৬৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • I | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:২৭498044
  • হিরোশিমা মাই লাভ-টা বেশ পচামত, ভুতুড়ে লেখা। মনে হয় সন্দীপনের ভুত লিখেছিল।
    সবারই কি একটা করে গাজ্জেন ভুত(শ্যাডোভুত বা ছায়াময় ছায়াসঙ্গীও বলতে পারো) থাকেনা? মরে যাওয়ার পরে যে কিনা আসল ভুতকে জায়গা করে দিতে সেরেফ কপ্পুরের মত অদৃশ্য হয়ে যাবে ! অন্তত: থাকা উচিৎ।

    বিভূতিভূষণের তো ছিল। ঐ যে কোথায় উনি বেশ ঝাপসা মত রাতে সাঁওতাল পরগণার কোনো জায়গা দিয়ে হেঁটে আসতে আসতে দেখলেন একটি বৃহৎ ঝুপসি গাছের তলায় কারা যেন (নাকি কোনো লোক ছিলনা?) মড়া র খাটটি নামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে; আর মুখের চাদরটাদর সরে গিয়ে(মড়ার, অবভিয়াসলি) পষ্ট দেখতে পেলেন জ্বলজ্যান্ত একটি বিভূতিভূষণের মড়া শুয়ে আছে।
    এই ঘটনার কিছুদিন বাদেই উনি মারা যান।
  • r | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:৩২498045
  • ডিটেলটা পুরো ভূত হয়ে গেল। বিভূতিভূষণ সকালবেলা ফুলডুংরি পাহাড়ে মর্নিং ওয়াকে বেরোতেন। একদিন সেই পাহাড়ে দেখেন কারা একটা মড়ার খাটিয়া ফেলে রেখে গেছে। মড়ার মুখের চাদর খোলা আর মুখটা বিভূতিভূষণের। এর পরেই উনি মারা গেলেন।

    আম্মো ফুলডুংরি পাহাড়ে গেছি, তার তলায় দাঁড়িয়ে গরম দুধ আর জিলিপি খেয়িচি, কিন্তু নিজের মুখ দেখতে পেলুম না কো!! :-(
  • Samik | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:৩৮498047
  • টিম তা হলে ঐ খবর্নয় খবর্দারের সেই বেড়ালটাকে তুলে এখানে ফেলে দে।
  • Samik | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:৩৮498046
  • নিজের মুখ না, বলো নিজের মড়ামুখ দেখতে পেলুম নি কো।
  • r | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:৪৮498048
  • না গো! শুধু তাই নয়। আরশিতেও নিজের মুখ দেখতে পাচ্ছি না। :-(
  • d | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১১:৫৪498049
  • আরশির পেছনের পারদটা পাল্টাতে হবে।

    (সক্কলের পেছনে লাগতে লাগতে শেষে আরশির পেছনেও ... )
  • Tim | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১২:২৩498050
  • তোমরা ঘুমটা যখন ভাঙ্গিয়েই দিলে, তখন গপ্পদুটো আজকেই বলে কাজ সেরে রাখি। প্রথমটা খাঁটি মিথ্যে ভূতের সত্যি গপ্প।
    আমাদের পাড়ায় একজোড়া মাঠ ছিলো। নাম আস্তাবলের মাঠ আর মালির বাগান। ঐ পেথ্‌থমটায় নাকি সায়েবদের আস্তাবল ছিলো। সে যাহোক, ঐ মাঠের ধারে ছিলো এক বুড়ো বটগাছ। আশির দশকের প্রথমদিক বোধহয় সেটা। তখনো মেট্রোরেল বহুদূর, একপাশে মাঠ আরেকপাশে গল্ফ ক্লাব নিয়ে জায়গাটা ভয়াবহ ছিলো (ট্যাসকিওয়ালারা যেতে চাইতোনা)। আমরা ঐ বটগাছের এলাকাটাকে বেজায় ভয় পেতাম। পাশেই একটা খাল (গঙ্গার শাখা) ছিলো। সন্ধ্যের পরে কখনো বন্ধুরা জড়ো হলে বাজি ধরা হত। গাছের নিচে কিছু একটা রেখে আসতে হবে। একটা ছেলে সবথেকে বেশিদূর, অর্ধেক রাস্তা গিয়েছিলো, তারপর থমকে খানিক দাঁড়িয়ে একদৌড়ে পালিয়ে আসে। ভূত ছিলো কিনা কেজানে, তবে গাছটার ভবিষ্যৎ অন্ধকার ছিলো। আমরা আরেকটু সাহসী হওয়ার আগেই বাজ পড়ে সেটা মারা পড়ে। এখন সেই মাঠের ওপর দিয়ে ওভারব্রিজ হয়ে যাতা করেছে। সেখেন দিয়ে আকাশপথে মেট্রো যাবে।
  • Tim | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১২:৪৩498051
  • এই দু-নম্বরটা সত্যি মিথ্যে যাচাই করার উপায় নেই, যেমনটা বেশিরভাগ ভূতের গল্পে হয়। এটা আরো আগেকার কথা, যখন আগের গল্পের ঐ আস্তাবল আর গল্ফ ক্লাবের মাঠকে আলাদা করার জন্য স্রেফ একফালি কাঁচা রাস্তা ছিলো, যে রাস্তা আরো সরু হয়ে একসময় শেষই হয়ে গেছে। তার পাশেই গঙ্গা।
    টালিগঞ্জ গল্ফ ক্লাবের ভেতরটা সন্ধ্যের পর ভূতের আখড়া হয়ে যায়, এইসব বলে ছোটবেলায় আমাদের শায়েস্তা করা হত। বেশি বলতে হতনা, ঐ নিকষ কালো অন্ধকারের দিকে তাকালে আর দিনের আলোয় দেখা ভেতরটার কথা ভাবলেই হাড় হিম হয়ে যেত। আমরা অন্তত বার পাঁচেক বিকেলে খেলতে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলন্ত লাশ দেখেছিলাম। এলাকাটা এত বড়ো ছিলো যে আত্মহত্যা আর রাজনৈতিক খুন করার স্বর্গরাজ্য বললেও কম বলা হয়। ঐসব ঘটনা, আর বড়োদের রটনা মিলে জায়গাটা সম্পর্কে আমাদের মনে বেশ একটা আবছায়া গোছের তৈরী করেছিলো। সন্ধ্যের পর ঐদিকে তাকাতেই ভয় লাগতো।
    গল্ফ ক্লাবের ভূত নিয়ে নানান গল্প শোনা যেত। এক বন্ধু বলেছিলো সে রাত দুটো নাগাদ জানলা দিয়ে ক্লাবের পাঁচিলের ওপাশে শাদা ঘোড়ায় চড়া সাহেব দেখেছে, খুরের আওয়াজ-ও শুনেছে। এরকম আরো অসংখ্য। নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করেছিলাম সবাই। তারপর একদিন বড়ো রাস্তা তৈরী হল, ব্রিজ হল। সেইসব বানাতে গিয়ে অজস্র মানুষের কঙ্কাল পাওয়া গেল মাটির তলায়। মেট্রোর আলোয় আবছায়ামাখা ভুতুড়ে জগৎটা কিছুটা পিছু হটে গেলেও একেবারে শেষ হয়ে যায়নি। আজো রাত ১২ টার পর শেয়াল ডাকে সেথা।
  • * | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১২:৫১498052
  • আহা ভুত, বাহা ভুত,
    সোজা ভুত, কিম্ভুত,,,

    এমন হাজার ভুতের রাজার দয়া মোদেরই উপর,,,

    ভুতের রাজা দিল বর,,,,
  • Samik | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১৪:০৩498054
  • ভাগ্যিস জ্যোতি বসু টালিগঞ্জে থাকেন না।
  • J | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১৪:১৫498055
  • কেন? কেন থাকেন না?
  • - | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১৭:০০498056
  • শমীকের আপন "অগ্নিদিদি' টালিগঞ্জের কাছেই থাকে।।।। তেনার কি হবে,,নরকেও কি ঠাঁই হবে,,,,,,,!
  • Samik | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ১৯:৪৬498057
  • ধ্যা:, দিদি শেয়াল খ্যাদান না।
  • * | ১৭ আগস্ট ২০০৭ ২২:২১498058
  • শেয়াল নয়, ,শিল্প খ্যাদায়, ,,ড: দিদির স্বর্গবাস হবে,,,,,,,
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১২:৫৫498059
  • এই টই টা গত বচ্ছর দেখেচি, লেখা হয়নি। মায়ের কাছে ডিটেলে শোনা দুই খান গল্প বলতে চাই। এই ঘটনা গুলো মায়ের দিককার extended পরিবারের সব্বাই জানতো। একটু সময় নিয়ে গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করছি। :)
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:৩৭498060
  • প্রথম ঘটনা।

    ঘটনা ই, এতদিন বাদে গল্প হয়ে গেছে।
    মায়ের দিদিমার সময়কার কথা, সাল-টালের হিসেবে যাচ্ছিনা। তবে মায়ের এই দিদিমা কে আমরা দেখেছি আমাদের ছোটবেলায়, বুড়ো বড়মা বলে ডাকতাম।
    তাঁর নাম ছিল রত্নময়ী।

    এই রত্নময়ীর ছিল এক দিদি আর দুই বোন। সবচেয়ে ছোট্ট বোনটির বয়স যখন কয়েক মাস, তাদের মা মারা যান। মেয়েটির নাম রাখা হয় সুধাময়ী। দিদিদের কাছেই বড় হতে থাকে মেয়েটি। ইতিমধ্যে, প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর রত্নময়ীর বাবা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন বংশরক্ষা করবার পরমার্থিক প্রয়োজনে।

    সুখের বিষয়, রত্নময়ী- সুধাময়ীদের এই নতুন মা তাদের ভালোবাসতেন খুব।
    মেয়েদের প্রায় সব আবদার মানতেন হাসিমুখে। প্রসঙ্গত, রত্নময়ীদের বাড়ি ছিল উত্তর কলকাতার জোড়সাঁকোয়, সাবেক ঠাকুরবাড়ির পাশের বাড়ি। মস্ত বড় বাড়ি ছিল। বেশ কয়েক ঘর ভাড়াটে থাকতেন বাড়ির নীচের তলার কয়েকটি অংশে। এই কয়েক ঘর ভাড়াটিয়া পরিবারের মধ্যে একটি পরিবারে রত্নময়ী-সুধাময়ীদের যাতায়াত ছিল সবচেয়ে বেশী, কারণ সেই বাড়ির কাকিমাটি খুব ভালো গান জানতেন, সেলাই জানতেন আর ছোট্ট মেয়েদের রান্নাবাড়ী খেলায় কিম্বা পুতুলের বিয়েতে অংশগ্রহণ করতেন সমান উৎসাহে। সেই কাকীমার কোন সন্তান হয়নি তখনো। এমনি করে কাটছিল দিন ওপর তলার ছোট মেয়েদের, পাড়ার অন্য মেয়েদের সঙ্গে খেলাধুলা করে, আর দুপুর বেলায় সুযোগ পেলেই নীচের তলার কাকিমার কাছে গিয়ে। তারপর একদিন-
  • Blank | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৫:৪৭498061
  • তাপ্পর?
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৬:২৭498062
  • ছ' বছরের ফুটফুটে সুন্দরী মেয়ে সুধাময়ীর পুতুলের বিয়ে। দম ফেলবার সময় নেই তার। এর ই মধ্যে নতুন মায়ের কাছে বায়েনাও জুড়েছে সে, 'সাজিয়ে দাও, গয়না পরিয়ে দাও আমায় এক্ষুনি, আজ আমার খুকির বিয়ে না? লোকে বলবে কী?' গোলাপী জরিপাড় শাড়ি আর গা ভরা গয়নায় সাজিয়ে দিতে হলো তাকে, নইলে রক্ষে আছে নতুন মায়ের। তিনি শুধু বলে দিলেন, দেখ জিতন (সুধাময়ীর ডাকনাম), বেশী এদিক-ওদিক যাসনি কিন্তু, ছেলেধরায় তুলে নিয়ে যাবে। জিতন ঘাড় নাড়ল সঙ্গে সঙ্গে।

    বিকেলবেলা রতন (রত্নময়ীর ডাকনাম) চুল বেঁধে দিচ্ছিল মেজদিদির। নতুন মা ডাক দিয়ে বল্লেন, জিতনকে দেখেছিস? সবাই বল্ল না, দুপুর থেকে কেউ দেখেনি তাকে। দেখ তো কাকীমার বাড়ি গিয়ে বসে আছে কিনা? রতন দেখে এসে বল্ল কই না, কাকীমা তো থিয়েটার দেখতে গেছেন, তারপর বাপের বাড়ি যাবেন, পাশের ঘর থেকে বল্ল। তাহলে? গেলো কোথায় মেয়েটা?

    পাড়া-পড়শী, কাজের ঝি, জিতনের খেলার সইরা কেউ, কেউ দেখেনি তাকে। বাড়িতে কান্নাকাটি পড়ে গেল। থানায় খবর দেয়া হলো। পেয়াদা এসে তল্লাশী করল সব ঘর, চৌবাচ্চা এমনকি খিড়কীর পুকুর। কোথাও নেই। তিনদিন কেটে গেলো, ফেরেননি সেই কাকীমাও। ঝিকে কিছু বলে যাননি। কাকীমার স্বামী কাজ করেন জাহাজে। ছ' মাসে- ন' মাসে আসেন তিনি। সকলে ভাবতে লাগলো, কাকীমার সঙ্গেই চলে গেলো নাকি? না বলে? আর সে বৌয়ের ই বা কী আক্কেল!
    কাকীমা এত ভালবাসতেন সব মেয়েদের, অন্য কোন সম্ভাবনা স্থান পায়নি কারো মনে। কিন্তু পেয়াদা বল্লে বাবু ঐ ঘরের দরজা ভেঙ্গে একবার দেখতে হয়। ভুল করে যদি--
    ভাঙ্গা হলো দরজা। কোথাও কিছু নেই। কিন্তু আশ্চর্য, ঘরের বাক্স, পেঁটরা এলোমেলো হয়ে আছে। কিছু কাপড় পড়ে আছে মাটিতে। আর একটা পুতুল, সুধাময়ীর পুতুলটা। কারো কনুই লেগে সরে গেছিলো বিছানার সুজনি, সেদিকে চোখ পড়তেই দেখা গেল এক গাদা শীতের লেপ-কম্বল জড়ো করে রাখা। সেগুলো একটু নাড়া দিতে চোখে পড়ে গেল ছোট্ট একজোড়া আলতা পরা পা।

    আইনের হাত সেই কাকীমার খোঁজ পায়নি। বলাই বাহুল্য, সুধাময়ীর গায়ের গয়নাগুলোরও নয়। শুধু জানা গেছিল দমবন্ধ করে মারা হয়েছিল সুধাময়ীকে, সম্ভবত বালিশ চাপা দিয়ে।

    এর প্রায় এক দশক পরে, এক বিধবা আত্মিয়ার মুখে রত্নময়ী জানতে পারে পরের ঘটনাটি।

    সেই ভাড়াটিয়া বৌটির ( সেই ফেরার কাকীমা) নাম ছিল কল্যাণী। ঘটনাচক্রে, এই আত্মিয়ার দেশের বাড়ি যে গ্রামে, সেই গ্রামেই জমি কিনেছিলেন কল্যাণীর স্বামী। জোড়াসাঁকোর ঘটনার প্রায় পাঁচ বছর পরের কথা। শোনা যায় এই ক' বছর তারা ছিল পশ্চিমে কোথাও, উত্তর বিহারে। দেশের বাড়িতে ফিরে আসার কয়েক মাসের মধ্যে কল্যাণীর একটি মেয়ে জন্মায়। তার প্রথম সন্তান। আর সেই মেয়ের বয়েস যখন একুশ দিন, কল্যাণীদের ভিটেয় আগুন লাগে অনেক রাতে। আশেপাশের বাড়ির অনেকে ছুটে আসে চিৎকার শুনে, সেই চিৎকার ছিল ভয়ার্ত ও অদ্ভুত, 'পায়ে পড়ি তোর, ছেড়ে দে, তোর গয়না আমি ফিরিয়ে দেব, আগুন নেভিয়ে দে--- কে আছো গো বাঁচাও,বাঁচাও!!!'

    আগুন নেভাবার সবরকম চেষ্টা সত্বেও, পুড়ে ছাই হয়ে যায় কল্যাণী ও তার সদ্য জন্মানো মেয়ে। শুধু, ঘরের চৌকাঠের সামনে নাকি পাওয়া গেছিল এক জোড়া ছোট্ট পায়ের আলতা দাগ।

    এই বিধবা প্রৌঢ়া আত্মিয়া তাঁর গ্রামের সেই কল্যাণীকে চিনতে পারেন রত্নময়ীর কাছে রাখা একটি ফোটোগ্রাফ দেখে। সুধাময়ীর একমাত্র ছবি, যা সে সাধ করে তার সেই প্রিয় কাকিমার সঙ্গেই তুলিয়েছিল।

    (শেষ)
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৬:৩৬498063
  • সংশোধনী: রত্নময়ী চুল বেঁধে দিচ্ছিল বড়দিদির। মেজ বোন সে নিজে।
  • sinfaut | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৬:৫৪498065
  • কে যে কার মামশ্বশুর সেই বুঝতে গিয়েই পুরো ঘেঁটে গেলুম। ভূতের গল্প আর কী বুঝবো? শুধু এইটুকু বুঝতে পেরেছি, একটা বাচ্চা মারা গেছিল, পরে আরেকটা বাচ্চা পুড়ে গেছিল।
    আসলে আমার এই কাকিমার স্বামীর বোন, দিদিমার ছোটবোনের স্বামী এইসব বুঝতে এট্টু অসুবিধা হয়।
  • s | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:০০498066
  • চমৎকার লাগল। সত্যাসত্যের তর্কের মধ্যে না গিয়ে বলতে পারি যে গপ্প হিসেবেও ভারী ভাল লাগল। কিচ্ছু বুঝতে অসুবিধা হল না।
  • san | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:০২498067
  • খুন, গয়না, আলতাপরা পা।বা:।

    সিফো : এসব না বোঝার কি আছে হে? পরিষ্কার বাংলা শব্দ। সোজা সোজা সম্পর্ক। সেজনন্দাইয়ের বোনের বকুলফুলের বোনঝিজামাই তো আর বলে নি !
  • s | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:১৭498068
  • পরের গপ্পোটা? দুইখান গল্প বলার ছিল যে?
  • siki | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:২২498069
  • সিফোঁ বোধ হয় নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিতে বড় হয়েছে।

    খুব খুব সুন্দর লাগল ... গল্প বা কাহিনি যাইই হোক। একেবারে তিনকন্যের সমাপ্তি মনে পড়ে গেল।
  • Blank | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:২৫498070
  • বেশ ভাল গপ্প
  • sinfaut | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:৩১498071
  • ঠিক নিউক্লিয়ার না। আইল্যান্ড। ;-)
  • arjo | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:২৯498072
  • র এর একটা গপ্পো পড়ে ভ্যাক ভ্যাকিয়ে হাসি বেরিয়ে এল।
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:৩৫498073
  • পরের গল্পটা বলছি, হাতে আরেকটু সময় পেলেই। :)

    ব্যাক্তিগতভাবে প্রথম গল্পটা আমার কাছে যতটা না ভূতের গল্প (এবং সে কারণেই প্রতিশোধের গল্প), তার চেয়ে অনেক বেশী মানুষের ক্ষণিকের আশ্চর্য লোভ ও বিশ্বাসঘাতকতার গল্প।

    তবে গল্পটা পুরনো; ঠিক যেভাবে শুনেছি, প্রায় পুরোপুরি সেভাবেই তুলে দিতে চেষ্টা করলাম এখানে। যে যার যে হয়, যে যাকে যা বলে ডাকতো- একদম সেভাবে। সেই কারণেই দু একটি জায়গা সহজতর করে লেখবার উপায় খুঁজে পাইনি। একদম নিজের লেখা গপ্প হলে, এই স্বাধীনতাটুকু আদায় করে নেওয়া যেত।
  • Blank | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:৪০498074
  • বেশ ভালই হয়েছে গল্পটা। চালিয়ে যান
  • sayan | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:৪১498076
  • লেখা খুব ভালো হয়েছে। বিশেষ করে ঐ চিৎকারের জায়গাটা ... ওরে বাবা ওই দ্যাখ ভূত!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন