এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আজাদ কাশ্মীর : আপনার কী মত

    pi
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ২৩৭৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১২460270
  • আকাদা, 'উন্নতি' কী দিয়ে মাপছো ? হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইন্ডেক্স বা নতুন যে একটা মাল্টিপম সূচক বেরিয়েছে, তাই দিয়ে কি ? তাহলে কিন্তু ভারত, পাকিস্তানের খুব তফাত কিছু নেই। আর অনেক পুঁচকে পুঁচকে দেশ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম ভূটান, এরা ভারতের থেকে অনেক এগিয়ে।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১৫460281
  • ১। ভারত আর পাকিস্তানের তো মোটামুটি একই রকম "উন্নতি'। মেটেরিয়াল এবং টাকার রেসপেক্টে। উনিশ-বিশ তফাত আছে। তার মানে অবশ্য এই নয়, যে, ভারত-পাকিস্তানের ইতিহাস-ভূগোল সবই মোটামুটি এক। অনেকগুলো মেজর তফাতের মধ্যে একটা হল, ভারতের বড়দা ছিল রাশিয়া, পাকিস্তানের আমেরিকা। কিন্তু এই প্রসঙ্গটা এল কেন?

    ২।
    ক। ওভারহোয়েলমিং মেজরিটি তো বোধহয় ভোট নিয়েই জানা যাবে।
    খ। কোথাও থামবনা। থিয়োরিটিকালি। কেন থামব? লোকে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়েই কোথায় থামতে হবে টের পাবে। আগে থেকে সেটা ডিফাইন করার দরকার নেই।
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:১৮460292
  • নীতিগতভাবে খণ্ডীকরণের যুক্তি না মানলে অখণ্ডীকরণের যুক্তি মানতে হয়। তাহলে সেটার ই বা লিমিট কী ? মানে, গোটা পৃথিবীটাই একটা প্রকাণ্ড অখণ্ড দেশ হবে ?
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:২৩460303
  • মানে, খণ্ডীকরণের হাইপোথেটিকাল এক্সটেনশনে তুমি শ্যামনগর পৌঁছাতে পারলে অখণ্ডীকরণের হাইপোথেটিকাল এক্সটেনশনে সারা পৃথিবী ই জুড়ে ফেলা যায়।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৩০460314
  • ভারতবর্ষ এমন একটা দেশ, যার জন্ম হয়েছে, স্রেফ কিছু নেতার ব্যক্তিগত ক্ষমতার লালসাকে পরিপূর্ণতা দেবার জন্য। নেহেরু-জিন্না দুজনকেই রাষ্ট্রপ্রধান হতে হবে, তাই দুটো আলাদা দেশ। তার ফলশ্রুতিতে রক্তগঙ্গা, দাঙ্গা, উদ্বাস্তুর স্রোত, হিন্দি-উর্দুর একাধিপত্য, পূর্ব ভারতের উচ্ছন্নে যাওয়া, এবং ষাট বছর ধরে কোটি-কোটি-কোটি টাকা খরচা করে যুদ্ধু যুদ্ধু খেলে যাওয়া। এর চেয়ে শান্তিতে আলাদা হাঁড়ি বানিয়ে থাকা বেটার নয় কি? এবং, আজকের এই মায়াবতী-মমতা থেকে কিষেণজি-পরেশ বরুয়া ঐ নেহেরু-জিন্নার থেকে কয়েকগুণ বেটার চয়েস নয় কি?

    পু: ভারত নাকি সুপার পাওয়ার। আমি তো চাদ্দিকে তাকিয়ে তেমন কিছু টের পাইনা। :)
  • tatin | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫৭460317
  • আকাদা, যদ্দিন শিল্প টাকা ঢালা এসব ছিল না, মানুষ কি বেঁচে থাকছিল না? চাকরি তো কালকের কনসেপ্ট, তার আগে এবং পরেও লোকে ঠিক নিজের মতন করে বেঁচেবর্তে থাকার ব্যবস্থা করে নিত. আর, শ্রাবনী যা বললেন "কাশ্মীরের সাধারণ লোকের ভালো না থাকা থেকেই যত সমস্যা। তারা যদি ভালো থাকত মানে সহজে বেঁচে থাকার জন্য মোটামুটি যা দরকার সেটাও যদি তারা প্রথম থেকে ঠিকঠাক পেয়ে যেত, তাহলে শত রাজনৈতিক উস্কানিতে বা পাকিস্তানী ষড়যন্ত্রেও এত বড় আন্দোলন, ভারতের প্রতি তাদের এত বিদ্বেষ দানা বেঁধে উঠতে পারতনা।"- মানুষ শুধু সহজে বেঁচে থাকা নিয়েই ভাবিত নয়. আইদেনতিটি, ধর্ম, ভাষা, মর্যাদাবোধ এগুলূ তার বেঁচে থাকার একটা উপাদান- আমরা সেটাকে পাত্তা না দিলেও সে segulokeniyekombhabitobaactivehobeerokomnoy
  • M | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০১:০০460318
  • ক্ষণ্ডীকরন টা দেশ থেকে রাজ্য তপ্পয়ে ব্লক এভাবে না ভেবে সিধা এক্কেরে পাড়া লেভেল এ আনা যাক না। ক্ষাতি কি পুরোটাই তো থিওরিটিকাল। পাড়ার কিছু অকালপক্ক ছোকরা ঠিক করল এ পোড়া দেশে থেকে খুব একটা লাভ নাই। তার চেয়ে নতুন একটা দেশ বানিয়ে ফেলা যাক। ভিসা পাসপোর্ট এর ঝামেলা ছারা ই বিদেশ ভ্রমন হয়ে যাবে আবার সাথে ফোকোটে একটু টাইম পাস ও হবে। ধরে নেওয়া যাক পাড়ার ওভারহোয়েলমিং মেজরিটি ও অকালপক্ক দের দলে। আলাদা হতে চাওয়ার কারন হিসাবে দেখান যেতে পারে নর্দমায় জল জমা, রাস্তায় যানজট ইত্যাদি।

    Extrapolation টা কি বারাবারি হয়ে যাচ্ছে?
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০১:৩২460319
  • মিটিংয়ে মিছিলে জেরবার হয়ে গেলুম। রাতে দেখা যাবেখন।
  • tatin | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:১২460320
  • bump
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪০460322
  • তাতিন, থাকবে না কেন? গুহামানবদের গড় আয়ু ছিল বিশ বছর। আজ থেকে একশ বছর আগেও লোকে বসন্তে মারা যেত। পঞ্চাশ বছর আগে টিবিতে মারা যেত। পনের বছর আগে ক্যান্সার হওয়া মানেই মৃত্যুকে চুমু খাওয়া যেত। বাই দা ওয়ে শিল্পই 'উন্নতি'র সোপান একথা শুধু দুষ্টু ক্যাপিটালিস্টরা বলে না, মার্ক্ষ সাহেবও বলেছিলেন। একপক্ষ বলে যাদের কাছে টাকা আছে তারাই শিল্প টিল্প করবে অন্যপক্ষ বলে ওসব থাক সবকিছুই সরকারী হস্তক্ষেপে হবে।

    মোদ্দা বক্তব্য আজ অবধি 'উন্নতি' বলতে আজ অবধি যা হয়েছে তাহল প্রকৃতির সাথে পাঙ্গা নিয়ে নিজেদের বিলাস বাড়ানো। সেটা অপ্রয়োজনীয় বললে আফ্রিকান সাফারিতে সিংহের সাথে লড়াই করতে হয়, বাঙালী হাড়ে সইবে না।

    হ্যাঁ এটা ঠিক কাশ্মীরের লোকেদের কখনোই ভারতীয় বলে ভাবানো যায় নি। মূলত তারজন্য দরকার সরকারী হস্তক্ষেপে ভালো কাজকম্ম, তারজন্য দরকার টাকার আর এফিশিয়েন্ট স্টেট গভর্নমেন্ট। সেটার দাবী অনেক যুক্তিসঙ্গত।

    পাই, 'উন্নতি' মাপার কোন একটি বিশেষ ইন্ডেক্স থাকলে খুব সুবিধা হত, কিন্তু নেই। ধরা যাক এইচডিআই। কি মাপে না লাইফ এক্সপেকটেন্সি, লিটারেসি, স্ট্যান্ডার্ড অফ লিভিং। এই গোটা কতক মাপ দিয়ে বোঝা হয়ে গেল। আজ বাড়িতে ডাকাত পড়লে পুলিশ ডাকলে আসবে কিনা, দেশের এক তৃতীয়াংশ র‌্যাডিকাল লেফটিস্টরা দখল করে আছে কিনা, দেশের ক্ষমতা আসলে মিলিটারিদের হাতে কিনা, জুডিশিয়ারি সিস্টেম কেমন, করাপশন কেমন এসব জানতে হবে। তো এসব জানা খুব সহজ নয়, মূলত সাবজেক্টিভ স্টাডি। একটা দেশের ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্ট থেকে অনেকটা বোঝা যায়। কোন পুঁজিবাদী কোন একটি দেশে ইনভেস্ট তখনই করে যখন এইসব স্টাডি করে ঠিকঠাক বোঝে, নইলে লোকসান হবে, বুঝেশুনে ঘাটা খেতে কেউই চায় না। সেটা দেখার একটা উপায়। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা বা বাংলাদেশের সাথে এই মুহূর্তে তুলনার কোন মানেই নেই।

    ঈশান, সবাই নিজের মতন ভেবে নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝে ঠিক করে নেবে, এমনটা হলে যা হয় তা হল অ্যানার্কি, ক®¾ট্রালড নয় একেবারে আনক®¾ট্রালড। সেটা যাতে না হয়, তারই জন্য আইন, পুলুশ ইত্যাদি ইত্যাদি। ক®¾ট্রালড অ্যানার্কির একটাই মাধ্যম গণতন্ত্র, ফ্রিডম অফ স্পীচ ইত্যাদি, কি আর বলি এসব তো ভালই জান।

    যে ভোটের কথা বললে সেই ভোট তো নেই, তাহলে বোঝা গেল কিকরে কাশ্মীর বা গোর্খাল্যান্ডের অধিকাংশ লোক ভারত থেকে বিচ্ছিন হতে চায়? পার্সেপ্সন?
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪২460323
  • আর ঈশান ভুলে গেছে, সেক্টর ফাইভকে যেমন দেখে এসেছিল আর যেমন দেখছে তা কি এক?

    রাজারহাটের ঐ যে কি একটা রাস্তা সেটা কি ১৯৯৮-১৯৯৯ সনে ছিল?

    এরকম বহু উদাহরণ আছে।
  • dig | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১০:৪৮460324
  • কল্লোল্ল - ভারত থেকে কাঁচামাল নিয়ে গিয়ে ব্রিটেন বড়লোক হয়ে গেল একশো বছরে আর গত ষাট বছর ধরে সেই একই কাঁচামালের ওপর বসে থেকে আমরা কি করলাম? (সিঙ্গাপুর কেন এক দলে পড়ছে জানি না)

    ঈশান - এবার সিঙ্গাপুর। এদেশের লোকে আদপেই মালয়েশিয়ার অংশ হিসাবেই থাকতে চেয়েছিল, কিন্তু মালয়েশিয়া তাদের বের করে দিয়েছিল। তবে সিঙ্গাপুরের ভূগোলের মত তারা আরেকটা বিষয়ে সাহস দেখিয়েছিল - এশিয়ায় সব দেশ যখন কলোনিয়াল জুজুরোগে আক্রান্ত, তারা তখন বাজার খুলে মুক্ত-বাণিজ্য আর বিদেশী বিনিয়োগকে সুযোগ দিয়েছিল।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:১১460325
  • আজ্জোকে। ছোট্টো করে।

    প্রথমে গণভোট। "কাশ্মীরি রা ভারত থেকে আলাদা হতে চায়' -- এটা স্রেফ পারসেপশান। সেই পারসেপশনের গ্রাউন্ড আছে। কিন্তু পারসেপশনই। সেই পারসেপশনের উপর দাঁড়িয়ে কিন্তু কোনো মহল থেকেই কাশ্মীরকে আলাদা করে দিতে হবে এরকম দাবী করা হচ্ছেনা। দাবীটা মূলত গণভোটের। যা থেকে বোঝা যায় কাশ্মীরিরা কি চাইছে। আলাদা হতে চাইলে হতে দেওয়া হোক। কিন্তু সেটা গণভোটের পরে। আগে না।

    দুই নং কথা। অ্যানার্কিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আইন পুলিশ ইত্যাদি। এটা এক্কেবারেই ঠিক না। অ্যানার্কিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রাথমিক শর্ত হল জনামাজ এবং রাষ্ট্রের মধ্যে একটা অলিখিত চুক্তি। আন্ডারস্ট্যান্ডিং। সেটা না থাকলে পুলিশ-আইন-রাষ্ট্র, কেউই অ্যানার্কি থেকে রক্ষা করতে পারেনা। ছোটো-ছোটো থেকে বড়ো বড়ো উদাহরণ আছে এর। ছোটো উদাহরণ হল, আমেরিকায় পুলিশ হাজার চেষ্টা করেও স্পিড লিমিট এনফোর্স করতে পারেনি। বড়ো উদাহরণ হল, গোটা আফগানিস্তানকে সেনা দিয়ে মুড়ে দিয়েও "শৃঙ্খলা' আনা যায়নি।

    অন্যদিকে, পুলিশ না থাকলেও অ্যানার্কি থাকেনা, যদি জনসমাজে একটা বোঝাপড়া থাকে। প্রকৃষ্ট উদাহরণ কলকাতা শহরতলীর লোকাল ট্রেন। ঐ ভিড় এবং অব্যবস্থার মধ্যেও লোকে একটা ন্যূনতম শৃঙ্খলা বজায় রাখে বলেই যাতায়াত করা সম্ভব হয়। নইলে হতনা। একই উদাহরণ ভারতের ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়েও দেওয়া যায়। গ্রামীণ পঞ্চায়েত নিয়েও দেওয়া যায়। এর কোনোটাই খুব "আদর্শ' ব্যবস্থা তা নয়, বরং অনেক ক্ষেত্রেই "আদর্শ' থেকে অনেক দূরে। কিন্তু রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অভাবে জনসমাজে যে অ্যানার্কি দেখা দেয়নি, তাঅই উদাহরণ হিসেবে এগুলো বললাম। সঙ্গে এইটাও বলি, যে, লোককে অপরিণত বোধবুদ্ধিহীন ভাবার কোনো কারণ নেই। অন্তত নেহেরু-জিন্নার মতো জাতির পিতাদের থেকে আমজনতা অনেক বেশি পরিণত।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১১:১৭460326
  • আর সেক্টর ফাইভ। হ্যাঁ অনেক উঁচু-উঁচু বাড়ি হয়েছে বটে। কিছু লোকে করে-কম্মে খাচ্ছে। তেমনই অনেক লোক দন্ডকারণ্যে আধপেটা খেয়ে আছে। কলোনিপাড়ার বস্তিতে দিন-গুজরান করছে। এরকম নানাপ্রকার ঘাঁটা ব্যাপার। "উন্নতি' না "অবনতি' মাপব কি করে? ইন্ডেক্সটা কি?
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১২:০৭460327
  • দিগন্ত। ধরে নিলাম বের করেই দেওয়া হয়েছিল। তাতে কি হল? আমার মূল পয়েন্টটাই আপনারা কাউন্টার করছেন না। বিচ্ছিন্ন হয়ে খুদে একটা রাষ্ট্র হলেই কি "প্রান্তিক', "অনুন্নত' হতে হবে? বাই ডেফিনিশন? আমি বলছি "না'। উদাহরণ: সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান। এটার কি কোনো কাউন্টার আছে?
  • Arpan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৩:৩৩460328
  • মোদ্দা কথা কাশ্মীর প্রথম থেকেই বিতর্কিত বিষয়। ভারতে অন্তর্ভুক্তির সময় থেকেই। যে কারণে রাষ্ট্রসঙ্ঘে গণভোটের প্রতিশ্রুতি দেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। সেইটাকে পরে দিল্লির শাসকেরা পাখিপড়ার মত করে পড়িয়ে আমাদের ভুলিয়েই দিয়েছেন। আর ভ্যালিতে সেনা মোতায়েন করে রেখে কাশ্মীরবাসীদের পরের পর প্রজন্মকে ভারতবিদ্বেষী করে তুলেছেন।

    বলার বিষয় এইটাই, কাশ্মীরের সমস্যা মৌলিক এবং তা শুরু থেকেই ছিল। লক্ষ্যণীয় যে, একই জিনিস কিন্তু হায়দ্রাবাদ, জুনাগড়, গোয়া বা সিকিমের সাথেও হতে পারত। কিন্তু তা তো হয়নি। ডিভোর্সের সুযোগ থাকলেই কি সবাই ডিভোর্স করতে দৌড়য়?
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:০২460329
  • ঈশান, লোকাল ট্রেনে যাতায়াত আর আইন ইত্যাদির মধ্যে অনেক পার্থক্য। দুই এনটিটির মধ্যে কনফ্লিক্টকে র‌্যাশনাল ফর্ম দিতেই আইন ইত্যাদি। নইলে কিছু লোক যদি অভিজ্ঞতা দিয়ে বোঝে ডাকাতি করে খাওয়াটাই সবথেকে অপ্টিমাল কাজ তাহলে ব্যপারটা খুব ভালো হবে না। গণতন্ত্রে প্রচূর ফাঁকফোকড় আছে, কিন্তু এখনো অবধি এর থেকে ভালো কিছু সিস্টেম নেই।

    আর ছেড়ে দিলে লোকজন সিদ্ধান্ত নিতে পারে এটাও এক্সাজারেটেড। এই তো আম্রিগায় হাউসিং বাবল ফাটল, বহুলোকে ২ বা ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়ে বাড়ি কিনেছে কিন্তু মাইনে ছিল ৭০ কে। এরকম উদাহরণও কিছু কম নেই।

    আর কাশ্মীর নিয়ে এতক্ষন কথাবার্তা গণভোটের দাবী? ও, তাহলে কিছু বলার নেই। হোক গণভোট। কিন্তু তারও আগে সরকারী হস্তক্ষেপে কাশ্মীরের উন্নতি হোক। মনে রাখবেন তাতে কিন্তু সাধারণ লোকের ট্যাক্সো বাড়বে।
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ১৮:১০460330
  • আর 'উন্নতি' প্রসঙ্গে - উন্নতি কন্টিনিউয়াস প্রসেস, একদিনে হয় না। জিডিপি বাড়লেই যেমন 'উন্নতি' হয় না, তেমনি জিডিপি না বাড়লে একেবারে কোন চান্সই নেই। জিডিপি বাড়ছে, ফরেন ইনভেস্টমেন্ট আসছে এসব ভালো কথা। তারমানে এই নয় যে পৃথিবীর সমস্ত দু:খ দুর হয়ে গেল। কিন্তু এগুলো না হলে যে হবার কোন চান্সই ছিল না। ফাঁকা গ্লাসে জল ভরা শুরু হওয়ার ঠিক পরে পরেই বেশির ভাগ অংশ খালি থাকে আবার খানিকটা ভর্তিও থাকে। এখানে কতটা খালি কতটা ভর্তি তার থেকেও বড় কথা গ্লাসে জল ভরা হচ্ছে কিনা। অ্যানালজি। :))
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:২৬460331
  • আকার কথা দুটো পরস্পর বিরোধী। লোকের হাতে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা তুলে দিতে আপত্তি। অন্যদিকে গণতন্ত্রের জয়গান। এর মধ্যে কোনটা নেব?

    যদি গণতন্ত্রকে রাজার পার্ট দিই, তাহলে লোকের হাতেই সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা দিতে হবে। লোকের হাতে সিদ্ধান্ত নেবার ভার ছেড়ে দিলেই সেটা "ভালো' হবে তা নয়। হতেও পারে বা নাও পারে। সেই রিস্ক নিতেই হবে। নইলে আর গণতন্ত্র এখনও পর্যন্ত দেখা বেস্ট সিস্টেম হল কিকরে?

    বস্তুত লোকের হাতে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা তুলে না দিয়ে কি হয়, সেটা আমরা দেখেছি। আমি আরও একবার ভারত রাষ্ট্রের জন্মমুহূর্তের দিকে তাকাতে বলব। কতিপয় ক্ষমতালোভী নেতা "র‌্যাশনাল' বুদ্ধি লড়িয়ে দেশ ভেঙে ভাগ করলেন। সেই নিয়ে কবি লিখলেন তেলের শিশি ভাঙার অ্যানালজির কথা। গুচ্ছ লোক প্রাণ দিল। অনেক জাতি/জনগোষ্ঠীর মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হল (বাঙালিরা তার মধ্যে অন্যতম)। তারপর ষাট বছর ধরে যুদ্দু যুদ্দু খেলা জিইয়ে রাখা হল।

    এসব দেখে-শুনে আমরা "র‌্যাশানাল' লোকেরা কি শিখলাম? না নেহেরু-জিন্না-মাউন্টব্যাটেনের ম্যাপের উপর আঁকা চাট্টি অর্থহীন লাইন হল অজর অমর অক্ষয়। বিধাদাপ্রদত্ত। ওর একটু এদিক ওদিক হলে বিপর্যয় নেমে আসবে। দেশের অখন্ডতাকে চোখের মনির মতো রক্ষা করতে হবে। এমনকি, জাতির আধুনিক পিতারা জনক এসব নিয়ে লেকচার ঝাড়েন, তখন সামান্য "র‌্যাশানাল' একটা কথাও আমরা জিজ্ঞেস করতে ভুলে যাই। যে, দাদারা, অখন্ডতা নিয়ে এত তো বুলে ঝাড়ছেন, ১৯৪৭ সালে এই র‌্যাশানালিটি কোথায় ছিল? কোন সিন্দুকে ভরা?

    এর চেয়ে লোককে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে দিলে কি হয়? কি হত? যে বাঙালি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে রাখি বেঁধেছিল, তারা বাংলা ভাগের পক্ষে রায় দিত? যে পাঞ্জাবে জালিয়ানোয়ালাবাগ ঘটেছে, তারা লাহোর আর অমৃতসরকে আলাদা করে দিতে রাজি হত? কিন্তু আমরা লোকের হাতে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ছাড়িনি। নেহেরুর হাতে ছেড়েছি। সেটাকে "র‌্যাশনাল' ভেবেছি। আর আজও সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা ছাড়ছি চিদাম্বরম প্রণব মুখুজ্জের হাতে। সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলিতেছে। :)

    (শেষ হয়নি, বাকি পরে লিখছি)।
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৩৯460334
  • ছোট্ট কথা

    গণতন্ত্র বলতে আমি পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি বুঝিয়েছি মাওবাদীদের ডেমোক্রেসি নয়। এক্সপ্লিসটলি বলতে হবে বুই নাই। এখন বুয়ে কয়ে দিলাম।

    বাকিটা শেষের পরে।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৩৯460333
  • আর আরও একটা পপুলার কথা প্রায়ই শোনা যায়। "এই সমস্যা আসলে অনুন্নয়নের সমস্যা।' কাশ্মীর হোক, মনিপুর হোক, মাওবাদী সমস্যা হোক, সর্বত্র, এই একই কথা শোনা যায়। যেটা আকাও বলেছে। এবং সরকারি খচ্চায় উন্নয়নের কথা বলেছে। যাতে পাবলিকের ট্যাক্সো বাড়বে।

    প্রথমত: আমি ব্যক্তি হিসেবে এরকম কোনো স্টেপ নেওয়া হলে তার বিরোধিতা করব। কাশ্মীরের স্রেফ কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য আমি ট্যাক্সো কেন দেব? আমার নিজের এলাকায় উন্নয়নের প্রয়োজন কি কিছু কম পড়িয়াছে?

    দ্বিতীয়ত: এতো খচ্চা করে একটা ভুখন্ডকে দেশের মধ্যে ধরে রাখার মানে টা কি? এটাও আমি জানতে চাইব। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগে একটা কথা প্রায়ই শোনা যেত, "হোয়াইট মেনস বার্ডেন'। এখন সেটা আউট অফ ফ্যাশান। কিন্তু সেন্সটা এখানে প্রায় তাইই। অ্যাজ ইফ একটা লায়াবিলিটিকে ধরে রাখা হচ্ছে, স্রেফ মানব হিতৈষণার স্বার্থে। এই বার্ডেন নেবার তো কোনো দরকার নেই। ছেড়ে দিন।

    তৃতীয়ত: যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যে, সমস্যাটাকে রিডিউস করে স্রেফ অনুন্নয়নের সমস্যা হিসেবে দেখানোটা আসলে আই ওয়াশ। ওভাবে পৃথিবীর সব বিক্ষোভকে ব্যাখ্যা করা যায়না। ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী বিক্ষোভ অনুন্নয়নের সমস্যা ছিলনা। ওটা রাজনৈতিক তাবী ছিল। কাশ্মীরের সমস্যাও স্রেফ অনুন্নয়নের সমস্যা নয়। রাজনৈতিক দাবী। সেই মর্যাদাটুকু কাশ্মীরিদের দেওয়া উচিত। সংশ্লিশ্‌ট সমস্ত পক্ষেরই।
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৪৪460335
  • আম্মো তো পার্লামেন্টারি ধরনের গণতন্ত্র ভেবেই লিখলাম। মাওবাদীরা পিকচারে আসছে কোদ্দিয়ে?
  • pi | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৫০460337
  • আকাদা,তাহলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেতে পাওয়া না পাওয়া এসব ঊচক ছেড়ে ও ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট দিয়ে 'উন্নতি' মাপতে হবে ? ওরা ঠিক কী কী প্যারামিটার দিয়ে মাপে, আর মেপে কী পাওয়া গেছে, সে রিপোর্ট আছে নিশ্চয়, আর সেটা দেখেই বলছো আশা করি। সেটা পাওয়া যাবে? আচ্ছা, দেশের বিলিয়নয়ের দিয়ে মাপলেও হয় না? ঐ হিসেবে তো আমরা একেবারে প্রথম সারিতে।
  • tatin | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২১:৫০460336
  • তাতিন, থাকবে না কেন? গুহামানবদের গড় আয়ু ছিল বিশ বছর। আজ থেকে একশ বছর আগেও লোকে বসন্তে মারা যেত। পঞ্চাশ বছর আগে টিবিতে মারা যেত। পনের বছর আগে ক্যান্সার হওয়া মানেই মৃত্যুকে চুমু খাওয়া যেত। বাই দা ওয়ে শিল্পই 'উন্নতি'র সোপান একথা শুধু দুষ্টু ক্যাপিটালিস্টরা বলে না, মার্ক্ষ সাহেবও বলেছিলেন। একপক্ষ বলে যাদের কাছে টাকা আছে তারাই শিল্প টিল্প করবে অন্যপক্ষ বলে ওসব থাক সবকিছুই সরকারী হস্তক্ষেপে হবে।

    হাতে একদম সময় নেই- ভুলভাল লিখে ফেলতে পারি, যাই হোক আপনি শিল্পযুগের মূল অপরিহার্যতাটা বলছেন চিকিত্‌সা ও লংজিভিটি - সেটাকেও কি অস্বীকার কেউ করতে পারেনা- শিল্পের বাই প্রডাক্ট হিসেবে আর জেগুলো এসেছে তাতে তো মানব সভ্যতা উঠে যাবারই উপক্রম হয়েছে- গুহামানবদের আয়ু কুড়ি বছর ছিল, কিন্তু, তাদের প্রজন্ম লক্ষ বছর টিকে গ্যাছে- আর, শিল্পবিপ্লব পরবর্তী ইউরোপ কতগুলো জাতিকে জাস্ট পৃথিবী থেকেই মুছে দিয়েছে দেখুন-
    এনি ওয়ে, আমার কথাটা হচ্ছে মার্কস বলে গ্যাছেন বলে আমাকে এটাই আমার ভবিতব্য বানাতে হবে এমনটাই বা কেন? পেরুর আদিবাসীদের মতন জোদি কেউ বা কোনো গোষ্ঠী সো কলড উন্নয়নের বাইরে বাঁচতে চায় সেটাকে আমি অস্বীকার করার কে? তেমনিই কাশ্মিরিরা জোদি গ্রোথ, উন্নয়ন ইত্যাদির থেকে আত্মনিযন্ত্রন আত্মমর্যাদাকে বেশি দরকারী মনে করে সেটা আটকানোর ও আমি কেউ নই-
    এমনিতে উন্নয়ন দিয়ে লংজিভিটি বাড়ানোর জন্যে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ রাখার খেলা তো আজকের কাশমিরী দের মৃত্যুপরোয়ানাই হয়ে দাঁড়াচ্ছে
  • aka | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:৩২460338
  • ঈশান, বললে না যে গণতন্ত্র এবং মানুষের সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা পরস্পর বিরোধী, সেটা একেবারেই নয়। পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র মানুষকে সব সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা দেয় না। ভোটের ক্ষমতা দেয়। হ্যাঁ ভাত খাব না চাউমিন সে ক্ষমতা অবশ্যই দেয়।

    পাই, নি-জার্ক রিঅ্যাকশন। কোক ভারতে ইনভেস্ট করলে কোকের লাভ হয় অবশ্যই তার সাথে ভারতেও প্রচূর টাকা অনেক লোকের হাতে যায়, যেমন পাড়ায় পানের দোকানে এক্সট্রা বিক্রি ইত্যাদি ইত্যাদি। চাকরি বা আয়ের সংস্থান এইভাবেই হয়। এবারে কোক কখনই এমন দেশে খুব বেশি ইনভেস্ট করবে না যেখানে ১০ টাকা দিয়ে কোক কিনে খাবার ক্ষমতা খুব বেশি নেই। বা পানের দোকানে পৌঁছনর মতন রাস্তা নেই, বা সেই টাকা তুলে নিয়ে আসার মতন আইনি সুব্যবস্থা নেই ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

    বাকি কথা পরে, ওদিকে মাছ পুড়ে গেল।
  • lcm | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২২:৪৭460339
  • ধুর, ভেঙ্গে টুকরো হতে হতে কি হয়, সে তো অনেক দিন ধরেই সবাই দেখছে। কিন্তু জুড়ে গেলে কি হয়? পূ:+প: জার্মানি, হংকং+চায়না.....
    সব জুড়ে যাক।
    ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, ভূটান.....
    প্যালেস্তাইন, ইস্রায়েল, ইরান, ইরাক, টার্কি....
    রাশিয়া, কাজাকাস্তান...

    সব জুড়ে যাক, সব সংঘাত প্রতিঘাত জুড়িয়ে যাক।

    আর, গায়ক তো বলেই গেছেন
    ... imagine there is no countries.....
  • Ishan | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১০ ২৩:০৪460340
  • পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র কোনো একটি মানুষকে সব সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা দেয়না। কিন্তু জনতাকে দেয়। চাউমিন খাবো, না ঝালমুড়ি, ডাঁয়ে যাবো না বাঁয়ে, সবই তো জনতা নির্ধারণ করে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বেসিক ফান্ডাটাই হল মানুষের দ্বারা, মানুষের জন্য, ইত্যাদি...

    এই ফান্ডার অবশ্যই ডেভিয়েশন আছে। কিন্তু ফান্ডাটার জন্যই তো গণতন্ত্র গণতন্ত্র। আর ডিভিয়েশন গুলো ডিভিয়েশন।
  • kallol | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৩৩460341
  • শুধু ভারত থেকে নয়। সারা দুনিয়ার সব উপনিবেশ থেকে অসম্ভব সস্তায় কাঁচামাল তুলে তাকে বিক্রিযোগ্য পণ্যে রূপান্তর ঘটিয়ে সেই কলোনীতেই বিনা প্রতিযোগীতায় তা বিক্রি করে বৃটেন ও অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদী ইউরোপীয় দেশ ও জাতিগুলির সমৃদ্ধি। এটা এখনো লোককে বোঝাতে হচ্ছে, সেটাই পৃথিবীর শেষতম আশ্চর্য্য।
    ভারত ষাঠ বছরে পারেনি, কারন প্রথম ২০ বছর তাকে ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য, আমেরিকা ও রাশিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছেলো। তারপর যখন নিজের পায়ে কিছুটা দাঁড়ানোর মতো হলো, তখন তো বিশ্বায়ন এসে গেছে। ফলে আবার, অন্যদের কাঁধে ভর।
    কিন্তু, তার সাথে আলাদা হওয়ার আন্দোলনকে গুলিয়ে দিলে ভুল হবে। বিষয়টা শুধু উন্নয়নের সমস্যা নয়। বিষয়টা, সম্মানের, নিজস্ব পরিচিতির। কেউ মনে করছে তারা ভারতীয় নয়। তো তাকে খামোখা একগাদা পয়সা। শক্তি বাজে খরচ করে, "তুমি ভারতীয়" এটা বোঝানোর কোন প্রযোজন নাই।
    আর আবারও বলছি কে কতোটা আলাদা হবে, তা নির্ভর করে কেন আলাদা হতে চাইছে তার উপর। তঙ্কÄগতভাবে ধরে নেওয়া যেতেই পারে যে জল জমার জন্য একটা পাড়া আলাদা হতে চাইছে। কিন্তু আলাদা হলে কিভাবে সমস্যাটার সমাধান হবে সেটার কোন দিশা নেই।
    ব্যাপারটা শুধু অর্থনৈতিক বা ভালো শাসনের নয়। সম্মানের প্রশ্ন, পরিচিতির প্রশ্ন অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। প্রমান বাংলাদেশ।
    কোই বাংলাদেশ আলাদা হবার পর, জেলাগুলো, শহরগুলো, গ্রামগুলো, পাড়াগুলো তো আলাদা হতে চাইলো না!!! তার মানে কি বাংলাদেশের সব অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে?
    বাংলাদেশে অর্থনৈতিক লড়াইগুলোর পাশাপাশি, জাতিসত্তার লড়াইও চলছে। তারা আলাদা হতে চাইছে। অন্যরা তো চাইছে না। ফুলবাড়ীর কয়লাখনির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা তো আলাদা হতে চাইছে না।
    তঙ্কÄ ভালো, কিন্তু তাঙ্কিÄক ইলাস্টিকরন বেশ বালখিল্য মতন।
  • dd | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০০:৫০460342
  • ঈস, অধ্যাপক বৈজয়ন্তো চক্কোত্তি ..... তিনি ক্যানো যে ল্যাখেন্না। থাগলে,এই টইতে ল্যাখলে, যথাযথ উত্তোর মিলতো

    তাঁহার ক্ষী হইলো অন্তরের ব্যাথা? ক্ষে জানে ?
  • ranjan roy | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০১:২৫460344
  • আকা ও ঈশানের পোস্ট পড়ে আমার নী-জার্ক রিঅ্যাকশন:
    আসলে কেন্দ্রাতিগ ও কেন্দ্রাভিমুখী( শব্দ দুটো ঠিক লিখলাম তো? ভুল হলে কেউ শুধরে দেবেন প্লীজ!) দুটো প্রক্রিয়াই একসাথে কাজ করে।
    ফলে আলাদা হওয়া বা আবার জুড়ে যাওয়া দুটৈ সম্ভব, নির্ভর করছে কোন এক নির্দিষ্ট কালখন্ডে কোন এক জাতিসঙ্কÄ¡ কি ভাবছে বা কি অনুভব করছে তার ওপর।
    ডি: আমি কিন্তু এখানে রোজা লুক্সেম্বার্গ-লেনিন-স্তালিন-জেরজিনস্কি এসব বিতর্ক একেবারেই আনতে চাইছি না। একেবারে গোদা বাংলায় বলতে চাইছি যে সংযুক্ত পরিবারে যদি কোন ইউনিট ( নতুন বিয়ে করা ছেলে-বৌমা) যদি অনুভব করে যে ওরা আলাদা করে ঘর বাঁধলে বেশি ভাল করে খেয়ে-পরে থাকবে, অথবা আলাদা হলে বেশি সম্মান-পহচান-আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচবে তাহলে তারা আলাদা হবেই, কোন ভগা ঠেকাতে পারবে না।
    কর্তা আঘাত পাবেন। জুনিয়ররা বলবে -- দাদা( বা দিদি) শুধু নিজেরটাই ভাবলো, আমাদের কি হবে একবারও চিন্তা করলো না! কি স্বার্থপর!
    তেমনি আবার যখন মনে হবে -- না, একসঙ্গে থেকেই কিছু অসুবিধা সঙ্কেÄও বেশি ভাল ছিলাম, সুরক্ষিত ছিলাম।
    তাহলে আনার ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরবে।
    এর উদাহরণ দুপক্ষেই আছে। চারপাশের ব্যক্তিজীবনেও, রাষ্ট্রজীবনেও।
    একদিকে ইস্ট টিমর, আর একদিকে দুই জার্মানী।
    আসল কথা হচ্ছে ডিসিশনটা ওদেরই নিতে দিন না! কারণ তার ভালমন্দ আমাদের থেকে ওদেরই অনেক বেশি ভুগতে হবে। ওদের ( এবং আপনার ছেলেমেয়েদের ভুল করবার রাইট দিন না!)
    এটাই গণতন্ত্র।
    আর ভেঙ্গে যাবার ভয়? এর পিছনে লুকিয়ে আছে ইনসিকিউরিটির ভাবনা। এটা শুধু রাষ্ট্রের ব্যাপার নয়, ব্যক্তি ও সমষ্টিজীবনে গণতন্ত্রের প্রয়োগের সমস্যা।
    প্রথম যখন ডিভোর্সের আইন পাশ হল তখনও সবাই গেল-গেল রব তুলেছিলেন। পরিবার ভেঙ্গে যাবে, মেয়েরা কথায় কথায় ঘর ভাঙ্গবে। হাতের কাছে নেশ কিছু চটজলদি উদাহরণ ছিল। আজও আছে। কিন্তু আসলে কি দেখছি?
    রমাপদ চৌধুরির এক পূজো সংখ্যার উপন্যাসের ডায়লগ বলছি-- মেয়েটা ভিজে সাবানের মত, জোর করে ধরতে গেলেই পিছলে যাবে।
    ব্যাপারটা তাই-- জোর করে ধরে রাখতে গেলে আলাদা হবে, ছেলে-ছেলে বৌ, নিজের বৌ--সবার জন্যেই।
    গত প্রজন্মের কত মহিলাকে বলতে শুনেছি--- শুধু পেটের তাগিদে এর সঙ্গে পড়ে আছি, লেখাপড়া শিখিনি যে! কোথায় যাবো?
    এখন কোন নারী যদি জানে যে সে ইচ্ছে করলেই আলাদা হতে পারে, তখন শুধু ভালবাসার টানেই সে থাকবে। আর যে নারীর মনে আমার জন্যে জায়গা নেই, তার শরীরটাকে জবরদস্তি ধরে রেখে কি হবে? এই কথা সমস্ত জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রেও সমান ভাবে প্রযোজ্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন