এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৪০৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দেব | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২০:২৯616642
  • ১। গোর্খাল্যান্ডের পিছুপিছু কামতাপুর, বোড়োল্যান্ড বা আরো নতুন কিছুর দাবী উঠলে কি হবে?

    বেহালাল্যান্ড ছেড়ে দিলাম, ওটা তর্কের খাতিরে আসছে। যদি মূলত অর্থনৈতিক কারণে দাবী ওঠে সেটার সমাধান করা তুলনামূলক ভাবে সহজ। যেটা আগে লিখেছিলাম, অসাম্য দূর করুক সরকার (পশ্চিমবঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার যা অবস্থা, আলাদা হওয়ার দাবী উঠতেও পারে ভবিষ্যতে)। লক্ষ্য করুন, এখানে এবসোলিউট ইকোনমিক স্ট্যান্ডার্ডের কথা হচ্ছে না, হচ্ছে ইনইকুয়ালিটির, একই রাজ্যের দুটো আলাদা এলাকার মধ্যে। তেলেঙ্গানার পেছনে যেটা কাজ করল।

    এবার যদি একটা নির্দিষ্ট সময়, সেটা ১০ বা ২০ বছর হোক, তার মধ্যেও যদি অবস্থাটা না পাল্টায় দেন ইটস শুড বি ফেয়ার টু লেট দেম গো এন্ড হ্যাভ এ চান্স টু হ্যান্ডল দেয়ার ওন এফেয়ার্স। তেলেঙ্গানার ক্ষেত্রে ৫০ বছর টানাহ্যাঁচড়ার পরে সেটাই হল।

    যদি দাবীটা মূলত জাতিসত্ত্বা থেকে ওঠে সেক্ষেত্রে আটকানো প্রায় অসম্ভব। গোর্খাল্যান্ড এখনো হয়তো হয় নি, কিন্তু ডিজিএইচসি/জিটিএ দুটোতেই যথেষ্ট পরিমাণে ছাড় দিতে হয়েছে। দার্জিলিঙ্গে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এতে জড়িত। ভাষাগত ভাবে বাঙ্গলা থেকে ডিসটিঙ্কট। কালচারালি এবং হিস্টোরিক্যালিও তাই। দার্জিলিং অর্থনৈতিক ভাবে উন্নতি যতই করুক না, কলকাতায় বসা বাঙ্গালীর শাসনে না থাকার ইচ্ছাটা খুবই স্বাভাবিক। এটা একটা আত্মসন্মানের প্রশ্ন। সেটা বাঙ্গালী হয়ে আমাদের না বোঝার কারণ আছে বলে মনে হয় না। হয়তো এটা শুধু আবেগের কথা, কিন্তু বাস্তব। যদি অর্থনীতি সমস্যা না হওয়া এবং জিটিএর মত এরেঞ্জমেন্ট থাকা সত্ত্বেও দাবীটা জিইয়ে থাকে তাহলে এটাকে আটকানোর একমাত্র উপায় গায়ের জোর। সেটাতে কি ফল দাঁড়াবে বলাই বাহুল্য।

    গোর্খাল্যান্ড যদি একটা আলাদা রাজ্যের জন্য খুব ছোটও হয়, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হতেই পারে। নিডলেস টু সে, নিজেদের সেটআপ চালানোর খরচা নিজেদের।

    ২। এটা থামবে কোথায়?

    ভারতের ভাষাগত ভাবে ছোট জনগোষ্ঠীগুলি যে আলাদা রাজ্য হতে চায় তার কারণ ইতিমধ্যে বর্তমান রাজ্যগুলি তৈরীই হয়েছে মূলত ভাষাগত জাতিসত্ত্বার ওপরে ভিত্তি করে। একটা 'ট্রেন্ড' সেট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেশটা এতটাই ডাইভার্স যে এতেও কুলোচ্ছে না। যে রাজ্যগুলি বর্তমান সেগুলিতে একটি বিশেষ ভাষার লোকজন মেজরিটি এবং স্বাভাবিকভাবেই তারা বাকিদের ডমিনেট করে। এই ডমিনেশনের সবচেয়ে বড় বহিঃপ্রকাশ 'রাজভাষা' নামক পদার্থটির উপস্থিতি। যদিও এখন রাজ্যস্তরেও 'সরকারী' ভাষা হিসেবে একাধিক ভাষা ঢুকছে।

    কেন্দ্রীয় সরকার সে তুলনায় অনেকটা ফেসলেস। রাষ্ট্রভাষা কিছু নেই, 'সরকারী' ভাষা আছে কাজকর্ম চালানোর জন্য যার মধ্যে একটা ইংরিজি। এটুকু মেনে নিতে লোকজন রাজী।

    ভাষার বাইরে 'জাতিসত্ত্বার' আর কোন আইডেন্টিফায়ারকে এন্টারটেন করা সম্ভব নয়। ধর্ম তো নয়ই।

    যদি কারণটা অর্থনীতি হয় সেক্ষেত্রে বলা মুশকিল।

    ৩। ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য গঠনের এই ট্রেন্ডটা না থাকলেই কি সুবিধা হত না?

    হয়তো। শুধু প্রশাসনিক কাজ চালানোর জন্য সুবিধামত দেশটাকে অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশ ধরে ভাগ করে নিলে এই ধরণের দাবী উঠত না। অবশ্যই সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রভাষা তো দূর, রাজভাষারও জায়গা হত না। এবং 'জাতিসত্ত্বার' অন্যান্য বহিঃপ্রকাশকেও বেয়ার মিনিমাম রাখতে হত, সবাইকেই। কিন্তু কোন কারণে সে পথে স্বাধীন ভারতের কর্তারা যাননি। এখন টু লেট।

    কিছু বাকি রইল। পরে লিখছি।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২০:৪০616643
  • দেব ভালো লিখছেন।
    একটা প্রশ্ন সবাইকেই। নেপালী ও গোর্খা কি আদতে দুটো ভিন্ন জনজাতি?
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২০:৪৬616644
  • দ্বিতীয় প্রশ্ন। শয়তানের উকিলের প্রশ্নের মত। সত্যি কিন্তু ইশান এখনো বলে নি আলাদা রাজ্যের দাবীর এই ডোমিনো এফেক্ট কোথায় গিয়ে থামবে। কোন সীমা অবধি আমরা স্ট্রেচ করতে রাজি আছি।
    ডিঃ গোর্খাল্যাণ্ডের দাবী আমি সমর্থন করি। তার জন্য পঃ বঙ্গের বাকি অংশে কেন গণভোট চাইতে হবে সেটা মাথায় ঢুকলো না। আর নতুন রাজ্যের দাবীকে বিচ্ছিন্নতাবাদ বলে কিনা, ডিকশনারি খুলে দেখতে হবে।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:০২616645
  • দেববাবু কি সরকারি আপিসের খবর রাখেন? হিন্দি অফিসার কথাটা শুনেছেন? বহু রাজ্যেই অন্য ভাষীদের স্থানীয়রা ডমিনেট করে তার দাওয়াই নতুন রাজ্য সৃষ্টি নয়। বাঙালীরা তামিলনাড়ুতে ডমিনেটেড ফিল করলে কি তাদের জন্য নতুন রাজ্য দেবেন না তাদের প বয় ফিরতে বলবেন নাকি তামিলদের বলবেন দেশটা সবার। স্বাধীনতার ৬৬ বছর পরেও যে এ জিনিস বোঝাতে এত বেগ পেতে হবে কে জানত।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:১১616646
  • বাঙালীদের অন্য রাজ্য দেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না, কেননা তাদের ইতিমধ্যে নিজস্ব একটি রাজ্য রয়েছে। নেপালীদের, যদ্দুর জানি, নেই।

    আর বাঙালীরা তামিলনাড়ুর ভূমিপুত্র কিনা সে বিষয়ে ছোট একটু সন্দেহ রয়েছে।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৪৯616647
  • এই ভূমিপুত্রের ব্যাপারটা যদি একটু খোলসা করেন। আমার ছেলে কোথাকার ভূমি পুত্র বলে গণ্য হবে। কর্ণাটকে এমন বহু বাঙালি আছেন। এতে যেন মনে হচ্ছে পায়ে বেড়ি পড়াবার ষড়যন্ত্র। প্রতিটি ব্যাক্তি মানুষের স্বাভাবিক অধিকার সুরক্ষিত থাকতে হবেনা? তার জন্য যদি রাজ্য গড়তে হয় এ সবার লজ্জা। সমতলের প্রতিটি বাঙালির লজ্জা।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫২616648
  • চীনে পট্টির অধিবাসীদের কথাটাও ভাববেন। ওদের অনেকেই কলকাতার ভূমিপুত্র। নিশ্চয়ই ডিপোর্টেশন বরাদ্দ করছেন না। এমন ও হতে পারে ওনারাও অপ্রেসড ফিল করছেন কিন্তু ভয়ে চাইছেন না।
  • Ishan | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৩616649
  • নানা কোশ্নো হল, বাঙালিদের নিজস্ব রাজ্য থাকলে নেপালীদের কেন নয়? তাহলে বলতে হবে, বাঙালিদের রাজ্য কেসটা বেসিকালি ভুল। এটা হল যুক্তির কোশ্নো। "নিজে তো দিব্যি রাজ্য বাগিয়ে বসে আছেন, শুধু আমাদের বেলায় তা-না-না-না" -- কোনো গোর্খার এই কোশ্নের উত্তর আপনি কেমনে দেবেন?
    ক। বেশ করেছি।
    খ। যা হবার হয়ে গেছে, আমাদেরটা তালেগোলে হয়ে গেছে, তোমরা আর চেওনা বাপু।
    গ। অন্য কিছু।

    এইটা চান্দুমামাকে।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৫616652
  • সে নিয়ে ইশান বলবে খন। আপনার মত আম্মো এই প্রশ্নের জবাব চাই। যে, কদ্দুর গিয়ে থামবো।
  • Ishan | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২১:৫৯616653
  • দুই নং কথা হল ডোমিনো এফেক্ট।

    প্রথম কথা হল, ডোমিনো এফেক্ট থাকবেই। বাঙালিদের রাজ্য হলে নেপালীদের কেন নয়। নেপালীদের হলে কামতাপুরীদের কেন নয়।

    সমাধানের দুটো উপায় আছে।

    এক, এই ভাষা/কালচারভিত্তিক রাজ্যব্যবস্থাটা তুলে দিন। তখন কেউ আর নতুন রাজ্য চাইবেনা। যেটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় সম্ভব নয়।

    দুই। ছোটো জনজাতিগুলির ভাষা, সংস্কৃতি ও সত্ত্বাকে গুরুত্ব দিন। সেটা কি ফর্ম্যাটে, তার একটা গাইডলাইন থাকা দরকার। এবং তারপর সুবিধে অসুবিধে নিয়ে আলোচনা করুন। আকাঙ্খাটা যেখানে সত্ত্বার, আইডেন্টিটির, সেটাকে প্রথমেই স্বীকৃতি দিলে বাকি উত্তাপও কমে আসা উচিত।

    মানে ফ্রেমটাকে উল্টো করে ভাবুন। "একটাকে স্বীকৃতি দিলেই বাকি ব্যাটারা চেগে উঠে রাজ্য চাইবে, তখন ঠেলা সামলাবে কে?" মোডটা এটা হওয়া অনুচিত। প্রথম থেকেই "তোমাদের তো একটা আলাদা সত্ত্বা আছে, তার্জন্য কি করতে পারি বল" অ্যাপ্রোচ নিলে বাকি জিনিস বেশিদূর গড়ানোর কথা নয়।

    এইটা ইন্দোকে।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:০১616654
  • এ প্রশ্নের উত্তর কবেই দিয়ে দিয়েছি। প ব র নাম পাল্টে গোর্খাল্যান্ড করে দিন। মোদ্দা কথা আমি যেখানেই থাকি নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই। তার জন্য আমায় ঘেটো বানাতে হবে কেন।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:০৪616655
  • আর জাতি কেন প্রতিটি ব্যাক্তিকে গুরুত্ব দিতে হবে কিন্তু তার জন্য রাজ্য মানে স্বীকার করে নেওয়া যে আমরা কুঁচুটেই থাকব তাই তোমায় তোমার বখরা দিয়ে দিলুম আর জ্বালিও না বাপু।
  • T | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:০৮616656
  • ঈশান একটু চটেছেন বোধহয়। সে যাক তবে বলতেই হচ্ছে যে, না স্যার আপনি পুরোটা খেয়াল করেননি। আমি জানতামই যে আপনি বলবেন সবগুলোই একগোত্রের। কিন্তু এটাই ট্র্যাপ ছিল। সে হিন্টও দিয়েছিলাম। শুনুন, সব কটা আনফরচুনেটলি এক গোত্রের নয়। চৌকো বক্সের পার্টিশনের সুবিধে আর ভোরোনয় পার্টিশনের সুবিধে অসুবিধে এক নয়। হেক্সাগনের ক্ষেত্রে আলাদা। কম্পিউটর গেম গুলোতে চৌকোর বদলে হেক্সাগন ইউজ করে। 'পোস্ট অফিস প্রবলেমে'র নাম শুনে থাকবেন হয়তো। কিছু লোক কোথায় গিয়ে শপিং করবে, শপিং সেন্টারের লোকেশন বা কিছু শহরের ইকোনমিক অ্যাক্টিভিটির বাউন্ডারী কি হবে বা লোকে কিভাবে কোনো সার্ভিস পাওয়ার জন্য একটি কস্টকে মিনিমাইজ করবে ইত্যাদি ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট বিভাজন প্রস্তাব করা হয়। ভোরোনয় পার্টিশন। আরো নানারকম আছে। সোশ্যাল সায়েন্সের পেছনেও অনেক জায়গায় অঙ্ক ঢুকে রয়েছে। আফটার সবই অল মডেলিং এর ব্যাপার। করে ফেলতে পারলে আর প্রবলেম থাকে না। এবং এই যে সোশাল সায়েন্স মানে অংক নয় এই ধারণা ছেড়ে বেরিয়ে আসুন (এও বোধহয় একধরণের প্রান্তিক ধারণাকে সম্মান দেওয়া বা 'স্বীকৃতি' দেওয়া), অন্যভাবেও বহু কিছু দেখা যায়। বহু আগেই বলেছি।

    আমিই তো বলেইছিলাম 'প্রশাসনিক সুবিধে' হলে চৌকো খোপে ভাঙতে প্রবলেম নেই। আপনারা উঠে পড়ে লাগলেন তাকে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী বলে দাগাতে। এবার আমার বক্তব্যের অ্যাজাম্পশন কে দেখুন তারপর কুস্তি লড়তে চান তো লড়ুন। আর চার নম্বরটি পাইদির জবাবের প্রেক্ষিতে।

    আর আমার পজিশন বিচার করার মহত দায়িত্ব না হয় নাই বা নিলেন।

    'ব্যাস' লিখব? না থাক, প্রেডিকশন দিয়ে যাই। 'ব্যায়লাল্যান্ডের দাবীর পিছনের অংকটি দেখান' বা অংক দিয়ে সমস্যার সমাধান করে দিন এই জাতীয় কিছু?

    ধুর, না হয় কাটিয়েই দিন।
  • দেব | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:১৪616657
  • ৪। যদি অর্থনীতিই মূল কারণ হয়, নতুন রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলেই কি অর্থনীতির বিকাশ ঘটবে?

    আশানুরূপ না হতেই পারে। কিন্তু বড় রাজ্যের মধ্যে থেকে যদি না হয় সেক্ষেত্রে স্থানীয়দের হাতে একবার দায়িত্ব ছেড়ে না দিয়েই বলাটা অনুচিত। বিকাশ হয়েছে কি না তার পরিমাপ বিভিন্ন সোশ্যাল ইন্ডিকেটরের ভিত্তিতে।

    ৫। যেসব নেতারা এখন আন্দোলন করছেন নিজেদের রাজ্যের জন্য তারা ক্ষমতায় এলেই দুর্নীতিপ্রবণ হয়ে পড়েন। নতুন একটা এলিট শ্রেণী তৈরী হয় শুধু, লোকজনের অবস্থা পাল্টায় না।

    সেটা হতে পারে। কিন্তু নিজেদের রাজ্য পেলে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপানোর সুযোগ থাকে না। স্থানীয়রা এক সময় না এক সময় নিজেদের পরিস্থিতি শুধরে নেবেনই।

    পাশাপাশি ডিজিএইচসি/জিটিএর মত সেটআপএ দুর্নীতির সু্যোগ আরও বেশী। এরকম অর্ধেক ক্ষমতা পেলে রাজ্যের ঘাড়ে অতিরিক্ত দোষ চাপানো যায়। আরও সমস্যা, একটা ছোট ক্লিক এর হাতে স্থানীয়রা আটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ৬। কোন এলাকা কোন রাজ্যে যাবে কি করে স্থির হবে? এন্ড হোয়াট এব্যাউট ওভারল্যাপিং ডিম্যান্ডস?

    যে নিয়মে শুরুতে রাজ্যগুলো হয়েছিল। জিওগ্রাফিক কন্টিগুয়িটি এবং ডেমোগ্রাফিক মেজরিটি। একই জায়গায় দুটো আলাদা আলাদা গোষ্ঠী মেজরিটি হতে পারে না। এবং রাজ্য যদি গঠিত হয় তো একবারই। পরে ইরিডেন্টিজম গ্রাহ্য করা সম্ভব নয়।

    ৭। নতুন রাজ্যের বাইরে যারা থেকে যাবেন বা ভেতরে অন্য জনগোষ্ঠীর যারা চলে আসবেন তাদের 'জাতিসত্ত্বার' কি হবে?

    ফেডারাল স্ট্রাকচারের মধ্যে তাদের একটা প্রোটেকশন থাকবে। সেটুকুই। এবং সেটা দুদিকেই সত্যি।
  • Ishan | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:২৪616658
  • না আমি পোস্টাপিস প্রবলেম জানিনা। চেরাপুঁজিতে বৃষ্টির পরিমাপ জানিনা। আপনি লাল গামছা পরেন কিনা জানিনা। চৌরাস্তার মোড়ে দঁড়িয়ে ইউরেকা ইউরেকা বলে চিৎকার করেন কিনা জানিনা। কুস্তি লড়তেও জানিনা। গোর্খাল্যান্ড ব্যাপারটা একটু আধটু জানি। জাতিসত্ত্বাও খানিকটা।

    আপনার কি অ্যাজাম্পশন সে লেখার দায়িত্ব আপনার। আমার নয়। পোষ্কার করে নিজের বক্তব্য লিখলে আমি বুঝতে পারব, নচেৎ পারবনা। এবং হ্যাঁ, আমি হাত গুণতেও জানিনা। সেটাও এই আলোচনায় জরুরি মনে হলে জানাবেন।

    পরিশেষে। একটি ডকু দিয়েছিলাম, সেটা পড়েছেন কিনা জানাবেন। আর পড়লে সেটা প্রসঙ্গে কি মতামত তাও জানাবেন। তবে আপনার হয়তো মনে হতে পারে, রাজ্য পুনর্গঠন পর্ষদকে বাইপাস করেই ভারতবর্ষের উপর অঙ্ক কষে বাইপাস সার্জারি চালানো যায়। সেটা মনে হলে তাও জানাবেন।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৩৪616659
  • আফ্রিকা কিম্বা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে কি এরকম অক্ষাংশ- দ্রাঘিমাংশ মেনে ভাগ হয়েছিল? আফ্রিকার ম্যাপ ঐরকম চৌকো চৌকো বাক্সের মত দেখায় কেন?

    ইশেন, উত্তরটা সদিচ্ছাময় হল বটে, কিন্তু কমুনিস পার্টির ভাষায় যাকে বলে " দিশা", সেরম কিছু পাওয়া গেল না। তবে কিনা কমনিসরা জাতিসত্বার প্রশ্নে বড্ড বেশী হিপোক্রিট। স্তালিন থেকে শুরু করে সিপিএম অবধি। জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ভালো, তবে কিনা তা সর্বহারার পক্ষে না বিপক্ষে সেটা দেখতে হবে। এই ক্লজ দেখিয়ে জারশাসিত রাশার পুরোটাই ঢুকিয়ে ফেলা যায় সোভিয়েত ইউনিয়নে। আর একবার ঢুকলে তো বেরোনো মানেই সর্বহারার পেছনে ছুরি। কমনিস পার্টি বিরোধী থাকালীন গোর্খা জনজাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার খুব ভালো কথা, সরকারে এলে সেই দাবী প্রতিক্রিয়াশীল।
  • PT | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৩৬616660
  • ছ্যাঁচড়া প্রশ্নের উত্তর ছ্যঁচরামো দিয়েই হয়ঃ
    নেপালীদের তো বললেই হয় যে তোমাদের একটা তো আলাদা দেশই আছে-ভাষা সংস্কৃতির জন্যে এত মন কেমন করলে সেখানেই চলে যাওনা কেন বাপু। দেখছ না মুসলমান বাঙালীরা আলাদা দেশ গড়ার পরে কত বাঙালী মুসলমানেরা সেদেশে চলে গিয়েছে পব ছেড়ে। তাদের যদি আলাদা জাতিসত্ত্বা আছে বলে ধরে নিই তাহলে যারা যায়নি তারাও তো পব কেটে আলাদা রাজ্যের দাবী করতেই পারে।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪১616664
  • হক কথা। তবে কিনা, ৫০-৬০এর দশকে প্রশ্নটা ছ্যাঁচড়ামোমূলক ছিল না।;)
  • Ishan | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪১616663
  • পিটি এতক্ষণে পয়েন্টে এসেছেন। বাপু এদেশে থাকলে "হিন্দু" হয়েই থাকো। বাংলায় থাকলে "বাঙালি" হয়ে। ছ্যাঁচড়ামো করলে নেপাল কিংবা পাকিস্তানে চলে যাওয়্না। -- এই তো অস্যার্থ।

    এটাকে উগ্র ধর্মান্ধতা বা জাতিয়তাবাদের পুঁজরক্ত বলা যেতে পারে। মনে হচ্ছিল সেটাই এতক্ষণ ধরে দেখে চেলেছি, অঙ্ক জ্যামিতি ত্রিকোণমিতি প্রশাসনিক সুবিধে ইত্যাদি নানা ফর্মে। এখন দেখছি খুব ভুল ভাবি নাই।

    ঠিক আছে। :)
  • দেব | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪৫616665
  • @পিটি

    দার্জিলিংটা এক সময় নেপালেরই অংশ ছিল। যারা নিজেদের গোর্খা বলেন তারা বর্ডারের এপাশে আসেননি। বর্ডারটা তাদের ওপর দিয়ে ওপাশে গেছিল।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪৬616666
  • আচ্ছা, এইটাকে জ্যামিতির বদলে কার্ডিওলজি দিয়ে রিপ্লেস কল্লে কোনো সুবিধা হতে পারে কি? মানে অন্য কারো সুবিধা না হলেও আমার এট্টু বক্কা করার সুবিধা হতে পারে;)
    টিবাবু কী বলেন?
  • aka | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪৮616667
  • আমি বুয়েছি

    মারাঠারা মহারাষ্ট্র মারাঠীদের বললে - উগ্র জাতীয়তাবাদ

    গোর্খারা গোর্খা জাতিসত্ত্বার জন্য গোর্খাল্যাণ্ড চাইলে - যথাযথ দাবী সম্মান করতে হবে

    আম্রিগানরা ইল্লিগাল মেক্সিকানদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠালে - অমানবিক

    এতই সাবজেক্টিভ ব্যপার স্যপার বুইতেই পারলাম না। যে যার নিজের মতন করে ব্যাখ্যা করে সেইমতন অ্যাকশন এবং ইন্টার‌্যাকশন।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৩616668
  • সেই আঁটি নিয়ে মারামারি। দাও না প ব র নাম গোর্খাল্যান্ড করে। তারপরে বি গু নাহয় ভোটে জিতে মূর্খমন্ত্রী হোক।
  • I | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৪616669
  • আকার উদা খাটল না। কেন, তা টাইপাতে ইচ্ছে করছে না।ল্যাদ।
  • cm | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৫616672
  • ঈশান কি আমার উত্তরে খুশি হয় নাই?
  • a x | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৫616671
  • আকা এরকম আপেল আর উটের তুলনা করছে কেন?
  • দেব | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৫616670
  • @আকা

    একটু গন্ডগোল হয়ে গেল। শিবসেনার দাবী মহারাষ্ট্র শুধু মারাঠীদের। বিমল গুরুংরা বলেননি শুধু গোর্খাদের।
  • Ishan | ১৫ আগস্ট ২০১৩ ২২:৫৬616674
  • কিসুই বোঝেননি। ডকুটা পড়লেই পারতেন। কিসুই পড়বনা, কেবল মূল্যবান বক্তব্য ঢাক পিটিয়ে শোনাবো, এমন করলে আর হবে কিকরে।

    "হোমল্যান্ড" এর দাবী উগ্র জাতিয়তাবাদ। অর্থাৎ, মহারাষ্ট্র "কেবল" মারাঠাদের জন্য। বাংলা "কেবল" বাঙালিদের জন্য। গোর্খায়ান্ড "কেবল" গোর্খাদের জন্য -- এইটা ভারতীয় কাঠামোয় অস্বীকৃত।

    কিন্তু ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যের দাবী স্বীকৃত। যদিও সেটা "শুধু" ভাষার দাবীতে নয়। ভারতীয় কাঠামোয়। ভাষা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। অন্যান্য ফ্যাক্টরও আছে। ফলে পঃবঃ ও গোড়াল্যান্ড, ভাষার ভিত্তিতে হয়ে থাকলে নট নেসেসারিলি সেটা উগ্র জাতিয়তাবাদ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন