এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৪১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৬:৩৮562311
  • ব্ল্যাঙ্ক,

    এদুটো দেখতে অনুরোধ করব।
    http://in.rediff.com/news/2004/sep/06census.htm
    http://www.rediff.com/news/2004/sep/13swadas.htm

    এতে আমার ওপরের পোস্ট সমর্থন করছে। তা ছাড়া বলছে, ২০০১ এর হিসেব মত ৬ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে মুসলিম 18.7%। তার মানে ভবিষ্যতে মুসলিমের % আরো বাড়বে হিন্দুর তুলনায়।

    ১৯৬১ তে 10.7% ছিল মুসলিম। ২০০১ এ সেটা হয়েছে 13.43%। এটা আপনি হেসে উড়িয়ে দিতে পারেন, কিন্তু এর মানে হল মুসলমান আর হিন্দুর জনসংখ্যা একইভাবে বাড়লে মুসলিম জনসংখ্যা যা হত ২০০১এ, তার চেয়ে হয়েছে তিন কোটি বেশী। ৩০% বেশী। এটা ভাল কি খারাপ কি নিউট্রাল সেটার বিচার করবে প্রত্যেকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী।
    কিন্তু মুসলিমরা যে অন্যদের চেয়ে দ্রূত গতিতে বাড়ছে সেটা আপনি অস্বীকার করতে পারেননা।
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৮:১৪562312
  • আপনার দেয়া লিংক বা আপনার বক্তব্য গুলি ভারি মজার। সব হিসেব ই ঠিক ঠাক, আর কেউ অস্বীকার ও করছে না সেটা। শুধু দুটো কথা আপনি কোথাও লিখছেন না যে ১৯৯১ তে জম্মু কাশ্মীর এবং ১৯৮১ তে আসামের ডেটা সেনসাসে ছিল না। জম্মু কাশ্মীর এমনিতেই মুসলিম প্রধান আর আসামেও বেশ বড় অংশ মুসলিম।
    ২০০১ এর হিসেব কিন্তু এই সমস্ত রাজ্য গুলোকে নিয়েই।
  • Ishan | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৮:৪৪562313
  • এটা বহু পুরোনো কথা। ধর্মীয় ভাবে বিচার করলে ভারতে মুসলিম জনসংখ্যাবৃদ্ধির হার হিন্দুদের চেয়ে সামান্য বেশি। উনিশ-বিশ। অর্থনৈতিকভাবে দেখলে নিচের তলার মানুষের জন্মহার বেশি। জাতপাতের হিসেবে দেখলে নিচু জাতের লোকজনের জন্মহার বেশি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারটা মূলত: অনগ্রসরতার সঙ্গে যুক্ত। ধর্মীয় পরিচয়ে নয়।

    এই নিয়ে প্রচুর স্টাডিফাডি হয়েছে। কোন একটা পেপারে পড়েছিলাম, মনে নেই, "ছোটো পরিবার সুখী পরিবার' স্লোগানটা মধ্যবিত্তদের মধ্যে প্রবল সফল হলেও নিম্নবিত্তের কাছে নয়। কারণ মধ্যবিত্ত সন্তানকে কস্ট সেন্টার হিসেবে দেখেন। অর্থাৎ সন্তান এমন একটি জিনিস, যাকে খাইয়ে পরিয়ে "মানুষ' করে তুলতে হবে। অন্যদিকে নিম্নবিত্ত/অনগ্রসররা দেখেন রেভিনিউ সেন্টার হিসেবে। অর্থাৎ নতুন সন্তান মানে সংসারের জন্য আরেকটি কাজের হাত বাড়ল। "ছোটো পরিবার সুখী পরিবার' নয়, এখানে অলিখিত স্লোগান হল "বেশি সন্তান বেশি আয়'।
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৮:৪৫562314
  • আপনি ঠিক বলেছেন। আমি দেখিনি যে ৮১ আর ৯১ এর সেন্সাস আইন শৃংখলার কারণে অসম্পূর্ণ ছিল। কিন্তু আমার আগের পোস্টটা নিয়ে আপনার কি মত?
    ১৯৬১ থেকে ২০০১ এই ৪০ বছরে মুসলিমরা অন্য লোকের চেয়ে বেশী বেড়েছে। তারা যদি একই গতিতে বাড়ত তাতে ২০০১ সালে তাদের যা সংখ্যা হত তার চেয়ে হয়েছে তিন কোটি বেশী। মোট জনসংখ্যা ১০২ কোটির মধ্যে। এজন্যই আমি বলেছি মুসলিমদের বেশী সন্তান হয়। অথচ আপনি বলছেন আমি ভুল বলেছি। কি মুশকিল!
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৮:৫৮562315
  • আপনি ঐ ২০০১ এরই fertility রেট দেখুন। খুব সামান্যই তফাৎ হিন্দু আর মুসলিমে। আর সেটাই দেশের ভারতের fertility rate এর চেয়ে কম।
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৮:৫৯562316
  • মৃত ঘোড়াকে আরেকটু মারা যাক।
    ১৯৬১ থেকে ২০০১ এ হিন্দুর সংখ্যা বেড়েছে ৩৬৬ মিলিয়ন থেকে ৮২৭। মোট বৃদ্ধি ১২৬%।
    মুসলিম বেড়েছে ৪৭ মিলিয়ন থেকে ১৩৮। মোট বৃদ্ধি ১৯৩%।
    কাজেই ৪০ বছরে হিন্দু যা হারে বেড়েছে, মুসলিম বেড়েছে তার ৫০% বেশী হারে।
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৯:২৪562317
  • স্টেট লেভেলে পপুলেসান গ্রোথ দেখতে মনে হয় শ্যামল বাবুর ভাল লাগবে,

    http://cyberjournalist.org.in/census/cendec0.html
  • sarathi | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৯:৩২562318
  • মুসলমানদের গ্রোথ রেট বা ফার্টিলিটি রেট যদি বেশি হয়েই থাকে, তাতে কি হয়েছে?
    মোদ্দা কথা হল জনসংখ্যা বেড়েছে,

    অবিস্যি সঙ্ঘ-বজরঙ্গি টাইপ যুক্তি হলে অন্য কথা ! আগেই ক্ষ্যামা চেয়ে নিলুম
  • Somnath | ১৫ জুলাই ২০০৮ ০৯:৫১562319
  • খুবই দূ:খজনক দুটো অবজার্ভেশন, কিন্তু প্রসঙ্গটা উঠল বলেই লিখছি।

    ১। রাজাবাজার। কোনো কারণে অকাজে কলেজ গেছিলাম। ফিরছি। রাস্তার অর্ধেক ফুটপাথের দিকে আটকে একটা মঞ্চ মতো, যেখানে মৌলবী গোছের কেউ হবে। আর সামনে রাস্তায় বিছানো চাদরে হাঁটু গেড়ে বসা ফেজ টুপি সহ বেশ কিছু মানুষ। মাইকে মৌলবী বক্তৃতা। যেটুকু কানে এল, তার মধ্যে দুটো লাইন বেশ কেটে কেটে বিঁধেছিল, তাই মনে আছে, যার মূল বক্তব্য - "এ দেশে মুসলমানেরা সংখ্যালঘু। তাই হিন্দুরা তাদের উপর ছড়ি ঘোরায়। মুসলমানেদের হাতে এখন একমাত্র উপায় নিজেদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা। ভাইসব আপনারা আরো আরো বেশি করে সন্তান উৎপাদন করুন। সংখ্যায় বাড়তে না পারলে যাবজ্জীবন এ দেশে হিন্দুদের পায়ের তলায় পড়ে পড়ে মার খেতে হবে।" মোটামুটি এই রকমই। আর সমস্বরে খানিক পর পর জয়ধ্বনি টাইপের একটা হল্লা ও ছিল পিকচারে।

    ২। আস্থা চ্যানেল। দুপুরের দিকে কোনো এক গেরুয়া পরিহিতকে দেখানো হচ্ছে। সামনে বিশাল মাঠ অসংখ্য লোক। চাদর পেতে বসে। গেরুয়া বললেন : এদেশে মুসলমানেরা ক্রমশ: সংখ্যায় বাড়ছে। ওদিকে খ্রীষ্টানেরা আরো বেশি বেশি মানুষকে কনভার্ট করে নিচ্ছে। দিনে দিনে ভারতে হিন্দুদের সংখ্যা বাড়ছে। এখন হিন্দুদের সামনে একটাই উপায়, আরো আরো বেশি সন্তানের জন্ম দেওয়া। তোমাদের কি অসুবিধে? একজন কে মিলিটারিতে দিয়ে দেবে। একজন কে নেভি তে দিয়ে দেবে। একজনকে পুলিশে ভর্তি করে দেবে। সন্তানেরা নিজেদের ভরণ পোষণ করে নেবে। কিন্তু যদি প্রকৃত হিন্দু হও, হিন্দুত্বের আজকের এই সংকটে প্রধাণত: অনেক বাচ্চার জন্ম দিয়ে নিজ ধর্মীয় দায়িত্ব পালন কর।

    গুজরাটে থাকাকালীন এইরকম কথা আমার প্ল্যান্টের এক বয়স্ক অপারেটরের মুখেও শুনেছিলাম। সেখানে সপ্তাহে একদিন সন্ধ্যেবেলায় অনেকে মিলে অধিবেশন করে। কোনো গুরুস্থাণীয় লোক অধিবেশনের পৌরহিত্য করেন ও জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা রাখেন। সবাই আলোচনা করে। কেউ কেউ নিজে কিছু লিখে নিয়ে যায়, যা পাঠ করে শোনায়। আমার অপারেটরটি নাইট শিফটে বসে অরবিন্দের জীবন ও বাণী টুকছিল কোনো বই থেকে, সেখানে পড়ে শোনাবে বলে। "গুরুস্থাণীয়" কি কি বলেন জিজ্ঞেস করায় সে বলে, একই কথা। আজকের দিনে হিন্দুদের সামনে বিশাল সংকট সংখ্যা কমতে থাকা ও অদূর ভবিষ্যতে ভারতের মধ্যেই সংখ্যালঘু হয়ে যাওয়ার ভয়। সে বলে ''জন্মনিয়ন্ত্রণ কনসেপ্টটাই পুরো ঢপ। কংগ্রেসের আর কি, মাইনরিটির ভোটের লোভে ওরা ওদের তোল্লাই দেয়, মুসলমানেরা এক একজন চারটে করে বিয়ে করতে পারে আর অসংখ্য বাচ্চার জন্ম দেয়। ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে চার্চের কাজ হল গরীব লোকেদের খ্রীষ্টানে কনভার্ট করে নেওয়া। এজন্য বিদেশ থেকে চার্চে আলাদা অনুদান আসে। প্রচুর মানুষ স্রেফ একটা কম্বল, আর কিছু অসুধ-বিষুধের বিনিময়ে কনভার্ট হয়ে যায়। অথচ হিন্দুরা কাউকে কনভার্ট করে না। আর তাদের ঘাড়ে জনম্নিয়ন্ত্রণের ঢপ ও চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। হিন্দুরা তো একদিন নিশ্চিহ্নই হয়ে যাবে। "" যে বৌদির বাড়িতে রাতের খাবার খেতে যেতাম, সে ও এমনকি এরকম কিছু কথাই বলেছিল। তার ও গুরু আছে। বিধবা মহিলা সপ্তাহে দু-তিনদিন গুরুপদসেবা করতে গিয়ে এইসব মহাজ্ঞান লাভ করে ফিরেছেন। ইত্যাদি।
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১০:০০562321
  • সারথী, কিচ্ছু হয়নি। আমি একটি পোস্টে বলেছিলাম যে পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ দের তাড়ানো হয়েছে, কিন্তু সেকুলার ভারতে মুসলিমের সংখ্যা হিন্দুদের চেয়ে অনেক দ্রুত বেড়েছে। এতে ভারতের সেকুলারিজমের প্রশংসা হয় বলেই আমার ধারণা। তাতে কয়েকজন বিপুল আপত্তি তুললেন যে মুসলিম আর হিন্দু নাকি প্রায় একই রেটে বেড়েছে। সেটা ভুল প্রমাণ করার জন্য এত কচকচি।
  • Arijit | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১০:৩৫562322
  • চিন্তার কিচ্ছু নেই - এগুলো পরিচিত পুরনো কথা।
  • dri | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১০:৪৪562323
  • ব্ল্যাংকি, ফার্টিলিটি রেট (মহিলা প্রতি) 2.4 সংখ্যাটা 2 এর থেকে বেশ অনেকটা বেশী। ভাব, সংখ্যাটা প্রতি মহিলায়। ভারতের মত বড় দেশের জন্য চল্লিশ বছর ধরে যোগ করলে তফাতটা বড়ই দাঁড়াবে।

    কিন্তু লক্ষ্য কর, শিডিউল্‌ড কাস্টের জন্য ফার্টিলিটি রেট 2.89। সেটা আবার মুসলিমদের থেকেও অনেকটা বেশী। সুতরাং তাদের চল্লিশ বছরের ডেটা যোগাড় করে হয়ত আরো সেনসেশানাল একটি লাইন লিখে ফেলা যায়।

    কিন্তু, আমি মূলত, ঈশেনের 8:44AM এর পোস্টের সাথে একমত। মানুষের অবস্থার উন্নতির সাথে কম বাচ্চা হওয়ার ডাইরেক্ট যোগাযোগ আছে। ইকনমি, অ্যাওয়্যারনেস, মেয়েদের এম্পাওয়ারমেন্ট, রিপ্রোডাক্টিভ চয়েস, ফার্টিলিটি রেট এগুলো রিলেটেড। এই ডেটাগুলো দেখে মোটামুটি এই বলা যায় যে, ভারতে গ্রুপ হিসেবে মুসলিমরা ইকনমিকালি পিছিয়ে। শিডিউল্‌ড কাস্টরাও তাই। হুইচ ইজ নট আ যুগান্তকারী ডিসকভারি অর সামথিং, বাট ইয়েট অ্যানাদার কনফার্মেশান।

    তো, মুসলমানরা আর শিডিউল্‌ড কাস্টরা মনের সুখে বাড়তে পারছে। জয় সেকুলারিজ্‌মের জয়, জয় প্লুরালিজ্‌মের জয়। আবার হয়ত ঠিক অত জয়ও নয়। ইয়া মোটা মোটা পার্সেন্টেজ লোক ইকনমিকালি পিছিয়ে আছে।
  • Div0 | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১০:৫২562324
  • সোমনাথের পয়েন্টগুলোর সাথে চেতন ভগৎ এর নতুন বইয়ের (দি থ্রী মিসটেকস অফ মাই লাইফ) পরিপ্রেক্ষিত অনেকটা মিলে যায়। সংখ্যাবৃদ্ধির এই গল্পটা বহু পুরনো একটা চেনা ছক। তবে, অনেককিছুর মত এটাকেও জেনারালাইজ করলে ভুল হবে।

    [আচ্ছা ওমু'ই কি চেতন ভগৎ!]
  • omnath | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১১:০২562325
  • "আমি কি আমি নাকি অন্য কেউ?
    ঘেউ ঘেউ ঘেউ !!""

    -'অ্যালসেশিয়ান" ছদ্মনামে লেখা রাবণদার কবিতা কোট করলাম। ক্রেডিট তীত্থদা।

    ও তীত্থদা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
  • S | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১১:৪০562326
  • থ্রি মিসটেকস অফ মাই লাইফ পরশু পড়ে শেষ করলাম। বেশ একটানে পড়ে ফেলার মত বই।
  • a | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১২:৫৩562327
  • ফ্লাউন্ডারের এক চোখোমি র বিষয়ে আমি যদ্দুর জানি, এরা Flat মাছ। অনেকটা শংকর মাছের মত, কিন্তু আরো ফ্ল্যাট। আর এরা হয় বালিতে বা সমুদ্রের তলদেশে মাটিতে থাকে। যেহেতু এদের দেহের একদিক পুরো "মাটিতে মিশে" থাকে, ফলে সেদিকে দেখার প্রয়োজন হয় না।

    সেই জন্যেই এদের চোখ একদিকে।

    আরো মজার হল এদের দেহের যেদিকটা মাটিতে মিশে থাকে, সেটা বর্ণহীন, কিন্তু যেটা উপরে থাকে সেটা রং বদলায় depending on sorroundings
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৬:৪৫562329
  • ইন্টারেস্টিং হল যে অন্য একটি থ্রেডে আমি বলেছিলাম বাংলাদেশ ভারতের অমিলের চেয়ে মিল অনেক বেশী। তাই দরিদ্র বাংলাদেশ হয়তো ভারতের অংশ হয়ে যাবে। তাতে কেউ কেউ তীব্র প্রোটেস্ট করলেন। আয়রনিটা হল, যাঁরা কট্টর হিন্দু, যেমন হিন্দু মহাসভা, তাঁরা মোটেও চাননা বাংলাদেশ বা পাকিস্তান ভারতের অংশ হোক। কারণ তবে ভারতে মুসলিমদের গলার জোর বাড়বে।
  • kallol | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৬:৫৮562330
  • আমার তো সত্যি উল্টোটা ইচ্ছে করে। পশ্চিম বাংলা বরং বাংলাদেশে মিশে গেলে দারুন হতো। যেমনটা শরৎ বোস চেয়েছিলেন। তাতে পশ্চিমবঙ্গীয় হিন্দুদের খুবই মুসকিল হবে। সংখ্যালঘু হয়ে থাকার অভ্যাস নেই তো। কথায় কথায় ""নেড়ে"", ""কাটা"" এসব বলা যাবে না। তবে ""মালাউন্যা" শুনতে হতে পারে। সাধারনভাবে মুসলমান সাম্প্রদায়ীকতা বাড়বে। কিন্তু আমার বিশ্বাস দুই সম্প্রদায়েই ভালো মানেষের সংখ্যা প্রচুর তাই ওসব মুছেও যাবে - একটু সময় নেবে হয়তো।
  • r | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৭:০৫562332
  • অখন্ড ভারত, অর্থাৎ ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্থানের সমন্বয়ে গঠিত ভারত রাষ্ট্রীয় সেবক সঙ্ঘের বহুদশকের অ্যাজেন্ডা। আপনার প্রিয় জ্ঞানভান্ডার ইন্টারনেট একটু ঘাঁটলেই দেখতে পেতেন। তাহলে আর নিজের মনগড়া আয়রনি বানাতে হত না।
  • kallol | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৭:২১562333
  • র - শ্যামাপ্রসাদ অখন্ড বাংলার বিরোধীতা করেছিলেন, ঐ যুক্তিতে। তাহলে বাংলা মুসলমানেদের হয়ে যাবে। তবে অখন্ড ভারতের বিরোধীতা করেছিলেন কি না জানিনা। বোধহয় না।
  • shyamal | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৭:২৯562334
  • কল্লোলের লেখা পড়ে কৌতুহল হল এই হিন্দু-মুসলিম ঝগড়া কেন শুরু হল। তাতে কিছু তথ্য পেলাম।
    ১) মুঘল সাম্রাজ্যে ভারতের অফিসিয়াল ধর্ম ছিল ইসলাম। যদিও অন্য ধর্মাবলম্বীদের নিজের ধর্ম প্র্যাকটিস করার স্বাধীনতা ছিল। অন্য ধর্মের লোকেদের জিজিয়া কর দিতে হত, একমাত্র আকবরের সময় বাদে। মুসলমানদেরও একটা কর দিতে হত।
    ২) করে হয়তো উনিশ বিশ ছিল। কিন্তু কোরানে জিজিয়া সম্বন্ধে কি লেখা আছে শুনুন :
    Fight those who believe not in Allah nor the Last Day, nor hold forbidden that which hath been forbidden by Allah and His Messenger, nor acknowledge the religion of Truth, (even if they are) of the People of the Book, until they pay the Jizyah with willing submission, and feel themselves subdued
    এই করের উদ্দেশ্য ছিল নন-মুসলিমদের সাবডিউ করা।
    ৩) ইসলামিক আইনে অন্য ধর্মের লোকেদের সহ্য করা হয়। কিন্তু নাস্তিক ও অ্যাগনস্টিকদের নয়।
    ৪) মুসলিম আর খ্রীস্টানরা অন্য ধর্মের লোককে কনভার্ট করাকে সৎ কাজ মনে করে। কিন্তু কোরান অনুযায়ী, কোন মুসলিম যদি অন্য ধর্মে কনভার্ট করে বা ইসলামের বিরুদ্ধে বলে, তবে তার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। অবশ্য আজ এই আইন শুধু কয়েকটি দেশে আছে : আফগানিস্তান, সৌদি আরব, ইরান, সুদান আর ইয়েমেন।
    ৫) ১১৯৩ সালে বখতিয়ার খিলজি নালন্দা ও বিক্রমশীলা ধ্বংস করেন। বহু বৌদ্ধ বই পোড়ানো হয়।
    ৬) গুজরাটে সোমনাথ মন্দির পাঁচ বার তৈরী হয় ও ধ্বংস করা হয়। শেষ বার করে অওরংজেব।
  • Arijit | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৭:৪২562335
  • বেড়াল বেরলো।
  • kallol | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:১৬562336
  • হ্যাঁ। কিন্তু তাতে কি?
    জিজিয়া কর ছিলো। সে তো ক্লাস সেভেনের ইতিহাস বইতেই থাকে। তার জন্য নেট সার্চাতে হয় না।
    মসলমানেরা হিন্দু মন্দির ভাঙ্গতো, অমুসলমানেদের ওপর জিজিয়া কর বসাতো। কিন্তু তবু হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা হতো না। আমার ঠাকুর্দা দেশভাগ হবে শুনেও সম্পত্তি বদল করতে রাজি হন নি। ওনার কথা ছিলো ""এতকাল তো শেখেদের লগেই ছিলাম। তাই থাকুম""।
    আর তাতে মুসলমানদের জনসংখ্যা ""হুড়্‌মুড়"" করে বাড়ার কি সম্পোক্ক?
  • Arijit | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:২০562337
  • প্রিঅ্যাম্বল। ধৈর্য ধরুন।
  • omnath | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:২১562338
  • এবার বিজেপি অ্যাজেণ্ডা বিলিও শুরু হচ্ছে নাকি এখানে? আবার?

    ওফ্‌ফ্‌
  • cheshire cat | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:২৩562339
  • :-)))
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:৪১562340
  • মিহিরকুল আর শশাঙ্ক দু জনেই শৈব ছিলেন। তো এনারাও বহু বৌদ্ধ মঠ ধবংস করেন, প্রচুর বৌদ্ধ সন্ন্যাসি হত্যাও করেন।
  • arjo | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৮:৪৮562341
  • শ্যামল বাবুর ৫:২৯ এর পোস্টের জন্য একটা প্রশ্ন সো হোয়াট?

    মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে জনসংখ্যা যদি বেড়েও থাকে তাহলে ঈশান বা দ্রি যা বলেছেন তাতে ডিটো দিয়ে গেলাম। ফার্টিলিটি, ইউজ অফ ক¾ট্রাসেপটিভ ইত্যাদির সাথে শিক্ষার সরাসরি কোরিলেশন আছে। এটাকে ধর্মের মোড়কে ফেলে বেশ কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য। আমি স্ট্যাটিস্টিক্সের ছাত্র। কিন্তু মনে হয় এমনই তথ্যের জন্য এই প্রবাদটা খুব অ্যাপ্লিকেবল - "লাই, ড্যাম লাই অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিকস'।
  • Blank | ১৫ জুলাই ২০০৮ ১৯:০৭562343
  • এই জন্যই আমি রাজ্য ভিত্তিক তথ্য দিয়েছিলাম। দেখবে ভারতের মোটামুটি উন্নত বা শিক্ষিতের হার বেশী এমন রাজ্য গুলোতে জন সখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমহাসমান।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন