এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নির্বাচন ২০১৬ - ফলাফল

    a
    অন্যান্য | ১৯ মে ২০১৬ | ২৫৪১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | ২০ মে ২০১৬ ০৬:১২706111
  • পিটি।
    আবাপর প্রথ্ম পাতায় খবর সূর্যকান্ত বলছে তিনো-বিজেপি আঁতাত।
    এসময়ে খবর সূর্যকান্ত হারের দায় স্বীকার করলেন।
    কোনটা ঠিক?

    কন্যাশ্রী ও অন্যান্য প্রকল্প কাজ যে করেছে সে তো দেখাই যাচ্ছে। নইলে গ্রাম বাংলা এভাবে উজাড় করে তিনোকে ভোট দিলো কেন? তুমিই বলেছো সাইকেল আর চাল ভিক্ষা। ভিক্ষা টার্মটা নিয়ে আমার আপত্তি আছে। সে অন্য প্রসঙ্গ, কিন্তু সাইকেল, চাল, কন্যাশ্রী কাজ যে করেছে সেটা তো মেনেই নিলে।
    এবার তোমরা আবার তোমাদের বস্তাপচা বিজেপি আঁতাত ও নোটার আড়ালে মুখ ঢাকবে।
    কলকাতার ফল কি দিয়ে ব্যাখ্যা হবে? আমার কাছেও বিস্ময়। কিন্তু ঘটনা তো ঘটনাই।

    যতদিন তোমরা নিজেদের ভুল স্বীকার না করে এদিক ওদিক অজুহাত খুঁজবে, ততোদিন এই ক্ষয় বাড়বে এবং এই ক্ষয়ের সুযোগ নেবে কং ও বিজেপি। কে যে কার নক্ষী কে জানে??
    পিট সিগার সাধে গেয়েছিলেন When will they ever learn
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৭:১২706112
  • অভি, শহরে কি নিম্ন বা নিম্নমধ্যবিত্ত নাই ?
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৭:১৭706113
  • আবাপ র হেডলাইন সব নীল সাদা হয়ে গেল !!
  • Du | ২০ মে ২০১৬ ০৭:২২706114
  • সুজাত ভদ্র সি পিএমের হয়ে দাঁড়াতো কি ? তার আগে মাকপা নামটাকেই চেঞ্জ করতে হতো।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৬ ০৭:৩৮706116
  • শহরে একটা ব্যাপার হয়েছে। যতটুকু জানি সেটুকুই বলছি। অবস্যই আংশিক। রোজগারপ্রার্থী শ্রেণী এখানে দুটো অংশে ভেঙ্গে গেছে। একটা অংশ রাজ্যের বাইরে চলে গ্যাছে। এর মধ্যে একদম আইটি কর্মী থেকে সুরাটে লেবার ওয়ার্ক করেন এই পুরো দল টা আছে। এবার যারা বেরোতে পারেনি বা বেরোয়নি সেই অংশটা, গত পাঁচ বছরে রিয়েল এস্টেট এন্ড সিভিল কন্স্ত্রাক্ষণ বুমের থেকে অনেকটাই উপকৃত। বালি-চিপস সাপ্লাই থেকে শুরু করে ছোটখাটো অর্ডার, প্রমোটিং এর বখরা এসব চলছে। এইযে এত এত টয়লেট তৈরী, রাস্তা সারাই ইভেন ত্রিফলা লাগানো, এগুলোর একটা সাপ্লাই -অর্ডার চেইন আছে তো। এখন মুশকিল হচ্ছে এই জাতীয় পেশাগুলোর উপরদিকে যে দাদা রা থাকে তারা কব্জিতে সোনার চেইন বেঁধে বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কাজেই শিক্ষিত মানুষ দের কাছে পুরোটাই লুম্পেন বিসনেস। "প্রপার" ইকনমিক ডেভেলপমেন্ট নয়। কিন্তু বাস্তবে, এই সমস্ত ব্যাসবার পেছন দিকে থেকে যাওয়া জনগোষ্টি বিপুল। এবং ন্যাচেরালি তাঁদের অন্য সংস্থান হলে ভোট সেদিকেই দেবেন। কাজেই শহরের নিম্ন মধ্যবিত্ত দের ভোট নিয়ে আশ্চর্য্য হবার কারণ দেখিনা। একটা জনগোষ্টির বিক্ষুব্ধ অংশ শহরের বাইরে তাঁরা ভোটার না (যে দলের ই হোক ) আর যাঁরা কষ্ট করে রয়ে গ্যাছেন তাঁদের কোনরকমে গ্রাসাচ্ছাদনের ব্যবস্থা হয়েছে মমতার আমলেই, এই পরিস্থিতি তে ভোট হলে তৃণ রা ভোট পাবে আশ্চর্য্য কি।

    পিটি রা যখন চেন্চাচ্ছেন হাওর স্টেশনে রোজ কত ছেলেপুলে লেবর হয়ে গুজরাট -বম্বে চলে যাচ্ছেন তখন ভেবে দেখছেন না যে ওই ছেলেপুলে গুলোর খরচ করে মেল ট্রেনের টিকিট কেটে ভোটের সময় কলকাতা এসে মমতার উপর রাগ প্রকাশ করে যাবার সুযোগ নেই :)) কাজেই ওই হিসেব তারও কোনো প্রভাব নেই ভোটে।
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৭:৩৮706115
  • কিন্তু কোন খবর খুলছে না।

    ওদিকে এবিপি আনন্দ শুনলাম কর মমতার টু ডু লিস্ট বানিয়েছিল। কী করিতে হইবের সেই তালিকায় নাকি শহরে জমির ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব আছে ! ;)

    ২৪ ঘণ্টা দেখেও মজা লাগলো। হেব্বি রেলা নিচ্ছে আমরা তো বলেইছিলাম বলে। ক'দিন ধরেই প্রোজেক্ট করছে, আমরা কোন দলকে জেতানোর জন্য কাজ করিনি, মানুষকে জেতানোর জন্য ইঃ
    আজ খবরে দেখি বিরোধী দের উপর আক্রমণের পরের লাইন ই আসছে, তৃণমূলের সে অভিযোগ অস্বীকার। তার পরের খবর, শাসক দল আক্রান্ত।
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৭:৪১706117
  • অভি, আরেকটা জিনিস দেখেছেন কি ?
    শহরের অনেক সিটেই তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান কিন্তু অনেক কমেছে।
  • question | ২০ মে ২০১৬ ০৭:৫৩706118
  • কং সিপিএম ভোট ট্রান্সফার করলে ভালো আর নীল সাদা গেরুয়া ভোট ট্রান্সফার করলে খারাপ - দুরকম yardstick কেন?
  • souvik ghoshal | ২০ মে ২০১৬ ০৭:৫৬706119
  • আমাদের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি যা তাতে একটা বড় অংশের মানুষের সামনে সামান্য ডোলই অনেকখানি এবং সেটুকু পাওয়ার বাস্তবতাকে তারা হাতছাড়া করতে চাইবেন না। ক্ষমতায়ন বা এমপাওয়ারমেন্ট এর জটিল দীর্ঘমেয়াদী ও কষ্টকর ঝুঁকিপূর্ণ পদ্ধতি ছেড়ে অনেকেই তাই ডোল রাজনীতি বেছে নেন। বিশেষ করে নির্বাচনের সময়। কিন্তু মমতা ক্ষমতায় আসার পর প্রথম থেকেই এটা করে গেছেন এবং মূলত এটাই করে গেছেন। এই ডোল দেবার কনসিস্টেন্সি এবং বিচিত্র ধরনের ডোল দেওয়ার প্রক্রিয়া পদ্ধতি উদ্ভাবন তার রাজনীতির একটা নিশ্চিত আদলকে তুলে ধরেছে এবং জনগণের কাছে তা স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।
    কিন্তু শুধু ডোল পাওয়াদের দিয়ে সমাজ কাঠামোকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো না। শুধু দুর্বলতর শ্রেণির মধ্যে জনপ্রিয়তা দিয়ে সমাজ শাসন হয় না, গোটা সমাজের ওপর আধিপত্যবাদী নিয়ন্ত্রণটাও খুবই লাগে এই ব্যবস্থায়। সেজন্য রিয়েল এস্টেট ব্যবসাকে প্রায় নিয়ন্ত্রণহীন মুনাফার জায়গা হিসেবে সর্বত্র খুলে দেওয়া হয়েছে। এই ক্ষেত্রটি সমাজের নিয়ন্ত্রণকামীদের প্রচুর মুনাফা, আরাম বিলাস ও ক্ষমতাবৃদ্ধির উর্বর জমি হয়ে থেকেছে। এই অংশ থেকেই এসেছেন শাসকের এলাকা নিয়ন্ত্রকরা। এই অপেক্ষাকৃত ছোট এবং প্রতাপশালী অংশ এবং ডোল পাওয়া অপেক্ষাকৃত দুর্বল কিন্তু সংখ্যাগত দিক থেকে বড় অংশের একটি জোট তৃণমূল কংগ্রেসকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে।
    সমাজের দুই বিপরীতমুখী অংশের জোটের রসায়নকে মজবুত করেছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট, আলো, ন্যায্য মূল্যের ওষুধ, ইত্যাদির মতো ব্যাপক সংখ্যক মানুষের কাছে সহজে চোখে পড়া উন্নয়নের ছবি। এর মোকাবিলা করার মতো রাজনৈতিক অভীপ্সা, প্রজ্ঞা, সৃজনশীলতা সি পি এম - কংগ্রেসের ছিল না। ফলে মিডিয়ার মধ্যে দিয়ে ওপর ওপর শর্টকাট প্রচারের রাস্তা দিয়ে তারা সাফল্য আশা করলেন। সেই সাফল্য টিভি স্ক্রীন এর বাইরে আসার সম্ভাবনা খুব কমই ছিল আর বাস্তবেও তা তেমনভাবে আসে নি। কংগ্রেস তাও তার পকেট ভোটকে ধরে রেখেছে, সি পি এম এর জন্য থেকে গেছে শুধুই দিশাহীনতা।
    বামফ্রন্টের বাইরে থাকা বামেরাও কোনও আলো দেখাতে পারছেন না। সংগ্রামী বামেরা ক্রমশ প্রান্তিক হচ্ছেন। এবার এস ইউ সি আই একটি আসনেও না জেতায় তাদের কোনও প্রতিনিধি বিধানসভায় থাকছেন না। লিবারেশন সহ অন্যান্য এম এল, এম কে পি ইত্যাদি শক্তিগুলি সামান্যতম প্রভাব সঞ্চারে সক্ষম হচ্ছেন না এ রাজ্যে।
    বিজেপি অবশ্যই ধীর কিন্তু নিশ্চিত পদক্ষেপে তার জমিকে মজবুত করছে। তার প্রাপ্ত আসনের চেয়ে তার নেটওয়ার্ক অনেক অনেক বেশি বিস্তৃত হয়ে গেছে এবং আগামী দিনে কোনও একটি দুটি বিশেষ সুযোগের সদব্যবহারের মধ্য দিয়ে একলাফে তার অনেকটা উল্লম্ফন ঘটে যেতে পারে। আসন বা ভোটসংখ্যা দিয়ে বিজেপির রাজনীতিকে সঠিকভাবে মাপা সম্ভব হবে না। এই রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপিই হয়ত আগামীদিনে তৃণমূলের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে, যদি না বামেরা নিজেদের রি ইনভেন্ট করতে পারেন। আর তারা তা পারবেন, এরকম আশা করার জায়গা ক্রমশই কমছে।
  • Keral | ২০ মে ২০১৬ ০৮:১০706121
  • পব তে বিজেপি উত্থান তো দিদি ও মালপো র জন্য হয়েছে সেই থিয়োরি শুনে এলাম এতদিন ধরে।তা, কেরলে তো দিদি ও নেই, মালপোর গল্পও নেই, সেখানেও বিজেপি কী করে ঢুকে পড়ল সে সম্পর্কে কী বক্তব্য?
  • ranjan roy | ২০ মে ২০১৬ ০৮:১২706122
  • আমার পিটিকে এই পাতায় খোলাখুলি প্রশ্নঃ
    ১) কোন সরকার (বুর্জোয়া/চোর/লুম্পেন যাই হোক) যদি নিজের গরীব নাগরিকদের শস্তায় চাল দেয় তো সেটা ভিক্ষা?
    -- তাহলে বাম সরকার যখন কিউবায় চাল পাঠায় সেটা কী?

    ২) সুপ্রীম কোর্ট যখন মনমোহন সরকারকে খিস্তি করে বলছে যে ফুড কর্পোরেশনের গুদামে চাল গম পচছে আর গরীব অনাহারে মরছে কেন? উদ্বৃত্ব খাদ্য গরীবদের দিয়ে দেওয়া হোক--সেটা ওয়েলফেয়ার স্টেটের থেকে অন্যায় দাবী?
    ৩) বামেরা রেশন তুলে দিয়ে খোলা বাজারের পক্ষে নাকি?
    ৪) তিনবছর আগে গড়িয়ার মোড়ে সিপিএম কর্মীরা টেবিল লাগিয়ে সবাইকে শস্তায় চাল দেবার দাবিতে গণ আবেদনে সই সংগ্রহ করছিলেন। আমিও সই দিয়েছিলাম।
    -- ওরা কি ভিক্ষাবৃত্তির পক্ষে কাজ করছিলেন?
  • Arpan | ২০ মে ২০১৬ ০৮:৩০706123
  • কেরলে কেউ আপ্পম খাইয়েছে নির্ঘাৎ।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ০৮:৪৮706124
  • কল্লোলদা
    সুর্য মিশ্রের বক্তব্যের দায় তাঁর-তাঁকে জিগাও। তবে সব শতাংশের খবর এলে বোঝা যাবে যে বিজেপি কোন কোন হেভিওয়েটদের হয়ে লক্ষী-প্যাঁচার কাজ করেছে। এই কথাটা আমি ভোটের বহু আগে থেকেই বলছি কাজেই নতুন কিছু না।

    আর একটা কথা স্বীকার করতে এত দ্বিধা কেন যে দেশের ট্রেন্ড ধরেই পব-র মানুষও ডানমার্গী হয়েছে। তারা মোদী-মমতা ইত্যাদিদের বেশী পছন্দ করছে। আগামী দিনে আরো করবে। তার জন্যে চাল-সাইকেলের জাস্টিফিকেশন দেওয়ার দরকার নেই। সে কারণে চোর-বাটপার ইত্যাদি কোন ইস্যুই নয়। এমনকি মম হারলেও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমর্থন পেয়েছে।

    মেনে নাও কল্লোলদা, বাঙালী বদলে গিয়েছে তুমুল ভাবে। তাই ৫/৭ বছর আগে যারা অনুজ পান্ডের বাড়ি তৈরির টাকার সুত্র নিয়ে বেজায় চিল্লিয়েছিল তারা শেখ সুফিয়ানের প্রাসাদোপম বাড়ি নিয়ে কোন শব্দ ব্যয় করেনা। এমনকি শহুরে বুজীরাও না। আর সেই সব "আসল" বামপন্থীরা তারাই বা কোথায় অদৃশ্য হয়ে গেল? তারাই বা, অল্প হলেও, কত ভোট কেটে তিনোদের সাহায্য করেছে সেটাও আমার জানার ইচ্ছে।

    "কোন সরকার (বুর্জোয়া/চোর/লুম্পেন যাই হোক) যদি নিজের গরীব নাগরিকদের শস্তায় চাল দেয় তো সেটা ভিক্ষা?"
    হে, হে, আসল প্রশ্নটাই এড়িয়ে যাচ্ছেন। সাড়ে চার বছরের মাথায় ভোটের আগে সরকারের মনে হল যে ৮০% মানুষ খেতে পাচ্ছে না। তাহলে সরকার এতটা সময় ধরে কি কাজ করল?
    আর যারা কন্যাশ্রী, যুবাশ্রী, ক্লাবশ্রী ইত্যাদির উন্নয়নের গপ্প বলে গেল এতদিন ধরে তাদের জিগাবেন না যে কি সেই উন্নয়ন যা ৭ কোটি মানুষকে বুভুক্ষুতে পরিনত করে?
    নাকি জিতে গিয়েছে বলে এইসব প্রশ্ন করা বারণ?
  • S | ২০ মে ২০১৬ ০৮:৫৮706125
  • কোলকাতায় কিন্তু অনেক সীটেই জোট খুব কম ব্যবধানে হেরেছে। অরুপ বিশ্বাস জিতেছেন ১০০০০ এর কম ভোটে। অলমোস্ট সবকটি সীটেই বিজেপি ভালো ভোট পেয়েছে (আগে এইটা নিয়েই লিখি)।

    ইন্ডিয়ার রাজনীতিতে বিজেপি এখন ইন থিঙ্গ। কেরল, আসাম, গোয়ার মতন রাজ্যগুলোতে ফোকাস রাখছে ডেভালপমেন্টের উপরে। আর উত্তর ভারতে পোলারাইজেশন (পাকিস্তান, গোমাংস, দেশপ্রেম ইত্যাদি)। দেখবেন পবে যে বঙ্গে বিজেপি চাই বলে কমার্শিয়ালটা করেছে সেখানে আবার কেন্দ্রীয় সরকারের স্কীমগুলোর উপরে জোড় দেওয়া হয়েছে। যেখানে লোকে যা খাবে সেখানে সেই খাওয়ার নিয়ে বিজেপি উপস্থিত হচ্ছে। অন্যদিকে কঙ্গ্রেসের কোনো স্পেসিফিক পলিসি নেই - ডেভালাপমেন্ট, মহেঙ্গাই, কোরাপশান এসবে অনেক অনেক পিছিয়ে। শুধুমাত্র রাহুল গান্ধীকে প্রধান মন্ত্রী করতে হবে এই এজেন্ডা দিয়ে তো আর ভোট জিততে পারবেনা। ফলে অনেক জায়্গায়ই বিজেপির ভোট বাড়ছে। এটা চলবে যতদিন না বিজেপি নিজেরাই ছড়াবে আর কঙ্গ একটা ভালো এজেন্ডা হাতে পাবে।

    পবেও বামেদের এই একই অবস্থা। কোনো স্পেসিফিক এজেন্ডা নেই। দিদি অনেক ছড়িয়েছেন। অনেক হিংসা হয়েছে। শুধুমাত্র কোরাপশান বাদে এগুলো পবের লোকেরা আগেও দেখেছে। আর ব্র্যান্ড লয়ালটি পবের একটা বড় সমস্যা। মুখে যতই বদল চাই, আন্দোলন ইত্যাদি বলুক আসলে চলছে চলুক অ্যাটিটুড।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৬ ০৯:০৭706126
  • বিজেপি অনেক হিসেব করে খ্যালে। যেখানে যেমন সেখানে ত্যামন। বিজেপি দেখলেই সেই বাবরি আর ধর্ম ইস্যু করে বক্তৃতা নাবিয়ে দিলে কোনো কাজ হবেনা।
  • PT | ২০ মে ২০১৬ ০৯:০৯706127
  • S চমৎকার বলেছেনঃ "ইন্ডিয়ার রাজনীতিতে বিজেপি এখন ইন থিঙ্গ।" অন্য কোন তত্ব সেটাকে টলাতে পারবে না। বাবরি ভাঙ্গার আগেও এটা হয়েছিল। পুণাতে দেখেছিলাম কি পরিমাণ লোক রামমন্দির গড়ার আশায় মাথায় ইঁট নিয়ে UP যাচ্ছে। কোন আলোচনাই তাদের বিশ্বাস থেকে বিন্দুমাত্র টলাতে পারেনি।

    কল্লোলদা/RR এই তথ্যটা চেখে দেখার মতঃ
    "কিন্তু বৃহস্পতিবার দেখা গেল, দেবশ্রী পেয়েছেন ১ লক্ষ ১ হাজার ১৬১টি ভোট (৪৬।৬৫ শতাংশ)। কান্তিবাবু ৯৯ হাজার ৯৩২টি (৪৬ শতাংশ)। বাম শিবিরের কেউ কেউ মনে করছেন, এসইউসি-র প্রায় সাত হাজার ভোটের মধ্যে তিন হাজার তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে। কেননা, এসইউসি পেয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার ভোট।"
    ব্যবধান ১২২৯ ভোটের।
    সব সময়ে সরাসরি জোট করার দরকার হয়না। সাহায্য অন্য ভাবেও করা যায়। এই আসনের নোটার সংখ্যাও খুঁজছি।
  • avi | ২০ মে ২০১৬ ০৯:২০706128
  • পাইদি, কলকাতায় তো নিম্নবিত্ত মানুষ অনেকই আছেন, অন্যান্য শহরের মতই। আমার প্রশ্ন ছিল "স্পষ্টত ভোটটা হয়েছিল গ্রামীন পুওর বনাম মধ্যবিত্ত উচ্চ-মধ্যবিত্তের স্বার্থের সংঘাতকে সামনে রেখে।" - এই অংশটা নিয়ে। 'গ্রামীণ পুওর' কথাটায় খটকা ছিল। আর শহরের (এবং গ্রামেরও) মধ্যবিত্ত অংশের একটা বেশ বড়ো অংশ কিন্তু বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, যারা আগেরবার তৃণমূলের দিকে ছিল। এই অ্যান্টি ভোট জোট খুব কম পেয়েছে সম্ভবত।
  • Ekak | ২০ মে ২০১৬ ০৯:২১706129
  • আর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নিয়ে যাঁরা এত হিসেব কষছেন -ভয়ানক চিন্তিত তাঁরা সবচে ঘরের কাছের কারন টা ভুলে যাচ্ছেন কি করে ? ঘরের পাশে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার ক্রমবর্ধমান। তার প্রভাব এদিকে একেবারে পরবেনা তাই হয় নাকি ? কাছের প্রবলেম এড্রেস করুন। বাবরির ঢেউ আবার উঠেছে বলে থিওরি খাড়া করার দরকার হবেনা।

  • Ekak | ২০ মে ২০১৬ ০৯:২৪706130
  • বাংলাদেশে এই পরিস্থিতি যত বাড়বে, পব তে লোকে দলে দলে বিজেপি হবে।
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৯:২৬706132
  • পবতে বিজেপি র রমরমা ( আর সেই জন্য তৃণর এত বাড়, তৃণ-বিজেপি গট আপ তত্ত্বে তো ঢুকলামই না) র ব্যাপারটা প্লিজ কেউ একটু বুঝিয়ে দিন।
    কখনো আপনারা হিসেব করছেন গত লোকসভা ভোট দিয়ে। সেজন্য বলছেন, নারায়ণগড় সূর্যকান্ত মিশ্রের কাছে কত রিস্কি ছিল, তাও কত সাহস দেখিয়ে দাঁড়ালেন ( এদিকে বিধানসভার হিসেব দেখলে উনি ওখান থেকেই বরাবর জিতে এসেছেন, ওটা ওঁর ঘাঁটি বলেই পরিচিত)। আবার কখনো আগের বিধানসভার ভোটের সিটের হিসেবের সাথে তুলনা ক'রে বিজেপির এখন রমরমা বলবেন। যেখানে এটা স্পষ্ট যে লোকসভার তুলনায় বিজেপি ভোটের % কমেছে।
    এটার একটু ঠিকঠাক ব্যাখ্যা চাই।
  • avi | ২০ মে ২০১৬ ০৯:২৭706133
  • আসামে বিজেপি কিভাবে সামলায়, সেটাও একটা নির্ণায়ক ফ্যাক্টর। সমস্যা কাছাকাছি রকমের। যদিও আসামের অবস্থা অনেক বেশি সাংঘাতিক।
  • avi | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৩২706134
  • এটা হাতে এল, লেখকের নাম না পাওয়ায় দুঃখিত। পড়লাম।
    "জিতবে সেটা আশা করিনি তবে আরো বেশি আসন পাবে ভেবেছিলাম। লোকসভায় বিজেপির ভোটের বড় অংশ তৃণমূলে গেল, কিছু জোটের পক্ষেও এসেছে কিন্তু সেটা তুলনামূলক ভাবে কম। উত্তর বঙ্গে জোট মেনে নেয়নি অনেকে, বিশেষ করে কংগ্রেস সমর্থকরা, তারা ভোট দিতে যাননি। ফল দেখে শোকগ্রস্থ হয়ে কিছু সিপিএম সমর্থক আবার বাংলার মানুষকে দোষ দিচ্ছে। তারা বলছেন যে বাংলার মানুষ ২ টাকা চালের জন্যে ভুল করলো। এরকম কথা শুধু অমানবিক না, মার্ক্সবাদ বিরোধী। গরিব মানুষকে "রিলিফ" পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই তো সরকারে আসা, এটাই তো পার্টির চিরকালের আন্ডারস্ট্যান্ডিং। বিনামূল্যে শিক্ষা, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, রেশন ব্যবস্থাকে সর্বাত্মক ও শক্তিশালী করা এগুলোই তো আমাদের স্লোগান চিরকালের। এর মধ্যে ২ টাকা চালের জন্যে ভোট দেওয়া নিয়ে কান্নাকাটি করার কোনো জায়গা নেই। ভাগ্যিস এরা কেউ পার্টির সদস্য নন, শুধুই সমর্থক তাই এনাদের কথায় "পার্টির মতাদর্শের স্খলন হয়েছে" বলে চিন্তা করার কিছু নেই। তারাই সবচেয়ে বেশি হতাশ যারা ভেবেছিলেন তৃণমূল হারবেই, অথচ এরকম হওয়ার বাস্তবিক কারণ ছিল না। তৃণমূল খুব ভালো কাজ করেছে বলে নয়, সাংগঠনিক ভাবে বামপন্থীরা সেই জায়গায় যেতে পারেনি যেখানে তারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই দিতে পারবে একদম নিচু স্তরে। তিন বছরের রক্তক্ষয়ী লড়াই করে এলাকা দখল করার পর তৃণমূল জেতার জায়গায় আসে। যত রক্ত তৃণমূলের ঝরেছিল তার চেয়ে বেশি ঝরেছিল বামেদের, নন্দীগ্রাম থেকে জঙ্গলমহল। লড়াইটা এলাকা দখলেরই ছিল। আমাদের হয়ে সেই লড়াই লড়ে দেওয়ার জন্যে মাওবাদীরা নেই, যা করার নিজেদেরকেই করতে হবে। তৃণমূলের নীতি আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে তবে ওই কলকাতায় নবান্ন অভিযান আর জেলা সদরগুলোয় অভিযান করে শুধু হবেনা। যেখানে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ আছে সেখানে রক্তক্ষয়ী এলাকা দখলের লড়াইটাই লড়তে হবে, কিচ্ছু করার নেই।

    আর আগামী পাঁচ বছর আরএসএস-এর অগ্রগতি বজায় থাকবে। তাদের শাখার সংখ্যা গত পাঁচ বছরে ৩০-৪০ গুন বেড়েছে সেটা আগামী পাঁচ বছরে আরো ৩০-৪০ গুন বাড়বে। প্রতি পাড়ায়, প্রতি স্কুলে শাখা হবে। তৃণমূল সেগুলোকে আটকানোর কোনো চেষ্টাও করবে না কিন্তু বামেরা সংগঠন করার চেষ্টা করলেই মারবে। তারপরেও কিছুজন তৃণমূলকে সংখ্যালঘু আর দলিত প্রেমী প্রমাণ করার চেষ্টা করেই যাবেন। হেরে যাওয়ার পরেও দেখলাম অনেক বামপন্থী সেই সিপিএমকেই খিস্তি করছেন, তাদের দোষ দিচ্ছেন, তাদের ক্ষতি চাইছেন, আলিমুদ্দিনে বোম মারার কথা বলছেন, নেতাদের ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার কথা বলছেন। একবারের জন্যেও এরা বলছেন না যে আরএসএস-এর বিরুদ্ধে লড়াই আরো কঠিন হলো, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই আরো কঠিন হলো, জোটবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে। আসলে এই বামপন্থীরা চান সিপিএম উঠে যাক, তাহলে তাদের সংগঠনগুলো শক্তিশালী হবে। এই চাওয়ার মধ্যে ভুল কিছু নেই, সকলেই নিজের মতাদর্শের প্রতি সৎ, তাকেই শ্রেষ্ঠ মনে করেন। এনাদের চাওয়া হয়ত সত্যি হবে, সিপিএম উঠে যাবে, তৃণমূল আরো অনেকদিন সরকারে থাকবে আর আরএসএস-এর শাখার সংখ্যা বেড়েই চলবে।"
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৩৫706135
  • বামেরা তাদের আমলে একটা টেস্ট পেপার ও বিনি পিসি দেয় নি। আমি গ্রামাঞ্চল ও শহরেও দেখেছি লক্ষ লক্ষ নীল্ সাইকেল বিলি হয়েছে।অবশ্যই পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি।বামেদের সঙ্গে পার্থক্য একটাই; তাদের আমলে নিজেদের চেনা শোনা লোকেরাই সুযোগ সুবিধে গুলো পেত; এক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সকলেই পেয়েছে। কন্যাশ্রী ও তাই।আমরা ওরা বিভাজন হয়নি।
    এটা একটা ভলো প্রকল্প; সেটা বিভিন্ন ঢপ দিয়ে নালিফাই করা যাবে না।অবপ এরকম পণ ফন এসবে, মিস ইউজ হচ্ছে লিখতে গেছিল; জনগণ খায় নি।
    আর একটা কথা মনে রাখা দরকার, ২ টাকা কিলো চাল এর পিছনে যে অনুদান; সেটা কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছিল, এক দশক আগে, অত্যন্ত গরিব বা বি পি এল তালিকায় থাকা পরিবারের জন্য। মমতা সংখ্যাটা বাড়িয়ে নিয়ে ৮ কোটি করেছে। এর মানে এই নয়; ৮ কোটি লোকই খেতে পারছেনা।
    প্রশ্ন হচ্ছে বছরে অতিরিক্ত ৩-৪ হাজার কোটি টাকার বোঝা মমতা সরকার টানতে পারবে কিনা?
    বিনি পয়সায় সরকারী চিকিত্সাও এমন একটা প্রকল্প। যতক্ষণ বিপিএল তালিকা ভুক্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল ঠিক আছে, কিন্তু যখনই সবার জন্য হয়ে গেল তখন এই বিপুল খরচার সোর্স কি হবে প্রশ্ন এসে যায়।এনি ওয়েস, সময় বাতাবে কি হবে বা হতে চলেছে।
    গ্রামের দিকে প্রচুর পাকা রাস্তা হয়েছে; অস্বীকার করে কি লাভ? ৩৪ বছরে কেন হয়নি, সেই প্রশ্ন করা তো প্রান্তিক মানুষদের মৌলিক অধিকার এর মধ্য পরে, নাকি?
    সব শেষে,আমাদের দেশ একটা অদ্ভুত দেশ। যখন শিল্পপতি দের সরকার অনুদান বা খয়রাতি করে তখন সেটা হয় স্টিমুলাস;আর গরিব মানুষের প্রকল্পের জন্য করলে, সেটা হয় ফ্রিবি বা ভিক্ষা। এই টার্ম কিন্তু বিধগ্ধ পন্ডিত রাই দিয়ে থাকেন।
    ভাবুন, সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ করতে সরকারের একশ কোটির ওপরে খরচা হয়েছিল;সফট লোনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, আর টাটাদের বছরে এক কোটির নাম মাত্র মূল্যে লিজ দেবার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।
    এই খয়রাতি কিন্তু পন্ডিতেরা স্টিমুলাস বলবে; আর গরিব দের জন্য জুটবে ভিক্ষার তকমা!
  • d | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৪৩706136
  • ক্কি কান্ড! অপ্পোন সেই কব্বে বলেছিল যে গোটা দেশে বিজেপী ছেয়ে গেলে পোচ্চিমবঙ্গও বাইরে থাকবে না। শহর পুড়লে দেবালয় ইত্যাদি ... আর এই কথাটা অপ্পোন বোধহ্য বার তিন চার বলেছে আরো কেউ কেউ বলেছেন। তখন দেখলাম না না গোটা দেশে যা খুশী হোক পোচ্চিমবঙ্গে মালপো খাওয়ানোর জন্য বেড়েছে বিজেপী। তারপরে যে কমে গেছিল সেটা হুশ যা-ইগনোর।

    ওব্বাওয়া এখন যখন কেরলেও ঢুকে গেছে বিজেপী তখন শুনছি গোটা দেশের জন্যই পোচ্চিমবঙ্গেও বেড়েছে।
  • d | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৪৬706137
  • আসামে বিজেপী কী করে সেটা দেখার। আমার অনুমান বিজেপী পাওয়ারে এসেছে বলেই আসাম সীমান্তের তুলনায় এখন পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলে অনুপ্রবেশের চাপ আরও বাড়বে।
  • S | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৫০706138
  • পাইয়ের কোস্চেনটাই বুঝলাম না। পবে বিজেপির রমরমা নিয়ে কি পোস্নো আছে? কারণ অনেক - একক একটা বলেছেন। যেখানেই মাইনরিটি বেশি সেখানেই বিজেপির অবস্থানের উন্নতি ঘটবে ন্যাচারালি। এছাড়া কঙ্গের দুর্নীতি আর ইউপিএ২ এর অপদার্থতার উল্টোদিকে মোদিজীর ক্লিন ইমেজ আর ডেভালাপমেন্টের গল্প আছে। এছাড়াও নিস্চই অন্য অনেক কারণ আছে।
  • pi | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৫৩706139
  • আপনি সত্যিই আমার প্রশ্নটা বোঝেননি। রমরমা কীসের ভিত্তিতে বলা হচ্ছে, জানতে চেয়েছি।
    কখনো সব তুলনা আসছে শেষ লোকসভার নিরিখে। তো সেটাই হলে, বিজেপির ভোট শেয়ার ৩-৪% কমেছে। ২০১৪ র থেকে।

    তো, রমরমা বলা হচ্ছে কীসের ভিত্তিতে ?
  • sm | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৫৫706140
  • বি যে পি এলে অসুবিধের কি আছে? গণতন্ত্রে দু চাররকম আইদীয়লোজির পার্টি তো থাকবেই।অনেক রাজ্যেই বিজেপি ক্ষমতায় আছে বহুদিন ধরেই। বিরাট কোনো চেঞ্জ হয়নি তো।
    যেমন ধরুন উরিষ্যা। হিন্দু পার্সেন্টেজ তুলনামূলক ভাবে বেশি। নবীন আছে, সরকারে। প্রো বিজেপি।বিজেপি এলেও খুব কিছু পার্থক্য হবে না।তার আগে একদা কংগ্রেস ছিল।কি ই বা পরিবর্তন হয়েছে?
    বিজেপি জুজু দেখিয়ে লাভ নেই। আসার হলে আসবে। সেটাই ভবিতব্য।
  • S | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৫৬706141
  • আরেকটা কথা ভুলে যাচ্ছিঃ লিডারশিপ।

    লোকে ক্লিয়ার লিডারশিপ দেখতে চায়ঃ মোদি, দিদি, কেজরী, আম্মা, ইত্যাদি। একমাত্র বিহারে অন্যথাঃ যদিও সেখানেও লালু বলেই দিয়েছিলেন যে জিতলে নীতিশ মুখ্যমন্ত্রী হবেন।

    উল্টোদিকে পবের জোটের ক্ষেত্রে কেউ জানেই না কে হবে মুখ্যমন্ত্রী। বুদ্ধবাবুর আমলেও রাইটার্স এক কথা বলতো, আলিমুদ্দিন অন্য কথা, রাইটার্সের অন্য ঘর থেকেও অন্যরকম কথা বেড়তো, তারপরে তো পলিটবুড়ো আছেই। ও জিনিস এখন আর চলবেনা। লোকে একজনকে দেখেই ভোট দিচ্ছে।
  • Arpan | ২০ মে ২০১৬ ০৯:৫৭706144
  • এইবার শহরবাসী নিওলিবেরালরা আস্তে আস্তে বিজেপির দিকে ঝুঁকবে, বুদ্ধবাউর আর ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই দেখে। এদের অনেকেই কাল সোশাল মিডিয়ায় পঃবঙ্গের এত বড় সর্বনাশ হয়ে গেল বলে বুক চাপড়েছেন। এদের নেক্সট ডেস্টিনেশন বিজেপি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন