এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৪১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arpan | ২৯ এপ্রিল ২০০৮ ১১:২২562211
  • বেঙ্গালুরুতে আম্বানি (রিলায়েন্স) আর প্যান্টালুন্সের (ফুডবাজার) দাম সত্যি কম। বাইরের ত্রলি পেতে যারা অনাজা বিক্রি করে অথবা ছোটখাটো মুদির দোকান - সেগুলির থেকে কেজিপ্রতি এক থেকে চার টাকা। সব্জি এবং খাদ্যশস্য সব জিনিসই।

    কিন্তু মুশকিল হল, সব সময় ফ্রেশ ফল বা শাকসব্জি পাওয়া যায় না। তখন রাস্তার ধারে সব্জিওলাই ভরসা। রিটেলে তাজা মালপত্তর পেতে গেলে শনিবার সকাল সকাল গিয়ে লাইন লাগাতে হয়। ভিড়ের চোটে ঘামতে ঘামতে শ্বাসবন্ধ হয়ে যায় আর কি!
  • Arpan | ২৯ এপ্রিল ২০০৮ ১১:২৩562212
  • ** ট্রলি, আনাজ
  • ip | ২৯ এপ্রিল ২০০৮ ২০:১৬562213
  • আচ্ছা, organized retail chain গুলি এলে এইরকম একটা বিশাল সংখ্যক লোকজন জীবিকা হারাচ্ছে বলে মুম্বইএর এই ছোটো স্টাডি টা দেখিয়েছে। reliance আসার effect নিয়ে এরকম কিছু survey হয়েছে ? বেঙ্গালুরু বা অন্যত্র ?

    http://indiafdiwatch.org/fileadmin/India_site/EPW_study_on_impact_of_malls_on_retailers.pdf
  • shyamal | ৩০ এপ্রিল ২০০৮ ০৭:১৭562214
  • মিডলম্যান চলে গেলে চাষিরা চুক্তি চাষে বেশী টাকা পাবে। তার চেয়েও বড় হল, কর্পোরেশন চাষটা ম্যানেজ করবে। চাষ একটা ব্যবসা। বহু মানুষের ব্যবসা চালানো সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র জ্ঞান/অর্থ না থাকা সত্বেও শুধু বাবার জমি আছে বলে চাষ করতে বাধ্য হয়। তার ফলে অনেকে ভুল করে বিরাট ধার নিয়ে শোধ না দিতে পেরে আত্মহত্যা করে। এরা কৃষি শ্রমিক নয়, জমি ওয়ালা চাষি। কৃষি শ্রমিকরা দিন মজুর। তাদের আত্মহত্যা করার কারণ ঘটেনা। চুক্তি চাষ বা কর্পোরেট ফার্মিং হলে চাষিরা প্রায় চাকরী করবে। ফলে তাদের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে।
    আর বিজ্ঞান আর ম্যানেজমেন্ট শাস্ত্র যত উন্নত হবে, কিছু লোকের কাজ যাবেই। তারা অন্য কাজ খুঁজে নেওয়ার মত যথেষ্ট বুদ্ধিমান। হয়তো আয় কমবে বা বাড়বে। কেউ তো দিব্যি দেয়নি যে আয় বেড়েই যাবে। ঘোড়াগাড়ির সহিস, রাস্তার গ্যাস লন্ঠন জ্বালানোর লোকের কাজ আর নেই। টেলিগ্রাফ প্রায় লুপ্ত। তাতে কি কারো ক্ষতি হচ্ছে? উৎপাদনশীলতা যত বাড়বে, লোকের আয় তত বাড়বে। ফলে প্রচুর নতুন কাজ তৈরী হবে। পনের বছর আগে কেউ ভেবেছিল যে সেল ফোনের কার্ড বিক্রির লক্ষ লক্ষ দোকান তৈরী হবে?
    ওল্ড অর্ডার চেনজেথ, ইল্ডিং প্লেস টু নিউ।
  • Arijit | ৩০ এপ্রিল ২০০৮ ১৬:৪৩562215
  • এক এক্কে এক, দু এক্কে দুই...

    ;-)
  • b | ৩০ এপ্রিল ২০০৮ ২২:৩৩562216
  • শ্যামলবাবু,আপনার যুক্তি অকাট্য ( এভাবেই অর্থনীতিবিদ-রা ভাবেন), তবে একটা কথা আছে। চাষ যদি চুক্তিনির্ভর হয়, এবং প্রায় চাকরি হয় তবে হায়ার-এন্ড-ফায়ার-ও বেশি বেড়ে যাবে নাকি? তবে হরে দরে এক-ই অবস্থা দাঁড়াবে।
    অন্য দেশগুলিতে কি হয়েছে ? একটু জানাবেন?
  • shyamal | ০১ মে ২০০৮ ০৭:০২562217
  • চীন থেকে থাইল্যান্ড থেকে আফ্রিকা, সর্বত্র চুক্তিচাষ চাষীর আয় বাড়িয়েছে। চুক্তিচাষে কোন কোম্পানী ধরুন দুশো চাষীর সঙ্গে চুক্তি করল যে টমেটো তৈরী করতে হবে। সেই কোম্পানী হয়তো কেচাপ, সস ইত্যাদি বানায় আর টমেটো রপ্তানী করে। কোম্পানী যেহেতু বড় স্কেলে করছে তারা ফুড টেকনোলজিস্ট রেখে ঠিক করবে কোন জাতের টমেটোর চাহিদা বাজারে বেশী। চাষীদের ভাল বীজ দেবে, টেকনোলজি দেবে, ধার দেবে যেগুলো চাষীর পক্ষে পাওয়া অসম্ভব ছিল। আর দেবে প্রতিশ্রুতি যে ফসল পুরো তারা কিনে নেবে নির্দিষ্ট দামে। কেউই চায়না ভেন্ডর হাওয়া হয়ে যাক। সেজন্য চাষী যাতে খারাপ ফসলের জন্য বিপদে না পড়ে সেজন্য চাষিকে হয়তো বীমা কিনতে বাধ্য করবে। তাদের ট্রাক এসে জমি থেকে ফসল তুলে নিয়ে যাবে। মিডলম্যান বাদ গেল আর ফসল নষ্ট হওয়ার চান্স কমে গেল।
    হায়ার অ্যান্ড ফায়ার। চাষী যদি কোম্পানীর পদ্ধতি অনুসরণ না করে তাহলে ফায়ার হতে পারে। অন্য কোন কারণ দেখছিনা।অন্য দিকে চাষী যদি দেখে তার লাভ হচ্ছে না সেও পরের বছর চুক্তি বাতিল করতে পারে।
    যদিও নাম কোঅপারেটিভ কিন্তু ভেবে দেখুন আমুল চুক্তি চাষের সাফল্যের একটি উদাহরন।
  • r | ০১ মে ২০০৮ ২১:৩০562218
  • অর্থনীতিবিদরা এইভাবে কথা বলেন না। অর্থনীতিবিদদের মেপেজুখে কথা বলার কারণেই রাজনীতিবিদরা নুলো অর্থনীতিবিদ প্রেফার করেন। যারা সমস্যার সমাধান নিয়ে সবকিছু নিশ্চিতভাবে বলে দিতে পারেন তাদের বলা হয় আইডিয়োলগ বা ধর্মগুরু। আর তাদের বলা কথা যারা বিশ্বাস করে চলেন তাদের বলা হয় ইনডক্ট্রিনেটেড।
  • ranjan roy | ০২ মে ২০০৮ ২২:২৪562219
  • কনট্র্যাক্ট ফার্মিং এর ব্যাপারে ব্যাংকের ডকুমেন্ট পড়ে কেমন দেড়শ'-দুশো বছর আগের দাদন দিয়ে নীলচাষের কথা মনে হল।
    অবশ্যি এখনে চাষীকে রাজি করানো হচ্ছে "রাম্‌কান্ত'' বা "শ্যামচাঁদ' এর আছড়ে নয়, বরং রূপচাঁদের ঠং-ঠং শুনিয়ে।
    কিন্তু একটা কথা। কনট্র্যাক্ট ফার্মিংয়ে ধানচাষ হবে না, হবে ক্যাশ ক্রপ। এমনকি হাই মার্জিন এর জন্যে তামাক চাষ বা ইউক্যালিপটাস লাগানো ও হতে পারে। ফলে স্টেপল ফুড উৎপাদন কমে গিয়ে খাদ্যসংকট হবার সম্ভাবনা কতটুকু?
    শ্যামলবাবু কিছু তথ্য দিন।
  • d | ০২ মে ২০০৮ ২২:৩৬562221
  • এই যে, তর্কের পরের অংশটুকু এখানে কন্টিনিউ করতে পারেন আপনারা .....
    http://tinyurl.com/59kr4f
  • shyamal | ০৫ মে ২০০৮ ০৮:৪০562222
  • আমি ওপরের লিঙ্কে চলে যাচ্ছি। টপিক হল, রিটেল সেক্টরে বড় কোম্পানিগুলোকে ঢুকতে দেওয়া ঠিক?
  • Guruchandali | ০৫ মে ২০০৮ ২০:৪১562223
  • ---------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা : ইট ফুটি, স্লিপ ফুটি, ড্রিং ওনলি নিউক্যাসল ব্রাউন
    ---------------------------------------
  • Blank | ০৫ মে ২০০৮ ২৩:২০562224
  • খুব মন কেমন করা লেখা। 'জর্ডি বাঙালী' নস্টালজিয়া অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।
  • Tim | ০৫ মে ২০০৮ ২৩:৪৯562225
  • এত মন খারাপ করা লেখা, তবু ফিরে ফিরে পড়তে ইচ্ছে করে। অভিনন্দন। সামনের দিনগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
  • kallol | ০৬ মে ২০০৮ ০০:৩০562226
  • অরিজিত - খুব ভালো লাগলো। আমি নিউ ক্যাসেল দেখিনি - কোনদিন দেখবো কিনা জানিও না। কিন্তু তোমার লেখায় আলাপটা হয়ে গেলো। তোমার লেখায় জান আছে। তুমি আরও লেখো না কেন ?
  • Du | ০৬ মে ২০০৮ ০৩:০৮562227
  • খুব ভালো লেখা -- ছোট শহরের গল্প - কিন্তু ইউনিভার্সাল অ্যাপীল।
  • hanu | ০৬ মে ২০০৮ ০৬:৪১562228
  • লুই সাহা। ইংল্যান্ড আর ফ্রান্সের বাইরে অপরিচিত নাম। ঢ্যাঙা রোগা চেহারা। বাঁ পায়ের জাদু, আর অন দ্য বল স্পীডে গিগসকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মত স্পীড, মানে ধরুন অফ দ্য বল একশো মিটার দৌড়বে এগারোর নীচে,আপাতত ম্যান ইউ এর জার্সি গায়ে শত্রু, কিন্তু সেদিন ফুলহ্যামের জার্সি গায়ে নিয়ে সাহা এগোচ্ছে, পশ্চিম লন্ডনের কটেজের মাঠে শুধু দৌড়বে সাহার সে সাহস নাই, তাই সাহা মোটামুটি আমাকে আর বার্নার্ড কে নিয়ে দৌড়চ্ছে, আমরাও হাঁপাচ্ছি, দু পাশে পেছন দিকে চলে যাচ্ছে দামী গাড়ি, পরীক্ষার খাতা, গম্ভীর অধ্যাপক বাধ্য হচ্ছেন উল্টো দিকে টাই আর চুল উঋহিয়ে ছিটকে যেতে, সাহা দৌড়চ্ছে, স্কোলস ধরতে পার্লো না,সিলভেস্টের জামা ধরে টেনেও নিজি পড়ে গেল, নেভিল ছিটকে গ্যাছে সাহার আর আমার কাঁধের ঝাঁকুনি তে, থামানো সোজা নয়, কারণ আমি সাহা আর বার্নার্ড দৌড়চ্ছি, সামনে বিশাল চেহারার স্টাম, সাহা ডজ দিলো বাঁ পায়ের ডজ, স্টাম এর পা একটা তলোয়ারের মত আসছে আমার হাঁটুর ঠিক উপরে, সাহা লাফালো, আমি আর বার্নার্ড ও লাফালাম, এর পরে সাহা মারাদোনার মত বার্থেজের ডান দিকে দিয়ে বল টা টোকা মারবে, এইখানে আমি আর বার্নার্ড ছেড়ে দিয়েছি সাহা কে, মারুক গোলে মারুক, একাই মারুক, আর ধরে রাখা ঠিক নয়, বার্থেজে বিশ্বজয়ী বার্থেজ, ক্লাউন বার্থেজ, ফরাসী পাগলা বার্থেজ দু হাত বাড়িয়ে সাহার বাঁ পায়ের উপরে ঝাঁপালো, সাহা পড়ে গেছে, কিন্তু ততক্ষণে বার্থেজ কে পেরিয়ে আমাদের হৃৎপিন্ড গুলো কে নিয়ে বল যাচ্ছে ম্যান ইউএর গোলের দিকে, শেষে বোধ হয় আমারি ধুকপুকটার ঠেলায়, না আমার নয়,বার্নার্ডের ধুকপুকের ঠেলাতেই বলটা পোস্টের ভেতর দিকে লেগে বেরিয়ে এলো, সাহা পাগলের মত উঠে আবার বাঁ পায়ের স্ট্যাবের চেষ্টা করেছিল একটা, তবু পারলো না, ততক্ষণে গ্যারি লেভিল, এসে গ্যাছে, স্লাইড করে কর্নার করে দিলো। গোল হলো না, সাহা পড়ে রয়েছে মাটিতে, আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে টিভির মধ্যে থেকে। আমি আর বার্নার্ড লজ্জা পেলাম, সরি মেট, গেট আপ নাও, টেক থে সিক্স ইয়ার্ড লাইন, কাম অন গেট আপ! এখন কর্ণার হবে, মাঝে দশ সেকেন্ড সময়ে। হাত মিলিয়ে নিলাম আমি আর বার্নার্ড। হাই দিস ইজ বার্নার্ড, আই নো সাহা'স নেবর, হি ইজ লাইক আওয়ার ব্রাদার। এর পরে কর্নার টা ধরে ফেল্লো বার্থেজ, গোলটা হল না। কিন্তু আমি আর বার্ণার্ড, দ্য ওয়ান হু নোজ সাহা, এক পাত্তর মাল খাওয়ার একটা কারণ পেলাম, ম্যান ইউ হল কমন এনিমি, আর সাহা হল কমন নেবর। কমন রুমের টিভিতেই থাকে বেশি দূরে নয়। বার্নার্ড নোজ হিজ নেবার, বার্নার্ড লাভস স্টেলা, হি হেট্‌স গিনেস, বাট হি নোজ সাহা থ্রু হিজ নেবারস।

    ২০০১ এর এক ম্যাগনোলিয়া চিনতে পারা বিকেলে, বিলেতে পায়ের ধুলো দেওয়ার এক দিন পরে এই আমার ফুটবল দেখা শুরু। সাহা তুমি শেষে সেই ম্যান ইউ এ গেলে? বার্নার্ড এখন আর চেনেনা বোধ হয় ওকে, নট ইভেন থ্রু হিজ নেবার। কোথাও খাচ্চে বসে স্টেলা। এখন আদেবেয়োর বোধ হয় ওর হিরো, অ্যান্ড হি নোজ হিম থ্রু হিজ লিটল ব্রাদার, নো নেবার দিস টাইম, ডোন্ট লাভ ইয়োর নেবার, হি মে বি ম্যান ইউ :-)
  • arjo | ০৬ মে ২০০৮ ০৭:১১562229
  • অরিজিতের লেখা পড়ে মন কেমন করলে হনুর লেখা পড়ুন।
  • ranjan roy | ০৬ মে ২০০৮ ১৫:৫৫562230
  • ছুটির দিনে আয়েস করে অজ্জিৎ এর লেখা পড়ছিলাম। মনটা মেঘলা হয়ে গেলো। এর পর পরামর্শ মেনে হনুর লেখা পড়লাম। হঠাৎ যেন বুকে ছুরি ঢোকানোর মত ব্যথা। দরজায় ঘন্টি বাজলো। দেখি ব্যাংকের গসিপ শোনাতে আসা বন্ধু। সব ভদ্রতা ভুলে চেঁচিয়ে উঠলাম-- ভাগ শালা!
    তারপরে মাপ চেয়ে বল্লাম- আমার একটু একলা থাকতে ইচ্ছে করছে।
  • P | ০৬ মে ২০০৮ ১৭:৪৩562232
  • অজ্জিতের লেখা বেশ ভাল লাগল। পড়তে পড়তে এই প্রথমবার মনে হল আমার ও মনের হেতায়-সেথায় আনাচে-কানাচে আমাগো পোড়া ডুবলিন ও বোধহয় এমনি করে ভালোলাগার শ্যাওলা জমিয়ে যাচ্ছে, আমিও হয়তো ফেরার দিন এমনি করে মনখারাপের গপ্প লিখে যাবো। হয়তো।
  • Guruchandali | ১২ মে ২০০৮ ০১:৫২562233
  • ---------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা : বেঁচে থাকার নিয়ম
    ---------------------------------------
  • pi | ১২ মে ২০০৮ ১০:৪৫562234
  • পুস্তকের excerpt এ নিদেনপক্ষে দশটি নিদান, মানে ইয়ে, প্রতিবিধান প্রকাশ করা গ্যালো না ? :)
  • MB | ১২ মে ২০০৮ ১৪:০৩562235
  • পাই,
    ছিলো তো আরো অনেক। (যেমন, খবরদার অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন না, আলোচনা/তক্কের সময় নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করবেন না, সহজ কথা খুব কঠিন করে বলবেন... ইত্যাদি ইত্যাদি) কিন্তু এইকটা টুকে নিতে না নিতেই ঘোড়াদা গুন্ডা লেলিয়ে দিলো। এই বই বিক্কিরি করে বড়োলোক হবে কিনা, তাই কোনো রিস্ক নিচ্ছে না। তাছাড়া, বইয়ের আইডিয়া থেকে DUS-2 সিনিমা হবে পরে, সেইজন্যেও বাড়তি সতর্কতা। :-)
  • Guruchandali | ১৯ মে ২০০৮ ০৮:৩৯562236
  • ---------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা : র‌্যান্ডম অ্যাক্টস অফ ক্রুয়েলটি অ্যান্ড কাইন্ডনেস
    ---------------------------------------
  • san | ১৯ মে ২০০৮ ১০:২৮562237
  • অজদা,খুব ভাল্লাগলো।
  • Arpan | ১৯ মে ২০০৮ ১০:৩৪562238
  • এইটা মারাত্মক ভাল হইল।
  • Paramita | ১৯ মে ২০০৮ ১০:৪৭562239
  • এই গল্পগুলো অন্যভাবেও বলা যেত নিশ্চয়ই কিন্তু এইভাবে বলা হয়েছে বলেই এত ভালো লাগলো।
  • bozo | ১৯ মে ২০০৮ ১১:৪৬562240
  • লেখা টা দারুন লেগেছে, কিন্তু নাম টা এমন কেন? অন্য একটা সুন্দর নাম দিলে ভাল হত না? কুন্দেরার কাল হাত দূরে সরিয়ে আমি নাম দিলাম meander। আমি এখন এই নামটা মাথায় রেখে আবার পড়ব।
  • Du | ২০ মে ২০০৮ ০৩:০২562241
  • ভীষণ ভালো লাগলো।
  • Tim | ২০ মে ২০০৮ ০৬:১১562244
  • একেবারে অন্যরকম লেখা, দারুণ লাগলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন