এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এঁচোড়েপক্ক টক

    byaang
    অন্যান্য | ০৫ এপ্রিল ২০১২ | ২৬৭৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • byaang | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২২:৪১537528
  • রিমি রে, ভেবে দেখলাম, একদিক থেকে তুই ঠিকই বলেছিস।
    গত হপ্তায় ছেলের স্কুলে রেজাল্ট বেরোল, মা বা বাবাকে আনতে যেতে হয়, সই করে হাতে মার্কশীট নিতে হয়। ভালো করে চুল আঁচড়ে পরিপাটি হওয়ার চেষ্টা করে কোনোরকমে ছুটতে ছুটতে শেষ মুহুর্তে স্কুলে পৌঁছোলাম। আমারই মতন আরো কিছু বাবা-মাও ম্যানেজ করেছেন শেষ মুহুর্তের আগে পৌঁছে যেতে। তাদের একে একে সই করিয়ে মার্কশীট দিতে দিতে ক্লাসটিচার আমাকে দেখে হাসিমুখে বললেন, ""হোয়ার ইজ মৈত্রেয়?''
    আমি বল্লুম ""নিশ্চয়ই সুইমিং ক্লাসে হবে। আমি ওকে খুঁজি নি। সোজা ক্লাসে এসেছি মার্কশীট নিতে''
    টিচার বললেন ""কিন্তু মার্কশীট তো মৈত্রেয়র কাছে''
    মুখ দিয়ে একটি আর্ত "কী'' বেরিয়ে এল।
    টিচার বললেন, ""ও আমার কাছে এসে বললা ম্যাম আমি আমার গ্রেডগুলো দেখতে চাই একবার শুধু। আমি জিজ্ঞেস করলাম তোমার মা কোথায়? ও বলল মায়ের আসতে খুব দেরি হবে। আমি শুধু একবার দেখব, আমার গ্রেডগুলো। তারপর আমি অন্য পেরেন্টদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি, ও কোন ফাঁকে মার্কশীট নিয়ে কেটে পড়েছে লক্ষ্য করি নি''
    আগুনজ্বলা মাথা নিয়ে নেমে এসে আঁতিপাঁতি করে খুঁজতে খুঁজতে সিকরুমের সামনে তার খোলা কিটব্যাগ দেখতে পেলাম, তার মধ্যে কোনোরকমে গুঁজে দেওয়া মার্কশীট আর সার্টিফিকেট দেখতে পেলাম। হনহন করে সুইমিংপুলে ঢুকে হিড়হিড় করে ব্যাটাকে টেনে এনে ঐ অবস্থাতেই টানতে টানতে ক্লাসটিচারের কাছে নিয়ে গেলাম। আরেকপ্রস্থ বকুনি খেলেন টিচারের থেকে, আগের প্রস্থটা মায়ের কাছ থেকে খেয়েছিলেন। টিচার যখন বকছিলেন তখন মার্কশীট আর সার্টিফিকেটে চোখ বোলানোর সুযোগ পেলাম। এবার টিচার হেসে বললেন, "" আইএআইএস পরীক্ষার সার্টিফিকেটগুলো পেয়ে খুশি তো? আমি তো ভেবেছিলাম তুমি আজ হাসিমুখে স্কুলের পরীক্ষার মার্কশীট নিতে আসবে!''
    আকাশ থেকে পড়ে বলাম, ""না তো ওগুলো তো পাই নি। আমি ওকে জিজ্ঞেসও করেছিলাম, তুই ঐ পরীক্ষাগুলোর জন্য কোনো সার্টিফিকেট পাস নি? আমন, সিদ্ধান্ত, গগন ওরা তো পেয়েছে। ও তখন আমাকে বলেছিল, 'আমি খুব খারাপ করেছি হয়তো, তাই পাই নি' আমিও আর ঐ নিয়ে মাথা ঘামাই নি। ওর খারাপ লাগবে বলে আর ওকে জিজ্ঞেসও করি নি''
    টিচার চোখ কপালে তুলে উত্তেজিত হয়ে বললেন ""আমি যেদিন অ্যানুয়াল পরীক্ষা শেষ হয়েছিল, সেদিন ওকে দিয়েছিলাম সার্টিফিকেটগুলো। ছুটি হয়ে যাওয়ার পরে বিক্রমজিৎ আমাকে মৈত্রেয়র সার্টিফিকেটগুলো এনে দিয়ে বলেছিল, এগুলো সিঁড়ির তলায় পড়েছিল, আমি তখন মৈত্রেয়কে খুঁজতে গিয়ে দেখি ও ক্রিকেট খেলছে, আমি আবার ওর হাতে দিয়ে বললাম "এগুলো আগে ব্যাগে ভরে নাও, তারপর খেল। এবার কিন্তু আর হারিও না।' তারপরেও হারাল!!!!''

    ওগুলোর ডুপ্লিকেট আবার উদ্ধার করতে কাঠখড় পোড়ানোর মতন উদ্যম নেই বলে কাটিয়ে দিয়েছি ওগুলো ফিরে পাওয়ার আশা।

    তবে আজ রিমি লিখল বলে মনে পড়ল, আমি যেদিন মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট পেয়েছিলাম সেদিনই হারিয়ে ফেলেছিলাম। তখন অবশ্য আমি ক্লাস ইলেভেনে পড়তাম, থ্রী-ফোরে নয়। :-)) আমার বাবা, ছেড়ে আসা স্কুলের হেডমিস্ট্রেস আর নতুন কলেজের দাদারা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট আনিয়েছিল।
  • rimi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২২:৫৯537539
  • কি কান্ড!!!!!!!!!!!!!!!!!!
    তবে আম্রিগার স্কুলে শুনেছি, জিনিসপত্র রেগুলার হারালে স্কুল খুব কড়া স্টেপ নেয়।
    এইটা আমার সেই বন্ধু জোয়ানের গল্প। তার ছোটো মেয়ে লেখাপড়ায় ভালো হলেও খুব ক্যাসুয়াল সব ব্যপারে, আর দায়িত্ববোধ খুব কম (জোয়ানের ভার্সান)। সে স্কুলে তিন তিনবার তার লাঞ্চবক্স হারানোর পরে তার একদিন রিসেস টাইম কাটা গেল। কারণ স্কুলের রুলবুকের একটি রুল হল : Be responsible for your own items। জিনিস হারানো মানে সে রুল ব্রেক করেছে, অতএব তাকে শাস্তি বা মতান্তরে কাজের ফলাফল ভুগতে হবে। তো, রিসেস টাইম কাটা যাবার পরেও যখন অ্যামি আবার খাতা না বই কি যেন হারালো, তখন অ্যামিকে একদিনের জন্যে সাস্পেন্ড করা হল। অ্যামিকে সাস্পেন্ড করার খবর পেয়ে প্রথমে আমি ভেবেছিলাম না জানি কি করেছে, কিন্তু জিনিশ হারানোর জন্যে সাস্পেন্ড করা হয়েছে শুনে আমি থ।
  • Tim | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:০৩537550
  • এর থেকে বেটার হতো, যদি লানচ বক্সটা কোমরে একটা হোলস্টার মত করে আটকে দিলো। ইত্যাদি ইত্যাদি। হারাবার ভয়ও থাকলো না, বেশ লোকশিক্ষেও হলো।
  • byaang | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:০৪537561
  • এনারও বোধহয় আম্রিগার অ্যামির জন্মলগ্নে জন্ম। অ্যাদ্দিন পেন্সিল, ইরেজার, পেন্সিলবক্স, টিফিনবক্স, এমনকি খাতা-বই অব্দি হারিয়ে আসত। বৈচিত্র্য আনতে বোধহয় এবার সার্টিফিকেট হারিয়ে এসেছে। চেপে ধরে জেরা করায় মুখ দেখে মনে হল আকাশ থেকে পড়েছে, কিছুতেই মনে করতে পারল না যে টিচার দুইবার ধরে সার্টিফিকেট ওর হাতে দিয়েছিলেন।
  • Siddhartha | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১০537572
  • খুব-ই নিষ্পাপ ছেলে। আমার ওয়াটার বটল খানা পুরনু হয়ে গেলেই স্কুলের বটগাছতলায় ব্যাগ রেখে মাঠে খেলতে যাওয়া কারুর ওয়াটার-বটলের সাথে পালটে নিতাম। মানে, এক-ই রকম দেখতে বটল।

    একবার অঙ্ক না কিসে ফেল করেছিলাম, তাই এক বন্ধুকে অনেক কাকুতি মিনতি করেছিলাম, তর রেজাল্টটা আমায় দিবি?

    সে পাষন্ড বিনিময় প্রথার এই সুমহান আদর্শে উদবুদ্ধ হয়নি। :(

    ফলে বাড়ি গিয়ে আবার সেই বাবার মুখোমুখি আমাকেই দাঁড়াতে হয়েছিল
  • rimi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১১537583
  • ওরে টিম, কত জিনিস আর কোমরে আটকাবে? সেই মেয়ে সবই হারায় বলে শুনেছি।

    আর ব্যাং, আমিও এইরকম ছিলাম রে, কত যে হারিয়েছি তার ঠিক নেই। ইস্কুলে কেউ শাস্তি দেয় নি। কিন্তু বাড়িতে মা সবসময় বকত, "না চাইতেই পেয়ে যাও তাই কোনো যত্ন নেই"। তখন অবাক হয়ে ভাবতাম, না চাইতেই পেয়ে গেলে যদি এমন হয়, তাহলে না চাইতেই দাও কেন? তবে এগুলো মনে মনেই ভাবতাম, মুখে বলার সাহস ছিল না। :-((
  • byaang | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১২537594
  • সিদ্ধার্থর পোস্ট দেখে গোবিন্দা-চাংকি পান্ডের সিনেমা আঁখের কথা মনে পড়ে গেল। ফেল করে ফার্স্টবয়কে পিটিয়ে তার কাপ-মেডেল-মার্কশিট কেড়ে এনেছিল নিজেরা পেয়েছে বলে বাবাকে দেখানোর জন্য।
  • rmi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৩537605
  • হবেই তো। সিনেমা তো জীবনের তথা সমাজের দর্পণ!
    বলিউডের সিনেমা বলে কি আর সিনেমা নয়?
  • Tim | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৪537616
  • আমি তো হয় ওয়াটার বটল হারাতাম নয়ত যুদ্ধ করে করে ভাংতাম। জল এমনিতেও খেতাম না, তাই কিসু এসে যেতনা।

    রিমিদি, একে একে সমস্তই কোমরে আটকে দেয়া হবে। গোল গোল করে বারো তেরোটা হোলস্টার।

    তবে চিন্তা নেই, একটা দুটো জিনিস হারালেই দেখবে সব মনে থাকছে। রোমালের গিঁটের মত ব্যাপার। :-)
  • Tim | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৫537628
  • বলিউডের সিনিমা প্রখর বাস্তব।
  • byaang | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৭537639
  • ইয়ে রিমি, সত্যি বলতে কী, আমিও এরকমই ছিলাম। সবই হারিয়ে আসতাম। মায় ছাতা-সোয়েটার অব্দি। আর একটা অদ্ভুত কাকতালীয় ব্যাপার ছিল সেগুলো কীভাবে জানি হয় বুধবার নয় শনিবার হারাত। বৃহস্পতিবার আর রোব্বার ছুটি থাকত। মা পরেরদিনই সকালে স্কুলে গিয়ে সেগুলো খুঁজে আনার চান্সে পেত না বলে দুই রাত্তির একদিন ধরে বকুনি চলত। তখন নিজের উপরেই ঘেন্না হত কেন সোমবার, মঙ্গলবার, শুক্রবার জিনিস হারাতে পারি না ভেবে। একবার অ্যানুয়াল পরীক্ষার আগে ইংরাজি টেক্সটের খাতা হারিয়ে ফেললাম। মা সারা সকাল ধরে অর্পিতাদের বাড়ি গিয়ে ওর খাতা দেখে সব প্রশ্নোত্তর টুকে আনল। তখন পাড়ার মোড়ে মোড়ে জেরক্সের দোকান হয় নি। ওয়ান না টুয়ে পড়তাম তখন।
  • Siddhartha | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৯537650
  • আমার শেষ হা১ আ৩ ২০০৭ সালে।

    প্রায় ১ ভরি (আচ্ছা ভরি কাকে বলে? আঙ্গটিটা না কি প্রায় এক ভরির ছিল) সোনার আঙটি পইতে-তে পেয়েছিলাম।

    মাকে বলিনি। ইন ফ্যাক্ট, আংটিটা যে হারিয়েছে আমি নিজেই ভুলে গেছিলাম। কলকাতায় আমার হবু বউ আবিস্কা করল। মা-কে চেপে গেছিলাম।

    তারপর মা যখন জানল, সেই রাগে শোকে যে কি করল থাক সে কথা :(
  • riddhi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৪০537661
  • আমেরিকার স্কুলে একটা লাভ, এইসব একটু ভুলুনি স্বভাব থাকলে, কিছু একটা বলে প্রোটেকসান পাওয়া যায়। 'অন্যমনস্কতার অসুখ' বলে সত্যি কিচু আছে কিনা হয়তো প্রমাণিত নয় এখনো, তবু প্রচুর লোক এটা নিজের বাচ্চাদের জন্য ক্লেম করে। জেনুইন থাকতেই পারে ১ ২ পার্সেন্ট, তবে ফলস পসিটিভ বেশী হবার খুব চান্স।
  • pipi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৪২537672
  • যাচ্চলে! মাঝখানের পোস্টগুলো গেল কই!!! কতকিছু লিখলাম যে!
  • m | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৩537683
  • বা: চমৎ কার একখান টই খুলেছো:))
  • pi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৫537694
  • পিপি, কেউ ব্যাকাপ না নিয়ে রেখে থাকলে উড়ে গেছে।
  • pipi | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৬537705
  • :-((
  • Update | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৭537716
  • Name:byaangMail:Country:

    IPAddress:122.172.199.58Date:05Apr2012 -- 11:20PM

    ওয়াটারবটলের যুদ্ধটা আমিও করতাম। ওয়াটারবটলের স্‌ট্‌র্‌যাপটাকে ধরে জোরে দুলিয়ে অন্যজনের ওয়াটারবটলে মারতে হত। একই সঙ্গে তার ওয়াটারবটলটা জন্য আমার ওয়াটারবটলেই লাগে, ফস্কে গিয়ে আমার গায়ে না লাগে সেই খেয়াল রাখতে হত। বাইচান্স ফস্কে গিয়ে গায়ে এসে লাগলে হেব্বি ব্যথা করত।

    Name:byaangMail:Country:

    IPAddress:122.172.199.58Date:05Apr2012 -- 11:22PM

    * তার ওয়াটারবটলটা যেন আমার ওয়াটারবটলেই লাগে

    Name:rimiMail:Country:

    IPAddress:168.26.205.19Date:05Apr2012 -- 11:22PM

    এদিকে আমার আবার উল্টো ব্যপার। ললিপপ স্কুলে কয়েকবার ওয়াটার বটল হারিয়েছে। বাড়িতে এসে আবিষ্কার করার পরেই চিল চিত্‌কার, "এখুনি স্কুলে ফিরে চল, বটল খুঁজে আনতে হবে"। আমি যত বলি, বাদ দে, কাল সকালে স্কুলে গিয়ে ঠিকই পেয়ে যাবি, এখন যাবার দরকার নেই!! কে শোনে কার কথা! তখন আরো ছোটো ছিল। কান্নাকাটি জুড়ে দিত, ফলে আমাকে তখনি আবার স্কুলে ছুটতে হত। এইরকম কয়েকবার হবার পরে আমি ওয়াটার বটল দেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছি। কল থেকে জল খায় এখন।

    Name:rimiMail:Country:

    IPAddress:168.26.205.19Date:05Apr2012 -- 11:23PM

    আইব্বাপ হবু বউ কতদিন ধরে হবু ছিল?

    Name:SiddharthaMail:Country:

    IPAddress:131.104.32.147Date:05Apr2012 -- 11:25PM

    কেন? এখন আর হবু নাই। বিয়ে হয়ে গেছে।

    আমি কানাডা আর সে সাত-সমুদ্দুর পেরিয়ে কলকেতা।

    Name:huMail:Country:

    IPAddress:12.34.246.72Date:05Apr2012 -- 11:27PM

    ধুর! আমি কোনদিনই কিছু হারাই নি, ভাঙিও নি। আমার মা তো আর অন্যদের মায়েদের মত মিষ্টভাষিনী ছিল না। ভয়ের চোটেই সব ঠিকঠাক রাখতাম। মায়ের কবল থেকে বেরিয়ে আসার পর এখন নিজের দায়িত্বে জিনিস হারাই আর নষ্ট করি।

    Name:huMail:Country:

    IPAddress:12.34.246.72Date:05Apr2012 -- 11:28PM

    ধুর! আমি কোনদিনই কিছু হারাই নি, ভাঙিও নি। আমার মা তো আর অন্যদের মায়েদের মত মিষ্টভাষিনী ছিল না। ভয়ের চোটেই সব ঠিকঠাক রাখতাম। মায়ের কবল থেকে বেরিয়ে আসার পর এখন নিজের দায়িত্বে জিনিস হারাই আর নষ্ট করি।

    Name:TimMail:Country:

    IPAddress:198.82.25.39Date:05Apr2012 -- 11:33PM

    ক্ষি অবস্থা! পোস্টও হারিয়ে ফেলছে ...

    Name:pipiMail:Country:

    IPAddress:129.74.191.152Date:05Apr2012 -- 11:33PM

    কি কাণ্ড! ইস্কুল কালেজে কস্মিন কালেও কিচ্ছুটি হারাই নি। প্রতিভা ছিল বটে জিনিস না হারানোর (আসলে ছিল প্রবল পিটুনির ভয়)। টুকটাক জিনিস হারানো শুরু হল প্রথম বিদেশ বাসে। তবে তা আবার কপালগুণে ঠিক পেয়েও যেতাম কাজেই তাকে ঠিক পুরোপুরি হারানো বলা চলে না। হারানোর প্রবল ব্যাধি ধরল এই পোড়ার আম্রিগা এসে। মাগো! পেন পেন্সিল জুতো ছাতা নোটবুক বাড়ির চাবি এসব ছুটকো ছাটকা জিনিস তো ক্ষণে ক্ষণে হারাই, যেদিন পার্কিং লটে আস্ত গাড়িটাকে হারিয়ে ফেললাম সেদিন বুঝলাম ষোল কলা পূর্ণ হতে বেশি বাকী নেই। এবার খালি নিজেকে হারানোর পালা।

    Name:byaangMail:Country:

    IPAddress:122.172.199.58Date:05Apr2012 -- 11:33PM

    কেউ একজন ব্যাকাপ নিয়ে রাখ, ১১:১৯এর পোস্টের পরের পোস্টগুলোর।

    Name:pipiMail:Country:

    IPAddress:129.74.191.152Date:05Apr2012 -- 11:34PM

    এই ত্তো! হুচের সাথে আমার ক্ষি মিল! লগুড়েন ধনঞ্জয় বড় ভারী জিনিস!

    Name:TimMail:Country:

    IPAddress:198.82.25.39Date:05Apr2012 -- 11:35PM

    আমি উত্তাল ক্যাল খেতাম কিন্তু তাও হারাতাম।

    Name:byaangMail:Country:

    IPAddress:122.172.199.58Date:05Apr2012 -- 11:36PM

    আমি পিটুনি খেতাম প্রবল, কিন্তু তাও আবার হারাতাম।
  • byaang | ০৫ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৯537727
  • থ্যাংকু তিমি
  • rimi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১০537750
  • "অন্য মায়েদের মতন মিষ্টভাষিনী" মানে কি? আমাদের জেনারেশনে কোনো মাই কি মিষ্টভাষিনী ছিল? কিন্তু এখনকার জেনারেশনের ছেলেমেয়েরা অনেক বেশি সৌভাগ্যবান (ব্যাঙাচির মতন দুএকটি হতভাগ্য ছাড়া :-(্‌
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১০537739
  • ক্যাল খেতাম আবার কি! তোমরা কেউ দুধ খাওনি বলে তোমাদের মা কলতলায় হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে গিয়ে সারাবাড়ির ছেলে-মেয়েদের সামনে তোমাদের মাথায় দুধ ঢেলে দিয়েছে? বার করতো বটে মাথা খাটিয়ে! উফ! কি হিউমিলিয়েশন! আর ব্যাংদির মত পরীক্ষার আগের দিন খাতা হারাতাম যদি তাহলে তো আর দেখতে হত না। অমন ভালোমানুষ নয় যে নিজে আবার খাতা বানিয়ে দেবে। আমাকেই বানাতে হত, পড়তেও হত আমাকেই। সারা ছোটবেলাটা শোষিত হয়ে এলাম। সেলাইগুলো পর্যন্ত নিজে নিজে সব করতে হয়েছে। ভাবো একবার! এদিকে সক্কলকে দেখে এলাম মা নয়তো মাসি নয়তো কাকী সেলাই করে দেয়। কেন যে হিমালয়ে চলে যাওয়ার কথা মাথায় আসে নি তখন!
  • pi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১২537761
  • আমি আগে হারাতাম। প্রচুর ক্যাল খেতাম। বুড়ো বয়স অব্দি।শেষ ক্যালটা বোধহয় অ্যাডমিট কার্ডের জন্য খেয়েছিলুম।মিনিবাস স্ট্যান্ডে গিয়ে উদ্ধার করে আনতে হয়েছিল। পরীক্ষা অবশ্যই শুরু হয়ে গেছিল।
    এখন আর খাইনা। এখনো হারাই।
    এতদ্বারা ক্যাল ও নন ক্যাল, দুয়েরই অসারত্ব প্রমাণিত হল।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৩537772
  • হায় হায় ব্যাঙাচির হতভাগিনী মায়ের জন্য কারুর সমব্যাদনা নাই গো!!
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৪537805
  • সত্যি! আমার ভাই যখন হল তখন ওর মুখে আমি মধু দিলাম। মধু দিলে নাকি মিষ্টভাষী হয়। কেন যে মায়ের মুখেও দিই নি তখন একটু!
  • rimi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৪537794
  • আরে নিজে নিজে সেলাই করা তো ভালো রে হু। আমি তো আবার সেলাই করতে এমনই ভালোবাসতাম যে নিজের ক্লাসের সেলাই তো করতামই, অন্যদের সেলাইও পারলে করে দিতাম।
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৪537783
  • রিমিদিকে একঝুড়ি ক। উপরন্তু সব মায়েরাই মার্শাল আর্ট জানতো।

    হুচেকে শাস্তি হিসেবে দুধে স্নান করিয়ে দিত। বোঝো!
  • pi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৫537857
  • হু, দিদিমণি মা রা কি বাড়িতেও রাগি দিদিমণিই থাকেন ?
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৫537850
  • বন্ধুর মায়েরা সাধারণত: মধুভাষিনী হয়। চিরকাল দেখে এসিচি।
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৫537838
  • রিমিদি, তুমি কেন আমার স্কুলের হলে না? :-(
    সেলাই করতে আমি এখন ভালোবাসি। কিন্তু তখন ছিল দুচক্ষের বিষ।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৫537827
  • হুচি, দু:খু করিস নি। ঐ দুধ না খাওয়া নিয়ে এত সব মর্মান্তিক শাস্তির স্মৃতি আজও আমাকে ক্ষতবিক্ষত করে কী বলব! সাধে কি ক্লাস ফোর থেকে ফাইভে ওঠার সময়ে রাজীব গান্ধীকে চিঠি লিখেছিলুম, যেসব বাপ-মারা ছেলেমেয়েদের পেটায়, তাদের জেলে ভরে রাখার পরামর্শ দিয়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন