এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • স্বামী বিবেকানন্দ ই: নির্মোহ (তিন)

    Samik
    অন্যান্য | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ | ৬৪৯৫২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Shanku | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:১২513384
  • আমার একটা জিনিস জানার খুব দরকার।
    এর এক নম্বর টইতে দেখেছিলাম শ্রী শিরীষ যাদবের কথা।
    তিনি এখন কোথায়, কি করেন, কি ভাবে যোগাযোগ করা যায় কেউ জানালে খুব ভালো হয়।
  • ranjan roy | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৪:১৮513395
  • হটাৎ এই টইয়ে চোখ পড়ল, একটু অবাক হলাম।
    আমার ধারণা ছিল যে এটি আন-মডারেটেড সুতো। তার মানে এখানে কারও আবাহন ও নেই, বিসর্জন ও নেই। এখান থেকে কাউকে চলে যেতে তো গুরুর সম্পাদকমন্ডলীও বলতে পারেন না। তাই বিপ্লব পালকে সোজাসুজি গলা ধাক্কা দেয়া দেখতে পেয়ে একটু অবাক হলাম। বিপ যদি কোন বিষয়ে উল্টোপাল্টা ভাট বকেন তো সেটা ধরে ফেলার মত গুণীজ্ঞানী এখানে অনেক আছেন। খুব বেশি হলে উনি সবার খোরাক হবেন। আমরা ইতরজন কিছু নির্মল আনন্দ পাব। এতটা সেল্ফ-রাইচাস হবার কি আছে?
  • PM | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৪:২৯513406
  • কে দিলো? বরং একটা টই শুধু ওনার জন্যই খোলা হয়েছে দেখলাম। টই খুলে সব টোপ, চাড় নিয়ে বসে আছে কখোন উনি এসে বানী দেবেন
  • dukhe | ০৪ এপ্রিল ২০১২ ১০:২৪513439
  • বড়াই কি একদা ভূপেন দত্তের বই চেয়েছিলেন ? 'স্বামী বিবেকানন্দ' বলে একটা বই আছে - নবভারত পাবলিশার্স।
  • dd | ০৪ এপ্রিল ২০১২ ১১:৫৯513450
  • দুখের লিংটা পড়লাম। বেশ নির্মোহ লেখা। বি কে ভিন্ন ভিন্ন অডিয়েন্সের কথা ভেবে ভিন্ন বা কনফ্লিক্টিং কথা বলেছেন - সজ্ঞানে, স্বেচ্ছায়। এটা যুক্তি হিসেবে মেনে নিতে অসুবিধে নেই - কিন্তু খুব ব্রড সেন্সে।

    কিন্তু যখন কোনো ইস্যু নিয়ে (যেমন বাল্যবিবাহ)যদি তাঁর ভিউ বদলে থাকেন কোনো মহাপুরুষ - সেটাকেও ঐ অধিকারী ভেদে ভিন্ন জ্ঞান বলে এক আসনে বসাতে চাই না।

    আর ঐ "কাব্যিক সত্য" যেটা বলেছেন লেখক,(আর আমি মোহভরে যাকে গুল্প বলি) সেটা মেলাতে পারলাম না। এটাই বোধয় শ্রদ্ধাশীল মানুষ আর ভক্তদের তফাৎটা বোঝায়।
  • Mridha | ২৪ জুন ২০১৩ ২২:২২513461
  • য্খন এই টাইটা নিজের গতিতে চলছিলো, কিছুকথা এখান ওখান থেকে নিয়ে এই বিষয়ে, নিজের মতো করে লিখতে ইচ্ছে করছিলো, কিন্তু কিছুতেই যেটা, বলতে চাইছিলাম ধরতে পারছিলম না।

    নিজেকে খুব একটা ধর্মপ্রান মনে করি না, আবার সেকুলার বলার গর্বও করতে ইচ্ছে করে না, আবার Humanity is my religion বলার মত মহান ও নই, আর কেউ অন্ধ বিশ্বাসি বল্লেও রাগ হবে।

    I am not qualified to comment on this subject, as I don’t have enough study in all the religious believes, not even in a single religion, neither I very strictly follow any religious practice, whatever I am talking is from my personal curiosity of solving puzzles and reading or collecting information in bits and pieces from here and there whatever caught my interest or stimulate my thought process, and also attempt to make sense of whatever happening around us.

    কিছুদিন আগে এই ভাবনাগুলো নিয়ে একটা লেখায়, মনে হলো, নিজের ভাব্নাটা অনেকটা ধরতে পেরেছি। অনেক দোনো মনো করে সাহস করে নেটে তুলে দিলাম।

    এই লিন্কে লেখাটা তুলে দিলাম, অনেক গুলো পাতা আছে এখানে copy paste করলে অনেকটা জায়গা নিয়ে নেবে।

    https://sites.google.com/site/psmridha/articles/what-is-over-there
  • siki | ২৫ জুন ২০১৩ ০০:৩১513472
  • সেকুলার বিশেষণটা ঠিক ধর্মপ্রাণের অপোজিটে আসে না। তবে আপনার লেখা পড়ে দেখছি।
  • Blank | ২৫ জুন ২০১৩ ০২:১০513484
  • লোকটা সারা জীবন বলে এলো মুচি মেথর ইত্যাদিরা ওনার ভাই। এদিকে বই পত্তর লিখলো ইংরেজিতে। নিম্নবর্গীয় মানুষদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে
  • rivu | ২৫ জুন ২০১৩ ০৩:২২513495
  • কেন? বিবুদার বাংলা লেখাও তো বেশ আছে।আর বেশ কিছু লেখা আম্রিগাতে বসে লেখা, ও বক্তৃতা ইঃ সেগুলো তো ইন্জিরিতেই দিতে হবে।
  • khilli | ২৫ জুন ২০১৩ ১০:১৮513517
  • বিবুদা বাংলায় কি লিখেছিল সেটা জানতে গেলে তো পড়তে হবে, বদ্ধ ঘরে আটকে থাকলে কি আর জানা যায় ? আর বাংলা তে ওর লেখা তেই ওই সময় এর নিরিখে দৈনন্দিন জীবন ঘেষা ভাষা দেখা যায়। সিকি কে জিগিয়ে দেখো, সে তো গুরুতেই লিখেছিল এক কালে। তারপর মতবিরোধ থাকতেই পারে কিন্তু কি লিখেছে সেটা নিয়ে সমালোচনা করার আগে তো পড়তে হবে
  • dukhe | ২৫ জুন ২০১৩ ১০:২৫513528
  • এইটা রেকমেন্ড করলাম -
    স্বামী বিবেকানন্দ বাংলা রচনা সংকলন - সম্পাদনাঃ বিশ্বজিৎ রায় (বাংলা আকাদেমি)।
  • ন্যাড়া | ২৫ জুন ২০১৩ ১০:২৭513539
  • ইংরিজিতে না লিখে বাংলায় লিখলে "মুচি-মেথর" সেসময়ে পড়তে পারতেন? এখন পারবেন?
  • ranjan roy | ২৬ জুন ২০১৩ ০০:৫২513550
  • অবশ্যই উনি উচি-মেথর অর্থাৎ নিম্নবর্গীয়দের জন্যে লেখেন নি, বাংলা বা ইংরেজিতে। ওঁর বাংলা লেখা খুব টানটান, পরিশীলিত--এলিটবর্গের জন্যে লেখা। আর অত্যন্ত ভালো। এটা, মানতে অসুবিধে কোথায়। ওঁর ভ্রমণকাহিনীর বাংলা তো গদ্যে প্রায় বিপ্লব এনেছিল।

    আর মুচি-মেথর কে ভাই বলা, 'তুমিও কটিমাত্র বস্ত্রাবৃত হইয়া সদর্পে ডাকিয়া বল" ইত্যাদি বেশ আবেগাপ্লুত লেখা। নিম্নবর্গের জন্যে অ্যাবস্ট্রাক্ট ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু ওদের ইন্ভলভড্‌ করে কোন কর্মসূচী নেই। কারণ বিবেকানন্দ মুক্তি খুঁজে ছিলেন আধ্যাত্মিকতায়, তাঁর কর্মযোগ মূল ভক্তিবাদের আনুষঙ্গিক উপকরণ মাত্র।
  • ranjan roy | ২৬ জুন ২০১৩ ০০:৫৩513561
  • দুখে কে ধন্যবাদ। বইটা কিনে পড়ব।
  • Lama | ২৬ জুন ২০১৩ ১২:৪৭513572
  • Name: Blank

    IP Address : 69.93.244.141 (*) Date:25 Jun 2013 -- 02:10 AM

    লোকটা সারা জীবন বলে এলো মুচি মেথর ইত্যাদিরা ওনার ভাই। এদিকে বই পত্তর লিখলো ইংরেজিতে। নিম্নবর্গীয় মানুষদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে
    ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

    সে তো আমরাও বলে থাকি কামদুনি থেকে শুরু করে সোনি সোরি পর্যন্ত সবার জন্য আমাদের প্রাণ কাঁদে। এদিকে লিখি গুরুতে। কামদুনির লোকেরা গুরু পড়ে?
  • Lama | ২৬ জুন ২০১৩ ১২:৫০513583
  • তাছাড়া বিবুদা বাংলায় লেখেন্নি বলে তো কখনো শুনি নি। ব্যক্তিগত পছন্দের কথা যদি বলা যায়, বাংলায় আমার প্রিয় সাহিত্যিকদের মধ্যে একজন- ধর্মবিষয়ক কথাবার্তার জন্য নয়, ভ্রমণকাহিনীর জন্য।
  • pi | ১৩ জুলাই ২০১৩ ০২:৫৯513595


  • দুখেদা বা অন্য কেউ, দ্বিতীয় সেটের বাণীগুলো আদৌ সত্যি বলেছিলেন কিনা, বা বললে কোন কন্টেক্সটে, জানা যাবে ?
    এটা নেটে বেশ ঘুরে চলেছে।
  • pi | ১৩ জুলাই ২০১৩ ০৪:১৭513617
  • থ্যাঙ্ক্স।
  • rivu | ১৩ জুলাই ২০১৩ ০৮:৩৮513628
  • এখানে কিছু কথা মনে হলো আউট অফ কন্টেক্স্ট কোট করা হয়েছে, যাতে মিনিং গুলোতে খুব বেশি নেগেটিভ কনোটেশন এসে গেছে।

    প্রথমে ধরুন "কুমোর কুমোরই থাকবে"। এটা স্বামী শিষ্য সংবাদের থেকে। গল্পটা কিছু এরকম ছিল যে স্বামীজি বলছেন তথাকথিত নিচু (প্রবাবলি ইতর শব্দ টা ব্যবহার করেছেন, কিন্তু নেগেটিভ ভাবে নয়) জাতের মধ্যে শিক্ষা প্রসার করার কথা, কারণ তা নাহলে এঁরা সংঘবদ্ধ হয়ে এই "ভদ্র লোক" (শিষ্য যে সমাজের লোক) এর সমাজ কে ধংস করে দেবে। শিষ্য বলছেন যদি এরা শিক্ষা পায় তাহলে কি এই "ভদ্র সমাজ" এর মত কর্মবিমুখ, আলোচনা প্রিয় হয়ে যাবেনা? এখানে শিষ্য নিজের আইদেন্তিটিকে ভিলিফাই করছেন। তার উত্তরে স্বামীজি বলছেন, না তা কেন? তারা এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজের কাজ আর ভালোভাবে করবে। সেই প্রসঙ্গেই "কুমোর কুমোরই থাকবে"। যে নেগেটিভিটি ইম্পোজ হচ্ছে আউট অফ কন্টেক্স্ট কোট করে, অরিজিনালে সেটা ছিলনা। আবার বলছেন, এদের মধ্যে কেউ কেউ তথাকথিত ভদ্র সমাজের কাজ (যথা রাজনীতি, চুদুরবুদুর) এই সব করার যোগ্য হয়ে উঠবে। তখন ভদ্র সমাজ তাদের নিজেদের মধ্যে করে নেবে। লক্ষ্যনীয়, ভদ্র সমাজ এখানে আসছে "ক্ষত্রিয়"র রেফারেন্সে, যেখানে ভদ্র সমাজের কাজ হচ্ছে দেশের নীতি নির্ধারণ করা।

    "তুই বামুন, অপর জাত": ডেফিনিটলি বিবেকানন্দ শিষ্যকে বলছেন বামুনের অন্ন খেতে (কারণ, শিষ্য বামুন) কিন্তু তার আগেই বলছেন খাদ্যের দোষের কথা, যেখানে "জাত" নয়, রাঁধুনির সততার বিচার করা হয়েছে। বিবেকানন্দের বামুন ঠিক জন্মগত বামুন নয়, সেই যে ব্রম্ভজ্ঞান লাভ করেছে। ভদ্রলোকের মূল প্রোপাগান্ডা হচ্ছে বৈদিক ভারতবর্ষ, যা ঠিক মুসলিম কে মারার কথা বলেনা, কিন্তু বৈদিক ঋষি মুনির আদর্শে দেশ চালানোর কথা বলে। এটা নিয়ে ডিটেলে আলোচনা পরে হবে।

    জাতিভেদ ও ত্রিশ কোটি মানুষ প্রসঙ্গে, এটা একটা বক্তৃতার অংশ, যেখানে বিবেকানন্দ বলছেন যে হ্যান জাতিভেদ খারাপ মানি, কিন্তু তোমাদের (প্রাশ্চাত্যের) নিজের জাতিভেদ আছে, যেটা নির্ধারিত হয় টাকার বেসিসে। তারপরেই ভদ্রলোক অফেন্সে চলে যাচ্ছেন। এই কথাটা ইউজ করা হচ্ছে এই সেন্সে যে ভারতে কাজ নির্ধারিত হচ্ছে জাতির বেসিসে, এবং সকল জাতির মানুষই খেতে পাচ্ছে, কারণ সকলের নির্ধারিত কাজ আছে। তারপরে বেশ কিছু কথা বলছেন যেগুলো জাস্ট বলার জন্যেই বলা, যেমন জাতিভেদ আছে বলে সংস্কৃত বই আছে ইত্যাদি। তারপরে আবার বলছেন জাতিভেদ পারফেক্ট নয়। খেয়াল করবেন এই বক্তৃতাটা পাশ্চাত্যে, যেখানে বিবেকানন্দ ভারতকে বেচতে গেছেন এবং ভারতের সামান্য থেকে সামান্য নিন্দায় অল আউট অফেন্সে যাচ্ছেন। বিবেকানন্দ বৈদিক কাস্ট সিস্টেমের সমর্থক, কেন, কি সেন্সে এবং আমার মতে সেটা ভুল কোথায় সেটা আলাদা ব্যাপার, কিন্তু ঠিক কাস্ট সিস্টেম না থাকলে মানুষ খেতে পেতনা, এই সেন্সে কথাটা উনি ব্যবহার করেননি।

    "সমাজ সংস্কার ধর্মের কাজ নয়" এটার রেফারেন্সটা মনে পড়ছেনা, কারো কাছে থাকলে বলবেন।
  • dukhe | ১৩ জুলাই ২০১৩ ১৪:০৫513639
  • সমাজ সংস্কার ধর্মের কাজ নয় - এটা তো বিবুদা বলতেনই। জাতিভেদকে উনি বরাবরই ধর্মীয় নয়, সামাজিক বিধান হিসেবে দেখেছেন। সামাজিক ব্যাপারে ধর্মকে জড়াতে বারণ করে এসেছেন।

    আর স্বামি শিষ্য সংবাদে যেমন বামুন বামুনের অন্ন খাবার কথা আছে (যেটা হয়তো উনি শিষ্যের মানসিকতার উপযোগী করে বলেছিলেন), তেমনি এটাও আছে -

    কিছুক্ষণ পরে স্বামীজী রহস্য করিয়া উপস্থিত সকলকে বলিতে লাগিলেন, ‘আর এক কথা শুনেছেন, আজ এই ভট‍্‍চায বামুন নিবেদিতার এঁটো খেয়ে এসেছে। তার ছোঁয়া মিষ্টান্ন না হয় খেলি, তাতে তত আসে যায় না, কিন্তু তার ছোঁয়া জলটা কি ক’রে খেলি?
    শিষ্য। তা আপনিই তো আদেশ করিয়াছিলেন। গুরুর আদেশে আমি সব করিতে পারি। জলটা খাইতে কিন্তু আমি নারাজ ছিলাম; আপনি পান করিয়া দিলেন, কাজেই প্রসাদ বলিয়া খাইতে হইল।
    স্বামীজী। তোর জাতের দফা রফা হয়ে গেছে—এখন আর তোকে কেউ ভটচায বামুন বলে মানবে না!
    শিষ্য। না মানে নাই মানুক। আমি আপনার আদেশে চন্ডালের ভাতও খাইতে পারি।

    'কুমোর কুমোরই থাকবে' কোটের আরো একটু -

    জ্ঞানোন্মেষ হলেও কুমোর কুমোরই থাকবে, জেলে জেলেই থাকবে, চাষা চাষই করবে। জাত-ব্যবসা ছাড়বে কেন? 'সহজং কর্ম কৌন্তেয় সদোষমপি ন ত্যজেৎ'-এই ভাবে শিক্ষা পেলে এরা নিজ নিজ বৃত্ত ছাড়বে কেন? জ্ঞানবলে নিজের সহজাত কর্ম যাতে আরও ভাল করে করতে পারে, সেই চেষ্টা করবে।
  • dukhe | ১৩ জুলাই ২০১৩ ১৬:০৪513650
  • এইটা -

    শিষ্য। কিন্তু মহাশয়, ইহাদের ভিতর শিক্ষার বিস্তার হইলে ইহারাও তো আবার কালে আমাদের মতো উর্বরমস্তিষ্ক অথচ উদ্যমহীন ও অলস হইয়া উহাদিগের অপেক্ষা নিম্নশ্রেণীর লোকদিগের পরিশ্রমের সারাংশ গ্রহণ করিতে থাকিবে?

    স্বামীজী। তা কেন হবে? জ্ঞানোন্মেষ হলেও কুমোর কুমোরই থাকবে, জেলে জেলেই থাকবে, চাষা চাষই করবে। জাত-ব্যবসা ছাড়বে কেন? 'সহজং কর্ম কৌন্তেয় সদোষমপি ন ত্যজেৎ'-এই ভাবে শিক্ষা পেলে এরা নিজ নিজ বৃত্তি ছাড়বে কেন? জ্ঞানবলে নিজের সহজাত কর্ম যাতে আরও ভাল করে করতে পারে, সেই চেষ্টা করবে।

    আর, ইয়ে, পাই, কোটেশনওয়ালা ছবিটা পুনরায় প্রমাণ করে - অল্পবিদ্যা চিরকালই ভয়ঙ্করী। অথবা কেউ ইয়ার্কি মেরে দেখছেন কতজন মুরগী হন। দুনিয়ায় টুপি খাওয়ার লোকের কি আর অভাব আছে হে? তাইলে আর অ্যাদ্দিন করে খাচ্ছি কী করে?

    পড়াশোনা করতে হলে এখানে অনেক কিছু পাওয়া যাবে - http://www.dduttamajumder.org/baniorachana
  • দীপ | ১৩ জুলাই ২০১৩ ১৬:১৫513661
  • যাঁদের কাছে বাংলায় 'বাণী ও রচনা' নেই, তাঁদের সুবিধার্থে এই লিঙ্কটা দিচ্ছি -
    http://www.ramakrishnavivekananda.info/vivekananda/volume_7/conversations_and_dialogues/from_the_diary_of_a_disciple/scc_vii.htm

    'কুমোর কুমোরই থাকবে' এই উক্তির আশপাশটা একটু পড়ে নেবেন।

    Disciple: But, sir, with the spread of learning among them, they too will in course of time have fertile brains but become idle and inactive like us and live on the fruits of the labour of the next lower classes.

    Swamiji: Why shall it be so? Even with the awakening of knowledge, the potter will remain a potter, the fisherman a fisherman, the peasant a peasant. Why should they leave their hereditary calling? " — Don't give up the work to which you were born, even if it be attended with defects." If they are taught in this way, why should they give up their respective callings? Rather they will apply their knowledge to the better performance of the work to which they have been born.

    এরপরেই রয়েছে -
    "When the masses will wake up, they will come to understand your oppression of them, and by a puff of their mouth you will be entirely blown away! It is they who have introduced civilisation amongst you; and it is they who will then pull it down. Think how at the hands of the Gauls the mighty ancient Roman civilisation crumbled into dust! Therefore I say, try to rouse these lower classes from slumber by imparting learning and culture to them. When they will awaken — and awaken one day they must — they also will not forget your good services to them and will remain grateful to you."

    অর্থাৎ কুমোরকে শিক্ষাদান কর যাতে সে আরো ভাল কুমোর হতে পারে এবং উচ্চবর্ণের প্রতি তার আনুগত্য বজায় থাকে। আরে সে ব্যাটা তো জন্মেছেই জন্ম জন্মান্তর ধরে কুমোরগিরি করতে। নইলে বিষম বিপদ - সমাজ বিপ্লব আর ব্রাহ্মণের সর্বনাশ!
  • dukhe | ১৩ জুলাই ২০১৩ ১৬:৩৫513683
  • বলতে বলতেই। :)

    "স্বামীজী। তোদের মতো তারা কতকগুলো বই-ই না-হয় না পড়েছে। তোদের মতো শার্ট কোট পরে সভ্য না-হয় নাই হতে শিখেছে। তাতে আর কি এল গেল! কিন্তু এরাই হচ্ছে জাতের মেরুদন্ড-সব দেশে। এই ইতর শ্রেণীর লোক কাজ বন্ধ করলে তোরা অন্নবস্ত্র কোথায় পাবি? একদিন মেথররা কলকাতায় কাজ বন্ধ করলে হা-হুতাশ লেগে যায়, তিন দিন ওরা কাজ বন্ধ করলে মহামারীতে শহর উজাড় হয়ে যায়! শ্রমজীবীরা কাজ বন্ধ করলে তোদের অন্নবস্ত্র জোটে না। এদের তোরা ছোট লোক ভাবছিস, আর নিজেদের শিক্ষিত বলে বড়াই করছিস?

    জীবনসংগ্রামে সর্বদা ব্যস্ত থাকতে নিম্নশ্রেণীর লোকদের এতদিন জ্ঞানোন্মেষ হয়নি। এরা মানববুদ্ধি-নিয়ন্ত্রিত কলের মতো একই ভাবে এতদিন কাজ করে এসেছে, আর বুদ্ধিমান চতুর লোকেরা এদের পরিশ্রম ও উপার্জনের সারাংশ গ্রহণ করেছে; সকল দেশেই ঐ-রকম হয়েছে। কিন্তু এখন আর সে কাল নেই। ইতরজাতিরা ক্রমে ঐ-কথা বুঝতে পাচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে সকলে মিলে দাঁড়িয়ে আপনাদের ন্যায্য গন্ডা আদায় করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছে। ইওরোপ-আমেরিকায় ইতরজাতিরা জেগে উঠে ঐ লড়াই আগে আরম্ভ করে দিয়েছে। ভারতেও তার লক্ষণ দেখা দিয়েছে, ছোটলোকদের ভেতর আজকাল এত যে ধর্মঘট হচ্ছে, ওতেই ঐ-কথা বোঝা যাযাচ্ছে। এখন হাজার চেষ্টা করলেও ভদ্র জাতেরা ছোট জাতদের আর দাবাতে পারবে না। এখন ইতর- জাতদের ন্যায্য অধিকার পেতে সাহায্য করলেই ভদ্র জাতদের কল্যাণ।

    তাই তো বলি, তোরা এই mass (জনসাধারণ) এর ভেতর বিদ্যার উন্মেষ যাতে হয়, তাতে লেগে যা। এদের বুঝিয়ে বলগে, 'তোমরা আমাদের ভাই, শরীরের একাঙ্গ; আমরা তোমাদের ভালবাসি, ঘৃণা করি না।’ তোদের এই sympathy (সহানুভূতি) পেলে এরা শত- গুণ উৎসাহে কার্যতৎপর হবে। আধুনিক বিজ্ঞানসহায়ে এদের জ্ঞানোন্মেষ করে দে। ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, সাহিত্য-সঙ্গে সঙ্গে ধর্মের গূঢ়তত্ত্বগুলি এদের শেখা। ঐ শিক্ষার বিনিময়ে শিক্ষকগণেরও দারিদ্র্য ঘুচে যাবে। আদানপ্রদানে উভয়েই উভয়ের বন্ধুস্থানীয় হয়ে দাঁড়াবে। "

    এরপরেই পরবর্তী কথোপকথন। এরপরেও আনুগত্যের তত্ত্ব শুনলে হাসি চাপতে এট্টু চাপ হয়। মাইরি।

    http://www.dduttamajumder.org/baniorachana/node.php?pageno=105&khanda=9
  • sch | ১৩ জুলাই ২০১৩ ১৬:৫১513706
  • দুখে বাবুকে অনেকগুলো ক্কক্ক। আর ওই ছবিটা নিয়ে কিছু বিশেষ বলার নেই - এর পর টুইটারে স্বামীজির আধা বাণী দিয়ে সাম্প্রদায়িক প্রমাণ করে দেবে -- like এর দুনিয়ায় সব সম্ভব -
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন