এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এনজিও দের পেছনে কি আদৌ জনসমর্থন আছে ?

    একক
    অন্যান্য | ২৬ জুন ২০১৪ | ২৩৩৯৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ০৯ জুলাই ২০১৪ ১৫:৪১641231
  • "সময় আছে কেবল ...
    ঃ)

    আদ্দেক কোট করলে এই সমস্যা হয়। আরো লিখেছিলাম যে "যারা যে কাজটা ভাল করে করতে পারে তারা সেটাই করুক। সবাই মিলে হুম-হাম করে গোল পাকিয়ে কোন লাভ নেই।"।

    বালখিল্যরা হুম-হাম করে "পরিবর্তন" করতে গিয়ে পব-র মানুষদের জন্য কেমন আছোলা বাঁশের ব্যবস্থা করল তা দেখেও কি কিছু শেখা গেল না?
  • dd | ০৯ জুলাই ২০১৪ ১৬:৩৮641232
  • "বালখিল্যরা হুম-হাম করে "পরিবর্তন" করতে গিয়ে পব-র মানুষদের জন্য কেমন আছোলা বাঁশের ব্যবস্থা করল তা দেখেও কি কিছু শেখা গেল না?"

    মানছি মোজাখিল্যরা হুম হাম করেছে। কিন্তু পরিবত্তোন করেছিলো সাধের জ্যানগ্যান। গুছিয়ে।

    এমন কি গতো ইলেকশনে বুজি মিডিয়া সি আইএ ওয়ালমাট ইঃ তাবৎ সয়তান ও মোজাখিল্যের দল কেউ কিসু কত্তে পারে নি। জ্যানগ্যান আরো শক্তো করে পতিবত্তন একেবারে গেঁথে ফেবিকল লাগিয়ে দিয়েছে। এক্ষণে যতোক্ষণ লরেন বাবু না উৎপাটন করছেন ততোক্ষন এই দশাই চলবে। সবই জ্যানগ্যানের কিরপা।

    যান। আমার এই পোস্টটি প্রিন্ট করে একটি ঢাউশ মাদুলিতে ভরে গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। আর শ্রী লরেন মন্তো জপ করুন যাতে পাপোষ পালদের হাত থেকে রক্ষা পান। নান্য পন্থা বিদ্যতে .... ঐ সব।
  • সিকি | ০৯ জুলাই ২০১৪ ১৬:৪৬641233
  • ডিডিদার সেন্নাই গিয়ে থেকে বয়েস কমে গেছে। :)
  • PT | ০৯ জুলাই ২০১৪ ১৯:০৪641234
  • জীবনে অন্ততঃ একবার-একবার-dd-র সঙ্গে মুখোমুখি বসে গপ্প করতে হবে।
  • Atoz | ১০ জুলাই ২০১৪ ০১:৩৭641235
  • নানারকম জিনিস যেমন কিনা হাসপাতাল বন্দর খনি জ্বর পাওয়ার প্ল্যান্ট সোলার উইন্ড কয়লা নিউক বন্যা ধ্বস জলোচ্ছ্বাস আস্তিক নাস্তিক ভূত ভগবান সুনামী ঝড় সব ঘন্ট খিচুড়ী হয়ে গ্যাছে। ঃ-)
  • নিপ | ১০ জুলাই ২০১৪ ০৭:০৪641236
  • অনেক কিছু লেখা হল প্রশ্নের উত্তর পেলাম না।
  • ranjan roy | ১০ জুলাই ২০১৪ ০৯:০৫641237
  • যা বুঝলামঃ
    --এই সব এনজিও-ফেনজিও আসলে এক্স-নকু ও প্রচ্ছন্ন মাওবাদীদের ডিসগাইজড দোকানদারি। এরা সরকারের সমস্ত গঠনমূলক প্রকল্পে বাঁশ দেয় (মোদি-মনমোহন-বুদ্ধ নির্বিশেষে)। এরা আম্রিগার দালাল। এইসব ধুয়ো তুলে হয় বিপ্লব কে পিছিয়ে দিচ্ছে, নয় উন্নয়নকে।
    এরা ইলেকশনে যখন বিরোধীরা মার খায় কি কোন সাংসদ কারো মা-মাসি করে তখন চুপ থাকে। এদের পেছনে জনসমর্থন থাকার প্রশ্ন নেই। কোথায় দক্ষিণ-পূর্ব মধ্যপ্রদেশে কোন পুণ্যব্রত বা শংকর গুহনিয়োগী কি ডায়রিয়া নিয়ে কি করেছে তাতে ভারতবর্ষের পেটখারাপে বিপন্ন লোকদের কি এমন উবগার হয়েছে? ইউপি দল্লী-রাজহরার থেকে মাত্র ৫০০ কিমি দূর। তালে শংকর-পুণ্যব্রত-বিনায়কদের কাজের সুফল কেন ইউপি পাবে না? এসব লোকদেখানো তামাশা। বিনায়ক ৩৬ গড় সরকারকে একটা স্টাডি রিপোর্ট দিয়েছেন-- শিশুদের অপুষ্টি নিয়ে ডেটা বেস তৈরি করে, কিছু মেজার নেওয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু সরকার সেগুলো ঠান্ডাঘরে পাঠিয়েছে। কারণ ওরা জেনে গেছে যে বিনায়ক মাওবাদী, এগুলো তার দোকানদারি। আর বিনায়কের কোরিয়া ও অম্রিগার থেকে দুটো পুরস্কার পাওয়ায় কি প্রমাণ হয় না যে উনি সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল?
    --তাহলে জনসমর্থন কার আছে? শুধু পলিটিক্যাল পার্টিদের, ভোটে প্রতিফলিত। মোদীর আছে, বিজেপির নেই। নইলে গত বারই জিতত। মমতার নেই-- ওসব বুজ-প্রচার এবং বুথ দখলের পরিণাম। সিপিএম এর আছে-- কারণ এমন খোলাখুলি সন্ত্রাস, যা এর আগে কখনো দেখা যায়নি, ( ভবিষ্যতেও দেখা যাবে না! কারণ ২০১৪ তে সিপিএম আসছে, জনগণ নিজেদের ভুল বুঝতে পারছে। জোট বাঁধো, তৈরি হও!) সত্ত্বেও প্রায় ৩০% পেয়েছে। সন্ত্রাস না হলে জিতে যেত।
    --- এইসব এনজিও( আতাক্যালানে বা বদমাশ) তখনই জনসমর্থন পাবে যখন এরা বাতেলাবাজি ছেড়ে সিপিএম এর পেছনে কাঠি করা ছেড়ে কিছু কাজের কাজ করে দেখাবে।
    --অর্থাৎ?
    অর্থাৎ মানুষের যত দুঃখকষ্ট আছে-- যেমন খাদ্যাভাব, দুর্ভিক্ষ, বন্যা, জাতিবিদ্বেষ, অশিক্ষা, বেকারি, ম্যালেরিয়া, পেটখারাপ, টিবি, ক্যান্সার, এডস্‌, দেহব্যবসা সব ভারতের সমস্ত রাজ্য থেকে দূর হবে। তখন শুধু তখন, লোক এদের সিরিয়াসলি নেবে।
    ন্যান, এখন শুরু করুন দিকি। অসমাপ্ত কাজের লিস্টি বানান।অ্যাল্ফাবেটিক্যালি। এক্কেরে ' ক রে কমললোচন শ্রীহরি, খ রে খগবাহন মুরারি!---।
    -- না, না! ওরা ভগবান নয়। অন্ততঃ ৮০% করতে পারলেই পাস। বাকি ২০%? ওটুকু বাম সরকার এলে তুড়ি মেরে হয়ে যাবে।
    দেখেন নি কি--বিগত ৩৪ বছরে কোন সারদা হয় নি, রেপ হয় নি, মানুষ না খেয়ে মরেনি, বিরোধীরা খুন হয় নি। প্রোমাটারি-তোলাবাজি-গুন্ডামি হয় নি। একটু আধটু হলেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। নেতারা কখনো অকথা-কুকথা বলেন নি। স্লিপ করলে ক্ষমা চেয়েছেন সঙ্গে সঙ্গে। শিল্পবিপ্লব হয়েছিল। হিন্দমোটর জুটমিল সব খুলেছিল। কারখানা বন্ধ্হ হয় নি। জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি। সবাই শস্তায় রেশন পেত। ১০০ দিনের কাজে বঙ্গ দেশের উদাহরণ ছিল। শিক্ষা -স্বাস্থ্যে দেশের প্রথম সারিতে। তাই বঙ্গে কোন পুন্যব্রত-বিনায়কের-শংকর গুহ নিয়োগীর দরকার পড়েনি। এঁরা বাংলা মায়ের সন্তান বটে, কিন্তু সব ফুটানি ৩৬গড়ে।
    অর্থাৎ বাম শাসনে এনজিওর দরকার পড়ে নি। বামেরা নিজেরাই এনজিও। ওঁরা সবসময় সমাজের কথা ভাবেন, তাই। দেখুন না। লক্ষণ শেঠ যেই এনজিও খুলে হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজ খুললেন অমনি "দলের সম্পদ" থেকে "বহিষ্কৃত পার্টিবিরোধী" হয়ে গেলেন।
    বুদ্ধবাবুর বিদুষী কন্যা পরিবেশ নিয়ে এনজিও খুলে সম্মেলন ইত্যাদি করতেন। লাভটা কি হল? দিদি গদি কেড়ে নিল।
    কাজেই এনজিও হইতে সাবধান!!!
    ]
  • | ১০ জুলাই ২০১৪ ১০:০৭641238
  • বাকী কিছু নিয়ে এই মুহ??ঊর্তে কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু 'বিদুষী কন্যা'টা ঠিক ভাল লাগল না রঞ্জনদা।
  • সিকি | ১০ জুলাই ২০১৪ ১০:০৮641239
  • ক, ক এবং ক। এতটা গুছিয়ে আমি লিখতে পারতাম না। :)

    অতঃপর টংটং ধ্বনিতে নিনাদিত হউক টইকক্ষ।
  • dc | ১০ জুলাই ২০১৪ ১০:১৯641241
  • ডায়রিয়া বা জনস্বাস্থ্য নিয়ে যারা কাজ করেন আমি তাঁদের দুহাত তুলে সমর্থন করি। অবশ্য সেটাও আমার স্বার্থপরতার জন্য। দক্ষিন ভারতের বেশ কিছু জায়গায় আর তামিলনাড়ুর পুরোটাতে পাব্লিক হেল্থ শোচনীয় আর জলের কষ্ট খুব। বাইরের জল খেতে সব্বাই মানা করে। তবুও যারা সেলসম্যান আর ছোট বড়ো শহরে ঘোরাঘুরি করতে হয়, যেমন আমাকে, এদিক ওদিক জল বা রেস্টুরেন্টের খাবার খেতেই হয়। এই করে অন্তত তিন চারবার ভালোমতো ভুগেছি। সবচেয়ে যাতা ব্যাপার হলো পেট খারাপ নিয়ে ক্লায়েন্টের অফিসে বসে প্রোপোজাল ডিসকাস করা বা বিল কালেকশন করতে যাওয়া। হেব্বি দরাদরি করে ঠিক করলাম, কাল আবার আসবো, কাল কিন্তু বিলের ৫০% মিটিয়ে দিতেই হবে, কোন কথা শুনবোনা স্যার। তারপর তাদেরি অফিসের বাথরুমে ঢুকে হাল্কা হয়ে বেরিয়ে এলাম, তারপর দশ মিনিট কেউ সেই বাথরুমে ঢুকতে পারেনি। তো পানীয় জল আর পেটখারাপ নিয়ে কাজ করা একান্ত দরকার :p
  • তাপস | ১০ জুলাই ২০১৪ ১১:২১641242
  • রঞ্জনদা ক। আর দ-র কথাটা ক্ক।
  • PT | ১০ জুলাই ২০১৪ ১৩:২৮641243
  • RR
    বামেদের জনসমর্থন কমে যাওয়া আর তাই নিয়ে লিখিত আওয়াজ কত আছে, আর কারা সেই আওয়াজ দিয়েছিল গুরুতে সেটা নিজে একবার চেক করে নেবেন। কাজেই জনসমর্থন ব্যাপরটা যে একেবারেই হেলাফেলার নয় সেটা সময় ও প্রেক্ষিত বিশেষে চাগাড় দিয়ে ওঠে। অন্যদিকে, জনা ছয়েক লোক সারা দেশের কোটি কোটি পেট মানুষের খারাপ সারানোর ব্যবস্থা করে দিচ্ছে কিন্তু মানুষ তাদের একেবারেই সমর্থন করে না তাই বা কি করে সম্ভব?

    আর ঐ "বিদুষী কন্যা" জাতীয় শব্দ প্রয়োগ স্বঘোষীত নিরপেক্ষ লেখকের রাজনৈতিক অবস্থানকেও পরিষ্কার করে দেয়। ঐ ভাবেই আগেও কোন একজন "নিরপেক্ষ" লেখক "বুদ্ধর বৌ" গোছের শব্দের প্রয়োগ করেছিলেন।
  • PT | ১০ জুলাই ২০১৪ ১৩:৪৮641244
  • **কোটি কোটি মানুষের পেট খারাপ
  • Red Lightning Tong | ১১ জুলাই ২০১৪ ০৫:১৫641245
  • টং টং
  • nb | ১১ জুলাই ২০১৪ ১১:২৮641247
  • গুজরাট মধ্যপ্রদেশেই তো বেশ কয়েক বছর ধরে দেশের বড় বড় সোলার প্রজেক্ট হয়েছে যেগুলো অপারেশনাল, কয়েকটা এশিয়াতেও সবচেয়ে বড় সোলার হাব তালিকায় ঢুকে গেছে, রাজস্থানে সম্বরে তো ২০০০ MW সোলার হাব তৈরির কাজ শুরু হয়েছে, অবশ্য সেগুলো বিজেপি শাসিত রাজ্য বলেই বোধ হয় কোনো প্রশংসা শোনা যায় নি ব্যাগরাপন্থী দের কাছে।
  • - | ১১ জুলাই ২০১৪ ১২:১৯641248
  • "সঙ্গে থাকুন"-এর টিং টং কি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এখন টং টং হয়ে গেছে?
  • /\ | ১১ জুলাই ২০১৪ ১৪:২৯641249
  • ওটা সেই মর্ত্যে মিথ্যে বললেই স্বর্গে ঘন্টা বাজে - জোকসের থেকে উৎসৃত মনে হয়।
  • Dinga ling | ১২ জুলাই ২০১৪ ০৭:২৮641250
  • এনজিওদের পেছনে মাও-সাম্রাজ্যবাদী কর্পো আছে আর সিপিএমের পেছনে আছে অগুন্তি ল্যাম্পপোস্ট
  • সিকি | ১২ জুলাই ২০১৪ ১০:০৪641252
  • ;-)
  • dc | ১২ জুলাই ২০১৪ ১০:৪৭641253
  • পেছনে অগুন্তি ল্যাম্পপোস্ট নিয়ে সিপিএমের ব্যাথা কি কেউ বুঝতে পারে?
  • ranjan roy | ১২ জুলাই ২০১৪ ১১:২৭641254
  • পিটি,
    ক্যান বাতাসের গলায় দড়ি দিয়া কাইজ্যা করেন? কুন হালায় কইসে যে আংগুলে গুনা কয়ডা এনজিও গোটা দ্যাশের কোটি কোটি লোকের ডায়রিয়া সারাইছে? এমুন আবুইদ্দা কথা এনজিও নিজেরাও কয় না।
    আমার দুইডা কথাঃ
    এক, এনজিওরা সীমিত সামর্থ্য লইয়া কুন একটা নিশ্চিত ক্ষেত্রে বা লক্ষ্যে কাজ করে, যেই দিকটা দরকারি কিন্তু সরকারি আমলাতন্ত্রে অবহেলিত। এদের লক্ষ্য সমস্যার সমাধানকল্পে সব সময় একটা sustainable and replicable model তৈরি করা, তার বেশিও না, কমও না।
    কাজেই এনজিওদের সাফল্য বা ব্যর্থতার মাপকাঠি হইল সেই মডেল কতদূর sustainable and replicable, তার impact ই বা কী-- তাই দিয়া। ভোটের অংক দিয়া নয়। ভুপেন হাজারিকা ভোটে দাঁড়াইয়া জামানত হারাইলেন। হেইডা দিয়া সংগীতে তাঁর অবদান মাপবেন? বা কবীর সুমন দিদি হাওয়ায় ভোটে জিতলেন। হেইডা দিয়া তাঁর সাফল্য বা ব্যর্থতা মাপবেন? তিনি জিতলেন তাই ভালা সংগীতকার? না জিতলে ভ্যাদারাইস্যা? মিলান কুন্দেরা ভোটে হাইরা গেছেন, ত? অজিত পান্ডে বউবাজারে এম এল এ হইলেন, হেইডাই তানার সাফল্য?
    আমার বক্তব্য এই টইয়ের নামটাই একটা মিসনোমার। অবান্তর।

    দুই, ভোট হল শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্যে রাজনৈতিক দলগুলোর এজেন্ডা। তার হারা-জেতার পেছনে নিশ্চিত সময়ের প্রেক্ষিতে অনেক ইন্টারেস্ট গ্রুপকে ম্যানেজ করার রণনীতি ও বাধ্যবাধকতা থাকে। তাই ভোটের মাপকাঠিতে এনজিও ও রাজনৈতিক দলের প্রাসংগিকতা ও সক্ষমতার বিচার অবান্তর। হয়তো এনজিওদের প্রেক্ষিত বা কাজের ধরণ না বোঝার ফল।
    আর ভালোমন্দ, করাপ্ট অনেস্ট -- এ তো সব সংগঠনেই আছে; রাজনৈতিক দলেও, মঠ-আশ্রমেও, সরকারি প্রতিষ্ঠানেও। এনজিওরা এই সমাজেরই অংশ। কাজেই সমাজের সবরকম গুণদোষ এদের মধ্যে প্রতিফলিত হবে --এটাই স্বাভাবিক।

    আমরা এনজিওরা সরকারী বাজেট বক্তৃতা আর ইকনমিক রিপোর্টের ঘোষিত নীতির বাইরে কিছু আউট অফ দ্য বক্স সলুশন খোঁজার চেষ্টায় ব্যাপৃত। কেন? কারণ সরকারী বাজেট ইত্যাদিতে অনেক পলিটিক্যাল এজেন্ডা থাকে। স্পষ্ট অথবা লুক্কায়িত। কিছু অর্ধসত্য এবং কিছু ইকুইভোকেশন। কারণ, বিভিন্ন ইন্টারেস্ট গ্রুপকে সন্তুষ্ট করার বাধ্যতা। সে জেটলি বানান, অমিত বা অশোক মিত্র বানান।
    এনজিওদেরও কখনো কখনো ডোনারদের সন্তুষ্ট করার জন্যে প্রোজেক্টের অভিমুখ বদলাতে হয়।
    ধরুন, আমি যে এনজিওর সঙ্গে যুক্ত, তারা ছত্তিশগড়ের আদিবাসী এলাকায় স্টাডি করে দেখেছে যে ক্লাস টেন থেকে মেয়েদের ড্রপ আউটের সংখ্যা খুব বেশি। কারণ-- শুধু দারিদ্র্য নয়, তাহলে ছেলেদেরও সংখ্যা বিপুল ভাবে কমত। দেখা গেছে মেয়েদের আলাদা বাথরুমের ব্যবস্থা না থাকায় ওরা মেনস্ট্রুআল সমস্যা নিয়ে লজ্জায় পড়ে; বিদ্রুপের বা খোরাকের লক্ষ্য হয়। তাই আমাদের সমাধানঃ
    এক, স্কুলে স্কুলে গিয়ে টিচারদের সঙ্গে কথা বলে ক্লাস সিক্স থেকে মেয়েদের MHM বা মেন্স্ট্রুয়াল হাইজিন ম্যানেজমেন্ট বোঝানো।
    দুই, কিছু স্কুলে আমাদের চেষ্টায় সস্তায় ইকো-ফ্রেন্ডলি ল্যাট্রিন তৈরি করে দেওয়া।
    তিন, আদিবাসী মেয়েদের ট্রেনিং দিয়ে একটি ছোট্ট প্রোডাক্শন ইউনিট চালানো ( যার মালিকানা ওদেরই সেল্ফ হেল্প গ্রুপের)। তাতে "সখী" নাম দিয়ে একটাকায় একটি দরে স্যানিটারি ন্যপকিন তৈরি করা।
    আর এসবের জন্যে ব্রিটেনের "Water Aid" নামের সংস্থার থেকে আর্থিক ও কারিগরি সাহায্য নেওয়া। এটা আমাদের অনেক গুলো কাজের মধ্যে একটি। দ্বিতীয় হল শ্রী বা SRI পদ্ধতি শিখিয়ে ধানের উৎপাদন দ্বিগুণ করা। একজন চাশীর থেকে শুরু, এখন ১০,০০০ কৃষক আমাদের সঙ্গে যুক্ত।
    ইম্প্যাক্টঃ ১) খাদ্য সুরক্ষা বৃদ্ধি, ২) চাষীদের কম খরচে (অর্গ্যানিক সার ও কীটনাশক) দেড় থেকে দুগুণা উৎপাদন বৃদ্ধি; ৩) আয় বৃদ্ধি। এর জন্যে আর্থিক সাহায্য দিয়েছে নাবার্ড ও স্যার দোরাবজি টাটা ফাউন্ডেশন। আমাদের টেকনলজি ও রণনীতি ডকুমেন্টেড, বুকলেট আমার সঙ্গে আছে।
    এখন পিটি যদি বলেন এতে কি উড়িষ্যার লোকের ফসল বেড়েছে আমি নাচার। যদি বলেন বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের দালাল-- আমি হাসিমুখে মাথা নাড়ব।
  • ranjan roy | ১২ জুলাই ২০১৪ ১১:৪৪641255
  • দ,
    "বিদুষী কন্যা" বিশেষণে অপমান নেই, হ্যাঁ, তির্যকতার ছোঁয়া আছে। পরিপ্রেক্ষিত দেখুন। বুদ্ধবাবু ও তাঁর কন্যার সংস্কৃতিমনস্কতা প্রবাদপ্রতিম; আমিও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বীকার করি।
    এখানে বলা হচ্ছে যে এনজিও ব্যাপারটাই ধান্ধাবাজি, জালি কারবার। কাদের? এক্স-নকুদের দোকানদারি বা বিদেশি পুঁজির দালালি।
    তাই দেখালাম যে সংস্কৃতিমনস্ক প্রগতিবাদী নারীরাও এনজিও চালান, ব্যাপারটা শুধু নকু- ফেকুদের একচেটিয়া দোকানদারি নয়। এইটুকুই। এতে ওনাকে অসম্মান করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে কি?

    পিটি,
    আমি না সিপিএম, না তৃণমূল-- এই অবস্থানকে যদি "নিরপেক্ষ" বলতে চান সে আপনার ইচ্ছে। এই দুনিয়ায় কেউ নিরপেক্ষ হতে পারে না-সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী ছাড়া।
    বুদ্ধদুহিতা নিয়ে আমার স্পষ্টিকরণ দমুকে ওপরে দিয়েছি।
    তাহলে আপনাদের এনজিও নিয়ে অবস্থানটি আমি যা বুঝেছি তা মেনে নিচ্ছেন তো? বেশ!
    আর রাজাড়ার কাজ ৫০০ কিমি দূরে ইউপিতে ডায়রিয়া সারাবে এই আশা করা আর এডওয়র্ড জেনারের বসন্তের টিকা আবিষ্কারের দশবছরে গোটা পৃথিবী" কোথা হা বসন্ত" হবে এই আশার সমান। দেখুন না, ম্যালেরিয়ার জন্যে কুইনিন কবে বেরিয়েছে, এখনো ম্যালেরিয়া হচ্ছে কি না?
    বেচারা এনজিওর দল! উপরিউক্ত পরিপ্রেক্ষিতে ওরা কি আপনার বিন্দুমাত্র করুণা পেতে পারে না পিটি?
    " করুণাভিখারী আমি, করুণা নয়নে চাও,
    চরণে উৎসর্গদান,
    করিয়াছি মনপ্রাণ,
    সংসার অনলকুন্ডে ঝলসি গিয়াছে তাও।
    রাজ-রাজেশ্বর, দেখা দাও, দেখা দাও।"
  • 8>)) | ১২ জুলাই ২০১৪ ১৬:৪৫641257
  • "বুদ্ধবাবু ও তাঁর কন্যার সংস্কৃতিমনস্কতা প্রবাদপ্রতিম; আমিও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বীকার করি।"
    *******
    রঞ্জনবাবুর কাছে বিনীত অনুরোধ, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য-তনয়া সুচেতনা ভট্টাচার্য্যর "প্রবাদ প্রতিম" "সংস্কৃতিমনস্কতা" নিয়ে যদি একটু আলোকিত করেন।

    এটা আমার বাস্তবিকই জানার ইচ্ছাজনিত অনুরোধ, অন্য কোন কারণ নেই।
  • cb | ১২ জুলাই ২০১৪ ১৭:১৩641258
  • এখনকার লুম্পেন দের সাথে তুলনা করে বলেছেন বোধহয়
  • সিকি | ১২ জুলাই ২০১৪ ২০:৩০641259
  • এখানেই দি। রঞ্জনদার কি ফোন বন্ধ? কোন নম্বরে ফোন করব?

    নয় তো আমার নম্বর থাকলে আমায় কল কোরো।
  • ranjan roy | ১৩ জুলাই ২০১৪ ০১:০৮641260
  • @4)),
    মনে হয় বুদ্ধবাবুর সংস্কৃতিমনস্কতা বিষয়ে আপনি অবহিত। তাই শুধু কন্যার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। ওনার ফিল্ম সোসাইটি ছাড়াও পরিবেশ সংরক্ষণ এনজিও, ওদের কাজ এবং প্রত্যেক বছর সেমিনার প্রদর্শনীর কথা শুনেছি। (কোলকাতায় ৪২ বছর থাকিনি, তাই দেখার কথা ওঠে না)।
    এহ বাহ্য!
    সম্ভবতঃ ২০০৬ এর নির্বাচন। শ্লোগান --বামফ্রন্ট বনাম আরও উন্নত বামফ্রন্ট!
    আমরা ৩৬ গড়ে বামফ্রন্টের পক্ষে কথা বলি। বুদ্ধবাবুর বিরুদ্ধে মাধবী চক্রবর্তি! বিলাসপুর-রায়পুরে খবর এল যে কন্যা সুচেতনা নাকি পিতাকে বলেছেন --- মমতা ও মাধবী হলেন মহিলা। ওঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচার করা হোক, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ করে মহিলার সম্মানহানি যেন না করা হয়!
    আমরা গর্বিত, বড় মুখ করে কংরেসি-বিজেপিদের বললাম-- শেখো, সুসংস্কৃত মহিলা কাকে বলে! বংগাল সে শিখো!
  • SC | ১৩ জুলাই ২০১৪ ০৩:৪৭641261
  • সিপিএমের একটা বেশ ওপরপালিশ ছিল। নিচুতলায় অনিল বসু টাইপ রা দাপিয়ে বেড়াত, আর উপরে একটা বেশ আমরা কিরকম সন্গস্ক্রিতিবান দেখেছ, নারীর সম্মান নিয়ে খুব সচেতন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর কন্যা এরকম বলেন।
    এই ওপরপালিশ টা মনেহয় বাঙালি ভদ্রলোক সঙ্গস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গী ভাবে জড়িত। কলকাতা তে বেশ একটা প্রচন্ড উচ্চশিক্ষিত ভদ্র হাই থটের রাজনীতি চলছে, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে ধোঁয়া উঠছে, আর গ্রামে তপন সুকুর দৌরাত্ম করে বেড়াচ্ছে।
  • :P | ১৩ জুলাই ২০১৪ ০৪:০০641263
  • কমিউনিজম ব্যপারটাই তাই। ওপরে পালিশ তলায় দৌরাত্ম। সে-র রাশিয়ান থ্রেডে দেখেন নি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন