এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:১২523538
  • "এই যে তথাকথিত 'সবাই'কে ইনক্লুড করা, এর মধ্যে জাতীয়তাবাদী থাকবেন, অক্টাহেড্রনপন্থী থাকবেন, বিশ্বমানবতাবাদী থাকবেন, আস্তিক নাস্তিক ভূতপন্থী ভগবানপন্থী সবাই থাকবেন। "
     
    কিন্তু সবাইকে জোর করে একটা বাক্সে ঢোকানোর দরকার কি? প্রত্যেককে নিজের নিজের মতো থাকতে দিলে বেটার হয় না? কেউ এটা মানে না, কেউ ওটা মানে না, সে তো ভালোই! সবাই নিজের নিজের মত নিয়ে নিজের মতো থাকুক না! সবাইকে কেন এক বাক্সে আসার জন্য ডাকাডাকি করা?
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:১০523537
  • জানি হয় তো আপনারা নৈতিক যৌক্তিক আপত্তি তুলবেন, কিন্তু এই যে 'ওঁরা' বলতে আপত্তি করবেন এই টোনটার মধ্যেও 'অপর' করে দেবার একটা স্বর পাচ্ছি। একটা অপরায়ণ যেন হয়ে যাচ্ছে।
  • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:০৯523536
  • &\, দুইটা কথা আছে।
     
    প্রথম, জাতীয়তাবাদ বা ন্যাশনালিজম কথাটা নিয়েই আমার আপত্তি আছে। এই ন্যাশনালিজম সম্বল করেই নাজিরা ক্ষমতায় এসেছিল, বহু দেশে বহু ডিক্টেটরশিপ শুরু হয়েছিল, এই ন্যাশনালিজম এর নাম নিয়েই ইসরায়েলি স্টেট হাজার হাজার প্যালেস্টিনিয়ানকে নির্বিচারে মারছে। পুটিন থেকে ট্রাম্প হয়ে স্ট্যালিন ইত্যাদি সমস্ত রাইট উইংগারের মনের কথা এই ন্যাশানালিজম।
     
    দ্বিতীয়, মুসলমানরা যদি দেশকে মা বলতে না চায় তো না চায়, সেটা তাদের ব্যপার। সেটা অস্বীকার করে তাদের ওপর জোর করে কেন মেজরিটারিয়ান সেন্টিমেন্ট চাপাবেন?
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:০৭523535
  • এবার, ঐ সমসত্ত্ব সাধারন মানুষের অস্তিত্বে আমি বিশ্বাস করি না, একইরকম ভাবে সমসত্ব হিন্দু মুসলিম জৈন বৌধ শিখ খৃস্টান সেরকম কোন কিছুরও অস্তিত্ব আছে বলে আমি মনে করি না।
    অনেক মুসলিম নিশ্চয় আছেন যাদের ভরতমাতা নিয়ে আবেগ আছে। খুব ভালো কথা।

    আবার অনেকে আছেন যাদের আপত্তি আছে। সেটাও একটা বাস্তব।
    তো, দেশ পরিচালনায় ভারতমাতার রূপকল্পনা এমন কোন আব্শ্যক বিষয় না, যা না মানলে লোকেদের দিকে আমি বাঁকা চোখে তাকাবো।
    একসময় লোকজন নিজেদের জাতীয় চেতনা হোঁজার জন্য, ইওরোপের মত নেশন স্টেট কেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদ বানানোর জন্য নানান রকম প্রতীক নির্মান করেছে, এখন অনেক্দিন হয়ে গেছে, সেসব রিডানডেন্ট। স্কুল হাসপাতাল কল কারখানা হোক না। ভোটের এজেন্ডায় বাস্তব জিনিস আসুক।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:০৬523534
  • এই যে তথাকথিত 'সবাই'কে ইনক্লুড করা, এর মধ্যে জাতীয়তাবাদী থাকবেন, অক্টাহেড্রনপন্থী থাকবেন, বিশ্বমানবতাবাদী থাকবেন, আস্তিক নাস্তিক ভূতপন্থী ভগবানপন্থী সবাই থাকবেন। সোজা কথা নয়, অনেক টলারেন্স দেখানো ছাড়া 'সবাই' কে ঢোকানো যাবে না। এই টলারেন্স সব দিক থেকেই দরকার। একদিক থেকে চেপে দিলে অন্যদিক ফুলেফেঁপে উঠবে। আপনারা সব ম্যাথ এর লোক বিজনেস এর লোক, অপ্টিমাইজেশন এর ব্যাপার তো আপনাদের রোজকার ডালভাত। এখানে অপ্টিমাইজেশন এর প্রয়োজনীয়তা দেখছেন তো?
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৮:০২523533
    • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৫৬
    • ...শুধু 'হিন্দুরা' কেন? মুসলমান বা শিখ বা বৌদ্ধরা দেশকে মা বলতে পারবেন না?
     
    সেটা যে মুসলিমরা বলতে পারছেন না, তাঁরা বলতে পারবেন। কিন্তু তাঁদের বলতে আপত্তি আছে - এই মতটাকে আমি সম্মান করি, সে আমার ব্যক্তিগত রুচি।
    এবার সেই মতটাকে "দেশ"কে সম্মান করতেই হবে। দেশবাসীর মতকে সম্মান করা দেশের কর্তব্য, চয়েস না।
     
    তো, প্রথম ধাপ হল আপত্তিটাকে রেকগনাইজ করা।
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৫৮523532
  • আমি তো জাতীয়তাবাদও মানি না। আমার কি হবে?
    দেশের প্রতি টান আছে, মনে হয় দেশকে ভালোওবাসি, নিজের মত করে।

    আমি কি সকল নই?

    ডিসি তো আরেককাঠি ওপরে।
  • kk | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৫৭523531
  • হুতোর ৭ঃ৪০ এর পোস্টের সাথে অতিশয় একমত।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৫৬523530
  • ডিসি, আপনি লিখলেন
    "কাজেই হিন্দুরা বন্দেমাতরম বলতে পারে, নিজেদের মা কে বন্দনা করতে পারে, কিন্তু সেটা অন্যান্য ধর্মের লোকেদের ওপর চাপাতে পারে না। মুসলমান বা শিখরা বা বৌদ্ধরা কেন বন্দেমাতরম বলতে যাবে, কেনই বা মা কে পুজো করতে যাবে?"

    -এই জায়গাটাতেই আমার বক্তব্য ছিল। শুধু 'হিন্দুরা' কেন? মুসলমান বা শিখ বা বৌদ্ধরা দেশকে মা বলতে পারবেন না? যখন পরিষ্কার দেশকেই মা বলা হচ্ছে, আলাদা কোনো স্পেসিফিক দেবীকে নয়? এ তো আমার মা মা, তোর মা মা নয় টাইপের ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে। কোনো বৌদ্ধ বা শিখ বা মুসলমান কি বলছেন তিনি দেশকে মা বলবেন না? এটা ধর্মের দিক দিয়ে দেখা হচ্ছে কেন? এ তো জাতীয়তার দিক দিয়ে দেখার কথা।
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৫২523529
  • অরিনদা, ফেনোমেনোলজির ব্যাপারটা নিয়ে আমার ধারনা খুব স্পষ্ট না, তবে যদ্দুর বুঝি, এই বিষয়ে ঐ সচেতনতার পাঠের জন্য হিন্দু ব্যাকগ্রাউন্ড মোটামুটি আবশ্যক।
    কাজী নজরুল ইসলামের মত লোকজন আছেন যাঁরা মাতৃপুজা নিয়ে চর্চা করেছেন, তবে তিনি নিজেই বলেছেন হিন্দুরা বলে আমি যবন, আর মুসলমানরা বলে আমি কাফের। তিনি তথাকথিত সাধারন মানুষের দলে পড়েন না।

    তো, যাঁর ধর্মে বিমুর্তর রূপকল্পনা নিয়ে শক্ত চাপ আছে, তাকে যদি বলি দেশের প্রতীক ভারতমাতা, তাকে না মানলে তুমি "সকল"বাচক শ্রেণীর বাইরে, সেই এক্সক্লুশনিজম গোলমেলে জিনিস।
  • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪৯523526
  • "দুশো বছর আগেকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যা সাহিত্য লেখা হয়েছিলা তা দিয়ে আজকের কোন কিছু ব্যাখ্যা করাও আজব"
     
    এক্স্যাক্টলি। বংকিমচন্দ্র দুশো বছর আগে কিছু লিখে গেছেন, সেই সময়ে তাঁর যা মনে হয়েছে তাই লিখেছেন। সে নিয়ে আজকে কেন পাবলিক পলিসি ইনফ্লুয়েন্সড হবে?
     
    আরেকটা কথা, আমিও সনাতন বিরোধী। আমি সব ধর্মেরই বিরোধী। অর্থাত বিজেপির ভারতে আমারও জায়গা নেই। এই হলো ফ্যাসিজম এর টেক্সট বুক ডেফিনিশান।
  • অরিন | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪৮523525
  • "মুশকিল হল ধর্মপ্রাণ বা রূপকল্পনা যাঁরা করেন তাঁদের বেশিরভাগ সেটাকে আবশ্যক কিছু ভাবেন, আর সেই ভাবনা থেকে প্রিচিং প্রবৃত্তি আসে, আর ঐ প্রিচিংকে জাস্টিফাই করার জন্য "সাধারন মানুষ" বা "সবাই" নামে একটা কাল্পনিক সমসত্ব জনগোষ্ঠী তৈরি হয়।"
     
    ১০০%
    এই ব্যাপারটাই যত গোলমালএর সূত্র!
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪৭523524
    • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৩৪
    • ...বন্দেমাতরম নিয়ে আপত্তি আজকালের ব্যপার না...
     
    একেবারে তাই, বন্দে মাতরম নিয়ে দ্বিধা আজকের না, স্বাধীনতার আগে থেকে।
    এইসহ নানা রকম হিন্দুত্বকেন্দ্রিক রূপকল্পনা জাতীয়তাবাদের পরিসরে ঢোকায় নানান গোলমাল হয়েছে। সেসবকে যত কম বাড়তে দেওয়া যায় ততই মঙ্গল।
  • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪৫523523
  • বন্দে মাতরম নিয়ে গুগল করে এটা পেলাম। এটা অনেক দিন ধরেই অল্প জানতাম।
     
     
    Parts of the Vande Mataram was chosen as the national song in 1937 by the Indian National Congress as it pursued the independence of India from colonial rule, after a committee consisting of Maulana Azad, Jawaharlal Nehru, Subhash Chandra Bose, Acharya Deva, and Rabindranath Tagore recommended the adoption.[48] The entire song was not selected by Hindu leaders in order to respect the sentiments of non-Hindus, and the gathering agreed that anyone should be free to sing an alternate "unobjectionable song" at a national gathering if they do not want to sing Vande Mataram because they find it "objectionable" for a personal reason.[48] According to the gathered leaders, including the Nobel Laureate Rabindranath Tagore, though the first two stanzas began with an unexceptionable evocation of the beauty of the motherland, in later stanzas there are references to the Hindu goddess Durga. The All-India Muslim League and Muhammad Ali Jinnah opposed the song. Thereafter, with the support of Mahatma Gandhi and Jawaharlal Nehru, the Indian National Congress decided to adopt only the first two stanzas as the national song to be sung at public gatherings, and other verses that included references to Durga and Lakshmi were expunged.
     
    আমার এইসব ইতিহাস নিয়ে খুব একটা ইন্টারেস্ট নেই, তবে আমার মতে এটা হচ্ছে সেন্স অফ প্রোপ্রাইটি। হিন্দুরা এক জায়গায় মেজরিটি বলে তাদের মত জোর করে অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেবে, এটা পাবলিক পলিসি হওয়া উচিত না। ধর্মীয় বিশ্বাস প্রাইভেট স্পেসে থাকা উচিত, সেটা পাবলিক স্পেসে আনা উচিত বলে মনে করি না।
     
    আর আশা করি &\ এগুলো নিয়ে র‌্যাশনালি ভেবে দেখবেন। আপনি বহুকাল ধরে গুরুতে আছেন তাই এতোসব লিখলাম, অন্য কেউ হলে লিখতাম না :-)
  • অরিন | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪২523521
  • "সেই মা সকলের - "সকলে" কি সেটা মানে?
    জোর করে মা চাপানো হচ্ছে না তো?"
     
    না না, "সকল " কথাটাকে phenomenological sense এ ধরতে হবে |
    কাউকে চাপানোর, মেনে নেওয়ানোর ব্যাপারই নেই, তার প্রসঙ্গ এট নয় |
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৪০523520
  • আমি দিব্যি আছি ধর্ম ছাড়া (পুজো টুজোতে যাই, তবে সেসব না হয়ে অন্য উৎসব অনুষ্ঠান হলে সেসবে যাবো, সামাজিক গজল্লা নিয়ে কথা), দেশমাতৃকার কল্পনা ছাড়া। আমার মত আরো অনেক লোকজন আছে। আমি আমার মত প্রিচ করতে চাইছি না, যে যার মত থাকুক, বেশ তো।

    মুশকিল হল ধর্মপ্রাণ বা রূপকল্পনা যাঁরা করেন তাঁদের বেশিরভাগ সেটাকে আবশ্যক কিছু ভাবেন, আর সেই ভাবনা থেকে প্রিচিং প্রবৃত্তি আসে, আর ঐ প্রিচিংকে জাস্টিফাই করার জন্য "সাধারন মানুষ" বা "সবাই" নামে একটা কাল্পনিক সমসত্ব জনগোষ্ঠী তৈরি হয়।

    তাও নাহয় ধরে নিলাম দেশের আর্ধেক মানুষ বিষম ধর্মপ্রাণ, ধর্ম ছাড়া তারা অন্নজল গ্রহণ করবে না। কিন্তু রাজনৈতিক পরিসরে ঐ জন্যই ব্যাপরটাকে জিইয়ে রাখা যদি জাস্টিফাইড হয় তাহলে রিগ্রেসিভ টিভি সিরিয়েলে টিআরপি ভালো বলে সেসবকেও জাস্টিফাইড বলতে হয়।

    দুশো বছর আগেকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যা সাহিত্য লেখা হয়েছিলা তা দিয়ে আজকের কোন কিছু ব্যাখ্যা করাও আজব। ইতিহাসের গুরুত্ব অবশ্যই আছে, কিন্তু সেটা দিয়ে বর্তমানকে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে, ভবিষ্যতকে ডিফাইন করতে চাইলে চাপ।
  • dc | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৩৪523519
  • "বন্দেমাতরম এর যে মা, সেই মা তো দেশজননী। সকলেরই মা।"
     
    "আজকাল আবার একদল অতি-লিবেরাল অতি-সেকুলার সেল্ফ অ্যাপয়েন্টেড হয়ে দেখি বলেন বন্দেমাতরম বললে নাকি অসুবিধে আছে। এতে নাকি একেশ্বরবাদীরা নারাজ হবেন। আশ্চর্য লাগে।"
     
    "বন্দেমাতরম এ যারা অসুবিধে দেখছেন ও সেই নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন, তাঁরাও কিন্তু প্রকারান্তরে বিভাজনেই উস্কানি দিচ্ছেন। ধর্মনিরপেক্ষ ভারতরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের অংশ সেটি।"
     
    &\, এই পোস্টগুলোতে আমার আপত্তি আছে। প্রথমত, বন্দেমাতরম নিয়ে আপত্তি আজকালের ব্যপার না, আমি অনেকদিন ধরেই এটা শুনেছি, অন্তত কলেজের সময় থেকে। দ্বিতীয়, বন্দেমাতরম মানে মায়ের বন্দনা হলেও, সেই মা দেশজননী বা সবার মা নয়, ঠিক যেমন গৌমাতাও সবার মাতা নয়। তার কারনও খুব সোজা, ইন্ডিয়া শুধু হিন্দুদের দেশ না, খৃশ্চান, মুসলমান, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, ইত্যাদি সব ধর্মেরই দেশ। (এমনকি আমাদের মতো জনাকয়েক নাস্তিকেরও দেশ হতে পার, যদিও আমি এই দেশ ব্যাপারটা ঠিক মানিনা)। কাজেই হিন্দুরা বন্দেমাতরম বলতে পারে, নিজেদের মা কে বন্দনা করতে পারে, কিন্তু সেটা অন্যান্য ধর্মের লোকেদের ওপর চাপাতে পারে না। মুসলমান বা শিখরা বা বৌদ্ধরা কেন বন্দেমাতরম বলতে যাবে, কেনই বা মা কে পুজো করতে যাবে? আর এটা নিয়ে বলাটা বিভাজনে উস্কানিই বা কেন হতে যাবে? বন্দেমাতরম কখনোই ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের অংশ হতে পারে না, কারন বাই ডেফিনিশান এটা হিন্দুদের গান / কবিতা, সমস্ত ভারতীয়র না।
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:৩০523518
  • সেই মা সকলের - "সকলে" কি সেটা মানে?
    জোর করে মা চাপানো হচ্ছে না তো?
  • অরিন | ০৭ মে ২০২৪ ০৭:২১523517
  • দীপের মাতৃউপাসনা নিয়ে পোস্ট টা কোথায় গেল? যাই হোক, দীপের পয়েন্ট ছিল যে তার একটা সুপ্রাচীন ইতিহাস আছে।
    এখন সেটা একটা দিক ঠিকই, তবে সেটাকে একটা বিশেষ ধর্মাচরণের মধ্যে বেঁধে রাখা যাবে না, কারণ ভারতবর্ষে অন্তত সে (অ)রূপকল্পনায় সবাই আমণ্ত্রিত।
    সেই মা সকলের।
    সেই মাতৃউপাসনাকে ধর্মের বেড়াজাল দিয়ে চারপাশ আটকাতে গেলে আপনাকে অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি থেকে নজরুল সবাইকে অস্বীকার করতে হয়।
  • দীপ | ০৭ মে ২০২৪ ০৫:৫৬523507
  • আবার ধান্দাবাজ লেখাগুলো মুছে দিলো!
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৫:৫৫523506
  • আচ্ছা, তা হবে।

    আমার অবশ্য বেশি কিছু বক্তব্য নেই, কাগজের বিজ্ঞাপনটা ভয়ানক, এইটুকুই।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৫:৪৯523504
  • ভারতে যে স্পিরিটে 'ধর্মনিরপেক্ষতা' তা কিন্তু কোনো ধর্মকে সাপ্রেস করে নয়। সব ধর্মকেই জায়্গা দিয়ে, তবে। ইউরোপে আমেরিকায় সমাজ ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজের মতন নয়, ওদের ধর্মনিরপেক্ষতার আইডিয়া ভারতে যে চলবে না সেটা ওরাও জানত। তাই ধর্মে জোরজার করেনি(তাহলে ব্যব্সা চালাতে খুবই ঝামেলা হত, অনেক আগেই লড়াই টড়াই লেগে একটা কুরুক্ষেত্র হয়ে যেত)। গোটা ভারতীয় উপমহাদেশে 'ধর্ম' ই হল হৃদয়, সে যে ধর্মই হোক, কোথাও হিন্দু কোথাও ইসলাম কোথাও বৌদ্ধ কোথাও খ্রীষ্টান, কিন্তু ধর্ম ছাড়া এই উপমহাদেশ জ্যান্ত থাকবে না। এই স্পিরিটটা বাউল ফকীর সুফীদের মতন করে নিতে পারলে যেসব ড্যাশরা ধর্মকে কাজে লাগিয়ে দাঙ্গা বাঁধিয়ে দিয়ে নিজেরা পিছন থেকে প্রফিট তোলে, তাদের আটকানো যেত। ধর্ম টর্ম সাপ্রেস করা সেকুলারিজম দিয়ে কাজ হওয়া শক্ত, একদিকে যত চাপবে তত ফুলেফেঁপে উঠবে অন্যদিকে, আর প্রফিট তুলবে চতুর সুযোগসন্ধানীরা।
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৫:৩৬523500
    • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৪:২২
    • ... এসবে তো আপত্তি করলে চলবে না। তাহলে ইউনিফিকেশন হল কোথায়? পাঁচজনের দুর্গাদালানে চারমিনারে গুরুদোয়ারায় ক্যাথিড্রালে সিনাগগে যদি নাই যেতে পারলাম...
     
    কেন চলবে না?
    উনিজির দলও কিন্তু ইউনিফিকেশনের কথা বলে - হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্তান।
    বেশি ইউনিফিকেশনের ঝোঁক সুবিধের জিনিস না!
    আমি যেতে চাইলে যাবো, না যেতে চাইলে কেউ জোর করে নিয়ে যেতে চাইলে সমস্যা হবে। হওয়ারই কথা!
     
    • kk | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৫৬
    • ...ধর্মীয় র‌্যামিফিকেশন যে আজকাল সব স্তরেই হচ্ছে জানি। চোখ বুজে থাকি তাও না। কিন্তু এইভাবে ভোটের প্রচারে? মানুষ কোথায় যাচ্ছে?
     
    কেকে, সেই, আর সমস্যা হল এইগুলির মধ্যে যে ধর্মীয় উস্কানি আছে- সেটা অনেক শিক্ষিত আলোকপ্রাপ্ত আদারওয়াইজ উদার মানুষের চোখ সওয়া হয়ে গেছে - এসবে সমস্যাও চোখে পড়ে না।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৫:৩৬523499
  • এককালে এইসব নিয়ে খুব তর্ক হত। সম্পাদক ঈশেন একবার বললেন, রাশিটা টাশিয়া এইসব হল স্লাভনিক দেশ অর্থাৎ কিনা স্লাভদের দেশ। স্লাভ আর স্লেভ একই। স্লাভরা দেশকে পিতাদের দেশ বলে। কিন্তু দাস কেন? সেই পিতাগণ যাঁরা কিনা মাতাদের দাস।
    ঃ-)
    পিতৃভূমি শুনে ব্যাপারটা মনে পড়ল।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৪:২২523494
  • ধরুন আমি ভারতবাসী, ভারতের নাগরিক, ভারতে চাকরি করি খাইদাই ঘুরিফিরি। আমার কাছে এইসব নানা মূর্তি ইমেজারি ইত্যাদি কোনোটাই গ্রহণযোগ্য না, আমার ম্যাসকট হল একটি অক্টাহেড্রন (অক্টোপাস না কিন্তু ঃ-) )। কিন্তু তাতে কী এল গেল? দেশের দশের গান, দেশের দশের উৎসব ইত্যাদি আরও নানা কিছু, এসবে তো আপত্তি করলে চলবে না। তাহলে ইউনিফিকেশন হল কোথায়? পাঁচজনের দুর্গাদালানে চারমিনারে গুরুদোয়ারায় ক্যাথিড্রালে সিনাগগে যদি নাই যেতে পারলাম(বা স্বেচ্ছায় গেলাম না) তাহলে 'ধর্মনিরপেক্ষ' ভারত এর স্পিরিটে রইলাম কোথায়?
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৫৬523493
  • তো, অসুবিধে একেবারেই নেই। চমৎকার আইডিয়া, চমৎকার ইমেজারি, আমার কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য।

    তবে অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য না, সেইটা জানি। যাঁদের কাছে গ্রহণযোগ্য না, তাঁদের হিসেবের বাইরে রাখাটা বিপজ্জনক (পুণরাবৃত্তি করে ফেললাম)।
  • kk | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৫৬523492
  • বিজেপির ভোটের বিজ্ঞাপন -- খুব ডিস্টার্বিং লাগছে। এই ধর্মীয় র‌্যামিফিকেশন যে আজকাল সব স্তরেই হচ্ছে জানি। চোখ বুজে থাকি তাও না। কিন্তু এইভাবে ভোটের প্রচারে? মানুষ কোথায় যাচ্ছে?
  • r2h | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৫৪523491
  • আহা উস্কানী টুস্কানী কিছু না। আনন্দমঠের বড় এজেন্ডা যবনের বিরুদ্ধে লড়াই।
    আর ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পৌত্তলিকতায় বারন আছে (আরও অন্যান্য ধর্মেও আছে, তবে সে হিসেবে গিয়ে কাজ নেই)।

    এই তো ব্যাপার। সবাই ভারতমাতার চরণে প্রণত হলে আমার কী, আমি অ্যাগনস্টিক লোক, বিমূর্ত ধারনার মূর্ত রূপ নিয়ে আমার কিছু আসে যায় না। প্রণাম ঠুকতেও আপত্তি নেই, দোল দুর্গোত্সবে তো আমি হামেশাই ঠাকুর নমো করে থাকি।

    কিন্তু সবাই প্রণত না, আর যারা প্রণত না, তাদের হিসেবের বাইরে বের করে দেওয়াটা বিপজ্জনক।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৪১523490
  • বন্দেমাতরম এ যারা অসুবিধে দেখছেন ও সেই নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন, তাঁরাও কিন্তু প্রকারান্তরে বিভাজনেই উস্কানি দিচ্ছেন। ধর্মনিরপেক্ষ ভারতরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের অংশ সেটি। জাতিধর্মবর্ণনির্বিশেষে সকল ভারতবাসীর গান সেটি, সকলেই দেশজননীকে বন্দনা করার অধিকারী। একেশ্বরবাদীরা তো বলেন নি দেশ তাঁদের মা নয়।
  • &/ | ০৭ মে ২০২৪ ০৩:৩৫523489
  • যাদের সোনার দোকানে দোকানে কোটি কোটি টাকার গয়না দিনের পর দিন ক্যাজুয়ালি কেনাবেচা চলে, কোনো সিকিউরিটি পর্যন্ত লাগে না, তাদের কাছে কয়েকটা টাকা এদিক ওদিক কিছুই না। মাথা কামিয়ে ধুতিকে লুঙ্গির মতন করে পরে তিরুপতি মন্দিরে গিয়ে মাঝে মাঝে হয়তো কয়েকশো কোটি টাকার গয়নাপাতি দিয়ে আসে। মাটি সোনা সোনা মাটি। (তাই তো বলি তামিলনাড়ুতে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ এত শক্ত জমি পেলেন কী করে? এই যে প্রাণে প্রাণে মিল ঃ-) )
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত