এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৮২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • amit | ১১ মে ২০১৬ ১৩:১৫670078
  • ৬০ -৭০ দশক, ক্ষুদিরাম, রবীন্দ্রনাথ, বঙ্গভঙ্গ, ১৯১১ - টই যেভাবে গড়াচ্ছে তাতে সিঙ্গুর এর সাথে সিপাহী বিদ্রোহ, সিরাজদৌল্লা বা আরো আগের সেন বংশ না এসে পড়ে এবার। পেছন দেখতে দেখতে ঘাড়ে ব্যথা হয়ে গেল তো।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ১৩:১৭670079
  • আমি গুলাইনি। মাসুল সমীকরণ নীতিতে যদি ধানবাদ থেকে কলকাতা কয়লা আনতে ১০টাকা আর বোম্বেতেও ১০টাকা হয়, তবে আর লাভ কি? ধানবাদ-কলকাতা ১০টাকা আর ধানবাদ বোম্বে ৫টাকা হলে তবেই না লাভ।
    এটাই নেহেরু মানিয়েছিলো বিধান রায়কে।

    একক। ওসব স্বধীনতা আন্দোলন/রবীন্দ্রনাথ দিয়েই ব্যখ্যা হয়।
    কর্ণাটকের স্বাধীনতা আন্দোলন, তামিলনাডুর স্বাধীনতা আন্দোলন, উত্তর প্রদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, এমনকি আসাম ও উড়িষ্যার স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে কি জানা আছে সকলের? একটা জাতি তার লড়াই, তার স্বার্থত্যাগ, তার উপর ঘটে যাওয়া অবিচার নিয়ে গড়ে উঠেছে ১০০ বছর ধরে। তার থেকে বেরিয়ে এসে নেগোশিয়েশন নিয়ে ভাবতে তোদের প্রজন্ম এসে গেলো। ৬০এর প্রজন্মকে দায়ী করে কি হবে?
    ওদিকে রবি ঠাকুর, শরৎচন্দ্র, জগদীশ বোস নিয়ে গব্বো-ও ছড়বো না। ওসব অস্বীকার কর। মেনে নে ওদের জন্যই বাঙ্গালীর আজ এই দশা।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১৩:২৬670080
  • সত্যি এতো বড়ো বড়ো ইমোশনাল লাগেজ ঘাড়ে করে বাঙালি হাঁটছে। কি দুর্দশা :d

    আর রাস্তার মোড়েও রোবিন্দোনাথ, সিঙ্গুরেও রোবিন্দোনাথ।
    রোবিন্দোনাথ দুধে ফেলি তাহাতে বিপ্লবি দলি হোচি মিন মাখাইয়া নিয়া তাতে... :d
  • de | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৩৩670081
  • রোবিবাবু তো শিলাইদহে ছিলেন - সিঙ্গুরে এলেন ক্যামনে? সিঙ্গুরে কি ট্রাফিক সিগন্যাল আচে?
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৩৫670082
  • ইসে, আশি আর নব্বইয়ের দশককে বেশি দায়ী মনে হয়। ষাট ও সত্তরের সময়, পরিস্থিতি সবই আলাদা ছিল। কিন্তু তার পরের দুটো দশক তো পুরো শান্তিকল্যাণ কেটেছে।
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৩৬670083
  • সিঙ্গুরের লেবু কচলে তেতো হয়ে গেল।
    টাটারা ন্যানো ফেইলিওর ঝেড়ে ফেলল, মানে সানন্দে ঝেড়ে ফেলল আর কি, কিন্তু গুটিকয়েক বাঙালি আর শোক কাটিয়ে সামনে এগোতে পারছে না, সিঙ্গুরশোকে পার্মানেন্টলি আটকে গেছে।
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৩৮670084
  • হুগলী জিলার এত বড় অপমান? রোবিন্দনাথ ওখানে পা দেননি এইটাই কি দেদি'র প্রতিপাদ্য?

    আবার বলছে সিঙ্গুরে ট্রাফিক সিগন্যাল নেই। একবার কারখানাটা হতে দিলেই সিগন্যালের চাষ হত।
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৪৩670085
  • আলুচানা থেকে যা বুঝলামঃ

    মাশুল সমীকরণের সৃষ্টি করা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অন্য রাজ্য রান রেট বাড়াতে পারে, কিন্তু নব্বই পরবর্তী উদারীকরণের দুনিয়ায় পড়ে পাওয়া লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে ব্যাট ঘোরাতে বাঙালীর পেছন হলুদ হয়ে যায়।

    জয় জগদীশচন্দ্র।
  • lcm | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৪৫670086
  • আর ঐ পলিসি বন্ধ হয়ে গেছে তাও ২৩ বছর হল --

    Freight equalisation policy was adopted by the government of India in 1952, and remained in force until 1993.
  • ! | ১১ মে ২০১৬ ১৩:৫২670088
  • হলদিয়ার সার কারখানায় আজ পর্যন্ত ১ কেজি সার ও উৎপাদন হয় নি। আর বাংলার কারখানার প্রোডাক্টিভিটি সবসময় ই খারাপ।
  • PM | ১১ মে ২০১৬ ১৪:১৪670089
  • ঐ যে, PT র লিন্ক----- বুদ্ধের সময় বাংলা ম্যানুফাকচারিং শিল্পের গ্রোথে ১ নং ছিলো গুজরাটেরো অনেক আগে---- কিন্তু পর্বত প্রমান ব্যগেজ কাঁধে পেছন হলুদ হওয়া পেটরোগা বাঙালীর তা হজম হয় নি---- যার ফল সিঙ্গুর ঃ(
  • cm | ১১ মে ২০১৬ ১৪:১৬670090
  • সমস্যা হল ব্যাগেজ নামাতে চাইলেও একদল তা জোর করে ঘাড়ে চাপাবেন।
  • cm | ১১ মে ২০১৬ ১৪:১৭670091
  • নইলে আবার মার্কসের অসম্মান হয়ে যাবে।
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১৪:১৯670092
  • বুদ্ধের রেজিম তো শূন্য দশকের। বাস তার আগেই মিস হয়ে গেছে। সেটা লাস্ট মুহূর্তে দৌড়ে ধরার মরিয়া চেষ্টা (পড়ুন ইজি ওয়ার্কয়ারাউন্ড), তার পর বাকি কী হৈল জানে শ্যামলাল।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১৪:২৫670093
  • বুদ্ধবাবুর যেটা সমস্যা হয় সেটা হলো নন্দীগেরাম। ওখানকার পরিস্থিতি, অতি বামেদের উপস্থিতি নিয়ে ধারণা ছিলোনা। শুধুমাত্র সিঙ্গুরটাকে টার্গেট করে এগিয়ে কাজ সেরে তবে নন্দীগ্রাম নিয়ে ভাবলে পারতেন।
  • Cm | ১১ মে ২০১৬ ১৪:৩৪670094
  • আমাদের বিপ্লপি নেতা সরলজি।
  • ঐতিহাসিক | ১১ মে ২০১৬ ১৪:৪৯670095
  • রবীন্দ্রনাথ এবং দেবেন্দ্রনাথ যথাক্রমে দীর্ঘদিন এবং রেগুলার হুগলি চুঁচুড়ায় থেকেছেন এবং এসেছেন।

    অবিশ্যি সিঙ্গুর যান নি। ওখানে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ থাকেন।
  • Arpan | ১১ মে ২০১৬ ১৪:৫৭670096
  • (ঐতিহাসিক) ভুল।

    ওটা রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য হবে।

    (ইসে, এটা কি বেথে?)
  • ঢুন্ডুদাস চণ্ড | ১১ মে ২০১৬ ১৫:২৫670097
  • ঠিকই আছে, সিঙ্গুর থেকে নাটাবাড়ি কতই বা দূর?
  • ranjan roy | ১১ মে ২০১৬ ১৫:৪৪670100
  • আলোচনা মাইরি সংঘ পরিবারের স্টাইলে হচ্ছে।
    ওরা যেমন কয়েক হাজার বছরের ভারতের ইতিহাসকে একটা লিনিয়ার হিন্দুগৌরবের পতন ও অভ্যুদয়ের ছকে ফেলে আলোচনা করে তেমনি স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গে ক্রমশঃ শিল্পবাণিজ্যের পিছিয়ে পড়ার জন্যে একপক্ষ দায়ী করছেন মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজমকে, অপরপক্ষ কেন্দ্রের মাশুলসমীকরণ নীতিকে।

    কিন্তু কোন একটা কার্য্যের পেছনে একাধিক কারণের সম্মিলিত অবদান থাকে-- এই দার্শনিক ল' অফ কজালিটিকে মেনে নিতে দোষ কি?
    আমার মনে হয় দুটোই কাজ করেছে ও আরো কিছু গৌণ কারণ।
    ১) ১৯৫২ থেকে ১৯৯৩ অব্দি বলবৎ থাকা মাশুল সমীকরণ নীতি বঙ্গের পেছন মেরে কোমর ভেঙ্গে দিয়েছে। উস থাপ্পড় কী গুঞ্জভী ভী সুনাই দে রহা হ্যায়!
    ২) ততদিনে অন্য প্রদেশে বেশ কিছু শিল্প দাঁড়িয়ে গেছে। অশোক মিত্র মশাই এই নিয়ে ডেটা দিয়ে দিল্লিকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, তর্কে যুক্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার পেরে ওঠেনি। কিন্তু বাবরির পর বামেরা ইমার্জেন্সির পর ক্ষমতায় এসে খুব বেশি সুবিধে আদায় করতে পারেনি, ইন্দিরার সঙ্গে সুসম্পর্ক সত্ত্বেও।
    ৩)অশোকবাবু চলে যাওয়ার পর পরবর্তী অর্থমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় স্তরে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেন নি।
    তার একটা বড় কারণ বামেদের আর্থ-রাজনৈতিক এজেন্ডায় গোড়ার দিকে শিল্প প্রাথমিকতা পায় নি, আজ বুদ্ধবাবুরা যাই বলুন। সিপিএম এর জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি ওদের শিল্পনীতির বিবর্তন ( এ নিয়ে ইকনমিস্টদের লেখা আছ) দেখলেই এটা চোখে পড়ে।
    ৪) ঘটনা যাই হোক, লোকের পারসেপশন খুব বড় কথা। নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুরেও সরকার বদলে কাজ করেছে আম জনতার পারসেপশন।
    তেমনি হিন্দি ও পশ্চিম ভারতে বঙ্গ মানেই মিছিলের দেশ, কাজে ফ্যাকড়া তোলার দেশ। সেটাও বহুদিন ধরে বহাল। এখন যেমন তোলাবাজি!
    ৫) শুধু শিল্প নয়, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রতিও আমাদের সযত্নে লালিত অনীহা ও নাক কুঁচকানো! আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা ভাল চাকরি করুক। মাসবাঁধা রোজগার আনুক। এই পাতায় ও বাইরে যারাই শিল্পের জন্যে গলা ফাটাচ্ছেন তাদের অভীপ্সা ওই চাকরি পাওয়া।
    শিল্প দূরস্থান, ঘরের ছেলে যদি বলে বাবা কিছু পুঁজি দাও, ব্যবসা শুরু করব, আমি বলব-- তোর বাপ-ঠাউদ্দা কোনদিন এসব করেছে? এসব আমাদের পেটে সইবে না! ঘরের কড়িগঙ্গা যাত্রা করবে।
    ট্রেডার্স আমাদের চোখে দোকানি বা দোকানদার! আনি-দু-আনির মত। এদের সম্মান দিইনা, মেয়ের বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবি না।
    ৬) আমরা বড় হয়েছি এই জেনে যে প্রফিট/মুনাফা ইজ এ ফোর লেটার ওয়ার্ড!
    কিন্তু ছোটখাটো ঘুষঘাষ দিতে নিতে আমরা বেশ স্বচ্ছন্দ। আমাদের আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবের মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁরা রেলে, ইরিগেশনে, পিডব্লুডিতে, মাইনিংএ, ব্যাংকে চাকরি করেন ও মাইনের বাইরে অতিরিক্ত আয় করে থাকেন। তাঁদের স্ত্রী-সন্তানেরা বেস্শ গর্বিত, আমরাও ওঁদের অপাংক্তেয় মনে করি না।
    যদিও ট্রেডিং বা বাজারব্যবস্থায় ডিস্ট্রিবুশন সিস্টেমের একটি অঙ্গ, সুচারুভাবে পরিচালিত হলে জনসমুদায়ের জীবনযাত্রা অনেক সহনীয় করে তোলা যায়।
    ৭) ন্যানো এল না। কিন্তু ডানলপ/ হিন্দ মোটর বা ইসকো কেন এই অবস্থায় তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আমরা গোরিলার মত বুক চাপড়েই ক্ষান্ত দেব?
    ৮) অর্থনীতিবিদ প্রণব বর্ধন ২০০২ তেই EPW এ বঙ্গের বেহাল অর্থনীতির হাল ফেরাতে দাওয়াই স্বরূপ একটি কম্প্রেহেন্সিভ প্যাকেজের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাতে কৃষি/শিল্প/শিক্ষা/স্বাস্থ্য সবই ছিল।
    ক্ষমতাসীন সরকারের থিংক ট্যাংকের কেউ পাত্তা দেয় নি।

    ৯) আমরা এই তুই বেড়াল না মুই বেড়াল বন্ধ করে আজ কী করা উচিত তা নিয়ে কথা বলতে পারি না? এই সিস্টেমের মধ্যেই কী কী করা সম্ভব? কোথায় কোথায় ব্যান্ডেজ বাঁধতে হবে আর কোথায় সার্জারি?
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১৫:৫৩670101
  • রন্জনদা, পুরো আলোচোনাটাতে কিন্তু সকলে এইসবকটি কথাই তুলে ধরেছে। শুধু বলা হয়েছে যে কেবলমাত্র একটা কারণ দায়ী নয় - আপনিও তাই বলছেন। সেটাতে সক্কলে মিলে সক্কলকে ক ইত্যাদি।

    আমার তো মনে হয় আসল লড়াইটা আপনার ৭ নম্বরে। নতুন কারখানা বনাম পুরোনো কারখানা। আমি বলবো ন্যানো এলোনা তাতেই রাজ্য গোল্লায় গেলো। আপনি বলবেন হিন্দ মোটর কেন ঘুরে দাঁড়ালো না, তাতেই সব গেলো।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১৬:০২670102
  • রঞ্জনদার সামারিটা ভালো হয়েছে। তবে একটা জিনিস দেখেছি, অনেক বাঙালি কিন্তু পবর বাইরে বেরিয়ে বেশ ভালো ব্যবসা করছে। ছোট থেকে বড়ো নানান উদাহরন পার্সোনালি দেখেছি। জানি অ্যানেকডোট দিয়ে তর্ক হয়না, তবুও বলব পবর বাইরে অনেকেই ব্যাবসায়ে বেশ সফল, চাকরি করতেই হবে এরকম মনোভাব কমেছে। এটা পবতে হয়েছে কিনা জানিনা।
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ১৬:২৩670103
  • এখানে যে সকল গাড়ীওয়ালারা পড়ে-লেখে তাদের কজনের এম্বাসাডার আছে?
    একমাত্র তারাই RR-এর ৭ নম্বর পোশ্নের উত্তর দিতে পারবে।
  • ranjan roy | ১১ মে ২০১৬ ১৬:২৯670104
  • S,
    খানিকটা তাই। কিন্তু এখন দলাই লামার Beyond Religion মুগ্ধ হয়ে পড়ছি, যাতে উনি বলছেন যে নৈতিকতার জন্য ধর্মে আস্থা বা ধর্মকেই নৈতিকতার উৎস মানা আবশ্যক নয়!
    উনি সার্বজনিক নৈতিকতার পক্ষে যুক্তি দি্চ্ছেন যাতে আস্তিক/নাস্তিক সবাই সমান ভাগীদার।
    যার উৎস হবে এই দুইটি আর্যসত্যকে মেনে নেওয়াঃ
    ১) মানুষ সুখ ও আনন্দ খোঁজে, দুঃখ ও বিষাদ নয়। তাই compassion একটি মৌলিক মানবিক ধর্ম।
    ২) মানুষ সামাজিক জীব, একার চেষ্টায় ওই আনন্দ সুখ শান্তি পাবে না। তাই সর্বে সুখিনা ভবন্তু, সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ -- ভেতরে ভেতরে চেতনে অবচেতনে সবাই ভাবে, সবাই চায়।

    একই ভাবে আমি ভাবছি-- সিঙ্গুর/নন্দীগ্রামে আটকে না থেকে ওপারে যেতে। যেহেতু আমরা কেউ বঙ্গকে পিছিয়ে পড়া ভিক্ষাপাত্র হাতে ঘোরা রাজ্য হিসেবে দেখতে চাই না -- তাই বঙ্গের স্পেসিফিক স্পেস ও রিয়েল টাইমে উন্নয়নের মডেল ও প্রোগ্রাম কী হবে বা হতে পারে তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা।
  • cm | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৩২670105
  • সাধু, সাধু--রঞ্জনদাকে।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৩৩670106
  • ইনফ্রাস্ট্রাকচারে ইনভেস্ট করুক রাজ্য। দিদি কিছুটা করেছেন। আর ইনভেস্টমেন্টের অনুকুল পরিবেশ তৈরী করে বসে থাকো। এইটা দিদির পক্ষে সম্ভব নয়।
  • ranjan roy | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৩৪670107
  • ডিসি,
    আপনিই তো একজন ভালো উদাহরণ। ঃ)))
    অমিত সেনগুপ্ত (নীপা--চেন্নাই হইতে লুরুবাসী আড্ডাধারী!) ও আরও কয়েকজন আছেন। অর্পণ চেনে। আমার মনে হয় এককও একজন পোটেনশিয়াল আঁতেপ্রেনর!

    আমরা ক'জন সত্তরের ভাষায় "আঁতে চো--" বাঙালী!ঃ)))
  • ranjan roy | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৩৯670108
  • S,
    বড় করে ক। ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার গাধার গাঁ-- গেছে। এখানে ওয়েলফেয়ার স্টেটের বড় দায়িত্ব। আর এনভায়রনমেন্ট। তার সঙ্গে চাই জঁ দ্রেজে-সেন বর্ণিত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য।

    cm,
    বুড়ো হয়েছি। সেন্টু খেয়ে গেলাম।

    আসলে আজকাল বৌদ্ধদর্শন পড়ছি। এই সব অহংকার আত্মশ্লাঘা সবই ক্ষণিক মনে হচ্ছে। তারচেয়ে কেউ কোন কথা বলছে তার বলার পেছনে কী কাজ করছে, সে আসলে কী চায়--সেইটা ভাবা বেশি দরকারি মনে হচ্ছে।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৪৮670109
  • আমি তো চাকরি করি, ব্যাবসা না। তবে আমার নিকটাত্মীয় কয়েকজন চেন্নাই বা লুরুতে থেকে ব্যাবসা করছেন। ব্যবসা নিয়ে মনোভাব কিছুটা হয়তো পাল্টেছে, অন্তত পবর বাইরে।

    ইনফ্রা ডেভেলপমেন্ট আর ইন্ভেস্টমেন্ট এনভায়রনমেন্টে বদল - এই দুটো করতে পারলে তো অবশ্যই উন্নতি সম্ভব। দেখা যাক, এবার যদি জোট সরকার আসে তো আগামীতে ভালো কিছু হতেও পারে। না হলে আবার পাঁচ বছর তেলেভাজা।
  • cm | ১১ মে ২০১৬ ১৬:৫৩670111
  • রঞ্জনদা শেষ বাক্যটা দারুণ বলেছেন। আমাদের বেশির ভাগ কথা বা কাজই তো আসলে কিছু বলার চেষ্টা মাত্র। আর বেশিরভাগ সময়ই তা ব্যর্থ চেষ্টা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন