এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি

    Su
    অন্যান্য | ২৯ জুলাই ২০০৬ | ২৫২২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:১৪632328
  • কর্ণাটকের the then মুখ্যমন্ত্রী, ইয়েদুরাপ্পা বছর খানেক আগেই রীতিমতন প্রেস কনফেরেন্সে কইলেন যে আমার শত্রুরা তুক তাক করে আমায় মেরে ফেলবার চেষ্টা করছে কিন্তু আমি তা আটকাবো।

    ভাবছেন, এমন উক্তিতে হেথায় ঝড় বয়ে গেলো? কিস্যু হোলো না। কে বলবে ? সবাই একই পথের পথিক। সব দলের সব মন্ত্রীই প্রকাশ্যে এসব কথা কন। বিশ্বাস করেন, প্র্যাকটিস করেন।

    এ কি কোলকেতা? যে ভীড় বাসে যেনো খুন অন্যমনষ্ক ভাবে হাত দুটো মাথা চুলকানোর ভংগীতে একটা on the sly প্রনাম ঠুকে দিলেন?
  • rupankar sarkar | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৩৯632329
  • dd - শেষ লাইন দুটো অনবদ্য। আমার বাড়ির কোনাকুনি উলটো দিকে একটা মন্দির আছে। আমি প্রতিদিন বেশ কিছুক্ষণ সময় নিয়ে বিভিন্ন লোকের প্রণাম/নমো করার কায়দা দেখি। দারুন মজার এবং এই ব্যাপারটা সিম্বলিকালি দেখলে অনেকের চরত্র বোঝা যায়। মজা হচ্ছে, বাঙালীরা বেশির ভাগই Onthesly। বিহারীরা বুক চিতিয়ে এবং নানা ঘটা করে, পাঞ্জাবীরা ক্যাসুয়ালি, দক্ষিণ ভারতীয়রা ভক্তি ভরে, কিন্তু বাঙালী মাত্রই অন দা স্লাই। এবং ৯০%এর হাত কপাল অবধি পৌঁছয়না। তবে একজন সিপিয়েমের নিরলস কর্মী আছেন, তাঁর খুব ঘটা।
  • PM | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪২632330
  • রুপঙ্করবাবু, এই পাতার ডিস্কাসন থেকে কৌতুহলী হয়ে আমি বেশ কিছু ISD খর্চা করলাম। বাবার জন্মপত্রিকা যিনি করেছেন তার ডিটেল জানতে। খবর জানানর মতো কম লোক-ই বেঁচে আছেন এখোনো।

    শেষ-মেষ জানলাম ভদ্রলোক বংশ পরম্পরায় ভাটপাড়া-তেই থাকতেন। পরে চন্দননগর-এ আসেন। কিছুদিন হলো মারা গেছেন।
  • rupankar sarkar | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪৪632331
  • শান্তি ভটচাযও তো চন্দন্নগরে থাকতেন শেষের দিকে, তিনিই কি?
  • bb | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১১:৪৯632332
  • রূপংকরবাবু আপনার ঐ সময় যা মানসিক অবস্থা ছিল তাতে জ্যোতিষি দেখান কোন দোষের নয়। ডুবন্ত মানুষ খড়-কুটো পেলেও ধরার চেষ্টা করে বাঁচার চেষ্টা করে।

    DD আমাদের অন্ধ্রে বাস্তু বা কুন্ডলী বা গোত্রম ইত্যাদি প্রায় সায়েন্স হিসাবে স্বীকৃত। ভিসা গডের কথা তো জানই আছে।

    Rupankar বাবুর মতো না হলেও আমার এক জামশেদপুরের অভিঞ্জতা জানাই। এক নিকট আত্মীয়ের জন্য অর্শের অষুধ হিসাবে এক আড়াই প্যাঁচের আংটি আনতে এক জনের কাছে যাই। মানগো এলাকায় তার বাড়ীতে যখন যাই সন্ধ্যাবেলায়, তিনি বাড়ীতে বসে লুডো খেলছিলেন বাড়ীর মহিলাদের সঙ্গে। দেখে একদম ভক্তি হয় নি। সবশুনে বললেন শনি বার এসে নিয়ে যেতে আংটি। সময়ে গিয়ে নিয়ে এসেছিলাম, অসাধারণ ফল দিয়েছিল। ওনাকে যখন টাকা দিতে গিয়েছিলাম, উনি একটি মন্দিরের কথা বলে বলেন ওখানে পুজা দিয়ে দিতে। নিজে কিছু নেন নি। খুবই অবাক হয়েছিলাম।
    এরপরও বহু লোক উপকৃত হয়েছেন আমাদের ঐ এক আংটি থেকে। শুধু ওর থেকে কেটে একটু অংশ নিয়ে আংটি বানিয়ে। আজ ১২ বছর পর এই বছরই ঐ আংটিদিয়ে আরেকজন উপকার পেয়েছেন। এর সায়েন্টিফিক ব্যাখা আমি এখনো পাই নি।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৫৬632333
  • আমার ঘটনার ব্যাখ্যা আমি পরে দেব। তিনচারদিন ধরে কাজ আর জ্বরের প্রকোপে আমি প্রচণ্ড নাজেহাল।

    কিছু লেখার আছে। পরে লিখব।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৬:৫৭632334
  • বা:, বেশ বেশ।

    হাতে সময় কম, শরীলও ভালো নেই, কতক্ষণ লিখতে পারব জানি না। প্রথমেই বলে নিই, গত তিন্দিনে আমি বিশেষ কিছু পড়ি নি এই টইয়ে, ওপর ওপর দেখে স্ক্রোল করে গিয়েছি।

    আমার সাত বছর বয়েসে ঘটা রঘুনাথগঞ্জের ঘটনাটা, খুবই আনকমন ছিল, বিশেষ করে রঘুনাথগঞ্জের মত একটা পাড়াগাঁয়ে। কিন্তু জ্যোতিষীর কেসটা ভীষণরকমের কমন। এই "আমি-তো-আগেই-বলেছিলাম' সিনড্রোম আমাদের মধ্যে আকছার ঘটে থাকে। ঐ জ্যোতিষীকে আমি চিনি না, কোনওদিন দেখিওনি, এমনকি জ্যোতিষী যে পিউয়ের কিছু জন্মপত্রিকা কুন্ডলী ইত্যাদি বানিয়েছিলেন, তারও কোনও প্রমাণ নেই। জ্যোতিষীর গল্পটা সাত বছরের আমি শুনি বাবা মায়ের কাছ থেকে, এবং বাবা-মা-ও শোনে পিউয়ের বাবা-মায়ের কাছ থেকে, অবশ্যই সমস্ত শোকের আবহ থিতিয়ে আসার পর। আদৌ এরকম কোনও কুষ্ঠী তৈরি হয়েছিল কিনা, হলেও তাতে আদৌ সাত বছর তিন মাসের গল্প ছিল কিনা, এত বছর বাদে সেসব আর বের করা একেবারেই সম্ভব নয়, কারণ ঘটনাটা ১৯৮৪ কি ১৯৮৫ সালের। রঘুনাথগঞ্জ থেকে চলে আসার পরে আমরা আর কোনওদিন যাই নি সেখানে, পিউদের বাড়ির সাথেও যোগাযোগ নেই। সুতরাং হাতে পেনসিল ছাড়া আমার আর বিশেষ কিছুই নেই, নিতান্তই যদি না আমার নাম মিস মার্পল হয়। তা যখন নয়, ব্যাপারটাকে কাকতালীয় বলে ভেবে নিলেই আমার অবিশ্বাসী মন শান্তি পাবে।

    যদিও এতে অনেক পরস্পরবিরোধী চিন্তাভাবনা চলে আসছে। জ্যোতিষীকে দিয়ে ভাগ্যগণনা হয়েছিল মানে পিউয়ের বাবা মা এসবে বিশ্বাস রাখতেন। জ্যোতিষী যদি এতই পিনপয়েন্ট করে বলে দিতেন যে সাত বছর তিন মাসেই ফাঁড়া আছে, তা হলে ঐ একটামাসের জন্য তাঁরা মেয়েকে চোখে চোখে আগলে রাখতেন। পিউ তার দাদার চেয়ে অনেক ছোট। তাকে বাবা মা কীরকম ভালোবাসতেন সে আমার এত বছর পরেও মনে আছে। সেই দিনের ঘটনা ঘটার আগের দিনও পিউ আমাদের বাড়িতে খেলতে এসেছিল, একটা ছোট রাস্তা পেরিয়ে আসতে হত আমাদের কোয়ার্টারে। দুর্ঘটনা অন্যভাবেই ঘটতে পারত। কিন্তু সেই সময়ের যা যা এভিডেন্স আমার স্মৃতিতে আসছে, তার থেকে এটা বুঝতে পারছি, ঐ বিশেষ মাসটিতে পিউকে আলাদা ভাবে কেয়ারে রাখা হয় নি।

    মানে, বাবা মা কোষ্ঠীটাকে তেমন গুরুত্ব দেন নি। এইখানেই প্যারাডক্সটা তৈরি হয়ে যায়, যদি গুরুত্বই দেবেন না, তা হলে বানালেন কেন? যদি ভুলে গিয়ে থাকেন, তা হলে জ্যোতিষী সাত বছর তিন মাসের কথাও যে কোষ্ঠীতে লিখেছিলেন, সেটাও কতটা ঠিকঠাক বলেছিলেন পিউয়ের বাবা মা, সেটা নিয়েও সন্দেহ থেকে যায়। দুর্বল মনে অনেক ছোট ব্যাপারকে অনেক বড় বলে মনে হয়।

    সুতরাং, আসলে এমন কোনও ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। একমাত্র প্রমাণ যখন কেসি আর আমার স্মৃতি, তখন এ বিষয়ে আর না এগনোই ভালো।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ১৭:১২632335
  • এখানে অনেকেই দেখছি (কেমন দিলাম, পেইড ব্যাক ইন দা সেম কয়েন :-) ) বিবেকানন্দ বা রামকৃষ্ণকে নিয়ে সমালোচনামূলক কিছু লিখলে আপত্তি প্রকাশ করছেন। "কারণ এখানে মঠ মিশনে পড়াশুনা শেখা অনেক মানুষ আছেন, ... তারা আহত হতে পারেন।'

    যুক্তিটা পড়ে আমার হুবহু আরেকটা ডায়ালগ মনে পড়ে গেল। কয়েক বছর আগে প্রণব মুখার্জিও এমনতরো উপদেশই দিয়েছিলেন তসলিমা নাসরিনের উদ্দেশ্যে। সংখ্যালঘুদের ভাবাবেগে আঘাত লাগে এমন লেখা না লিখলেই ভালো করবেন তসলিমা।

    তা ইয়ে, আমিও মিশনারি স্কুলে পড়াশুনা করা মানুষ, বা অমানুষ। তা হলে আমার কাছে যীশুখ্রীষ্ট নিয়ে খিস্তিখাস্তা মারলে আমারও নিশ্চয়ই ভাবাবেগে যথেষ্টই আঘাত লাগবে? কিংবা যীশুকে নিয়ে ভালোভাবে পড়াশুনা না করলে পরে তাঁর সমালোচনা করা যায় না?

    তা হলে এই অ্যানালজি ধরে সমালোচনা করার পদ্ধতিগুলো কী কী? বারাক ওবামাকে খিস্তি মারার "যোগ্যতা অর্জন' করতে গেলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদের দাবিদার হওয়া আবশ্যিক? কিংবা বুদ্ধু ভটচাজ বা মমতার সমালোচনা করতে গেলে পবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে হবে?

    বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ সম্পর্কে কিছু কিঞ্চিৎ পড়াশুনা আমার আছে। খুব বিশাল মাপের নয় অবশ্য, তবে যে টুকু পড়েছি, সবই ভক্তজনের রচনাবলী। ফলে সেইসব বইতে তাঁদের আগে থেকেই ভগবান বানিয়ে বই লেখা হয়েছে। বায়াস্‌ড লেখা। বিবেকানন্দর জীবনদর্শনের বিরুদ্ধে গিয়েও বেশ কিছু বই মার্কেটে পাওয়া যায়, আমার পড়া হয়ে ওঠে নি, রঙ্গন থাকলে বলতে পারত। আমি আমার মত অ্যানালিসিস করেছি মাত্র। সেটা ভুল অ্যানালিসিস হতেই পারে। কিন্তু "ভাবাবেগে আঘাত' টাইপের যুক্তি দেখিয়ে না লিখতে বলাটা, আমার মতে, ইয়ে।

    বড় বড় মানুষদের ভগবান বানিয়ে তামার টাটে বসিয়ে পুজো না করে তাঁদের জীবনদর্শনকে নিজের মধ্যে সঞ্চারিত করার চেষ্টা করা অনেক কাজের কাজ।

    এখানে অনেকেই নিজের নিজের বিভিন্ন ঘটনা শেয়ার করেছেন। তাঁরা কে কোন অবস্থায়, কোন মানসিক স্থিতিতে এইসব ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন বা বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছেন, আমি জানি না, জানা সম্ভবও নয়। আমি নিজে যদি এরকমের কিছু ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে পারি যা আমার যুক্তিপথের বাইরে, আমি তবেই বিশ্বাস করব, নইলে আমার কাছে ভগবানও বুলশিট, ভাগ্যগণনাও বুলশিট, গ্রহতারা নিয়ে আদিখ্যেতাও বুলশিট, রত্ন তাবিজ কবচ নিয়ে আদিখ্যেতাও তাই।

    এইখানটাতে আমি বিবেকানন্দের অনুসারী। নিজে যতক্ষণ না উপলব্ধি করব, আমি বিশ্বাস করছি না।

    বাকি এই থ্রেডে যা সব নিয়ে লেখালিখি চলছে, সে সম্বন্ধে একটি কমেন্টও নয় :-)
  • Suvajit | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:১২632336
  • সিকি: বড় বড় মানুষদের ভগবান বানানোর কেস এটা নয়। ব্রতীন আপত্তি করেছিল রিদ্ধিমানের Date:02 Dec 2011 -- 11:58 PM এর পোস্ট নিয়ে যেখানে লেখা আছে, "গুপি করার জন্য বালছাল না এমনি বালছাল বকছে। সেটা বোঝা খুব টাফ। আমার মনে হয় রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ দ্বিতীয় ক্যাটেগরি"। অর্থাৎ এই দুজন বালছাল বকতেন। এই মন্তব্যটি কোন যুক্তি না দেখিয়ে করা হলে তার প্রতিবাদ না হওয়াটাই আশ্চর্যের।
    আপনি মিশনারি স্কুলে পড়তেন, আমিও পড়তাম। এখন কেউ যদি আলপটকা কমেন্ট করেন যে যীশু বাল্‌ছাল বকতেন, বা নিউ টেস্টামেন্ট বালছাল, বা মহম্মদ বালছাল করতেন, সেটা আশাকরি হাল্কাভাবে নেওয়া উচিৎ হবে না।
    নাস্তিক হওয়া আর র‌্যাশনাল ফান্ডামেন্টালিস্ট হওয়ার মধ্যে যে তফাৎ আছে তা আপনি নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন।
  • dukhe | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:১৭632338
  • না:, সিকির একটা গোমেদ না পরলেই নয়। সাধে কি কুড়ি ক্লায়েন্ট সাইটে যাচ্ছে ?
  • rimi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৪৭632339
  • ইয়ে, নিউ টেস্টামেন্ট আর কোরান - দুই বইতেই প্রচুর লেখা আছে যেগুলো আমার মনে হয় *****, রামকৃষ্ণের লেখাতেও একই ব্যপার।
    এঁরা সকলেই পুরোনো যুগের মানুষ, আর "মানুষ,", ভগবান তো নন? রামকৃষ্ণ, যিশু, মহম্মদ তিনজনেরই নারী সম্পর্কে যা সব ধারণা ছিল, সেগুলো পড়লে একজন মেয়ে হিসেবে আমার প্রচন্ড ক্রোধ জন্মায়। এঁদের কারুর প্রতি আমার একবিন্দু শ্রদ্ধা নেই। তো?? তাতে ভক্তদের এমন চিত্ত বিকার জন্মায় কেন বুঝি না। ভক্তদের ভক্তি এমনই ঠুনকো যে অ-ভক্ত কেউ এই মানুষদের সম্পর্কে কিছু নেগেটিভ কমেন্ট করলেই তাদের গায়ে ফোস্কা পড়ে। অথচ যিশু নিজে কত কি শিখিয়েছেন এই ব্যপারে, "কুকুর ঘেউ ঘেউ করলে কান দিয়ো না", "এক গালে চড় খেলে আরেক গাল বাড়িয়ে দিয়ো", "অবিশ্বাসীদের ক্ষমা কোরো" ইত্যাদি প্রভৃতি।
  • Sumit Roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৫৩632340
  • রিমিকে ক !
  • rimi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২০:৫৭632341
  • আর এই "ভাবাবেগে আঘাত লাগা" কথাটার কি মানে? প্রত্যেকের ভাবাবেগ অক্ষুণ্ন রাখার দায়িত্ব কেউ নিলে তার নিজের বিশ্বাসের সপক্ষে তো কোনো কথাই বলা চলে না। কেননা, একজনের বিশ্বাস অন্যজনের অবিশ্বাস।

    এই যে রুপংকরবাবু ডাক্তারি শাস্ত্রটাকেই তুলোধোনা করলেন, স্পষ্ট ভাষায় "বাল" না বললেও মনোভাব যে একই, সেটা বুঝতে কষ্ট হয় না। এতে ডাক্তারি শাস্ত্রে চূড়ান্ত ভাবে বিশ্বাসী আমার যে ভাবাবেগে আঘাত কতটা লাগল, সেকথা কেউ ভেবে দেখল না.. ভেউ ভেউ ভেউ
    ওগো আমার ভাবাবেগকে কেন তোমরা এমন আঘাত করলে গো? ওগো তোমাদের কি হৃদয় বলে কিছুই নেই গো?
  • dukhe | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:১০632342
  • আরে না না, ডাক্তারি শাস্ত্র খারাপ হবে কেন ? শুধু ডাগদারদের রিভিউ পড়ে নেচে নেচে সিনেমা দেখতে না গেলেই হল।
  • dukhe | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:১৪632343
  • তবে ডাক্তারদের বাঁচাবেই বা কে ? এট্টু আগে বিধান রায়ের নামেই ফৌজদারি হতে যাচ্ছিল।
  • rimi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২১632344
  • অ দুখেদা, ডাক্তার নয়, ডাগদারি শাস্তরের কথা কয়েছি। তুমি গোলাইস।

    কিন্তু তুমি যে ডাক্তারের রিভিউএর কথা কইলে, সেই ডাক্তার আর তার রিভিউএর যে আমি অত্যন্ত ভক্ত!! হায় হায় আবার আমার ভাবাবেগে আঘাত লাগল। ওগো আমার ভাবাবেগের কি হবে গো ও ও ও????
  • prateek | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২৪632345
  • :)
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২৫632346
  • রিমিকে বড় হাতের ক। যীশু বা মহম্মদ পোচুর "বালছাল' বাণী দিয়েছেন, এবং কোরাণ বা টেস্টামেন্টে প্রচুর বালছাল জিনিস লেখা আছে, এটা স্বীকার করতেও অসুবিধা আছে? ইন ফ্যাক্ট রামকৃষ্ণ কথামৃতও সেই দোষ থেকে মুক্ত নয়। আজকের যুগের নিরিখে তার অনেক কথাই রীতিমত আপত্তিকর, স্পেশালি নারী সম্পর্কিত উক্তিসমূহ।

    আপাতত মোবাইল থেকে এর বেশি টাইপ করতে পারছি না, পরে লেখা যাবে।
  • aka | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২৮632347
  • এতটা টাইপ করেও বলে বেশি করতে পারছি না। মোবাইল, আইপ্যাড জাতীয় ডিভাইস থেকে আমি কিসুই করতে পারি না। আমার ভাবাবেগ কম তাই মানিয়ে নিচ্ছি।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:৪৪632349
  • গুরুর ফিল্ডে আমি প্রায় বিধান রায় হয়ে গেছি :-) এখন জাস্ট সিম্পটম শুনে বলে দিতে পারি কার মেশিনে বাংলা কেন আসছে না। বিশ্বাস না হয় ম্মু বা মিতাদুকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারো।
  • Sankha | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:৫১632350
  • বাকিরা ভাবাবেগ এ অ্যান্টি ভাইরাস বা ফ্যাক্টরি রিস্টোর মেরে আবার আসতে আসতে আমি সিকির দরবারে এক পেশেন্ট দিই:

    ফাফ আটে বাংলা আসছে, হেডিং আসছে না। ক্যাঁও?
  • SC | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:৫৭632351
  • এখানে অনেক কিছু লেখার আছে, পরে গুছিয়ে লিখবো।
    কিন্তু আপাতত একটা কথা লিখতে হাত নিশপিশ করছে। এই বিধান রায় দূর থেকে দেখলে রোগ বুঝতে পারতেন, এই গল্পগুলো
    আমি ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি। এগুলো মনেহয় মিথ, বা পাতি ঢপ।
    বিধান রায় বড় ডাক্তার হয়ত ছিলেন, কিন্তু এই সব মিথগুলো রাজনৈতিক নির্মাণ বলেই মনে হয়।
    বাঙ্গালি কংগ্রেসি বাড়িতে বিধান রায় একদম বিবেকানন্দের পরেই। বাংলায় কংগ্রেসের শেষ আইকন। তাই মনেহয় বিধান রায়কে
    নিয়ে এইসব মিথ তৈরী হয়েছে। উনি কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী না হলে মনেহয় হত না, বড় ডাক্তার হলেও।
    বিধান রায়ের ভক্তদের ভাবাবেগে আঘাত করলাম বলে কিছু মনে করিয়েন না। :)
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১১ ২২:০০632352
  • শংখ, ইহা ফায়ারফক্সের known বাগ। ব্যাক করে ফাফ ৪ করে নাও, পবলেম থাকবে না।
  • Sankha | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০১:০০632353
  • ও:, টই আবার ফিরে এসেছে, ঘন্টাখানেক লোডশেডিংএর পর কারেন্ট এলে যেমন লাগে, সেইরকম লাগলো!

    সিকি,

    ব্যাক টু চার? আট থেকে চার! :-(( ভাবলেই মন উদাস হয়ে যায়। ছোটবেলায় একটা সাপলুডু ছিলো, নিরানব্বই থেকে একেবারে কুড়িতে নাবিয়ে দিতো, সেই রকম লাগছে।
  • Suvajit | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০১:০১632354
  • বিবেকানন্দ, যীশু, মহম্মদ, রামকৃষ্ণ - এদের প্রত্যকের ৫টা বালছাল উক্তি পেশ করা হোক।
    মন্তব্যের পিছনে তথ্য বা যুক্তি না থাকলে সেটাকে পাতি বালছাল কথা আর অশ্লীল শোএফ বলে আমার মনে হয়।
  • Sibu | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০১:৫৮632355
  • কিরকম উক্তিকে বালচাল উক্তি বলা হবে?
  • pipi | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০২:২৯632356
  • ল্লেহ! ছিল আংটি, গেল মঙ্গলে সাথে কোষ্ঠী নিয়ে, নামল যীশু/মহম্মদ/রামকেষ্ট/বিবেকানন্দরে বগলদাবা করে! ভণ্ডুলবাজি আর কারে কয়! পুউরো ছিল রুমাল হল বিড়াল কেস!
  • rimi | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০৩:০৭632357
  • দেখো, মহম্মদের উক্তি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার আছে কি? ওটা থাক, পরে দেখা যাবে।

    যিশুর বাইবেল -
    ১। পৃথিবী সৃষ্টির গপ্প, আদম আর ইভের গপ্প
    ২। পৃথিবী ফ্ল্যাট, থালার মতন
    ৩। সূর্য্য ও পৃথিবীর সম্পর্ক, পৃথিবীই গোটা বিশ্বের কেন্দ্র
    ৪। ছয় দিনে বিশ্ব সৃষ্টির গপ্প, পৃথিবীর জন্ম সবার আগে, তারপরে তারা, আলো ইত্যাদি
    ৫। হেভেনের অস্তিত্ব

    বিশ্বাস করো এগুলো? রামকৃষ্ণর কথা পরে আবার লিখছি।
  • ridhhiman | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০৩:১৪632358
  • শুভজিত, আপনি একটা বিশা-আ-আ-ল চ্যালেনজ দিয়ে দিলেন। এখন কি করি?
    আপাতত সময় খুব কম -
    কিন্তু সুযোগ পেলেই একটা করে ছেড়ে যাব।
    গরীব গুর্বো আর অন্যকে ভলোবসো ছাড়া যীশুর কোন কথা 'বালছাল' নয়? শয়তান ওনাকে পাহাড়ের ওপোর নিয়ে ধন-দৌলত দেখিয়েছিল?? এ কথা ডিস্প্রুভ করার জন্য আপনি প্রমাণ চাইছেন, একুশ শতেকে বসে?? আপনি মানেন পৃথিবী সাত দিনে হয়েছিল?

    রা: কৃ:- I saw a limitless, infinite, effulgent Ocean of Consciousness ....
    the shining billows were madly rushing at me from all sides with a terrific noise, to swallow me up. I collapsed, unconscious … and I felt the presence of the Divine Mother

    আর বালছাল বলেছি শুধু ও শুধুমাত্র স্পিরিচুয়াল অভিজ্ঞতার ডোমেনে। এমনিতে তো মহা তালেবর পন্ডিত প্রবর রাও পাচ কেন পাচ হাজার বালচল বকেছেন। সেগুলো তো ধরছিই না। বিবেকানন্দ বলতেন বীর্য ধরে রাখলে বিশাল স্পিরিচুয়াল শক্তি বাড়ে। সে তো প্লেটো ও বলত মেয়েদের জিওমেট্রি স্কুলে ঢুকতে দেবে না, শেক্সপীঅয়র ফ্যাগ্‌ট ট্যাগ্‌ট বলে হত হ্যাজাল, --শুধু বাল্‌ছাল না, আজকের যুগে রিতীমত সোস্যাল ক্রাইম। তো এগুলো তো বাদ দিলাম
    আপ্নার কি আশা ছিল, এই মসীহাদের পাচ টাও এরম মন্তব্য পাওয়া যাবে না? সিরিয়াসলি?? ধন্য আপনার ভক্তি।
  • ridhhi | ০৭ ডিসেম্বর ২০১১ ০৩:১৬632360
  • ওহ রিমি অলরেডি স্টার্ট করে দিয়েছে দেখছি। দাদা বেকার বেকার আমাদের দিয়ে এত খাটাচ্ছেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন