এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:৩৭431340
  • আমার মনে আছে গুরুদক্ষিণা।
  • o | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:৩৪431339
  • তাপোস পাল একেবারেই অনাতেল ঃ-))) তবে ওনার অবিচুয়ারি লেখা একটু চাপ। একই লেখায় দাদার দুটি কীর্তি আঁটানো, এ মানে প্যারাগ্রাফ বদল করেও বিচিত্র ব্যাপার। ঃ-)))

  • র২হ | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৯431338
  • এখানে, মানে জীবনানন্দ বিষয়ে আঁতেল মানে কী? আঁতেল তো খুবই পরিবর্তনশীল টার্ম, কোন কোন বৃত্তে আদৌ বইপত্র পড়া মানেই আঁতেল, কোথাও কমলকুমারের নীচে কল্কে পাওয়া যায় না।

    জীবনানন্দ বিষয়ে আঁতেলের মাপকাঠিটা কী? রাজনীতিসচেতন, ভোকাল, তিক্ত, বামপন্থী, তাত্ত্বিক - ঠিক কোনটা?

  • অরিন | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৭431337
  • তাপস পাল মারা গেছেন জেনে মন খারাপ হয়ে গেল। আমারও ব্রতীনের মতই, দাদার কীর্তি আর সাহেব সিনেমার তাপস পালের কথাটাই মনে হয়। ৬১ বছর বয়স কিছুই নয়।

  • o | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৪431336
  • অপু | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৩431335
  • বোধি দা তুমি কি আতেল? :)))
  • o | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২১431334
  • উফ ঃ-)))

  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:১৫431333
  • :-))))
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:১৫431332
  • জীবনানন্দ একেবারেই অনাতেল
  • tr | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:০৩431331
  • rt
  • {} | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:৫৯431330
  • ১৯৪৬-৪৭

    দিনের আলোয় ওই চারিদিকে মানুষের অস্পষ্ট ব্যস্ততা:
    পথে-ঘাটে ট্রাক ট্রামলাইনে ফুটপাতে;
    কোথাও পরের বাড়ি এখুনি নিলেম হবে— মনে হয়,
    জলের মতন দামে।
    সকলকে ফাঁকি দিয়ে স্বর্গে পৌঁছুবে
    সকলের আগে সকলেই তাই।

    অনেকেরই ঊর্ধ্বশ্বাসে যেতে হয়, তবু
    নিলেমের ঘরবাড়ি আসবাব— অথবা যা নিলেমের নয়
    সে-সব জিনিস
    বহুকে বঞ্চিত ক’রে দু-জন কি একজন কিনে নিতে পারে।
    পৃথিবীতে সুদ খাটে: সকলের জন্যে নয়।
    অনির্বচনীয় হুণ্ডি একজন দু-জনের হাতে।
    পৃথিবীর এই সব উঁচু লোকদের দাবি এসে
    সবই নেয়, নারীকেও নিয়ে যায়।
    বাকি সব মানুষেরা অন্ধকারে হেমন্তের অবিরল পাতার মতন
    কোথাও নদীর পানে উড়ে যেতে চায়,
    অথবা মাটির দিকে— পৃথিবীর কোনো পুনঃপ্রবাহের বীজের ভিতরে
    মিশে গিয়ে। পৃথিবীতে ঢের জন্ম নষ্ট হ’য়ে গেছে জেনে, তবু
    আবার সূর্যের গন্ধে ফিরে এসে ধুলো ঘাস কুসুমের অমৃতত্বে কবে
    পরিচিত জল, আলো আধো অধিকারিণীকে অধিকার ক’রে নিতে হবে
    ভেবে তা’রা অন্ধকারে লীন হ’য়ে যায়।

    লীন হ’য়ে গেলে তা’রা তখন তো— মৃত।
    মৃতেরা এ-পৃথিবীতে ফেরে না কখনো।
    মৃতেরা কোথাও নেই; আছে?
    কোনো-কোনো অঘ্রাণের পথে পায়চারি-করা শান্ত মানুষের
    হৃদয়ের পথে ছাড়া মৃতের কোথাও নেই বলে মনে হয়;

    তা হ’লে মৃত্যুর আগে আলো অন্ন আকাশ নারীকে
    কিছুটা সুস্থিরভাবে পেলে ভালো হ’তো।

    বাংলার লক্ষ গ্রাম নিরাশায় আলোহীনতায় ডুবে নিস্তব্ধ নিস্তেল।
    সূর্য অস্তে চ’লে গেলে কেমন সুকেশী অন্ধকার
    খোঁপা বেঁধে নিতে অাসে— কিন্তু কার হাতে?
    আলুলায়িত হ’য়ে চেয়ে থাকে— কিন্তু কার তরে?
    হাত নেই— কোথাও মানুষ নেই; বাংলার লক্ষ গ্রামরাত্রি একদিন
    আলপনার, পটের ছবির মতো সুহাস্যা, পটলচেরা চোখের মানুষী
    হ’তে পেরেছিলো প্রায়; নিভে গেছে সব।

    এইখানে নবান্নের ঘ্রাণ ওরা সেদিনও পেয়েছে;
    নতুন চালের রসে রৌদ্রে কতো কাক
    এ-পাড়ার বড়ো মেজো…ও-পাড়ার দুলে বোয়েদের
    ডাকশাঁখে উড়ে এসে সুধা খেয়ে যেত;
    এখন টুঁ শব্দ নেই সেই সব কাকপাখিদেরও;
    মানুষের হাড় খুলি মানুষের গণনার সংখ্যাধীন নয়;
    সময়ের হাতে অন্তহীন।

    ওখানে চাঁদের রাতে প্রান্তরে চাষার নাচ হ’তো
    ধানের অদ্ভুত রস খেয়ে ফেলে মাঝি বাগ্‌দির
    ঈশ্বরী মেয়ের সাথে
    বিবাহের কিছু আগে— বিবাহের কিছু পরে— সন্তানের জন্মাবার আগে।
    সে-সব সন্তান আজ এ-যুগের কুরাষ্ট্রের মূঢ়
    ক্লান্ত লোকসমাজের ভিড়ে চাপা প’ড়ে
    মৃত প্রায়; আজকের এই সব গ্রাম্য সন্ততির
    প্রপিতামহের দল হেসে খেলে ভালোবেসে— অন্ধকারে জমিদারদের
    চিরস্থায়ী ব্যবস্থাকে চড়কের গাছে তুলে ঘুমায়ে গিয়েছে।
    ওরা খুব বেশি ভালো ছিলো না; তবুও
    আজকের মন্বন্তর দাঙ্গা দুঃখ নিরক্ষরতায়

    অন্ধ শতছিন্ন গ্রাম্য প্রাণীদের চেয়ে
    পৃথক আর-এক স্পষ্ট জগতের অধিবাসী ছিলো।

    অাজকে অস্পষ্ট সব? ভালো ক’রে কথা ভাবা এখন কঠিন;
    অন্ধকারে অর্ধসত্য সকলকে জানিয়ে দেবার
    নিয়ম এখন আছে; তারপর একা অন্ধকারে
    বাকি সত্য আঁচ ক’রে নেওয়ার রেওয়াজ
    র’য়ে গেছে; সকলেই আড়চোখে সকলকে দেখে।

    সৃষ্টির মনের কথা মনে হয়— দ্বেষ।
    সৃষ্টির মনের কথা: আমাদেরি আন্তরিকতাতে
    অামাদেরি সন্দেহের ছায়াপাত টেনে এনে ব্যথা
    খুঁজে আনা। প্রকৃতির পাহাড়ে পাথরে সমুচ্ছল
    ঝর্ণার জল দেখে তারপর হৃদয়ে তাকিয়ে
    দেখেছি প্রথম জল নিহত প্রাণীর রক্তে লাল
    হ’য়ে আছে ব’লে বাঘ হরিণের পিছু আজো ধায়;
    মানুষ মেরেছি আমি— তার রক্তে আমার শরীর
    ভ’রে গেছে; পৃথিবীর পথে এই নিহত ভ্রাতার
    ভাই অামি; আমাকে সে কনিষ্ঠের মতো জেনে তবু
    হৃদয়ে কঠিন হ’য়ে বধ ক’রে গেল, আমি রক্তাক্ত নদীর
    কল্লোলের কাছে শুয়ে অগ্রজপ্রতিম বিমূঢ়কে
    বধ ক’রে ঘুমাতেছি— তাহার অপরিসর বুকের ভিতরে
    মুখ রেখে মনে হয় জীবনের স্নেহশীল ব্রতী
    সকলকে অালো দেবে মনে ক’রে অগ্রসর হ’য়ে
    তবুও কোথাও কোনো অালো নেই ব’লে ঘুমাতেছে।

    ঘুমাতেছে।
    যদি ডাকি রক্তের নদীর থেকে কল্লোলিত হ’য়ে
    ব’লে যাবে কাছে এসে, ‘ইয়াসিন আমি,
    হানিফ মহম্মদ মকবুল করিম আজিজ—

    আর তুমি?’ আমার বুকের ’পরে হাত রেখে মৃত মুখ থেকে
    চোখ তুলে সুধাবে সে— রক্তনদী উদ্বেলিত হ’য়ে
    বলে যাবে, ‘গগন, বিপিন, শশী, পাথুরেঘাটার;
    মানিকতলার, শ্যামবাজারের, গ্যালিফ স্ট্রিটের, এন্টালীর—’
    কোথাকার কেবা জানে; জীবনের ইতর শ্রেণীর
    মানুষ তো এরা সব; ছেঁড়া জুতো পায়ে
    বাজারের পোকাকাটা জিনিসের কেনাকাটা করে;
    সৃষ্টির অপরিক্লান্ত চারণার বেগে
    এই সব প্রাণকণা জেগেছিলো— বিকেলের সূর্যের রশ্মিতে
    সহসা সুন্দর ব’লে মনে হয়েছিলো কোনো উজ্জ্বল চোখের
    মনীষী লোকের কাছে এই সব অনুর মতন
    উদ্ভাসিত পৃথিবীর উপেক্ষিত জীবনগুলোকে।
    সূর্যের আলোর ঢলে রোমাঞ্চিত রেণুর শরীরে
    রেণুর সংঘর্ষে যেই শব্দ জেগে ওঠে
    সেখানে সময় তার অনুপম কণ্ঠের সংগীতে
    কথা বলে; কাকে বলে? ইয়াসিন মকবুল শশী
    সহসা নিকটে এসে কোনো-কিছু বলবার আগে
    আধ খণ্ড অনন্তের অন্তরের থেকে যেন ঢের
    কথা বলে গিয়েছিলো; তবু—
    অনন্ত তো খণ্ড নয়; তাই সেই স্বপ্ন, কাজ, কথা
    অখণ্ড অনন্তে অন্তৰ্হিত হ’য়ে গেছে;
    কেউ নেই, কিছু নেই— সূর্য নিভে গেছে।

    এ-যুগে এখন ঢের কম আলো সব দিকে, তবে।
    আমরা এ-পৃথিবীর বহুদিনকার
    কথা কাজ ব্যথা ভুল সংকল্প চিন্তার
    মর্যাদায় গড় কাহিনীর মূল্য নিংড়ে এখন
    সঞ্চয় করেছি বাক্য শব্দ ভাষা অনুপম বাচনের রীতি।
    মানুষের ভাষা তবু অনুভূতিদেশ থেকে আলো
    না পেলে নিছক ক্রিয়া; বিশেষণ; এলোমেলো নিরাশ্রয় শব্দের কঙ্কাল;

    জ্ঞানের নিকট থেকে ঢের দূরে থাকে।
    অনেক বিদ্যার দান উত্তরাধিকারে পেয়ে তবু
    অামাদের এই শতকের
    বিজ্ঞান তো সংকলিত জিনিসের ভিড় শুধু— বেড়ে যায় শুধু;
    তবুও কোথাও তার প্রাণ নেই ব’লে অর্থময়
    জ্ঞান নেই আজ এই পৃথিবীতে; জ্ঞানের বিহনে প্রেম নেই।

    এ-যুগে কোথাও কোনো আলো— কোনো কান্তিময় আলো
    চোখের সুমুখে নেই যাত্রিকের; নেই তো নিঃসৃত অন্ধকার
    রাত্রির মায়ের মতো: মানুষের বিহ্বল দেহের
    সব দোষ প্রক্ষালিত ক’রে দেয়— মানুষের বিহ্বল আত্মাকে
    লোকসমাগমহীন একান্তের অন্ধকারে অন্তঃশীল ক’রে
    তাকে আর সুধায় না— অতীতের সুধানো প্রশ্নের
    উত্তর চায় না আর— শুধু শব্দহীন মৃত্যুহীন
    অন্ধকারে ঘিরে রাখে, সব অপরাধ ক্লান্তি ভয় ভুল পাপ
    বীতকাম হয় যাতে— এ-জীবন ধীরে-ধীরে বীতশোক হয়,
    স্নিগ্ধতা হৃদয়ে জাগে; যেন দিকচিহ্নময় সমুদ্রের পারে
    কয়েকটি দেবদারুগাছের ভিতরে অবলীন
    বাতাসের প্রিয়কণ্ঠ কাছে আসে— মানুষের রক্তাক্ত আত্মায়
    সে-হাওয়া অনবচ্ছিন্ন সুগমের— মানুষের জীবন নির্মল।
    আজ এই পৃথিবীতে এমন মহানুভব ব্যাপ্ত অন্ধকার
    নেই আর? সুবাতাস গভীরতা পবিত্রতা নেই?
    তবুও মানুষ অন্ধ দুর্দশার থেকে স্নিগ্ধ আঁধারের দিকে
    অন্ধকার হ’তে তার নবীন নগরী গ্রাম উৎসবের পানে
    যে অনবনমনে চলেছে আজো— তার হৃদয়ের
    ভুলের পাপের উৎস অতিক্রম ক’রে চেতনার
    বলয়ের নিজ গুণ র’য়ে গেছে ব’লে মনে হয়।

  • b | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:৪১431329
  • "মানুষের খাওয়ার আর মসলা র লোভ না থাকলে"

    মশলা, মূলতঃ গোলমরিচ, প্রিজারভেটিভ হিসেবে (মাংসের) ব্যবহার হত। মধ্যপ্রাচ্যে যতদিন আরবরা ছিলো, ট্রেড ঠিকঠাক হত। তারপরে ক্রুসেড, পরবর্তীকালে টার্কির ক্ষমতাদখ্ল ইত্যাদিতে (স্থলপথের) ট্রেডটা ঘেঁটে দেয়।
  • অপু | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:০৫431328
  • "সাহেব", "দাদার কীর্তি" ই মনে থাকবে। রাজনীতি করা তাপস পাল নয়।
  • arin | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:২৭431327
  • "অরিন বাবু, এত গরু গরু করবেন না। ফিলিপ ঘোষ খবর পেলে আপনাকে সংঘের রাজ্যসচিব করে দেবে।"

    সর্বনাশ করেছে !
    আমি নেই।
  • pi | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:২৩431326
  • তাপস পাল মারা গেলেন?
  • S | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:০২431325
  • অরিন বাবু, এত গরু গরু করবেন না। ফিলিপ ঘোষ খবর পেলে আপনাকে সংঘের রাজ্যসচিব করে দেবে।
  • S | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৫৯431324
  • ইয়োরোপে খুব শীত। শীতবস্ত্র চাই। আর চাই মশলা যা দিয়ে রান্না হবে মাংস। নইলে যে ঐ শীতে লোকে বাঁচতে পারবেনা। তাই বেড়িয়ে পড়লো তুলো, রেশম, আর মশলার খোঁজে। গিয়ে দেখলো এইসব জায়্গার লোকেরা বেশ বোকাসোকা। আর এখনও পুরোনো অস্ত্র দিয়েই মারামারি করে। তার পরের কয়েকশ বছরের ইতিহাস সবাই জানি।
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৫২431323
  • গরু মোষের মাংসের বাজার তো আরও বড়। দুধ নিলে বরং প্রাণীটাকে মারা হয় না, একই প্রাণী বহুদিন প্রোডাক্ট দিতে পারে। কিন্তু পালে পালে প্রাণী মেরে খেলে সেটাও তো কম চাপ না।
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৯431322
  • অরিন,
    চীনারা রাজী হয়ে গেল ইয়োগার্ট খেতে? ঃ-)
    (চীনে নাকি মোষ পালন করে মাংসের জন্য, কিন্তু মোষের দুধ খায় না ওরা। এদিকে ভারতে মোষের দুধ থেকে কত কী তৈরী হয়)
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৬431321
  • অ, আপনি আপনিই। আগে বলবেন তো! ঃ-)
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৩431320
  • স্পেকটার অফ বার্নি তো বেড়ে ই চলেছে, আজ আবার পেলোসি স্টেটমেন্ট দিয়েছে।
  • :-D | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:২৫431319
  • আতোজ ৫টা৩৬ ~ ই আবার কেমং কোশ্ন? আমি আমিই।
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১৫431318
  • একেবারেই বাজে কোয়ালিটি।
  • arin | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১১431317
  • তাতে কি মানুষের মাছ মাংস মদ ক্ষীর ননী তামাক গাঁজা ইত্যাদি খাওয়া বন্ধ হচ্ছে? নাকি "এমনো বসন্তদিনে বাড়ি ফেরো মাংস কিনে" গাওয়া বন্ধ হচ্ছে?

    না না, বন্ধ হবে কেন?
    খাওয়ার প্যাটার্ন টা যদি নিজের ইচ্ছেয় চলে তো চলুক না।

    তর্কটা তখনি ওঠে যখন আমার আপনার খাবার গ্রহণের প্যাটার্নটা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এবং তার consequence এর মূল্য চোকাতে গিয়ে পৃথিবীর নাভিশ্বাস ওঠে। একটা উদাহরণ দিচ্ছি, ক্রনোলজি সমঝ লিজিয়ে, :-)

    ১) নিউজিল্যান্ডের ফন্টেরা, সুইজারল্যান্ড এর নেস্টলে ও অন্যান্য দুধ কোম্পানি দেখছে যে চীনেদের হাতে ভালো পয়সা, অতএব দুধ "yogurt" বিক্রির ভালো বাজার, অতএব চীনারা কালচারালি দুধ খাক না খাক, চলো পাল্টাই। দুধ বেচি।
    ২) বাজার বাড়ছে, দুধের যোগান চাই, একরের পর একর জমিতে, চাষ বাস লাটে তুলে গরু চরছে, মেশিনে দুধ থেকে powder তৈরী হচ্ছে, চিনে বেচা চলছে।
    ৩) গরুর বর্জ্য থেকে উষ্ণায়ন, (পরে ভাববো )
    ৪) গরুর খাবার জন্যে palm kernel (তালের ফোঁপর ??) আমদানি করা হোক ইন্দোনেশিয়া থেকে, ট্রপিকাল রেনফরেস্ট উচ্ছন্নে যাক, সুমাত্রার বাঘ মরএ মরুক। (গোটা দুনিয়ার দায়)

    এবং প্রায় আপনার সব প্রিয় বাজার নিয়ন্ত্রিত খাবারের উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যেই এই জাতীয় কিছু গল্প পেয়ে যাবেন। আমি শুধু দুধের কথাটাই বললাম।
  • Amit | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৬431316
  • সে তো বটেই। অন্যরকম বলতে গান করা, কোবতে লেখা যদি হয়, তাহলে বেশ চলে যায়।

    তবে কি না অন্য রকমের মধ্যে যুদ্ধ টুদ্ধ একটু সমস্যার বটে। যুদ্ধের গল্প পড়তে বা মুভি দেখতে যতটা রোমাঞ্চ লাগে, নিজে যুদ্ধের মধ্যে পড়ে গেলে ততটা লাগবে কিনা যে জানে। কাশ্মীর বা সিরিয়ার লোকেরা কি আর অতটা রোমাঞ্চ পান ?

    :) :)
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪২431315
  • অমিত, ভেবে দেখুন একদিকে বেশ করেছে মারামারি করেছে। ইতিহাস ভর্তি বেশ রোমাঞ্চকর সব কান্ড ঘটেছে। দিনের শেষে সবই তো "বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়", তারচেয়ে হুলুস্থুলু করে মারামারি করে একদিকে ভালোই করেছে। নইলে ম্যান্দামারা গরুভেড়ার দল হয়ে লাভটা কী হত?
    (সেই তিনবিধাতা না কোন একটা গল্পে নারদ যেমন বলছিল, বেশ করেছে বাসুকী জ্ঞানবৃক্ষের ফল পেড়ে দিয়েছে আর খেতে বলেছে। ওরকম আদম ইভ তৈরী করে জ্ঞানহীন করে রেখে দিয়ে লাভ কী যদি গরু ভেড়ার মতন আর একটা জীবই হল সেটা? মানুষ তৈরীই তো হয়েছে "অন্যরকম" জীব হবে বলে )
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৬431314
  • ওমা, ওমনাথ নন????? তাহলে আপনি কে????
  • Amit | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৬431313
  • এই খাওয়া আর মসলা নিয়েই যত ঝামেলা। ব্রিটিশ, ফ্রেঞ্চ বা ডাচ কলোনিজশন এর ইতিহাস প্রায় ৫০-% বোধহয় শুধু মসলার জন্যে। আজকে পুরো পৃথিবীর ইতিহাস হয়তো অন্য রকম হতো মানুষের খাওয়ার আর মসলা র লোভ না থাকলে।

    যাক গে, সময়ের চাকা তো আর উল্টো দিকে ঘোরানো যাবে না। এক যদি মোদী বাউ টাইম মেশিন টা বানিয়ে ফেলতে পারেন কোনো মতে, বেদে আছে নিশ্চয়। :) :)
  • :-) | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:২৯431312
  • ধন্যবাদ লাগবে না। শুধু জানলেই চলবে আমি ওমনাথ না
  • Atoz | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:১১431311
  • প্রয়োজন দিয়ে খাওয়া নির্ধারিত হয় না তো। মানুষ শাকভাত ডালভাত রুটিসব্জি ফলফলারি খেয়েই বাঁচতে পারে, সুস্থসবল হয়েই। তাতে কি মানুষের মাছ মাংস মদ ক্ষীর ননী তামাক গাঁজা ইত্যাদি খাওয়া বন্ধ হচ্ছে? নাকি "এমনো বসন্তদিনে বাড়ি ফেরো মাংস কিনে" গাওয়া বন্ধ হচ্ছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত