এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:৩১431250
  • @আতোজ, আপনি যাদের কথা বললেন, ওপারে থেকে গেছিল, তাদের নিয়ে এবারের একটি পুজাবার্ষিকীতে, একটি উপন্যাস পড়লাম, নাম 'চরের মানুষ'। ভাল লেগেছে। '৭১ র মুক্তিযুদ্ধ প্রেক্ষাপট।
  • Atoz | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:২৫431249
  • ১৯৭১ এ দেশটা স্বাধীন হয়ে যাবার পরে এঁরা অনেকে আশা করেছিলেন এইবারে চাকা ঘুরবে, অবস্থা ভালো হবে। হয়তো আবার ফিরে যাওয়া যাবে। বাহাত্তর তিয়াত্তর নাগাদ গিয়ে ঘুরে দেখেও এসেছেন। জন্মভূমিতে ফেরা যায় কিনা। কিন্তু সে আর হয় নি।
  • Atoz | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:১৬431248
  • হুঁ সে দি। ১৯৪৭ এর অনেক পরেও বহু লোক রয়ে গিয়েছিল, নিজের ভিটেমাটি কর্মক্ষেত্র বন্ধুবান্ধব প্রিয়জন ছেড়ে মানুষে কি যেতে চায় সহজে? এঁরা ক্রমাগতঃ আশা করে গিয়েছেন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, ভালো হবে--কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হল না। কখনো দলে দলে, কখনও একটি একটি করে পরিবার ভিটেমাটি ছেড়ে সর্বস্ব পিছনে ফেলে রেখে পালাতে বাধ্য হলেন।
  • অর্জুন | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:১২431247
  • ঘটি বাঙালের বিয়ে বেশী হলে টেনশন কমে কিনা জানিনা, মজা অন্তত বাড়ে। আমাদের বাড়িতে '৪০ সাল থেকে হয়ে আসছে। বাবার সেজ কাকীমা, আমাদের লাল ঠাম্মা ভবানীপুরের খাস ঘটি। বাঙালদের তেড়ে গালমন্দ করতেন। আমরা রেগে ভূত হতাম। আমি বলতাম 'একজন বাঙালই তো তোমায় উদ্ধার করেছে। আবার বড় বড় কথা!' ঃ))))

    বাঙালদের মধ্যে রকমফের আছে অবশ্যই। বালিগঞ্জ বাসী বাঙাল আর বাপুজিনগর বাসী বাঙাল এক ছিল না। আমার বাবা, মা'র জন্ম বেড়ে ওঠা, বিয়ে কলকাতা- ২৬, ২৯ র মধ্যে। ওদিকে মা'র মামাবাড়ি পার্টিশনের ওয়ার্স্ট ভিকটিম বাপুজিনগরে বেড়ার ঘরে। এখানেও উন্নাসিকতা, আর্থ সামাজিক ব্যবধান রয়েছে।
  • সে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:১০431246
  • আতোজ,
    ১৯৬৩ র ঘটনাটা আমি শুনেছি দিল্লীতে তন্ময়ের কাছে।
  • সে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:০৮431245
  • হিন্দু মুসলমানের বিয়েতে মূল বাধা মিসোজিনি।
    কে পাত্র আর কে পাত্রী সেই হিসেবে কে জয়ী কে পরাজিত সেটা ভারতীয় সমাজে এখনও মাপা হয়।
  • অর্জুন | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:০২431244
  • হিন্দু মুসলমানের মধ্যে কটা বিয়ে হয়? একমাত্র বলিউডে নির্বিবাদে হয়। বাকীদের নয়। কারণ হিন্দু, মুসলমান রেটরিক থেকে যতদিন না both parties বেরোবে ততদিন শুধু বিয়ে নয় তাদের পরস্পরের মধ্যে অস্তিত্ব সংকট আর ঘুচবে না। একটা দেশে identity হওয়া উচিত based upon citizenship on equal rights and merit একই বৃন্তে দুটি কুসুম ডট ডট ডট ' বড্ড বস্তাপচা।

    বাঙালী, অবাঙালী বিয়ে এখন জোরকদমে হচ্ছে। আমার বাড়িতে কাজিন্দের ৫০% স্পাউস বাঙালী ভাষাভাষীর নয়, ১০% অভারতীয়। :-P
  • শ্রীপর্ণা | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৫০431243
  • আমাদের প্রতিবেশী বাড়িতে বিয়ে। ভদ্রলোকের প্রচুউউউর টাকা। প্রচুর টাকা থাকলেই এলাহি ব্যাপার স্যাপার করে টাকা ওড়াতে হবে, এটা আমি মানি না। মোদ্দা কথা যার যা ইচ্ছে করুক। যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আমার কিছু পছন্দ-অপছন্দ মানে অন্যেরও সেটাই হতেই হবে এরকম জোরজবরদস্তি ভাল্লাগেনা।
    কিন্তু বিয়েবাড়ির এই ভদ্রলোক আলাদাই লেভেলের। ওনার চারচাকা গুলো যে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে দেয় তাকে কুড়ি টাকা দিতেন। এবং আরও কিছু টাকা বাড়াতে বললে উনি বলেন "অতো টাকা নিয়ে করবি টা কি?”.... এবং মাইনে মাসে ছ'শো থেকে কমিয়ে উনি চারশো করেন। ক'দিন পরে "না রে বড্ড খরচ হয়ে যাচ্ছে। গাড়ি মুছতে অনেক টাকা নিস তুই। তোকে আর মুছতে হবেনা" বলে উনি ছেলেটির মাসের চারশো টাকা রোজগারটিও বন্ধ করে দেন। এই জাস্ট দু'দিন আগে বাড়িতে বিয়ে আছে বলে ছেলেটিকে আবার গাড়ি মুছতে বলে বলেন "বিয়ের সময় গাড়িগুলো নোংরা থাকবে?! ওই দুদিন একটু মুছে দিস চল্লিশ টাকাই দেবো".... শালা পঞ্চাশও নয়, চল্লিশ।
    মোটামুটি ভাবে ভদ্দরলোকটির ব্যাপারে আন্দাজ দেওয়া গেলো। এবার আসি বিয়েবাড়ির কথায়।
    গোটাবাড়িতে বিয়ে উপলক্ষে যা টুনিলাইট দিয়েছেন তার থেকে বেশি টুনি আমার ব্যালকনিতে জ্বলজ্বল করে। (আমার কাজু টুনিলাইট রাইসবাল্ব এগুলো দেখতে ভালোবাসে বলে)...
    বরের গাড়ি বলতে ছিলো ওলা। তাও রেন্টাল নয়। যদিও ওনার নিজের একাধিক গাড়ি আছে আগেই বললাম।
    ওলা এসে দাঁড়ানোর পর টুক করে একটা ফুলের তোড়া গাড়ির সামনে আটকে দেন। ওলা দাঁড়িয়ে। ওলার সামনে ফুলটুল সাঁটানো হচ্ছে। ওলা ড্রাইভার তেড়েফুঁড়ে চেঁচাচ্ছেন "আরে তাড়াতাড়ি করুন না".... ভদ্রলোক আরও জোরে "এতো তাড়াহুড়ো যখন এলে কেন, ক্যান্সেল করে দিলেই পারতে".... যাকগে বর নিয়েই ওলা গেলো। সাথে পরিবারের চার-পাঁচজন।

    বিয়ে উপলক্ষে ফ্ল্যাটের লোকজনকে খেতে বলে বলা হয়েছে "আপনারা সারাদিন ওখানেই খাওয়াদাওয়া করবেন।".. কোনদিন সেটা বলতে ভুলে গেলেন উনি। কখন, সেটাও। বিয়ের রাতের খাওয়াদাওয়ার জন্য অনুষ্ঠান বাড়ি ভাড়া করা হয়েছে। আর সকাল দুপুরের জন্য বাড়ির নিচেই প্যান্ডেল (ওই আর কি) করা হয়েছে। রাঁধুনিরাও এসেছেন। কিন্তু ফ্ল্যাটের লোকজন চরম কনফিউজড। কি করবে বুঝতে পারছে না। এই মার্কেটে ভদ্রলোক সব্বার কনফিউশন দূর করে দিলেন। নিচে গিয়ে রাঁধুনিদের বলে এলেন "এই তোমরা নিজেদের জন্য রান্নাবান্না করে খেয়ে নাও। আমাদের ঘরেরটা আমরা ওপরে নিজেরাই করে নেবো।".... কথা মতো রাঁধুনিরা নিজেদের জন্য টুকটাক রান্না করে খেয়েটেয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন। ওখানেই একটু জায়গা করে নিয়ে... ফ্ল্যাটের নিমন্ত্রিতদের জ্বলে যাচ্ছে এদিকে.... গতকাল বিয়েতে কেউ যায়নি। বউভাতে কি করবেন তেনারা তা রোগুবিড়ি জানেন।
    বিয়েবাড়ি এট্টু সানাই-টানাই না বাজলে ভাল্লাগে?! ভদ্দরলোকটির ভারী সখ একটু সানাইটানাই বাজবে...লোকজন শুনবে। এবং তিনি টাকাপয়সা খরচ না করে সে ব্যবস্থা কি করে করা যায় তা ভাবছিলেন বোধহয়। তারপর যদিও 'আইডিয়া' মার্কা লুক দিয়ে তুড়ি মেরে সেটা মাথা থেকে বের করে ফেলেছেন। যখনই বাড়িতে কেউ আসছে উনি ওনার মোবাইলে টুক করে সানাই বাজিয়ে দিচ্ছেন। এবার এই কেসটা প্রথমে সেই গাড়ি মুছতে যাকে বলেছিলেন সেই ছেলেটি ধরতে পারেনি। তাই সে হঠাৎ কিছু লোকজনের সামনে "ও কাকু মোবাইলটা কখন দিয়ে বেজে যাচ্ছে, ফোনটা ধরো" বলে ফেলেছে.... ভদ্রলোক চোখ লাল করে "নিজের কাজ কর গিয়ে".... এদিকে যাদের সামনে ছেলেটি কথাটা বলে ফেলেছিলো তেনারা আরও ঘেঁটে গিয়েছেন সেটা পরে বুঝতে পারা গেছে। ভদ্রলোক তো তাদের " আরে এসেছিস! এতো দেরি করলি কেন? আয় আয়”.... আর যারা এলেন তারা ভদ্রলোকের দেখানো ডিরেকশনে যেতে যেতে, "এইতো জাম্বাবু... আরো আগে আসতাম। দেরি হয়ে গেলো অমুক কারণে তমুক কারণে" এসব বলতে বলতেই হঠাৎ করে বলে ফেললেন "একি, বিয়েবাড়ি তো! এতো আস্তে সানাই বাজছে কেনো? ওদের আরেকটু বাড়িয়ে দিতে বলো"..... ছেলেটি সেই মুহুর্তে ফেসপাম।
    এরকম একটার পর একটা খেল দেখিয়ে যাচ্ছেন ভদ্রলোক.... এদিকে আমি ঠিক করেছি আরেকটু পরে নিজের ব্যালকনিতে ব্লুটুথ সাউন্ড বক্সটা নিয়ে এট্টু সানাই-এর ব্যাবস্থা করবো। প্রতিবেশীদের খেয়াল রাখা প্রতিবেশীদেরই কর্তব্য। এক সাচ্চা প্রতিবেশীর উচিৎ (এরকম) প্রতিবেশীর প্রেস্টিজে অবশ্যই ভালো করে গ্যামাক্সিন দেওয়া... ☺
  • Atoz | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৪৯431242
  • মিলিটারি পূর্ব-পাকিস্তান সরকারের ব্যাপারটাও ভুলবেন না। সবাই ১৯৪৭ এ পালায় নি (সেটা সম্ভবও ছিল না ), অনেকেই রয়ে গিয়েছিল। তারপর বছরের পর বছর, দশকের পর দশক ধরে দেশত্যাগ করেছে। বাধ্য হয়ে। আমার চেনা নিকটাত্মীয় একটি পরিবার আসে তেষট্টি সালে। প্রায় নিরুপায় হয়ে। সঙ্গে তিনটি কিশোর কিশোরী ছেলেমেয়ে নিয়ে প্রৌঢ় পিতামাতা। ভারতের নানা জায়্গায় তাদের আত্মীয় ছিল, পশ্চিমবঙ্গে অনেক, নিজেদেরই বিবাহিত পুত্রকন্যারা ছিল, তাই তাদের আশ্রয়েই এসে ওঠেন প্রথমে, তারপরে ভাড়া থাকেন কিছুকাল, তারপরে একটুকরো জমি কিনে সামান্য একটি টালিছাওয়া বাড়ি।
    একটা রিসেন্ট লেখা পড়লাম এই নিয়ে, খুবই সাংঘাতিক। মিলিটারি এসে পাড়ায় পাড়ায় নাকি দেয়ালে লিখে দিত এইচ। মানে হিন্দু। তারপর শুরু হত ধরপাকড়।
  • aka | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৪৪431241
  • পপুলার মিডিয়া গুলোখুব স্লোলি প্রচার করছে যে পিট বুডাজাজ আর অ্যামি ক্লোবাচারের মোট ভোটের সন্খ্যা বার্ণি আর ওয়ারেনের মোট ভোটের থেকে বেশি মানে বেশির ভাগ ডেমরা হল সেন্ট্রিস্ট ইত্যাদি।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৪৩431240
  • আগের থেকে ভালো হয়েছে। মানে অনেকটাই। কিলার মাইক, কার্ডি বি এনডোর্স করেছে, সাউথ থেকে এডুকেশন বোর্ড এর লোকে রা সমর্থন করছে। টারনা র ওর ক্যাম্পেইন চিফ। মেন প্ল্যাঙ্ক, ক্রিমিনাল জাস্টিস রিফর্ম, আর লিগাল মারিজুয়ানা। তবে লং ওয়ে টু গো। স্টুডেন্ট রাই মেন হেল্প করছে।
  • ঘটি | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৪০431239
  • গুরুতে বেশী বাঙাল বলে বড় বড় কথা আর ঘটি ব্যাশিং হলেও সত্য কথা যে ওপার থেকে মার খেয়ে আসা বাঙালের এপারে বারফাট্টাই খুব বেশী।
    আর ঐ আমাগো শত শত বিঘা জমি ছিল, আর বাঙালের বীরত্বের গুল্প শুনে শুনে মন হয় ল্যাজ গুটিয়ে না এসে লড়েন নি ক্যান? আর মুসলমানবিদ্বেষ, এখন যাদব্পুর-্ঢাকুরিয়া-গড়িয়ায় উদ্বাস্তু পোলা এই প্রজন্ম দেখলেই বোঝা যায়। অর্ধ-্শিক্ষিত মা-ঠাকুমার বানানো গল্পকে ইতিহাস বলে বিশ্বাস বলে চালানো যায় না।
  • অর্জুন | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৩৬431238
  • পৃথক রাজ্য থেকে এসে বসবাস করলেই তাকে সঙ্গে সঙ্গে 'বহিরাগত' করে দেওয়ার মানসিকতা থেকেই এই 'Other'ing তত্ত্ব। দুই বাংলার ক্ষেত্রে ‘অনুপ্রেবেশকারী’। ঘটি ও বাঙাল আসলে দুটো ভৌগলিক সাংস্কৃতিক identity। আমি এর আগেও বলেছি ঘটি, বাঙালের দ্বন্দ্বটা এক ধরণের কমিক রিলিফ। কিন্তু বাঙালদের কপালে অনুপ্রবেশকারী তকমা জোটে এত যে ব্যাপারটা আর শুধুই কমিকাল থাকেনা। দেশকে নিজের সম্পত্তি ভাবা থেকে জিঙ্গো ন্যাশনলিজমের সূচনা। অথচ ঘটি, বাঙালের প্রায় সব ক্ষেত্রে (ভৌগলিক, ইতিহাসিক, সাংস্কৃতিক …….) বৈচিত্র বাঙালীদের দুটো distinct identity দিয়েছে। ঘটি, বাঙালের সূত্রপাত যতদূর জানি ’৪৭ র অনেক আগে কিন্তু ব্যাপারটা ব্যাপক মাত্রা পেল দেশভাগের পরে।
    পূর্ব, পশ্চিম নিয়ে এত টানাপড়েন, কই উত্তর, দক্ষিণের মধ্যে তো নেই! কোচবিহার আর সুন্দরবনের বাসিন্দাদের মধ্যে এই টেনশন কি আছে? বাঙাল- ঘটির মিল- অমিল সাংস্কৃতিক আদান প্রদান সব কিছুই অনেক বেশী। তার ওপর ইতিহাস আর রাজনীতি।

    উত্তর দক্ষিণের মধ্যে এসব নেই।
  • pi | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:৩১431237
  • বার্নির আফ্রিকান-আম্রিগান সাপোর্ট কেমন?
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১৮431236
  • ব্লুমবার্গ কিন্তু শেষে ইন্ডিপেন্ডেন্ট হয়ে লড়তে পারে। আবার শোনা যাচ্ছে ব্লুমবার্গ-্হিলারি টিকিট। সবই সম্ভব। অবশ্যি হিলারিকে অনেকেই টিকিটে নিতে চাইবে। আফ্রিকান -আম্রিগান ভোট পুরো পকেটে তাহলে।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১৪431235
  • লিজ ওয়ারেন তো বাজে ঝগড়া করছে, ওর ক্লিন্টন আডভাইজর প্রভাব একটু বেশি আপাতত।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১৩431234
  • বার্নি নতুন সব আলাইনমেনট আনবে কিছু টা, টেক্সাস এ বাইডেন এর থেকে দিব বেশি মাইরি। তবুও এ আরকি নমিনেশন এর আগে যতটা পারি নি,: শ্বাস নি, তারপর তো ভাল থেকে সেই।
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:১২431233
  • একটাই আশা যদি শেষে লিজ ওয়ারেন আর পিট বুডাজিজ একসঙ্গে বার্ণীকে এন্ডর্স করে দেয়। পিটের কাছে একটাও আফ্রিকান- আমেরিকান ভোট নেই। ওয়ারেন মোটামুটি বার্ণীর বি-টিম।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:০৮431232
  • ট্রেড ক্রূজ, চাক টড দের বক্তব্য হাস্যকর।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:০৭431231
  • আমি ফারিদ জাকারিয়া র গ্রীন নিউ ডিল এর ক্রিটিক আশা করেছিলাম কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আশা করি নি। দে আর গোয়িং অল আউট। মার্ক লেভিন বলেছে ভারমন্টে থাকে বলে বার্নি রেসিস্ট:-)
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:০৪431230
  • বার্ণী স্যান্ডার্স যে ধরনের ফান্ড রেইজিং করেন, সেসব বাকী ক্যান্ডিডেটদের কাছে স্বপ্ন। ২০২০র জানুয়ারিতে শুধু এক মাসে বার্ণীর ক্যাম্পেইন ২৫ মিলিয়ন তুলেছে। সব ছোটো ছোটো কন্ট্রিবিউশান। গড় ১৯ ডলারের একটু কম।
  • সে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:০৩431229
  • মাস মাইগ্রেশন ডিপেন্ডস। সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারে হারবার পরে জার্মানিতে শ্রমিকের কাজের জন্য লোক দরকার হয়েছিল প্রচুর। নেহেরুকে বলা হয়েছিল ভারত থেকে শ্রমিক পাঠাতে, নেহেরু রাজি হন নি। টার্কি রাজি হয়, মাস মাইগ্রেশন হয়। এখন সেই সব মাইগ্রেন্টদের সন্ততিরা ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত।
    এই মুহূর্তে জারমানিতে বেকার সমস্যা আছে। এখন মাস মাইগ্রেশন ঘটলে লোকে ভাল চোখে নেবে না।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২২:০৩431228
  • ডেমোক্রেটিক পার্টি বার্নি কে নমিনেশন দিলে খুবই অবাক হব। ইন্ডিপেন্ডেন্ট দের রেজিস্ট্রেশন আটকানো গতবার ই করেছে, এবার তো গুপি আ্যপ দিয়ে শুরু করেছে, আরো কতকিছু করবে।
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৫৮431227
  • গত মিডটার্ম ইলেক্শনে সোশালিস্টদের রমরমা ছিল। পার্টিতে কর্পোরেট ডেমরা প্রায় কোনঠাসা। অন্যদিকে এওসি গুছিয়ে কাজ করছে। প্রচুর ইয়ং আইভি লীগের ছেলেমেয়েরা মাঠে নেমে পড়েছে সোসালিস্ট পলিসিগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য। নিউ গ্রীন ডিল ক্রমশঃ পপুলার হয়ে উঠছে। ঐটা লোককে ঠিকঠাক বোঝাতে পারলে বহু রিপাব্লিকানরাও বার্ণীকে ভোট দিয়ে দেবে - বা অন্তত অ্যাবস্টেইন থাকবে। লোকে যতই বলুক যে বার্ণীর তো একটাই অ্যাজেন্ডা, লোকে ঐরকম ফোকাস্ড অ্যাজেন্ডাই চাইছে এবং গিলছে।

    ফারিদ জাকারিয়াও সেদিন বার্ণীর পলিসিকে ক্রিটিসাইজ করলো। লোকে বলছে তেলের কোম্পানিতে ফারিদের প্রচুর ইনভেস্টমেন্ট আছে। একটা ডিবেট হয়, সেখানে বাইডেনকে প্রায় খুঁজে পাওয়া যায়্না। তারপরে সিএনেন রিপোর্ট লেখে যে সবথেকে ভালো পারফর্ম করেছে বাইডেন।
  • সে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৫৬431226
  • বার্নীর মেন্টর আছে কি?
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৪৭431225
  • আম্রিগায় ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশান হলে বার্ণী ল্যান্ড স্লাইডে জিতবেন। কিন্তু সেসব আম্রিগায় হয়নি বহুদিন হল।

    ১) ডেমদের প্রাইমারিতে ডেলিগেটস, সুপারডেলিগেট্স ব্যাপারটা খুব ঘাঁটা এবং যথেষ্ট কোরাপ্ট।
    ২) আম্রিগায় একজন ক্যান্ডিডেটের পক্ষে এবং আরেকজনের বিপক্ষে কর্পোরেট এবং বিগ ক্যাপিটালরা যত খুশি টাকা খরচ করতে পারে।
    ৩) ভোটার সাপ্রেশান আম্রিগায় যে কায়্দায় হয়, তার কাছে পবের বুথ রিগিং নেহাতই মামুলি ব্যাপার।

    ফলে বার্ণী প্রায় প্রত্যেকটা রাজ্যে সবথেকে এগিয়ে থেকেও ডেলিগেট্স সংখ্যায় ৩ বা ৪ নংএ শেষ করতে পারেন। এস্টাব্লিশমেন্ট চাইছে ব্লুমবার্গ বা বাইডেন ক্যান্ডিডেট হোক। মুশকিল হল এরা দুজন মনে হয় কোনও প্রাইমারিতেই প্রথম ৩ জনের মধ্যে আসবে না।

    ফলে ট্রাম্প আবার জিতবে। আর সিএনেন দু বছর ধরে অ্যানালিসিস করবে যে কেন জিতলো।
  • সে | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৪১431224
  • এগ্রিড
  • S | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৩৭431223
  • @সে, আপনার কতগুলো কথার সাথে একমত, আবার কতগুলো কথার সঙ্গে নয়।

    এটা ঠিক যে ওপার বাংলায় মেজরিটি মুসলিমদের সঙ্গে জঘণ্য আচরণ করত হিন্দুরা। এসব আমাদের ফ্যামিলিতেই শোনা। কোন বামুনের ছায়া মাড়ানোর জন্য জুতোর বাড়ি ইত্যাদি।

    এটাও ঠিক যে বংশ পরম্পরায় এইসব ঘটি-বাঙাল বিদ্বেষ রেখে লাভ নেই। আমিও ব্যাপারটাকে লাইটলিই নিতাম। আমার বহু বন্ধুই ঘটি। তাদের সাথে ঐ ইস্টবেঙ্গল-্মোহনবাগান, আমরা-তোরা, মিষ্টি-ঝাল, লুচি-নুচি, ইলিশ-্চিঙড়ি ব্যান্টারের বাইরে কোনোদিনও বৈরিতা হয়নি। কিন্তু খুব অবাক হলাম যখন দেখলাম যে বাঙাল বিদ্বেষ এখনও রয়ে গেছে। তাই অ্যালার্ট থাকতে হয়।

    উদ্বাস্তু, মাস মাইগ্রেশান হলেই লোকে রেগে যাবে এমন নয়। যতক্ষণ না ওটাকে পলিটিকাল ইস্যু করা হয়। ওবামার আমলে সবথেকে বেশি ডিপোর্টেশান হয়েছিল। তবুও ট্রাম্প লোক ক্ষেপিয়ে ইমিগ্রেশানকে ডিসকাশনের সেন্টার স্টেজে নিয়ে এলো। ফক্স নিউজ তো এই কয়েক বছর আগেও অ্যান্টি-ইমিগ্রেশান ছিলনা। কিন্তু এখন দেখে এই ইস্যুতে রিপাব্লিকানদের ভোট বাড়ে, তাই সেই নিয়ে সারাক্ষণ ভয় দেখিয়ে চলেছে।
  • pi | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৩১431222
  • আমাকে জিগাবেন না। আমিও বুঝিনি।
  • | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:২৩431221
  • ইন্টেলেকচুয়াল দের উপরে রাগ টা এখন খুব ই কমন। গ
    *বার্নি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত