এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৫১430200
  • দ্যাখো কান্ড! সান্তা ক্লজ তুরস্কের? সেন্ট নিকোলাস? ভদ্রলোককে উত্তরমেরুতে পাঠিয়ে দিল কারা? আহা, কী ঠান্ডা লাগে ওঁর ! ঃ-)
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২১:৪৮430199
  • গুড কার্মা ব্যাড কার্মা যে কী বস্তু, লোথার তা হাড়ে হাড়ে জানে। কার্মা যখন রেগে যায়, উফ্ফ্ফ, সে ভয়ঙ্কর ব্যাড কার্মা। আবার খুশি থাকলে ভালো কার্মা। ঃ-)
    কিন্তু প্রশ্ন হল, নার্দার ব্যাপারটা কী?
  • রঞ্জন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৮:০৩430198
  • কোরেগাঁও রজনীশ আশ্রম নিয়ে অর্জুনের বর্ণনা যথাযথ। এক রোববারে বাসস্টপ থেকে অনেকটা হেঁটে হাজির হয়ে দেখি গলির মুখে একটি দোকানে ওদের সেই আলখাল্লা এবং মোপেড এম-৮০ ইত্যাদি ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আর প্যাঁয়েফুটপাথে কিছু সাহেবদের ছেড়ে যাওয়া বইপত্তর বিক্রি হচ্ছে। শস্তায় পেয়ে গেলাম টম স্টপার্ডের " রোজেনক্রাঞ্জ এন্ড গিল্ডেনস্টার্ন আর ডেড"।

    বাঁদিকে রজনীশের আশ্রমের গেট, ডানদিকে একটা হাসপাতাল, তাতে রক্ত পরীক্ষা করে তুমি এইচ আই ভি মুক্ত/যুক্ত সাট্টিফিকেট দিচ্ছে, মাত্র ৬০০ টাকায়!!

    প্রথম গেটে ঢুকতে গিয়ে বাধা পেলাম, ওটা কেবল আশ্রমবাসীদের জন্যে।একটি বছর দশ-বারোর সোনালি চুলো শ্বেতাঙ্গ বালক টুলে বসে ছ'ফুটিয়া সাহেব-সাহেবনীদের আইডি চেক করছে, সবার গায়ে ওই আলখাল্লা, সবার গলায় আইডি কার্ড। আমার জন্যে দ্বিতীয় গেট। আমি ওখানেই দাঁড়িয়ে পড়লাম। ক্যান? দেখলাম একের পর এক সাহেব-সাহেবনীরা একে অপরকে " আমোরে, আমোরে" বোলে সম্বোধন করছে এবং জড়িয়ে ধরে চুমো খাচ্ছে। সে কি চুমো! বাঘের মত থাবা মারা হামলে পরা নয়, দু'জনে হাসিমুখে এগিয়ে এসে জড়িয়ে ধরছে এবং অনেকক্ষণ ধরে চুমো-আবদ্ধ থাকছে। একজনের ক্ষেত্রে ঘড়ি দেখেছিলাম-১২ মিনিট! আমি ইম্প্রেসড!

    ওয়া হমীনস্ত! ওয়া হমীনস্ত! ওয়া হমীনস্ত!

    আমি চুমো-মুক্ত দু'একজনের সঙ্গে (অবশ্যই পুরুষ)খোঁড়া ইংরেজিতে আলাপ জমাবার চেষ্টা করলাম, ওঁরা নীরব তিরস্কারে এড়িয়ে গ্যালেন। বুঝলাম, ওঁরা সাধনমার্গে আছেন, আমার মত অভাজনদের সঙ্গে আলাপ ? ছ্যাঃ।

    দ্বিতীয় গেটে গেলাম। ফ্রি তে ঢুকলে ৪৫ মিনিট, টিকিট কাটলে আড়াই ঘন্টা। আমি পালা করে দুটোই করলাম। অর্জুন যেমন বলেছেন, ভেতরে চমৎকার ল্যান্ডস্কেপ। বড় বড় বোল্ডার, শীর্ণ বেগবতী জলধারা মিলে নয়নাভিরাম উদ্যান। আমি গেছি 'ড্রাইল্যান্ড ফার্মিং' এর ফাইন্যান্সিং কোর্স করতে। মনে হল এখানেই প্র্যাকটিক্যাল করালে আরবিয়াই কর্তৃপক্ষ ভাল করতেন।

    ময়দানে একটি মশারি টাঙানো, তাতে অন্ততঃ একশ জন বসে একসাথে ধ্যান করতে পারে। এটি নাকি লিমকা বা গিনেস বুকস এ নাম তুলেছে। আম্মাদের গাইড সব থিওরি বুঝিয়ে ঘুরিয়ে দেখানোর পর একজন জিজ্ঞেস করল-- কত ফি দিলে এখানে এন্ট্রি পাওয়া যাবে?

    আমরা স্তব্ধ, আমাদের কান খাড়া। সবার মনের কথা এর জিভে?

    গাইড কড়া চোখে সবাইকে দেখে বলল-- এটা পয়সা দিয়ে এন্ট্রি পাবার ব্যাপার নয়। আগে বাড়ির কাছের ওশোকেন্দ্রে গিয়ে সদস্য হয়য়ে নিয়মিত ধ্যান করুন। ছ'মাস পড়ে আপনার উৎসাহ থাকলে এবং আপনার কেন্দ্র রেকো করলে তবে এন্ট্রির প্রশ্ন।

    খাবারের স্টলে কম মশলার নানারকম খাবার, ফ্রেঞ্চ নাকি ইতালিয়ানে নাম লেখা ( আমি কোনটাই জানিনা)। একটা দেখে বুঝলাম ফুলকপির তরকারি। খিদে পেয়েছিল, কিনতে যেতেই ওরা শীতল চোখে আমাকে বলল-- এইচ-আই-ভি-মুক্ত কাগজ আছে ? রাস্তার ওপারের হাসপাতাল থেকে রক্তপরীক্ষা করিয়ে এস।

    ছ'শো টাকা কোথায় পাব? তা এক গেলাস জলই দাও।

    না, আগে সার্টিফিকেট, নইলে এখানে কিস্যু ছুঁতে পারবে না।

    তেষ্টার জলও দেবে না ? দুস শালা! নিকুচি করেছে বোলে 'কাগজ নহী দিখায়েঙ্গে ' মুডে বেরিয়ে এলাম।

    ফের গেলে.১ নং গেটের সামনে স্বর্গীয় দৃশ্য দেখব বোলে। চোখে পড়ল এক শ্যামাঙ্গী মধ্যবয়সী নবদীক্ষিত মহিলা,আলখাল্লা-লকেটে সেজে ঢোকার জন্যে কিউয়ে দাঁড়িয়ে। আরে, হাতে শাঁখা-পলা? সিঁথিতে হালকা লালের ছোঁয়া! বাঙালী? একজন শ্বেতাঙ্গ তাঁকে আমোরে বলে জড়িয়ে ধরল, চুমো খেল। উনি আড়ষ্ট, অসহজ। হয়ত ভাবছেন ক্যান যে মরতে আইলাম?

    তিনরকম গলায় 'আমোরে! আমোরে!' শুনে পেছনে ফিরলাম। একজন নারীকে দুদিক থেকে জড়িয়ে ধরে হাসিহাসি মুখে চুমো খাচ্ছে দুই পুরুষ।

    আমার পক্ষে ওভারডোজ। তাই " এত প্রেম আমি কোথা পাব নাথ" গুনগুন করতে করতে বাসরাস্তার দিকে পা চালালাম।

  • রঞ্জন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৭:১৫430197
  • .১

    পূর্ব জনমে উনি মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের এক কায়স্থ সন্তান, কলেজ জীবনেই ভাল ডিবেটার, পরে সেখানেই দর্শনের জনপ্রিয় অধ্যাপক। কিছুদিন অজ্ঞাতবাসের পর আচার্য রজনীশ অবতারে অবতরণ, শেষ জীবনে 'ওশো' নামে নবরূপ। তখন হুইলারের স্টল থেকে সর্বত্র পাওয়া যেত রজনীশ সাহিত্য, বিপুল বিক্রি। সবচেয়ে জনপ্রিয় বইটির নাম " সম্ভোগ সে সমাধি তক"।

    আমার এক কলীগ ছিলেন ওনার কাছে দীক্ষিত। ছেলেটি ওই লালচে গেরুয়া লুঙ্গিগোছের এবং সেই রঙের কুর্তা ও গলায় রুদ্রাক্ষমালায় রজনীশ লকেট পরেই ব্যাংকের ডিউটি করত। নিজের স্ত্রী সমেত সমস্ত নারীকেই 'মা' বলে সম্বোধন করত। নিয়মিত সেশনে যেত, স্থানীয় ধ্যানসেন্টারে যুক্ত ছিল ; বছরে দু'বার পুণে যেত। ব্যক্তিগত জীবনে বন্ধুবৎসল, হিউমারপ্রিয় দিব্য আদমী। আমাকে রজনীশ সাহিত্য পড়িয়েছিল। দুটোর বেশি এগুতে পারিনি। কনটেন্টের ব্যাপারে আমি নিচে দেওয়া এককের পোস্টের সঙ্গে একমত। বড্ড আউট অফ কন্টেক্সট পিক এন্ড চুজগোছের।

    ও আমাকে কিছু ব্যায়াম এবং কিছু নৃত্য দেখিয়েছিল। বিশেষ করে পায়ের পাতায় ভর করে মাথার উপর দুইহাত তুলে নিম্নাংগ থেকে শরীর কাঁপিয়ে ওপরে তোলা ড্যান্স ! আমি মজা পেয়েছিলাম।

    একবার ব্যাঙ্কের ভর্তির পরীক্ষার জন্যে একটি কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলাম আমরা দু'জন। সন্ধ্যের দিকে ওর সঙ্গে্গার্লস ডিগ্রি কলেজে সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট দেখতে গিয়ে ফিরে আসছি এমন সময় দোতলার বারান্দা থেকে আওয়াজ-- " এ সম্ভোগ-সে-সমাধি! ইধার আ তো জরা! "

    তাকিয়ে দেখি দোতলার ব্যালকনি থেকে তিন ছাত্রী আওয়াজ দিচ্ছে, সঙ্গে খিল খিল হাসি। আমরা যঃ পলায়তি, স জীবতি।

    ( কুড়ি বছর আগে দেখলাম ও শার্ট-প্যান্টে ফিরে এসেছে।)

  • S | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:৫৭430196
  • বার্ণী রক্স। আর হাসান মিনহাজও ভালো ইন্টারভিউ নিয়েছে।

  • r2h | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:১৩430195
  • কালকে এটুজি বললো চার্চ উঠে গেলে পরিকাঠামোগুলো সৎকাজে লাগানো যায়। তা যায় ঠিকই।

    তবে আবার, সৎ কাজে লাগেও টুকটাক। আমাদের পুরনো পাড়ার চার্চের স্কুলে মেয়ে পড়তো (গুচ্ছ পয়সা নিতো অবশ্য, তবে আমাদের দেশে তো আবার ফ্রি স্কুল টুল চালায়), সেই চার্চের কয়ারে গান গাইতো একটা মুসলিম প্রধান বাংলাদেশী গোষ্ঠী, রোব্বার গরীব বুড়ো লোকেরা সেজেগুজে খেতে আসতো স্যুপ কিচেনে, মাসে একদিন ভারতীয় গোষ্ঠী ভলান্টিয়ার করতো সুখদীপ আন্টির নেতৃত্বে। যীশু বাবার নামে এসব হলে হোক না। আগে অবশ্য অনেক যুদ্ধ বিগ্রহ করেছে, সেসব খারাপ কাজ।

    সেদিন সরস্বতী পুজোয় সেনসাসের স্টলে এক ভলান্টিয়ার ছোকরা এসেছে, পাঞ্জাবী ডিসেন্ট, ছোটবেলায় একবার দেশে গেছিলো নাকি। খিচুড়ি খেতে ডাকা হলো, তাতে পয়সা লাগবে না শুনে জিজ্ঞেস করলো, ও আচ্ছা, তোমরা লঙ্গর করছো?

    তারপর খুব আনন্দ করে বাচ্চাদের রবিগান বিচিত্রানুষ্ঠান এইসব দেখলো টেখলো।
  • Ekak | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৬:০১430194
  • ওয়েস্টর্ন দের পক্ষে, প্রাচ্যের ফিলোসফি বোঝা ওনেক্টা নন নিউটোনিঅন ফ্লুইডের উপোর আসোন কোরে বোস্তে বলার মত। ডুয়ালিজম কে ওরা পার্টিজানের মোত কোরে বোঝে।

    ব্যাটারা কার্মা র ধারনা পড়ে, তার থেকে আবার গুড কার্মা ব্যাড কার্মা ভাগ করেচে, দিয়ে এটা কে ওটা দিয়ে ব্যালান্স কর্তে লাইফ কাবারঃ((( পুরো ব্যাপার্টা থেকেই বেরোতে পারেনা আর।

    সাব্স্ক্রিপসন মডেল আর কী ঃড আর কিচু গুরুও জুটেচে সাব্স্ক্রিপসনের লোভে ধুও দেবার।
  • অর্জুন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫:৪৮430193
  • @অর্জুন ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:৫৩

    বাউল ফকির কথা- সুধীর চক্রবর্তী
  • S | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:১২430192
  • আমার ধারণা আম্রিগায় ক্রিশ্চানিটি চ্যালেন্জে পড়ছে দুটি কারণে। এক, ইয়োরোপ থেকে অনেকদিন বিচ্ছিন্ন। বহুদিন হয়ে গেল ইয়োরোপিয়ানরা (বিশেষ করে ওয়েস্ট ইয়োরোপিয়ানরা) আর আম্রিগায় আসেনা। আম্রিগানরাও সেভাবে ইয়োরোপে আর যায়্না। ইংরেজি ছাড়া অন্য ভাষাও জানেনা (স্প্যানিশ শেখে মুলত মেক্সিকানদের জন্য)। ফলে সেই সম্পক্ক আর নেই। নতুন জেনারেশন আম্রিগানরা সেভাবে আর নিজেদেরকে ইয়োরোপিয়ান ভাবেনা, আলাদা আম্রিগান আইডেন্টিটি তৈরী হয়েছে। বেশ কিছু জায়্গায় মাল্টিকালচারাল কস্মোপলিটান পরিবেশ। সেক্ষেত্রে ক্রিশ্চানিটি এদের কাছে ইয়োরোপের ধর্ম। দুই, যারা এখনও ইয়োরোপিয়ান ডিসেন্ট ভাবে, তাদের ঝামেলা করেছে উইকিপিডিয়া। ক্রিস্চানিটি আর যীশুকে নিয়ে বেশি খোঁজ খবর করতে গিয়ে দেখে কোথায় ইয়োরোপ? এ ভদ্রলোক তো রীতিমতন এশিয়ান। এমনকি সান্তা ক্লজও তুরস্কের লোক। ধুর ছাই।
  • S | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৫৩430191
  • বহু আম্রিগানরা লাফিং বুড্ঢাকে বুদ্ধদেব হিসাবে চেনে।
  • S | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৫২430190
  • একটা সময় ফরেন এক্সপিরিয়েন্স বলতে শুধুমাত্র ইয়োরোপ বোঝাতো। তারপরে সেটা একটু বেড়ে ল্যাটিন আমেরিকা আর জাপান ঢুকলো। মাঝে কয়েকদিনের জন্য সাউথ ইস্ট এশিয়া আর মিডল ইস্ট হয়েছিলো। কিন্তু বিগত দুই দশকে সেখানে ঝামেলা বড্ড বেড়েছে। তাই এখন নতুন ডেস্টিনেশান হয়েছে চীন আর একটু বেশি অ্যাডভেন্চারাস হলে ইন্ডিয়া। লোকে পনেরো দিনের জন্য ঘুরতে গেলেও সেটা ইন্টারভিউতে মেনশান করে। একটা ইউনিতে একজন আম্রিগান মহিলা ইন্টারভিউতে বলেছিলেন যে তিনি বেশ কয়েকবার আয়ারল্যান্ড গেছেন (নিজে আইরিশ ডিসেন্ট), অতেব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস পড়ানোর যোগ্যতা রাখেন।
  • S | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:৪৪430189
  • প্রাচ্যের ধর্ম বিশেষতঃ বুডঢিজম আর হিন্ডুইজম নিয়ে আম্রিগানদের উৎসাহ অনেকটাই স্টাইল, ফ্যাশান, ডুইং সামথিং ডিফারেন্ট টাইপের। মানে পছন্দের কিছু রিচুয়ালস, মেডিটেশান, ভুল উচ্চারণে কিছু মন্ত্র বলা, য়োগা, চ্যান্টিং, ফিলোসফি নিয়ে ভুল ধারণা রাখা, ঘণেশার মুর্তি রাখা এসবের বাইরে এক্কেবারে আম্রিগান লাইফস্টাইল - যেখানে পুরোপুরি পাশ্চাত্যের ধর্মের ছাপ রয়েছে। আমার আপনার সাধারণ বুদ্ধিতে এইসব ধর্ম নিয়ে দুচারমিনিটের বেশি আলোচনা করতে গেলেই খুব অস্বস্তি আর অসুবিধেয় পরে। ধর্ম নিয়ে এদের হাবভাব যতটা বেশি, কমিটমেন্ট খুবই কম। ফলে যেকোনও দিন সবকিছু জেড়েঝুড়ে আবার পালে গিয়ে মিশবে। এরা সুযোগ সুবিধে বুঝে ধর্ম আর ফিলসফি পাল্টায়। প্রাচ্য নিয়ে এদের উৎসাহের ব্যাপারটাও অনেকটা সেইরকমই।
  • সে | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৭430187
  • অরিনকে পরে লিখছি।
  • অরিন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:১০430186
  • @সে: "গত বিশ ত্রিশ বছর ধরেই ইয়োরোপে বুদ্ধিজম নিয়ে লোকজনের কৌতুহল বৃদ্ধি পেতে দেখেছি, খানিকটা ফ্যাশানের মত। কয়েকজন প্র্যাক্টিজিং কে দেখেছি কাছ থেকে। ধ্যান, চ্যান্টিং, ইত্যাদি নিয়মিত করেন, কিন্তু অন্যসময়ে লোভ ঘৃণা হিংসা ক্রোধ সবেরই তীব্রতা রয়েছে। ধ্যান ও চ্যান্টিং করেও এদের অন্ততঃ স্ট্রেস কমে নি, স্বভাবও বশে আসে নি।
    এদের ক্ষেত্রে এটা জাস্ট একটা সেক্ট।"

    এই শ্রেণীর লোকেরা বুদ্ধদেবের আমলেও ছিলেন, এমনকি বুদ্ধদেবের সঙ্ঘেও এমন বহু শ্রমণ ছিলেন। মঝিমা নিকায়ার, ৩৮ নম্বর সূত্রে ("মহাতনহাসাংখ্যা সূত্ত") বুদ্ধদেব স্বয়ং সতী নামে এক ধীবরসন্তানকে (কোন কোন বৌদ্ধ সাহিত্যের পণ্ডিতের ভাষ্য অনুযায়ী "son of a fisherman" কথাটা অবজ্ঞাসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেকালে), তার ভুল চিন্তাভাবনার জন্য, সঙ্ঘের নামে, বুদ্ধদেবের নাম করে নিজের মত করে বিদ্যে জাহির করার জন্য তিরস্কার করছেন। আজ থেকে ২৬০০ বছর আগে স্বয়ং বুদ্ধদেবের আমলেই যদি বাঘের ঘরে ঘোঘের বাসা হয়, আজকের যুগেও যে এই ধরণের কিছু লোকজন লোক দেখানোর সদ্ধর্ম, বিপাসনার নামে ফ্যাশন করবেন এতে মনে হয় আশ্চর্যের কিছু নেই। আপনার কথা পড়ে মনে হয় এদের ধ্যান করাটা একটা মেকানিকাল প্রসেস, হেপ ব্যাপার, যার জন্য ত্রিলক্ষণ ("অনাত্ত, অনিত্য, দুঃখ") সম্বন্ধে এঁরা শুনে টুনে থাকতে পারেন, কিন্তু খুব সম্ভবত ব্যাপারটা বোঝেননি বা হৃদয়ংগম করেননি, ওসব নিয়ে মাথা ঘামান না; ফলে মনের মধ্যে ক্রোধ, ঘৃণা, লালসা, ভ্রান্ত ধারণার কিছুতে কিছু প্রভাব পড়ে নি। এতে করে অবিশ্যি এঁদের কর্ম জনিত দুঃখও কম নয়। যার জন্য এঁরা বৌদ্ধধর্ম বা সদ্ধর্ম যাঁরা পালন করেন তাঁদের প্রতিভূ নন। এমনকি শ্রমণ সেজে ঘুরে বেড়ালেও নন। এদের মধ্যে অনেকের আবার গুরু সাজার দারুণ শখ। কলম সূত্তে ("Kalama sutta") বুদ্ধদেব এদের সম্বন্ধে সাবধান করেছেন, দেখুন,

    "

    I have heard that on one occasion the Blessed One, on a wandering tour among the Kosalans with a large community of monks, arrived at Kesaputta, a town of the Kalamas. The Kalamas of Kesaputta heard it said, "Gotama the contemplative — the son of the Sakyans, having gone forth from the Sakyan clan — has arrived at Kesaputta. And of that Master Gotama this fine reputation has spread: 'He is indeed a Blessed One, worthy, & rightly self-awakened, consummate in knowledge & conduct, well-gone, a knower of the cosmos, an unexcelled trainer of those persons ready to be tamed, teacher of human & divine beings, awakened, blessed. He has made known — having realized it through direct knowledge — this world with its devas, maras, & brahmas, its generations with their contemplatives & brahmans, their rulers & common people; has explained the Dhamma admirable in the beginning, admirable in the middle, admirable in the end; has expounded the holy life both in its particulars & in its essence, entirely perfect, surpassingly pure. It is good to see such a worthy one.'"

    So the Kalamas of Kesaputta went to the Blessed One. On arrival, some of them bowed down to him and sat to one side. Some of them exchanged courteous greetings with him and, after an exchange of friendly greetings & courtesies, sat to one side. Some of them sat to one side having saluted him with their hands palm-to-palm over their hearts. Some of them sat to one side having announced their name & clan. Some of them sat to one side in silence.

    As they sat there, the Kalamas of Kesaputta said to the Blessed One, "Lord, there are some brahmans & contemplatives who come to Kesaputta. They expound & glorify their own doctrines, but as for the doctrines of others, they deprecate them, revile them, show contempt for them, & disparage them. And then other brahmans & contemplatives come to Kesaputta. They expound & glorify their own doctrines, but as for the doctrines of others, they deprecate them, revile them, show contempt for them, & disparage them. They leave us absolutely uncertain & in doubt: Which of these venerable brahmans & contemplatives are speaking the truth, and which ones are lying?"

    "Of course you are uncertain, Kalamas. Of course you are in doubt. When there are reasons for doubt, uncertainty is born. So in this case, Kalamas, don't go by reports, by legends, by traditions, by scripture, by logical conjecture, by inference, by analogies, by agreement through pondering views, by probability, or by the thought, 'This contemplative is our teacher.' When you know for yourselves that, 'These qualities are unskillful; these qualities are blameworthy; these qualities are criticized by the wise; these qualities, when adopted & carried out, lead to harm & to suffering' — then you should abandon them."
    ( https://www.accesstoinsight.org/tipitaka/an/an03/an03.065.than.html )

    বুদ্ধদেবের বক্তব্য এক্ষেত্রে স্পষ্ট,

    " ... don't go by reports, by legends, by traditions, by scripture, by logical conjecture, by inference, by analogies, by agreement through pondering views, by probability, or by the thought, 'This contemplative is our teacher.' When you know for yourselves that, 'These qualities are unskillful; these qualities are blameworthy; these qualities are criticized by the wise; these qualities, when adopted & carried out, lead to harm & to suffering' — then you should abandon them.

    অতএব।

  • @অর্জুন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:৫৩430185
  • সুধীর চক্রবর্তী র কোন বই? লাইনগুলো কি?
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪২430184
  • খুব ভালো একটা ব্রাহ্ম বই পেয়েছি। বিধানচন্দ্রের বাবামায়ের যৌথ আত্মজীবনী(মা অঘোরকামিনী অপেক্ষাকৃত অল্পবয়সেই মারা যান, তখন বাবা প্রকাশচন্দ্র এই যৌথ আত্মজীবনী লেখেন, বইটির নাম অঘোর-প্রকাশ)। পড়তে পড়তে খুবই বিস্ময় লাগে, এঁরা ধর্মবিশ্বাস, উপাসনা, ব্রতপালন ইত্যাদি ব্যাপারগুলোকে খুবই সিরিয়াসলি নিয়েছিলেন, অনেকটা মিলিটারি ডিসিপ্লিনের মত। এমনকি খুব ব্যক্তিগত পারস্পরিক সম্পর্কগত ব্যাপারেও ব্রাহ্ম গুরুস্থানীয় কোনো তৃতীয় ব্যক্তিকে সাক্ষী রেখে রীতিমত মিলিটারি কায়্দায় প্রতিজ্ঞা নিতেন!!!! এ মানে যাকে বলে ভাবা যায় না!
  • অর্জুন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫১430183
  • বৈষ্ণবদের সনাতনীরা হিন্দুই মনে করত না। আমার পিতৃ পরিবার বৈষ্ণব। আমার ছোটবেলাতেও অন্যদের কাছে এসব 'হা হা হি হি' শুনতাম। বৈষ্ণবদের কাছে নাকি 'কৃষ্ণই একমাত্র পুরুষ আর সবাই প্রকৃতি।'

    * শ্রীরামকৃষ্ণ প্রসঙ্গটা সুধীর চক্রবর্তীর বইতেই আছে।
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪০430182
  • সনাতনীরা রুক্মিনীকে স্বীকার করে, সত্যভামাকে করে না। শুনলে সত্যভামা ক্ষেপে একেবারে আগুন হয়ে যাবেন। ঃ-)
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৩৭430181
  • সাধারণ লোকেরাও, যারা বৈষ্ণব পদাবলি সমাদর করে পড়ে, ভালো বলে, সেই তারাও "হি হি হি, যা গিয়ে বোষ্টুম হয়ে কন্ঠীবদল করে ফ্যাল", এইসব বলে হাসাহাসি করে। সাধারণ্যে এরকম ধারণা প্রচলিত যে বোষ্টমেরা খুবই অসংযমী টাইপের ইয়ে, স্থানকালবিচার না করে সর্বত্রই "সখী ধরো ধরো" করে ঢলে পড়ছে।
  • Ekak | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৩১430180
  • ক্ত্তাভজা ও বৈশ্নব দের নিয়ে সনতনী দের রাগ অনেক পুরোনো। রামক্রিশ্ন সেখানে শিশু। কটা লোক চিন্তো বা জান্তো রাম্ক্রিশের মত।

    সনতনীরা রাধাকে চিরকাল অস্বীকার করে। ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরান কে বলে মোল্লাদের লেখা।

    কারন তারা হ্লাদীনি শক্তিকে স্বীকার করেনা। ক্রিশ্নের শক্তিরূপ যোগমায়া। সোঙ্গে আছেন রুক্মিনি রূপি লোক্খি। আবার রাধারানির কেচ্ছা টানার দর্কর কি? এই হোল সনাতনী মত। গোটা বৈশ্নব সেক্ট টাই এদের মতে, মোল্লা শাসক দের হাতে তৈরী, হিন্দু ধর্ম কে ডীমিন করার জন্যে।

    এসব ওনেক ওনেক পুরোনো কন্কাল, রাম্ক্রিশ্নোর ধারোনা তাতে আলাদা কিস্যু এড করেনি।

    বিজেপি আরো জোমিয়ে বোসলে, বৈশ্নব দের খবর আচে।
  • অর্জুন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৯430179
  • এলজিবিটি কমিনউনিটি হল দ্য ওয়ার্স্ট কাউণ্ড অব ভিকটিম পসিবিল। এরা মাইনরিটির মধ্যেও মাইনরিটি। সবচেয়ে বড় কথা সমস্ত জীবন এদের পাব্লিকলি নিজেদের যৌনতা নিয়ে চেপে যেতে হয় এবং ভয়ংকর সব প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। নিজেদের বাড়িতেই তারা এলিয়েনের মত। এখন একটু ব্রিদিং স্পেস হয়েছে হয়ত। এই যে শুয়ে বেড়ায় বা গায়ে পড়া টাইপ এসব শুনতে হয় কারণ জন সাধারণের কাছে বিষয়টা অ্যাকসেপটেড নয়। সেই জন্যে নিজেদের শুদ্ধ প্রমাণ করতে এলজিবিটি কমিউনিটির মানুষদের সবসময় একটা extra cosseting করে যেতে হয়। এলজিবিটি পুরুষদের এফিমিনেসি আর নারীদের ম্যাসকুলিনিটিও আরেকটি বড় সমস্যা হয়ে যায়।

    এ ছাড়া এমনিতেও আমার দরজা দেওয়া চার দেওয়ালের ভিতর ও আমার বিছানায় আমি কি করছি সেটা কি করে আমার চরিত্রের বৈশিষ্ট্য হতে পারে আমি জানিনা।
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৫430178
  • না না, মন দিয়ে লক্ষ্য করুন। রাসপুটিন, অরবিন্দ, রজনীশ, যাদুকর মার্লিন, এটাসেটামিক্স ----সবার দাড়ি গোঁফ লক্ষ্য করুন। ঃ-)
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২১430177
  • কর্ত্তাভজারা কী করেছিল? ওরা কি ওরকম সেক্ষগুরু ভজেছিল?
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৯430176
  • চার্চ তো একধরণের কর্পোরেট বডি। আয় ব্যয় প্রফিট ইত্যাদি প্রভৃতি সবই নিয়মমাফিক রাখা হয়। এইগুলো উঠে গেলে বদলে ফেলে অন্য ব্যবসা করবেন নির্ঘাৎ ওঁরা। সত্যি কথা বলতে কী, এই বড় বড় বিল্ডিং, রান্নাবান্নার ব্যবস্থা, খাওয়াদাওয়ায় প্রশস্ত জায়্গা, গানবাজনা, বইপত্র ---এসব বহু কাজে লাগতে পারে। আর্থিক ও অন্যভাবে অনগ্রসর ছেলেপুলেদের জন্য সহায়ক স্কুল ও ফ্রী খাবার দাবাড়। মাঝে মাঝে ছুটির সন্ধ্যায় গানবাজনার অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা। এরকম অনেক কিছুই করতে পারে।
  • সে | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৫430175
  • আমরা ভোট দিয়েছি, রোববারে রেজাল্ট বেরোবে এলজিবিটিআইদের আরও অধিকারের জন্য। বিয়ে করবার অধিকার এখনও নেই, অ্যাডপশনের অধিকার, আরও অনেক কিছুই নেই।
    বাবা মায়েরা বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় এদের। হ্যাঁ তাড়িয়ে দেয় এই ইয়োরোপেও।
  • অর্জুন | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৫430174
  • কর্তাভজা বা কত্তাভজা সম্প্রদায়। এই সম্প্রদায় বৈষ্ণব ও সুফিদের দ্বারা প্রভাবিত। শ্রীরামকৃষ্ণ 'কথামৃত ' এ কর্তাভজাদের নিয়ে বিষেদাগার করায় কর্তাভজারা সনাতন হিন্দুদের আক্রমণের শিকার হয়েছিল। সুধীর চক্রবর্তীর বইতে ডিটেলে আছে।
  • Ekak | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৪430173
  • ঈ কি কতা!! বড় দাড়ি গোঁপ আমিও রাখি। ওতে এক্টা নিজের মধ্যে ভোল্লুকীয় প্রোজেকসন হয়।
  • সে | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১১430172
  • প্রাচ্য এমনিতেই খুব একজটিক। সেইটে প্যাকেটে মুড়ে পাশ্চাত্যকে ঠিকঠাক বেচতে পারলে ফায়দা ই ফায়দা।
    ক্রিশচিয়ানিটি সেতুলনায় বোরিং। তদুপরি ব্যয়বহুল। এদেশে কেউ খৃষ্টান থাকতে চায় না, ট্যাক্স বেশি কাটে, চার্চের ট্যাক্স। চার্চগুলো উঠে যাচ্ছে। কেউ যায় না। সপ্তাহে একটা কি দুটো মাস হয় মেরেকেটে। ফাঁকা, লোক নেই। অল্প কিছু বুড়োবুড়ি। আমি গোড়ার দিকে কয়েকবার গেছি। তাও তারা ভক্তির চাইতে একাকীত্ব কাটানোর তাড়ায় চার্চে গেছেন।
    চার্চে বড্ড জ্ঞান দেয়। যেচে জ্ঞান নিতে যাবার ইচ্ছে/ সময় ইয়াং জেনারেশনের নেই।
    এলজিবিটিআইরা চার্চের ওপর খাপ্পা। চার্চের নিকটবর্তী বাড়িতে যদি তারা থাকে তবে ব্যালকনিতে রামধনু রঙের পাতাকা মেলে রাখতে ভোলে না। চার্চের আয় হুহু করে কমছে। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ময়লা চামড়ার বিদেশি দেখলেই ধর্মান্তরিত করবার জন্য ঝাঁপায়। বাড়িতে আসে লাইফ ইনশিওরেন্সের এজেন্টদের মত। তাড়িয়ে দিলেও ফের আসে।
  • Ekak | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:০৯430171
  • শুয়ে বেড়ায় ঠিক নয়, গায়েপড়া বলে এক্টা জেনেরাল পার্সেপশন আচে। তাও হেটেরো ছেলেদের মধ্যে বেশি আচে ধারনা টা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত