এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৪৫428220
  • পেপার পড়ে দেখলাম বুঝতে পারছি। কাজেই পড়ান নি কি করে বলি? কিন্তু সে তো রিম্যান ইন্টিগ্রালও বুঝতে পারি। তাই বলে কি সেটা আবিষ্কার করতে পারি?
  • syandi | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৪৪428219
  • সে তো অবশ্যই। সাবজেক্টটা ভাল করে না বুঝে শুধু অংকের জোরে ফিজিক্সে ভাল করা তো অঅঅঅঅঅঅঅঅঅসম্ভব। অংকটা তো একটা গুরুত্বপূর্ন টুল ফিজিসিস্টদের জন্য এটাই বলতে চেয়েছিলাম।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৪৩428218
  • অর্জুন, স্যার আশুতোষের আমলে অঙ্ক নিয়ে আতঙ্ক তৈরীর কাহিনি সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্তর লেখা তে হি নো দিবসা বইটিতে গণেশ প্রসাদ নামে জনৈক অধ্যাপকের কথায় আছে। ভদ্রলোক আশু মুখুজ্যের পৃষঠপোষকতায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত পড়াতে ঢুকেছিলেন এবং তাঁর দাপটের চোটে নাকি সত্যেন বসু আর মেঘনাদ সাহার মতন অঙ্কের লেকচারাররা ডিপার্টমেন্ট ছেড়ে ফিজিক্সে চলে যান।
    সে যাই হক, ভদ্রলোক নাকি একবার এমন প্রশ্ন সেট করেন যে খুব বাঘা ছাত্ররাও কেঁদে ককিয়ে ১০০ এ ২৪ কি ২৫ তুলে গ্রেস পেয়ে কোনমতে পাস করেন, তার পর সেই প্রশ্নপত্রের রিভিউ যাঁরা করেছিলেন পড়ে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন গণেশ প্রসাদ প্রশ্ন তৈরী করে ছুটিতে গেছেন, তাঁর কোন দায় নেই।
    বিদেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই লেটার গ্রেড বা জিপিএ দিয়ে গ্রেডিং হয়, অনার্স বা ডিস্টিংশনেরও ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু ফার্স্ট সেকেন্ড এইসব নিয়ে মাতামাতি থাকে না। খুব subtly, কনভোকেশনের সময় কোন ছাত্রদল কোন অর্ডারে সার্টিফিকেট নিতে উঠছে, তাই থেকে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে, তবে সেটাও alphabetically ঠিক করা থাকে।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৪২428217
  • আহা, পড়ালেন কী তাহলে? গরম পেপারই হোক আর ঠান্ডা, তার কন্সেপ্টটা তো পড়াবেন? অথবা ইকুইভ্যালেন্ট কিছু! তবে তো সেটা প্রশ্নে দেবেন!
  • Du | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৪১428216
  • আবাপ দেখি আর অবাক হয়ে যাই। দিপীকাকে ট্রোল করার খবরের হেডলাইন আর প্যারার অর্ডার কি উদ্দেশ্যে কেউ বলতে পারবে?
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৩৮428214
  • টেক হোম বলছেন? সেরকম প্রফেসর হলে ওর চেয়ে আতঙ্কের ব্যাপার আর নেই। একবার ওরকম একজনের পরীক্ষায় সবাই ফেল করল। আমরা চেপে ধরলাম। প্রফেসর ওনার সদ্য লেখা ঘটিগরম পেপারের কপি ধরিয়ে দিলেন। সাথে ব্যাখ্যা, টেক হোমে তো আর বইতে পাবে এমন কিছু জিজ্ঞেস করতে পারিনা। এইটে এখনো কোন বইতে নেই। একটু থেমে, যতদূর জানি।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৩৮428215
  • ভালো করে অংক শিখেও অনেকসময় ফিজিক্সে গ্যাঁড়াকল হয়। বিক্রম বিক্রম বিক্রম ----বেতাল তাল তাল তাল করতে করতে দুম পটাশ। খুঁজে পর্যন্ত পায় নি। তারপরে দূর থেকে কে একজন ক্লু দিল, তখন টুকরো পেল, তখন বলে আগেই পেয়েছিলাম। ঃ-)
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৩৬428213
  • হ্যাঁ, সাহসীই বটে। অদ্ভুত, অদ্ভুত সব ব্যাপার আছে এর। আমাদের রাজ্যের সি এম দিদিকে রোজ চারটে গালি না দিলে নাকি তার রাতে ঘুম ভাল হয়না। ঃ)))
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৩৩428212
  • আপনার বন্ধু সাহসী মানুষ। উনি দীর্ঘজীবী হোন।

    ছাপোষা বাঙালীর এত সাহস নেই। যদিও সপ্রশংস দৃষ্টি দিচ্ছি।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৩২428211
  • @আতোজ,

    'দেশান্তরে গিয়ে দেখলাম অধ্যাপক নিজেই সিলেবাস প্রস্তুত করেন, ছাত্রেরা কতটা নিতে পারছে সেই হিসেবে অদলবদলও করেন, এক একটা জিনিস বুঝিয়ে বুঝিয়ে তবে সম্পূর্ণ করেন। পরীক্ষাও অনেক ক্ষেত্রেই টেক হোম এক্সাম। দিনের পর দিন ভেবে পড়ে শুনে নানা রেফারেন্স থেকে শিখে তবে উত্তর তৈরী। পরীক্ষার দৌড় না। বুঝতে পারা আর শেখাটাই বড় কথা।'

    সত্যিই কি দারুণ।
  • syandi | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২৯428210
  • আর একটা বইও পড়ানো হত, সেটা হল স্পিজেল।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২৬428208
  • সেও আম্রিগায় থাকে। তার মতে অমর্ত্য সেন আর অভিজিৎ বন্দোঃ ফিজিক্সে বা সায়েন্সে না পেরে ওটি বেছেছেন। শর্টকাট টু সাক্সেস। ঃ))

    ইকোনমিক্স আর ইতিহাসে বাঙালির মোনোপলি আছে।
  • syandi | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২৬428209
  • আমেরিকানরা অঙ্কে বেশ কাঁচা হয় শুনেছি অনেকের কাছেই। কিন্তু ভাল করে অঙ্ক না শিখে ফিজিক্স নিয়ে ভাল করা বোধ হয় কঠিন, থিয়োরিটিক্যাল ফিজিক্স তো নামুমকিন। আমাদের ইউনিতে বি এস সি ফার্স্ট ইয়ার থেকেই ফিজিক্স অনার্স কোর্সে একটা পেপার থাকতো ম্যাথ মেথোড ফর ফিজিসিস্ট নামে। ওতে আর্ফকেন এর বইটাই বেশি ফলো করতো লোকজন। আমি জানিনা অন্য ইউনিতে বি এস সি ফার্স্ট ইয়ার থেকেই ইউনিতে বি এস সি ফার্স্ট ইয়ার পড়ানো হয় কিনা।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২৫428207
  • সে দি,
    আপন দেশে যতদিন লেখাপড়া করেছি, কোনোকিছুই বুঝবার স্কোপই সেরকম পাই নি, গাঁতিয়ে মুখ্স্থ টাইপ লেখাপড়া। শিক্ষক, অধ্যাপক ইত্যাদিরাও ওপেনলি স্বীকার করতেন। সিলেবাসও ছিল মটকীর(একধরণের কলসী) মধ্যে ঠেসে ঠেসে চাল ঢোকানোর মতন, সবই ঢুকিয়ে দিয়েছে, অথচ কোনোটাই আদৌ শেখানো হয় না প্রকৃত অর্থে। অত্যন্ত অযৌক্তিক সিলেবাস।
    দেশান্তরে গিয়ে দেখলাম অধ্যাপক নিজেই সিলেবাস প্রস্তুত করেন, ছাত্রেরা কতটা নিতে পারছে সেই হিসেবে অদলবদলও করেন, এক একটা জিনিস বুঝিয়ে বুঝিয়ে তবে সম্পূর্ণ করেন। পরীক্ষাও অনেক ক্ষেত্রেই টেক হোম এক্সাম। দিনের পর দিন ভেবে পড়ে শুনে নানা রেফারেন্স থেকে শিখে তবে উত্তর তৈরী। পরীক্ষার দৌড় না। বুঝতে পারা আর শেখাটাই বড় কথা।
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২১428206
  • একদম আমার মনের কথাটি বলেছেন। তবে কিনা, অমর্ত্য সেন আর অভিজিৎ বাড়ুজ্যের পর এসব আমি একটু চারদিকে বাঙালী আছে কিনা দেখে নিয়ে বলি।

    যা দিনকাল, কেউ দেশদ্রোহী বলে দাগিয়ে দিলেই হল।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৭428204
  • আমার এক বায়োকেমিস্ট বন্ধু মনে করে ইকোনমিক্স নাকি একটা অতি ওভাররেটেড সাবজেক্ট। ওটি নাকি কারো কাজে আসেনা। আর ইকনমিস্টদের নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কোনো মানে নেই। আমায় বলে ঐ সাবজেক্টটায় এত গ্ল্যামার কেন? দেশ নাকি যত গরিব হয় ইকনমিস্টরা বড়লোক হয়। নোবেল কমিটির ইকোনমিক্সের জন্যে প্রাইজ নাকি তুলে দেওয়া উচিত। ঃ)))
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৭428205
  • আমি সাইকেল চড়তে জানিনা। গাড়ি চালাতে না হলেই ভাল হয়। আমার দাবি ফাঁকা যাবে এমন লোকাল ট্রেন। জানলার ধারে বসব, ফুরফুর করে হাওয়া দেবে। আর প্ল্যাটফর্ম ধরলে মাটির ভাঁড়ে চা। আপিস যেতে যেতে চার পাঁচ ভাঁড়।

    ওয়া হমিনস্ত।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৫428202
  • আমাদের বিশাল লেকচার রুমে প্রোজেকশন জিওমেট্রির ক্লাসে প্রোফেসর লম্বা পয়েন্টার দিয়ে শূন্যে একটা বিন্দু বোঝাচ্ছেন, আমরা সবাই সেদিকে তাকাতেই কড়িকাঠ থেকে গোটাকতক পায়রা ডানা ঝাপটিয়ে ক্লাসময় উড়তে শুরু করল।
    স্মৃতি সততই সুখের।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৫428203
  • খোলা রাস্তায় সব রকম বাহন একসাথে থাকলে ম্যানেজ করা মুশকিল। হাইস্পীড স্পেশালাইজড রাস্তাগুলো মেট্রোর মতন মাটির তলায় হলে একটা সমাধান হতে পারে।
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৩428201
  • ইকোনমিক্স পড়েন নি বেশ করেছেন। 2008 এর পর ইকনোমিস্টদের সবাই গালাগালি করে। অংকের রেজাল্ট বাস্তবের সাথে মিলে না। হালারা খালি পাতার পর পাতা অঙ্ক করে যায়।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১২428198
  • @অরিন-দা, সত্যি কথা, সাইকেলের মত ভেকেল আর নেই। পুনাকে এজন্যে মিস করি। কিন্তু এখন ভারতের অধিকাংশ শহরে সাইকেল চালানো অত্যন্ত বিপজ্জনক। দুদিন আগে এইট বি'র মোড়ে দুটো সাইকেল চালককে দেখলাম। কি রিস্ক নিয়ে সিগন্যাল ক্রস করছে। ইনফ্যাক্ট আমি নিজেও মনে করি এই বিপদের জন্যে মেন রোডে সাইকেল ব্যান করা উচিত। যেসব জায়গায় সেপারেট সার্ভিস রোড থাকে, সেখানে চলতে পারে। রাজারহাট, নিউ টাউনে আছে।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১২428199
  • প্রতিবন্ধীরা সাইকেল চালাতে পারে না।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১২428200
  • ঈশ, সে দি, সেই গল্পটা যে কী ভালো লেগেছিল! সামেশনের সিম্বলের ডগা আর পা ধরে টেনে ইন্টিগ্রাল সিম্বল করে দেওয়া, তারপরে হেসে বলা, "তোমাদের কোনো ভয় নেই, ইন্টিগ্রালও যোগই, একটু কায়্দার যোগ, এই যা।" ঃ-)
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১১428197
  • জনে জনে গাড়ি তো অ্যামেরিকায়, গাড়ির ব্যবসার সুবিধার্থে।
    এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পরণের কাপড় হলদে হয়ে যায়। তেলের দাম আগুন। কজনের গাড়ি আছে? বাস ট্রামের কথাই বলছি। স্পীড লিমিট রাস্তায় ৩০ কিমি / ঘন্টা করলে খুব সমস্যা।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০৭428195
  • দেশে থাকতে অঙ্ক কষতে হতো।
    এখানে অঙ্ক কষায় খুব কম। অঙ্ক বুঝবার জিনিস গল্পের মতো।
    আমাদের ইউনিভার্সিটিতেও অঙ্ক ছিল শুধু গল্প।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০৭428196
  • স্পোর্টসেও তাই মাণিকবাবু, সাঁতারুকে ছোটায় মইলের পর মাইল আর দৌড়বীরকে সাঁতার কাটায় সকাল বিকাল। এইরকমই ট্রেনিং। ঃ-)
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০৬428194
  • জে এন ইউ'ও গ্রেড সিস্টেমে চলে। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম এসব কনসেপ্ট থেকে মুক্ত।

    আমি অংকের জন্যে ইকোনমিক্স পড়িনি।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০৫428193
  • না না, সবাই সাইকেল কেন, তরুণ তরুণীরা যুবক যুবতীরা সাইকেল। আর সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য পাব্লিক ভেহিকল। দূরপাল্লার জন্য ট্রেন, সেটা সবারই।
    এইরকম জনে জনে গাড়ি হয়ে হয়ে এত বেশি দূষণ হচ্ছে, সেটা অনেক কমতে পারে।
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০৪428192
  • আমরুদের সবই অদ্ভুত। ইকোনোমিক্সের ছাত্রদের তেড়ে অঙ্ক করায়, আর ফিজিক্সের ছাত্রদের বলে অঙ্ক পরে হবে।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:০২428191
  • আমাদের বর্তমান মেয়র সাহেবাও খুব সিম্পল মানুষ এবং ওপেনলি গে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত