এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রঞ্জন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:১৬422490
  • আমি উৎসাহীজনকে অনুরোধ করব কোশাম্বীর 'মিথ এন্ড রিয়েলিটি' বইটি পড়তে। আয়তনে হালকা ; যেভাবে উনি টেক্সট ধরে গীতায় শ্রীকৃষ্ণের মিথকে আধুনিক মননের ছুরিতে কাটাছেঁড়া করেছেন তা মানুষকে ভাবায়।
  • সে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:১৬422491
  • সন্ময় বন্দ্যাপাধ্যায় ‘বাংলার বার্তা’ নামক অনলাইন নিউজ চ্যানেলে বর্তমান সরকারের সমালোচনা করেন। এই ওঁর অপরাধ।
  • রঞ্জন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:১১422488
  • অর্জুন,
    পিতা ধর্মানন্দ কোসাম্বীর সেই বৌদ্ধধর্ম নিয়ে একটাই বই পড়েছিলাম।
    হ্যাঁ, মীরা কোশাম্বীর এডিট করা বইগুলো নয়ডার ময়ূরবিহারে আকার প্রকাশনে পাওয়া যাচ্ছে।
    আমি বলছিলাম ছেলে দামোদর ধর্মানন্দ কোশাম্বীর কথা। এক বিরল রেনেসাঁ প্রতিভা। একাধারে ইতিহাসবিদ, গণিতবিদ, বায়োলজিস্ট এবং স্ট্যাটিসটিশিয়ান। আবার সংস্কৃত সাহিত্যের বোদ্ধা। ভট্টিকাব্যের চমৎকার এডিট করে পাবলিশ করিয়েছিলেন।
    উনি বায়োলজিতে স্ট্যাটিস্টিক্সের স্যামপ্লিং এবং কিছু ম্যাথস এর মৌলিক প্রয়োগ করেছিলেন বয়লা হয় যা পরে পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
    একইভাবে প্রাচীন মূদ্রার অধ্যয়নেও তিনি শুধুমাত্র খোদিত লিপির উপর নির্ভর না করে মুদ্রার ধাতব উপাদান তার ওজন এবং আকারের অনুপাতের কিছু ম্যাথমেটিক্যাল ক্যালকুলেশনের পদ্ধতি ডেভেলপ করেছিলেন বলা হয়। এগুলো বোঝা আমার ক্ষমতারব বাঈরে।
    তবে আরকিওলজিতে পুণে--মুম্বাই রোডের উপরে কুর্লা গুহার শৈব এবং বৌদ্ধ নিদর্শনের আবিষ্কারটি তাঁর নিজস্ব কীর্তি। সেখান থেকে উদ্ধারকরা কিছু চিহ্নের ছবি ওঁর ইতিহাসের বইয়ে আছে।
    আমি পুণেতে নাবার্ডের ট্রেনিং করার সময় কয়েকজনকে আগড়ম বাগড়ম পটিয়ে কুর্লা গুহা দ্খেএ এসেছি।
    এখানে আমি ইউরোপের দর্শনচিন্তায় আধুনিকতার পথিকৃৎ ১৬ শতাব্দীর রনে দেকার্তের সঙ্গে ওঁর খুব মিল দেখি। বিশেষ করে গণিত, বায়োলজি এবং দর্শনের (ইতিহাসের) ফিউশনের প্রশ্নে।
    একইভাবে ডিডি কোশাম্বীকেও ইন্ডিয়ান হিস্টরিগ্রাফিতে আধুনিকতার ভগীরথ বলা হয়।
    ইতিহাসে উনি এ এল ব্যাশাম সায়েবের ছাত্র, পরে সহযোগী।
    ওদিকে উনি আবার আগুনখেকো মার্ক্সিস্ট। কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে ম্যানিফেস্টোর বিবর্তনের বাঁধা গৎ ( আদিম-দাস-সামন্ত-পুঁজিবাদ) মানতে নারাজ। উনি ভারতে মার্ক্স কথিত এশিয়াটিক সোসাইটি মোড নিয়ে সন্দিহান ছিলেন। এ নিয়ে রাহুল সাংকৃত্যায়নের সঙ্গে বিতর্ক ছিল বলে একটু মনে পড়ছে। ৬০ এর দশকের চায়না পলিসি স্টাডি গ্রুপের জোসেফ নীডহ্যামও বোধহয় চিনের ক্ষেত্রে অনুরূপ কিছু ভাবতেন।
    যাহোক, ব্যাশাম তাঁর স্মৃতিচারণে বলেছেন -- 'বাবা' (কোশাম্বীকে ডাকা হত ) কিন্তু কম্যুনিস্ট হলেও ট্রেনে ফার্স্টক্লাস ছাড়া চড়ত না। বিতর্কে এমন গোঁড়া আর এমন ভাব দেখাত যেন ভারত ইতিহাসের গতিপ্রকৃতি, বিবরতনের সমস্ত বাঁকবদল যেন ওর নখদর্পণে।
    কিন্তু সেই 'বাবা' যখন ধৈর্য ধরে সরু চিমটে দিয়ে খুঁড়ে পাওয়া এক একটি মুদ্রা যত্নের সঙ্গে ওজন করে ঘন্টার পর ঘন্টা নোটস লিখে চলে তখন তার বৈজ্ঞানিক নিষ্ঠার তারিফ না করে থাকা যায় না।
    ওঁর অকালপ্রয়াণে ভারতবিদ্যার বিরাট ক্ষতি হোল।
  • T | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:৪২422487
  • এটা পড়েছি। আরেকটু বিস্তারিত জানতে চাইছিলাম। মানে ওয়াকিবহাল মহলের রিপোর্ট।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৫৪422485
  • রথসচাইল্ড পরিবার নিয়ে এত আলোচনা হচ্ছে। তারা কে? কি বিশেষত্ব? সেটা জানবার জন্যে উইকী ঘাঁটলাম।

    The Rothschild family (/ˈrɒθstʃaɪld/) is a wealthy Jewish family descending from Mayer Amschel Rothschild (1744–1812), a court factor to the German Landgraves of Hesse-Kassel in the Free City of Frankfurt, Holy Roman Empire, who established his banking business in the 1760s.[2] Unlike most previous court factors, Rothschild managed to bequeath his wealth and established an international banking family through his five sons,[3] who established themselves in London, Paris, Frankfurt, Vienna, and Naples. The family was elevated to noble rank in the Holy Roman Empire and the United Kingdom.

    During the 19th century, the Rothschild family possessed the largest private fortune in the world, as well as in modern world history.[6][7][8] The family's wealth declined over the 20th century, and was divided among many various descendants.[9] Today their interests cover a diverse range of fields, including financial services, real estate, mining, energy, mixed farming, wine making and nonprofits.

    The Rothschild family has frequently been the subject of conspiracy theories, many of which have antisemitic origins.

    Conspiracy theories

    Over more than two centuries, the Rothschild family has frequently been the subject of conspiracy theories. These theories take differing forms, such as claiming that the family controls the world's wealth and financial institutions[86][87] or encouraged or discouraged wars between governments.

    @এলেবেলে, যে কোনো কমেন্ট নিয়েও ট্রলিং চলে। ওটার জন্যে ইস্যু লাগেনা। সেই জন্যে সাউথ পয়েন্ট সন্তর্পণে ব্যাপারটা এড়িয়ে গেছি।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৪৫422484
  • @এলেবেলে, উনিশ শতকে গণপতি পুজো তিলক শুরু করলেও সে ইতিহাস নিয়েও মরাঠীদের বিশেষ উৎসাহ দেখিনি। গণপতি পুজো শুধু মহারাষ্ট্রেরই জানতাম। এখন তো বাংলাতেও সেটা সার্বজনীন উৎসব।
  • T | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৩৭422483
  • সন্ময়বাবুর ব্যাপারটা জানি না। এটা কী কেস?
  • এলেবেলে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৩২422482
  • হ্যাঁ, এবং কিছুতেই হারানের নাতজামাই নহে।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৩১422481
  • জঙ্গলের রাজত্ব চলছে।

    কী আর বলবো!!
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:২৫422480
  • কোনো রথসচাইল্ডের জামাই মানে অন্য রথসচাইল্ডের নাতজামাইও বটে।
  • T | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:২৩422479
  • নাতজামাই অ্যাঙ্গেলটা কেউ নিয়েচে এখনো? ওটাও নিশ। ঃ))
  • dc | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:২১422478
  • আমি তো জামাই এর অ্যাঙ্গেলটা ধরেছিলাম, মানে জামাই হিসেবে বেশ গর্ব হচ্ছে। এটা বেশ নিশে সেগমেন্ট।
  • PT | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩৮422477
  • তাহলে অম্বিকেশী দাওয়াই এখনো চলছে প্রয়োজন মত?
  • সে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩১422476
  • সণ্ময়বাবুকে খুন করে ফেলতে পারে। গতকালই দুশোটি এপিসোড সম্পূর্ণ হয়েছে।
  • এলেবেলে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:২৪422475
  • আর একটা কথা না বললেই নয়। এখানে অর্জুনকে ব্যাপক খিল্লি করা হয় তাঁর আভিজাত্যের প্রকাশ ও লতায়-পাতায় সম্পর্কের কথা তুলে। তো গুরুর মায়াপাতায় যাঁরা অষ্টপ্রহর নোবেলের নামসংকীর্তন করছেন এবং কে বাবার দিক থেকে বাঙালি, কে মায়ের দিক থেকে বাঙালি, কে সাউথ পয়েন্ট, কে প্রেসি, কে জেএনইউ এমনকি কিছুতে না কুলোলে কে ভারতীয় বংশোদ্ভূত বলে যে সেই সইয়ের বউয়ের বকুল ফুলের ভাইপো পোএর নাতজামাই হয়ে সিনা ফুলিয়েই চলেছেন তাঁদের খিল্লি করা হচ্ছে না কেন?

    আবারও লিখতে বাধ্য হচ্ছি --- “জনসাধারণের সমবেত মনটা চিরদিন একাভিমুখী, যখন যেদিকে ফেরে সেই দিকেই সবেগে ও সতেজে চলিতে আরম্ভ করে। জনরবের তিলটি যে দেখিতে দেখিতে তাল হইয়া উঠে তার কারণও তাই।"

    এই নোবেল নাটক দেখতে দেখতে আবারও মনে হল অন্যান্য খাঁটি লেখকের মতোই মানিক সত্যদ্রষ্টা ছিলেন, দূরদৃষ্টিসম্পন্নও।
  • এলেবেলে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:১৪422474
  • আচ্ছা বাঙালি থেকে মারাঠিতে শিফট হয়েছে? ভালো! তিলক আছেন, ভাজপা-র তিলকের প্রতি প্রেম আছে যদিও তারা জিন্না-তিলক প্যাক্টের কথা ভুলে যেতে চায়। অর্জুন মহারাষ্ট্রে সাত বছর কাটালেন, গণপতি বাপ্পা মোরিয়া বললেন ও সেই গণপতি উৎসবে কার অবদান ভুলে গেলেন?
  • PT | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:১২422473
  • কারা যেন মোদিশাদের নিয়ে বেজায় চিন্তিত। তাদের এই সব খবরে কোন উৎসাহ নেই?

    "সন্ময়বাবুর পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁকে গ্রেফতার করেনি। পাড়ার একটি বাড়ির দরজা ভেঙে ঢুকে ৫০-৬০ জনের একটি দল তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। খড়দহ থানায় অপহরণের অভিযোগ করতে গেলেও এফআইআর নেওয়া হয়নি বলে পরিবারের অভিযোগ। ঘটনায় মুখে কুলুপ এঁটেছে পুলিশ।"
    https://www.anandabazar.com/state/congress-spokesman-sanmoy-bandyopadhyay-picked-up-from-his-locality-1.1059523
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:০৪422471
  • মহাবালেশ্বর মনে পড়ে?

    পাহাড়ের এক্সটেন্ডেড অংশে একসময় বলিউডের প্রচুর সিনেমার নাচা গানা হতো।
    অসাম জায়গা মহায়।
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:০৪422472
  • উইকেন্ডে বড্ড ভীড় হয়।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:০১422470
  • অজন্তার আর বিশেষ কিছু নেই। খুব কষ্ট হয়।

    সম্প্রতি ভগিনী নিবেদিতার বই " অজন্তা" পড়ে কষ্ট আরো বেড়ে গেছে।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৫৯422469
  • পুনেতে আমার ছাত্রাবস্থায় একটা হেরিটেজ গ্রুপ ছিল যেটা চালাত এক বাঙালী ও এক পঞ্জাবী মহিলা। সেই গ্রুপের প্রধান কাজ ছিল সব হেরিটেজ বিল্ডিং চিহ্নিতঁ করে সেটাকে ভেঙে ফেলার হাত থেকে রক্ষা করা। তারপর সংরক্ষণ। বছর ২০ র আগের কথা বলছি তখন খুব দুমদাম সব ওল্ড বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হচ্ছিল। ঐ গ্রুপে যদি ২৫ জন থাকে, তাহলে ৫-৭ জনের বেশী মরাঠী ছিল না। গুজরাতি আর বাঙালীতে ছড়াছড়ি ছিল।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৫২422468
  • তিলক নিয়েও আর উৎসাহ নেই। রানাডে বিলুপ্ত। গোখলের নামে শুধুই রাস্তা আর ইন্সিটিউটের নাম।

    সাভারকর is now their trump card and almost next to Shivaji.
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৫০422467
  • শুধু তাই নয়। অজন্তা ইলোরা নিয়ে কোনও উৎসাহ বা গর্বও নেই। টুরিজম করে পয়সা উঠছে, এতেই খুশি।
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৮422465
  • সাভারকারকে তো বিজেপি হাইজ্যাক করে নিয়েছে। বাকি দুজনের কথা বোধয় এক বাঙালীরাই মনে রেখেছে।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৮422466
  • @S, @ র২হ, খুব সাধারণ উদাহরণ দিচ্ছি, প্রত্যেক রাজ্যের হ্যান্ডলুম ও হ্যান্ডিক্রাফটের একটা এম্পোরিয়াম আছে। মহারাষ্ট্রের পাবেন না। অথচ পুনের বন গার্ডেনে ট্রাইবেল মিউজিয়াম বা কেলকর মিউজিয়ামে গেলে মহারাষ্ট্রের নানারকম পিতল, তামা, রূপোর সব আকর্ষণীয় সব হ্যান্ডিক্রাফট পাবেন। ঔরঙ্গাবাদ, সাতারায় গেলেও ওদের বৈচিত্র্যময় হ্যান্ডলুম সম্ভার আবিষ্কার করা যায়। কিন্তু এগুলো ওরা ডিসপ্লে করতে শুধু জানেনাই নয়, নিজেরাও জানেনা। কোলহাপুরী চপ্পল ভারতের অন্যান্য জায়গা, বিশেষ করে কলকাতায় এত জনপ্রিয়, কিন্তু মহারাষ্ট্রে প্রায় সাত বছর ছিলাম কিন্তু কাউকে পড়তে দেখেছি বলে মনে পড়েনা।

    অথচ মরাঠীরা এমনিতে যাকে বলে nice people।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৭422464
  • আচ্ছা!

    কিন্তু
    মহামতি গোখলে, বীর সাভারকার, লাল বাল পাল এর তিলক কী দোষ করলো?
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪২422463
  • এইযেঃ
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪১422462
  • ও আপনি মুম্বাইতে এরকম অনেক ছবি দেখতে পাবেন যেখানে দুজনের ছবি একসঙ্গে এক ফ্রেমে। শিবসেনার প্রায় সমস্ত ফেস্টুন পোস্টারে এই দুজনের ছবি থাকে।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৮422461
  • কিন্তু শিবাজীর সাথে কি বাল থাকারে যায়, একই ব্রাকেটে?।।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত