এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:২৭422158
  • Degrees of freedom কে বাংলায় কী বলত? কারুর কি মনে আছে পরিভাষাটা? এরকম কোনো পরিভাষা কি আদৌ ছিল?
  • | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৩৩422156
  • অবশ্য এখানে এগুলো আলোচনা করার কোন মানে হয় না। ওকে।

  • PM | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:২১422155
  • "ভারত পাকিস্তান সীমান্ত তুলে দেওয়ার জন্য লড়ুন। ২০-২৫ বছর পরে সিওর নোবেল।"--এর মনে কি অখন্ড ভারত ? সেতো মোদি বাবু লড়ছেন ই। ওনার তাহলে নোবেল বাধা ঃ)
  • অর্জুন | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৯422154
  • সুব্রমনিয়াম স্বামীর কথাবার্তা শুনে ওকে মানসিক ভাবে খুব সুস্থ লাগেনা। বিজেপি'র ভিতরেও ওর অবস্থান খুব ভাল বলে মনে হয়না। বিজেপি'র সুরে নানারকম প্রলাপ বকে ২০১৯ এও একটা মন্ত্রিত্ব মিলল না।
  • Voltaire | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৬422153
  • To find who rules over you find who you cannot criticize
  • sm | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২১422152
  • সুব্রমনিয়াম স্বামী হচ্ছে এনাদের মধ্যেও,একজন মাল্টিট্যালেন্টেড পারসন।
    এঁকে অর্থ মন্ত্রী কেন করছে না কে জানে!?
  • sm | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:১৭422151
  • প্রথম সমালোচনা টা যে কোন সেলিব্রিটি কে সহ্য করতেই হবে।
    দ্বিতীয় টি বিজেপি ও সৌরভের নিজের সমস্যা।
    তিন নম্বর টা,সম্ভবত কাঁচা মিথ্যে।
  • pi | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:১৩422150
  • * প্রাপ্ত
  • pi | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:০৮422148
  • অভিজিতবাবুর ভিডিও শেয়ার করায় প্রাপ্য মণিমুক্তো।
    ---

    ভারতীয় নারী কে ডিভোর্স দিয়ে বিদেশী বিয়ে করে দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে, যৌবন বিদেশে কাটিয়ে বিদেশের মাটিতে বসে বৃদ্ধ বয়সে নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করলেই যে কেউ নোবেল পাবে।।
    এরা টাকা পেলে সবকিছু করতে পারে।

    BJP বিরোধীরা বাংলার মহারাজের থেকে মার্কিন নাগরিক কে নিয়ে ব্যস্ত। হায়রে তোদের বঙ্গ প্রেম.! সেই নেতাজী ও নোয়াখালী থেকে আজও এক?
  • অর্জুন | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:০৮422149
  • @'র Date:15 Oct 2019 -- 11:50 AM

    'চীনের সমালোচনা সহ্য করতে না পারাটা বামেদের লেগাসী সমস্যা।'

    মন্তব্যের জন্যে A তে A+।

    এখানে কমি'রা দেখলাম চীনের ৭০ বছর কমিউনিস্ট শাসন পূর্তি উপলক্ষ নিয়ে ট্যাঁ, ফু করলেন না!!

    @sm দিল্লীতে এক অর্থনীতিবিদকে চিনতাম যিনি ১৯৭০- '৭২ দিল্লী স্কুল অব ইকোনমিক্সে মাস্টার্স করেছিলেন। বেশ কৃতি ছাত্র। অমর্ত্য সেন, সুখময়, চক্রবর্তী, মনমোহন সিং ও সুব্রমনিয়ম স্বামী এই চারজনের ক্লাস অ্যাটেন্ড করার সুযোগ হয়েছিল। উনি প্রত্যেকের পড়ানোর ধরণ নিয়ে গল্প শুনেছি। ভদ্রলোক বলেন সুব্রমনিয়ম স্বামী নাকি ক্লাস আর ক্লাসের বাইরে সম্পূর্ণ দুটো দুরকম মানুষ। তখন ডি স্কুলে এই চারজন ছিলেন স্টার অধ্যাপক।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৫১422147
  • শান্তির নোবেলের জন্য যারা উৎসাহী তাদের জন্য প্রজেক্ট দিলাম - ভারত পাকিস্তান সীমান্ত তুলে দেওয়ার জন্য লড়ুন। ২০-২৫ বছর পরে সিওর নোবেল।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৫০422146
  • অমর্ত্য সেনের নোবেলের সঙ্গে ডঃ ব্যানার্জির নোবেলের তুলনার কোনও মানেই নেই। বেশিরভাগ ইকনমিস্টরা ডঃ ব্যানার্জির মতন কাজ করেই নোবেল পেয়ে যান। অমর্ত্য সেনের নোবেল ওয়াজ টূ লেট। অমর্ত্য সেনকে আজ থেকে ২০ বছর আগে দেওয়া হয়েছিলো। তখনও একজন ভারতীয়কে নোবেল দিতে গেলে নোবেল কমিটির মেম্বারদের ঘুম ছুটে যেত। সেদিন যে পাল্টেছে, সেটা অন্তত বোঝা গেল।
  • অর্জুন | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৪৮422145
  • আমারও একটা নোবেল চাই। সাহিত্যে অনেক পরিশ্রম করতে হবে, কম্পিটিশন হাই। শান্তিটাই বেস্ট। পৃথিবীর সবচেয়ে ডিসপিউটেড জোনে সেখানকার আক্রান্তদের নিয়ে কাজ করতে হবে। তবে ব্যাপার হল হঠাৎ বেঘোরে মারা গেলে সব মাঠে মারা যাবে। মরণোত্তর নোবেল পুরষ্কার তো আবার দেওয়া হয় না।

    ইণ্ডিয়ায় ডিসপিউটেড জোনগুলো টি আর পি অনুযায়ী রেট করতে হবে।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৪৫422144
  • শুধু সোসাল সায়েন্স বা হিউম্যানিটিজ কেন? কনজার্ভেটিভদের দাবী অনুযায়ী হার্ড সায়েন্সও এই মডার্ণ লিবারল ডেমোক্রাসির অঙ্গ এবং সেটাকে প্রমোট ও ডিফেন্ড করছে। তবে এটা একেবারেই ওয়েস্টার্ন ব্যাপার স্যাপার বলে মনে হতে পারে কারণ আনটিল রিসেন্টলি এই দেশগুলই যা একটু হায়ার এডুকেশনে ইনভেস্ট করেছে। ফলে অ্যাকাডেমিশিয়ানদের এরকম একটা ইকোসিস্টেমে থেকে অন্যরকম কিছু ভাবাও তো বেশ মুশকিলের। আর মডার্ন এডুকেশন সিস্টেম এতোটাই খোকা যে তার থেকে কিছুই ইনফারেন্সে আসা যায়্না।

    ব্যক্তিগত ব্রিলিয়ান্স তো আছেই, তাছাড়া এঁরাই এই ফিল্ডগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রচুর কন্ট্রিবিউশানস এঁদের, সিরিয়াস লেভেলের কমিটমেন্ট ছাড়া এসব অ্যাচিভ্মেন্ট সম্ভবই না। আর ইন্ডিপেন্ডেন্ট পজিশান প্রায় কোনও সোশাল সায়েন্টিস্টের থাকতেই পারে না; যাঁরা সেরকম দাবী করেন তাঁরা লজ্জা পেয়ে আসল অ্যাফিলিয়েশনটা বলতে চান না। যেটা হচ্ছে (আগের প্যারার শেষ থেকে) সেটা হলো অ্যাকাডেমিয়াতে এই লিবারাল ডেমোক্র্যাসিকে মহাসত্য ধরে নেওয়া হয়েছে ফর থাউজেন্ডজ অব রিজনস। এবং তার মধ্যেই সলিউশান খোঁজা হচ্ছে। আমি পার্সোনালি এটাকে সমর্থনই করি কারণ আপাতত এই সিস্টেমেই কিছুটা আশা দেখা দিচ্ছে। ডেটাগুলো লেফট লিবারল ডেমোক্র্যাটিক আইডিওলজিকেই সাপোর্ট করছে।

    আপনি যেটার ইঙ্গিত দিতে চেয়েছেন সেরকম কোনও থিয়োরেটিকাল আল্টিমেট মডেল বা সলিউশনে আসা সোশাল সায়েন্সে অসম্ভব। কারণ ১) প্রচুর আনসার্টেনটি, ২) বিশাল বড় এপসাইলন, ৩) এক্সপেরিমেন্টের টাইম সামান্য। ধরে নিনঃ আমরা জানি যে মিনিমাম ওয়েজ বাড়ানো উচিত। কিন্তু সেরকম একটা পলিসির থেকে একটা ফিক্সড টাইমে একটা জিওগ্রাফিতে একটা বিশেষ কন্ডিশনে বেনিফিট অবজার্ভ করা যাবেই, এরকম কোনও গ্যারান্টি নেই। ফলে একটা লং টার্ম মুভমেন্ট হচ্ছে টুওয়ার্ডস লেফ্ট লিবারল ডেমোক্র্যাসি। কোথাও নিউ গ্রীন ডিলের মতন রিভোলিউশনারি আইডিয়া নিয়ে এসে। কখনও সাইলেন্টলি। আপনি খেয়াল করে দেখবেন রেগান এরার ইকনমিস্টরাও লাস্ট ট্যাক্স কাট পলিসিকে ক্রিটিসাইজ করেছে। এটাকে আমি অন্তত নেট পজিটিভই ধরবো।
  • | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:০৬422143
  • বড় স,

    সমস্যাটা চীন কে নিয়ে না। আধুনিক রাষ্ট্র কে ডিফেন্ড করাটা নিয়ে সমস্যা।
    এবং ডিফেন্ড না করলেই হয় এরকম চয়েস মানুষের সব সময় থাকেও না, তবে যেখানে থাকে সেখানে রাষ্ট্রের সঙ্গে বা স্টেট বিল্ডিং এক্সারসাইজের সংগে বেশি মাখো মাখো না হওয়াই ভালো। আর গঠনমূলক চর্চা ছাড়া আর কোন চর্চাই চর্চা না এই ধারণাটার ও একটা সমস্যা আছে।

    ধরো পাবলিক ইনটেলেকচুয়াল কথাটা মেনলি আমেরিকায় ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু ইউরোপে ইনটেলেকচুয়াল কথাটাই ব্যাবহৃত হয়। এবার ব্যক্তিগত উচ্চাকাংখা, পেট্রোনের খোঁজ ইত্যাদি বাদ দিয়ে যদি দেখা যায়, সেই একেবারে 'পেসিমিজম অফ ইনটেলেক্ট, অপ্টিমিজম অফ দ্য উইল' গোছের সংগায় মোটামুটি আধুনিক ডেমোক্রাসি (যেটার বয়স একেবারেই কম) রিজনেবলি ইন্ডিপেন্ডেন্ট পজিশন রাখা ইনটেলেকচুয়াল দের পক্ষে সম্ভব হতে আরম্ভ করেছিল। এবার একটা সিটিজেনশিপ আর চর্চার মধ্যে তো পার্থক্য আছে, একজন ইনটেলেকচুয়াল একটা আইডিয়া কে এগোতে গিয়ে একটা রাষ্ট্রের ডিফেন্ডার হয়ে গেলে নানা বিপদ আবার দেশের উপরে আক্রমণ হলে, দেশ সংক্রান্ত বা ছোটো অর্থে ইন্স্টিটিউশন সংক্রান্ত কোর আইডিয়া টাকে ডিফেন্ড না করলেও সমস্যা।

    তবু গড় পড়তা বলা যেতে পারে, অর্থনীতি, ল, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (অ্যাজ ইন দ্য সাবজেক্ট) এগুলোর একটা বড় সমস্যা হল, বিষয় হিসেবে, বাই ডেফিনিশন এগুলো স্টেট এনটারপ্রাইজ এর সঙ্গে জড়িত। তাই বিষয়ের সর্বোচ্চ সম্মান গুলো, অন্তত শান্তিকালীন সম্মান গুলো, খুব বেশি র‌্যাডিকাল ভাবনা নিয়ে সম্ভব না। ডেমোক্রাসি যদি তোমার রিয়েল পলিটিক অফ কম্প্রোমাইজ হয়, ইকোনোমিক্স তাহলে ইজ দ্য লুব্রিকান্ট অফ দ্যাট কম্প্রোমাইজ। ল এর ভূমিকা টা একটু আলাদা, কিন্তু স্টেট ক্রাফ্ট এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, এবং হয়তো সেই জন্যেই আধুনিকতা এনটারপ্রাইজের সঙ্গে জড়িত।

    এবার এটা বিষয় গুলোর সীমাবদ্ধতা, তাতে চর্চার ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির অ্যাচিভমেন্ট খাটো করে দেখার কিসু নেই। চীন আপাতত একটা ক্রিমিনাল স্টেট। কিন্তু তাই বলে চাইনিজ সমস্ত ইকোনোমিস্ট ই ক্রিমিনাল তা তো না, তবে তাদের এই অসহ্য সোশাল অ্যাগ্রেসন এবং এঞ্জীনিয়ারিং এর বিরুদ্ধে যাঁরা অবস্থান নিতে পারেন নি, তাদের সবাই বেচে গেছেন ভাবার ও কোন কারণ নেই। বিষয় টার কতগুলো সীমাবদ্ধতা আছে, আর প্রগতি উন্নয়ন অন্তরভুক্তি এই ধারণা গুলো সবটাই একটা ইনটারমেডিয়েট টার্ম। এবার যেটা বলা যেতে পারে, ইন্টারমেডিয়েট নেচার অফ সলিউশন টাই ডেমোক্রাসির বিউটি। যেটা অথরিটেটিভ স্টেট বা তার উৎঅসাহী দের পক্ষে অ্যাপ্রিশিয়েট করা সম্ভব না। তারা ফাইনাল সলিউশন খোঁজে।

    তাই এটা আরেকটু ব্রডলি দেখতে পারো। সমসাময়িক কে অ্যাড্রেস না করলে একটা লোক ইন্টেলেকচুয়াল না, আবার সব পরিবর্তনে বেশি এন্থুসিআসটিক হয়ে পড়াটাও কাজের কথা না, টেম্পার্ড পজিশন নিতে যে জিনিস্টা সাহায্য করে সেটাই উচ্চ শিক্ষার একটা সংগা হতে পারে।
  • *ৎ% | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১২:১৯422142
  • বিসসাল? উও চাইল্ডস প্লে হ্য। দোরকার হোলে চৌতিসসাল কোশিশ কোরবো।
  • ন্যাড়া | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১২:১৪422141
  • খনুকে আর কাঠি না করলেই শান্তিতে নোবেল আমার বাঁধা। নেহাত লোভ নেই, তাই।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৭422140
  • কে যেন শান্তিতে নোবেলের কথা ভাবছিলেন? আমার কাছে একটা প্রজেক্ট আছে। সেটা নিয়ে ২০ বছর লাগাতার কাজ করলে সিওর নোবেল। তবে সব কিছু ত্যাগ করে, অনেক সমস্যা ফেস করে কাজ করতে হবে।
  • sm | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৬422139
  • খ,কে প্রশ্ন। সুব্রমনিয়াম স্বামী কেমন ইকোনমিস্ট?
    ওঁকে কি অমর্ত্য সেন বা অভিজিৎ বাবুর বিপরীত ঘরানার লোক মনে হয়?
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৫৯422138
  • আমার তো অভিজিত বাবুর কথাবার্তা বেশ ভালই লাগলো। এটা ঘটনা যে তিনি যেহেতু পভার্টি নিয়ে কাজকর্ম করেছেন, তাই কেইনিজিয়ান তত্ত্বের উপরে তাঁর আস্থা স্বাভাবিক ভাবেই খুব বেশি। মনিটারি পলিসি নিয়ে তিনি স্বাভাবিক ভাবেই একটু উদাসীন। যেটা টেক অ্যাওয়ে সেটা হলো খুব কনফিডেন্টলিই বললেন যে গ্রোথ রেট আরো কমবে।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৫০422137
  • চীনের সমালোচনা সহ্য করতে না পারাটা বামেদের লেগাসী সমস্যা। যারা ৬০-৭০ এর দশকে বামপন্থা শিখেছেন জেনেছেন বা পরবর্তী কালেও ঐসময়ের প্রেক্ষিতেই চীনকে দেখেছেন, তাঁদের পক্ষে এটা স্বাভাবিক। কারণ তখন চীনকে ভারতের অল্টারনেটিভ মডেল হিসাবে দেখানো হয়েছে, আর রাশিয়া মোটামুটি ওয়েস্টার্ণ ক্যাপিটালিজমের অল্টারনেটিভ। এবং সেটা বেশিরভাগ সময়েই চীনকে না বুঝতে পারা, চীন সম্বন্ধে সঠিক ভাবে না জানতে পারার ফল। আমার ধারণা সেটা কিছুটা চীনা ভাষা না জানার জন্যও হয়েছে, যে ভুলটা এখন আম্রিগা (বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট) করছে। চীনের পাব্লিকেশনকে প্রশ্নাতীত ভাবে মেনে নেওয়াও একটা সমস্যা। এবং এখানেই নতুন ধারার বামপন্থীর সঙ্গে পুরোনো ঘরাণার একটা বড় ব্যবধান। চীনের ডোমেস্টিক, ফরেন, ইকনমিক পলিসির প্রত্যেকটা নিয়ে গুছিয়ে সমালোচনা করেও আপনি বামপন্থী হতে পারেন, কারণ চীন অ্যাজ আ রেজিম বামপন্থাকে অনেকদিন আগেই পরিত্যাগ করেছে। এইটা আজ থেকে কয়েকদশক আগে ভাবাও যেত না।
  • | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৫422136
  • অমর্ত্য সেন কে, ব্যক্তি হিসেবে ছোটো করে দেখানো আজ কাল একটা স্টাইল হয়েছে। এদিকে তাঁর বই, লেখা পেপার, বক্তৃতা নিয়ে অবজেক্টিভ টু পাইস বলার ক্ষমতা কিস্সু নাই বেশির ভাগের। ক্লিয়ারলি আমি শুধু উচ্চ শিক্ষিত ভারতীয় দের কথাই বল্ছি, তিতি বিরক্ত হয়ে যাই।

    অবশ্যই আর্গুমেন্টের সমস্যা আছে। যেমন আর্গুমেন্টেটিভ ইন্ডিয়ান বইটার একটা সমস্যা হল, লজিক টা ১৯৫০-৬০ দশকের ভারতীয় রাষ্ট্র নির্মাণের লজিকে সাজানো, যেন মুঘল ই আজম সিনেমা বানানো হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্র কড়া কিন্তু ওয়েল মিনিং, যেন সমস্ত মতবিরোধ ই কেবল ই আলোচনা দিয়ে সারা গেছে।

    সেদিক দিয়ে উপিন্দার সিং বইটা, অনেক বেশি ক্লিয়ারলি দেখাছী, ভায়োলেন্ট অ্যাডজাস্টমেন্ট্স এবং ভায়োলেন্সের জাস্টিফিকেশন, যথেষ্ট ভারতীয় আদি ঐতিহ্যের পার্ট, অথচ তাকে নিয়ে যে রাষ্ট্র পরিচালনার নেসেসারি শৌর্য্য হিসেবে দেখে তাকে গ্লোরিফাই করার কিসু নেই, এই অবস্থান পরিষ্কার।

    অমর্ত্য সেন এর আইডিয়া অফ জাস্টিস আমার একটু দুর্বল ই লেগেছে, অথচ দর্শন বা আইন পড়া বন্ধুরা দেখি ওটাই মেনলি পছন্দ করেন, পুরোটা আমি বুঝি নি হতে পারে, আমার মনে হয়েছে, জাস্টিস সম্পর্কে, জুরিস্প্রুডেন্স এর সঙ্গে রক্ষনশীলতার সম্পর্ক, এমনকি আধুনিক জুরিসপ্রুডেন্স এর সঙ্গে সিরিয়াস সেকুলার কনজারভেটিজম এর সম্পর্ক নিয়ে যতটা কঠোর হওয়া উচিত ছিল সেন সেটা হন নি।

    কিন্তু আমার যেটা ম্যাসিভ লাগে অমর্ত্য সেন এর লেখায়, এবং সেটা ওঁর বয়সী অনেকের লেখাতেই লাগে, সেট হল প্রাইমারি রেফারেন্স মেটেরিয়ালি অনায়াস দক্ষতা, এবং ভাষার অসাধারণ ব্যাবহার। কল্পনা করা যায় না। অম্লান্ত দত্ত, রনজিত গুহ, তপন রায় চৌ, অশোক রুদ্র, অশোক সেন দের মত বাংলা ইংরেজি লিখতে বলতে জানলে বর্তে যেতাম।

    আমার অমর্ত্য সেন এর ছোটো লেখা যেগুলো, কাগজে বেরোনো, সেগুলো ভালৈ ইনফ্যাক্ট বেশি শার্প লাগে। এবং একটা কথা বোঝা দরকার ওয়েঅফেয়ার ইকোনোমিক্স এর বাজার নতুন করে এন জি ও কম্প্রোমাইজ এর পরে বাড়ার পরে, আমরা যেটা ভুলে যাই, আমরা যাঁরা ব্রড লেফ্ট এর পক্ষে এঁরা কথা বলেন বলে আজ গর্ব অনুভব করছি, তাঁরাই যখন চীনের গণতন্ত্রহীনতার সমালোচনা করেছেন, তখন তত সহজ ভাবে নিতে পারি নি, বা আকাডেমিক ডিবেটে ভুল পক্ষ নিয়েছি। তো সে সব ঠিক আছে, আপাতত বিজেপির অত্যাচারের জমনায়, দুজন বিজেপি বিরোধি ইকোনোমিস্ট নোবেল পেলেন, আর বি আই এর দু জন গভরনর চাকরি থেকে গেলেন, তার মধ্যে একজন সরকারের ই বাছা, এমন কি বর্তমানের ভদ্রলোক ও পুরো ডেটা ঢাকতে পারছেন না, মাঝে মাঝে বেফাঁস বলেও ফেলছেন, এসব রাজনৈতিক ভাবে আনন্দের কথা। আর চর্চার দিক থেকে এটা আনন্দের যে গুড ওল্ড ল্যাহা পড়া যে একেবারে ফ্যালনা না, সেটা দু দিন হলেও পপুলার মেডিয়া স্বীকার করচ্চে, মানুষ একটু নড়ে চড়ে বসছে, সেটা খুব ই আনন্দের। জীবন, দেশ, দৈনন্দিন, সরকার, চাকুরি, ভাগ্য সব ই তো নিয়ন্ত্রন করে কত গুলো বোরিং মাথামোটা ক্ষমতাশালী ছাগল তাদের থেকে একটা মুক্তির আনন্দ হয় এই সব হলে।
  • ন্যাড়া | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৩422135
  • আমি সাধারণতঃ ভূমিকম্প টের পাইনা। আজকেরটা পেয়েছি। তার মানে খুব ছেঞ্ছিটিব হয়ে পড়ছি। এই অবস্থায় লিটারেচার বা পিস-টা তাক করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
  • lcm | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৯422133
  • আমিও নোবেল রহস্য জানতে চাই -- কিন্তু এইমাত্র ৪.৭ ভূমিকম্প হল, একটু ঘাবড়ে আছি। হঠাৎ এমন কেঁপে উঠল, টিভিতে দেখছিলাম, খবর পড়ছিলেন ভদ্রলোক, থেমে গিয়ে বললেন টেবিল কাঁপছে, ল্যাপটপ নড়ছে। সেই থেকে ভূমিকম্পের খবর বলেই চলেছে। দর্শকরা কল করে বলছে তাক থেকে বই পড়ে গেছে। এই অবস্থায় নোবেল রহস্যটা মাথায় ঢুকবে না, পিথিবি একটু শান্ত হোক।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৯422134
  • আমার এখনও দুর্গাপুজো অ্যাটেন্ড করার টাইম আছে। আমার সবথেকে নিকটতম জায়্গায় ২৫শে অক্টোবার হবে।
  • b | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৬422132
  • @পাই,
    ওটা মনে হয় সার্কাস্টিক।ঐ হিন্দু কলেজ রাম মোহন রায় ইত্যাদি।
  • S | ১৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৪422131
  • কিসে পেতে চান আগে সেটা ডিসাইড করুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত