এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২৮421980
  • সোনারপুরের কথা ভাবি বরং। এতগুলোকে আলিপুরের ঘিঞ্জি জায়গায় রাখা খানিক চাপের হবে।
  • হুম | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২৬421979
  • প্রথমজনকে তো জানা ছিলোই। দ্বিতীয়জন হাত তুলে জানান দিয়েচেন। তৃতীয়জন এলেই সিক্সটিন ব্যানানা কমপ্লিট হয়। আলিপুরে জানানো যেতে পারে।
  • এলেবেলে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৮421978
  • আমি কারও পাত্তারই ধার ধারি না। বন্ধুপ্রসঙ্গ ছাড়া আর সব কিছুই আসল দেখে আমারই বরং 'হঠাৎ লাফিয়ে উঠে ঠাকুর ঘরে কে' সিনড্রোমের কথা মনে পড়ল আর কি।
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:০৪421977
  • আপনার বিশ্রী বা শ্রীবিহীন প্রেম নিয়ে কেউ তো প্রশ্ন তোলে নি। হঠাৎ লাফিয়ে উঠে ঠাকুর ঘরে কে প্রশ্ন নিজেই করে আবার উত্তর দিতে আসলেন কেন? আহা, আপনাকেও পাত্তা দেওয়া হবে, যথাসময়ে।
    হ্যাঁ হ্যাঁ ১০৮ না কি টই খুলুন্না। কে কি বলবে। শুধু সামান্য সংশোধনঃ লেটেস্ট কথা হচ্ছিল অ-অ-র স্বামী নিখিলানন্দ বিষয়ে পড়াশোনা নিয়ে। তা উনি জানালেন তা নিয়ে ওঁর কোনও পড়াশোনাই নাই। কে ঠাকুমার ঝুলি থেকে কী বলেছিলেন, সেই শুনেছেন মাত্র। (ভাবানুবাদ কল্লাম)
    তো, ব্যাপার ওখানেই ম্যাটার ইতি। আপনি খামকা চাপ নেবেন্না।
    লক্ষ্মী পুজোর দিন দুটি নাকেল নাড়ু আর তালের আঁকুড় খান বরম।
    নমস্কার।
  • এলেবেলে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৪421976
  • এখানে অনেকেই বিবেকানন্দ নিয়ে আলোচনা পছন্দ করছিলেন না বলে সচেতন ভাবেই নিজেকে সে ব্যাপারে বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছিলাম। যদিও দেখছি সেই আলোচনা পূর্ণমাত্রায় বহাল আছে এবং কেউ বিরক্ত-টিরক্তও হচ্ছেন না! শুধু গাঁজাগোপালের ওপর দোষ চাপিয়ে গুরুর শান্তিগোপালরা যে কথামৃত-র জোচ্চুরি নিয়ে যে টুঁ শব্দ উচ্চারণ করেননি, তা-ও নজর এড়ায়নি। কিন্তু ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে @অর্জুনের বন্ধু সম্পর্কে তির্যক মন্তব্য আসলে দু-চার কথা বলতেই হয়। হ্যাঁ, অর্জুন আমার বন্ধু এবং গুরুর অনেকেই আমার বন্ধু। সেটা এই কথা প্রমাণ করে না যে, আমার বন্ধুদের সমস্ত কথায় আমাকে হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মিলিয়ে চলতে হবে।

    আমি সারা জীবন রবীন্দ্রনাথকে রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্রকে জগদীশচন্দ্র, বিদ্যাসাগরকে বিদ্যাসাগর, চৈতন্যকে চৈতন্য, রামকৃষ্ণকে রামকৃষ্ণ, নিবেদিতাকে নিবেদিতা এবং সারদাকে সারদা বলে ও লিখে থাকি। হঠাৎ এমন দুর্মতি আমার হয়নি যে অযথা রামকৃষ্ণকে শ্রীমণ্ডিত করতে হবে বা সারদাকে দেবীর মর্যাদা দিতে হবে।

    আপাতত আমাকে এ ব্যাপারে অকারণে না জড়ালে ভালো হয়। আপনারা আলোচনা চালিয়ে যেতেই পারেন তবে আমার প্রসঙ্গ না আনাই ভালো। বেঁচে থাকলে গুরুর পাতাতেই বিবেকানন্দ নিয়ে পঞ্চম টই খুলব কোনও এক দিন, তখন ইচ্ছেমতো খই ভেজে যাবেন সব্বাই।
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৫421975
  • আবারও অবাক করলেন। আপনি ইতিহাসবিদ নন, জীবনীকারও নন, শ্রীরামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ ভাব আন্দোলন নিয়ে আপনার কনও আগ্রহ বা পড়াশোনা নাই, তবু আপনি “তীক্ষ্ণ ভাবে অ্যানালিটিক্যাল”! আপনিই সেই ব্যক্তি যাঁর কাছে কাঁঠালের আমসত্ত্বের রেসিপি থাকবেই। সর্ষের টইতে দিতে দেবেন, পিলিজ।

    ঠিকাছে, আপনি শ্রীরামকৃষ্ণ আর শ্রীমা সারদাকে একই ভাবে দেখছেন। এইটা ঠিক ঠাক বোঝা হয়েছে। আপনার বন্ধু কদিন আগে প্রশ্ন করছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণের সমসময়ে সারদাদেবীও কেন টিচ এবং প্রীচ করতেন না জাতীয়। ওঁকে এই ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে দেবেন। বন্ধুদের ভাষা বুঝতে সুবিধা হয় অনেক সময়।

    আপনার দ্বিতীয় প্যারার শেষ লাইনে বেশ সমস্যা আছে। শ্রীরামকৃষ্ণের কথা ‘ভুল’ মনে হলে কেউ তাঁর ভাবধারা বাহিত সংঘে “সারা জীবনের মত অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত” থাকবেনই বা কেন? একটু ভেবে চিন্তে লিখুন!
    ইল্লজিকাল চিন্তার ছাপ যে এখানেও নতুন করে মেরে দিলেনঃ
    “সেখানে ভারতীয় অধ্যাত্মবাদ, মার্গীয় দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা নিশ্চয় চ্যালেঞ্জিং এবং আরেকটা পয়েন্ট একটি ধনতন্ত্রের দেশে, একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে এসে একজন মেধাবী যুবক কি পাশ্চাত্য দ্বারা কোনোভাবেই প্রভাবিত হননি !!”
    তা কোনটা সত্যি? তিনি ভারতীয় অধ্যাত্মবাদের অনুগত ছিলেন নাকি পাশ্চাত্য দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন?
    অবশ্য এই প্রভাবিত হবার ব্যাপারটা আপনার অ্যাসাম্পশান আপনার মানসিক শক্তির বিচারে। এর কোনও প্রমান নাই।
    ঠিক যেমন প্রমান দিতে পারছেন্না আর একটা মনে হওয়ার “কৈশোর-যৌবনের ভক্তি” ইত্যাদির। বলছেন কিছুই পড়েন্নি, তবু মনে হওয়া থেকে মিথ্যে কথা লিখে যাচ্ছেন।
    এবং চার্নং কোশ্নের উত্তরে, পড়াশোনা অভাবে, আপাত ভাবে, মেনেই নিলেন এখনও পর্যন্ত স্বামী নিখিলানন্দের স্বতন্ত্র কোনও দর্শনের কথা আপনার জানা নাই। সংঘের অংশ হিসেবে, তিনিও আজীবন ঐ ভাব ধারারই প্রচারকই ছিলেন।
    আমার মনে হয় এই আলোচনায় আপনার আপাতত আর কিছু কট্রিবিউট করার নাই। নিজের অজ্ঞানতার ঢাক না পিটিয়ে বরং আপনাদের বাড়িতে কোন কোন হুজ হু এসেচে আর কাদের সঙ্গে আপনি ফোনে কথা বলেছেন, তার গুপ্প করুন। ওসবের প্রমাণ কেউ চাইবে না। আপনাকেও পড়াশোনা কিছু করতে হবে না আর পাব্লিক নির্মল আমোদ পাবে।
    আলাদা টইতে হলে ভালো হয়। যাস্ট সাজেশন।
  • এলেবেলে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২৭421974
  • সত্যিই গুরুর চরম অধোগতি। সেই কারণেই টইগুলো মাছি তাড়াচ্ছে আর যত রাজ্যের বোলতা হুল ফুটিয়ে চলে যাচ্ছে ভাটিয়ালিতে এসে। এবং পরিচিত নিকে লেখার দমেও কুলোচ্ছে না। সাধে কি আর খ্যামতাহীন খঞ্জনিবাদক বলি।
  • অর্জুন | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২০421972
  • @

    স্বামী নিখিলানন্দ-কৃত 'কথামৃত' র অনুবাদ যেটুকু পড়েছি তাতে আক্ষরিক অনুবাদ লেগেছে।

    আমাকে করা প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনার কাছে নেই। আমার মন্তব্যগুলো আপনার খুব অপছন্দ কারণ প্রচলিত ধারণা ও আপনার বিশ্বাসের সঙ্গে সেসব মিলছেনা। তাই সেই ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার জন্যে এত পাল্টা প্রশ্ন করতে হচ্ছে এবং ব্যক্তি আক্রমণ করার প্রয়োজন পড়ছে এবং সেটাতেও আপনি দক্ষ উকিল বা গবেষক দুটোর পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
  • র২হ | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২০421973
  • হ্যাঁ খুবই ভুলভাল চলছে, এগুলো খুবই বিশ্রী।
  • dc | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১৬421971
  • আচ্ছা কয়েকদিন ধরেই দেখছি প্রচুর পার্সোনাল অ্যাটাক হয়ে চলেছে, নানা রকম সিম্বলযুক্ত নিক থেকে অর্জুনবাবুকে অ্যাটাক করেই যাওয়া হচ্ছে (অর্জুনবাবুও আগুনে দেদার ঘি ঢালছেন বলাই বাহুল্য)। এই পার্সোনাল অ্যাটাকগুলো না করে আলোচনা চালানো যায় কি?
  • র২হ | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৫421970
  • আমার এক বন্ধুর বাড়িতে দোল দুর্গোৎসব সবকিছু খুব ঘটাপটা করে হয়, কিন্তু ওরা বাড়ি পৌরোহিত্য করার আবশ্যক শর্ত হলো সিলেটি অরিজিন হতে হবে। তাই ও বাড়িতে সবসময় শরইণ্যে, নমইস্তইস্যই, সচইন্দন, ত্রইম্বকে - এইসব চলে।

    মন্ত্রে ভুল হলে ক্ষমা করে দিও - এমন একটা মন্ত্র আছে, ওটা অবশ্য সব মন দিয়ে বলে, তবে ওখানেও একইরকম।
  • অর্জুন | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৫৮421969
  • @

    আমি রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ আন্দোলন বিষয়ক ইতিহাসবিদ নই। নই তাঁদের আন্দোলন সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিত্বের জীবনীকার। আমি ঐ সংঘ সম্পর্কে উৎসাহী নই বিন্দুমাত্র। কিন্তু এটা অস্বীকার করব না যে বাংলার ইতিহাসের একটি বিশেষ সময়ে শ্রীরামকৃষ্ণ'কে কেন্দ্র করে ভাবান্দোলন শুরু হয়েছিল। তার সূচনা করেছিলেন তাঁরই বারো জন যুবক শিশ্য। দক্ষিণেশ্বরে একটা ছোট ঘর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হিন্দু রিলিজিয়াস এজেন্সির ইতিহাস নিশ্চয় বর্ণাঢ্য। ইতিহাসের এই ইম্পজিং অধ্যায়টি নিয়ে খুব স্বাভাবিক ভাবে যেসব প্রশ্ন উঠে আসে, আমারও তাই। কাজেই আমার দৃষ্টি ভাবের ঘরে নয়, তীক্ষ্ণ ভাবে অ্যানালিটিক্যাল।

    প্রথমেই বলে নিই, কে কার থেকে দীক্ষা গ্রহণ করেছে সেই ডিটেলের চাইতে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ রামকৃষ্ণ অর্ডারে সবার গুরু, বা গুরুর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণ। নিখিলানন্দ শ্রীমা'র থেকে দীক্ষা নিয়েছিলেন কিন্তু 'শ্রীমা'র গুরুও শ্রীরামকৃষ্ণ। গত ১২০ বছরে মঠের প্রত্যেক প্রেসিডেন্টের স্বতন্ত্র দর্শন তত্ত্ব জানাটা অপ্রয়োজনীয় because they all represent Sri Ramakrishna's teaching and philosophy। মঠ ও মিশনের সঙ্গে সারা জীবনের মত অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত হলে শ্রীরামকৃষ্ণের কথা ভুল মনে হলেও সেটা প্রকাশ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

    আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর যৌথ ভাবে দিয়ে দিলাম।

    'সেই সময়কার অ্যামেরিকা' বলতে নিখিলানন্দ বেদান্ত সোসাইটিতে যুক্ত হয়েছেন ১৯৩৩ সালে। আপনার ' স্বামীজির ১৮৯৩' র চল্লিশ বছর বাদে। এখানে বিবেকানন্দ প্রভাবিত অ্যামেরিকার কথা কোনোভাবেই বলিনি। শুনে হাসি পেয়ে গেল কারণ আন্দাজ করেছিলাম আমি এটা বলবেনই। অ্যামেরিকায় গত ৫০-৫৫ বছরে যে অ্যাশিয়ানাজেশন বা ইণ্ডিয়ানাইজেশন হয়েছে ১৯৩৩ তা ছিল না। গোটা অ্যামেরিকায় কজন ভারতীয় থাকত সম্ভবত গুণে বলা যেত এবং তাদের সোশ্যাল ভিজিবিলিটি ছিল শূন্যের অংকে। সেখানে ভারতীয় অধ্যাত্মবাদ, মার্গীয় দর্শন ইত্যাদি বিষয়ে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা নিশ্চয় চ্যালেঞ্জিং এবং আরেকটা পয়েন্ট একটি ধনতন্ত্রের দেশে, একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে এসে একজন মেধাবী যুবক কি পাশ্চাত্য দ্বারা কোনোভাবেই প্রভাবিত হননি !! '“কৈশোর, যৌবনের গদগদ ভাবভক্তি” থেকে সরে আসা কি খুব অস্বাভাবিক ?

    কাজেই বেলুড় মঠ ও শ্রীরামকৃষ্ণ সম্পর্কে তিনি প্রথম দিকে না হলেও পরের দিকে মোহমুক্ত হলে সেটা বরং অনেক স্বাভাবিক লাগে।

    নিখিলানন্দজী'র 'নূতন স্বাধীন দর্শনতত্ত্ব' জানতে গেলে তাঁর সমস্ত রচনা পড়তে হবে। কাজেই সেই উত্তর কবে দিয়ে উঠতে পারব বলা খুব কঠিন।
  • ওঃ | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৫৭421968
  • কুলীন বলে কুলীন! একেবারে খাঁটি চন্দ্রবংশীয়। শুধু ন্যাজটা এখনো পাজামার ফুটো দিয়ে বেরিয়ে পড়ে।

    তবে এই কদিনে দেখলাম অন্তত তিন জনকে টিকিট কেটে দেখতে যাওয়া যায়। সাথে ফ্রী হিসেবে আরো জনা দুই তিনেককে রাখা যায়।

    গুরুর কী অধোগতি!
  • অর্জুন | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:২০421966
  • @S আমাদের বাড়িতে বিবাহে পৌরহিত্য করতেন গৌরীনাথ শাস্ত্রী। শুনেছি তিনি বিবাহের মত একটা দীর্ঘ অনুষ্ঠানে সংস্কৃতের প্রত্যেকটা মন্ত্র বাংলা ও ইংরেজিতে অনুবাদ করে দিতেন।
    উনি অনেককাল নেই কিন্তু এখনো বাড়ির কোনো কাজে সংস্কৃত কলেজের (বিশ্ববিদ্যালয়ের) এক অধ্যাপক আমাদের বাড়ির শাস্ত্রীয় ক্রিয়াকর্ম করেন। মন্ত্রের উচ্চারণ বিশুদ্ধ না হলে পুজো হয়না।
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:২০421967
  • আরও একটু জানার ইচ্ছে ছিলো। মানে আপনারই কোটেশন থেকে আর্কি!
    “৪০ বছর অ্যামেরিকায় বসবাস করে (তাও সেই সময়ের অ্যামেরিকায়) কৈশোর, যৌবনের গদগদ ভাবভক্তি থেকে মুক্ত হয়ে
    'গুরু'র দর্শন থেকে সরে এসে যদি নূতন স্বাধীন দর্শনতত্ত্বে উপনীত হন ”
    ১। তাও সেই সময়কার অ্যামেরিকা বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন? স্বামী বিবেকানন্দের প্রভাবে থাকা অ্যামেরিকা? তাইলে স্বামীজির ১৮৯৩ খুবই সফল মেনে নিচ্ছেন?
    আর যদি উল্টোটা হয়ে থাকে, স্বামীজি প্রভাবহীন, তবে আর স্বামী নিখিলানন্দের বিশেষত্ব কি?! কাজেই “সেই সময়”-টা ব্যাখ্যা করলে সুবিধা হয়।

    ২। “কৈশোর, যৌবনের গদগদ ভাবভক্তি” এটিরও সটিক ব্যাখ্যা চাই। স্বামী নিখিলানন্দের কৈশোর-যৌবন কেমন ছিলো জানেন আপনি? কি ভাবে মঠে আসেন, তাঁর কোথায় ভক্তি গদ ভাব ছিলো চট করে পড়ে ফেলুন। স্বাধীনতা সংগ্রামী এক যুবককে নিজের মত করে জানবেন। কোনও আন্টি-ফান্টির দরকার নাই। বইএর লিস্ট দেবনা। নিজেই পাবেন, ইচ্ছে থাকলে।

    ৩। আপনি “শুনেছেন” তিনি শ্রীমার দীক্ষিত ও শিষ্য ছিলেন। অর্থাৎ শ্রীমা তাঁর গুরু। এই বার বলেন, এই “'গুরু'র দর্শন”-টি কি ছিলো? শ্রীমা সারদার দর্শন সম্পর্কে নিশ্চয়ই অনেক জানেন, নইলে সেই দর্শন থেকে সরে আসাকে অ্যাপ্রিশিয়েট করতে পারতেন্না। এই বিষয়ে আমি বিশেষ আগ্রহী।

    ৪। স্বামী নিখিলানন্দ শ্রীমা সারদার ভাবশিক্ষা থেকে সরে আসলে আপনার ‘ভালো লাগবে’ এমন ঐতিহাসিক উক্তির শেষ পর্যায়ে এসে আর একটি ছোত্তো জিজ্ঞাসাঃ স্বামী নিখিলানন্দ যে “নূতন স্বাধীন দর্শনতত্ত্বে উপনীত হন” সেটি কি? আপনি দুয়েক ছত্র তাঁর করা কথামৃতর ইংরিজি অনুবাদ পড়েছেন। তারপরই এই “নূতন দর্শন তত্ত্ব”-এর সন্ধান পেয়েছেন। এই তত্ত্বটি জানিয়ে আলোকিত করুন।
  • b | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:১৮421965
  • @ ঃ)।
    না তা নয়। তিনটে শব্দ আলাদা আলাদা (অল্প পজ দিয়ে) ভাবে উচ্চারণ করলেও ছন্দ থাকে। প্রথম দুটো শব্দই সম্বোধন পদ যেখানে। বীরেন্দ্র ভদ্রটাই শোনা যাক।

    ১৬ঃ৫০ মিনিটের কাছাকাছি শুনবেন।
  • S | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫৫421964
  • আমাদের স্কুলের সময়ে পাড়ার পুরোহিত মশাই খুবই খারাপ উচ্চারণ করতেন। তিনি তাঁর নিজস্ব বিশুদ্ধ উচ্চারণ দেখাতে গিয়ে এমন বলতেন যে আমরা কিছু বুঝতেই পারতাম না। আমরা অঞ্জলি দেওয়ার সময় বন্ধুরা বার বার কি কি করতাম। তা আমার এক বন্ধু বলেছিলো অত বুঝে শুনে কাজ নেই, গুন গুন করে যা।
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৪৭421963
  • অ্যাঁ! অ-অ, এই মাত্র দুটি লাইনের (‘শ্রীমা'র শিষ্য এবং দীক্ষিত বলে শুনেছি। 'কথামৃত' অনুবাদ করেছিলেন।’) বিদ্যে নিয়ে আপনি স্বামী নিখিলানন্দের জীবনালোকে স্বামী বিবেকানন্দের, শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবধারার এবং শতবর্ষাধিক প্রাচীন বিশ্ববন্দিত একটি আধ্যাত্মিক সংঘের বিচার করছিলেন?
    ক্ষী আর বলি!
    যাগ্গে, আপনি মেডিটেশনের উপদেশ দিলেন কি না, তাই এটুকু বলে যাই ধ্যানের আগে আরও ছটা স্টেপ আছে। যম, নিয়ম, আসন ইত্যাদি। অতটা বাংলায় বুঝবেন কি না জানিনা, তাই ইংরেজিতে উইকি পিসি যেমন বলছে তেমন টুকে দিলাম।
    এখানের লোকেদের তবু মেডিটেশন করলেই চলবে, অর্থাৎ স্টেপ ৭, আপনার মনে হচ্ছে প্রথম স্টেপ নিয়েই সিরিয়াস হওয়া দরকার।
    টোকাঃ
    “ yama (abstinences), niyama (observances), asana (yoga postures), pranayama (breath control), pratyahara (withdrawal of the senses), dharana (concentration), dhyana (meditation) and samadhi (absorption)”
  • :) | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:১০421962
  • ঐরম উচ্চারণ না করলে লাইনটার ছন্দ থাকে না।
  • Kaju | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:৫৩421961
  • আর শরন নেত্রম অর্থ কী, শরের মত মানে ধারালো তীরের মত দৃষ্টি দিয়ে ফালফাল করে বকাবকি করে। তাই শরন নেত্রম বকে গৌরী। এটাও আবার...
  • Kaju | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:৪০421960
  • ঠিকই তো বলেছে, গৌরী শিবকে উঠতে বসতে বকে। এর চেয়ে সত্যি কথা আর হয়?
  • b | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:৫৯421959
  • পুরুতঠাকুররা এতো খারাপ সংস্কৃত বলেন কেন? 'শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী'র জায়্গায় হোলসেল রেটে 'সরন্নেত্রম/ বকে গৌরী।
  • b | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:০৫421958
  • দু ঘন্টার কমে ম্যারাথন দৌড়ে ফেলল। শাবাস!
  • চিত্ত | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৫৩421957
  • ইয়ে মানে, অ-অ বাবু, আমার সংগে মস্তিষ্কক্র আলাদা করে দিলেন!
    ইস্কুলে বায়োলজি পড়েননি? অনেককিছুর মত এটাও জানেননা! তবে আপনার অমলা কমলা রমলা বিমলা যেকোন দিদাকে জিজ্ঞাসা করলে তেনারাও বলে দিতেন আর কি।
  • তাহলে তো | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৯421956
  • চিড়িয়াখানার চেয়ে ভালো জায়গা নেই। সরকারের দুটো পয়সা আয়ও হবেক।
  • bhaja | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:১৯421955
  • অর্থাৎ ‘অর্জুনের বাতেলাসংগ্রহ’ নামের টই - সে তো সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, একটা টই হলে ভাল হয়, প্রতিভা এক জায়্গায় সংরক্ষণ দরকার।
  • T | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৪১421954
  • আচ্ছা 'আমাকে দেখুন' নামে কোনো টই নেই !
  • Kaju | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৩৬421953
  • সেতো ফক্কুড়ি মারাই ভাটের বৈশিষ্ট্য। গুরুগোম্ভীইইইরদের জন্যে টই। এমনিতে তো আমি খুবই ঠান্ডা মাথায় কাজকম্মো করি। এখানেই একটু বদমাইসি, নইলে রিফ্রেশ হওয়া যায়? ফচকেমি সতেজ সজীব রাখে। শরতের এই ঝলমলে দিন।
  • অর্জুন | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:২৭421952
  • @কাজু, শুধু আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় নন, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু'ও। এই নিয়ে কামিনী রায়ের কবিতাও আছে। প্রথম মহিলা অনার্স গ্রাজুয়েট।

    'গুরু' তে ইদানিং অধিকাংশের মেসেজ পড়ে মনে হয় এখানে প্রত্যেকের দিনে আধ ঘণ্টা মেডিটেশন ম্যাণ্ডেটরি। কি অস্বাভাবিক চিত্ত আর মস্তিষ্ক চাঞ্চল্য এখানকার লোকজনের উফফ !
  • Kaju | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:১৬421951
  • সেতো জানি ডিসি, কিন্তু লোকে আবার অসব্য বলবে বলে ঢেকেঢুকে কইলাম। এমনিতেই তো পলিটিকালি ইংকারেক্ট বলে আমার যা বদনাম চিরকাল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত