এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:১৫421740
  • এল সি এম দা, ৪০০ টাকা।
  • Amit | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:০৪421739
  • আলোচনা এবার একটু একবগ্গা ধরণের হয়ে যাচ্ছে। অনেকে বিবেকানন্দকে বা রাকৃমি কে একেবারে জালি বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন, অনেকে উল্টোদিকে তাকে বা রাকৃমি কে একেবারে অবতার বলে প্রমানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। সত্যি হয়তো সবসময় সাদা কালোর মাঝামাঝি থাকে। পুরো সাদা বা পুরো কালো কখনোই নয়।

    বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ, রাকৃমির সাধুরা সবাই কিন্তু আদতে মানুষ ই, সব কিছুর শেষেও। ওনাদের প্রতিটা কথা, কাজ, জিনিস পারফেক্ট হবে, পলিটিক্যালি/ সোশ্যালি কারেক্ট হবে, সেটা যেমন অতি উচ্চ আশা, সেরকম ই ওনারা যা করেছেন সব কিছুই ভুলভাল তাও নয়। সব কিছুর একটা সময়, একটা প্রেক্ষিত থাকে। কার্য কারণে সেটা নানা ভাবে রিপ্রেসেন্ট হয়ে যায়। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যদি বিবেকানন্দ এই বাণী গুলো দিতেন, তাহলে ওনার পেছনে কত জন যেত ? হয়তো খুব ই কম। সময় অনেক পাল্টে গেছে। কিন্তু সেই সময়ে, ব্রিটিশ পিরিয়ড এ ওনার বক্তব্য গুলো হয়তো কয়েক জনকে অনুপ্রাণিত করেছিল, সেটাও ভালো দিক একটা।

    প্রতিটা ধর্ম গুরুর বাণী ই যদি পড়া যায়, তেনারা কেওই খারাপ কথা বলেন নি, ইন জেনারেল সবই এক। সবাইকে ভালোবাস, অন্যের ক্ষতি করো না, এই তো জেনারেল মেসেজ সবার ই। এবার কারোর কারোর লিগেসি টিকে যায়, কারোর টেকে না। জৈন, বুদ্ধ ধর্ম কে তো হিন্দু ধর্মের মধ্যে ঢুকিয়ে ই ফেলা হয়েছে পোচিং করে, অথচ এই দুটো ধর্ম শুরুই হয়েছিল হিন্দু ধর্মের রিগ্রেশন থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে। চৈতন্য জাত পাতের ভেদাভেদ ঘোচানোর চেষ্টা করছিলেন সবাইকে নিয়ে একসাথে নাম গান করে, তো তেনাকে পুরীর মন্দিরে সোজা খুন করা হলো, আর গল্প রটানো হলো যে তিনি নাকি জগন্নাথ দেবের মধ্যে বিলীন হয়ে গেছেন। যত ঢপের কীর্তন, কিন্তু লোকে খেয়েছে সেটা, তাতে হয়তো ওনার মহিমা প্রচারে আরো সুবিধা হয়েছে, যেটা হয়তো ইসকন কাজে লাগিয়েছে। কেও কি বলবে ওনাকে খুন করা হয়েছে ?

    আবার এটাও ঠিক যে রামকৃষ্ণ মিশন না থাকলে রামকৃষ্ণ বা বিবেকানন্দ র প্রচার টাও হয়তো এই পর্যায়ে পৌঁছতো না। ভালো খারাপ যাই হোক। মিশন এর সব কিছুই যে ভালো তা নয়, সেটাও সমাজের বাইরে নয়, সাধু রাও দিনের শেষে সবাই আমাদের মতোই দোষে গুনে মানুষ, তাদের মধ্যে ঝগড়া ঝাটি, ঈর্ষা সবই থাকবে। কোথায় থাকে না ? সব নিয়েই তো সব কিছু চলছে আমাদের ঘরে ঘরে, কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ, কিন্তু চলছে। প্রচুর রিগ্রেসিভ জিনিস আমাদের মধ্যেও এখনো আছে, মিশন এও থাকবে, এটা তো কোনো এলিয়েন এনটিটি নয়। কিন্তু এখনো অবধি এটা বলা যায় যে রাকৃমি একটা সফল প্রতিষ্ঠান। ইসকন ও একটা সফল প্রতিষ্ঠান, একটু অন্য ভাবে হয়তো। এসবের কোনো ফিক্সড স্কেল নেই, এসব কোনো ফিজিক্স এর ল নয় যে স্ট্যান্ডার্ড ল্যাব টেস্ট করা যাবে।

    সব প্রতিষ্ঠান সফল হয় না, বিশেষ করে হেড যদি বেঁচে না থাকেন। যতদিন সত্য সাই বাবা বেঁচে ছিলেন, তার প্রতিষ্ঠান রমরম করে চলছিল, বেশ কিছু হাসপাতাল স্কুল ওনাদের বানান। কিন্তু সাই বাবা মারা যাওয়ার পরে থেকে অবস্থা বিশেষ সুবিধের নয়। অনেকে আরো অনেক উদা দিতে পারবেন হয়তো। সেদিক দিয়ে দেখলে রাকৃমি এখনো টিকে আছে এবং গ্রোও করছে, সেটা একটা পসিটিভ দিক বটে।

    সবাইকে অনুরোধ, এই পার্টিকুলার আলোচনা টা একটু অন্য টোয়ি তে শিফট করে দ্যান। অনেক বিদগ্ধ লোকজনের মাঝে এখানে আমার মতো খাজা পাবলিক ও কিছু আসে, যাদের কোনো সাবজেক্ট এই কোনো রকমের দখল নেই, ধর্মে কর্মে বিশেষ মতি গতি নেই, কিন্তু একটু কনটেম্পোরারি পলিটিক্স হোক বা রোজকার দিন আনি দিন খাওয়া হোক, সেসব নিয়ে খিল্লি করতে আসি এখানে। এই একটা সাবজেক্ট নিয়ে দিনের পর দিন আলোচনা টা বড্ডো এক ঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে।
  • lcm | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:৪৮421738
  • বোতিন, হরিদ্বারে রাবড়ি কত করে কিলো?
  • S | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:৪৭421737
  • "তার দায় একা বিবেকানন্দ নেবেন কেন?"
    অন্যগুলো না হলেও বেলুড় মঠের দায়টা কার? অন্তত মিশনকে তো সেটা নিতেই হবে।

    "রবীন্দ্রনাথের সব গল্প-উপন্যাস-নাটকে কটা মুসলমান চরিত্র আছে? বঙ্কিমকেও উল্লেখ না করলেই মঙ্গল।"
    রবি ঠাকুরকে নিয়ে লেখা একটু মুশকিল। কিন্তু বঙ্কিমকে হিন্দু ন্যাশনালিস্ট না বলারও তো তেমন কোনও কারণ দেখিনা।
  • PT | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:১৫421736
  • "যেখানে কুমারী পুজোর মতো অশ্লীল একটা জিনিস বছরের পর বছর রমরমিয়ে চলে"
    তাহলে তো গোটা বাঙালী সমাজই অশ্লীলতার চর্চা করে চলেছে বলা উচিৎ। ২০১৯-এও বিস্তর কুমারী পূজা হয়েছে। তার দায় একা বিবেকানন্দ নেবেন কেন?

    "সারা জীবনে সরফরাজ হোসেন ব্যতীত 'সম্ভবত' দ্বিতীয় কোনও মুসলমানকে চিঠি লেখেননি।"
    রবীন্দ্রনাথের সব গল্প-উপন্যাস-নাটকে কটা মুসলমান চরিত্র আছে? তাহলে অন্ততঃ বিবেকানন্দের সমালোচনা করার জন্য রবীন্দ্রনাথকে "অ্যাপিল টু অথরিটি" করা উচিৎ নয়। বঙ্কিমকেও উল্লেখ না করলেই মঙ্গল।

    "ভুসিমাল বাড়িতে যত কম থাকে তত মঙ্গল!"
    এবারে আলোচনাটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে যাচ্ছে। বিবেকানন্দকে আপনার সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করার অধিকার আছে। যদিও এত বাইট খরচা করার পরে আলোচনাটিকে অন্ধের হস্তিদর্শনের সমতুল্য মনে হচ্ছে।
  • | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৭:৩৯421735
  • সুপ্রভাত গুরু।

    কালকে হরিদ্বারের সন্ধ্যারতি দেখে ফেরার সময় দুশো গ্রাম রাবড়ি সাঁটালাম মহায়। অসাম। দিল গার্ডেন গার্ডেন হয়ে গেল।
  • Atoz | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:০৪421734
  • পুজোর পর ফরাসী বিপ্লব নিয়ে লিখবেন বলেছিলেন এলা। নিশ্চয় উনি আসবেন। অপেক্ষায় আছি।
  • i | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৩:৩৩421733
  • ব,
    তুমিও আমার শুভেচ্ছা জেনো। ভালো থেকো। তোমার লিস্টিতে অবশেষে আমার নাম উঠল। ঃ)

    অর্জুন,
    আপনার মা বাবার অশেষ দুর্ভোগের কথা জানলাম-কাগজে চিঠি লিখে খুব ভালো করেছেন। সবার জানা প্রয়োজন। সম্পাদক সমীপেষুতে আপনার নাম জেনে একটি প্রশ্নঃ বেশ কিছুকাল আগে তৃপ্তি সান্ত্রার লেখা নিয়ে জনৈক অভিষেক একটি টই তে লিখেছিলেন। তিনি-ই কি আপনি?

    পাইকে কতদিন পরে ভাটে দেখতে পেলাম।

    সত্যি ডিডি বহুদিন আসেন না, দে কেও দেখি না। কুমুদিদি মাঝেমাঝে আসতেন। তিনিও কোথায় গেলেন?
    দ -কেও বেশি দেখতে পাই না। এলা ও আসছেন না আজকাল। ফুটকি আমাকে অনেক সিনেমা দেখাতো। সেও আসে না।

    অনেক কেই মিস করি। খুবই।
  • 00 | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০৩:২২421732
  • খুব ভালো গল্পো লিখেছেন অ-অ।
    তবে গপ্পে প্রচুর গোলমাল। সব চেয়ে বড় মিথ্যাটি হলঃ
    “নিখিলানন্দ অবশেষে রামকৃষ্ণ মিশন ত্যাগ করলেন বা করতে বাধ্য হলেন।” এটি সর্বৈব মিথ্যা। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সংঘেই ছিলেন।

    “দেশে ফেরার শেষ ইচ্ছে টুকুও তাঁর পূরণ হল না।”
    এর সাথে মিশনের কি সম্পর্ক? যদি তিনি মিশনের সঙ্গে যুক্ত নাই থাকেন, আপনার আগের লাইনানুযায়ী, তবে তো তিনি স্বাধীন। আসতেই পারতেন। ইচ্ছে হয় নি তাই আসেননি। তাই যদ্দুর সম্ভব “খুব ইচ্ছে ছিল কলকাতার শিশু হাসপাতালটি দেখার।” এটিও সত্য না।

    আর “চৌধুরী দম্পতিকে দুঃখ করে জানিয়েছিলেন সে কথা আর বলেছিলেন রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'কে জানতে বেলুড়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।” এইটি নেওয়া গেলো না আপনারই যুক্তিতে। রবীন্দ্রনাথের কথা শুধু রোমা রোলাকে মুখে বলা হয়ে থাকলে, চিঠি ইত্যাদি না থাকলে যদি অগ্রাহ্য হয়, তবে নিখিলানন্দের মত লেখকের কলমে একথা না ছাপার অক্ষরে না দেখতে পেলে, অ্যাক্সেপ্ট করার কোনও কারণ নেই।
  • অর্জুন | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৩৬421731
  • বিবেকানন্দ আলোচনা প্রসঙ্গে একজনের কথা মনে পড়ল। ক্যেরিবিয়ান আইল্যান্ডের ত্রিনিদাদ বাসিনী ভারতীয় বংশোদ্ভূত অ্যাগনেস রামশরণ ছিলেন লাইন্সেনশিয়েট পিয়ানিস্ট। ডাক্তারি পড়তে গেলেন টরোন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব মেডিসিনে। বারো বছর বয়েসেই সিধান্ত নেন তাঁকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। পিয়ানো ছেড়ে ডাক্তার হবার বাসনা সেই কারণেই। টরোন্টয় তাঁর পড়ার টেবিলের সামনের দেওয়ালে ঝুলত ভারতের মানচিত্র। এক সহপাঠী জানতে চেয়েছিল, 'ভারতে তো যাবে, কিন্তু ভারতের কোথায়? দেশটা তো বড় !' নিজের অজান্তেই বলে ফেলেছিলেন 'বেঙ্গল। দ্যাটস দ্য ওনলি প্লেস হোয়ের আই সি সম লাইট গ্লয়িং।' লাইব্রেরীতে খোঁজ করে পেলেন রোমা রোলার রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'র জীবনী আর স্বামী নিখিলা নন্দ'র 'কথামৃত' র অনুবাদ 'দ্য গস্পেল'। ছুটিতে নিউ ইয়র্কে এসে যোগাযোগ হল বেদান্ত সোসাইটির স্বামী নিখিলানন্দজী'র। অ্যাগনেসের বোন অলিভিয়াও হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের ডাক্তারির ছাত্রী। দুজনে অচিরেই হলেন নিখিলানন্দ'র পরম স্নেহধন্যা এবং দুজনেই হিন্দুধর্ম গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করলেন। নিখিলানন্দ প্রথমে পাত্তা দিলেন না। অ্যাগনেস, ওলিভিয়াও ছাড়ার পাত্রী নন। আর্যমতে যজ্ঞ করে দুজনেই হিন্দু হলেন, পৌরহিত্য করলেন স্বামী নিখিলানন্দ। অ্যাগনেসের নব নামকরণ হল অমলা, ওলিভিয়ার সাবিত্রী। সাল ১৯৪৭।

    নিউইয়র্কের বেদান্ত সোসাইটির অবস্থা ভাল নয়। নিখিলানন্দ কোনোরকমে ধরে রেখেছেন। বিশ্ববিখ্যাত মার্কিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন ও সাহিত্যের অধ্যাপকেরা তাঁর খুব পরিচিত, মাঝে সাঝে নানা টকের ব্যবস্থা হয় তাঁদের দৌলতে আর যেসব ভারতীয়রা বিশেষ করে বাঙালিরা আসেন মার্কিন মুলুকে তারা নিখিলানন্দের কাছে যোগাযোগ করেন নিউ ইয়র্কে এলে। কিছু সাহায্য লাগলে নিখিলানন্দ যথাসাধ্য করেন সাহায্য। দেশে রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে নিখিলানন্দের সব বিষয় নিয়েই ঝামেলা বাধে। প্রিয় পাত্রী অমলাকে সেসব বলেন তিনি। বেদান্ত সোসাইটি চালানো ছাড়াও নিখিলানন্দের আরেকটি বড় কাজ হল নানা জায়গা থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বেলুড়ে পাঠানো। বেলুড়ের কাজকর্ম নিয়ে নিখিলানন্দ এতটুকু প্রীত দূর অস্ত, খুব বিরক্ত। তিনি মনে করেন বেলুড় দিন দিন একটি কূপমণ্ডূকে পরিণত। তিনি এও মনে করেন বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশনের হেডকোয়ার্টার হবার যোগ্য স্থানও নয়। ঐ গাঁয়ে বসে পৃথিবীর সব শাখা পরিচালনা বাস্তবিক ভাবে সম্ভব নয়।

    যাইহোক, এম ডি পাশ করে অমলা পেডিয়াট্রিকসের ডিগ্রী নিতে লন্ডন পাড়ি দেন। লন্ডনের গ্রেট আরমণ্ড স্ট্রীটের ইন্সটিটিউট অব চাইল্ড হেলথ থেকে ডি সি এইচ গ্রহণ করেন। সে পরীক্ষায় সর্বচ্চো নম্বর পান অমলা। চিঠিতে নিত্য যোগাযোগ নিখিলানন্দের যাকে দুই বোনে মনে করতেন তাঁদের 'গুরু'। ডিগ্রী পাওয়া হয়ে গেছে। এবার ভারতে যাওয়ার অপেক্ষা শুধু। নিখিলানন্দ অমলাকে বারবার বলেন ভাল করে ভেবে দেখতে পূর্ণ সিধান্ত নেওয়ার আগে। ইংল্যান্ড ও অ্যামেরিকায় চিকিৎসা করার সুবর্ণ সুযোগ যেখানে রয়েছে। না, অমলা ভারতে আসবেনই। বোন সাবিত্রী রয়ে গেলেন অ্যামেরিকায়। বিবাহ করলেন তাঁর কলিগ ডাঃ পুরুষোত্তম নাথকে (জন্মসূত্রে তামিল)। দুজনেই হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলে ফ্যাকাল্টি পজিশনে ছিলেন।

    প্রথমে এলেন ভেলোরে। সেখানকার হাসপাতাল চালায় মার্কিনীরা। ডাঃ অমলা রামশরণের মত ক্যান্ডিডেটকে তারা লুফে নিল। কিন্তু ছ'মাসের বেশী টিকতে পারলেন না। গ্রাম থেকে গরীব লোকগুলোকে খ্রিশ্চান মিশনারীরা চিকিৎসা দেওয়ার আগে বলপূর্বক ধর্মান্তকরণ করে। পর পর কয়েকটা ঘটনার পরে প্রতিবাদ না করে থাকতে পারলেন না অমলা। নিখিলানন্দ'কে এই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। নিউ ইয়র্কেই নিখিলানন্দ অমলার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন ডাঃ কে সি চৌধুরীর যিনি ভারতের প্রথম শিশু চিকিৎসক। সেই সময় তাঁর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্যে অ্যামেরিকায় এসেছিলেন। তাঁর এত কালের স্বপ্ন বেঙ্গলে যাওয়ার জন্যে ব্যাকুল হলেন অমলা। নিখিলানন্দ নূতন করে ডাঃ চৌধুরীর সঙ্গে অমলার যোগাযোগ ঘটালেন।

    কলকাতায় পা রাখলেন ডাঃ অমলা রামশরণ। নূতন চাকরি ল্যান্ডডাউন রোডের শিশু মঙ্গল হাসপাতালে। সেখানকার পিডিয়াট্রিক বিভাগের কর্তা ডাঃ চৌধুরী। কাটল কিছু কাল। আজন্ম ইংরেজি বলা অমলার কাছে বাংলা ভাষার মত মিউজিক্যাল ল্যাংগুয়েজ তিনি এর আগে শোনেননি। ' আই জাস্ট লার্নন্ট ইট ইন টু উইক্স'।

    আদ্যপান্ত স্বাধীনচেতা অমলা' মনে হল ভেলোরে কাজের বাধা যেমন খ্রিশ্চান মিশনারীরা তেমনি কলকাতায় শিশু মঙ্গলে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীরা। তাছাড়া নিখিলানন্দের মত সন্ন্যাসীকে দেখে হিন্দু সন্ন্যাসী সম্পর্কে তাঁর যে ধারণা হয়েছিল, শুধু শিশু মঙ্গল নয়, নিয়মিত বেলুড়ে গিয়ে সে ধারণা বদলাতে থাকল। হাসপাতালের নামে যেসব ডোনেশন আসে তার অধিকাংশ চলে যায় বেলুড়ে।

    ডাঃ চৌধুরী ইউরোপ থেকে সেই '৩২ সালে দেশে ফেরার সময় থেকেই স্বপ্ন পোষণ করতেন কলকাতায় নির্মাণ করবেন একটি আন্তর্জাতিক শিশু হাসপাতাল। শোনা যায় প্রতিদিন একটি বাক্সে তিনি একটি টাকা জমা রাখতেন। আন্তর্জাতিক স্তরে শিশু চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করা ডাঃ ক্ষীরোদচন্দ্র চৌধুরী ও ডাঃ অমলা রামশরণ শিশু মঙ্গলে চিকিৎসা চালানো মুশকিলের হয়ে পড়ল।

    ততদিনে ডাঃ চৌধুরী বিপত্নীক। একজন মধ্য বয়স্ক পুরুষ চিকিৎসক ও একজন তরুণী মহিলা চিকিৎসককে নিয়ে ততদিনে নানা কুৎসা রটতে শুরু করেছে। এসব রটনায় বেশী করে রসদ যোগাচ্ছে মিশনের কিছু সন্ন্যাসী। স্বামী নিখিলানন্দকে অমলা জানালেন এই অবস্থার কথা। নিখিলানন্দ অবিলম্বে বেরিয়ে যেতে বললেন তাদের সেখান থেকে। প্রথমে অমলা, তারপর ক্ষীরোদচন্দ্র বেরিয়ে এলেন প্রতিষ্ঠান থেকে।

    ততদিনে কলকাতা কর্পোরেশন থেকে পার্ক সার্কাসে শিশু হাসপাতালের জন্যে জমি পাওয়া গেছে। এতকালের স্বপ্ন এবার পূরণ হবে ডাঃ চৌধুরীর। হাসপাতালের ইমারত গড়ার কাজ শুরু হল এবং দুজনে বিয়ের সিধান্তও নিয়ে ফেললেন। কলকাতার নানা গুঞ্জন এড়াতে তারা বিবাহ করলেন লন্ডনে। নিখিলানন্দ খুব খুশী হয়ে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন।

    ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠা পেল ইন্সটিটিউট অব চাইল্ড হেলথ। ভারতের প্রথম চাইল্ড স্পেশালিটি হসপিটাল।

    নিখিলানন্দ অবশেষে রামকৃষ্ণ মিশন ত্যাগ করলেন বা করতে বাধ্য হলেন। দেশে ফেরার শেষ ইচ্ছে টুকুও তাঁর পূরণ হল না। খুব ইচ্ছে ছিল কলকাতার শিশু হাসপাতালটি দেখার। চৌধুরী দম্পতিকে দুঃখ করে জানিয়েছিলেন সে কথা আর বলেছিলেন রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ'কে জানতে বেলুড়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

    এর কিছু পরে অমলার নিজেরও মনে হয়েছিল রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ'কে খুব কিছু জানার নেই তাঁরও। বিবেকানন্দ'র লেখা পড়ে ভারতকে চিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি চিনেছেন ভারতবর্ষকে তাঁর মত করে।

    গত জুলাইয়ে ৯৮ বছরে পদার্পণ করেছেন ডাঃ অমলা চৌধুরী। থাকেন দক্ষিণ ভারতের একটি শৈল শহরে। ১৯৯৬ সাল থেকে তিনি নির্বাসিত জীবনযাপন করেন। তার মধ্যেও যে পাঁচ জনের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখেন তার মধ্যে আমি একজন।

    রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, পাচ্য, পাশ্চাত্যের কথা মনে হলেই আমার এঁর জীবিন কাহিনী মনে পড়ে যায় যা তাঁর মুখেই শোনা।
  • এলেবেলে | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৬421730
  • স্যার, কেন প্রফুল্লচন্দ্রকে অ্যাপিল টু অথরিটি করতে পারছি না তার উত্তর 03 Oct 2019 -- 05:24 PM তে দেওয়া আছে। যেখানে কুমারী পুজোর মতো অশ্লীল একটা জিনিস বছরের পর বছর রমরমিয়ে চলে, যিনি বুদ্ধকে হিন্দুধর্মের অন্তর্ভুক্ত করে নেন তাঁকে আর যাই হোক হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের দূত ভাবা যায় না। বিবুদা সারা জীবনে সরফরাজ হোসেন ব্যতীত 'সম্ভবত' দ্বিতীয় কোনও মুসলমানকে চিঠি লেখেননি। হ্যাঁ, তাঁকে সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেও চালানো হয়। এ বিষয়ে এনবিএ-র 'স্বামী বিবেকানন্দ : মার্ক্সবাদীদের দৃষ্টিতে' বলে একটি অতি অখাদ্য বইও আছে। যদি কেউ নিতে চান তো সানন্দে সে বই আমি দিয়ে দেব। ভুসিমাল বাড়িতে যত কম থাকে তত মঙ্গল!
  • PT | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৫২421729
  • "স্বামীজীই বাংলাদেশের মুখ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন কালীঘাটের দিকে"
    তাইত তিনোমুলের জন্ম হল!!
    কিন্তু তিনি নাকি সমাজতন্ত্রেও বিশ্বাসী ছিলেন? সেই সংক্রান্ত উক্তি সহ পুস্তিকা তো বিস্তর কিনতে পাওয়া জায়!!
    যেটা শুধু বোঝা গেল না সেটা হচ্ছে যে প্রফুল্লচন্দ্রের বক্তব্য কেন বাতিল করতে হবে?
  • r2h | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২৭421728
  • না; এককের সঙ্গে ডিডিদা সকাশে সক্ষাৎপ্রার্থনার প্ল্যান করছিলাম কদ্দিন ধরে, কিন্তু আমি দোকান পাল্টে বাড়ি বদলে তিতিবিরক্ত হয়ে আছি, জীবনে শান্তি নাই।

    ব্রতীনদাকেও বিজয়ার অনেক শুভেচ্ছা।
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:০৬421727
  • @সাবাশ, দম থাকলে খঞ্জনি না বাজিয়ে কাউন্টার করুন। নাহলে ওই গামছা আপনার ...

    হ্যাঁ, ভক্ত গবেষক শঙ্করীপ্রসাদ বসুর গুপ্ত রহস্য! তিনি তখন অধ্যাপনা করেন। বিবেকানন্দ ও সমকালীন ভারতবর্ষ লেখার জন্য তাঁর ভারতের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে ঢুঁ মারা দরকার ছিল, প্রয়োজন ছিল টাকারও। গোলপার্কের মিশন তাঁর সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করেছিলেন এবং স্বামী নিত্যস্বরূপানন্দ ভাইস চ্যান্সেলর সত্যেন সেনকে বলে আট মাস স্টাডি লিভ-এর বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন। এমনি এমনি?
  • T | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৯421726
  • ডিডিদাকে বহুদিন দেখি না। হুতোদা বা একক কী ওঁর খবর জানে?
  • অর্জুন | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৩421725
  • একটা কথা হঠাৎ মনে হল, বিবেকানন্দ'র মার্কিন সফর ও শেষের পাঁচ বছর নিয়ে একটা দারুণ ইংরেজি চলচ্চিত্র হতে পারত। একজন হিন্দু মংক বোম্বের অ্যাপলো বন্দর থেকে জাহাজে চড়ে মার্কিন মুলুকে যাচ্ছেন যার একজন সহযাত্রী জামশেদজী টাটা। বোস্টনে পৌঁছলেন। বোস্টন হল অ্যামেরিকার সাংস্কৃতিক রাজধানী। এরপরে শিকাগো। ধর্ম সম্মেলন। অগুনতি এলিট অ্যামেরিকান বন্ধু, অনেকেই বান্ধবী। এর পরে ইংল্যান্ড, প্যারিস। লন্ডনে মার্গারেট নোবেলের সঙ্গে দেখা। দেশে ফিরে মঠ ও মিশন। মার্কিনী অর্থ এসেছিল প্রচুর সেটা প্রতিষ্ঠার জন্যে। তিন জন বিদগ্ধ বিদেশিনীকে নিয়ে ভারতভ্রমণে বেরোলেন।

    মার্চেন্ট আইভেরী প্রডাকশনের ব্যানারে 'ইস্ট ওয়েস্ট' কনসেপ্টে দারুণ
    ফিল্মের স্ক্রিপ্ট হতে পারত।
  • সাবাশ | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২২:২২421724
  • এলেবেলে প্রমাণ করলেন উনি গামছার তোয়াক্কা করেন না। ওনার লজ্জা রক্ষা করতে কৃষ্ণও ফেল মারবেন।
  • অর্জুন | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২২:০৯421723
  • @ ? ধন্যবাদ। তবে বইগুলো খুব পরিচিত। দুজন লেখক শঙ্করীপ্রসাদ বসু ও মেরি লুই বার্কের বিবেকানন্দ সম্পর্কে ভক্তিভাব সর্বজনবিদিত। ভক্তিতে আমার উৎসাহ নেই।

    @এলেবেলে, বিবেকানন্দ সম্পর্কিত আলোচনা এখানে এগোতে বিন্দুমাত্র উৎসাহ বোধ করছিনা গত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতায়। বিবেকানন্দ সম্পর্কে আলোচনায় এখানে কোনো যুক্তি নেই, বিষয়টা চর্চার জন্যে আর্কাইভাল রিসোর্সের দাম নেই। তাই আপনার পরিশ্রম করে দেওয়া তথ্য ও তত্ত্ব মাঠে মারা যাবে। রামায়ণে রাম রাবণের যুদ্ধের পরে 'সীতা কার পিতা'র মত বক্তব্য যেখানে উঠে আসে, সেখানে আলোচনা না এগোনোই ভাল।

    আমি আপনার কাছ থেকে পরে সংগ্রহ করে নেব।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৬421722
  • / লেখা হয়েছে
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৩421721
  • মেঘনাদের জন্যে কিছু লেখা হয়ে। খুঁজে নিন
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৯421720
  • হঠাৎ যেন এক ঝলকের জন্য বড় বি-কে দেখলাম অনেকদিন পরে। আপনাকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। না, বিজয়াতে আমি বিশ্বাসী নই। শুধু শ্রদ্ধা থেকেই প্রণাম জানালাম আপনাকে। মাঝে মাঝে সাইটে এসে দু-কথা লিখলেও তো পারেন। যাঁরা 'জেগে ঘুমানো' বলে টিপ্পুনি কাটার বেশি কিছু করতে পারেন না তাঁদের মুখগুলো অন্তত কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকে!
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৮421719
  • ইয়েস ইয়েস বড় এস।

    দিব্যা ভারতী, একেবারে আগুন মহায়!!

    " আশিকি মে হর
    আশিক হো যাতা হ্যায় মজবুর"

    কিংবা

    " আয়সি দিবানা হি "

    কী গান মহায়!!

    মাইন্ড ব্লোয়িং
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৪421718
  • @অর্জুন, বিবেকানন্দ-রামকৃষ্ণ নিয়ে অসংখ্য হার্ড কপি-সফট কপি আমার সংগ্রহে আছে মানে যেগুলো প্রশ্নচিহ্ন উল্লেখ করেছেন সেগুলো সমেত আরও প্রচুর নতুন নতুন বই ও লেখা। সেসব সাইটে বলব না। মুখোমুখি দেখা হলে বলা যাবে। সুধু বারংবার বার্কের উল্লেখ হচ্ছে দেখে বলি মেরি লুই বার্ক অনুযায়ী ‘আধ্যাত্মিক অনুভূতির দিক দিয়ে বিচার করলে শ্রোতারা [শিকাগোর] ছিল সাধারণ মানের। ... ধর্মমহাসম্মেলনের শ্রোতারা নিজেরাই সঠিকভাবে জানত না যে কেন তারা স্বামীজির প্রথম সম্ভাষণেই এতখানি অভিনন্দন জানাল’।
  • S | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৩421717
  • বলি কি এইসব বিবেকানন্দ ছেড়ে দিব্যা ভারতী, ডিজে আকিল, গামছা নিয়ে আলোচনা করলেই তো ভালো ছিলো।

    ব বাবুকেও শুভ বিজয়া।
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২৯421716
  • @পিটি, আপনি অত্যন্ত ভদ্র মানুষ। প্রফুল্লচন্দ্র-র দু'টো উক্তি উদ্ধৃত করে আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন আমি আমার পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত থেকে সেই কোটকে অস্বীকার করতে চাইছি কি না। না। কারও সম্পর্কেই মূল্যায়ন করতে গেলে আগে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই অনুযায়ী তথ্য সাজানো ইতিহাসসম্মত নয়। তবুও আপনি যেহেতু বামপন্থী এবং অ্যাপিল টু অথরিটিতে বিশ্বাসী নন তাই সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা ইচ্ছে করেই উল্লেখ করিনি।

    এখন করছি (উদ্ধৃতি তো আমারও কম পড়ে নাই!)।

    Hinduism এর revivalism এর সূত্রপাত করেন বিবেকানন্দ। আমি অনেক জায়গায় বলেছি যে স্বামীজীই বাংলাদেশের মুখ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন কালীঘাটের দিকে। রামমোহন, বিদ্যাসাগর যে বিচারশীলতা ও যুক্তিবাদের ধারা বইয়ে দিয়েছিলেন আমাদের দেশে তার স্রোত রুদ্ধ করে দেন বিবেকানন্দ Neo-Hinduismএর বালির বাঁধ খাড়া করে (শৈলেন্দ্রনারায়ণ ঘোষালকে লেখা সৌমেন্দ্র্যনাথ ঠাকুরের চিঠি)
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১৬421715
  • প্রসঙ্গত আমি ও প্রশ্নচিহ্ন পরস্পরের বন্ধু। লেখার ধরণ দেখেই আন্দাজ করেছিলাম। দশমীর দিন ফোন করে সে ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হই। উনি দুঃখ করে বলেছিলেন দুখেদা থাকলে তাঁকে কীবোর্ড ধরতে হত না। আমিও পাল্টা বলেছিলাম দীপ থাকলে আমাকেও কীবোর্ড ধরতে হত না। কিন্তু বন্ধু মানে স্তাবক নন। সেটা তিনি ও আমি - উভয়েই মনে করি।
  • এলেবেলে | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১১421714
  • এইবারে আরও খুল্লমখুল্লা বিবুদার ঢপবাজি ও রাকৃমি-র জোচ্চুরির গপ্পো।

    ১) স্বামী সারদানন্দ ও অন্যান্য গুরুভাইদের বিবেকানন্দ আপন পাঠ্যপদ্ধতি সম্বন্ধে বলেছিলেন - ‘প্রবেশিকা পরীক্ষার আরম্ভের দুই-তিন দিন মাত্র থাকিতে দেখি জ্যামিতি কিছুমাত্র আয়ত্ত হয় নাই; তখন সমস্ত রাত্রি জাগিয়া উহা পাঠ করিতে লাগিলাম এবং চব্বিশ ঘন্টায় উহার চারখানি পুস্তক আয়ত্ত করিয়া পরীক্ষা দিয়া আসিলাম’। সেই আমলের প্রবেশিকা পরীক্ষায় কেবল জ্যামিতির বিষয়ে চার চারখানা বই!

    ২) ১১ জুলাই ১৮৯৪তে আলাসিঙ্গাকে তিনি লেখেন ‘In the Detroit lecture[s] I got $ 900, i.e., Rs. 2,700. In other lectures, I earned in one $ 2,500, i.e., Rs. 7,500 in one hour, but got only 200 dollars! অথচ বিবেকানন্দের ২ নভেম্বর, ১৮৯৩ এ আলাসিঙ্গাকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন ‘Mr. Ingersoll gets five to six hundred dollars a lecture. He is the most celebrated lecturer in this country’। মানে Ingersoll লেকচার পিছু পাঁচ থেকে ছ'শো ডলার পান অথচ বিবুদা পান কমসে কম ন'শো ডলার!

    ৩) বিবুদার প্রথম ইংরেজি জীবনী ‘The Life of the Swami Vivekananda’-র প্রথম সংস্করণে লেখা হয় ‘…He plunged into the ocean and in spite of numerous sharks swam across to the temple, his mind eager as a child to see the Mother. And reaching the shrine he fell prostrate in ecstasy before the Image of the Goddess…'। ১৮৮৯ থেকে বিবেকানন্দ কোমরের বাতের জন্য বড় একটা হাঁটতেই পারতেন না, সাঁতরানো তো দূরের কথা। লেখকরা এটাও জানতেন না যে, কন্যাকুমারী দেবীর মন্দির সমুদ্রের মধ্যেকার দ্বীপে নয় বরং প্রধান ভূখণ্ডে অবস্থিত! এবং তার পরেও মিশন বিবেকানন্দ শিলার জোচ্চুরি নিয়ে আজ অবধি উচ্চবাচ্য করেনি।

    ৪) ১৭ জুলাই ১৮৯৮ স্বামী ব্রহ্মানন্দকে তিনি লেখেন ‘ব্রহ্মজ্ঞানীর শরীরে ঔষধ ধরে না’ অবশ্য তার আগে ওই বছরেই ২০ মে তাঁকে ‘কবিরাজী একটা ভাল ডিস্পেপসিয়ার ঔষধ’ শীঘ্র পাঠানোর অনুরোধ করেছিলেন! ২ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ বেলুড় থেকে জোসেফিন ম্যাকলাউডকে লিখছেন : বৈদ্যনাথে বায়ু-পরিবর্তনে কোন ফল হয় নি। ... মৃতকল্প অবস্থায় আমাকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়। এখানে এসে বেঁচে উঠবার লড়াই শুরু করেছি। ডাঃ সরকার আমার চিকিৎসা করছেন। আগের মতো হতাশ ভাব আর নেই। অদৃষ্টের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েছি। লস এঞ্জেলেস থেকে ২৩ ডিসেম্বর, ১৮৯৯ নিবেদিতাকে জানাচ্ছেন “সত্যি, আমি চৌম্বক চিকিৎসা-প্রণালীতে (magnetic healing) ক্রমশঃ সুস্থ হয়ে উঠছি”।

    ৫)বিবেকানন্দ তাঁর ডায়াবেটিস ও বাত সম্পর্কিত যে ‘অদ্ভুত’ যুক্তি পেশ করেন তা এই রকম — In India the moment I landed, they made me shave my head, and wear ‘Kaupin’(loin cloth), with the result that I got diabetes, etc. Saradananda never gave up his underwear-this saved his life, with just a touch of rheumatism and comment from our people। আশ্চর্যের ব্যাপার চিঠির এই অংশটুকু বিবেকানন্দের বাংলা রচনাবলী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে!

    ৬) "বহরমপুরে যে প্রকার কার্য হইতেছে, তাহা অতীব সুন্দর ... ঐ যে কাজ, অতি অল্প হইলেও ওতে বহরমপুর একেবারে কেনা হয়ে গেল - এখন যা বলবে, লোকে তাই শুনবে ... ঐ রকম যদি দশটা district পারতে, তাহলে দশটাই কেনা হয়ে যেত" (স্বামী ব্রহ্মানন্দকে লেখা, ১০ই জুলাই ১৮৯৭) এই কাজের বিনিময়ে 'কেনা' ব্যাপারটা কী? আজকের বুথ ক্যাপচারের পুরনো মডেল?

    ৭) এইবারে সবচেয়ে বড় জোচ্চুরি 'কথামৃত'-র কথা। কথামৃতই যে রামকৃষ্ণ-জীবনীর ভবিষ্যৎ মাপকাঠি হবে সে সূচনা করে গিয়েছিলেন খোদ বিবেকানন্দ। ১৮৯৭ সালের ১২ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডি থেকে লেখা প্রথম ও ওই বছরেরই ২৪ নভেম্বর দেরাদুন থেকে লিখিত দ্বিতীয় পত্রে শ্রীম-র দু’খণ্ডে লেখা ‘Gospel of Sri Ramakrishna’-র ভূয়সী প্রশংসা করেন বিবেকানন্দ। রামকৃষ্ণের সঙ্গে আলাপচারিতার পনেরো থেকে পঞ্চাশ বছর পরে কথামৃত প্রকাশিত হয় (১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০, ১৯৩২) এবং তা তাঁর জীবনের শেষ সাড়ে চার বছরের মধ্যে কেবলমাত্র ১৮৬ দিনের কথা। মূল ডায়েরির সম্পূর্ণ বয়ান আজ অবধি জনসমক্ষে আনা হয়নি।

    কথামৃতের ইংরেজি অনুবাদ ‘Gospel of Sri Ramakrishna’ প্রকাশিত হওয়ার পর দার্শনিক ও পণ্ডিত মহেশচন্দ্র ঘোষ তাঁর গ্রন্থ সমালোচনায় বাংলা ও ইংরেজি পাঠের বৈসাদৃশ্যই শুধু তুলে ধরেননি, এই কথামৃত যে শ্রীম-র, রামকৃষ্ণের নয় তাও প্রতিপন্ন করেছিলেন। তিনি লেখেন — The materials of the English version have been drawn from the Bengali edition. But unfortunately there are omissions, additions and alterations in the English edition. These seem to be an afterthought. When there is found even one purposive interpolation the genuineness of the writings of the author and his scrupulosity regarding historical accuracy become doubtful. In fact the belief is current in many quarters that the Ramkrishna as depicted by ‘M’ (Babu Mahendranath Gupta) is not the real Ramkrishna but the Ramkrishna of M - a revised, modified expurgated and magnified version of the real Ramkrishna. We cannot vouch for the historical accuracy of all the facts, but we believe the most of the saying of the saint are correctly recorded in the book. For devotional purposes, there may not arise any question as to the authenticity of the book; but when sectarian and doctrinal questions arise, we should accept the facts with cautions.

    এমনকি ১৯৩১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর (২৫ ভাদ্র ১৩৩৮) ত্রিষ্টুপ মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রনাথ লেখেন — ‘পরমহংসদেবকে একদিন দশমিনিটের জন্য দূর থেকে দেখেচি। বিবেকানন্দ ও নিবেদিতাকে আমি আরো ভালো করে জানতুম। পরমহংসদেবের কথোপকথনের যে বিবরণ আমি পড়েচি তার কোনো কোনো অংশ মনে হল বিদেশী সাধকদের কথা থেকে সংগৃহীত।'

    রামকৃষ্ণর ‘কাঞ্চন-বৈরাগ্য’ এবং ‘টাকা মাটি, মাটি টাকা’ তত্ত্ব শুনে তাঁকে প্ররোচিত করার জন্য বঙ্কিম বলেন ‘টাকা মাটি! মহাশয়, চারটা পয়সা থাকলে গরিবকে দেওয়া হয়। টাকা যদি মাটি, তাহলে দয়া পরোপকার করা হবে না?’ রামকৃষ্ণ ক্ষিপ্ত হয়ে বলে ওঠেন ‘দয়া! পরোপকার! তোমার সাধ্য কি যে তুমি পরোপকার করো? মানুষের এত নপর-চপর কিন্তু যখন ঘুমোয়, তখন যদি কেউ দাঁড়িয়ে মুখে মুত দেয়, তো টের পায় না, মুখ ভেসে যায়। তখন অহঙ্কার, অভিমান, দর্প কোথায় যায়?’ এই ‘পরোপকার’কেও তিনি বিষয়চিন্তা মনে করতেন। অথচ রামকৃষ্ণর মৃত্যর পর রামকৃষ্ণের নামেই মিশন প্রতিষ্ঠা করে বিবেকানন্দ সুপরিকল্পিত লোকসেবাকেই মিশনের মূল লক্ষ্য করে নেন। এবং এই লক্ষ্য পূরণের জন্য এই প্রসঙ্গে [সমাজসেবা] শম্ভু মল্লিকের সঙ্গে রামকৃষ্ণের যোগাযোগের দীর্ঘ বিবরণ লীলাপ্রসঙ্গতে থাকলেও কথামৃত-এ উদ্ধৃত কথোপকথন পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়।

    ৮) বিবেকানন্দের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর গুরুভাইরা নিবেদিতাকে চিঠি লিখে দু'সপ্তাহের মধ্যেই খবরের কাগজে ঘোষণা করে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সঙ্গে সমস্ত সংস্রব পরিত্যাগ করার হুমকি দেন, অন্যথায় তাঁকে প্রকাশ্যভাবে বহিষ্কার করা্র কথা বলা হয়। বেঁচে থাকাকালীন তো নয়ই, এমনকি নিবেদিতার মৃত্যুর সাত বছর পর অবধি তাঁর স্কুলের দায়িত্ব মিশন নেয়নি। যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হলেও মিশন তাঁর চিকিৎসা বা শুশ্রূষারও কোনও ব্যবস্থা করেনি। হঠাৎ আজ নিবেদিতাকে নিয়ে তাঁদের দরদ উথলে উঠেছে!

    ৯) রবীন্দ্রনাথ তথা ঠাকুরবাড়ি সম্পর্কে কেমন ধারণা বিবুদার? ১১ই মার্চ ১৮৯৯ তিনি বলেন, “মার্গট, তুমি যতদিন ওই ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে তোমার মেলামেশা চালিয়ে যাবে ততদিন আমাকে বার বার সাবধান করে যেতেই হবে। মনে রেখো, ওই পরিবার বঙ্গদেশকে শৃঙ্গাররসের বন্যায় বিষাক্ত করেছে”। অথচ রবীন্দ্রনাথ ১২ জুলাই ১৯০২ সাউথ সুবার্বান স্কুলে বিবেকানন্দের স্মরণসভায় গেছেন; ১৩ অক্টোবর ১৯০৪ থেকে ২৩ অক্টোবর ১৯০৪ পর্যন্ত এগারো দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা উৎসবে যোগ দিতে গয়ায় গেছেন; ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫ বিবেকানন্দ জন্মোৎসবে বেলুড় মঠে গেছেন এমনকি ১ মার্চ ১৯৩৪ বিবেকানন্দের মৃতুতে শ্রদ্ধাঞ্জলী জানিয়েছেন।

    শেষ করি রবীন্দ্রনাথকে দিয়েই। ৩ রা মার্চ ১৯৩৭এ বিশ্ব ধর্মমহাসভায় রবীন্দ্রনাথ বলেন — যখনই আমাদের মনে এরকম একটি বিশ্বাস জন্মায় যে যেহেতু আমরা একটি বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত অতএব আমাদের ঈশ্বরলাভ ঘটেছে — তখনই সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্যবশত অন্যান্য সম্প্রদায়, ঈশ্বর সম্পর্কীয় কল্পনার দ্বারা যারা আমাদের থেকে পৃথক, অধিকতর নৃশংসতায় তাদের মাথা-ভাঙা ছাড়া এই ঈশ্বরকে আর আমাদের প্রয়োজন পড়ে না। ধর্মবিশ্বাসের কোনো অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চলে ঈশ্বরকে স্থাপন করে, আমরা নির্দ্বিধায় সমগ্র বাস্তব জগৎটাকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলে ধরে নিতে পারি — অসীমের বিস্ময়কে বাস্তব থেকে বিচ্ছিন্ন করে নগণ্য আসবাবপত্রের মতো তাকে অকিঞ্চিৎকর বলে ঠেলে ফেলি। এই ধরণের চূড়ান্ত বর্বরতা তখনই সম্ভব, যখন নিজেদের ঈশ্বরবিশ্বাসী মনে করলেও, নিজেদের জীবনবোধে বাস্তবিকই তাকে অস্বীকার করে চলি প্রতিনিয়ত।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৯421713
  • দেকেচো দেকেচো আসল লোক ঈশেনের নাম বাদ গেছে।

    ধম্মে সইবে??
  • b | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৪421712
  • বাঙালদেশে খুব বৃষ্টি হয় তো, তাই বাঙালরা গামছা, প্যান্ট, ধুতি, আন্ডারওয়ার, জাঙ্গিয়া, বারমুডা ইত্যাদি কেনেই না, স্রেফ পয়সার অপচয়। এক ব্ছর বন্যা একটু বেশি হয়েছিলো, সেই বছর বাঙালরা শুধু টুপি কিনেছিলো।
  • | ১০ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৩৪421710
  • কাজু, চাপ টা হল সবাই কে শুভ বিজয়া জানাতে চাই না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত